১১ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:৫৫:৪৭
১১ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে রবিবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেনের শেষভাগে কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য বিক্রিচাপ দেখা গেছে। আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ ১০টি শেয়ার সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে, যেখানে আর্থিক খাতের শেয়ারের আধিপত্য স্পষ্ট।

দিনের সবচেয়ে বেশি দরহ্রাস হয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স ও আইএলএফএসএল শেয়ারে। উভয় শেয়ারের দরই ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ কমে ৪১ পয়সায় নেমে আসে। দিনের সর্বোচ্চ দর স্পর্শ করলেও ক্রয়চাপ ধরে রাখতে না পারায় শেষ পর্যন্ত শেয়ার দুটি সর্বনিম্ন দরে বন্ধ হয়।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা প্রাইম ফাইন্যান্স শেয়ারদর ১০ শতাংশ কমে ৯০ পয়সায় নেমে আসে। একইভাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের আরেকটি শেয়ার এফএএস ফাইন্যান্স প্রায় ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ দরহ্রাস নিয়ে ৪৬ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে থাকা পিএলএফএসএল এবং প্রিমিয়ার লিজিং শেয়ারে যথাক্রমে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ ও ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ দরপতন হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এসব শেয়ারে দীর্ঘদিনের আস্থাহীনতা ও মৌলভিত্তি দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমাতে বিক্রির পথে হাঁটছেন।

শিল্প খাতের শেয়ার কেপিপিএল তালিকার সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। শেয়ারটির দর ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ১২ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ১৩ টাকা ৮০ পয়সা, যা থেকে বড় ধরনের সংশোধন ঘটেছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের বিআইএফসি এবং জিএসপি ফাইন্যান্স দুটি শেয়ারই ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ দরহ্রাস নিয়ে ১ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে। এই খাতে তারল্য সংকট ও ভবিষ্যৎ আয়ের অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালিকার শেষ স্থানে রয়েছে বহুল আলোচিত ওরিয়ন ইনফিউশন। শেয়ারটির দর একদিনে ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ কমে ৩৪৯ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে আসে। আগের দিনের ৩৭৮ টাকার বেশি দর থেকে এমন পতন স্বল্পমেয়াদি মুনাফা গ্রহণ ও বড় বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপের ইঙ্গিত দেয়।

-রফিক


১১ জানুয়ারি ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:৫৩:৩৬
১১ জানুয়ারি ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রবিবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেনের শেষভাগে বেশ কয়েকটি শেয়ারে শক্তিশালী ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে উঠে এসেছে এসপিসি সিরামিকস, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনভর সক্রিয় লেনদেন ও নিম্ন দর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোয় এ শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের বিশেষ আগ্রহ কাড়ে।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের পরিচিত কোম্পানি ফাইন ফুডস দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। শেয়ারটির দর ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে ৪২৬ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছায়। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন পরিসর ও উচ্চমূল্য স্পর্শ করায় শেয়ারটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে বলে বাজার সূত্রে জানা গেছে।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে ৫ টাকা ৫০ পয়সায় বন্ধ হয়েছে। একই দিনে আরেকটি মিউচুয়াল ফান্ড এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৭০ পয়সায় উন্নীত হয়।

পঞ্চম স্থানে থাকা আইসিবি ইপিএম ফান্ড শেয়ারদর ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছায়। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ধারাবাহিক দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং ও শিল্প খাতের শেয়ারগুলোর মধ্যেও ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে। সিভিও পিএলসি ২ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ১৫৫ টাকায় লেনদেন শেষ করে, যেখানে দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ১৫৮ টাকা ৫০ পয়সা।

মিউচুয়াল ফান্ড এনসিসিবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২ দশমিক ৫০ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে ৪ টাকা ১০ পয়সায় বন্ধ হয়। একই দিনে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেড়ে ২৯ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়ায়, যা শিল্প খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস শেয়ারদর ২ দশমিক ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ টাকা ৪০ পয়সায় উন্নীত হয়। তালিকার শেষ দিকে থাকা এসআইসিএল শেয়ারদর ২ দশমিক ০৭ শতাংশ বেড়ে ১৯ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রবিবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেনের শেষভাগে বেশ কয়েকটি শেয়ারে শক্তিশালী ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধিকারী হিসেবে উঠে এসেছে এসপিসি সিরামিকস, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনভর সক্রিয় লেনদেন ও নিম্ন দর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোয় এ শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের বিশেষ আগ্রহ কাড়ে।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের পরিচিত কোম্পানি ফাইন ফুডস দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। শেয়ারটির দর ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে ৪২৬ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছায়। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন পরিসর ও উচ্চমূল্য স্পর্শ করায় শেয়ারটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে বলে বাজার সূত্রে জানা গেছে।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে ৫ টাকা ৫০ পয়সায় বন্ধ হয়েছে। একই দিনে আরেকটি মিউচুয়াল ফান্ড এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৭০ পয়সায় উন্নীত হয়।

পঞ্চম স্থানে থাকা আইসিবি ইপিএম ফান্ড শেয়ারদর ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়ে ৩ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছায়। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ধারাবাহিক দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং ও শিল্প খাতের শেয়ারগুলোর মধ্যেও ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে। সিভিও পিএলসি ২ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ১৫৫ টাকায় লেনদেন শেষ করে, যেখানে দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ১৫৮ টাকা ৫০ পয়সা।

মিউচুয়াল ফান্ড এনসিসিবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২ দশমিক ৫০ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে ৪ টাকা ১০ পয়সায় বন্ধ হয়। একই দিনে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেড়ে ২৯ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়ায়, যা শিল্প খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস শেয়ারদর ২ দশমিক ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ টাকা ৪০ পয়সায় উন্নীত হয়। তালিকার শেষ দিকে থাকা এসআইসিএল শেয়ারদর ২ দশমিক ০৭ শতাংশ বেড়ে ১৯ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

-রফিক


উৎপাদন বন্ধ একাধিক তালিকাভুক্ত কোম্পানির, ডিএসইর পরিদর্শন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:৪৫:২৬
উৎপাদন বন্ধ একাধিক তালিকাভুক্ত কোম্পানির, ডিএসইর পরিদর্শন
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কারখানা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করে উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক পরিদর্শনে একাধিক কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ পাওয়া গেছে, যা পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

ডিএসইর একটি পরিদর্শক দল Dominage Steel Building Systems Limited–এর কারখানা প্রাঙ্গণ আশুলিয়া (সাভার) এবং নরসিংদীর পলাশ এলাকায় ২০২৫ সালের ৩ ও ৪ নভেম্বর পরিদর্শন করে। পরিদর্শনে দেখা যায়, আশুলিয়ায় অবস্থিত ইউনিটটি সীমিত আকারে চালু থাকলেও পলাশ, নরসিংদীর কারখানাটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এতে কোম্পানিটির সামগ্রিক উৎপাদন সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর ডিএসই পরিদর্শক দল Pacific Denims Limited–এর কারখানা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানটির কারখানা কার্যক্রম বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তৈরি পোশাক খাতের একটি বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ডিএসই আরও জানায়, ২০২৫ সালের ২২ জুলাই পরিদর্শনের সময় Aramit Cement Limited–এর কারখানায় কোনো উৎপাদন কার্যক্রম চালু ছিল না। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় কোম্পানিটির আর্থিক সক্ষমতা ও বাজারে অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

একইভাবে, ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে ডিএসইর পরিদর্শনে Nurani Dyeing & Sweater Limited–এর কারখানাও বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। টেক্সটাইল ও সোয়েটার খাতের এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় কর্মসংস্থান ও সরবরাহ চেইনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

এছাড়া, ২০ জুলাই ২০২৫ সালে Ratanpur Steel Re-Rolling Mills Limited–এর কারখানা পরিদর্শনে দেখা যায়, সেখানে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ইস্পাত খাতের এই কোম্পানির উৎপাদন স্থগিত থাকায় অবকাঠামো ও নির্মাণ খাতেও প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

-রফিক


ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর হালনাগাদ এনএভি বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:৩৪:২১
ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর হালনাগাদ এনএভি বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ড তাদের ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের দৈনিক নিট সম্পদমূল্য (ডেইলি এনএভি) প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ফান্ড এখনো ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে বাজারদরে লেনদেন করছে, যা বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটকে প্রতিফলিত করে।

এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি দাঁড়িয়েছে ইউনিটপ্রতি ৯ টাকা ৩ পয়সা এবং কস্ট প্রাইস অনুযায়ী এনএভি ১১ টাকা ১০ পয়সা। ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১২০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৪০ পয়সা, কস্ট প্রাইসভিত্তিক এনএভি ১১ টাকা ৩ পয়সা। মোট নিট সম্পদ যথাক্রমে ২৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং ৩৪৩ কোটি ১১ লাখ টাকা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৩৬ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ১০ পয়সা। ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৮৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১১১ কোটি ৩ লাখ টাকা।

আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক ফার্স্ট ইনভেস্টমেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৭৮ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসভিত্তিক এনএভি ১১ টাকা ২৯ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৮৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১১২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৬১ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ১৩ পয়সা। মোট নিট সম্পদ যথাক্রমে ১২৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং ১৬৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।

ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৩১ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসভিত্তিক এনএভি ১০ টাকা ৯৬ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১৩১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

রিলায়েন্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ১০ টাকা ৭৩ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ২৯ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৬৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ৬৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

গ্রামীণস টু মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ১৫ টাকা ৮৩ পয়সা, যা ফেস ভ্যালুর উল্লেখযোগ্য ওপরে রয়েছে। কস্ট প্রাইসে এনএভি ১০ টাকা ৭০ পয়সা। ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ২৮৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১৯৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

ভিআইপি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট এলআরবি ব্যালেন্সড ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৫০ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪৬ পয়সা। মোট নিট সম্পদ যথাক্রমে ১৩৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং ১৮১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

ক্যাপিটালাইজড গ্রোথ ব্যালেন্সড ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা ৯৯ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১০ টাকা ৯৩ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ১৫৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৬ টাকা ৫১ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪৭ পয়সা। মোট নিট সম্পদ যথাক্রমে ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং ৩৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ৭ টাকা ১ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসভিত্তিক এনএভি ১১ টাকা ৪৪ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ২০৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ৩৪২ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৬ টাকা ৭৯ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৩৫ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১৯১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ৩১৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

গোল্ডেন জুনিপার মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা ৪১ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ১২ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯৪ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১১১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৭ টাকা ৪১ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৬৮ পয়সা। মোট নিট সম্পদ যথাক্রমে ১৩৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা এবং ২১২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

আইসিবি–অগ্রণী ব্যাংক ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা ৩৭ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১২ টাকা ২৭ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৯১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১২০ কোটি ৪ লাখ টাকা।

ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৭ টাকা ৩ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৩৮ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ৫৪৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ৮৮৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

আইসিবি সোনালী ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ২২ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১২ টাকা ৪৩ পয়সা। মোট নিট সম্পদ বাজারদরে ৮২ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৭ টাকা ২২ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৫৭ পয়সা। নিট সম্পদ বাজারদরে ১০৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১৬৫ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব এনএভি তথ্য স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে যে বাজারে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর প্রকৃত সম্পদমূল্য এখনো যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি একদিকে ঝুঁকির বার্তা, অন্যদিকে সম্ভাব্য সুযোগও তৈরি করছে, যদি বাজারে আস্থা ও তারল্য ফিরে আসে।

-রফিক


দুই ১০ বছর মেয়াদি বন্ডে কুপন রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:২৬:৫৪
দুই ১০ বছর মেয়াদি বন্ডে কুপন রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সরকারি ট্রেজারি বন্ডগুলোর কুপন পরিশোধ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বন্ডগুলোর রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে কুপন পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারিত হবে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (২০ জুলাই ২০২৬ মেয়াদী)–এর কুপন পরিশোধের জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৯ জানুয়ারি ২০২৬। নির্ধারিত এই তারিখে যেসব বিনিয়োগকারীর নামে বন্ড নিবন্ধিত থাকবে, তারাই কুপন পাওয়ার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে, ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (২০ জানুয়ারি ২০২৬ মেয়াদী)–এর ক্ষেত্রেও কুপন পরিশোধের জন্য একই রেকর্ড তারিখ, অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে উক্ত তারিখে বন্ডধারীরা কুপন সুবিধা ভোগ করবেন।

তবে এই বন্ডটির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথাও জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি ট্রেজারি বন্ডটির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় এটি ২০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিএসই থেকে ডিলিস্ট করা হবে। অর্থাৎ মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বন্ডটি আর শেয়ারবাজারে লেনদেনযোগ্য থাকবে না।

-রফিক


ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:১৯:৫৫
ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানি ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষিত ডিভিডেন্ড শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে সফলভাবে বিতরণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত রেকর্ড তারিখ অনুযায়ী যোগ্য বিনিয়োগকারীরা ইতোমধ্যে তাদের প্রাপ্য সুবিধা পেয়েছেন।

বিডি ল্যাম্পস লিমিটেড (ট্রেডিং কোড: BDLAMPS) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোম্পানিটি ২০২৫ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত নগদ ডিভিডেন্ড সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে পরিশোধ সম্পন্ন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে এই ডিভিডেন্ড বিতরণ করা হয়েছে।

একইভাবে লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড (ট্রেডিং কোড: LEGACYFOOT) তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ঘোষিত নগদ ডিভিডেন্ড যথাসময়ে বিতরণ করেছে। কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, এটি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক বজায় রাখার অংশ।

অন্যদিকে লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি (ট্রেডিং কোড: LOVELLO) শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ ও বোনাস—দুই ধরনের ডিভিডেন্ডই প্রদান করেছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ঘোষিত বোনাস শেয়ার সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বিও (BO) হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে এবং একই সঙ্গে নগদ ডিভিডেন্ডও পরিশোধ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সময়মতো ডিভিডেন্ড বিতরণ কোনো কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা, নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনা এবং করপোরেট গভর্ন্যান্সের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে। চলমান বাজার পরিস্থিতিতে এ ধরনের ঘোষণাকে বিনিয়োগকারীদের জন্য আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন তারা।

তাদের মতে, নিয়মিত ডিভিডেন্ড প্রদানকারী কোম্পানিগুলো সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য হয়, যা ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের প্রতি বাজার আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

-রফিক


আগের দিনের উত্থান মুছে দিল আজকের দরপতন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১১ ১৪:১৬:৫২
আগের দিনের উত্থান মুছে দিল আজকের দরপতন
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের বিক্রিচাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা গেছে। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টা ১৪ মিনিটে বাজারের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, প্রধান সূচকসহ সব সূচকই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স (DSEX) এদিন ৫৬.৫৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৯৪১.৯৫ পয়েন্টে, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ১.১৩ শতাংশ পতন নির্দেশ করে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের কার্যদিবসের উত্থানের পর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়ায় সূচকে এই বড় ধাক্কা লেগেছে।

শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস (DSES) কমেছে ১০.৩২ পয়েন্ট বা প্রায় ১.০২ শতাংশ। একই সঙ্গে ব্লু-চিপ শেয়ার নিয়ে গঠিত ডিএস৩০ সূচকও ১৭.৩৬ পয়েন্ট হারিয়ে ১,৮৯৭.৫৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে, যা বাজারের বড় মূলধনী শেয়ারগুলোর দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।

লেনদেনচিত্রেও দিনটির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এদিন মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার বার। লেনদেন হওয়া শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৪৮ লাখ ইউনিটে এবং মোট লেনদেন মূল্য ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭৬১ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

বাজারের প্রস্থচিত্র (মার্কেট ব্রেডথ) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দর বৃদ্ধির তালিকায় ছিল মাত্র ৪২টি কোম্পানি, বিপরীতে দর কমেছে ৩০৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৭টি শেয়ারের দাম। এই পরিসংখ্যান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্ক মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

বড় মূলধনী ও ভোক্তা পণ্য খাতের কিছু শেয়ারে এদিন বিক্রির চাপ বেশি ছিল। ডেট বোর্ডে লেনদেন হওয়া বেশ কয়েকটি পরিচিত কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে, যদিও কিছু শেয়ারে সীমিত উত্থানও লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে আংশিক ভারসাম্যের ইঙ্গিত দেয়।

এর আগের কার্যদিবস, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬), ডিএসইতে তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা গিয়েছিল। সেদিন ডিএসইএক্স সূচক ছিল প্রায় ৪,৯৯৮ পয়েন্টে এবং মোট লেনদেন মূল্য ছাড়িয়েছিল ৪ হাজার ২৯১ কোটি টাকা। মাত্র এক কার্যদিবসের ব্যবধানে বাজারের এই বিপরীতমুখী গতিপথ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

-রাফসান


ডিএসইতে সরকারি বন্ড সংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:১৭:৩৯
ডিএসইতে সরকারি বন্ড সংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত সরকারি ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন ও কুপন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) ডিএসই সূত্রে জানানো হয়, রেকর্ড ডেট সম্পন্ন হওয়ার পর দুইটি সরকারি বন্ডে পুনরায় লেনদেন শুরু হতে যাচ্ছে, পাশাপাশি আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের কুপন প্রাপ্তির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (BGTB) ১১/০১/২০২৮–এর লেনদেন আগামী ১১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় চালু হবে। একই তারিখে ২ বছর মেয়াদি BGTB ০৯/০৭/২০২৭–এর লেনদেনও রেকর্ড ডেট পরবর্তী সময়ে আবার শুরু হবে। রেকর্ড ডেট উপলক্ষে সাময়িক স্থগিত থাকা এই বন্ডগুলোর লেনদেন পুনরায় চালু হওয়ায় বাজারে তারল্য ও কার্যক্রম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, ১০ বছর মেয়াদি BGTB ১৯/০১/২০৩২–এর কুপন প্রাপ্তির জন্য ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখকে রেকর্ড ডেট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত এই তারিখে যেসব বিনিয়োগকারী বন্ডটির মালিক থাকবেন, তারাই আসন্ন কুপন পেমেন্ট পাওয়ার অধিকারী হবেন।

-রাফসান


অডিট আপত্তি ও গুরুত্বের বিষয়, তিন প্রতিষ্ঠানের হিসাব

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:০৯:০০
অডিট আপত্তি ও গুরুত্বের বিষয়, তিন প্রতিষ্ঠানের হিসাব
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির ২০২৪–২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে কোয়ালিফায়েড ওপিনিয়ন ও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করেছেন নিরীক্ষকরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) ডিএসই সূত্রে প্রকাশিত পৃথক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়।

ডিএসইর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (ALLTEX)–এর নিরীক্ষকরা ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীতে Qualified Opinion–এর পাশাপাশি Emphasis of Matters অনুচ্ছেদ সংযুক্ত করেছেন। এতে নির্দিষ্ট কিছু হিসাবসংক্রান্ত বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য অতিরিক্ত মনোযোগ দাবি করে।

অন্যদিকে, ম্যাকসন স্পিনিং মিলস লিমিটেড (MAKSONSPIN)–এর নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে নিরীক্ষকরা শুধুমাত্র Qualified Opinion প্রদান করেছেন। এর অর্থ হলো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদনের কিছু অংশে নিরীক্ষকদের সন্তুষ্টির ঘাটতি রয়েছে, যদিও সামগ্রিক হিসাব পুরোপুরি বাতিলযোগ্য নয়।

এ ছাড়া সামাটা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেড (SAMATALETH)–এর ক্ষেত্রে নিরীক্ষকরা আরও বিস্তৃত মন্তব্য করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক বিবরণীতে Qualified Opinion, Emphasis of Matters এবং Other Matters এই তিনটি অনুচ্ছেদই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, হিসাব সংরক্ষণ, আর্থিক উপস্থাপন বা নির্দিষ্ট নীতিগত বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ রয়েছে।

-রাফসান


ডিএসইতে মির সিকিউরিটিজের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:০৫:৫৩
ডিএসইতে মির সিকিউরিটিজের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বশেষ ঘোষণায় জানানো হয়েছে যে, মির সিকিউরিটিজ লিমিটেড তাদের একজন অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রত্যাহার করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) প্রকাশিত ডিএসইর নোটিস অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধি সাকিব আরাফাত–এর দায়িত্ব প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

ডিএসই সূত্র জানায়, মির সিকিউরিটিজ লিমিটেড ডিএসইর নিবন্ধিত ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (TREC) নম্বর ২৬৪–এর অধীনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রত্যাহারের বিষয়টি ডিএসইর নিয়ম অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে এবং তা সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রশাসনিক বা কাঠামোগত পরিবর্তন সাধারণত প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা পুনর্বিন্যাস বা নীতিগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে হয়ে থাকে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহক লেনদেন বা মির সিকিউরিটিজের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত