জামায়াতে ইসলামীর আমীরের ঈদের বিশেষ কর্মসূচি প্রকাশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় আদায় করবেন। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল ৪টার সময় দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ৮টায় মিরপুরের ৬০ ফিট সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে নির্ধারিত প্রধান ঈদ জামাতে তিনি অংশ নেবেন। জামাত শেষে বিরোধীদলীয় নেতা সেখানে উপস্থিত সাধারণ মুসল্লি, নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জামায়াতের আমীরের এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং জামাতস্থলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।
/আশিক
আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মেনে নেব না: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘ সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ কারও আধিপত্য মেনে নেবে না। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চীনা দূতাবাসের সহায়তায় দুস্থদের মাঝে 'ঈদ উপহার' বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের ঘাড়ের ওপর আমরা কারও আধিপত্য মেনে নেব না। বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ বুক উঁচু করে বাঁচতে চায় এবং বিশ্বের বুকে গর্বিত বাংলাদেশি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে চায়।” চীনের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “অনেকে বাংলাদেশকে কিছু না দিয়েই সব নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে, কিন্তু চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকার চীনের দেওয়া বন্ধুত্বের নিদর্শনগুলো ‘হাইজ্যাক’ করে নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়ে চরম অকৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে।
অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াত আমিরের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ঈদুল ফিতর হলো ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার উৎসব। বাংলাদেশের মানুষের খুশিতে অংশীদার হতে এবং উন্নয়নে সহায়তা করতে চীন সবসময় পাশে থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং দুই দেশ একসঙ্গে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবে।
/আশিক
চীনের দেওয়া সহায়তা হাইজ্যাক করা হয়েছে! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জামায়াত আমিরের
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, বিরোধী দল হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে তাঁর দল। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে 'ঈদ উপহার' হিসেবে ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈদেশিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “দেশের ঘাড়ে কোনো ধরনের আধিপত্যবাদ চাপিয়ে দেওয়া হলে আমরা তা বরদাশত করব না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অতীতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য চীনের দেওয়া সহায়তাগুলো ‘হাইজ্যাক’ বা আত্মসাৎ করা হয়েছিল। তবে আগামীতে চীন বা অন্য বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সহায়তা যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়ে জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে জামায়াত আমির জানান, দেশের মানুষের প্রয়োজনে এবং কৃষকদের স্বার্থে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর দল যেকোনো ধরনের সাহসী পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দল কেবল রাজপথেই নয়, বরং সামাজিক সেবামূলক কাজের মাধ্যমেও পাশে থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
/আশিক
সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে দলের নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। গত ১২ মার্চ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়।
সংসদ সচিবালয়ের গেজেট অনুযায়ী, ‘বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১’ এবং সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে এই মনোনয়ন কার্যকর করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পর দ্বিতীয় বৃহত্তম সংসদীয় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াত। ফলে নিয়ম অনুযায়ী সরকারের বিরোধিতাকারী দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ আসন থাকায় দলটির শীর্ষ নেতৃত্বকে এই সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে। ৬৮টি আসন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন। নতুন এই সংসদীয় কাঠামো দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
/আশিক
সরকার কি শুধু ধানের শীষের ভোটারদের? ত্রাণ বৈষম্য নিয়ে সরব সারজিস আলম
জনগণের ট্যাক্সের অর্থে কেনা সরকারি ত্রাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনে চরম বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত চাল, সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড এবং ঈদ উপহারের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলো বর্তমানে শুধুমাত্র বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।
সারজিস আলম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে আসা সরকারি সুবিধাগুলো বিএনপি নেতারা নিজেদের ইচ্ছামতো ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ায় বিএনপির বাইরে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক কিংবা সাধারণ দরিদ্র মানুষেরা পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, সরকারি সুবিধা কি কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের সমর্থকদের জন্য? এই সরকার কি শুধু ধানের শীষের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করছে, নাকি দেশের পুরো জনগণের?
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, সরকারের উচিত দেশের ১০০ শতাংশ জনগণের কথা ভাবা, কিন্তু বর্তমানে মাঠপর্যায়ে যা ঘটছে তাতে মনে হচ্ছে সরকার কেবল ৫০ শতাংশ বা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কেনা উপহার বা সুবিধা কেন কেবল রাজনৈতিক বিবেচনায় বিলি করা হবে, তা নিয়ে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাঁর এই পোস্টটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
/আশিক
রাষ্ট্রপতির ‘তিন অপরাধ’ ফাঁস করলেন জামায়াত আমির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুতেই এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক নাটকীয়তার সাক্ষী হলো। প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ শুরু করতে গেলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন। এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির তিনটি সুনির্দিষ্ট ‘অপরাধ’ ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা।
অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে সংসদ ভবনের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণগুলো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, “এই সংসদ জুলাই শহীদদের পবিত্র রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা স্পিকারের কাছে আগেই সবিনয় নিবেদন করেছিলাম, এই মহান সংসদে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট বা খুনির দোসর বক্তব্য দিয়ে পরিবেশ কলুষিত করতে না পারে।”
জামায়াত আমিরের দৃষ্টিতে রাষ্ট্রপতির ‘তিন অপরাধ’ ও বর্জনের কারণ
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছরের শাসনামলে এবং বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সময় হওয়া প্রতিটি খুনের নেপথ্যে রাষ্ট্রপতির পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। তিনি নিজেকে এই ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই পরিচালিত করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র চাপের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালালে রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জানিয়েছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তাঁর এই বক্তব্য অস্বীকার করে বলেন তাঁর কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র নেই। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদাহানি করেছেন এবং জাতির সামনে ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।
তৃতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছিলেন যেখানে বিধান ছিল—নির্বাচনে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তারা একই সাথে ‘সংস্কার সংশোধন পরিষদের’ সদস্য হিসেবেও বিবেচিত হবেন এবং একই দিনে উভয় পদের শপথ গ্রহণ করবেন। বিরোধী দল এই দুটি শপথ নিলেও সরকারি দল তা নেয়নি। এছাড়া রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছিল অধ্যাদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা, যা তিনি করেননি। এর ফলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে তিনি সরাসরি অপমান করেছেন বলে দাবি করেন জামায়াত আমির।
একই সুরে সুর মিলিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পিকারের কাছে জোরালো দাবি জানিয়ে বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের ফসল এই সংসদ। এখানে কোনোভাবেই ফ্যাসিস্ট বা তাদের দোসরদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়ে মহান সংসদকে অপবিত্র করা যাবে না।” বিরোধী দলের এই অনড় অবস্থান এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালীন ওয়াকআউট ত্রয়োদশ সংসদের শুরুতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে।
/আশিক
গোলাম পরওয়ারের পিটিশন গ্রহণ: খুলনা-৫ আসনের বিজয় কি তবে অনিশ্চিত?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনের ঘোষিত ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও ওই আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর এই আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই আসনের ব্যালট পেপারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল সরঞ্জামাদি যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। গোলাম পরওয়ারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখন ওই আসনের ভোটের শুদ্ধতা যাচাই করা হবে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুধু খুলনা-৫ নয়, এ পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। হাইকোর্ট প্রতিটি আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট ও সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ থাকলে হাইকোর্টে 'নির্বাচনি আবেদন' করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে এই আবেদনগুলোর নিয়মিত শুনানি চলছে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
/আশিক
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে এলাকায় ফেরার দরকার নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের (চুপ্পু) আসন্ন ভাষণ এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এই কড়া বার্তা দেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ যদি বিরোধীদলীয় এমপিরা সংসদে বসে চুপ্পুর ভাষণ নীরবে শুনে যান, তাহলে জনগণের উচিত তাদেরকে নিজ নিজ এলাকায় নিয়ে গিয়ে মাইকে খুনি হাসিনার ভাষণ শুনিয়ে দেওয়া, যাতে তারা বুঝতে পারেন, জনগণ আর নীরব দর্শক নয়।’ তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ নীরবে গ্রহণ করা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দল যদি সত্যিই জনগণের পাশে থাকতে চায়, তবে তাদের উচিত ঢাকায় অবস্থান করে সংস্কার সভা ও জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য লড়াই অব্যাহত রাখা। তাঁর ভাষায়, ‘জনগণ বলবে, সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় ফেরার প্রয়োজন নেই; আগে দেশকে ঠিক করুন, তারপর মানুষের কাছে আসুন।’ এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি সংসদ সদস্যদের এলাকাভিত্তিক রাজনীতির চেয়ে জাতীয় সংস্কারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
/আশিক
রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদের দোসর, সংসদে ভাষণ দেওয়া ঠিক নয় : ডা. তাহের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এমপিদের নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি গণমাধ্যমের কাছে এই মন্তব্য করেন। ডা. তাহের স্পষ্টভাবে দাবি করেন যে, স্বৈরাচারের সহযোগী হিসেবে রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।
বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিরোধী দলের ভূমিকা ও কর্মপরিকল্পনা কী হবে, সে বিষয়ে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এই সংসদে অধিকাংশ সদস্যই নতুন, তাই সংসদের আদর্শ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে কীভাবে দায়িত্ব পালন করতে হয়, সে বিষয়ে তাদের সচেতন করা হয়েছে। আগামীকালকের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা জাতি আগামীকালই প্রত্যক্ষ করবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
ডেপুটি স্পিকার পদের বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তবে বিষয়টি এখনই প্রকাশ না করে তিনি বলেন, যখন সংসদের অধিবেশনে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসবে, তখনই জামায়াতের অবস্থান পরিষ্কার করা হবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি কেন একজন ‘স্বৈরাচারের দোসর’কে দিয়ে ভাষণ দেওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তাদের কাছে বোধগম্য নয়। এই ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দল কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং আগামীকালকের অধিবেশনে তার প্রতিফলন ঘটবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
/আশিক
জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ছাড়া কোনো আপস নয়: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তার দল জুলাই প্রস্তাবের আংশিক নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চায়। বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় সভাকক্ষে আয়োজিত সংসদীয় দলের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন। জামায়াত আমিরের মতে, জুলাই সনদের পুরো প্যাকেজ বাস্তবায়িত হওয়া জরুরি এবং সেই অধিকারের ভিত্তিতেই বিরোধী দল তাদের প্রাপ্য অংশ গ্রহণ করবে।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান সরকারি দলকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্পিরিটের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান। সংসদে জামায়াতের ভূমিকা কেমন হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা একটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করতে চান। সরকারের কোনো ভুল পদক্ষেপে গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি জনগণের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে রাজপথে প্রতিবাদ করারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। এই বিষয়ে বিরোধী দলের কৌশল কী হবে তা সরাসরি প্রকাশ না করে জামায়াত আমির বলেন, তাদের অবস্থান জাতি সঠিক সময়েই দেখতে পাবে। মূলত জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও সংসদের ভেতর-বাইরে সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমেই জামায়াত তাদের সংসদীয় যাত্রা পরিচালনা করতে চায় বলে এই বৈঠকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- জামায়াতে ইসলামীর আমীরের ঈদের বিশেষ কর্মসূচি প্রকাশ
- ছুটির দিনেও বিশ্রামে নেই প্রধানমন্ত্রী; গুলশানের বাসভবন থেকেই সামলাচ্ছেন দপ্তর
- উত্তরবঙ্গের সাথে ঢাকার রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন: নীলসাগর এক্সপ্রেসে বড় দুর্ঘটনা
- ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে চরম দুর্ভিক্ষ? ডব্লিউএফপির ভয়াবহ সতর্কবার্তা
- ভিসা থেকে ক্রিকেট: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মোড় ঘোরাবে যে ৫টি সূচক
- সুসংবাদ না কি অপেক্ষা? শাওয়ালের নতুন চাঁদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল
- ইরান থেকে ফিরছেন বাংলাদেশিরা
- নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার: জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ
- ইরানের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা; বুশেহরের আকাশপথে ‘বিস্ফোরক উড়ন্ত বস্তু’
- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেই চিরচেনা যানজট: স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে মানুষ
- দুবাই ও আবুধাবিসহ সাত আমিরাতেই কার্যকর হবে অভিন্ন ঈদের নিয়ম
- নিজেকে ইরানের ‘মুক্তিদাতা’ সাজাতে চাইছেন নেতানিয়াহু
- আগুনে পুড়ছে যানবাহন, ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছে পুলিশ: বুধবার ভোরে উত্তপ্ত ইসরায়েল
- ১৮ মার্চ ২০২৬: গরমে স্বস্তি না কি অস্বস্তি? জানুন ঢাকার আবহাওয়া
- পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে বিপর্যয়ের দিকে নিচ্ছে ইসরায়েল:এরদোয়ান
- ইরানের মারণাস্ত্র ক্লাস্টার মিসাইলে বিধ্বস্ত তেলআবিব
- বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
- ১৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগের নামাজের সঠিক সময়
- আজকের ঢাকা: সকালে বের হওয়ার আগে জেনে নিন কোথায় কোন কর্মসূচি
- প্রতিশোধের লড়াই আরও বেগবান হবে: শহীদ নেতার রক্তে নতুন শপথ ইরানের
- মস্তিষ্কের জন্য ‘স্লো পয়জন’ এই ১১ অভ্যাস! আজই সতর্ক না হলে বিপদ
- মাশরুম এখন সুপারফুড! জেনে নিন জাদুকরী ৫ উপকারিতা
- হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা: ট্রাম্পের নৌজোট ডাক, কিন্তু সাড়া নেই কেন বিশ্বশক্তির?
- আলি লারিজানি কি বেঁচে আছেন? হত্যার দাবির মাঝেই এক্স-এ হাতে লেখা চিরকুট
- মার্চের আকাশে গ্রহের মেলা! ৩১ মার্চ পর্যন্ত মহাজাগতিক থিয়েটার দেখবে বাংলাদেশ
- আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সক্ষমতা, তবুও অব্যাহত পাল্টাঘাত: ইরান কি এখন ক্ষয়যুদ্ধের কৌশলে এগোচ্ছে?
- আল-আকসা মসজিদের নিচে গোপন বাঙ্কারে নেতানিয়াহু!
- ওয়াশিংটনের প্রস্তাব ফেরাল তেহরান: মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে মহাপ্রলয় শুরু?
- ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের শীর্ষ নেতা আলি লারিজানি! চাঞ্চল্যকর দাবি কাৎজের
- বাংলাদেশে কর্মক্ষম অর্ধেক তরুণই বেকার! বিশ্বব্যাংকের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মেনে নেব না: জামায়াত আমির
- ১৮০ দিনের মাস্টারপ্ল্যান শেয়ার করেছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে: আশিক চৌধুরী
- মধ্যস্বত্বভোগীদের দিন শেষ! সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে সরকারি সুবিধা
- ইরানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ লারিজানি কি আর নেই? ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- ঈদের সকালে গৃহিণীদের সেরা চমক; অল্প সময়ে তৈরি করুন শাহী কষা মাংস
- ঈদ শপিংয়ে অনলাইন জালিয়াতি থেকে বাঁচবেন যেভাবে; ৬টি জরুরি টিপস
- দুবাই বিমানবন্দরে আগুনের লেলিহান শিখা: ড্রোন হামলায় অচল আকাশপথ
- চীনের দেওয়া সহায়তা হাইজ্যাক করা হয়েছে! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জামায়াত আমিরের
- হরমুজ প্রণালিতে নতুন আতঙ্ক: আরব আমিরাতের তেল ট্যাংকারে ভয়াবহ আঘাত
- ছুটির প্রথম দিনেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কর্মব্যস্ততায় কাটছে ১৭ মার্চ
- কিউবা দখলের হুঙ্কার ট্রাম্পের! প্রতিবেশী দ্বীপরাষ্ট্র নিয়ে হোয়াইট হাউসে তোলপাড়
- ২০ না ২১ মার্চ ঈদ? জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নতুন পূর্বাভাসে বড় সংকেত
- ঈদের খুশিতে যুদ্ধের বিষাদ: মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীদের স্বজনদের চোখে কান্নার জল
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- স্বর্ণের দামে আরও এক দফা ধস: গত চার দিনে কত কমল ভরিতে?
- আজ রাজধানীজুড়ে বড় বড় কর্মসূচি: বের হওয়ার আগে দেখে নিন সড়কের আপডেট
- নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: মঙ্গলবার ভোর থেকে কমলাপুরে তিল ধারণের ঠাঁই নেই
- ইরান যুদ্ধ শেষের শর্ত কী? ট্রাম্প, খামেনি ও নেতানিয়াহুর ভিন্ন ভিন্ন সমীকরণ
- পিতার আদর্শে পুত্রের হাতে নতুন কৃষি বিপ্লব: খাল খনন নিয়ে মাঠে তারেক রহমান
- কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলা! ৪০০ প্রাণহানির দাবি তালেবানের
- ২৭ রমজানই কি কদরের রাত? মুসনাদে আহমাদ ও বুখারির হাদিস যা বলছে
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
- কথাবার্তায় সতর্ক থাকুন! মন্ত্রী-এমপিদের কঠোর নির্দেশনা দিলেন তারেক রহমান
- ‘৫০তম অভিযান’ ঘোষণা ইরানের, রণক্ষেত্র চার দেশে
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!
- আজ ডিএসইর সেরা ১০ গেইনার কোনগুলো
- কালিগঞ্জে ডেঙ্গু বিরোধী যুদ্ধ! মশা তাড়াতে রাস্তায় নামলেন চিকিৎসকরা
- পবিত্র রমজানের ২৫তম দিন; ১৫ মার্চের নামাজের সঠিক সময়সূচি জানুন
- ১৬ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
- তারেক রহমানের সংসদ যাত্রা আজ: স্পিকারের আসনে বসবেন কে?
- ঈদুল ফিতর ২০২৬: প্রধান জামাতের সময় ও জাতীয় ঈদগাহের সুযোগ-সুবিধা জেনে নিন
- শেয়ারবাজারে দরপতনে এগিয়ে যেসব শেয়ার








