আজকের স্বর্ণের দাম: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১০:০৭:০৫
আজকের স্বর্ণের দাম: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার সরাসরি প্রভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও স্বর্ণের দামে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছে। দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দাম এবার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬২৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে, যার ফলে বর্তমান বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা। বুধবার রাতে এই ঘোষণা আসলেও বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকেই দেশজুড়ে নতুন এই বর্ধিত মূল্যে স্বর্ণ কেনাবেচা শুরু হয়েছে।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের সরবরাহ এবং এর দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করতে তারা বাধ্য হয়েছেন। নতুন নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন থেকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া বাজারে বহুল ব্যবহৃত ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ক্ষেত্রেও দাম বাড়ানো হয়েছে এবং এর নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা। বাজুস কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এই নতুন দাম সারা দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক।

তবে গয়না কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এই নির্ধারিত মূল্যের বাইরেও কিছু অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হবে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, স্বর্ণের প্রদর্শিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যোগ করতে হবে। অর্থাৎ, গয়নার নকশা ও জটিলতাভেদে এই মজুরি আরও বাড়তে পারে, যা ক্রেতাকে গয়না কেনার সময় পরিশোধ করতে হবে। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্বর্ণের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধি সাধারণ মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত উভয় শ্রেণির ক্রেতাদের মধ্যেই ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্বর্ণের দামে এই বিশাল উল্লম্ফন দেখা গেলেও রুপার বাজার বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। বাজুসের তথ্যমতে, রুপার পূর্বনির্ধারিত দামেই আপাতত লেনদেন চলবে। সর্বশেষ গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রুপার দাম ভরিতে ৪০৯ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সেই হিসেবে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দর ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকাতেই স্থিতিশীল রয়েছে। স্বর্ণের বাজারে এই ধারাবাহিক অস্থিরতা বিশ্ব রাজনীতির সংকট ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।


সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য চূড়ান্ত হচ্ছে নতুন আর্থিক রূপরেখা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৯ ১৯:২৪:৪০
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য চূড়ান্ত হচ্ছে নতুন আর্থিক রূপরেখা
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি চাকরিজীবীদের বহু প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আসন্ন সোমবার অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে তোলা হতে পারে। মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত মিললে পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে, অর্থাৎ আগামী বৃহস্পতিবারের ভেতরেই এ সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করার জোর প্রস্তুতি চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন পে-স্কেলের সব ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে এটি অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া মাত্রই সপ্তাহের শেষ নাগাদ তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা সম্ভব হবে। তবে চূড়ান্ত খসড়ায় মূল বেতন ও অন্যান্য ভাতা ঠিক কতটা বাড়ছে, সে বিষয়ে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা এখনই সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে রাজি হননি।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের জানান, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। অন্যদিকে গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছিলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম বেতন কমিশন নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। প্রক্রিয়াটি শেষ হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা মন্ত্রিসভায় তোলা হবে এবং সেখান থেকে অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারির কার্যক্রম শুরু হবে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের রূপরেখা ও সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে প্রধান করে ১০ সদস্যের একটি বিশেষ পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই সচিব কমিটি ইতোমধ্যে সরকারের কাছে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পেশ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী এটি দুই ধাপে কার্যকর হতে পারে; যার মধ্যে প্রথম বছর মূল বেতন বৃদ্ধি পাবে এবং দ্বিতীয় বছর থেকে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা সমন্বয় করা হবে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত গ্রেডভিত্তিক সম্ভাব্য যে কাঠামো বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে, তাকে কেবল প্রস্তাবিত খসড়া হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের ওই প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ১ম গ্রেডের নির্ধারিত মূল বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ২য় গ্রেডে ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, ৩য় গ্রেডে ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা, ৪র্থ গ্রেডে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা, ৫ম গ্রেডে ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, ৭ম গ্রেডে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা, ৮ম গ্রেডে ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা,

৯ম গ্রেডে ৪৫ হাজার ১০০ থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং ১০ম গ্রেডে ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা। এছাড়া ১১তম গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা, ১২তম গ্রেডে ২৪ হাজার ৩০০ থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা, ১৩তম গ্রেডে ২৪ হাজার থেকে ৫৮ হাজার টাকা, ১৪তম গ্রেডে ২৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫৬ হাজার ৮০০ টাকা, ১৫তম গ্রেডে ২২ হাজার ৮০০ থেকে ৫৫ হাজার ২০০ টাকা, ১৬তম গ্রেডে ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা, ১৭তম গ্রেডে ২১ হাজার ৪০০ থেকে ৫১ হাজার ৯০০ টাকা, ১৮তম গ্রেডে ২১ হাজার থেকে ৫০ হাজার ৯০০ টাকা, ১৯তম গ্রেডে ২০ হাজার ৫০০ থেকে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা এবং ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক বিশেষ ই-বুকে নতুন বেতন স্কেলকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি বড় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকাশনাটির তথ্যমতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন ও আনুতোষিকসহ সর্বমোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দের হিসাব রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, অষ্টম পে-স্কেলের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠিত হয়। কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।

বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অক্ষুণ্ণ রেখে বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল ওই কমিশন, যেখানে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়।

সূত্র: টিবিএস


আন্তর্জাতিক বাজারে বড় দরপতন: ধাক্কা খেল মূল্যবান ধাতুর বাজার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৯ ১৮:২৬:১৫
আন্তর্জাতিক বাজারে বড় দরপতন: ধাক্কা খেল মূল্যবান ধাতুর বাজার
ছবি : সংগৃহীত

মূল্যস্ফীতি নিয়ে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশের বক্তব্যের পর নীতিগত সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক দিনেই মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৩ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ২.৯ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫৬৭ দশমিক ২৩ ডলারে নেমে আসে। পাশাপাশি মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দামও সমান ২.৯ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫২৯ দশমিক ০৯ ডলারে গিয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের সামগ্রিক মূল্যপতন দাঁড়িয়েছে ২.৯ শতাংশে, অথচ গত মঙ্গলবারই (২৫ আগস্ট) ধাতুটির দাম তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৯৬ দশমিক ১৮ ডলারে উঠেছিল।

বাজার বিশ্লেষক তাই ওং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা নিয়ে ফেড প্রধানের কঠোর ইঙ্গিতের পরই বাজারে এ ধাক্কা লাগে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৩৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৮ শতাংশে এবং ডিসেম্বরে তা ৮৯ শতাংশে পৌঁছেছে। সাধারণত উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে সুদমুক্ত সম্পদ হিসেবে স্বর্ণে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যায়।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট সিলভার বা রুপার দাম ৩.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৬.৮১ ডলারে এবং প্ল্যাটিনামের দাম ০.৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৩৫ দশমিক ০৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে এর বিপরীতে প্যালাডিয়ামের দাম ৫.৩ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৪২২ দশমিক ২৫ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এদিকে দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

/আশিক


বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদায় পরিবর্তন: ধাতুর বাজারে দরপতন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৭ ২১:৪৩:৩৯
বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদায় পরিবর্তন: ধাতুর বাজারে দরপতন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মূল্যবান ধাতুর বাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার বৈশ্বিক বাজারে স্পট সিলভার বা রুপার দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেলেও পতন ঘটেছে প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের মূল্যে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পট সিলভারের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৬৩.৩৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিপরীতে প্ল্যাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স বিক্রি হচ্ছে ১,৮২৪.১৮ ডলারে। সবচেয়ে বেশি দরপতন ঘটেছে প্যালাডিয়ামের; শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে ধাতুটির প্রতি আউন্সের দাম নেমেছে ১,৩১৮.৫০ ডলারে। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বিনিয়োগকারীদের চাহিদার পরিবর্তনের কারণেই বিভিন্ন মূল্যবান ধাতুর দামে এই বৈচিত্র্য তৈরি হয়েছে।

এদিকে একই দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্পট গোল্ড লেনদেন হয়েছে ৪,৫৯০.২১ ডলারে। এর আগের দিন বুধবার স্বর্ণের দামে ১.৪ শতাংশ পতন হয়েছিল, যা বিগত এক সপ্তাহের মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দামও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৬৪৩.২০ ডলারে নেমে এসেছে।

সূত্র: রয়টার্স


সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় খবর: চূড়ান্ত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত প্রজ্ঞাপন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৬ ১৯:৪৭:০৬
সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় খবর: চূড়ান্ত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত প্রজ্ঞাপন
ছবি : সংগৃহীত

নবম জাতীয় পে স্কেলের আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের সার্বিক প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যাবতীয় প্রক্রিয়া ও প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি করে আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকেই পে স্কেলের চূড়ান্ত প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বেতন বৃদ্ধির নির্দিষ্ট হার, বিভিন্ন ধরনের ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সরকারের বিদ্যমান আর্থিক সক্ষমতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি অনুমোদিত হওয়ার পরপরই আইনি দিক যাচাই ও ভেটিংয়ের জন্য তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ামাত্রই চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হবে।

সরকারের প্রাথমিক রূপরেখা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর মাস থেকেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। তবে নতুন এই পে স্কেলের কার্যকারিতা ধরা হবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বেতন নতুন কাঠামোর ভিত্তিতে পুনর্নির্ধারণ করে পরবর্তী সময়ে প্রাপ্ত বকেয়া অর্থ সমন্বয় করা হবে।

এর আগে আগস্টের মধ্যেই গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য থাকলেও আর্থিক সক্ষমতা ও বিভিন্ন ভাতার হার সমন্বয়ের বিস্তারিত পর্যালোচনার কারণে প্রক্রিয়াটি কিছুটা পিছিয়ে যায়। এদিকে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশমালা পর্যালোচনার জন্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটির কার্যক্রমও প্রায় সমাপ্তির পথে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে আর একটি সমন্বয় সভার পর চূড়ান্ত প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার টেবিলে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও অর্থ বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কমিটির পর্যালোচনা পর্ব শেষ হওয়ামাত্রই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় তোলা হবে এবং চলতি বছরের ভেতরেই এটি কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন এই বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে; যার মধ্যে প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং পরবর্তী ধাপে ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পে কমিশনের মূল সুপারিশের তুলনায় বেতন বৃদ্ধির হারে কিছুটা কাটছাঁট এবং জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামোর সঙ্গে সুষম সমন্বয়ের বিষয়টিও চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

/আশিক


স্বর্ণের দামে নতুন মোড়, সামনে গুরুত্বপূর্ণ সময়

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৬ ১৯:৩৬:৪৮
স্বর্ণের দামে নতুন মোড়, সামনে গুরুত্বপূর্ণ সময়
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে টানা তিন সেশনের ঊর্ধ্বমুখী ধারার পর বুধবার কিছুটা কমেছে স্বর্ণের দাম। বিনিয়োগকারীদের নজর এখন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন মূল্যস্ফীতির তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার-সংক্রান্ত পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) ১১১৪ GMT-এ স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৬১৮ দশমিক ০৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম ১৪ মে-এর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। সম্প্রতি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের বন্ড বাইব্যাক বাড়ানোর ঘোষণার পরও বাজারে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অব্যাহত ছিল।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৬৭৩ দশমিক ৯০ ডলারে নেমেছে।

বাজার বিশ্লেষক নিকোস তজাবোরাস বলেন, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর কারিগরি দিক থেকে স্বর্ণের দাম কিছুটা অতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছিল। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নেওয়ায় বুধবার স্বর্ণের দামে চাপ তৈরি হয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত স্বর্ণের দামের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। সাধারণত সুদহার বেশি থাকলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কিছুটা কমে যায়। তবে মূল্যস্ফীতি, ডলারের গতিপথ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাও স্বর্ণের বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম

নতুন নির্ধারিত দামে দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামার পাশাপাশি দেশের বাজারেও বৈশ্বিক মূল্য, ডলারের বিনিময় হার ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে দাম পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক


লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৬ ১১:৪০:৫০
লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম বাড়ায় আবারও মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সমন্বয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া এই দরেই আজ বুধবার দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানেই ক্রেতাদের আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে স্বর্ণ কিনতে।

সর্বশেষ ঘোষণায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম এখন আড়াই লাখ টাকার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

একই সঙ্গে অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও বেড়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে খরচ হবে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা।

তবে স্বর্ণালংকার কেনার ক্ষেত্রে শুধু ঘোষিত স্বর্ণের দাম বিবেচনা করলে প্রকৃত ব্যয়ের পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। অলংকারের নকশা ও কারুকাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হতে পারে। ফলে একজন ক্রেতাকে চূড়ান্তভাবে কত টাকা দিতে হবে, তা নির্ভর করবে স্বর্ণের ওজন, ক্যারেট এবং অলংকার তৈরির মজুরির ওপর।

এর মাত্র তিন দিন আগে, শনিবার (২২ আগস্ট) স্বর্ণের দাম বড় পরিসরে বাড়িয়েছিল বাজুস। ওই সময় প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক লাফে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা।

শনিবারের দরের সঙ্গে মঙ্গলবারের নতুন মূল্য তুলনা করলে দেখা যায়, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণে ভরিপ্রতি আরও ১ হাজার ৬৩৩ টাকা যোগ হয়েছে। ২১ ক্যারেটের দাম বেড়েছে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটে বৃদ্ধি পেয়েছে ১ হাজার ৩৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণে ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে ১ হাজার ১০৮ টাকা।

ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানেই দুই দফা মূল্যবৃদ্ধি স্বর্ণের বাজারকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২২ আগস্টের ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং ২৫ আগস্টের ১ হাজার ৬৩৩ টাকা দুই দফা মিলিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা বেড়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে স্থানীয় তেজাবি স্বর্ণের বাজারদরে আবার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এলে নতুন করে দাম সমন্বয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

স্বর্ণের এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি বিশেষ করে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান সামনে রেখে অলংকার কেনার পরিকল্পনা করা পরিবারের ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে পুরোনো স্বর্ণ বিনিময়, নতুন অলংকার তৈরি এবং স্বর্ণকে সঞ্চয় বা বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা ক্রেতাদের সিদ্ধান্তেও নতুন দামের প্রভাব পড়তে পারে।

-রাফসান


বাইকারদের জন্য দারুণ খবর: বড় পরিবর্তনের পথে সরকার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৫ ১৮:২৬:৩৪
বাইকারদের জন্য দারুণ খবর: বড় পরিবর্তনের পথে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

দেশে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় (সিবিইউ) ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানির সুযোগ দিয়ে নতুন আমদানিনীতি আদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার (২৪ আগস্ট) ‘আমদানিনীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’ শীর্ষক এই গেজেট জারি করা হয়।

পূর্ববর্তী ২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতিতে সম্পূর্ণ তৈরি বা সিবিইউ অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। নতুন নীতিমালায় সেই সীমা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসিতে উন্নীত করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির পথ সুগম হলো। এর প্রভাবে দেশের বাজারে উন্নত প্রযুক্তির নতুন নতুন মডেল ও ব্র্যান্ডের আগমন ঘটবে, যা একই সঙ্গে স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদন ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাজারে নতুন প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করবে।

মোটরসাইকেল আমদানির শর্ত শিথিল করার পাশাপাশি সামগ্রিক আমদানি প্রক্রিয়াকে সহজ ও গতিশীল করতে নতুন নীতিমালায় আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকরা ঋণপত্র বা এলসি খোলার বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে কোনো ধরনের মূল্যসীমা ছাড়াই সরাসরি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ পাবেন। পূর্বেও চুক্তির মাধ্যমে আমদানির নিয়ম চালু ছিল, তবে বিভিন্ন খাতের ওপর নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত প্রযোজ্য ছিল। নতুন আদেশে সেই সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রচলিত ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন নীতিতে দেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশীয় শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে বিশেষ আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়াকেও আরও সহজতর করা হয়েছে।

/আশিক


তিন মাসের সর্বোচ্চে উঠে কমল স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৫ ১৮:০৮:৩৭
তিন মাসের সর্বোচ্চে উঠে কমল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কিছুটা কমেছে। দিনের শুরুতে তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠার পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং ডলারের দর শক্তিশালী হওয়ায় স্বর্ণের দামে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এখনো শক্তিশালী রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৬৩৪ দশমিক ৭৬ ডলারে নেমে আসে। এর আগে দিনের লেনদেনে স্বর্ণের দাম ১৪ মে’র পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৬৮৯ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়ায়।

সাক্সো ব্যাংকের বিশ্লেষক ওলে হ্যানসেন বলেন, মঙ্গলবার স্বর্ণের দর কমার অন্যতম প্রধান কারণ মুনাফা তুলে নেওয়া। এর পাশাপাশি গত সপ্তাহের দরপতনের পর ডলারের দামও কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

তবে তার মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়ার পেছনে যেসব কারণ কাজ করছে, সেগুলো এখনো বহাল রয়েছে। আগামী কয়েক মাসেও এসব কারণ স্বর্ণের দামকে সমর্থন দিতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের দীর্ঘমেয়াদি নোট ও বন্ডের বাইব্যাক কার্যক্রমে তারল্য সহায়তার পরিমাণ দ্বিগুণ করার ঘোষণার পর ডলারের দাম তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। তবে মঙ্গলবার ডলার কিছুটা শক্তিশালী হওয়ায় ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ বিদেশি ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।

এদিকে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের দিকে। বুধবার প্রকাশিতব্য পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার্স (পিসিই) মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনের পাশাপাশি শুক্রবার বার্ষিক জ্যাকসন হোল সিম্পোজিয়ামে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শের বক্তব্যের দিকেও নজর রাখছেন তারা। এসব তথ্য ও বক্তব্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে ফেডের পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করবেন বিনিয়োগকারীরা।

সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৪০ শতাংশ এবং সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ ধরে নিচ্ছেন ট্রেডাররা। সাধারণত সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়, কারণ স্বর্ণে বিনিয়োগ থেকে কোনো সুদ পাওয়া যায় না।

অন্যদিকে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ যে শক্তিশালী রয়েছে, তার আরেকটি চিত্র পাওয়া গেছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্যে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে স্বর্ণভিত্তিক এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড বা ইটিএফে ৪৬ দশমিক ৭ মেট্রিক টন, অর্থাৎ প্রায় ৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ এসেছে। গত ১০ মাসের মধ্যে এক সপ্তাহে এটিই ছিল সর্বোচ্চ চাহিদা।

ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও স্বর্ণের বাজারে প্রভাব ফেলছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রসারিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এসব নিষেধাজ্ঞা ইরানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। এমন ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়াতে পারে।

এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট সিলভারের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৪৮ দশমিক ১৭ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ১ হাজার ৩২৪ দশমিক ৫৬ ডলারে নেমেছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামার মধ্যেই দেশের বাজারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম, ডলারের বিনিময় হার, আন্তর্জাতিক সুদের হার এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর সামনে স্বর্ণের বাজারের গতিপথ অনেকটাই নির্ভর করবে।

/আশিক


আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৫ ১০:২৯:৫১
আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন করে দর সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বেড়ে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা হয়েছে। ফলে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি এখন আড়াই লাখ টাকার আরও কাছাকাছি পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস নতুন মূল্যতালিকা ঘোষণা করে। সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত মূল্য মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই দর বহাল থাকবে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির মূল্য ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকায় বিক্রি হবে।

তবে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তথ্যে একটি অসঙ্গতি রয়েছে। বিজ্ঞপ্তির শুরুতে ২২ ক্যারেটের নতুন দর ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা করার কথা বলা হলেও আপনার সরবরাহ করা নতুন মূল্যতালিকার অংশে ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে, যা আসলে ২২ আগস্টের আগের দর। কারণ ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকার সঙ্গে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা যোগ করলে নতুন মূল্য দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। তাই সংবাদে নতুন ২২ ক্যারেটের দর হিসেবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা ব্যবহার করাই সংখ্যাগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সর্বশেষ সমন্বয়ের মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আবার দাম বাড়ানো হলো। গত শনিবার (২২ আগস্ট) বাজুস ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা করেছিল। সে সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

দুই দফার সমন্বয় হিসাব করলে ২২ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে মোট ৭ হাজার ১১৫ টাকা বেড়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ আড়াই লাখ টাকার সীমা থেকে মাত্র ২ হাজার ২৫৭ টাকা দূরে রয়েছে। ফলে আরেকটি মাঝারি মাত্রার মূল্যবৃদ্ধি ঘটলেই দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো ভালো মানের স্বর্ণের ঘোষিত ভরি আড়াই লাখ টাকা অতিক্রম করতে পারে।

চলতি বছর স্বর্ণের বাজারে অস্বাভাবিক ঘনঘন দর পরিবর্তনও ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের নজর কেড়েছে। বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ১০৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫ দফা দাম বাড়ানো, ৫১ দফা কমানো এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। তুলনায় পুরো ২০২৫ সালে ৯৩ বার দর পরিবর্তন হয়েছিল এর মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।

বাজুস আরও জানিয়েছে, ঘোষিত মূল্যের পাশাপাশি অলংকারের নকশা ও কারুকাজ অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালংকার ও রৌপ্য অলংকারের ঘোষিত বিক্রয়মূল্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে একই ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। পুরোনো গহনা বদল বা বিক্রির ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের বিদ্যমান এক্সচেঞ্জ ও পারচেজ নীতি কার্যকর থাকবে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: