ইরান যুদ্ধে ২০০ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাবে আপত্তি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১১:৩৯:২৪
ইরান যুদ্ধে ২০০ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাবে আপত্তি
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হলেন ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য যুদ্ধ তহবিল বরাদ্দের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেন, যেখানে বলা হয় পেন্টাগন ইরান যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি তহবিল চাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান হলেন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এমন একটি যুদ্ধের জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়, যা মার্কিন জনগণের সমর্থন পায় না এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতেও কার্যকর নয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের ব্যয় দেশের সামগ্রিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত না করে তা বন্ধ করাই এখন সবচেয়ে জরুরি। তার মতে, তহবিল বন্ধ করে দেওয়াই হবে সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বেসামরিক প্রাণহানি কমানো এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কার্যকর উপায়। এ প্রসঙ্গে তিনি নিজের অবস্থানকে ‘কঠোর না’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগন ইতোমধ্যে হোয়াইট হাউসের কাছে একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে, যাতে কংগ্রেসে উপস্থাপনের জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ অনুমোদনের অনুরোধ করা হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে কত অর্থ চাওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

-রফিক


 ইরানের জ্বালানি খাতের ওপর মহাপ্রলয়ের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের 

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১০:৫৭:৩৭
 ইরানের জ্বালানি খাতের ওপর মহাপ্রলয়ের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের 
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এখন এক চূড়ান্ত সংঘাতের রূপ নিয়েছে। কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) স্থাপনায় ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার প্রেক্ষিতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি কাতারের ওপর আর কোনো হামলা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের একক সামরিক শক্তিতে ইরানের পুরো 'দক্ষিণ পার্স' (South Pars) গ্যাস ফিল্ড ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হবে।

ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের দক্ষিণ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইসরায়েলের চালানো আগের হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা কাতার কিছুই জানত না। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন, ইরান যদি 'সম্পূর্ণ নির্দোষ' কাতারের ওপর হামলা বন্ধ রাখে, তবে ইসরায়েলও ওই গ্যাস ফিল্ডে আর নতুন কোনো আক্রমণ করবে না। কিন্তু কাতার যদি আবারও আক্রান্ত হয়, তবে ইসরায়েলের কোনো সাহায্য ছাড়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমন প্রচণ্ড ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে যা ইরান আগে কখনো দেখেনি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 'কাতার এনার্জি'র রাস লাফান শিল্পাঞ্চলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। দক্ষিণ পার্স গ্যাস ফিল্ডটি ইরান ও কাতারের যৌথ মালিকানাধীন এবং এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ জ্বালানির প্রধান উৎস হওয়ায় ট্রাম্পের এই হুমকি তেহরানের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করেছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।


তেল নয়, এবার সারের সংকটে কাঁপছে বিশ্ব; হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের চরম মূল্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১০:৩১:০৫
তেল নয়, এবার সারের সংকটে কাঁপছে বিশ্ব; হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের চরম মূল্য
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে বিশ্ব এখন এক ভয়াবহ খাদ্য সংকটের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে বলে চরম সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের অতি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ 'হরমুজ প্রণালি' ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনা কেবল জ্বালানি তেলের দামই বাড়াচ্ছে না, বরং এটি বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহে বড় ধরনের ধস নামিয়ে সামগ্রিক কৃষি উৎপাদনকে চরম হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এর সমান্তরালে আরও একটি গভীর ও ভয়াবহ সংকট ঘনীভূত হচ্ছে, যা সরাসরি বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার সাথে জড়িত। আধুনিক কৃষিকাজে অপরিহার্য উপাদান হলো 'ইউরিয়া' সার। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ইউরিয়া বাণিজ্যের প্রায় অর্ধেক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সারের একটি বিশাল অংশ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে এই হরমুজ প্রণালি হয়েই সারা বিশ্বে রপ্তানি করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক কৃষি ব্যবস্থা এই একটি মাত্র নৌপথের ওপর এতটাই নির্ভরশীল যে, এখানে সামান্যতম বিঘ্ন ঘটলে বিশ্বজুড়ে সারের তীব্র হাহাকার দেখা দেবে। সারের এই ঘাটতি সরাসরি খাদ্যশস্যের উৎপাদন কমিয়ে দেবে, যার চূড়ান্ত পরিণতি হবে একটি বড় মাপের বৈশ্বিক দুর্ভিক্ষ বা খাদ্য বিপর্যয়। ফলে জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি সারের এই অপ্রাপ্যতা সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা তৈরি করেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে আরও পঙ্গু করে দিতে পারে।

/আশিক


ইরানকে সৌদি আরবের শেষ হুঁশিয়ারি: এবার কি শুরু হচ্ছে সরাসরি যুদ্ধ?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:৪৭:৪৩
ইরানকে সৌদি আরবের শেষ হুঁশিয়ারি: এবার কি শুরু হচ্ছে সরাসরি যুদ্ধ?
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক এখন খাদের কিনারে। সৌদি আরবের ওপর তেহরানের সাম্প্রতিক হামলাকে 'ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিত' আখ্যা দিয়ে চ চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ।

রিয়াদে আরব রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক জরুরি বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান যদি তাদের আঞ্চলিক যুদ্ধের কৌশল অবিলম্বে পরিবর্তন না করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে 'সম্মিলিত বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ' নেওয়া হবে।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আমাদের ধৈর্যের সীমা আছে, কিন্তু তা অসীম নয়।" তিনি দাবি করেন, ইরানি কূটনীতিকরা হামলার কথা অস্বীকার করলেও ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত লক্ষ্যবস্তু প্রমাণ করে যে এগুলো অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এবং পরিকল্পিতভাবে চালানো হয়েছে।

রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রতিহত করার পর এই উত্তেজনা আরও বাড়ে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একাধিক ড্রোন ও মিসাইল ভূপাতিত করার খবর নিশ্চিত করেছে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যুদ্ধের এই দামামার ফলে তেহরানের ওপর থেকে রিয়াদের আস্থা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে পুনরুদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা


জ্বলছে কাতার: ইরানি হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:৩৬:৫৪
জ্বলছে কাতার: ইরানি হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুন
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের গুরুত্বপূর্ণ রাস লাফফান (Ras Laffan) শিল্পাঞ্চলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে ৭টার দিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক জরুরি বিবৃতির মাধ্যমে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই এলএনজি (LNG) হাব লক্ষ্য করে চালানো ইরানি হামলায় ওই অঞ্চলের গ্যাস অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হামলার পরপরই রাস লাফফান শিল্পাঞ্চলে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়, যা নেভাতে কয়েক ঘণ্টা ধরে লড়াই করতে হয়েছে জরুরি পরিষেবা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। কাতার এনার্জি (QatarEnergy) জানিয়েছে, এই হামলায় স্থাপনাগুলোর 'মারাত্মক ক্ষতি' হলেও সৌভাগ্যবশত কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি এবং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরাপদ রয়েছেন।

এর আগে গতকাল বুধবারও কাতার জানিয়েছিল যে লস রাফফানের গ্যাস অবকাঠামোতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টা পরেই ইরান পুনরায় হামলা চালালে নতুন করে আগুনের সূত্রপাত হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা


ইসরায়েলের গভীরে নজিরবিহীন হামলা: পাল্টাঘাতে ইরানের বার্তা, যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা

আশিকুর রহমান
আশিকুর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার (আন্তর্জাতিক)
বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৫:১৬:৩২
ইসরায়েলের গভীরে নজিরবিহীন হামলা: পাল্টাঘাতে ইরানের বার্তা, যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা

ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে, যেখানে ঘটনাগুলোকে কেবল বিচ্ছিন্ন আক্রমণ হিসেবে নয়, বরং বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে পাল্টাঘাতের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজধানী তেল আবিবসহ মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণ, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এবং অবিস্ফোরিত অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে যুদ্ধ এখন গভীরতর পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। তেল আবিব অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, দমকল ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট একযোগে কাজ করছে, যা হামলার তীব্রতা ও বিস্তৃতির প্রতিফলন।

এই প্রেক্ষাপটে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ইরানের সাম্প্রতিক আক্রমণগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বোঝা প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাবলিতে দেখা গেছে, ইসরায়েল ও তার মিত্রদের হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হয়েছে, এমনকি উচ্চপর্যায়ের নেতাদেরও হত্যা করা হয়েছে । এই বাস্তবতায় ইরানের পাল্টা আঘাতকে অনেকেই প্রতিরোধমূলক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন।

দক্ষিণ ইসরায়েল এবং নেগেভ অঞ্চলে হামলা পৌঁছানোকে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ এই অঞ্চলগুলো আগে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের গভীরতায় আঘাত হানা ইরানের সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি তার কৌশলগত বার্তারও প্রতিফলন, যা প্রতিপক্ষকে দেখাতে চায় যে যুদ্ধের ভৌগোলিক সীমা আর আগের মতো সীমাবদ্ধ নেই।

হতাহতের ঘটনাও পরিস্থিতির গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করেছে। মধ্য ইসরায়েলের মোশাভ আদানিম এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এক বিদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন, অন্যদিকে পশ্চিম তীরের হেবরন অঞ্চলে ধ্বংসাবশেষ পড়ে ফিলিস্তিনি নারীদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এই বাস্তবতা দেখায়, যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বেসামরিক জনগোষ্ঠীই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

এদিকে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনায় আঞ্চলিক দেশগুলোও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইরাকসহ কয়েকটি দেশ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলাকে অযৌক্তিক উত্তেজনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে সংঘাত কেবল দুই পক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেও হুমকির মুখে ফেলছে ।

আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন অভিজ্ঞ নেতা ও বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এই যুদ্ধকে সামরিক সমাধানের মাধ্যমে শেষ করা সম্ভব নয়। বরং এটি দীর্ঘমেয়াদে আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন অতীতের মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতগুলোতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে তারা জোর দিচ্ছেন যে, যুদ্ধের সূচনা এবং তার বিস্তারকে বোঝার জন্য বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, ইরান কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে নেই, বরং কৌশলগতভাবে এমন এক অবস্থান নিয়েছে যেখানে সীমিত কিন্তু ধারাবাহিক আঘাতের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের নিরাপত্তা ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এটি একটি হিসাবকৃত প্রতিরোধ কৌশল, যেখানে প্রতিটি আঘাত শুধু সামরিক নয়, বরং রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক বার্তাও বহন করে। এই বাস্তবতায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ক্রমশ এক দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল ক্ষমতার লড়াইয়ে পরিণত হচ্ছে, যেখানে শক্তির পাশাপাশি স্থায়িত্ব ও কৌশলই হয়ে উঠছে নির্ধারক উপাদান।


আবার হামলা হলেই আরবের জ্বালানি খাত হবে ধ্বংস: ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৪:৫৫:৩৯
আবার হামলা হলেই আরবের জ্বালানি খাত হবে ধ্বংস: ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জ্বালানি অবকাঠামোকে কেন্দ্র করে কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, ইরানের জ্বালানি খাতে পুনরায় হামলা হলে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং সেই হামলা থামবে না যতক্ষণ না এসব অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষ ‘গুরুতর ভুল’ করেছে এবং এর প্রতিক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে, ভবিষ্যতে আরও বড় ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

এই উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে ইসরায়েলের হামলায়, যেখানে ইরানের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র সাউথ পার্সকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এই ঘটনার পরপরই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১০ ডলারে পৌঁছায়।

আইআরজিসি ইতোমধ্যে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনার নাম উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের সামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাসক্ষেত্র এবং কাতারের মেসাইয়িদ ও রাস লাফান শিল্পাঞ্চল।

এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি সাউথ পার্সে ইসরায়েলের হামলাকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে।

সংঘাতের বিস্তার হিসেবে ইরান ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও কুয়েতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি তেহরান ইরাকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে, যা ইরাকের মোট জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করে থাকে। এতে ইরাকের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একা এই দায়িত্ব বহন করবে না এবং মিত্রদের এখনই সক্রিয় হয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খোলা রাখতে ভূমিকা রাখতে হবে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ভেতরে হাজার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

-রফিক


ইরানের হামলায় কাঁপলো চার মুসলিম দেশ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৪:৪২:০৫
ইরানের হামলায় কাঁপলো চার মুসলিম দেশ
ছবি: সংগৃহীত

গ্যাসক্ষেত্রে সাম্প্রতিক হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ইরান। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে। এই হামলার পর চার দেশেই জরুরি সতর্ক সংকেত জারি করা হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজতে শোনা যায়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হলেও সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ শহরের বিভিন্ন স্থানে পড়ে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এছাড়া সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস স্থাপনাকে লক্ষ্য করে আসা একটি ড্রোনও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে। ফলে সেটিও নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি।

অন্যদিকে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাস লাফান শিল্পাঞ্চলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ইরানের হামলার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে, তবে পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তত ১৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। সংঘাত শুরুর পর থেকে মোট ৪২১টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার তথ্যও তারা দিয়েছে। একই সময়ে ৯৪ বার সতর্ক সংকেত বাজানো হয়েছে, যা পরিস্থিতির তীব্রতাকে নির্দেশ করে।

বাহরাইনেও হামলার আশঙ্কায় সাইরেন বাজানো হয় এবং দেশটির নাগরিক ও প্রবাসীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস স্থাপনার আশপাশের এলাকা খালি করার আহ্বান জানায়। এসব স্থাপনাকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলার পর এই উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দেয়।

এদিকে কাতার সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত করা শুধু একটি দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

-রফিক


ইরানি হামলার পর ইসরায়েলের বিমানবন্দরে তিন উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত 

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৪:৩৭:৫৪
ইরানি হামলার পর ইসরায়েলের বিমানবন্দরে তিন উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত 
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার বেনগুরিয়ন বিমানবন্দরে পড়ে তিনটি বেসামরিক উড়োজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে একটি উড়োজাহাজে আগুন ধরে যায়, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

ইসরায়েলের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো আকাশেই ধ্বংস করে দেয়। তবে ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে থাকা উড়োজাহাজগুলোতে আঘাত হানে এবং এতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত উড়োজাহাজগুলো কোন এয়ারলাইনের, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকেই বেনগুরিয়ন বিমানবন্দরে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। যদিও ইসরায়েলি এয়ারলাইনগুলো বিদেশে আটকে থাকা নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সীমিত আকারে কিছু বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বিমানবন্দরটি কেবল বেসামরিক নয়, সামরিক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও এই স্থাপনাটি ব্যবহার করছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলায় ব্যবহৃত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ ছিল ক্লাস্টার মিউনিশন। এ ধরনের অস্ত্র মাঝ আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে বহু ছোট বোমা বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ না করলেও ধ্বংসাবশেষ বা ছিটকে পড়া অংশ বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে, একটি উড়োজাহাজে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আগুন ধরে যায় এবং অন্য দুটি উড়োজাহাজও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরায়েলি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতেই এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ঘটনাটি সাম্প্রতিক উত্তেজনার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

-রফিক


ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ২২:০৪:৪৮
ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবে আজ বুধবার (১৮ মার্চ) পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে এবারের রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চ শুক্রবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আজ বুধবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আরবি বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, রমজান মাসের সমাপ্তির পর শাওয়াল মাসের প্রথম দিনেই বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করে। আজ বুধবার সৌদিতে ২৯ রমজান ছিল, কিন্তু আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় বা বৈজ্ঞানিক কারণে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শুক্রবারকেই ঈদের দিন হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। সৌদি আরবের এই ঘোষণার পরপরই কাতার, কুয়েত এবং আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও শুক্রবার ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: