মিসাইল সংকটে ইসরায়েল! ইরানের হামলার মুখে ফুরিয়ে যাচ্ছে প্রতিরোধী শক্তি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১৬:১৪:৩৩
মিসাইল সংকটে ইসরায়েল! ইরানের হামলার মুখে ফুরিয়ে যাচ্ছে প্রতিরোধী শক্তি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মাঝেই বড় ধরনের বিপাকে পড়েছে ইসরায়েল। দেশটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী মিসাইলের (Intercepting Missiles) তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফর (Semafor) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগেই ইসরায়েল বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করেছিল। মূলত ২০২৫ সালের সেই ১২ দিনের যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ মিসাইল ব্যবহার করায় ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা মজুত আগে থেকেই আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছিল। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা কয়েক মাস ধরেই এই ঘাটতির বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুতে সংকট না থাকলেও, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিন অস্ত্র ভাণ্ডারেও টান পড়তে পারে বলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইসরায়েলের দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে (Arrow and David's Sling) খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার বোমা’ বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহার শুরু করায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতেই অনেক বেশি প্রতিরোধী মিসাইল খরচ করতে হচ্ছে। ফলে ইসরায়েলের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। এখন পর্যন্ত ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটিতে ৫০টির বেশি দফায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ড্রোন প্রতিরোধের অভিজ্ঞতা নিয়ে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, ইসরায়েলের জনপ্রিয় ‘আয়রন ডোম’ মূলত স্বল্পপাল্লার রকেট প্রতিহত করলেও ইরানের ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে দূরপাল্লার প্রতিরোধী মিসাইলই একমাত্র ভরসা, যার ঘাটতি এখন তেল আবিবকে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।

/আশিক


মোজতবা খামেনি কি আহত? মার্কিন দাবির মুখে বড় তথ্য দিলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১৩:০২:৪৬
মোজতবা খামেনি কি আহত? মার্কিন দাবির মুখে বড় তথ্য দিলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাতে সরাসরি মুখ খুলেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শনিবার ‘এমএস নাউ’ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জোরালোভাবে দাবি করেন যে, মোজতবা খামেনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং তাঁর শারীরিকভাবে ‘কোনো সমস্যা নেই’।

আগের দিন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক বিবৃতিতে দাবি করেছিলেন যে, মোজতবা খামেনি সম্ভবত হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁর অঙ্গহানি ঘটেছে। এই দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে আরাগচি বলেন, “নতুন সর্বোচ্চ নেতার কোনো সমস্যা নেই। তিনি গতকালই (শুক্রবার) তাঁর কঠোর বার্তা দিয়েছেন এবং তিনি পূর্ণ শক্তিতে নিজের দায়িত্ব পালন করে যাবেন।”

উল্লেখ্য, দায়িত্ব নেওয়ার পর দেওয়া প্রথম বার্তায় মোজতবা খামেনি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত শত্রুদের ঘাঁটিগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে। এমনকি তিনি হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রাখারও জোরালো আভাস দিয়েছেন। খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যায়, তবে তেহরান তাদের বিরুদ্ধে আরও নতুন নতুন ফ্রন্ট খুলে দেবে।

সূত্র: আলজাজিরা


বিপাকে ট্রাম্প: ইরানকে রুখতে ৫ পরাশক্তিকে ডাকলেও পাশে দাঁড়াচ্ছে না কেউ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১১:৫৫:৩৭
বিপাকে ট্রাম্প: ইরানকে রুখতে ৫ পরাশক্তিকে ডাকলেও পাশে দাঁড়াচ্ছে না কেউ
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি। আজ রোববার (১৫ মার্চ) ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ টানা ১৬তম দিনে পদার্পণ করল। এর মধ্যেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আধিপত্য কমাতে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এই আহ্বানে এখন পর্যন্ত মিত্র দেশগুলোর পক্ষ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি।

শনিবার নিজের সামাজিক মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাজ্যকে ইরানের হুমকি মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালিতে সামরিক শক্তি মোতায়েনের অনুরোধ জানান। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এখানে অচলাবস্থা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে দেবে না।

ট্রাম্পের এই আহ্বানের বিপরীতে যুক্তরাজ্য সরাসরি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি না দিয়ে জানিয়েছে, তারা মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। চীনের পক্ষ থেকে সংঘাতের দ্রুত অবসান চাওয়া হলেও ট্রাম্পের অনুরোধের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। ফ্রান্স সরকারও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা এই মুহূর্তে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে না। এদিকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও বিষয়টিতে নীরবতা পালন করছে, যদিও জাপানি প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির আসন্ন ওয়াশিংটন সফরে এটি আলোচনার মূল এজেন্ডা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


ইরানি প্রতিরোধের মুখে অকার্যকর মার্কিন রণতরী! এলাকা ছাড়ল আব্রাহাম লিংকন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১১:২৩:২৪
ইরানি প্রতিরোধের মুখে অকার্যকর মার্কিন রণতরী! এলাকা ছাড়ল আব্রাহাম লিংকন
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত ক্ষমতাধর বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন' পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র আবুলফাজল শেকারচি। শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অনমনীয় অবস্থানের কারণে মার্কিন এই রণতরীটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

মুখপাত্র আবুলফাজল শেকারচি এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক পরাজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনাটি ভবিষ্যতে ইতিহাসের পাতায় গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হবে। তাঁর মতে, দীর্ঘ সময় ধরে এই রণতরীকে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোতে ভীতি প্রদর্শন এবং সম্পদ শোষণের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেই সামরিক সক্ষমতার দুর্বলতা এবং সীমাবদ্ধতা জনসমক্ষে প্রকাশ পেয়েছে।

শেকারচি মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদেশি শক্তির ওপর বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা না করে নিজেদের আঞ্চলিক শক্তি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভর করা উচিত। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এই বিশাল দাবি করা হলেও, ওয়াশিংটন বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন-এর পিছু হটার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।

/আশিক


ইসরায়েলে একযোগে হিজবুল্লাহ ও ইরানের হামলা; কাঁপছে মধ্যাঞ্চল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১০:১২:১২
ইসরায়েলে একযোগে হিজবুল্লাহ ও ইরানের হামলা; কাঁপছে মধ্যাঞ্চল
ছবি : সংগৃহীত

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্রতর হয়েছে। হিজবুল্লাহ দাবি করেছে যে, তারা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে 'আভিভিম' ব্যারাকে একের পর এক রকেট নিক্ষেপ করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার (১৪ মার্চ) এক দিনেই ইসরায়েলের বিভিন্ন অবস্থানে মোট ৪৭টি শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে সংগঠনটি।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে হিজবুল্লাহর এই রকেট হামলার পাশাপাশি ইরান থেকেও ভোরের দিকে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। তবে ইসরায়েলের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া সেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সফলভাবে প্রতিহত করেছে। ইসরায়েলি জরুরি সেবা সংস্থাগুলোর মতে, এসব ক্ষেপণাস্ত্র মূলত দেশটির মধ্যাঞ্চলকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তবে এই হামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর নিশ্চিত করেনি ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: আল জাজিরা


খারগ দ্বীপ কি পুরোপুরি ধ্বংস? ইরানের তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১০:০৩:৪৭
খারগ দ্বীপ কি পুরোপুরি ধ্বংস? ইরানের তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তেহরানের সাথে কোনো ধরনের চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৪ মার্চ) এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দেন, ইরান চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও তিনি এখনই তাতে সায় দিচ্ছেন না। তাঁর মতে, আলোচনার জন্য বর্তমান শর্তগুলো মোটেও সন্তোষজনক নয় এবং যেকোনো কার্যকর চুক্তির আগে ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধের কঠোর অঙ্গীকার করতে হবে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের জ্বালানি অর্থনীতির মূল ভিত্তি ‘খারগ দ্বীপ’ ইতিমধ্যে মার্কিন হামলায় পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। চরম আক্রমণাত্মক সুরে তিনি বলেন, “প্রয়োজন মনে করলে আমরা নিছক আনন্দের ছলে সেখানে আরও কয়েকবার হামলা চালাতে পারি।” হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, বেশ কিছু দেশ এই লজিস্টিক কার্যক্রমে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেও কৌশলগত কারণে তিনি দেশগুলোর নাম গোপন রেখেছেন।

বিশ্ববাজারে তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ে উদ্বেগের বিপরীতে বেশ নিশ্চিন্ত মনোভাব দেখিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, বর্তমানে বিশ্বে তেল ও গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। মাঝেমধ্যে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছু ছোটখাটো বিঘ্ন ঘটলেও তা দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। ট্রাম্পের এমন অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

/আশিক


নকল ড্রোন দিয়ে প্রতিবেশী দেশে হামলা: তেহরানের ওপর দায় চাপানোর ‘প্রতারণা’ ফাঁস

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ০৯:৩৯:৩৩
নকল ড্রোন দিয়ে প্রতিবেশী দেশে হামলা: তেহরানের ওপর দায় চাপানোর ‘প্রতারণা’ ফাঁস
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের তৈরি বিখ্যাত ‘শাহেদ’ ড্রোনের আদলে তৈরি নকল ড্রোন ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—এমনই এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ সদর দপ্তর। আজ রোববার (১৫ মার্চ) ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিশেষ প্রযুক্তির ‘লুকাস’ (Lucas) ড্রোন তৈরি করেছে, যা দেখতে হুবহু ইরানের শাহেদ ড্রোনের মতো। এই নকল ড্রোন ব্যবহার করে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তুরস্ক, কুয়েত এবং ইরাকের মতো ইরানের বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বর্বরোচিত হামলা চালানো হচ্ছে। হামলার পর কৌশলে এর দায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা তেহরানের মতে একটি সুপরিকল্পিত ‘প্রতারণা’।

খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর আরও দাবি করেছে, এই বিশেষ কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো দুটি। প্রথমত, ইরানের সামরিক বাহিনীর বৈধ ও প্রতিরক্ষামূলক কর্মকাণ্ডকে বিশ্ববাসীর কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা। দ্বিতীয়ত, তেহরানের সঙ্গে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সুসম্পর্ক নষ্ট করে বিবাদ ও বিভেদ সৃষ্টি করা। এই ধরনের ‘ছদ্মবেশী’ হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে বিবৃতিতে হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


মোজতবা খামেনি কি বেঁচে আছেন? ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের সন্দেহ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ০৯:০৫:৩২
মোজতবা খামেনি কি বেঁচে আছেন? ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের সন্দেহ
ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মাঝেই কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শনিবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেহরান চুক্তির জন্য মুখিয়ে থাকলেও তিনি নিজে এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রস্তুত নন। তাঁর মতে, ইরান যে ধরনের প্রস্তাব দিচ্ছে তা যথেষ্ট ‘জোরালো’ নয় এবং আমেরিকার স্বার্থ রক্ষায় আরও কঠিন শর্ত প্রয়োজন। তবে চুক্তির ক্ষেত্রে তাঁর ঠিক কী কী দাবি রয়েছে, তা নিয়ে জনসমক্ষে কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।

সাক্ষাৎকারে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রীতিমতো সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা না যাওয়ায় তাঁর বেঁচে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্প বলেন, “তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না, আমি জানি না। কেউ তাঁর উপস্থিতির প্রমাণ দিতে পারছে না। তিনি যদি বেঁচে থাকেন, তবে তাঁর উচিত হবে দ্রুত আত্মসমর্পণ করা।” যদিও খামেনির মৃত্যুর খবরটি আপাতত ‘গুজব’ হিসেবেই দেখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের সম্ভাব্য পরবর্তী নেতৃত্বের বিষয়ে ট্রাম্প কারও নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও জানিয়েছেন, তাঁর নজরে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন যাঁরা ইরানের ভবিষ্যতের জন্য দুর্দান্ত নেতা হতে পারেন।

এদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাশিয়ার ওপর থেকে সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমি চাই বিশ্বের জন্য তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকুক। আমি তেল চাই।” তবে তিনি সতর্ক করে দেন যে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দেওয়া এই নিষেধাজ্ঞাগুলো সংকট মেটামাত্রই পুনরায় বহাল করা হবে। অন্যদিকে, ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সহায়তার প্রস্তাবকে স্রেফ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি খোঁচা দিয়ে বলেন, “জেলেনস্কি হলেন শেষ ব্যক্তি, যাঁর কাছ থেকে আমাদের সাহায্য প্রয়োজন।”

তথ্যসূত্র: সিএনএন


ইরান যুদ্ধের খবর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক: গণমাধ্যমকে সতর্কবার্তা, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ০৫:২৬:০৯
ইরান যুদ্ধের খবর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক: গণমাধ্যমকে সতর্কবার্তা, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও নতুন রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধসংক্রান্ত সংবাদ প্রচারকে কেন্দ্র করে দেশটির সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন যোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন-এর চেয়ারম্যান ব্রেনডান কার।

তিনি অভিযোগ করেন, কিছু সংবাদমাধ্যম ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা বিকৃত তথ্য প্রচার করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সম্প্রচারমাধ্যমগুলো তাদের প্রতিবেদনে সংশোধন না আনে, তাহলে লাইসেন্স নবায়নের সময় তারা আইনি জটিলতার মুখে পড়তে পারে।

ব্রেনডান কার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যমগুলো আইন অনুযায়ী জনস্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব বহন করে। তাই ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

এই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে কিছু সংবাদমাধ্যম ইরানি হামলায় সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা সঠিক নয়। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত সামরিক শক্তি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় পাঁচ হাজার মার্কিন মেরিন ও নৌসেনা সদস্যকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড-এর অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর একটি অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ এবং একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে।

এই সামরিক ইউনিটের সঙ্গে তিনটি যুদ্ধজাহাজ এবং প্রায় দুই হাজার পাঁচশ মার্কিন মেরিন সেনা থাকবে। পাশাপাশি এই বাহিনীর সঙ্গে অত্যাধুনিক এফ-৩৫বি লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমান এবং এমভি-২২বি ওস্প্রে পরিবহন বিমানও যুক্ত থাকবে।

এ ছাড়া জাপানে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ট্রিপোলি ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে। সাধারণত এই ধরনের সামরিক মোতায়েন সম্পন্ন হতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেও মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

আশিক/২০২৬/২৩৪৩


সৌদিতে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫ মার্কিন বিমান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ০৫:২৩:৫১
সৌদিতে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫ মার্কিন বিমান
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই আরও তীব্র রূপ নিচ্ছে। সাম্প্রতিক এক হামলায় সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হয়েছে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে মার্কিন বিমান বাহিনীর কয়েকটি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতির মুখে পড়ে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস না হলেও গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেগুলো মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। তবে এই হামলায় কোনো মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়নি বলে জানা গেছে।

এদিকে একই সংঘাতের মধ্যে আরেকটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম ইরাকে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন ক্রু সদস্যই প্রাণ হারিয়েছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, আরেকটি সামরিক বিমানের সঙ্গে আকাশে সংঘর্ষের ফলে কেসি-১৩৫ বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়। মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি শত্রুপক্ষের হামলা বা মিত্র বাহিনীর ভুল আঘাতের কারণে ঘটেনি।

ওয়াশিংটনে পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই ঘটনাকে গভীরভাবে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক হলেও ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানবিরোধী মার্কিন অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর আগে কুয়েত ও সৌদি আরবে ইরান-সমর্থিত ড্রোন হামলায় আরও সাতজন সেনা প্রাণ হারান।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বহুমুখী সংঘাতে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক দাবি করেছে যে, তারাই কেসি-১৩৫ বিমানটি ভূপাতিত করেছে। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি পাল্টা হামলা চালিয়ে যেতে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য, কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার বিমানগুলো প্রথম তৈরি হয় ১৯৫০-এর দশকে এবং এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর আকাশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যুদ্ধবিমানকে দীর্ঘ সময় আকাশে সক্রিয় রাখতে এই ধরনের রিফুয়েলিং বিমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: এনডিটিভি

পাঠকের মতামত: