দুবাই বিমানবন্দরের কাছে আগুন, কাতার-বাহরাইন-সৌদিতে ড্রোন হামলার আতঙ্ক

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকায় একটি ড্রোন ঘটনার পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে এবং তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য জরুরি সেবা সংস্থাগুলো কাজ করছে।
বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর আগেও হামলার ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
এদিকে সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের পূর্বাঞ্চলে আকাশসীমায় প্রবেশ করা একাধিক ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভূপাতিত করা হয়েছে। একই সময়ে বাহরাইনে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে সাইরেন বাজানো হয়।
রোববার রাতে কাতারেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, কাতারের আকাশসীমায় প্রবেশ করা সব ড্রোনই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যদিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে বিমানবন্দরের কিছু রাডার সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ইরান অস্বীকার করেছে।
এই ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রায় সব দেশই এখন উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাগুলো শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ও জ্বালানি পরিবহনের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
এরই মধ্যে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি), যুক্তরাজ্য এবং জর্ডান এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে ইরানের কথিত আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে এবং উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়েও তৎপরতা বাড়ছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফোনে আলোচনা করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং উত্তেজনা কমিয়ে সংলাপের পথে ফেরার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
এছাড়া সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের মধ্যেও টেলিফোনে আলোচনা হয়েছে। সেখানে উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নতুন ধরনের ঐক্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অতীতে ইয়েমেন ইস্যুতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও বর্তমান সংকট তাদের আবারও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উপসাগরীয় অঞ্চলের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সংহতির বার্তা দেখা যাচ্ছে। পবিত্র রমজান মাসের এই সময়ে অনেকেই একে অপরের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য প্রার্থনা করছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
হরমুজ খোলা রাখতে ন্যাটোসহ মিত্রদের চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যাটোসহ মিত্র দেশগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, প্রণালিটি খোলা রাখার জন্য ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিত্র দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে।
ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি মূলত সেই অঞ্চল যেখানে দিয়ে বহু দেশ তাদের জ্বালানি সরবরাহ পায়। তাই এসব দেশেরই উচিত নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ন্যাটো মিত্রদের সহায়তা করে আসছে, বিশেষ করে ইউক্রেন ইস্যুতেও ওয়াশিংটন তাদের পাশে রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এখন পর্যন্ত সাতটি দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং তাদের অনেকেই ন্যাটো সদস্য। তবে কোন কোন দেশ সহযোগিতা করতে রাজি হয়েছে সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। তিনি বলেন, কিছু ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে, তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ থাকায় তাদের জন্য হরমুজ প্রণালি ততটা অপরিহার্য নয়, কিন্তু বিশ্বের বহু দেশের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। তাই যারা এই পথের ওপর নির্ভরশীল, তাদেরই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসা উচিত।
ইরান প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সামরিক সংঘাতে ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে তার মতে, সামরিক শক্তি দুর্বল হলেও ছোট পরিসরের হামলার ঝুঁকি এখনও রয়েছে। কয়েকজন সন্ত্রাসী বা ছোট গোষ্ঠী যদি সমুদ্রে মাইন পেতে দেয়, তাহলে পুরো প্রণালির চলাচল ব্যাহত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
ট্রাম্প চীনের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, চীনের তেল সরবরাহের প্রায় ৯০ শতাংশই এই প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। ফলে হরমুজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগে বেইজিং অংশ নেবে কি না, তা দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান যুদ্ধ কভারেজে মার্কিন মিডিয়ার ওপর ট্রাম্পের ক্ষোভ
ইরান যুদ্ধের সংবাদ কাভারেজকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু সংবাদমাধ্যম যুদ্ধ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে এবং এই ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপতথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। তার অভিযোগ অনুযায়ী, ইরান নাকি এআই প্রযুক্তি দিয়ে এমন ভিডিও তৈরি করছে যেখানে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে সমুদ্রে আগুনে পুড়তে দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, এসব ভুয়া ভিডিও কিছু মার্কিন গণমাধ্যম যাচাই না করেই প্রচার করছে।
তিনি আরও বলেন, যারা এই ধরনের ভুয়া তথ্য প্রচার করছে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। ট্রাম্পের মতে, বাস্তবে সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে ইরান দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং তারা তথ্যযুদ্ধের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী দেখানোর চেষ্টা করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কারের পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন ট্রাম্প। কার সম্প্রচারমাধ্যমগুলোকে সতর্ক করে বলেছেন, জনস্বার্থবিরোধী বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে সম্প্রচার লাইসেন্স নবায়নের সময় তারা সমস্যায় পড়তে পারে।
ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, যুদ্ধসংক্রান্ত প্রতিবেদনে অতিরিক্ত সমালোচনামূলক অবস্থান নিলে কিছু গণমাধ্যমের সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিলের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।
তবে এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গন এবং নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষাকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সমালোচকদের মতে, এটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর চাপ প্রয়োগের একটি প্রচেষ্টা।
হাওয়াইয়ের সিনেটর ব্রায়ান শাটজ বলেন, এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে সরকার মূলত গণমাধ্যমকে যুদ্ধের ইতিবাচক দিক তুলে ধরতে বাধ্য করতে চাইছে।
অন্যদিকে বাকস্বাধীনতা বিষয়ক সংগঠন ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিভিজুয়াল রাইটস অ্যান্ড এক্সপ্রেশন (ফায়ার)-এর পরিচালক অ্যারন টের মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী সরকার যুদ্ধসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে সেন্সরশিপ আরোপ করতে পারে না।
-রফিক
যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেনি ইরান: আরাঘচি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতি বা নতুন করে আলোচনার জন্য তেহরান কখনোই আবেদন করেনি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেন, ইরানকে চুক্তির জন্য আগ্রহী বলে যে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আরাঘচি জানান, তেহরান কোনোভাবেই যুদ্ধবিরতি প্রার্থনা করেনি এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনায় ফেরার মতো অনুকূল শর্তও তৈরি হয়নি। তার মতে, এখন পর্যন্ত যে প্রস্তাব বা শর্ত সামনে এসেছে, তা ইরানের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের রাজনৈতিক অনুষ্ঠান “ফেস দ্য নেশন”-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করার যৌক্তিক কোনো কারণ তেহরান দেখছে না।
আরাঘচি বলেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তখনও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। তার মতে, সেই অবস্থায় হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থাকে ক্ষুণ্ণ করেছে।
তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান সংঘাত মূলত ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল। আরাঘচির ভাষায়, এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ করা একটি যুদ্ধ।
তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান নিজেদের প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
সূত্র:বিবিসি
গোপন মিশনে রাশিয়ায় খামেনি পুত্র: রুশ বিমানে মস্কো যাওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে টানটান উত্তেজনা ও রহস্য। কুয়েতি সংবাদমাধ্যম ‘আল জারিদা’র এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় গুরুতর আহত মোজতবা খামেনিকে পায়ের জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে মস্কোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিশেষ উদ্যোগে একটি রুশ সামরিক বিমানে করে তাঁকে রাশিয়ায় স্থানান্তর করা হয় বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র শুরুতেই মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডেইলি মেইল’ ও ‘দ্য সান’-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোজতবা খামেনি সম্ভবত কোমায় আছেন এবং তাঁর একটি বা দুটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে (অঙ্গহানি)। এমনকি তাঁর যকৃৎ ও পাকস্থলীও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুতিনের একটি প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং সেখানে একটি সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র।
এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও সংবাদ সম্মেলনে মোজতবা খামেনির গুরুতর আহত হওয়া ও অঙ্গহানির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রাখা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তা ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-কে জানিয়েছেন, মোজতবা খামেনি বর্তমানে ইরানে নেই এবং যুদ্ধের ওপর তাঁর কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। অধিকাংশ সামরিক কমান্ডারও তাঁদের নতুন নেতার বর্তমান অবস্থান বা শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অন্ধকারে আছেন। বর্তমানে ইরানের অন্যতম শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ রেজা জাফারগান্দি তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকলেও নেতার জীবন-মৃত্যু নিয়ে বিশ্বজুড়ে গুঞ্জন বেড়েই চলেছে।
/আশিক
২৪ ঘণ্টায় ২৪ অভিযান! মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বড় হামলা
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের উত্তাপ এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ (আইআরআই) এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে। রোববার এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, গত মাত্র ২৪ ঘণ্টায় তারা অন্তত ২৪টি পৃথক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি উল্লেখ করেছে যে, এই অভিযানগুলোতে ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে থাকা ‘শত্রু ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর থেকেই এই অঞ্চলে উত্তেজনা চরম রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে তেহরানে চালানো ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের মৃত্যুর ঘটনার পর ইরান এবং তার মিত্র গোষ্ঠীগুলো প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
ইরানের এই পাল্টা আঘাতের ঢেউ এখন জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতেও অনুভূত হচ্ছে। একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আইআরআই-এর এই ব্যাপক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই সংঘাত খুব শীঘ্রই থামার কোনো লক্ষণ নেই, বরং তা আরও নতুন নতুন ফ্রন্টের দিকে মোড় নিচ্ছে।
/আশিক
ইরানি হামলার আগুনে জ্বলছে ইসরায়েল: পশ্চিম তীরে বিশাল অগ্নিকাণ্ড
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাত ১৬তম দিনে গড়িয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ইরান ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার ফলে অধিকৃত পশ্চিম তীরসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে। হামলার পরপরই বেশ কিছু স্থাপনায় বিশাল অগ্নিকাণ্ড এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে, যা পুরো এলাকাকে অন্ধকার করে ফেলে।
তেল আবিবকে লক্ষ্য করে চালানো এই নতুন দফার হামলায় ইসরায়েল দাবি করেছে যে, তারা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। তবে আকাশ থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষ ও ক্ষেপণাস্ত্রের ভগ্নাংশের আঘাতে অন্তত তিনজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার রিপোর্টার নিদা ইব্রাহিম অধিকৃত পশ্চিম তীরের হুয়ারা থেকে জানান, হামলার আগে সেখানে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছিল এবং পরে আকাশে আলোর ঝলকানি দেখা যায়। এরপরই স্থানীয় বেশ কিছু স্থাপনা দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই পুরো মধ্যপ্রাচ্য রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ইরান পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা প্রায় প্রতিটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব তেলের বাজারে এর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে, যা বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতিকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বড় বিস্তার: এবার সৌদি আরব ও আমিরাতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ডালপালা এবার প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে উভয় দেশই দাবি করেছে যে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই হামলাগুলো সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার রাতে ইরানের ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৪টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আল-খার্জ এলাকার আকাশে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করা হয়। এছাড়া দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারগুলো অবস্থিত, সেখানেও বড় ধরনের ড্রোন হামলা রুখে দিয়েছে সৌদি বাহিনী।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা নয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৩টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। দুবাইয়ের মারিনা এবং আল-সুফৌহ এলাকায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকায় প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ইরান প্রথমবারের মতো আমিরাতের তিনটি প্রধান বন্দর খালি করার আল্টিমেটাম দিয়েছে, যা কোনো প্রতিবেশী দেশের অ-মার্কিন সম্পদের ওপর সরাসরি বড় হুমকি। আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান মোট ২৯৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৬০০টি ড্রোন ব্যবহার করেছে, যাতে এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
সূত্র: আরব নিউজ
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা আরাঘচির, আলোচনায় যা ছিল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারোর সঙ্গে টেলিফোনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ফলে পুরো অঞ্চলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টেলিগ্রাম বার্তায় জানানো হয়েছে, আরাঘচি আলোচনার সময় বলেন যে মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির প্রধান কারণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ। তার মতে, এই আগ্রাসী কার্যক্রমই অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পরিস্থিতি মোকাবিলায় দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। আরাঘচি বলেন, এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয় যা বর্তমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত বা বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তেহরান তার সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক বাহিনী কেবলমাত্র সেইসব সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যেগুলোকে তারা আগ্রাসী পক্ষের অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করে।
আরাঘচি স্পষ্ট করে বলেন, এসব হামলাকে আঞ্চলিক অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আঘাত হিসেবে দেখা উচিত নয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সামরিক অভিযান মূলত আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
আলোচনায় লেবাননের পরিস্থিতিও উঠে আসে। আরাঘচি বলেন, লেবাননে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তার মতে, লেবাননের ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত থাকলে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার বিশ্ব রেকর্ড! সংঘাত কি তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে?
ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘ কাটার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। বরং হরমুজ প্রণালিতে মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আহ্বান সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত ও ভয়াবহ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার মাত্রা ইতিমধ্যে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে স্থানীয় সময় শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যকে হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, “যেসব দেশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে তেল পায়, তাদের ওই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র এক্ষেত্রে সাহায্য ও সমন্বয় করবে।” তবে ট্রাম্পের এই আহ্বানে দেশগুলোর পক্ষ থেকে এখনো তেমন কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
জাপানের ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারক তাকায়ুকি কোবায়াশি জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সংবিধান অনুযায়ী জাপানের সামরিক বাহিনী মোতায়েনের আইনি প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল। অন্যদিকে, চীন অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও ট্রাম্পের অনুরোধে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে কি না, সে বিষয়ে নীরবতা পালন করছে। ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়াও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে। ফ্রান্স চাইছে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে একটি নিরাপত্তা জোট গঠন করতে, আর যুক্তরাজ্য মিত্রদের সাথে বিকল্প পথ নিয়ে আলোচনা করছে।
সংঘাতের তীব্রতা বাড়াতে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি আরও কিছুদিন বন্ধ রাখা উচিত। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের জ্বালানি স্থাপনায় যেকোনো হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। এদিকে রোববার ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যদিও সৌদি আরব জানিয়েছে তারা ১০টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে, তবে ইরান সেই ড্রোনগুলোর সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- দুবাই বিমানবন্দরের কাছে আগুন, কাতার-বাহরাইন-সৌদিতে ড্রোন হামলার আতঙ্ক
- ঢাকার আবহাওয়া নিয়ে আবহাওয়া অফিসের সতর্কতা
- হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
- ঈদে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
- হরমুজ খোলা রাখতে ন্যাটোসহ মিত্রদের চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- ইরান যুদ্ধ কভারেজে মার্কিন মিডিয়ার ওপর ট্রাম্পের ক্ষোভ
- সাড়ে তিন লাখ মানুষের ভাগ্য বদলাবে একটি খাল: দিনাজপুরে মেগা উদ্বোধন আজ
- ব্রেন্টফোর্ড-উলভারহ্যাম্পটনসহ তিন ম্যাচ লাইভ, আজকের টিভি সূচি
- টানা দুই দফা কমল স্বর্ণের দাম: ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তির আমেজ
- যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেনি ইরান: আরাঘচি
- গোপন মিশনে রাশিয়ায় খামেনি পুত্র: রুশ বিমানে মস্কো যাওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য
- ঢাকাসহ ১৫ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কবার্তা
- ২৪ ঘণ্টায় ২৪ অভিযান! মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বড় হামলা
- ২৬ রমজান: আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ
- অতিরিক্ত দাম নিলেই কঠোর শাস্তি! জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
- নবনিযুক্ত কুসিক প্রশাসক ত্যাগী মূল্যায়ন পেল কৃষিমন্ত্রী
- তরুণদের শরীরে কেন বাড়ছে কোলন ক্যান্সার? গবেষণায় উঠে এল নতুন তথ্য
- আগামীকাল পবিত্র শবেকদর; ইবাদত ও মহিমায় সিক্ত হবে সারা দেশ
- ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা দ্বিগুণ! এখন পাওয়া যাবে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত
- প্রথম ওভারেই তাসকিনের ছোবল: নাহিদ রানার গতিতে কুপোকাত পাকিস্তান
- সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক: মুখোমুখি ডা. শফিকুর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- তানজিদ তামিমের মেইডেন সেঞ্চুরি! পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে টাইগারের গর্জন
- ইরানি হামলার আগুনে জ্বলছে ইসরায়েল: পশ্চিম তীরে বিশাল অগ্নিকাণ্ড
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বড় বিস্তার: এবার সৌদি আরব ও আমিরাতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
- ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা আরাঘচির, আলোচনায় যা ছিল
- তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার বিশ্ব রেকর্ড! সংঘাত কি তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে?
- যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন যুদ্ধ ভুলে না যায়: জেলেনস্কি
- ওমরাহ যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সৌদির যুগান্তকারী পদক্ষেপ: মিলবে হার্টের দ্রুত চিকিৎসা
- ইসরায়েলের সামরিক যোগাযোগ স্থাপনায় ড্রোন হামলা
- সৌদি ও আমিরাতে ইরানি মিসাইল হামলা
- ইরানি হামলায় কি তবে সফল? নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতি নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য
- মিসাইল সংকটে ইসরায়েল! ইরানের হামলার মুখে ফুরিয়ে যাচ্ছে প্রতিরোধী শক্তি
- সংসদে দেখে দেখে পড়া নিষেধ! সাঈদী ও অলি উল্লাহকে স্পিকারের কড়া হুশিয়ারি
- মোজতবা খামেনি কি আহত? মার্কিন দাবির মুখে বড় তথ্য দিলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক
- সংস্কার পরিষদ বলে কিছু নেই: সংবিধান সংশোধনী নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
- বিপাকে ট্রাম্প: ইরানকে রুখতে ৫ পরাশক্তিকে ডাকলেও পাশে দাঁড়াচ্ছে না কেউ
- ঈদের ছুটির আগে সরগরম সংসদ; বেলা ১১টা থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা
- ইরানি প্রতিরোধের মুখে অকার্যকর মার্কিন রণতরী! এলাকা ছাড়ল আব্রাহাম লিংকন
- মন্ত্রণালয় আমার ইবাদতখানা,চাকুরিজীবী নয়: শিক্ষামন্ত্রী
- সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী
- ইসরায়েলে একযোগে হিজবুল্লাহ ও ইরানের হামলা; কাঁপছে মধ্যাঞ্চল
- খারগ দ্বীপ কি পুরোপুরি ধ্বংস? ইরানের তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি
- স্বর্ণ কিনবেন? আজই সেরা সময়! জেনে নিন সব মানের স্বর্ণের নতুন রেট
- নকল ড্রোন দিয়ে প্রতিবেশী দেশে হামলা: তেহরানের ওপর দায় চাপানোর ‘প্রতারণা’ ফাঁস
- ছুটির দিনে খেলার মেলা; দেখে নিন আজকের পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস শিডিউল
- সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে
- ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস; ৪ জেলায় কালবৈশাখীর বড় সতর্কবার্তা
- পবিত্র রমজানের ২৫তম দিন; ১৫ মার্চের নামাজের সঠিক সময়সূচি জানুন
- মোজতবা খামেনি কি বেঁচে আছেন? ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের সন্দেহ
- আমরা কি আবার সেই পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছি?
- আকাশচুম্বী দামের পর এবার কমছে স্বর্ণের ভরি: নতুন দর জানাল বাজুস
- ২৭ রমজানই কি কদরের রাত? মুসনাদে আহমাদ ও বুখারির হাদিস যা বলছে
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- ২৪ ঘণ্টায় ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত
- টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি
- যুদ্ধবিরতির আলোচনায় চীন ও রাশিয়া: তেহরানের পাশে তিন শক্তি
- ‘৫০তম অভিযান’ ঘোষণা ইরানের, রণক্ষেত্র চার দেশে
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ
- ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- আজ ২১ রমজান; জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি
- টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!
- কালিগঞ্জে ডেঙ্গু বিরোধী যুদ্ধ! মশা তাড়াতে রাস্তায় নামলেন চিকিৎসকরা
- দেবিদ্বারে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত: যথাযোগ্য মর্যাদায় আলোচনা সভা








