আমেরিকার রাজপথে লাখো মানুষের গর্জন: কাঁপছে হোয়াইট হাউস

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ০৯:৩১:৪২
আমেরিকার রাজপথে লাখো মানুষের গর্জন: কাঁপছে হোয়াইট হাউস
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ শুরুর ঠিক এক মাসের মাথায় আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর ‘নো কিংস’ (No Kings) আন্দোলনের তৃতীয় দফার এই কর্মসূচিতে শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) রাজপথে নামেন লাখ লাখ বিক্ষোভকারী।

আন্দোলনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি স্থানে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ওয়াশিংটন ডিসির পাশাপাশি এবার রোম, প্যারিস এবং বার্লিনের মতো বিশ্বসেরা শহরগুলোতেও সমান্তরাল কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

এবারের আন্দোলনের মূল বিশেষত্ব ছিল রক্ষণশীল এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষকে সংগঠিত করা। তবে সবচেয়ে বিশাল জনসমাবেশ দেখা গেছে মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস-সেন্ট পল এলাকায়। গত ডিসেম্বরে ট্রাম্পের ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ অভিযানে দুই মার্কিন নাগরিক অ্যালেক্স প্রেত্তি ও রেনি নিকোল গুড নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, শনিবারের সমাবেশে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

এই সমাবেশে প্রগতিশীল সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স হুঙ্কার দিয়ে বলেন, “আমরা এই দেশকে কর্তৃত্ববাদ বা ধনকুবেরদের শাসনে ডুবে যেতে দেব না।” রক কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন ও জোয়ান বায়েজ তাঁদের সংগীতের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান এবং অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো ভিডিও বার্তায় বিক্ষোভকারীদের বীরত্বকে স্যালুট জানান।

ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়াল এলাকায় জমায়েত হওয়া হাজার হাজার মানুষের হাতে ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান নীতি এবং অভিবাসনবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে লেখা প্ল্যাকার্ড। ২০২৫ সালের জুন ও অক্টোবরের পর এটিই ছিল ‘নো কিংস’ আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শো-ডাউন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই গণবিক্ষোভ ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধস নামাতে পারে, যা ডেমোক্র্যাটদের জন্য কংগ্রেসে আসন বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।

/আশিক


ওয়াশিংটন পোস্টের বিস্ফোরক তথ্য: ইরানে শুরু হচ্ছে যুদ্ধের নতুন ধাপ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৯ ০৯:১৩:০৮
ওয়াশিংটন পোস্টের বিস্ফোরক তথ্য: ইরানে শুরু হচ্ছে যুদ্ধের নতুন ধাপ
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ওপর টানা কয়েক সপ্তাহব্যাপী বড় ধরনের স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মার্কিন সেনাকে জড়ো করা হয়েছে, যাদের মূল লক্ষ্য হবে ইরানের ভেতরে সরাসরি স্থল অভিযান চালানো। তবে এই হামলা প্রথাগত যুদ্ধের মতো হবে না; বরং এটি হবে স্পেশাল ফোর্স এবং কামান সেনাদের সমন্বয়ে তৈরি এক বিশেষ ‘রেইড’ বা ঝটিকা অভিযান।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, এই নতুন ধাপটি মার্কিন সেনাদের জন্য যুদ্ধ শুরুর সময়ের চেয়েও অনেক বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ, ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে সেনাদের ড্রোন, মিসাইল এবং সরাসরি ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ বিষয়ে জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সব সময় প্রস্তুতি নিয়ে রাখে যাতে কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনই চূড়ান্ত স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

কোথায় হতে পারে হামলা?

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হামলার প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু হতে পারে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ। হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত এই দ্বীপটি থেকেই ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন করতে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপটিকেই প্রধান টার্গেট হিসেবে বিবেচনা করছে। এই স্থল হামলার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সংজ্ঞাই বদলে দিতে পারে।

/আশিক


যুদ্ধের মাঝে বড় ধামাকা: রহস্যময় উপহারে সুর নরম করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ২১:৫৫:৪৩
যুদ্ধের মাঝে বড় ধামাকা: রহস্যময় উপহারে সুর নরম করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবসানের ইঙ্গিত দিয়ে এক নাটকীয় মোড় নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ চার সপ্তাহ ধরে কার্যত অচল থাকা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট 'হরমুজ প্রণালী' দিয়ে ১০টি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প এই ঘটনাকে তেহরানের পক্ষ থেকে আসা একটি ‘রহস্যময় উপহার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরান প্রথমে আটটি তেলবাহী জাহাজ পার হওয়ার অনুমতি দেওয়ার কথা জানায় এবং পরবর্তীতে আরও দুটি জাহাজ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। তাঁর মতে, ইরান এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী অস্তিত্ব এবং আলোচনার টেবিলে তাদের আন্তরিকতা প্রমাণ করতে চায়। ট্রাম্প আরও যোগ করেন, জাহাজগুলো সম্ভবত পাকিস্তানের পতাকাবাহী এবং তারা একটি পূর্ববর্তী বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আলোচনায় নমনীয় হওয়ার সংকেত দিয়েছে। যদিও মেরিন গোয়েন্দা সংস্থা 'ক্লেপলার'-এর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার থেকে বেশ কিছু ট্যাংকার উপসাগর অতিক্রম করেছে, তবে সেগুলোই ট্রাম্পের উল্লিখিত জাহাজ কি না তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মজার ব্যাপার হলো, ট্র্যাকিং তথ্য বলছে—যে জাহাজগুলো চলাচল করছে তার মধ্যে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার ও দুটি গ্যাসবাহী জাহাজ বর্তমানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এসব জাহাজের গন্তব্য মূলত চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও ভারত। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের এই প্রবাহ বিশ্ব অর্থনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি আলোচনায় এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

/আশিক


বিপদে ইরানের পাশে রাশিয়া: জরুরি সহায়তা নিয়ে তেহরানে রুশ বিমান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ২১:২৬:১৯
বিপদে ইরানের পাশে রাশিয়া: জরুরি সহায়তা নিয়ে তেহরানে রুশ বিমান
সার্গেই ল্যাভরভ ও আব্বাস আরাঘচি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভয়াবহ সামরিক ও রাজনৈতিক সংকট নিরসনে টেলিফোনে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শুক্রবার (২৭ মার্চ ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই সংলাপে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং এর কূটনৈতিক সমাধানের পথ নিয়ে দুই নেতা মতবিনিময় করেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, আলোচনার একটি বড় অংশজুড়ে ছিল ইরানে রাশিয়ার পাঠানো মানবিক সহায়তার বিষয়টি। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইতিপূর্বে ৩১৩ টন চিকিৎসা সামগ্রীর একটি বিশাল চালান তেহরানে পাঠানো হয়েছে। ল্যাভরভ তাঁর ইরানি সমকক্ষকে অবহিত করেন যে, এটি চিকিৎসা সরঞ্জামের দ্বিতীয় বড় চালান এবং রাশিয়া সংকটকালীন সময়ে ইরানের পাশে থাকতে বদ্ধপরিকর। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যা পুরো অঞ্চলকে এক অনিশ্চিত যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

ইরানও এর পাল্টা জবাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো। এই পাল্টাপাল্টি হামলায় ব্যাপক প্রাণহানির পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে।

ল্যাভরভ ও আরাঘচি আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বৈধ স্বার্থ বিবেচনা করে এই সংঘাতকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে রাশিয়ার এই মানবিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

/আশিক


ইরান যুদ্ধে হুতিদের অংশগ্রহণে বিপাকে ইসরায়েল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৯:১৭:০০
ইরান যুদ্ধে হুতিদের অংশগ্রহণে বিপাকে ইসরায়েল
লোহিত সাগর তীরবর্তী হোদাইদাহ বন্দর নগরীতে কুচকাওয়াজ করছেন হুতি বাহিনীর সদস্যরাছবি: হুতি মিলিটারি মিডিয়া/রয়টার্স

গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের ওপর হুতিদের বিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা খুব একটা সুবিধা করতে না পারলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কৌশলী আক্রমণ তেল আবিবের জন্য নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইসরায়েলি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে একটি হুতি ড্রোন সরাসরি তেল আবিবের আবাসিক ভবনে আঘাত হানে, যাতে একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এই ঘটনাটি হুতিদের সক্ষমতার এক নতুন বার্তা দিচ্ছে, যা ইসরায়েলের জন্য বাড়তি মাথাব্যথার কারণ।

তবে সামরিক চ্যালেঞ্জের চেয়েও বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে লোহিত সাগরে হুতিদের সম্ভাব্য নতুন হামলা। বর্তমানে সৌদি আরব হরমুজ প্রণালি এড়াতে লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করছে। এশিয়ার বাজারের উদ্দেশ্যে পাঠানো এই তেলের জাহাজগুলো ইয়েমেনের উপকূল ঘেঁষেই দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। ফলে হুতিরা যদি পুনরায় এই রুটে হামলা শুরু করে, তবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব হবে নাটকীয়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫-এর শুরু পর্যন্ত হুতিরা লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজে প্রায় ২০০টি হামলা চালিয়েছে। এতে ৩০টিরও বেশি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত একটি জাহাজ ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে। এই ক্রমাগত অস্থিরতার ফলে বাব আল-মানদাব প্রণালি ও সুয়েজ খাল দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। বর্তমানে এই রুটটি পুনরায় সচল হলেও হুতিদের নতুন করে সক্রিয় হওয়ার হুমকি বিশ্ব বাণিজ্য ও লোহিত সাগরের নিরাপত্তা বলয়কে আবারও খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি


জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৭:৫৭:১৭
জেট ইঞ্জিন ও এআই প্রযুক্তির মিশেল: ইরানের হাতে এখন রাশিয়ার সুপার ড্রোন
ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ইরানি শাহেদ ড্রোনের প্রযুক্তিগতভাবে আরও শক্তিশালী ও উন্নত সংস্করণ এখন খোদ তেহরানে পাঠাচ্ছে রাশিয়া। মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি (AP) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, এই ড্রোনগুলোতে রুশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এমন কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আগে ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করত রাশিয়া। তবে এখন সেগুলোতে রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর নেভিগেশন, উন্নত জ্যামার-প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং এমনকি স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইসও যুক্ত করা হয়েছে। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দাবি, এই উন্নত ড্রোনগুলো আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকে করে ইরানে পাঠানো হচ্ছে। তবে এই চালানের সঠিক পরিমাণ বা সরবরাহের ধরন সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

রাশিয়ার এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস স্পষ্ট জানিয়েছেন, অন্য দেশ ইরানকে যতই উন্নত প্রযুক্তি দিক না কেন, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই খবরকে পুরোপুরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাশিয়ার এই অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ইরানের হাতে পৌঁছালে তা ওই অঞ্চলে মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

/আশিক


খারগ দ্বীপে হামলা করলে কেউ জীবিত ফিরবে না: ইরানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৭:২৬:২২
খারগ দ্বীপে হামলা করলে কেউ জীবিত ফিরবে না: ইরানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলার দুঃসাহস দেখালে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) এক কড়া বিবৃতিতে ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "খারগ দ্বীপে যারাই হামলা চালাবে, তারা আর জীবিত ফিরে যাবে না।" ইরান ইন্টারন্যাশনাল ও আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

খারগ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু এবং দেশটির সিংহভাগ তেল এই দ্বীপের মাধ্যমেই বিশ্ববাজারে রপ্তানি করা হয়। ইব্রাহিম রেজাই স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই দ্বীপে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব হবে নজিরবিহীন ও কঠোর। তেহরানের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় শত্রুরা ইরানের এই দ্বীপটি দখলের নীল নকশা তৈরি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কেবল হামলাকারীকেই নয়, বরং সহযোগিতাকারী ওই আঞ্চলিক দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো’ মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারও এই সতর্কবার্তায় সুর মিলিয়ে বলেছেন, শত্রুর প্রতিটি গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইরান। যদি কোনো পক্ষ সামান্যতম উসকানিমূলক পদক্ষেপ নেয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ও নিরলস ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে খারগ দ্বীপকে কেন্দ্র করে ইরানের এই চরম হুঁশিয়ারি পুরো অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে।

/আশিক


সৌদি ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আহত ২৯ মার্কিন সেনা, কুয়েতে ড্রোন আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত রাডার

আশিকুর রহমান
আশিকুর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার (আন্তর্জাতিক)
বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১৬:৩৩:০৭
সৌদি ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আহত ২৯ মার্কিন সেনা, কুয়েতে ড্রোন আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত রাডার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে, যেখানে ইরানের ধারাবাহিক হামলায় সৌদি আরবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অন্তত ২৯ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) শুক্রবার একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, গত এক সপ্তাহে একাধিক দফায় চালানো হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বিত আঘাতে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ১৫ জন মার্কিন সেনা আহত হন, যাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। এর আগে একই ঘাঁটিতে চালানো আরেক দফা হামলায় আরও ১৪ জন সেনা আহত হন। ধারাবাহিক এই আক্রমণগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সংঘাত এখন একটি বিস্তৃত ও পরিকল্পিত সামরিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে, যেখানে নির্দিষ্ট কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

এদিকে কুয়েতেও নিরাপত্তা ঝুঁকি নতুন মাত্রা পেয়েছে। শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, একাধিক ড্রোন হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রাডার ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি, তবে বিমান চলাচল ব্যবস্থার ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাডার সিস্টেমের ক্ষতির কারণে আকাশপথ ব্যবস্থাপনায় সাময়িক বিঘ্ন দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে ইরানের অভ্যন্তরেও সামরিক উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ইরানি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত খুজেস্তান স্টিল কোম্পানির একটি বৃহৎ শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবারের হামলায় কারখানার একাধিক ইউনিট ও ইস্পাত উৎপাদন সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন লাইন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া আঞ্চলিক নৌপথেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী শনিবার দাবি করেছে, তারা ওমানের সালালাহ বন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় একটি মার্কিন লজিস্টিক জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে সহায়তা করা একটি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।” যদিও এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

সামগ্রিকভাবে এসব ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন একাধিক ফ্রন্টে বিস্তৃত হয়ে পড়েছে—স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—তিন ক্ষেত্রেই সংঘর্ষের পরিধি বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, বাণিজ্যিক রুট এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামরিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা যতটা জরুরি, বাস্তবে ততটাই কঠিন হয়ে উঠছে সমঝোতার পথ। ফলে মধ্যপ্রাচ্য ধীরে ধীরে এমন এক অস্থির বাস্তবতার দিকে এগোচ্ছে, যেখানে প্রতিটি নতুন হামলা আরও বড় সংঘাতের সম্ভাবনাকে উসকে দিচ্ছে।


বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি: সংকটের মুখে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১১:৫৬:০৬
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি: সংকটের মুখে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাবে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১১৪ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (২৭ মার্চ ২০২৬) লেনদেন শেষে ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫.৭ শতাংশ বেড়ে ১১৪.২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে মার্কিন তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচারস ৬.১৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের কারণেই এই অস্থিরতা থামছে না। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোয় পাল্টা আঘাতের ঘটনায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, গত এক মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অভাবনীয় হারে বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে এখন পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই তেলের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে তেলের বাজারে এই রেকর্ড ভাঙা দাম আরও বাড়তে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি করবে।

/আশিক


যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাক: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজপথে নামছে লাখো মানুষ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৮ ১১:৫১:৩৪
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাক: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজপথে নামছে লাখো মানুষ
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিমালার বিরুদ্ধে রাজপথে নামছে লাখ লাখ মানুষ। ‘নো কিংস’ (No Kings) নামক এই বিশাল আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা, যার মাধ্যমে ট্রাম্পের ইরান আগ্রাসন এবং অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির তীব্র প্রতিবাদ জানানো হবে। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা আমেরিকার ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম প্রতিবাদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হতে যাচ্ছে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, মিনিয়াপোলিস এবং সান ফ্রান্সিসকোর মতো বড় শহরগুলোতে বিশাল জনসমাগমের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এমনকি মাত্র ৬ লাখ ৪৬ হাজার জনসংখ্যার ছোট অঙ্গরাজ্য ভারমন্টেও ৪০টির বেশি স্থানে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের জুন ও অক্টোবর মাসেও একই ব্যানারে বড় ধরনের আন্দোলন হয়েছিল। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, জুনের বিক্ষোভে প্রায় ৫০ লাখ এবং অক্টোবরে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিল। এবারের সমাবেশ সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিক্ষোভকারীদের মূল ক্ষোভ ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান ইরান নীতি এবং অভিবাসীদের ওপর চালানো দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি কেবল একটি প্রতিবাদ নয় বরং আমেরিকান গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই। তারা একে ‘আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের দিনলিপি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। দেশজুড়ে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে প্রধান শহরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পাঠকের মতামত: