একদিনে ৫ কোম্পানির বোর্ড সভা, বাজারে সতর্ক নজর

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২১ ১১:৫৯:৫০
একদিনে ৫ কোম্পানির বোর্ড সভা, বাজারে সতর্ক নজর
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ১০টি কোম্পানি তাদের বোর্ড সভার সময়সূচি ঘোষণা করেছে। একাধিক কোম্পানি জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ডিএসই (লিস্টিং) রেগুলেশনসের ১৬(১) ধারার আলোকে নির্ধারিত বোর্ড সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (Q2) অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যালোচনা করা হবে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৪ জানুয়ারি থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে এসব সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কোন ধারায় সভার ঘোষণা, কেন গুরুত্বপূর্ণ

ডিএসই লিস্টিং রেগুলেশনস ২০১৫ এর ১৬(১) ধারার অধীনে কোম্পানিগুলো বাজারকে আগে থেকেই অবহিত করে যে, নির্দিষ্ট তারিখে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনায় আসবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ঘোষণা সাধারণত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ অনঅডিটেড কিউ২ প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বোর্ড সভার ঘোষণাই বাজারকে ইঙ্গিত দেয় যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ প্রান্তিক পারফরম্যান্স শিগগিরই সামনে আসতে যাচ্ছে।

অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন বাজারে মূল্য সংবেদনশীল (price sensitive) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কারণ এতে কোম্পানির বিক্রি, মুনাফা, ব্যয়, ঋণ পরিস্থিতি কিংবা ক্যাশফ্লো সংক্রান্ত দিকগুলো প্রতিফলিত হয়। ফলে বোর্ড সভার তারিখ ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে।

সভার সময়সূচি, কোন কোম্পানির বোর্ড কবে বসছে

প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে আগে বোর্ড সভা ডাকেছে ইস্টার্ন কেবলস (ECABLES)। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০টায় তাদের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে কিউ২ অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনায় থাকবে।

এরপর ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একাধিক কোম্পানির বোর্ড সভা নির্ধারিত রয়েছে, যা একই দিনে বাজারে একাধিক কিউ২ প্রতিবেদনের ঘোষণা আসার সম্ভাবনা তৈরি করছে। এই দিনটি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নজরদারির বিষয় হতে পারে।

২৬ জানুয়ারির সভাগুলো হচ্ছে:

IBNSINA বিকাল ২টা ৪৫ মিনিটে, DELTASPINN বিকাল ৩টায়, NTLTUBES বিকাল ৩টায়, CVOPRL বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে এবং NPOLYMER বিকাল ৫টায় বোর্ড সভা করবে।

২৭ জানুয়ারি ২০২৬ রাতে বোর্ড সভা ডাকেছে SAMORITA। তাদের সভা অনুষ্ঠিত হবে রাত ৭টায়, যেখানে একইভাবে কিউ২ অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনায় থাকবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখেও কয়েকটি কোম্পানি বোর্ড সভার সময়সূচি দিয়েছে। RENWICKJA ওই দিন দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সভা করবে। DOREENPWR বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে বোর্ড বসাবে। LRBDL বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে সভা করবে। একাধিক সভা একই দিনে থাকায় বাজারে তথ্যপ্রবাহ ঘন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

একাধিক সভা একই দিনে, বাজারে কী প্রভাব পড়তে পারে

একই দিনে একাধিক কোম্পানির বোর্ড সভা হলে বাজারে সাধারণত দুটি ধারা দেখা যায়। প্রথমত, বিনিয়োগকারীরা প্রান্তিক ফলের সম্ভাব্য দিক অনুমান করে স্বল্পমেয়াদি অবস্থান নিতে পারেন। দ্বিতীয়ত, ফল প্রকাশের পর প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের ব্যবধান থাকলে দ্রুত দামের সমন্বয় ঘটে। তাই বোর্ড সভার দিন এবং পরবর্তী কয়েকটি কার্যদিবস তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিশেষত, বিদ্যুৎ, উৎপাদন, টেক্সটাইল, কনজ্যুমার, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের কোম্পানিগুলো একই তালিকায় থাকায় সেক্টরভিত্তিক তুলনামূলক বিশ্লেষণের সুযোগও তৈরি হবে।

বোর্ড সভার ঘোষণা মানেই যে ফল ভালো হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। বিনিয়োগকারীদের জন্য বাস্তব করণীয় হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আগের প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি, আয় ও মুনাফার ধারাবাহিকতা, পরিচালন ব্যয়, আর্থিক ব্যয় এবং ঋণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা। পাশাপাশি কোম্পানির ঘোষিত কিউ২ প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইপিএস, নেট প্রফিট মার্জিন, অপারেটিং ক্যাশফ্লো এবং ডেট টু ইকুইটি অনুপাতের মতো সূচকগুলো দেখলে সিদ্ধান্ত তুলনামূলকভাবে তথ্যভিত্তিক হবে।

বাজারে গুজব বা অযাচিত অনুমানের ভিত্তিতে ট্রেডিং ঝুঁকি বাড়ায়। ফলে প্রতিবেদনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসা পর্যন্ত সতর্কতা বজায় রাখা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার দিকটি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ১০ কোম্পানির আসন্ন বোর্ড সভা কিউ২ অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ টানছে। ২৪ থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে সভাগুলো সম্পন্ন হলে পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে অনঅডিটেড আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও খাতভিত্তিক বাজারদৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করতে পারে।

সুত্র: ডিএসই


ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ড বাজারচিত্র, কোথায় কত এনএভি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২১ ১১:৪৭:৫১
ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ড বাজারচিত্র, কোথায় কত এনএভি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক মিউচুয়াল ফান্ড ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের লেনদেন সমাপ্তির (ক্লোজিং) ভিত্তিতে ইউনিটপ্রতি দৈনিক নিট সম্পদমূল্য (NAV) ঘোষণা করেছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, অধিকাংশ ফান্ডের মার্কেট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে, অর্থাৎ ডিসকাউন্ট জোনে রয়েছে। তবে GRAMEENS2 এবং RELIANCE1 ফান্ডের মার্কেট এনএভি ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে, যা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী মূল্যায়নের ইঙ্গিত দেয়।

আজকের হাইলাইটস, কোথায় কার অবস্থান

২০ জানুয়ারির ক্লোজিং অনুযায়ী সর্বোচ্চ মার্কেট এনএভি এসেছে GRAMEENS2 ফান্ডে, ইউনিটপ্রতি ১৬.২০ টাকা, যা ফেস ভ্যালুর তুলনায় প্রায় ৬২ শতাংশ প্রিমিয়াম নির্দেশ করে। অন্যদিকে সর্বনিম্ন মার্কেট এনএভি দেখা গেছে 1JANATAMF ফান্ডে, ইউনিটপ্রতি ৬.১৭ টাকা, যা ফেস ভ্যালুর তুলনায় প্রায় ৩৮.৩০ শতাংশ ডিসকাউন্ট।

মার্কেট এনএভি হিসেবে শীর্ষ তালিকায় রয়েছে GRAMEENS2 (১৬.২০ টাকা), RELIANCE1 (১০.৯৩ টাকা), ICBAGRANI1 (৯.৫৬ টাকা), GLDNJMF (৯.৫৪ টাকা) এবং ICBAMCL2ND (৮.৫২ টাকা)। নিচের দিকে রয়েছে 1JANATAMF (৬.১৭ টাকা), EBL1STMF (৬.৪৯ টাকা), EBLNRBMF (৬.৫৮ টাকা), PHPMF1 (৬.৯৯ টাকা) এবং IFILISLMF1 (৭.০২ টাকা)।

মার্কেট এনএভি বনাম কস্ট এনএভি, বিনিয়োগকারীর জন্য বার্তা

প্রায় সব ফান্ডে দেখা যাচ্ছে কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ থেকে ১২ টাকার আশপাশে, অর্থাৎ ফান্ডের ঐতিহাসিক ক্রয়মূল্য বা বইমূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি। কিন্তু মার্কেট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি অনেক ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৮ টাকার মধ্যে অবস্থান করছে। সাধারণভাবে এটি বোঝায় যে, বাজারদরে ফান্ডের পোর্টফোলিওর বর্তমান মূল্য কস্ট বেসিসের চেয়ে কম বা বাজারে ফান্ড ইউনিটের মূল্যায়ন চাপের মধ্যে থাকতে পারে।

তবে একটি ব্যতিক্রম চোখে পড়ছে। GRAMEENS2 ফান্ডে মার্কেট এনএভি ১৬.২০ টাকা, যেখানে কস্ট এনএভি ১০.৭১ টাকা। এটি ইঙ্গিত করে যে, ফান্ডের বাজারমূল্যায়ন কস্ট বেসিসকে উল্লেখযোগ্যভাবে ছাড়িয়ে গেছে, অর্থাৎ বাজারে ফান্ডটির অন্তর্নিহিত সম্পদের মূল্যবৃদ্ধি বা মূল্যায়ন তুলনামূলক উঁচুতে অবস্থান করছে।

মোট নিট সম্পদ, কোন ফান্ড কত বড়

মোট নিট সম্পদের হিসাবে বাজারমূল্যে সবচেয়ে বড় ফান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে FBFIF, যার মোট নিট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ৫৫৯.৯৮ কোটি টাকা। এরপর উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে GRAMEENS2 (২৯৫.৪৫ কোটি টাকা) এবং POPULAR1MF (২১৬.৩৫ কোটি টাকা)। বড় নিট সম্পদের অর্থ সাধারণত বৃহৎ পোর্টফোলিও স্কেল, তবে বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে নিট সম্পদের পাশাপাশি ইউনিটের বাজারদর, ডিসকাউন্ট-প্রিমিয়াম, তারল্য এবং ডিভিডেন্ড পারফরম্যান্সও বিবেচ্য।

ফান্ডভিত্তিক এনএভি, সংক্ষেপে পূর্ণ তথ্য (২০ জানুয়ারির ক্লোজিং)

GRAMEENS2

মার্কেট এনএভি ১৬.২০ টাকা, কস্ট এনএভি ১০.৭১ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ২৯৫.৪৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১৯৫.৩৮ কোটি টাকা।

RELIANCE1

মার্কেট এনএভি ১০.৯৩ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৩০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৬৬.১২ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৬৮.৩৫ কোটি টাকা।

ICBAGRANI1

মার্কেট এনএভি ৯.৫৬ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.২৩ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৩.৮৬ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২০.০৮ কোটি টাকা।

GLDNJMF

মার্কেট এনএভি ৯.৫৪ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.০৭ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৫.৪০ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১১০.৬৬ কোটি টাকা।

ICBAMCL2ND

মার্কেট এনএভি ৮.৫২ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.৮৮ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৪২.৫৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৬৪.৪২ কোটি টাকা।

1STPRIMFMF

মার্কেট এনএভি ৮.৩৫ টাকা, কস্ট এনএভি ১৫.৯০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৬.৬৯ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩১.৭৯ কোটি টাকা।

ICBSONALI1

মার্কেট এনএভি ৮.৩৯ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.১২ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৮৩.৮৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২১.১৯ কোটি টাকা।

PF1STMF

মার্কেট এনএভি ৭.৮৭ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.০২ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৪৭.২৪ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৭২.১৪ কোটি টাকা।

PRIME1ICBA

মার্কেট এনএভি ৭.৭৭ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.৫৩ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৭৭.৭০ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২৫.২৭ কোটি টাকা।

ICB3RDNRBমার্কেট এনএভি ৭.৭০ টাকা, কস্ট এনএভি ১২.০৫ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৭৭.০৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১২০.৫২ কোটি টাকা।

IFIC1STMF

মার্কেট এনএভি ৭.৬২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৬৮ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৩৮.৮৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ২১২.৮০ কোটি টাকা।

ICBEPMF1S1

মার্কেট এনএভি ৭.৫৮ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৯০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৫৬.৮৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৮৯.২২ কোটি টাকা।

EXIM1STMF

মার্কেট এনএভি ৭.৪৮ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৫৮ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১০৭.১৯ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১৬৫.৮৩ কোটি টাকা।

ABB1STMF

মার্কেট এনএভি ৭.৩২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৬৬ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৭৪.৯৯ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ২৭৮.৮৯ কোটি টাকা।

POPULAR1MF

মার্কেট এনএভি ৭.২৩ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৪৪ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ২১৬.৩৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩৪২.২৫ কোটি টাকা।

FBFIF

মার্কেট এনএভি ৭.২১ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৪০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৫৫৯.৯৮ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৮৮৫.০৬ কোটি টাকা।

IFILISLMF1

মার্কেট এনএভি ৭.০২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.২৪ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৭০.২৩ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১১২.৪০ কোটি টাকা।

PHPMF1

মার্কেট এনএভি ৬.৯৯ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৩৫ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৯৭.১১ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩২০.০২ কোটি টাকা।

EBLNRBMF

মার্কেট এনএভি ৬.৫৮ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৩৪ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৪৭.৬৭ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ২৫৪.৩১ কোটি টাকা।

EBL1STMF

মার্কেট এনএভি ৬.৪৯ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৫০ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৩.৯০ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ১৬৬.৫০ কোটি টাকা।

1JANATAMF

মার্কেট এনএভি ৬.১৭ টাকা, কস্ট এনএভি ১১.৪৬ টাকা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৭৮.৭৫ কোটি টাকা, কস্ট বেসিসে ৩৩২.১৬ কোটি টাকা।

বিনিয়োগকারীর করণীয়, কী দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন

ডেইলি এনএভি একা সিদ্ধান্তের ভিত্তি নয়। বিনিয়োগকারীদের জন্য বাস্তব করণীয় হলো ফান্ডটির ট্রেডিং প্রাইস এনএভির তুলনায় কতটা ডিসকাউন্ট বা প্রিমিয়ামে আছে তা দেখা, ইউনিটের তারল্য কেমন তা যাচাই করা, এবং দীর্ঘমেয়াদে ডিভিডেন্ড ট্র্যাক রেকর্ড ও পোর্টফোলিও মান বিবেচনা করা। একই সঙ্গে ঝুঁকি গ্রহণক্ষমতা অনুযায়ী পোর্টফোলিও বৈচিত্র্য বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

সুত্র: ডিএসই


ডিএসই মূল বোর্ডে আজকের লেনদেনের পূর্ণ চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২০ ১৫:৩৪:৩৭
ডিএসই মূল বোর্ডে আজকের লেনদেনের পূর্ণ চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল বোর্ডে মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিসংখ্যান বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের স্পষ্ট প্রতিফলন দেখিয়েছে। দিনজুড়ে সূচকে ওঠানামার মধ্যেও লেনদেনের পরিমাণ ও আর্থিক মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিএসই সূত্র জানায়, এদিন মূল বোর্ডে মোট ১,৯০,৭৪৩টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। সক্রিয় ট্রেডিংয়ের ফলে বাজারে তারল্য প্রবাহ বজায় ছিল।

দিনের লেনদেনে মোট ২০৪,১৬৭,১৮২টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। বিভিন্ন খাতভিত্তিক শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ থাকায় লেনদেনের ভলিউম তুলনামূলকভাবে উঁচু অবস্থানে ছিল।

আর্থিক হিসাবে, ডিএসইর মূল বোর্ডে মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় Tk ৬,৬৯৮.৫৫৫ মিলিয়ন, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে একটি শক্তিশালী লেনদেন দিন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এই লেনদেন প্রবাহ বাজারে স্বল্পমেয়াদি স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

-রাফসান


ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আজকের বাজারচিত্র বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২০ ১৫:৩০:০৫
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আজকের বাজারচিত্র বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের লেনদেনে বাজারে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনজুড়ে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ সক্রিয় থাকলেও দরবৃদ্ধি ও দরপতনের মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র বজায় ছিল। এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৮টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যা বাজারে আগ্রহ ও তারল্য প্রবাহের ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয়।

সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে এদিন ২১০টি শেয়ারের দর বেড়েছে, বিপরীতে ১০৯টি শেয়ারের দর কমেছে এবং ৬৯টি সিকিউরিটিজের দর অপরিবর্তিত ছিল। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, বাজারে ইতিবাচক গতি থাকলেও মুনাফা তুলে নেওয়ার চাপ পুরোপুরি কাটেনি।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দেখা গেছে। এই শ্রেণিতে ১৩১টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়, ৪৪টির দর হ্রাস পায় এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত থাকে। মোট ২০৪টি এ ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। শক্তিশালী মৌলভিত্তি ও স্থিতিশীল আর্থিক অবস্থানের কারণে এই খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তুলনামূলক বেশি ছিল বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বি ক্যাটাগরিতে লেনদেনে কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এদিন এই শ্রেণিতে ৩৩টি শেয়ারের দর বেড়েছে, ২৯টির দর কমেছে এবং ১৭টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। মোট ৭৯টি বি ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। বিনিয়োগকারীরা এখানে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

জেড ক্যাটাগরিতে দরবৃদ্ধি ও দরপতন প্রায় সমানতালে চলেছে। এই শ্রেণিতে ৪৬টি শেয়ারের দর বেড়েছে, ৩৬টির দর কমেছে এবং ২৩টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। মোট ১০৫টি জেড ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের প্রতিফলন।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। এদিন ১৫টি মিউচুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধি পায়, ৬টির দর হ্রাস পায় এবং ১৩টির দর অপরিবর্তিত থাকে। মোট ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে অংশ নেয়। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের ধীরে ধীরে এই খাতে আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

লেনদেন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে মোট ১,৯০,৭৪৩টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। মোট শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৩,৩৬২,৫২৮টি। আর্থিক মূল্যে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় Tk ৬,৬৯৮.৫৫ কোটি, যা আগের কয়েক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

বাজার মূলধনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ইকুইটি খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে Tk ৩৩,৫৪,৮১২.১০ কোটি। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বাজার মূলধন ছিল Tk ২৩,১৪৭.৭৫ কোটি এবং ঋণপত্র খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে Tk ৩৫,৪০৪,৬৭২.৭১ কোটি। সব মিলিয়ে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় Tk ৬৯,১৮,৪২৭.১২ কোটি।

এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য তৎপরতা দেখা যায়। ব্লক মার্কেটে ২১টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। মোট ৫৪টি ব্লক ট্রেডে ৬২,৯২,৬৮৪টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়, যার আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় প্রায় Tk ৩২৩.৫০ কোটি। ওরিয়ন ইনফিউশন, গ্রামীণফোন, ফাইন ফুডস, লাভেলো, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সসহ একাধিক কোম্পানির শেয়ারে বড় অঙ্কের ব্লক লেনদেন বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর বাজারে স্বাভাবিক সংশোধন দেখা যাচ্ছে। তবে তারল্য, লেনদেনের পরিমাণ এবং অংশগ্রহণের দিক থেকে বাজার এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তারা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদে কিছু ওঠানামা থাকলেও মৌলভিত্তি শক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অব্যাহত থাকবে।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে দরপতনের চাপ, শীর্ষ দশ লোকসানি শেয়ার প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২০ ১৫:২২:৪৪
শেয়ারবাজারে দরপতনের চাপ, শীর্ষ দশ লোকসানি শেয়ার প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের লেনদেনে দরপতনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের দ্বিতীয়ার্ধে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মূল্য হারিয়েছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র মূলধনী শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট ছিল।

দিনের লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার আগের দিনের ৭১ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে ৬৮ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। এতে দর কমেছে প্রায় ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। ট্যানারি খাতে সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তা এবং স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ এই পতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। শেয়ারটির দর আগের দিনের ৩ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমে দাঁড়ায় ৩ টাকা ৬০ পয়সায়। দরপতনের হার ছিল প্রায় ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। টেক্সটাইল খাতে কাঁচামালের মূল্য, রপ্তানি আদেশ এবং আর্থিক অবস্থান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শঙ্কা এই দরহ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোডস লিমিটেডের শেয়ারও আজ দরপতনের তালিকায় উল্লেখযোগ্য অবস্থান নেয়। শেয়ারটির দর ১৭ টাকা ৯০ পয়সা থেকে কমে ১৭ টাকায় নেমে আসে। এতে প্রায় ৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ দরহ্রাস ঘটে। শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট এই কোম্পানিতে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট ছিল।

নুরানী ডাইং অ্যান্ড সুইটার লিমিটেডের শেয়ার দিনের লেনদেনে ২ টাকা ১০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকায় দাঁড়ায়। দর কমেছে প্রায় ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। একইভাবে সিএনএ টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ার ২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে, যার দরপতনের হার প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার ২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের ইউনিট দর ২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে আসে। এই খাতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান দরপতনের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

মিডাস ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার আজ ৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়ায়। দর কমেছে প্রায় ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। একই দিনে হা-মীম টেক্সটাইল লিমিটেডের শেয়ার ১৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে কমে ১৬ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের শেয়ারও ৫ টাকা ৭০ পয়সা থেকে কমে ৫ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

সামগ্রিকভাবে আজকের লেনদেনে শেয়ারবাজারে সংশোধনমূলক চাপ স্পষ্ট ছিল। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং খাতভিত্তিক অনিশ্চয়তা এই দরপতনের প্রধান কারণ। তারা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদে বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে এবং বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তি বিশ্লেষণ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

-রাফসান


ডিএসইতে আজকের টপ গেইনার তালিকায় কারা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২০ ১৫:১১:২০
ডিএসইতে আজকের টপ গেইনার তালিকায় কারা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের লেনদেনে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনভর লেনদেনে বেশ কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি ঘটে, যার ফলে বাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, সিরামিক, বীমা, মিউচুয়াল ফান্ড এবং অটোমোবাইল খাতের শেয়ারগুলোতে সক্রিয় লেনদেন দেখা যায়।

দিনের লেনদেনে শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে উঠে আসে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারের দর আগের দিনের ৩৭ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ৪১ টাকায় দাঁড়ায়। এতে দরবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে এই দরবৃদ্ধি হয়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সিরামিক খাতের এসপিসি সিরামিক্স লিমিটেডও দিনের লেনদেনে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। শেয়ারটির দর বেড়ে হয় ১৬ টাকা ১০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। নির্মাণ খাতে সম্ভাব্য চাহিদা বৃদ্ধি এবং খাতভিত্তিক ইতিবাচক প্রত্যাশা এই দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল। এনসিসিবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট দর বেড়ে দাঁড়ায় ৪ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৮ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। একই খাতের পিএফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট দরেও উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যায়। এই প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রিত বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বীমা খাতের একাধিক কোম্পানির শেয়ারে আজ দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। সাউথইস্ট ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ারের দর বেড়ে হয় ২২ টাকা, জানাতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ২৬ টাকা ৫০ পয়সায় এবং এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৩১ টাকা ৩০ পয়সা। বীমা খাতে স্থিতিশীল আয় ও দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনার কারণে বিনিয়োগকারীরা এ খাতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

অটোমোবাইল খাতের বিডি অটোকার লিমিটেডের শেয়ারও দিনের আলোচনায় আসে। শেয়ারটির দর বেড়ে দাঁড়ায় ১৩৪ টাকা ২০ পয়সায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি। যানবাহন খাতে চাহিদা ও ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের প্রত্যাশা এই দরবৃদ্ধির পেছনে কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফার্মাসিউটিক্যাল ও স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের শেয়ারেও ইতিবাচক গতি দেখা যায়। শেয়ারটির দর বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫৪ টাকা ৪০ পয়সায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। ওষুধ খাতে স্থিতিশীল ব্যবসা ও বাজার সম্প্রসারণের প্রত্যাশা বিনিয়োগকারীদের আস্থা জোরদার করেছে।

সামগ্রিকভাবে আজকের লেনদেনে শেয়ারবাজারে খাতভিত্তিক বৈচিত্র্যময় অংশগ্রহণ দেখা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে এই ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তারা বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তি বিশ্লেষণ, আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

-রাফসান


প্রধান বোর্ডে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা, লেনদেনে নতুন গতি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৯ ১৫:১৯:৫২
প্রধান বোর্ডে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা, লেনদেনে নতুন গতি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান বোর্ডে সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনে স্পষ্ট গতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এদিন বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই সূত্র জানায়, দিনশেষে প্রধান বোর্ডে মোট ১ লাখ ৮১ হাজার ১৩৬টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। এই লেনদেনের মাধ্যমে বাজারে মোট ২০ কোটি ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৫২৮টি শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ।

লেনদেন মূল্যের দিক থেকেও দিনটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এদিন প্রধান বোর্ডে মোট ৫ হাজার ৯৩৪ কোটি ৪ লাখ টাকা সমপরিমাণ শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিমাণ লেনদেন বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত বিভিন্ন কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, ব্লক ট্রেডের সক্রিয়তা এবং কিছু নির্বাচিত শেয়ারে মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা বিনিয়োগকারীদের বাজারমুখী করেছে। এর ফলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও সক্রিয়ভাবে লেনদেনে অংশ নিচ্ছেন।

তারা আরও উল্লেখ করেন, লেনদেনের সংখ্যা ও ভলিউম বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের উচিত মৌলভিত্তি ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। কারণ বাজারের স্বল্পমেয়াদি গতি সব সময় দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা দেয় না।

সার্বিকভাবে, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ডিএসইর প্রধান বোর্ডে লেনদেনের এই চিত্র শেয়ারবাজারে একটি সক্রিয়, প্রাণবন্ত ও সম্ভাবনাময় দিনের ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


১৯ জানুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৯ ১৫:০৭:২২
১৯ জানুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার লেনদেনে সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও বেশিরভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। বাজারে মূল্য ও লেনদেন উভয় দিক থেকেই আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য গতি দেখা গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দিনের শুরু থেকেই বাজারে ক্রয়চাপ ছিল তুলনামূলক বেশি। লেনদেন শেষে ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৬৮টির দর বেড়েছে, ৭২টির দর কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। দরবৃদ্ধির এই বিস্তৃত চিত্র বাজারের সামগ্রিক ইতিবাচক মনোভাবকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

ক্যাটাগরি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয়তা ছিল। এ ক্যাটাগরিতে ২১০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ১৩৬টির দর বেড়েছে এবং ৪২টির দর কমেছে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৫৬টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেলেও ১৫টির দর কমেছে। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতেও দরবৃদ্ধির সংখ্যা তুলনামূলক বেশি ছিল, যা দুর্বল ভিত্তির শেয়ারেও স্বল্পমেয়াদি আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ছিল ইতিবাচক ধারা। এই খাতে ২৩টি ফান্ডের দর বেড়েছে, মাত্র একটি ফান্ডের দর কমেছে এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এতে বোঝা যায়, অপেক্ষাকৃত নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবেও মিউচুয়াল ফান্ডে আগ্রহ বজায় রয়েছে।

দিনভিত্তিক লেনদেন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মোট লেনদেন হয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ১৩৬ বার। লেনদেন হওয়া শেয়ারের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৫২৮টি। আর মোট লেনদেন মূল্য ছিল প্রায় ৫ হাজার ৯৩৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই উচ্চ লেনদেন মূল্য বাজারে তারল্য বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনের দিক থেকেও ডিএসইতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। দিন শেষে ইক্যুইটি খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকায়। মিউচুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্রসহ মোট বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৯ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা, যা বাজারের সামগ্রিক শক্ত অবস্থানকে নির্দেশ করে।

এদিন ব্লক মার্কেটেও ছিল উল্লেখযোগ্য তৎপরতা। মোট ২৭টি কোম্পানির শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে। ব্লক লেনদেনে প্রায় ৩২৮ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়। বড় অঙ্কের ব্লক লেনদেন সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা নির্দেশ করে, যা বাজারের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন, লভ্যাংশ ঘোষণা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি মুনাফার প্রত্যাশায় খুচরা বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও বেড়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেন, বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকলেও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মৌলভিত্তি ও ঝুঁকি বিবেচনায় রাখা জরুরি। অল্প সময়ে অতিরিক্ত দরবৃদ্ধি হওয়া শেয়ারে বিনিয়োগ করার আগে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তারা।

সার্বিকভাবে, ১৯ জানুয়ারির লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসার ইঙ্গিত মিলেছে। বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উচ্চ লেনদেন মূল্য এবং অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধি বাজারের স্বল্পমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিকে ইতিবাচক করে তুলেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


১৯ জানুয়ারি বাজারে  দরপতনের ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৯ ১৫:০২:৪৯
১৯ জানুয়ারি বাজারে  দরপতনের ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ সামগ্রিকভাবে লেনদেন সক্রিয় থাকলেও কিছু নির্দিষ্ট শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিক্রয়চাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগ কোম্পানি ও কিছু উৎপাদন খাতভুক্ত শেয়ারে দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বল্পমূল্যের শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়া, নির্বাচনী অনিশ্চয়তা ঘিরে সতর্ক অবস্থান এবং কিছু শেয়ারের মৌলভিত্তি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা এই দরপতনের অন্যতম কারণ।

শীর্ষ ১০ দরপতনকারী শেয়ার (ক্লোজিং প্রাইস ও ওয়াইসিপি বিবেচনায়)

১. প্রাইম ফাইন্যান্স

দিনের সবচেয়ে বড় দরপতন দেখা গেছে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে। শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ টাকা, যা আগের দিনের ১ টাকা ০৮ পয়সা থেকে ৯.০৯ শতাংশ কম।

২. এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড–১

এই ফান্ডের ইউনিট মূল্য কমে হয়েছে ৩ টাকা ৭০ পয়সা। আগের দিনের তুলনায় দর কমেছে ৭.৫০ শতাংশ।

৩. জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি

স্বল্পমূল্যের এই শেয়ারটির দাম নেমে এসেছে ১ টাকা ৪০ পয়সায়। দিন শেষে দরপতনের হার ছিল ৬.৬৭ শতাংশ।

৪. ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স

বীমা খাতের এই শেয়ারের ক্লোজিং মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৫০ পয়সা, যা আগের দিনের ৫৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩.৭১ শতাংশ কম।

৫. জিল বাংলা সুগার মিলস

চিনি শিল্প খাতের এই শেয়ারের দর কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকা ১০ পয়সা। দরপতনের হার ৩.৬৪ শতাংশ।

৬. শ্যামপুর সুগার মিলস

এই শেয়ারের দাম নেমে হয়েছে ১৩০ টাকা ২০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় ৩.৪৮ শতাংশ কম।

৭. বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোডস

ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের এই শেয়ারের ক্লোজিং মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯০ পয়সা। দরপতন হয়েছে ৩.২৪ শতাংশ।

৮. বিডি ল্যাম্পস

বিদ্যুৎ সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার নেমে এসেছে ১৪১ টাকা ৩০ পয়সায়। দর কমেছে ২.৮৯ শতাংশ।

৯. জাহিন স্পিনিং মিলস

বস্ত্র খাতের এই শেয়ারের দাম হয়েছে ৩ টাকা ৯০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় ২.৫০ শতাংশ কম।

১০. এপেক্স ফুডস

খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের এই শেয়ারের ক্লোজিং মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৪২ টাকা ৫০ পয়সা। দিন শেষে দরপতনের হার ছিল ২.৪৯ শতাংশ।

বাজার বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকরা বলছেন, আজকের দরপতন মূলত নির্বাচিত কিছু শেয়ারে সীমাবদ্ধ ছিল। স্বল্পমূল্যের ফাইন্যান্স কোম্পানি ও কিছু শিল্প খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমাতে বিক্রির দিকে ঝুঁকেছেন। তবে বাজারের সামগ্রিক লেনদেন ও অংশগ্রহণ দেখে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত এখনই দেওয়া যাচ্ছে না।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে চাঙ্গাভাব: শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৯ ১৪:৫৮:১১
শেয়ারবাজারে চাঙ্গাভাব: শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ও ক্রয়চাপের ফলে একাধিক শেয়ারের দরে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) লেনদেন শেষে আগের কার্যদিবসের তুলনায় সর্বাধিক দরবৃদ্ধির তালিকায় উঠে এসেছে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিউচুয়াল ফান্ড ও উৎপাদন খাতভুক্ত বেশ কয়েকটি শেয়ার।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী সময় ঘিরে বাজারে আস্থার উন্নতি, কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি স্পেকুলেটিভ চাহিদা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আংশিক সক্রিয়তা এই দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার (ক্লোজিং প্রাইস ও ওয়াইসিপি বিবেচনায়)

১. কেবিপি প্রোডাক্টস ওয়েলফেয়ার বিল

দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি হয়েছে এই শেয়ারে। শেয়ারটির ক্লোজিং মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৮০ পয়সা, যা আগের দিনের ৪৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৯.৯১ শতাংশ বেশি।

২. রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স

বীমা খাতের এই শেয়ারের দর বেড়ে হয়েছে ৩৩ টাকা ৪০ পয়সা। আগের দিনের ৩০ টাকা ৪০ পয়সা থেকে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৮৭ শতাংশ।

৩. এলআর গ্লোবাল মিউচুয়াল ফান্ড–১

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের এ ইউনিটের দাম দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা, যা ৭.১৪ শতাংশ দরবৃদ্ধি নির্দেশ করে।

৪. এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড

লেনদেন শেষে ইউনিটপ্রতি মূল্য হয়েছে ৬ টাকা ১০ পয়সা। আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে ৭.০২ শতাংশ।

৫. এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

ওষুধ ও ডায়াগনস্টিক খাতের এই শেয়ারের দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ২০ পয়সা। দিনশেষে দরবৃদ্ধি ৬.৪৪ শতাংশ।

৬. সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস

ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের এ শেয়ারের ক্লোজিং মূল্য হয়েছে ১০ টাকা ১০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় ৬.৩২ শতাংশ বেশি।

৭. আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক প্রথম বিনিয়োগ তহবিল

এই মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৪০ পয়সা। দরবৃদ্ধি হয়েছে ৬.২৫ শতাংশ।

৮. আইসিবি ইপিএমএফ–১ (সিরিজ–১)

ইউনিটপ্রতি দর বেড়ে হয়েছে ৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা ৫.৮৮ শতাংশ উত্থান নির্দেশ করে।

৯. সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা

পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতের এই শেয়ারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৭০ পয়সা। দরবৃদ্ধি ৫.১৪ শতাংশ।

১০. রিলায়েন্স ওয়ান ফান্ড

তালিকার দশম স্থানে থাকা এই ফান্ডের ইউনিট মূল্য হয়েছে ১৫ টাকা ৫০ পয়সা, আগের দিনের তুলনায় ৪.৭৩ শতাংশ বেশি।

বাজার বিশ্লেষণ

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আজকের লেনদেনে মিউচুয়াল ফান্ড ও বীমা খাত তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় ছিল। পাশাপাশি কিছু নির্বাচিত শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। তবে বিশ্লেষকরা বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: