তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে! আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে যুগান্তকারী ঘোষণা

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পুনর্বহাল করে আপিল বিভাগের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, সংবিধানে এখন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হবে। তবে এই ব্যবস্থাটি কার্যকর হবে আগামী চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এক সময় এই ব্যবস্থা বাতিল করা হলেও আদালতের এই রায়ের ফলে তা আবার সাংবিধানিক বৈধতা ফিরে পেল। রায়ে বলা হয়েছে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থাটি চালু হওয়ার কথা থাকলেও এর প্রায়োগিক কার্যকারিতার জন্য সংবিধানের কিছু জায়গায় সংশোধন আনতে হবে অথবা পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে চলমান মামলার রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যদি ওই রায়ে পঞ্চদশ সংশোধনী পুরোপুরি বাতিল হয়ে যায়, তবে আলাদা করে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নাও হতে পারে।
আইনজীবীদের মতে, পুরনো ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুযায়ী সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করার কথা। তবে সাম্প্রতিক ‘জুলাই সনদে’ বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রপতিকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রেখে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে জুলাই সনদ অনুসরণ করতে হলে এ বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গত বছরের ২০ নভেম্বর সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণার প্রায় চার মাস পর ৭৪ পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায়টি গত ১২ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে এই রায় দেন, যেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
আইনি জটিলতার বিষয়ে রিভিউ আবেদনকারীদের আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ সংশোধনী পুরোপুরি কার্যকর করতে অন্তত তিনটি বড় পরিবর্তন প্রয়োজন। প্রথমত, ১২৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে কারণ বর্তমান বিধান অনুযায়ী সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় নির্বাচন করার কথা বলা আছে, যা তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দ্বিতীয়ত, ৯৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের লাভজনক পদ গ্রহণে বাধা আছে, যা পরিবর্তন না করলে তাঁরা প্রধান উপদেষ্টা হতে পারবেন না। তৃতীয়ত, প্রধান উপদেষ্টাদের শপথের যে ফরমটি পঞ্চদশ সংশোধনীতে বাতিল করা হয়েছিল, সেটিও আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত কঠোর ভাষায় বলেছেন যে, ২০১১ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের দেওয়া রায়টি ছিল অনুমাননির্ভর এবং ত্রুটিপূর্ণ। সেই রায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জনগণের ভোটাধিকারকে ক্ষুণ্ণ করেছিল। আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনগুলো ছিল দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক করুণ পরিণতি। জনগণের সার্বভৌমত্ব কেবল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই নয়, বরং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই নিশ্চিত হয়। রায়ে আরও বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোনো বিচ্ছিন্ন ধারণা নয়, বরং এটি ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অনাস্থা থেকে জন্ম নেওয়া একটি জাতীয় ঐকমত্যের ফসল।
পরিশেষে, আইনজীবী শিশির মনির এবং ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন যে, এই রায়ের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র সুরক্ষার পথ পুনরায় উন্মুক্ত হলো। যদিও জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটির মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বাছাইয়ের কথা বলা হয়েছে এবং গণভোটে তা অনুমোদিত হয়েছে, কিন্তু ত্রয়োদশ সংশোধনী পুনর্বহালের পর এখন কোন পদ্ধতিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে, তার জন্য সংসদীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
/আশিক
ঈদে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি কর্মচারীরা এবার টানা সাত দিনের ছুটিতে যাচ্ছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) ঈদের আগে সরকারি অফিসগুলোর শেষ কর্মদিবস হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। একই সময় অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও আজ থেকেই ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট সাত দিন সব সরকারি দপ্তর বন্ধ থাকবে। এর আগে ঈদের সম্ভাব্য সময় বিবেচনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল।
পরবর্তীতে ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে অতিরিক্ত একটি ছুটি যুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর ফলে ১৮ মার্চও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়, যা ঈদ উপলক্ষে ছুটির সময়কে আরও দীর্ঘ করেছে।
এর আগে ১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে সরকারি ছুটি রয়েছে। সেই ছুটির সঙ্গে ১৮ মার্চের অতিরিক্ত ছুটি যুক্ত হওয়ায় এবং পরবর্তী ঈদের নির্ধারিত ছুটি মিলিয়ে এবার সরকারি কর্মচারীরা টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৭ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, কার্যপ্রণালি বিধিমালা ১৯৯৬ অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে এই অতিরিক্ত ছুটি নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে।
এই ছুটির সময় দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অধিকাংশ বেসরকারি অফিসও বন্ধ থাকবে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক কার্যক্রম এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন।
একইভাবে ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, নগর পরিচ্ছন্নতা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অফিস ও কর্মীরাও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু সরকারি অফিসও প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা রাখা হবে।
-রফিক
সাড়ে তিন লাখ মানুষের ভাগ্য বদলাবে একটি খাল: দিনাজপুরে মেগা উদ্বোধন আজ
দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দেশব্যাপী ৫৩টি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া নামক স্থানে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খালের খনন কাজ শুরুর মাধ্যমে এই মেগা প্রকল্পের সূচনা হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে সড়কপথে দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন। দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন। এরপর দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে গিয়ে তাঁর নানা-নানি ও খালার কবর জিয়ারত করবেন এবং স্থানীয় সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা ভরাট হওয়া খালগুলো সংস্কার করে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতেই সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগ।
গত শুক্রবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, কেবল সাহাপাড়ার ১২ কিলোমিটার খাল খননের ফলেই প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বিএডিসির যৌথ সমন্বয়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হবে। খালের পাড় রক্ষা এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা ও বর্ষায় বন্যার প্রকোপ কমানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
/আশিক
অতিরিক্ত দাম নিলেই কঠোর শাস্তি! জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট রোধে দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। রোববার (১৫ মার্চ) জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে আয়োজিত এক অনলাইন মতবিনিময় সভায় তিনি মোট ৯টি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ দেশের সকল জেলা প্রশাসক যুক্ত ছিলেন।
মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিমন্ত্রী জনগণের দুর্ভোগ লাঘবকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান করা হয় এবং ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে জ্বালানির বরাদ্দ সঠিক সময়ে পৌঁছানো নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া পেট্রোল পাম্প ডিলার থেকে শুরু করে সাধারণ গ্রাহক পর্যন্ত জ্বালানি বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকির আওতায় আনতে বলা হয়েছে। যদি কোনো পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকে, তবে তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান করতে হবে এবং ডিপোর হিসাবের সাথে তা যাচাই করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেছেন যে, কোনোভাবেই জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতদারি বা পাচার সহ্য করা হবে না। তেলের ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কেউ যেন নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে জ্বালানি বিক্রি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপরাধ সংগঠিত হলে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য তিনি জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেন। জেলা পর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি সভায় পুনর্ব্যক্ত করেন।
/আশিক
সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক: মুখোমুখি ডা. শফিকুর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন নিয়ে আজ রোববার (১৫ মার্চ) সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, সংবিধানে এই পরিষদের কোনো অস্তিত্ব না থাকায় রাষ্ট্রপতির পক্ষে এর অধিবেশন ডাকা সম্ভব নয়।
সংসদ অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় দাঁড়িয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদ কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আসেনি, বরং ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দলের ৭৭ জন সদস্য ইতিমধ্যে পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন, তাই তারা সংসদ সদস্য ও পরিষদের সদস্য হিসেবে একযোগে দায়িত্ব পালনের আইনি সুযোগ চান।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে নয়, বরং সংবিধান ও আইনের ভিত্তিতে চলে। তিনি জুলাই সনদকে আইন বা অধ্যাদেশ না বলে একে একটি ‘মাঝামাঝি’ অবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সংবিধানে সংস্কার পরিষদের উল্লেখ না থাকায় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে কোনো পরামর্শ দিতে পারেন না। তবে তিনি বিষয়টিকে কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনা এবং বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল আনার সম্ভাবনার কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য আনুষ্ঠানিক নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন।
/আশিক
সংসদে দেখে দেখে পড়া নিষেধ! সাঈদী ও অলি উল্লাহকে স্পিকারের কড়া হুশিয়ারি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আজ রোববার (১৫ মার্চ) সংসদীয় রেওয়াজ ও বক্তব্য প্রদানের নিয়ম নিয়ে এক কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় সংসদে দেখে দেখে বা লিখিত বক্তব্য পাঠ করা অনুমোদিত নয়। সংসদ সদস্যদের না দেখে বক্তব্য দেওয়ার অভ্যাস করার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার বলেন, প্রয়োজনে নোট রাখা যেতে পারে এবং মাঝে মাঝে তাতে চোখ বোলানো যেতে পারে, কিন্তু পুরো বক্তব্য বিরতিহীনভাবে পড়ে শোনানো সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির পরিপন্থী।
আজ সকালে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে পিরোজপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াতের সংসদ সদস্য মাসুদ বিন সাঈদী এবং ইসলামী আন্দোলনের সংসদ সদস্য অলি উল্লাহ সম্পূর্ণ বক্তব্যটি কাগজ দেখে পাঠ করেন। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “সংসদে দেখে দেখে পড়া অ্যালাউড না। আপনি নোট রাখবেন, কিন্তু হাউসের দিকে তাকিয়ে বক্তব্য দেবেন। এটাই সংসদের রেওয়াজ যা সবার মান্য করা উচিত। এমনকি কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী কোনো লিখিত বক্তব্য পাঠ করতে হলে আগে স্পিকারের পূর্বানুমতি নিতে হয়।”
আলোচনায় অংশ নিয়ে মাসুদ বিন সাঈদী তাঁর পিতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আদর্শকে সমুন্নত রেখে দেশে ইনসাফ কায়েমের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদ ও মুগ্ধসহ সকল শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। সাঈদী বলেন, “তথাকথিত ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনালে মিথ্যাচারের মাধ্যমে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হওয়া আমার সম্মানিত পিতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ইসলামী আন্দোলনের অসংখ্য নেতাকর্মীর রক্তস্নাত ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা এই সংসদে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি।”
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি দেশের দুর্নীতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে সড়ক ও জনপথ বিভাগেই ৫২ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে বলে টিআইবির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। দেশে ইনসাফ কায়েম করতে হলে দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও শুল্কমুক্ত গাড়ি বর্জনের সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান।
সংবিধান সংস্কার পরিষদে বিএনপির যোগ না দেওয়া নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে মাসুদ সাঈদী বলেন, “বিএনপি জুলাই সনদে বিশ্বাসী কি না বা গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল কি না, তা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আমরা আশা করি তারা গণরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংস্কার পরিষদে অংশ নেবে।” একই সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ‘জুলাই আবেগ’ সংক্রান্ত মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, “জুলাই আবেগ ঠিকই, কিন্তু এটি একটি কঠোর বাস্তবতাও। সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সব অধ্যাদেশই আইন, তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন মন্তব্য দায়িত্বশীল হয়নি।”
/আশিক
সংস্কার পরিষদ বলে কিছু নেই: সংবিধান সংশোধনী নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সংবিধান ও সংস্কার ইস্যু নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১৫ মার্চ) অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান সংসদ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই আহ্বান করা হয়েছে এবং এখানে 'সংস্কার পরিষদ' নামে কোনো কিছুর আইনগত ভিত্তি নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী যদি কোনো সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হয়, তবে আগে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে।
গত ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সংসদের যাত্রা শুরু হওয়ার পর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশন আজকের দিন পর্যন্ত মুলতবি করেছিলেন। সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববারের কার্যসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর পর্ব, জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আজ বিশেষ করে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোর প্রশ্নের উত্তর দেবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।
উল্লেখ্য, কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রলম্বিত হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পর সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হলেও আজ বিশেষ তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং মন্ত্রীদের জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে, যা সংসদীয় তদারকির ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
/আশিক
ঈদের ছুটির আগে সরগরম সংসদ; বেলা ১১টা থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পূর্ণ গতিতে শুরু হয়েছে। আজ রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়। আজকের কার্যসূচির মূল আকর্ষণে রয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত কার্যসূচি অনুযায়ী, আজ বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, সমাজকল্যাণ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও বিধি–৭১ অনুযায়ী জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশগুলো নিষ্পত্তি করা হবে। সংসদের এই প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আজকেও চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, এই অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আজ বিশেষ প্রয়োজনে সকাল ১১টা থেকেই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। এ ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ৯৭টি নোটিশ সংসদের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে।
/আশিক
মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা,চাকুরিজীবী নয়: শিক্ষামন্ত্রী
মন্ত্রিত্ব কোনো সাধারণ চাকরি নয়, বরং এটি দেশের সেবার মাধ্যমে একটি ‘ইবাদত’ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়কে তিনি কর্মস্থল নয়, বরং ‘ইবাদতখানা’ হিসেবেই দেখেন। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’-এর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষাখাতে আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, “আমি আগামী ১৮০ দিনের এমন এক কর্মসূচি হাতে নিতে চাই, যা আগামী ১৮০ বছরের সমতুল্য প্রভাব ফেলবে।” তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ভুল এড়াতে তিনি ধীরস্থিরভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের গতানুগতিক মানসিকতা ত্যাগ করে কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কর্মকর্তাদের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জায়গা নয়, এটি শিক্ষার উন্নয়নের জায়গা।
সভায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের অভিজ্ঞতা নিয়ে চলা বিতর্কের জবাব দেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বিগত দেড় দশকে রাজনৈতিকভাবে বঞ্চিত শিক্ষকদের সুযোগ দিতেই ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে নিজের অন্যতম প্রধান মিশন হিসেবে উল্লেখ করেন। ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/আশিক
সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। আজ রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে দেশ ত্যাগ করার কথা রয়েছে। তাঁর সঙ্গে স্ত্রী আফরোজা আব্বাস এবং বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসও সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন।
মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়ায় গত শুক্রবার একটি ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাঁর মস্তিষ্কে দুই ধাপে অস্ত্রোপচার করা হয়।
অস্ত্রোপচারের পর বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শনিবারের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট সন্তোষজনক এসেছে। তবে উন্নত ও অধিকতর নিশ্চিত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, অসুস্থ হওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত তাঁর খোঁজ নিচ্ছেন এবং ইতিমধ্যে হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে দেখে এসেছেন। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ শীর্ষ নেতারাও তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে! আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে যুগান্তকারী ঘোষণা
- জেনে নিন আজ রাজধানীর কোথায় কী কর্মসূচি
- মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন মোকাবিলায় সহায়তা, বিনিময়ে অর্থ ও প্রযুক্তি চাই ইউক্রেন
- মাত্র ২ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফা আঘাত: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টির মুখে ইসরায়েল
- দুবাই বিমানবন্দরের কাছে আগুন, কাতার-বাহরাইন-সৌদিতে ড্রোন হামলার আতঙ্ক
- ঢাকার আবহাওয়া নিয়ে আবহাওয়া অফিসের সতর্কতা
- হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
- ঈদে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
- হরমুজ খোলা রাখতে ন্যাটোসহ মিত্রদের চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- ইরান যুদ্ধ কভারেজে মার্কিন মিডিয়ার ওপর ট্রাম্পের ক্ষোভ
- সাড়ে তিন লাখ মানুষের ভাগ্য বদলাবে একটি খাল: দিনাজপুরে মেগা উদ্বোধন আজ
- ব্রেন্টফোর্ড-উলভারহ্যাম্পটনসহ তিন ম্যাচ লাইভ, আজকের টিভি সূচি
- টানা দুই দফা কমল স্বর্ণের দাম: ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তির আমেজ
- যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেনি ইরান: আরাঘচি
- গোপন মিশনে রাশিয়ায় খামেনি পুত্র: রুশ বিমানে মস্কো যাওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য
- ঢাকাসহ ১৫ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কবার্তা
- ২৪ ঘণ্টায় ২৪ অভিযান! মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বড় হামলা
- ২৬ রমজান: আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ
- অতিরিক্ত দাম নিলেই কঠোর শাস্তি! জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
- নবনিযুক্ত কুসিক প্রশাসক ত্যাগী মূল্যায়ন পেল কৃষিমন্ত্রী
- তরুণদের শরীরে কেন বাড়ছে কোলন ক্যান্সার? গবেষণায় উঠে এল নতুন তথ্য
- আগামীকাল পবিত্র শবেকদর; ইবাদত ও মহিমায় সিক্ত হবে সারা দেশ
- ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা দ্বিগুণ! এখন পাওয়া যাবে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত
- প্রথম ওভারেই তাসকিনের ছোবল: নাহিদ রানার গতিতে কুপোকাত পাকিস্তান
- সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক: মুখোমুখি ডা. শফিকুর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- তানজিদ তামিমের মেইডেন সেঞ্চুরি! পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে টাইগারের গর্জন
- ইরানি হামলার আগুনে জ্বলছে ইসরায়েল: পশ্চিম তীরে বিশাল অগ্নিকাণ্ড
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বড় বিস্তার: এবার সৌদি আরব ও আমিরাতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
- ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা আরাঘচির, আলোচনায় যা ছিল
- তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার বিশ্ব রেকর্ড! সংঘাত কি তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে?
- যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন যুদ্ধ ভুলে না যায়: জেলেনস্কি
- ওমরাহ যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সৌদির যুগান্তকারী পদক্ষেপ: মিলবে হার্টের দ্রুত চিকিৎসা
- ইসরায়েলের সামরিক যোগাযোগ স্থাপনায় ড্রোন হামলা
- সৌদি ও আমিরাতে ইরানি মিসাইল হামলা
- ইরানি হামলায় কি তবে সফল? নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতি নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য
- মিসাইল সংকটে ইসরায়েল! ইরানের হামলার মুখে ফুরিয়ে যাচ্ছে প্রতিরোধী শক্তি
- সংসদে দেখে দেখে পড়া নিষেধ! সাঈদী ও অলি উল্লাহকে স্পিকারের কড়া হুশিয়ারি
- মোজতবা খামেনি কি আহত? মার্কিন দাবির মুখে বড় তথ্য দিলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক
- সংস্কার পরিষদ বলে কিছু নেই: সংবিধান সংশোধনী নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
- বিপাকে ট্রাম্প: ইরানকে রুখতে ৫ পরাশক্তিকে ডাকলেও পাশে দাঁড়াচ্ছে না কেউ
- ঈদের ছুটির আগে সরগরম সংসদ; বেলা ১১টা থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা
- ইরানি প্রতিরোধের মুখে অকার্যকর মার্কিন রণতরী! এলাকা ছাড়ল আব্রাহাম লিংকন
- মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা,চাকুরিজীবী নয়: শিক্ষামন্ত্রী
- সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী
- ইসরায়েলে একযোগে হিজবুল্লাহ ও ইরানের হামলা; কাঁপছে মধ্যাঞ্চল
- খারগ দ্বীপ কি পুরোপুরি ধ্বংস? ইরানের তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি
- স্বর্ণ কিনবেন? আজই সেরা সময়! জেনে নিন সব মানের স্বর্ণের নতুন রেট
- নকল ড্রোন দিয়ে প্রতিবেশী দেশে হামলা: তেহরানের ওপর দায় চাপানোর ‘প্রতারণা’ ফাঁস
- ছুটির দিনে খেলার মেলা; দেখে নিন আজকের পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস শিডিউল
- আমরা কি আবার সেই পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছি?
- আকাশচুম্বী দামের পর এবার কমছে স্বর্ণের ভরি: নতুন দর জানাল বাজুস
- ২৭ রমজানই কি কদরের রাত? মুসনাদে আহমাদ ও বুখারির হাদিস যা বলছে
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- ২৪ ঘণ্টায় ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত
- যুদ্ধবিরতির আলোচনায় চীন ও রাশিয়া: তেহরানের পাশে তিন শক্তি
- ‘৫০তম অভিযান’ ঘোষণা ইরানের, রণক্ষেত্র চার দেশে
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ
- ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- আজ ২১ রমজান; জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি
- টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!
- কালিগঞ্জে ডেঙ্গু বিরোধী যুদ্ধ! মশা তাড়াতে রাস্তায় নামলেন চিকিৎসকরা
- ১১ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- দেবিদ্বারে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত: যথাযোগ্য মর্যাদায় আলোচনা সভা








