বিচার বিভাগ এখন স্বাধীন, আইন চলবে নিজস্ব গতিতে: নুরুল হক নূর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১৯:৪৭:০৭
বিচার বিভাগ এখন স্বাধীন, আইন চলবে নিজস্ব গতিতে: নুরুল হক নূর

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আইনজীবী অধিকার পরিষদ ঢাকা বার ইউনিটের উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দাবি করেন যে, অতীতে আদালতের রায় গণভবন থেকে নিয়ন্ত্রিত হতো বলে অভিযোগ ছিল, তবে বর্তমানে সেই যুগের অবসান ঘটেছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, নতুন বাংলাদেশে আইন এখন থেকে সম্পূর্ণ নিজস্ব গতিতে চলবে এবং কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না।

প্রতিমন্ত্রী নূর তাঁর বক্তব্যে এদিনকে একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠনের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাতে আইনজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের সমালোচনা করে বলেন, অতীতে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতিগুলোতে নির্বাচনের নামে জোর-জবরদস্তি ও দখলের রাজনীতি চলেছে এবং বিচার বিভাগকে পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি আইনজীবীদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

আইনসভাকে শক্তিশালী এবং সংসদকে কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে নুরুল হক নূর বলেন, আইনজীবীদের রাজনীতিতে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়া উচিত। তিনি ঘোষণা করেন যে, আগামী দিনে আইনজীবী অধিকার পরিষদ আইনজীবীদের সংসদে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেবে। এছাড়া সারা বাংলাদেশের আইনজীবীদের সুসংগঠিত করতে বিভিন্ন বারের নির্বাচনে এই পরিষদ অংশ নেবে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে আইনজীবী অধিকার পরিষদ ঢাকা বার ইউনিটের আহ্বায়ক মো. মমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারুক হাসান এবং উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফসহ সংগঠনের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হাবিবুর রহমান এবং এতে আইনজীবী অধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


আওয়ামী লীগের মতো নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ২০:৪৪:১০
আওয়ামী লীগের মতো নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির দেওয়া নোট অব ডিসেন্টে কোনো পরিবর্তন চাইলে বিরোধী দলকে রাজপথের বদলে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রাতিষ্ঠানিক বৈঠকে এসে সুস্পষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে নিজেদের শাসনভার ও ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যেই ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করেছিল। কিন্তু জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ে নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কখনো সেই অগণতান্ত্রিক পথে হাঁটবে না।

আজকের বৈঠকের গতিপ্রকৃতি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আলোচনার টেবিলে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা সুনিশ্চিতকরণ, সংবিধানে বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদের পরিমার্জন এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সুষম ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার মতো মৌলিক বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। এ ছাড়া আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসহ প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

/আশিক


জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৮:৫৫:৩৮
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি
ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও বৈষম্য মোকাবিলায় বহুপাক্ষিকতা কেবল কোনো বিকল্প পথ নয়, বরং এটি অত্যন্ত অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিক কূটনীতির প্রতি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববাসীর সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কার্যকর ও অর্থবহ সংস্কারকে জোরালোভাবে সমর্থন করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সুদৃঢ় করা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাণীতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি আন্তর্জাতিক বহুপাক্ষিক কর্মকাণ্ডে সরকারের নতুন ও সক্রিয় ভূমিকার অঙ্গীকারকে ফুটিয়ে তোলে। বাংলাদেশ সবসময় একটি প্রতিনিধিত্বমূলক, স্বচ্ছ ও কার্যকর জাতিসংঘের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্বশান্তি রক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে তিনি স্মরণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ও অব্যাহত সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরিশেষে, পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনা, বিভেদ ভুলে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধি অর্জনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

/আশিক


আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৮:৩৫:০০
আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে সমাজ গঠনে নিয়োজিত ইমাম ও আলেম সমাজের নিরাপত্তা ও সম্মানের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নিজের রক্ত দিতেও কুণ্ঠাবোধ করবেন না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্মেলনে উপস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দেশের কওমি ওলামায়ে কেরাম ও ইমামরা ইসলামের মূল ধারক ও বাহক। তাঁদের যেকোনো ন্যায্য প্রয়োজনে ও সুরক্ষায় গায়ের রক্ত দিতে হলেও তিনি দ্বিধা করবেন না। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, মাদ্রাসাসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে।

একই সঙ্গে সামাজিক শান্তি বজায় রাখা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা নস্যাৎ করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। সমাজে ইমামদের অগাধ গ্রহণযোগ্যতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাস, শিশু নির্যাতন ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদানের তাগিদ দেন তিনি। কাউন্সিল অধিবেশনে ইমাম সমিতির পক্ষ থেকে সারা দেশের ইমামদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া মন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

/আশিক


মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৭:২৪:১৭
মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ
রাজধানীতে সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরকালে টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ ও প্রশাসনিক বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাকশন এইডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কপ ৩১ ন্যাশনাল পজিশন পেপার আনভেইলিং অ্যান্ড ডায়লগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, কোন রাষ্ট্রদূতকে কখন মন্ত্রণালয়ে তলব বা ফিরিয়ে আনা হবে, সেটি কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয় নয়; বরং এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পূর্ণ নিজস্ব ও রুটিন প্রক্রিয়া।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধকাল থেকে শুরু করে জাপান সবসময় বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার। বিশেষ করে বিএনপি সরকারের আমলেই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হয়েছে। জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সরকারি সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সফরকালে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, পোশাক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী ‘বাংলাদেশ ইনভেস্ট’ আইনের মাধ্যমে দেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক প্রস্তুতি ও সার্বিক আয়োজন সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় সচিব এম নজরুল ইসলামকে ইতোমধ্যে টোকিওতে পাঠানো হয়েছে।

/আশিক


দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৯:৪৬:২৮
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বন্দরের জেটি এলাকায় গিয়ে তিনি চলমান বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা ও কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, গতিশীল পণ্য খালাস ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামোগত আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাস্তবায়ন ও মোংলা বন্দরের সার্বিক সক্ষমতা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এ দিন সকালে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তিনি। সকাল ১০টার দিকে মোংলায় যাওয়ার পূর্বে তিনি খুলনা ও সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা হেলিকপ্টার ও জলযানে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরের জেটিতে প্রবেশের সময় প্রধান ফটকে সমবেত দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পরিদর্শনের সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন। বন্দর পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা শেষ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

/আশিক


বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৯:৩৮:৪১
বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের পাশাপাশি সার রপ্তানিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও চামড়াশিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ আত্তাফের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে হাইড্রোকার্বন খাতবিষয়ক এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে আলজেরিয়া থেকে সরাসরি সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতিতে জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হলো। এছাড়া বাংলাদেশের তেল শোধনাগার, এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং খনিজ গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধানে যৌথভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে আলজিয়ার্স।

জ্বালানি খাতের কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে আলজেরিয়ার পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে। আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের দেশের প্রেসিডেন্ট চুক্তিটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সই করার নির্দেশনা দেন। বৈঠকে বাংলাদেশে সার সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আলজেরিয়ার নিজস্ব বস্ত্রশিল্প পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে শীঘ্রই ঢাকায় পরবর্তী ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৮:৩১:০৯
বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম

‘বট’ ও গোপন শত্রুর উপস্থিতি কেবল জামায়াতে ইসলামী বা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং খোদ বিএনপির রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যেও এদের অস্তিত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী ‘মম-ইন’ হোটেলের কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।

নিজের সন্তানদের নামে ইউনিয়নের নামকরণ কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সমালোচনার সরাসরি জবাব দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এই নামকরণের পেছনে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত আগ্রহ বা স্বার্থ জড়িত ছিল না। ওই এলাকার সাধারণ মানুষই ভালোবেসে তাঁর দুই সন্তান ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’-এর নামে ইউনিয়নের নামকরণ করেছিলেন। তবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিতর্ক এড়াতে নাম পরিবর্তনের নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই তা দ্রুত পরিবর্তন করে 'জগন্নাথপুর' ইউনিয়ন রাখা হয়েছে।

ঐতিহাসিক বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিএনপিকে আক্রমণ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, বগুড়ার জহরুল নগর যদি সাবেক মেয়রের নামে হতে পারে, তবে তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে না কেন? ঢাকা বা মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের নামকরণের উদাহরণ দিয়ে তিনি দলকে আক্রমণকারী সমালোচকদের যথাযথ জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান।

বগুড়া অঞ্চলের সার্বিক অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, এলাকার উন্নয়নের প্রশ্নে বর্তমান সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। বিগত দুই দশকের উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে বগুড়ার ৬ জন সংসদ সদস্য একযোগে সরকারের সাথে আলোচনা করে সমন্বিত কাজ করবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

/আশিক


অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৭:৪৭:৪০
অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা
ছবি : সংগৃহীত

জমি কেনাবেচা কিংবা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিকানা সরকারি রেজিস্টারে হালনাগাদ করার জন্য নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। সম্প্রতি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির আবেদনে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে ‘যৌথ নামজারি’ করতে হবে। পূর্বে ওয়ারিশদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বণ্টন না থাকলেও আবেদন বাতিলের সুযোগ ছিল, যা এখন বন্ধ করা হয়েছে। তবে যৌথ খতিয়ান থেকে বের হয়ে কোনো ওয়ারিশ যদি নিজ নামে পৃথক বা আলাদা খতিয়ান তৈরি করতে চান, তবে অবশ্যই নিবন্ধিত বণ্টননামা দলিল জমা দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক ওয়ারিশ সনদের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদনকারীদের সরকারি পোর্টাল (land.gov.bd)-এ প্রবেশ করে 'ই-নামজারি' সেবার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র, পূর্ববর্তী খতিয়ান, জমার দলিল এবং ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ভূমি বিশেষজ্ঞরা জানান, সময়মতো নামজারি না করা হলে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ, জমি পুনরায় বিক্রি কিংবা আইনি বিরোধের সময় মালিকানা নিয়ে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। তাই যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সঠিক তথ্য জমা দিয়ে নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৭:৩৪:১৫
সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি
ছবি : সংগৃহীত

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালির গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে পাহাড়ির আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) সশস্ত্র সদস্যরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে ইউপিডিএফের অবরোধের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বেড়াতে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে এবং আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সকালে সড়ক অবরোধকারীরা যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে টহল দল আলোচনার মাধ্যমে তা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। তবে পৌনে ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এর কিছুক্ষণ পর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা হঠাৎ পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীর টহল দলও পাল্টা গুলি চালালে সশস্ত্র দলটি পিছু হটে। পরবর্তীতে যৌথ বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে আটকে পড়া তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে নিরাপদ গন্তব্যে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই সংঘর্ষে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সেনাবাহিনীর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযান ব্যাহত করা এবং স্থানীয়দের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভয়ভীতি ছড়াতেই এই সহিংসতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

/আশিক

পাঠকের মতামত: