গ্যাস সরবরাহে গতি আনতে এলএনজি আমদানির নতুন অনুমোদন

আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪১তম সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উপস্থাপিত এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রস্তাবের বিবরণ অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে আগামী ১৩-১৪ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪.৬২৫ মার্কিন ডলারে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এছাড়া যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস থেকে ২৩-২৪ সেপ্টেম্বর সময়ে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৪.২৫ মার্কিন ডলার দরে আরও এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। সভায় এলএনজি ক্রয়ের এই প্রস্তাবসহ মোট ১৩টি উন্নয়ন ও ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপন ও অনুমোদন পায়।
/আশিক
ধর্ষণের পর হত্যা বেড়েছে ৮১ শতাংশ, আজও একই প্রশ্ন নারীর নিরাপত্তায়
দেশে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার ভয়াবহতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত বছর পুরো ১২ মাসে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছিলেন ৫৫ জন; অথচ চলতি বছরের প্রথম সাত মাসেই এ ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা ৫৮ জনে পৌঁছেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এমন তথ্য সামনে এসেছে। মাসিক গড় তুলনা করলে ধর্ষণের পর হত্যার হার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮১ শতাংশ বেশি। এমন উদ্বেগজনক বাস্তবতার মধ্যেই আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) পালিত হচ্ছে ইয়াসমিন হত্যা দিবস বা নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস।
দিনটি বাংলাদেশের নারী অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর অধ্যায়ের স্মারক। ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট দিনাজপুরের কিশোরী ইয়াসমিন ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশের একটি টহল দলের হাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়েছিল। পরে তার মরদেহ সড়কের পাশে পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে দিনাজপুরে তীব্র গণআন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুলিশের গুলিতে সাতজন নিহত হন। পরবর্তী সময়ে ২৪ আগস্ট নারী নির্যাতন প্রতিরোধের প্রতীকী দিনে পরিণত হয়।
ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ পর্যন্ত হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে রংপুরের বিশেষ আদালত তিন পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং ২০০৪ সালে তাদের দণ্ড কার্যকর হয়। কিন্তু তিন দশকের বেশি সময় পরও ইয়াসমিনের ঘটনা যে প্রশ্ন সামনে এনেছিল নারী ও কন্যাশিশু কতটা নিরাপদ তার সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি। বরং সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান যৌন সহিংসতার আরও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে, ২০২৫ সালে দেশে অন্তত ৭৪৯টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। এর মধ্যে ৫৬৯টি একক এবং ১৮০টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা। গত পাঁচ বছরে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন দুই শতাধিক নারী ও শিশু। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর এসব পরিসংখ্যান মূলত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ও তাদের কাছে আসা ঘটনার ভিত্তিতে তৈরি হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বিশেষ করে যেসব ঘটনা মামলা বা সংবাদমাধ্যম পর্যন্ত পৌঁছায় না।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক তথ্যও পরিস্থিতির গভীরতা নির্দেশ করছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে দেশে ২৫৮ নারী ও ৮৩ কন্যাশিশুসহ মোট ৩৪১ জন নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছেন। তাদের উপস্থাপিত পরিসংখ্যানে ৬৩টি ঘটনা ধর্ষণ ও ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই মহিলা পরিষদের হিসাবে ১ হাজার ৩৫ নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। ওই সময় ২৫০ জন ধর্ষণ, ৬৫ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং অন্তত ১৮ জন ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। একই সময়ে ৫৩ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছিল।
সাম্প্রতিক কয়েকটি নৃশংস ঘটনা এই পরিসংখ্যানের পেছনে থাকা মানবিক বিপর্যয়কেও সামনে এনেছে। মাদারীপুরের শিবচরে ২৮ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ওই নারীর এক বছর বয়সী শিশুসন্তানকেও আড়িয়াল খাঁ নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় ধর্ষণের পর পরিচয় গোপন করা, অপরাধের আলামত নষ্ট করা কিংবা ভুক্তভোগী যাতে সাক্ষ্য দিতে না পারেন এমন উদ্দেশ্য হত্যাকাণ্ডের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন।
নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার পেছনে একক কোনো কারণ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম সমাজে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা, মাদকের বিস্তার এবং অপরাধের কার্যকর বিচার না হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন। তার বক্তব্যে নৃশংসতার মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এসব ঘটনা নিয়ে কাজ করা মানবাধিকারকর্মীরাও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছেন।
‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’-এর প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতাকে বড় প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখছেন। তার মতে, নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে মামলা উচ্চ আদালতে যাওয়ার পর সাধারণ ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা অনেক ক্ষেত্রেই কঠিন হয়ে পড়ে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামালও আইন থাকার পাশাপাশি তার কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের প্রক্রিয়ায় পুলিশ, চিকিৎসক, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও বিচারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত সহযোগিতা না থাকলে ভুক্তভোগীর বিচার পাওয়ার পথ কঠিন হয়ে যায়। এর সঙ্গে সামাজিকভাবে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির অর্থনৈতিক, সামাজিক বা রাজনৈতিক প্রভাব যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন সহিংসতার মামলায় ঘটনার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা ও দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ দ্রুত নথিভুক্ত করা, সময়মতো মেডিক্যাল পরীক্ষা, ডিএনএসহ ফরেনসিক আলামত যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে মামলার প্রমাণভিত্তি শক্তিশালী হয়। শিশু ভুক্তভোগীদের ক্ষেত্রে বয়সোপযোগী ও শিশুবান্ধব পরিবেশে সাক্ষ্য ও জিজ্ঞাসাবাদের ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুদের বয়স অনুযায়ী ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, নিরাপদ ও অনিরাপদ স্পর্শ, যৌন হয়রানি শনাক্ত করা এবং বিপদের ক্ষেত্রে কোথায় সহায়তা চাইতে হবে এসব বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ‘পারিবারিক সম্মান’ বা সামাজিক মর্যাদা রক্ষার অজুহাতে নির্যাতনের অভিযোগ গোপন করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার তাগিদ রয়েছে।
ইয়াসমিন হত্যার ৩১ বছর পর তাই ২৪ আগস্ট কেবল একটি মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণদিবস নয়; দিনটি রাষ্ট্র ও সমাজের সামনে জবাবদিহির প্রশ্নও তুলে ধরে। ইয়াসমিন হত্যায় দোষীদের সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে কেবল কঠোর আইন বা শাস্তির বিধান যথেষ্ট নয়। অপরাধ প্রতিরোধ, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ফরেনসিক সক্ষমতা, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর সুরক্ষা, সময়োপযোগী বিচার এবং নারীর প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সবগুলো ক্ষেত্রেই সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।
-রফিক
বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট কনস্টিটিউয়েন্সির ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগামী তিন বছরের জন্য তিনি চুক্তিভিত্তিক এ দায়িত্ব পালন করবেন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।
প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী, আবদুর রহমান খানের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) ও তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে এই নিয়োগ কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কোনো ধরনের কর্ম-সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবেন না। যোগদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত ওয়াশিংটনে তার এই মেয়াদ কার্যকর থাকবে এবং অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য, মো. আবদুর রহমান খান ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। এর পূর্বে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের ২৯ জুন এনবিআর চেয়ারম্যান হিসেবে তার নিয়মিত সরকারি চাকরির মেয়াদ সম্পন্ন হয়।
/আশিক
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাড়ছে খরচ, যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হারে নতুন চার্জ যুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে। বাহ্যিকভাবে এই চার্জের পরিমাণ সামান্য মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে দেশের সার্বিক ব্যয়ের ওপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে।
এ বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে ‘সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি’ (এসএনএ) চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তিটি স্বাক্ষরের ব্যাপারে মতামত চেয়ে গত ১৮ আগস্ট অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। দ্রুত এই চুক্তি সম্পন্ন না হলে এনভিভিএনের মাধ্যমে নির্ধারিত ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিতে কারিগরি ও আইনি জটিলতা তৈরির ঝুঁকি রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের চিঠির তথ্যমতে, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুরুতে প্রতি ইউনিটে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছিল। পরবর্তীতে পিডিবির আবেদনের প্রেক্ষিতে তা অর্ধেক কমিয়ে ০.০০৫ রুপি করা হয়। মূলত আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সময়সূচি নির্ধারণ, মিটারের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, সরবরাহ ও ব্যবহারের হিসাব সমন্বয় এবং গ্রিড পরিচালনার ব্যয় নির্বাহে এই এসএনএ ফি দাবি করা হয়েছে। নেপাল ও ভুটানের ক্ষেত্রেও একই হারে এই চার্জ প্রযোজ্য।
বর্তমানে বিভিন্ন চুক্তির আওতায় ভারত থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে এনভিভিএন ও পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে মোট ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াটের জন্য নতুন এসএনএ চুক্তি কার্যকর হবে। তবে আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের গড্ডা কেন্দ্র থেকে আমদানিকৃত ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ক্রয়চুক্তিতে ইতোমধ্যে এই ধরনের চার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকায় সেটির জন্য আলাদা চুক্তির প্রয়োজন পড়বে না।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আদানি পাওয়ার, এনভিভিএন, পিটিসি ইন্ডিয়া ও সেম্বকর্প—এই চার উৎস থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১ হাজার ৬৪১ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানি করেছে। এতে মূল বিদ্যুৎ বাবদ ১৬ হাজার ৯৯৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং হুইলিং চার্জসহ সর্বমোট ১৭ হাজার ২১১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে শুধু আদানি পাওয়ারের ৮০৩ কোটি ইউনিট বিদ্যুতের পেছনে খরচ হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভরতা যেমন বাড়ছে, তেমনি নতুন এই চার্জের ফলে সামগ্রিক বিদ্যুৎ আমদানির খরচও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
/আশিক
বিপুল জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী
একটি উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করার যে কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রহণ করেছেন, সরকার সেই লক্ষ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েই কাজ করছে। এজন্য সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর সোবহানবাগে আয়োজিত ‘দক্ষ ও উৎপাদনশীল বাংলাদেশের লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তির বিপুল চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান শক্তি। তাদেরকে যদি যথাযথ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় গড়ে তুলে বিদেশে পাঠানো যায়, তবে দেশের অর্থনীতি আরও বেশি গতিশীল ও শক্তিশালী হবে। এই কারণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশে আরও চারটি নতুন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এর পাশাপাশি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে একটি আধুনিক ও মানসম্মত মডেল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং এজন্য একটি পৃথক বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে কার্যকর মানব সম্পদে পরিণত করতে টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (টিভিইটি) গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে কারিগরি শিক্ষা অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। তাই প্রচলিত বা গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার গণ্ডি থেকে বেরিয়ে যুগোপযোগী কর্মমুখী শিক্ষার দিকে সবাইকে অগ্রসর হতে হবে।
/আশিক
গ্যাস সংকটের জন্য সরকার দায়ী নয়, যুদ্ধের প্রভাব: রিজভী
বৈশ্বিক সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব দেশীয় গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহের ওপর পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, চলমান গ্যাস সংকটের পেছনে বৈশ্বিক অস্থিরতা ও প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে এবং গ্যাস সংকটের প্রভাবে কোথাও কোথাও শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষের জন্য সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা চলছে। যেসব অঞ্চলে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, সেখানে দ্রুত জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, জনগণের কাছে সরকারের পূর্ণ দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। জনসেবা ও সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে একটি দায়িত্বশীল সরকার কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, বর্তমান প্রশাসন তা প্রমাণ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন স্বপনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
পরিবার নিয়ে বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনের সরকারি বাসভবনে উঠেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বঙ্গভবনে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানায়। পরে অশ্বারোহী দলের এসকর্টে রাষ্ট্রপতির গাড়ি বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল মাঠে পৌঁছায়।
ক্রেডেনশিয়াল মাঠে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেয় প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস দল। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, জনবিভাগের সচিব এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী, প্রেস সচিব সরওয়ার আলম এবং সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানান।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে নিজ কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন। এ সময় তিনি বঙ্গভবনের পরিদর্শন বইয়েও স্বাক্ষর করেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী হিসেবে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে বসবাস করতেন।
/আশিক
এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ভাইস এডমিরাল থেকে এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত আনুষ্ঠানিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাকে এডমিরাল র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নবপদোন্নতিপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান।
র্যাংক ব্যাজ পরানোর সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, প্রতিরক্ষা সচিব এবং সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্য দিয়ে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মাথায় এডমিরাল পদে উন্নীত হলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।
এর আগে গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে নৌবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড, প্রশিক্ষণ, কৌশলগত পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দেশের বাইরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি।
খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন। রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে নৌ-প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই এক্সিকিউটিভ ব্রাঞ্চে কমিশন লাভ করেন। নৌবাহিনীর ৮৭-এ ব্যাচে জ্যেষ্ঠতা ও মেধার বিচারে তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন।
শিক্ষাজীবনেও ধারাবাহিক সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন এডমিরাল আজীম। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক—উভয় পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান পাওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে সামরিক দায়িত্বের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করেছেন তিনি। এমফিল ডিগ্রির পাশাপাশি স্ট্র্যাটেজিক, ডিফেন্স এবং অপারেশনাল স্টাডিজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ-বিদেশ থেকে প্রথম শ্রেণিসহ তিনটি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স এবং ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের একজন কৃতী গ্র্যাজুয়েট।
দীর্ঘ সামরিক ক্যারিয়ারে এডমিরাল আজীম কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল, কমান্ডার সাবমেরিন, বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্ট এবং নৌবাহিনী সদর দপ্তরের পরিচালক নৌ-অপারেশন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নৌবাহিনীর অপারেশনাল ও কৌশলগত পর্যায়ের এসব দায়িত্ব তাকে বাহিনীর বিভিন্ন সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি কাজ করার বিস্তৃত অভিজ্ঞতা দিয়েছে।
সমুদ্রে কমান্ডের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। বানৌজা ওমর ফারুক, বানৌজা এস আর আমিন, বানৌজা নির্ভয় ও বানৌজা সৈকতসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধজাহাজের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সামরিক কর্মকর্তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এডমিরাল আজীমের। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি লেবানন এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন। নৌবাহিনী প্রধান হওয়ার আগে ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে দায়িত্বকালে বাংলাদেশ-ওমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
পেশাগত দক্ষতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এডমিরাল আজীম নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন সম্মাননা ‘নৌবাহিনী পদক’ (এনবিপি) এবং ‘নৌ পারদর্শিতা পদক’ (এনপিপি) অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ও জাতীয় স্কাউট পুরস্কারের ‘রৌপ্য ইলিশ পদক’ পেয়েছেন। তিনবার নৌবাহিনী প্রধানের প্রশংসাসূচক ইনসিগনিয়া লাভের পাশাপাশি ‘বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন’ পুরস্কার, সেরা ব্যক্তিগত গবেষণাপত্র পুরস্কার এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার বিশেষায়িত প্রশিক্ষণে সেরা শিক্ষার্থীর স্বীকৃতিও রয়েছে তার ঝুলিতে।
সামরিক দায়িত্বের বাইরেও এডমিরাল আজীম গবেষণা ও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, সামরিক কৌশল এবং নৌ-কৌশলগত বিভিন্ন বিষয়ে তার একাধিক প্রবন্ধ জার্নাল ও সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে গলফ, বাস্কেটবল, দাবা ও টেবিল টেনিসে আগ্রহী তিনি। বাংলা ও ইংরেজিতে সাবলীল হওয়ার পাশাপাশি মালে ও ফরাসি ভাষায় ব্যবহারিক দক্ষতা রয়েছে তার। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বেগম নুরতাজ আজীমের সঙ্গে বিবাহিত এবং তাদের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।
-রফিক
গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গভবনে গিয়ে নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে পৌঁছান তিনি। সেখানে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়।
বঙ্গভবনে পৌঁছানোর পর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল নতুন রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন।
এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এ প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
শপথের পরদিন শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার অন্যতম প্রথম রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি।
রোববার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হলো। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এখন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নথি, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব সম্পাদন করবেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি বিএনপির মহাসচিবের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও নতুন দায়িত্বের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় ও সরকারের নির্বাহী দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগসহ সংবিধান ও আইনে নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বঙ্গভবনে নিয়মিত অফিস শুরু করার মধ্য দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক কার্যক্রমও পূর্ণাঙ্গ দাপ্তরিক রূপ পেল।
-রফিক
গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গভবনে গিয়ে নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে পৌঁছান তিনি। সেখানে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানানো হয়।
বঙ্গভবনে পৌঁছানোর পর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল নতুন রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন।
এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এ প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
শপথের পরদিন শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার অন্যতম প্রথম রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি।
রোববার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হলো। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এখন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নথি, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব সম্পাদন করবেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন। রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি বিএনপির মহাসচিবের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও নতুন দায়িত্বের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় ও সরকারের নির্বাহী দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগসহ সংবিধান ও আইনে নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বঙ্গভবনে নিয়মিত অফিস শুরু করার মধ্য দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক কার্যক্রমও পূর্ণাঙ্গ দাপ্তরিক রূপ পেল।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- গ্যাস সরবরাহে গতি আনতে এলএনজি আমদানির নতুন অনুমোদন
- সোনা-রুপার আজকের দাম, দেখে নিন একনজরে
- তেলের দামে পতন
- আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন একনজরে
- তিন ঘণ্টা মায়ের আকুতি, বাবার শেষ চেষ্টা তবুও মন গলেনি ছেলের
- ধর্ষণের পর হত্যা বেড়েছে ৮১ শতাংশ, আজও একই প্রশ্ন নারীর নিরাপত্তায়
- দুপুরের মধ্যেই ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- মেসির পাশে আবার ডি মারিয়া? মায়ামি নিয়ে নতুন গুঞ্জন
- ‘নতুন ধাপে’ যাচ্ছে ইরান যুদ্ধ, মিত্রদের চায় যুক্তরাষ্ট্র
- ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন
- হরমুজ দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেব না: ইরান
- ট্রেডমার্ক লুক বদলে নতুন চেহারায় হাজির ম্যানচেস্টার সিটির তারকা
- দূতাবাসে হুমকির ই-মেইল: কূটনৈতিক এলাকায় সতর্কতা
- বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার নতুন দায়িত্ব
- নতুন দায়িত্বের পর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথম দাপ্তরিক কাজ
- সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল নিয়ে বড় অগ্রগতির খবর
- বৈদেশিক সহায়তা কাটছাঁট: বিপাকে সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্প
- ব্রাজিল প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর: ফুটবলে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত
- ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে বাড়ছে খরচ, যুক্ত হচ্ছে নতুন চার্জ
- ঢাকাসহ সারা দেশে ঝড়-বৃষ্টির আভাস দিল আবহাওয়া অফিস
- আকাশসীমা নজরদারিতে নতুন প্রযুক্তি: সক্ষমতা বৃদ্ধির তথ্য জানাল বিএনপি
- ২০২৭ সালের রমজান ও দুই ঈদের সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ
- তিন ইনিংসেই স্টার্কের শিকার: দুঃস্বপ্নের অস্ট্রেলিয়া সফর লিটনের
- চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত লড়াই নয়, ছিল লড়াইয়ের মহড়া: শফিকুর রহমান
- বিপুল জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা সরকারের: শিক্ষামন্ত্রী
- মার্কিন হামলার পর বৈশ্বিক নীতিতে বড় পরিবর্তনের হুঁশিয়ারি ইরানের
- গ্যাস সংকটের জন্য সরকার দায়ী নয়, যুদ্ধের প্রভাব: রিজভী
- পরিবার নিয়ে বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম
- এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ
- গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হলেন আশিক চৌধুরী
- বিনামূল্যে প্রাথমিক-জরুরি চিকিৎসার অঙ্গীকার সরকারের
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বহু এলাকায়
- দুই দিনেই ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত
- বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবল জাহাজ, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২
- আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- উপকূলে লঘুচাপের শঙ্কা: আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া নিয়ে পূর্বাভাস
- কোরআনের আদর্শ বাস্তব জীবনে বাস্তবায়নেই মুক্তি মিলবে: জামায়াত আমির
- ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বদলাতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি: AMRA গোলটেবিলে বক্তারা
- সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে ঢাকার ইতিবাচক অবস্থান, গুরুত্ব পাবে জাতীয় স্বার্থ
- রাজনীতি নিছক ক্ষমতা নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পথ: সাইদুর রহমান লিটল
- মেরামতকাজের কারণে রোববার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
- ট্রাম্পের হালকা চালের বক্তব্য ও ইরানের কড়া জবাব: উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য
- টেস্টের প্রথম দিন শেষে লড়াইয়ে ফেরার প্রত্যয় বাংলাদেশি পেসারের
- বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্বের ঘোষণা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের
- তীব্র গ্যাস সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে দেশ
- অবসান হচ্ছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির: নতুন মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ
- ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বদলাতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি: AMRA গোলটেবিলে বক্তারা
- ছয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- নেতাদের জুয়ার মূল্য নগদে শোধ করছে মার্কিন পরিবারগুলো: ইরান
- অবিলম্বে সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ করুক ইরান: ট্রাম্প
- সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ
- দুপুরের আকাশে জ্বলজ্বল করবে তারা: বিরল সূর্যগ্রহণে রেকর্ড গড়বে লুক্সর
- সরকারি অনুদানের চেক গ্রহণ করলেন রেসডোর চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ
- ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী
- তারেক রহমানের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, দেশেই সব উৎসর্গ: রিজভী
- বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক ও জ্বালানি সরবরাহ পর্যালোচনার আশ্বাস ভারতের
- বরফ গলে নতুন রুট: সুয়েজ ও হরমুজকে কি টেক্কা দিতে পারবে চীন-রাশিয়া?
- স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সময় যেসব সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলবেন
- আইন পেশার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বার্তা
- অনুমতি ছাড়া মিছিলের চেষ্টা: হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ নেতা আটক
- বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবল জাহাজ, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২








