কি সুখবর আসছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য

দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আসছে বড় ধরনের সুখবর। বেসরকারি এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকরা এবার সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতাভুক্ত হচ্ছেন। শুধু তাই নয়, অবসরের পর স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় এনে তাদের জন্য স্বাস্থ্যবীমার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের। তিনি বলেন, “আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য এমন একটি কাঠামো তৈরি করছি যাতে তারা অবসরের পরও আর্থিকভাবে নিরাপদ থাকেন এবং প্রয়োজনে স্বাস্থ্যসেবাও পান।”
সচিব জানান, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে আসা শিক্ষকরা অবসরের সময় সঙ্গে সঙ্গে তাদের সঞ্চয়ের ৩০ শতাংশ নগদ হিসেবে তুলে নিতে পারবেন। বাকি অংশের ভিত্তিতে তারা প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পেনশন হিসেবে পেতে থাকবেন। ধারণা করা হচ্ছে, একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কমপক্ষে ৪০ হাজার টাকা মাসিক পেনশন পাবেন।
বর্তমানে শিক্ষকরা মূলত ১০ শতাংশ হারে অবদান রাখেন পেনশন তহবিলে। তবে এটি যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছেন নীতিনির্ধারকেরা। সে কারণেই তাদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, “যেসব শিক্ষকের চাকরির মেয়াদ কমপক্ষে ১০ বছর রয়েছে, তারাও এই পেনশন স্কিমের আওতায় আসতে পারবেন। পাশাপাশি খেয়াল রাখা হবে, কেউ যেন অবসরের পর পূর্বের তুলনায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।”
শুধু আর্থিক সুরক্ষা নয়, অবসরের পর শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতেও কাজ করছে সরকার। সচিব জানান, “অনেক শিক্ষক অবসরের পর স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভোগেন। এজন্য আমরা তাদের স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনতে চাই। এটি একটি অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং অবসরকালীন জীবনে বড় সহায়তা দেবে।”
এই সিদ্ধান্তকে শিক্ষা খাতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে অবসরকালীন সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সর্বজনীন পেনশন ও স্বাস্থ্যবীমা বাস্তবায়িত হলে দেশের লক্ষাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হয়রানি করলে ছাড় নয়! জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার রোডম্যাপ ঘোষণা সরকারের
বর্তমান সরকার এমন একটি প্রশাসন গড়ে তুলতে চায় যেখানে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবে। বুধবার (০৬ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন’-এর বার্ষিক সম্মিলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‘জনসেবায় জনপ্রশাসন’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতি কড়া বার্তাও দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রতিটি যৌক্তিক প্রত্যাশা পূরণে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে আপনারা নির্ভয়ে কাজ করে যান। রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস—আর সেই বিশ্বাস অর্জন করতে হলে প্রশাসনকে অবশ্যই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হবে। প্রশাসনকে কেবল আইন প্রণয়নের যন্ত্র হিসেবে না দেখে একে জনগণের সেবার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। তরুণ সমাজকে দেশের শ্রেষ্ঠ জনসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সচিবালয় থেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁওয়ের অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন সাধারণ ও স্বতস্ফূর্ত অবস্থান প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে যেমন নতুন উদ্দীপনা জুগিয়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
/আশিক
কুয়ালালামপুরে চিকিৎসায় বড় উন্নতি, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মির্জা আব্বাস
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। দীর্ঘ লড়াই ও চিকিৎসার পর তিনি এখন অনেকটা শঙ্কামুক্ত এবং দ্রুত সুস্থতার পথে রয়েছেন। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাসের বরাত দিয়ে শায়রুল কবির জানান, মির্জা আব্বাস এখন পুরোপুরি বিপদমুক্ত। তিনি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। বর্তমানে তার শারীরিক প্রক্রিয়া ও থেরাপি চলছে। মেডিকেল বোর্ডের সবুজ সংকেত পেলে ঈদুল আজহার আগেই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে পরিবারের। এছাড়া আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে তিনি নিজেই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে উপস্থিত হয়ে দোয়া চাইবেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের মাথায় জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে সিঙ্গাপুরে এবং পরবর্তীতে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। বর্তমানে মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।
/আশিক
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পর সীমান্ত সিল! বিজিবি-কে কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে বিজিবি-কে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৬ মে) ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনে বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বাংলাদেশে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইন’ হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ডিসি সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে বিগত সময়ের রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো আগামী এক মাসের মধ্যে তালিকাভুক্ত করে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সঠিক তালিকা তৈরির বিষয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। আসন্ন কোরবানির ঈদে মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে পুলিশকে ‘বডি ক্যামেরা’ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি মহাসড়ক ও রেলপথে অপরাধ রোধে স্থানীয় প্রশাসনকে তদারকি বাড়াতে বলা হয়েছে।
মাদক ও অনলাইন জুয়াকে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অপরাধীদের দমনে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। সাইবার জগতকে নিরাপদ রাখতে এবং তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে প্রশাসনকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
তেলের পর বিদ্যুৎ! ভর্তুকি সামাল দিতে নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি
জ্বালানি তেল ও এলপিজির পর এবার পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ১.৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের ব্যবধান এবং ভর্তুকির চাপ সামাল দিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বুধবার (৬ মে) বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১৭ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে এবং কারিগরি কমিটি এটি পর্যালোচনা শুরু করবে।
সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে খুচরায় ৮.৫ শতাংশ এবং পাইকারিতে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছিল। তাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ৭.০৪ টাকা হয়েছিল। এখনকার প্রস্তাব অনুযায়ী ১৭ থেকে ২১ শতাংশ দাম বাড়লে প্রতি ইউনিটে ১.২০ টাকা থেকে ১.৪৮ টাকা পর্যন্ত দাম যোগ হবে।
পিডিবির কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাদের ঘাটতি ৫৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই ঘাটতি এবং ভর্তুকির চাপ কমাতেই দাম বাড়ানোর এই পথে হাঁটছে সরকার।
উল্লেখ্য, বর্তমান বিএনপি সরকার দায়িত্বে আসার আগে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে সরকার এখন দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই লক্ষ্যে গত ৯ এপ্রিল একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। পিডিবির হিসেব মতে, ইউনিটপ্রতি ১.২০ টাকা দাম বাড়লে সরকারের ভর্তুকি ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা কমবে। তবে সাধারণ মানুষ ও শিল্প মালিকদের জন্য এটি হবে এক বিশাল বোঝা।
/আশিক
একনেকে উঠছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প, বড় সুখবর দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি, সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা জরিপ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। বুধবার (৬ মে) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার এক বিশেষ সভা শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের স্টাডি রিপোর্ট, সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা জরিপ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি খুব শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।’ মন্ত্রী আরও জানান, এই মেগা প্রকল্পটি উত্তরবঙ্গের প্রায় ২৪টি জেলার মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসবে। এটি কেবল সেচ সুবিধা নয়, বরং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা, মৎস্য চাষ এবং সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এই প্রজেক্টকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ ছাড়াও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, তিস্তা প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি বর্তমানে চলছে এবং কারিগরি দিকগুলো আরও গভীরভাবে যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সারাদেশে চলমান খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী সফরে গিয়ে নতুন খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
মন্ত্রী এ্যানি জানান, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে মে মাস পর্যন্ত এই খনন কাজ চলবে এবং পরবর্তীতে নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে পুনরায় কাজ শুরু হবে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলের পানিসম্পদ রক্ষা ও কৃষকদের সুবিধার্থেই সরকার এই মেগা পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চায়।
/আশিক
নির্ধারিত স্থান ছাড়া বসবে না পশুর হাট: প্রতিমন্ত্রী
আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ঢাকায় নির্ধারিত স্থান ছাড়া অন্য কোথাও পশুর হাট বসানো যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত জায়গার বাইরে যত্রতত্র হাট বসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সিটি করপোরেশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় ঈদুল আজহা নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যানজট নিরসন এবং জানমালের নিরাপত্তায় মহাসড়ক ও রেললাইনের পাশে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না।
বিশেষ করে গাবতলী হাটে পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর যে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, তা নিয়ন্ত্রণে এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইজারাদারদেরও এ বিষয়ে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন পরিবহন সূচিতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।
নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, পশুর হাটে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র্যাব ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া প্রতিটি হাটে ইজারাদারদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করবে। জালিয়াতি ও জালিয়াতি চক্র রোধে হাটে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন এবং জাল টাকা শনাক্তকরণ যন্ত্রসহ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। চামড়া ব্যবস্থাপনা ও মূল্য নির্ধারণের বিষয়েও সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
/আশিক
দ্বিগুণ হতে পারে সরকারি চাকুরের বেতন, যা আছে নতুন সুপারিশে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি করার সুপারিশ করেছে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন। গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। কমিশনের এই সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকুরেদের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর পেছনে সরকারের ব্যয় হয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা, যা নতুন কাঠামোতে আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে।
কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে।
অর্থাৎ বেতন বৃদ্ধির হার হতে পারে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত। প্রস্তাবিত কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের বৈষম্য কমাতে অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও বেতন বৃদ্ধির এই ব্যাপক পরিবর্তনের মাঝেও বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।
বেসামরিক কর্মচারীদের পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস এবং সশস্ত্র বাহিনীর জন্য পৃথক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনের কারিগরি ও আর্থিক দিক পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি মূলত তিন ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করবে। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সিনিয়র সচিবদের মতো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য প্রচলিত ধাপের বাইরে বিশেষ ধাপ নির্ধারণের সুপারিশও করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
/আশিক
বাংলাদেশ হবে বিশ্বের সেরা এডুকেশন হাব: শিক্ষামন্ত্রী
বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও সেরা শিক্ষা হাবে পরিণত করার সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রয়োজনীয় মেধা, প্রোগ্রাম এবং ইচ্ছা সবই রয়েছে; এখন শুধু প্রয়োজন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে থেকেও অভাবনীয় অবদান রেখেছিলেন। মাত্র ১৬ দিনে তিনি যে কাজ করেছিলেন, তা ১৬ বছরেও করা কঠিন। এছাড়া তিনি দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার শিক্ষা দর্শনের প্রশংসা করার পাশাপাশি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাকেন্দ্রিক গুরুত্বারোপের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে শিক্ষা সবসময়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে।
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজগুলোকে আকৃষ্ট করার কাজ চলছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতেও বাংলাদেশ বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করত এবং সেই গৌরবোজ্জ্বল সম্ভাবনা আবারও ফিরিয়ে আনা হবে।
একইসঙ্গে বিদেশে উচ্চশিক্ষা শেষে মেধাবীদের দেশে ফিরে আসার ওপর তিনি জোর দেন। টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্টেকহোল্ডারদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক ও ট্রাস্টভিত্তিক ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, সরকার দ্রুত সংস্কার সম্পন্ন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
/আশিক
ইতিহাসে সেরা নির্বাচন! সেনাপ্রধানের কণ্ঠে অসামরিক প্রশাসনের জয়গান
দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনকে অন্যতম সফল ও সুশৃঙ্খল হিসেবে অভিহিত করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, সামরিক ও অসামরিক প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেকোনো কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব, যার বাস্তব উদাহরণ এই নির্বাচন। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
নির্বাচন আয়োজনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে সেনাপ্রধান বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ায় পুরো দেশ আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সেনাবাহিনী এই প্রক্রিয়ায় কেবল সহযোগীর ভূমিকায় থাকলেও মূল দায়িত্ব পালনে ডিসিরা যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা অনন্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এক সময় দেশে নির্বাচন হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সকল জল্পনা-কল্পনা ও বাধা কাটিয়ে জাতিকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের জন্য একটি বিশাল মাইলফলক।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে সেনাপ্রধান বেসামরিক প্রশাসনের সাথে সেনাবাহিনীর সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জেলা প্রশাসকদের আশ্বস্ত করে বলেন, দেশের যেকোনো দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলে তা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট সেনা ফরমেশনগুলো বেসামরিক প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দুই বাহিনীর এই সমন্বয় ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, একই অধিবেশনে সেনাপ্রধানের বক্তব্যের আগে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাও বক্তব্য প্রদান করেন। তারা সবাই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক কাজে প্রশাসনের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সামরিক ও অসামরিক নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার বন্ধন আরও দৃঢ় হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- হয়রানি করলে ছাড় নয়! জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার রোডম্যাপ ঘোষণা সরকারের
- ৪৮ দলের মেগা বিশ্বকাপ: সব ম্যাচ দেখার বিনিময়ে লাখপতি হওয়ার সুযোগ
- কুয়ালালামপুরে চিকিৎসায় বড় উন্নতি, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মির্জা আব্বাস
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- মৃত্যুর ১৭ বছর পরও বিশ্ব সংগীতের রাজা মাইকেল জ্যাকসনই!
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
- ৬০০ বার হামলা চালায় ইরান ইরাকে মার্কিন স্থাপনায়
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- মৌলভীবাজারে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- পায়ে ধরে ইজ্জত ভিক্ষা চেয়েও রক্ষা পাইনি: কুমিল্লায় গৃহবধূর পৈশাচিক আর্তনাদ
- পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পর সীমান্ত সিল! বিজিবি-কে কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- তেলের পর বিদ্যুৎ! ভর্তুকি সামাল দিতে নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি
- ফের ৯ শতাংশ পার মূল্যস্ফীতি, দিশেহারা মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ
- একনেকে উঠছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প, বড় সুখবর দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
- মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে শান্তি! ইরান-আমেরিকার আলোচনায় বড় মোড়
- ৬ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৬ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নির্ধারিত স্থান ছাড়া বসবে না পশুর হাট: প্রতিমন্ত্রী
- অনিদ্রায় ভুগছেন? এই ৫টি অভ্যাস বদলে দেবে আপনার জীবন
- অনুপ্রবেশ রুখতে 'অ্যাকশন মোডে' বিজেপি: ৪৫ দিনেই সীমান্তে জমি বরাদ্দের ঘোষণা
- এরদোগানের বড় চমক: ইস্তাম্বুলে প্রকাশ্যে এলো দানবীয় ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইলদিরিমহান’
- স্বর্ণের পর এবার রুপার দামে বড় লাফ! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- ২৪ ডিগ্রি না কি ২৬ ডিগ্রি? কোন তাপমাত্রায় এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল কমবে
- রাহুল গান্ধীর সমর্থন পেলেন থালাপতি বিজয়: বদলে যাচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজনীতির রঙ
- দ্বিগুণ হতে পারে সরকারি চাকুরের বেতন, যা আছে নতুন সুপারিশে
- ধর্মপুর-ঝাগুরজুলি সড়কের বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে কুমিল্লাবাসী
- বাংলাদেশ হবে বিশ্বের সেরা এডুকেশন হাব: শিক্ষামন্ত্রী
- মেয়র হতে চান নীলা ইসরাফিল: ঢাকা দক্ষিণের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মুখ
- পরাজয় অস্বীকার মমতার: ভোট লুটের অভিযোগ উড়িয়ে যা জানাল কমিশন
- আমাদের আত্মসমর্পণ করানো অসম্ভব: ইরানের প্রেসিডেন্ট
- যুক্তরাষ্ট্রে নিহত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাচ্ছেন মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি!
- মধ্যপ্রাচ্যে নাটকীয় মোড়: পাকিস্তানের অনুরোধে কি নমনীয় হলেন ট্রাম্প?
- আজ ঢাকার আবহাওয়া যেমন থাকতে পারে
- ১ লাখ ৯৬ হাজার টাকায় মিলবে এক ভরি স্বর্ণ, জানুন বিস্তারিত
- বের হওয়ার আগে জেনে নিন আজকের বন্ধ মার্কেট তালিকা
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- ফুটবল-ক্রিকেটে জমজমাট আজকের ক্রীড়ারাত, জানুন সূচী
- আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!
- কেমন পশু কিনলে কুরবানি শুদ্ধ হবে না? শরিয়তের কড়া নির্দেশনা দেখে নিন
- রাতেই ধেয়ে আসছে ৬০ কিমি বেগে ঝড়: ১১ অঞ্চলে আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা
- ইতিহাসে সেরা নির্বাচন! সেনাপ্রধানের কণ্ঠে অসামরিক প্রশাসনের জয়গান
- বাড়ি ফিরতে দুশ্চিন্তা শেষ! দেখে নিন আপনার রুটের ঈদ স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী
- পুলিশে বড় রদবদল: চট্টগ্রামের নতুন এসপি আলোচিত মাসুদ আলম
- টাকা নষ্টের মেগা প্রকল্প আর নয়: সেতুমন্ত্রী
- অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মুরাদনগরে পুলিশের অ্যাকশন: ২ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে ধরা দুই ভাই!
- কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ৩৪ বছরের মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া
- সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন হলে আর ছাড় নয়! ভারতকে কড়া বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- যুদ্ধ শেষ নয়, ইরান হামলার ছক এখনো টেবিলে
- ক্রিকেটে ঠাসা সূচি; বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ও আইপিএলের উত্তাপ আজ
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- ৩০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রাতজুড়ে ক্রিকেট উত্তেজনা, কোন ম্যাচ কখন দেখবেন জানুন সূচী








