সাগরের শাসক: নৌ শক্তিতে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা

সত্য নিউজ: সামুদ্রিক সীমানা রক্ষা, ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব এবং বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তারের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে সমুদ্রভিত্তিক সামরিক সক্ষমতা। আধুনিক যুগে যুদ্ধ কেবল স্থল বা আকাশে সীমাবদ্ধ নয়; সমুদ্রজুড়েও চলছে শক্তির মহাযুদ্ধ। যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনভিত্তিক নৌবাহিনী এখন প্রতিটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক কৌশলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অব মডার্ন মিলিটারি ওয়ারশিপ ২০২৫-এর তালিকায় উঠে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ১০টি নৌবাহিনী, যেখানে প্রযুক্তি, পরিসর, ও নৌযানসংখ্যার বিচারে নানামাত্রিকতা লক্ষ্য করা যায়।
এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের নৌবাহিনী (US Navy) আধুনিক প্রযুক্তি, পারমাণবিক রণতরি এবং বৈশ্বিক মোতায়েন ক্ষমতার দিক দিয়ে এখনও অপ্রতিদ্বন্দ্বী। মোট ২৩২টি সক্রিয় নৌযানের মধ্যে রয়েছে ১১টি বিমানবাহী রণতরি (১০টি নিমিটজ শ্রেণি ও ১টি ফোর্ড শ্রেণি), ৬৪টি সাবমেরিন, ৭৬টি ডেস্ট্রয়ার, ৩৪টি উভচর জাহাজ, ২৬টি কভার্ট ও ৮টি মাইন ওয়ারফেয়ার জাহাজ। যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের ভিত্তি মূলত তাদের পারমাণবিক শক্তিচালিত ফোর্ড শ্রেণির সুপারক্যারিয়ার, যা ভবিষ্যতের নৌযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।
চীন দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও মোট নৌযানসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী। তাদের ৪০৫টি সক্রিয় নৌযানের মধ্যে রয়েছে ৩টি বিমানবাহী রণতরি, ৭৩টি সাবমেরিন (যার মধ্যে ১৮টি পারমাণবিক), ৪৭টি ডেস্ট্রয়ার, ৪৯টি ফ্রিগেট, ৫০টি কভার্ট, ৪৩টি মাইন ওয়ারফেয়ার জাহাজ এবং ১২৭টি উপকূলীয় টহলজাহাজ। যদিও প্রযুক্তির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের থেকে কিছুটা পিছিয়ে, তবুও চীনের নৌবাহিনী দ্রুত সম্প্রসারণশীল একটি সামুদ্রিক পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়ার নৌবাহিনী তুলনামূলকভাবে আকারে ছোট হলেও সাবমেরিন ও কভার্ট-নির্ভর কৌশলে বেশ শক্তিশালী। তাদের ২৮৩টি সক্রিয় নৌযানের মধ্যে রয়েছে ১টি বিমানবাহী রণতরি, ৫৮টি সাবমেরিন, ১০টি ডেস্ট্রয়ার, ১২টি ফ্রিগেট, ৮৩টি কভার্ট এবং ৪৮টি মাইন ওয়ারফেয়ার জাহাজ। রাশিয়া মূলত উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং গভীর সমুদ্রে সাবমেরিন অপারেশনের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
ইন্দোনেশিয়া, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপদেশ হিসেবে, সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরক্ষায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে ২৪৫টি সক্রিয় নৌযান পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪টি সাবমেরিন, ৭টি ফ্রিগেট, ২৫টি কভার্ট এবং ১৬৮টি উপকূলীয় টহলজাহাজ। ইন্দোনেশিয়া প্রযুক্তিগত দিক থেকে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকলেও তাদের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও সামুদ্রিক সীমার পরিধির কারণে কৌশলগত নিরাপত্তায় গুরুত্ব অনেক বেশি।
পঞ্চম স্থানে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আধুনিকীকরণে মনোযোগী। তাদের ১৪৭টি সক্রিয় নৌযানের মধ্যে রয়েছে ২১টি সাবমেরিন, ১৩টি ডেস্ট্রয়ার এবং ১৭টি ফ্রিগেট। যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ সামরিক মিত্র হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী আঞ্চলিক প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
জাপানের মেরিটাইম সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স ‘আত্মরক্ষামূলক’ কাঠামোতে গড়ে উঠলেও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এবং সংহত কমান্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা আধুনিক নৌশক্তি হিসেবে পরিচিত। তাদের ১০৫টি নৌযানের মধ্যে রয়েছে ২৪টি সাবমেরিন, ৪২টি ডেস্ট্রয়ার এবং ২টি হেলিকপ্টারবাহী রণতরি। সংগঠন ও দক্ষতায় জাপানের নৌবাহিনী অনন্য।
ভারতের নৌবাহিনী দক্ষিণ এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারে এবং বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। তাদের ১০০টি সক্রিয় নৌযানের মধ্যে রয়েছে ২টি বিমানবাহী রণতরি (আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও আইএনএস বিক্রান্ত), ১৯টি সাবমেরিন (যার মধ্যে ২টি পারমাণবিক), ১৩টি ডেস্ট্রয়ার, ১৪টি ফ্রিগেট এবং ১৮টি কভার্ট। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির আওতায় নিজস্ব প্রযুক্তিতে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ ভারতকে আরও স্বনির্ভর করেছে।
ফ্রান্সের নৌবাহিনী ইউরোপীয় সামুদ্রিক পরাশক্তি হিসেবে পরিচিত। তাদের ৭০টি সক্রিয় নৌযানের মধ্যে রয়েছে একটি পারমাণবিক বিমানবাহী রণতরি ‘শার্ল দ্য গল’, ৮টি সাবমেরিন, ২১টি ডেস্ট্রয়ার এবং ২০টি ওপিভি। আকাশ, জল ও পানির নিচে—তিন ক্ষেত্রেই তারা একযোগে যুদ্ধ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নেভি ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বসেরা নৌবাহিনীগুলোর একটি। আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে তাদের সক্রিয় বহরে এখন রয়েছে ৫০টি নৌযান, যার মধ্যে রয়েছে ২টি বিমানবাহী রণতরি (এইচএমএস কুইন এলিজাবেথ ও এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস), ৯টি সাবমেরিন, ৬টি ডেস্ট্রয়ার এবং ৮টি ফ্রিগেট। আধুনিক প্রযুক্তি ও ঐতিহ্যের সমন্বয়ে ব্রিটিশ নৌবাহিনী নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করছে।
সবশেষে রয়েছে তুরস্ক, যারা ২০২৩ সালে হেলিকপ্টারবাহী রণতরি অন্তর্ভুক্ত করে তাদের নৌবাহিনীকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। প্রায় ৮০টি সক্রিয় নৌযানের মধ্যে রয়েছে ১৩টি সাবমেরিন, ১৭টি ফ্রিগেট, ৯টি কভার্ট, ৩৪টি ওপিভি এবং ১১টি মাইন ওয়ারফেয়ার জাহাজ। পূর্ব ভূমধ্যসাগর ও ব্ল্যাক সি অঞ্চলে কৌশলগত উপস্থিতি বৃদ্ধিতে তুরস্ক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ও সামুদ্রিক প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এখন বৈশ্বিক শক্তির অন্যতম মাপকাঠি। প্রতিটি রাষ্ট্র তার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান ও কৌশলগত চাহিদা অনুযায়ী নৌবাহিনীকে ঢেলে সাজাচ্ছে, যা আগামী দিনের যুদ্ধ ও কূটনৈতিক কৌশলকে প্রভাবিত করবে।
জেন-জি’র মিছিলে উত্তাল তেহরান: স্বৈরাচারবিরোধী স্লোগানে কাঁপছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের ‘জেন-জি’ বিক্ষোভ। রাজধানী তেহরানে গতকাল রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো রাজপথে নেমে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল করেছেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারির রক্তক্ষয়ী সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এবং হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে এই নতুন দফার আন্দোলন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তেহরানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শরিফ বিশ্ববিদ্যালয় এখন এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা ১৯৭৯ সালের বিপ্লব-পূর্ব শাহ আমলের পতাকা হাতে নিয়ে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে দিচ্ছেন।
আর্থিক দুরবস্থা ও আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির জেরে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন পুরোপুরি সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রূপ নিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, গত এক মাসে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহতের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ (HRANA) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই গণআন্দোলনে নিহতের সংখ্যা সাত হাজারেরও বেশি হতে পারে, যাদের বেশিরভাগই সাধারণ বিক্ষোভকারী। যদিও ইরান সরকার ৩ হাজার মানুষের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে, তবে তাদের দাবি—বিদেশি উসকানিতে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ রুখতে গিয়েই এই সহিংসতা হয়েছে।
বিক্ষোভের পাল্টায় গতকাল তেহরানের বিভিন্ন স্থানে সরকার সমর্থিত তরুণ-তরুণীরাও মিছিল-সমাবেশ করেছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও বেশি সংঘাতময় করে তুলেছে। বিশেষ করে শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি বড় বিদ্যাপীঠের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বসন্তের এই সময়ে তরুণ প্রজন্মের নতুন এই জাগরণ তেহরানের বর্তমান প্রশাসনের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাইরের দেশগুলোর চাপ আর অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ—সব মিলিয়ে ইরান এখন এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
/আশিক
এত চাপ সত্ত্বেও ইরান কেন ‘নতি স্বীকার’ করছে না: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ইরান কেন ‘নতি স্বীকার’ করছে না এই প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি নিয়ে তিনি তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ–এর কাছে ব্যাখ্যা চান।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ জানান, প্রেসিডেন্ট জানতে চেয়েছেন কেন তেহরান এখনো অবস্থান পরিবর্তন করেনি, যদিও যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলজুড়ে উল্লেখযোগ্য নৌ ও সামুদ্রিক শক্তি মোতায়েন করেছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হতাশ নন, কারণ তাঁর হাতে নানা বিকল্প রয়েছে; তবে তিনি কৌতূহলী কেন ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে নতি স্বীকার করছে না।
ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা, তেহরান স্পষ্টভাবে ঘোষণা করবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি অনুসরণ করছে না এবং এর পক্ষে যাচাইযোগ্য পদক্ষেপের রূপরেখা দেবে। এই ইস্যুই দুই দেশের মধ্যে প্রধান অচলাবস্থার কারণ হয়ে রয়েছে।
এদিকে জেনেভায় সাম্প্রতিক বৈঠকের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, উভয় পক্ষ কিছু ‘দিক-নির্দেশনামূলক নীতিমালা’তে একমত হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউসের বক্তব্য অনুযায়ী, মূল ইস্যুগুলোতে এখনো গভীর মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইরান একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দিতে পারে। অপরদিকে আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরানও শিগগিরই একটি পাল্টা খসড়া উপস্থাপন করবে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সামরিক চাপের পাশাপাশি কূটনৈতিক দর-কষাকষিও সমান্তরালভাবে চলছে।
-রফিক
সমুদ্র থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম উত্তেজনার আবহেই সামরিক শক্তিতে বড় ধরণের অগ্রগতির জানান দিল ইরান। প্রথমবারের মতো সমুদ্রভিত্তিক দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ‘সায়াদ-৩জি’ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে দেশটি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী পরিচালিত ‘স্মার্ট কন্ট্রোল’ শীর্ষক এক বৃহৎ নৌ মহড়ার অংশ হিসেবে এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা হয়। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে মহড়াকালে অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ‘শহিদ সায়াদ শিরাজি’ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি মূলত ইরানের স্থলভিত্তিক সায়াদ-৩ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নৌ সংস্করণ, যা এই প্রথমবারের মতো সমুদ্রে কার্যকরভাবে ব্যবহার করল তেহরান।
আইআরজিসির নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে তাদের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সায়াদ-৩জি ক্ষেপণাস্ত্রটি সোজাসুজি উৎক্ষেপণযোগ্য (ভার্টিক্যাল লঞ্চ) এবং এর কার্যকর পাল্লা বা রেঞ্জ প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালীতে শুরু হওয়া এই বিশেষ ‘স্মার্ট কন্ট্রোল’ মহড়াটি টানা তিন দিন ধরে চলে।
এই মহড়ার মাধ্যমে ইরান সমুদ্রভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় তাদের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার জানান দিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা। ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে ‘শহিদ সোলাইমানি’ শ্রেণির সামরিক জাহাজগুলোর জন্য একটি দুর্ভেদ্য আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা যেকোনো আকাশপথের আক্রমণ প্রতিহতে সক্ষম।
উল্লেখ্য যে, সায়াদ-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের আদি বা স্থলভিত্তিক সংস্করণটি প্রথম পরীক্ষা করা হয়েছিল ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর। সেই প্রাথমিক সংস্করণের কার্যকর পাল্লা ছিল ১২০ কিলোমিটার। বর্তমানে নৌ সংস্করণে এর সক্ষমতা আরও ৩০ কিলোমিটার বৃদ্ধি করে ১৫০ কিলোমিটারে উন্নীত করা হয়েছে, যা সমুদ্রে ইরানের নৌবাহিনীর কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
পশ্চিমের দেশগুলোর অবরোধ ও চাপের মুখেও ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে এই ধরণের মহড়া তেহরানের সামরিক প্রভাব বিস্তারের বড় একটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
/আশিক
দিল্লিতে বড় হামলার ছক: তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮
পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ও বাংলাদেশভিত্তিক একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মদদে ভারতে বড় ধরণের নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে অন্তত আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছয়জনকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক উৎপাদন ইউনিট থেকে এবং বাকি দুইজনকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে সূত্রের বরাতে যে ছয়জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে তারা হলেন—মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ এবং মোহাম্মদ উজ্জ্বল।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা ভারতের স্থানীয় পরিচয়পত্রের জন্য জাল আধার কার্ড ব্যবহার করছিল। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তামিলনাড়ু পুলিশ এই সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারের পর দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল চক্রকে ধরতে আরও নিবিড় তদন্ত চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, এই গোষ্ঠীটি মূলত পাকিস্তানের লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে যোগসাজশ রেখে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল।
ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে সূত্র জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লা এবং চাঁদনী চকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরসহ জনাকীর্ণ ও ধর্মীয় স্থানগুলোতে বিস্ফোরণের ভয়াবহ পরিকল্পনা করছিল। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বা আইইডি দিয়ে হামলার ছক কষছিল—এমন সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার মাত্র একদিন পরেই এই আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এই গ্রেপ্তারের ফলে দিল্লিতে একটি সম্ভাব্য বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী হামলা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় ভারতের সীমান্ত এলাকা ও জনাকীর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সৌদি সরকারের বিশেষ পরিকল্পনা: রমজানে ওমরাহ পালনকারীদের জন্য একগুচ্ছ বার্তা
চলতি রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি সরকার। বিশেষ করে পবিত্র রমজানে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে যাতায়াত, স্বাস্থ্যবিধি এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে খালিজ টাইমস। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজান মাসে লক্ষ লক্ষ মুসল্লির সমাগম ঘটে, যার ফলে বিশেষ করে রমজানের শেষ দশ রাতে নামাজের আগে ও পরে গ্র্যান্ড মসজিদের কেন্দ্রীয় এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় তৈরি হয়।
এই ভিড় নিয়ন্ত্রণে ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মুসল্লিদের নির্ধারিত পথ, দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড এবং নিরাপত্তা কর্মীদের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। এমনকি মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল সংকেত ব্যবস্থা বসানো হয়েছে; যেখানে সবুজ বাতি মানে ভেতরে জায়গা খালি আছে এবং লাল বাতি জ্বলে উঠলে বুঝতে হবে ভেতরটি মুসল্লিদের দ্বারা পূর্ণ।
যানজট নিরসন ও যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করতে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে মুসল্লিদের সরকারি বাস, অনুমোদিত ট্যাক্সি এবং হারামাইন হাই স্পিড রেলওয়ে ব্যবহারে বিশেষভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গ্র্যান্ড মসজিদের কেন্দ্রীয় এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল এবং যেকোনো ধরণের অনুমোদনহীন যানবাহন প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মুসল্লিদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে তাদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান ও বৈদ্যুতিক কার্টের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে শিশুদেরকে ভিড় এলাকায় না আনার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমরাহ পালনকারীদের পানিশূন্যতা এড়ানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং কঠোরভাবে অগ্নিনিরাপত্তা বিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক ওমরাহ যাত্রীর জন্য ডিজিটাল অনুমতিপত্র সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ওমরাহ পালনকারীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং যানজট কমাতে নির্ধারিত সময়সূচী ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে। ইবাদতের পবিত্রতা রক্ষায় গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকায় অস্ত্র বহন, ধূমপান, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অননুমোদিত বেচা-কেনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা বা শৃঙ্খলা পরিপন্থী যেকোনো কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে সৌদি সরকার।
/আশিক
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের হানা: টিটিপি ও আইএস আস্তানায় বড় আক্রমণ
আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মূলত ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলার জেরে প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালিয়েছে পাক বিমান বাহিনী। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) শক্তিশালী ঘাঁটি ও গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসব হামলা চালানো হয়েছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান এবং তাদের সহযোগী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ বা আইএসকেপি-এর অন্তত সাতটি সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ শিবির ও আস্তানায় এই ‘নির্বাচিত লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা পরিচালনা করা হয়। পাকিস্তানের এই আক্রমণাত্মক পদক্ষেপকে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরণের উত্তেজনা বৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এই বিমান হামলার মাত্র কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাবুল তিনজন পাকিস্তানি সেনাকে মুক্তি দেয়, যা দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম সীমান্তজুড়ে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনার পর একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ ছিল।
তবে সাম্প্রতিক হামলাগুলো সেই শান্তি প্রক্রিয়ায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। পাকিস্তান সরকার দাবি করেছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড কাজে লাগিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু বড় হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর ও বান্নু জেলায় চরম সহিংসতা। পাকিস্তান তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই অভিযান চালাতে বাধ্য হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি পাকিস্তানের বান্নু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বহরে আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা নিহত হন। এর পরদিন সোমবার বাজাউরে বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি নিয়ে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে আত্মঘাতী হামলায় ১১ জন সেনা ও এক নিষ্পাপ শিশু নিহত হয়। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই হামলাকারী একজন আফগান নাগরিক ছিলেন।
এ নিয়ে কাবুলের তালেবান প্রশাসনের সঙ্গে রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করতে না পারলেও, আফগানিস্তান সরকার অতীতে বরাবরই পাকিস্তানের এই ধরণের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালানোর সুযোগ কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে দেওয়া হয়নি। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
তাঁবুতে ইফতার ও স্বজন হারানোর হাহাকার: ধ্বংসস্তূপের মাঝে গাজার রমজান
বিশ্বের দেড়শ কোটির বেশি মুসলমানের মতো পবিত্র রমজান মাস পালন করছেন গাজার ফিলিস্তিনিরাও। তবে টানা যুদ্ধ, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং স্বজন হারানোর বেদনার মধ্যেই এ বছরের রমজান তাদের কাছে ভিন্ন এক বাস্তবতা নিয়ে এসেছে—শোকের মাঝেও আশা ধরে রাখার সংগ্রাম। গাজার বর্তমান রমজানের এই চিত্র নিয়ে সম্প্রতি পিবিএস নিউজ আওয়ার এক বিশেষ বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। যেখানে উঠে এসেছে গাজাবাসীর যাপিত জীবনের এক ট্র্যাজিক ও সাহসী প্রতিচ্ছবি।
গাজার পুরনো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক আল-জাওইয়া মার্কেটে এখন ঝুলছে রঙিন ফানুস। ৭০০ বছরেরও বেশি পুরনো এই বাজারের একটি অংশ ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তবুও সেই ধ্বংসস্তূপের মাঝেই খেজুর, জলপাই ও রমজানের সাজসজ্জার সামগ্রী নিয়ে আবারও জমে উঠেছে বাজার। যদিও গত অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে এরপরও সেখানে শত শত ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এই শোকের আবহেই গাজাবাসী রমজানকে বরণ করে নিয়েছে।
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ইনাস ওমর বলেন, ধ্বংস আর যুদ্ধের মাঝেও তারা বাজারের প্রাণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। তবে বাস্তবতা অত্যন্ত কঠিন। বিদ্যুৎ সংকট ও নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে অনেকেই রমজানের প্রয়োজনীয় সাজসজ্জা বা ইফতার সামগ্রী কিনতে পারছেন না। দোকানি লুয়াই আল-জামাসি জানান, পণ্য আমদানি সীমিত থাকায় ফানুসের দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আচার বিক্রি করা সাঈদ আল-সাক্কা অত্যন্ত আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমরা হাসি ফেরানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু রমজান এখন ক্ষতির স্বাদ নিয়ে আসে। পরিবারের অনেক সদস্য, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের হারিয়ে ফেলেছি।’
বাসস্থানের ভয়াবহ সংকট গাজার রমজানকে আরও করুণ করে তুলেছে। যেসব পরিবার একসময় বহু কক্ষের আধুনিক ঘরে জমকালো ইফতার আয়োজন করত, তারা এখন বাস করছে ত্রাণশিবিরের ঘিঞ্জি তাঁবুতে। বাস্তুচ্যুত আমাল আল-সামরি জানান, যুদ্ধের আগে রমজান ছিল আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে মিলিত হওয়ার একটি আনন্দময় সময়, আর এখন জীবন এক বড় ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে। তবে এই চরম সংকটেও শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। তারা রঙিন সাজসজ্জা আর ছোট ছোট আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের জন্য কিছুটা আনন্দের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছেন।
স্বেচ্ছাসেবক আবদুলরহমান আবু জাহল বলেন, ‘গাজার শিশুদের টিকে থাকাই এখন এক ধরনের বড় সাফল্য। আমরা চাই তারা অন্তত রমজানে একটু আনন্দ করুক আর নতুন দিনের স্বপ্ন দেখুক।’ ধ্বংসস্তূপের মাঝেও প্রতিদিন সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শেষ হচ্ছে গাজাবাসীর রোজা। প্রতিফলন আর সংযমের এই পবিত্র মাসটি এ বছর গাজাবাসীর কাছে কেবল ইবাদত নয়, বরং ধৈর্য ও অদম্য সাহসে টিকে থাকার এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে।
সূত্র: পিবিএস নিউজ আওয়ার
অস্থায়ী শুল্কের কবলে বিশ্ব: ১৫০ দিনের জন্য নতুন কর নীতি কার্যকর করছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছেন যে, বিশ্বের সব দেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তিনি আরও জানান, ওভাল অফিস থেকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন এবং এই ‘গ্লোবাল ১০ শতাংশ ট্যারিফ’ প্রায় অবিলম্বে কার্যকর হবে। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে লেখেন, ‘সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের নথিতে সই করেছি, যা প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে।’
এই বড় ঘোষণাটি এমন এক সময়ে আসলো যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের বেশিরভাগ শুল্ক সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিয়েছিল। আদালত তার রায়ে জানিয়েছিল যে, জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির জন্য নির্ধারিত একটি বিশেষ আইন ব্যবহার করে ব্যাপক শুল্ক আরোপের মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত তাঁর ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। তবে আদালতের এই রায়কে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রাজস্ব বাড়ানোর বিকল্প পথ অবশ্যই খুঁজবে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, এখন সমন্বয় প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা আগের চেয়ে আরও বেশি রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একটি তথ্যপত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট (ইএসটি) থেকে এই অস্থায়ী আমদানি শুল্ক কার্যকর হতে যাচ্ছে এবং প্রাথমিকভাবে তা ১৫০ দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে মার্কিন অর্থনীতির সুরক্ষার স্বার্থে অত্যন্ত কৌশলী হয়ে কিছু পণ্যকে এই শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও ধাতু, জ্বালানি ও জ্বালানি-সম্পর্কিত পণ্য, কৃষিপণ্য যেমন গরুর মাংস, টমেটো ও কমলা। এছাড়া জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান, কিছু নির্দিষ্ট ইলেকট্রনিকস পণ্য, মহাকাশ ও বিমান শিল্পের সামগ্রী, যানবাহন এবং বইয়ের মতো তথ্যভিত্তিক উপকরণগুলোকেও এই শুল্কের ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সেকশন ২৩২-এর আওতাভুক্ত পণ্য, কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আসা ইউএসএমসিএ-সম্মত আমদানি এবং মধ্য আমেরিকার কিছু শুল্কমুক্ত বস্ত্রপণ্যও এই অস্থায়ী শুল্কের আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, স্বল্পমূল্যের পার্সেলের ক্ষেত্রে প্রচলিত শুল্কমুক্ত ‘ডি মিনিমিস’ সুবিধা স্থগিতের সিদ্ধান্তও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ছোট ছোট অনলাইন চালান বা পার্সেলগুলোও এখন থেকে নতুন এই শুল্কের আওতায় আসবে, যা বিশ্বজুড়ে ই-কমার্স ব্যবসায় বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশনের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত: পর্যটক ভিসায় আর বাধা নেই
দুই মাস বন্ধ থাকার পর ভারতের নাগরিকদের জন্য আবারও পর্যটক ভিসার আবেদন নেওয়া শুরু করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই বিশেষ সেবাটি পুনরায় চালু হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের সাধারণ নাগরিকদের যাতায়াত ও পর্যটন খাতে স্থবিরতা কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হাইকমিশনের ভিসা বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, ভারতীয় নাগরিকদের কাছ থেকে আবারও পর্যটক ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা এই কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া আজ থেকে শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে চাণক্যপুরীর কূটনৈতিক এলাকায় হাইকমিশনের ভিসা কাউন্টারের দেয়ালে টানানো পর্যটক ভিসা স্থগিতের পুরোনো নোটিশটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান যে, এই সময়ে পর্যটক ভিসা বন্ধ থাকলেও অন্যান্য কিছু বিশেষ ক্যাটাগরির ভিসা সীমিত পরিসরে চালু ছিল।
তিনি আরও বলেন, ভিসা কার্যক্রম মূলত পারস্পরিক ব্যবস্থার ওপর পরিচালিত হওয়ায় ব্যবসা ও কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা পুরোপুরি কখনোই বন্ধ করা হয়নি। ফলে সেগুলো আলাদাভাবে আবার নতুন করে চালু করার প্রয়োজন হয়নি। এছাড়া জরুরি প্রয়োজন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনায় ভিসা দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কাভার করতে কয়েকজন ভারতীয় সাংবাদিককেও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ভিসা দেওয়া হয়েছিল বলে ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।
এর আগে সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের মিশনগুলোতে সব ধরনের ভিসা সেবা পুরোপুরি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গত ডিসেম্বর মাসে বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাড়লে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কনস্যুলার ও ভিসা সেবার একটি বড় অংশ স্থগিত হয়ে যায়। তবে এখন পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ধীরে ধীরে সেই সেবাগুলো স্বাভাবিক করার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- জেন-জি’র মিছিলে উত্তাল তেহরান: স্বৈরাচারবিরোধী স্লোগানে কাঁপছে ইরান
- বৃষ্টি আসছে ৪ বিভাগে: আবহাওয়া দপ্তরের ৫ দিনের বড় সতর্কবার্তা
- আজ সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ: জেনে নিন তালিকা
- যানজট এড়াতে জেনে নিন আজকের রাজপথের সব কর্মসূচি
- আজ ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- পবিত্র রমজানের ৫ম দিন; জেনে নিন আজকের নামাজের সময়সূচি
- চাঁদাবাজবিরোধী আন্দোলন এখন সময়ের দাবি : ডা. শফিক
- বইমেলার পর্দা উঠবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে: দেবেন একুশে পদক
- ৫২ বছরের অপেক্ষা শেষ: আবারও চাঁদে যাচ্ছে মানুষ
- ক্রিকেট থেকে বিতাড়িত মঞ্জুরুল: জাহানারার অভিযোগে বড় অ্যাকশন!
- ইফতারের পরই মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির ৫টি সহজ উপায়
- তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ সইবে না চীন: ঢাকার বৈঠকে কড়া বার্তা
- ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করতে বড় অভিযান শুরু
- তারেক রহমান সরকারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী ভারত : প্রণয় ভার্মা
- দায়িত্ব শেষে চিরচেনা আঙ্গিনায় ড. ইউনূস: ফিরলেন কর্মস্থলে
- তিন স্তরের যাচাই শেষে ফ্যামিলি কার্ড: জেনে নিন আবেদনের সব নিয়ম
- ১৮-এর আগেই হাতে আসবে এনআইডি: ইসির নতুন বয়সের ঘোষণা
- ফুল দেবেন না, এখন কাজের সময়, কথা কম কাজ বেশি : অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী
- পুলিশে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর: আদাবর ইস্যুতে কঠোর বার্তা
- থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : বিমানমন্ত্রী
- ২২ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- এত চাপ সত্ত্বেও ইরান কেন ‘নতি স্বীকার’ করছে না: ট্রাম্প
- দলীয় পরিচয়ে চাঁদাবাজিতে ছাড় নয়: ববি হাজ্জাজ
- গণহত্যার বিচার শুরু: কাঠগড়ায় সালমান-আনিসুল
- জিহ্বায় জল আনা স্বাদ: ইফতারে জাদুকরী ফ্রুট কাস্টার্ড রেসিপি
- সচিবালয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূতের চমক: প্রধানমন্ত্রীর হাতে যুবরাজের বিশেষ বার্তা
- সমুদ্র থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
- আজ বিরিয়ানি কোন মসজিদে? সব খবর মিলবে এক ক্লিকেই বিরিয়ানি দিবে অ্যাপে
- ডায়াবেটিস নিয়েও সুস্থভাবে রোজা: সেহরি ও ইফতারের পূর্ণাঙ্গ গাইড
- আজ কিছু মোবাইল সংযোগে সাময়িক নেটওয়ার্ক বিঘ্ন
- দিল্লিতে বড় হামলার ছক: তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮
- আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- লেবুর বাজারে স্বস্তির হাওয়া: হালিপ্রতি দাম কমল প্রায় অর্ধেক
- সৌদি সরকারের বিশেষ পরিকল্পনা: রমজানে ওমরাহ পালনকারীদের জন্য একগুচ্ছ বার্তা
- হাসনাত-পাটওয়ারীদের পথেই জামায়াত আমির: ইনকিলাব স্ট্যাটাসে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
- টিভির পর্দায় আজকের খেলা: ভারত-বাংলাদেশ ফাইনাল থেকে নর্দান লন্ডন ডার্বি
- আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের হানা: টিটিপি ও আইএস আস্তানায় বড় আক্রমণ
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকা ও শপিংমল বন্ধ থাকবে
- আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা
- ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বৃষ্টির হানা: রাতের তাপমাত্রা কমার নতুন আভাস
- আজ ৪ রমজান: জেনে নিন আজকের ৫ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়সূচি
- সকালে বের হওয়ার আগে জেনে নিন আজ রাজধানীতে কোথায় কী কর্মসূচি
- অস্বাভাবিক ব্যয়ের কবলে নতুন দুই মেট্রো রেল: খরচের অঙ্ক আগের চেয়েও দ্বিগুণ
- ববি হাজ্জাজের মাস্টারপ্ল্যান: শিক্ষাক্রমে আসছে তৃতীয় ভাষা
- জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঢাকাসহ ৬ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ১০ থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল কমবে; কেবল নিয়মিত এই একটি কাজ করলেই
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিভাবক হলেন এহসানুল হক মিলন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
- নতুন মন্ত্রিসভায় শপথের আমন্ত্রণ পেলেন যাঁরা
- আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে
- তিন স্তরের যাচাই শেষে ফ্যামিলি কার্ড: জেনে নিন আবেদনের সব নিয়ম
- স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী: কুমিল্লা বরুড়াবাসীর স্বপ্ন পূরণ করতে চান জাকারিয়া তাহের








