আকাশের সুরক্ষায় পাকিস্তানের সাথে হাত মেলাচ্ছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা আলোচনায় বসেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান ইসলামাবাদে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এয়ার চিফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মহাকাশ প্রযুক্তিতে সহযোগিতার পাশাপাশি জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ‘সম্ভাব্য ক্রয়’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
সফরকালে এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানকে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। বৈঠকে পাক বিমান প্রধান সিধু বাংলাদেশের বিমান বাহিনীকে মৌলিক ও উন্নত উড্ডয়ন প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত কোর্সে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া বাংলাদেশের অর্ডার দেওয়া সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমানগুলো দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি টেকনিক্যাল সাপোর্টের আশ্বাসও দেন তিনি।
বাংলাদেশের বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান বিমান বাহিনীর গৌরবময় পরিচালনাগত অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার সিস্টেম একীভূতকরণে পাকিস্তানের কারিগরি সহায়তা চান। বিশেষ করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিদ্যমান পুরোনো যুদ্ধবিমান বহরের রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে উঠবে বলে আশা করছে আইএসপিআর। প্রতিনিধি দলটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিমান ঘাঁটি ও কারিগরি স্থাপনাও পরিদর্শন করেছে।
সূত্র: ডন
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সামরিক সম্পর্ক এখন তুঙ্গে: রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে এক নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে পাকিস্তান ও চীনের যৌথভাবে তৈরি ‘জেএফ-১৭ থান্ডার’ যুদ্ধবিমানকে ঘিরে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) ইসলামাবাদে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হন বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, এই বৈঠকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাব্য চুক্তি এবং দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তান বর্তমানে তার এই বহুমুখী যুদ্ধবিমানটি বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করছে, তাতে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, পাকিস্তান বাংলাদেশকে কেবল যুদ্ধবিমান নয়, বরং ‘সুপার মুশশাক’ প্রশিক্ষণ বিমানের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ সহায়তা এবং পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণের বিষয়েও দুই দেশের প্রধানদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। যদিও জেএফ-১৭ বিক্রির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হয়নি, তবে বাংলাদেশ এই যুদ্ধবিমানের ব্যাপারে গভীর আগ্রহ দেখিয়েছে বলে পাকিস্তানের কূটনৈতিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সফর দুই দেশের মধ্যকার শক্তিশালী ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর জোর দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলার যৌথ সংকল্পকে প্রতিফলিত করে।
জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমানটি মূলত চীন ও পাকিস্তানের যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি একটি ‘মাল্টি-রোল’ বা বহুমুখী যুদ্ধবিমান, যা আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে ভূমিতে নিখুঁতভাবে আক্রমণ চালাতে সক্ষম। পাকিস্তান বিমানবাহিনী গত বছরের মে মাসে ভারতের সাথে আকাশ যুদ্ধের সাফল্যে এই বিমানটির কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে বলে মনে করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বিমানবাহিনী তাদের ফ্লিট আধুনিকায়নের যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, সেখানে জেএফ-১৭ একটি সাশ্রয়ী ও কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিরক্ষা ভারসাম্যে এক নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা।
স্যার আমি কি আপনার সঙ্গে দেখা করতে পারি?: মোদির অনুরোধে যা বললেন ট্রাম্প
রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জেরে ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত উচ্চ শুল্ক নিয়ে ওয়াশিংটন ও দিল্লির মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধ এখন প্রকাশ্যে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন যে, তাঁর প্রশাসনের আরোপ করা শুল্ক নীতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 'তেমন একটা খুশি নন'। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার অর্থনীতিকে সহায়তা করার অভিযোগে ভারত থেকে আসা পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্পের দাবি, এই শুল্কের ফলেই ভারত সম্প্রতি রাশিয়া থেকে তেল কেনার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে।
ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে মোদির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের একটি চমকপ্রদ দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত অ্যাপাচি হেলিকপ্টার সরবরাহে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে মোদি সরাসরি তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। মোদি তাঁকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে আক্ষেপ জানিয়েছিলেন যে, ভারত ৬৮টি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার অর্ডার দিয়েও পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষায় আছে। ট্রাম্প মোদির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গভীরতার কথা স্বীকার করলেও পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় স্বার্থ ও বাণিজ্য নীতির প্রশ্নে তিনি কোনো ছাড় দেবেন না। শুল্কের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, এই ট্যাক্সের কারণে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে সরাসরি লাভবান হচ্ছে।
তবে ট্রাম্প কেবল শুল্ক নিয়ে কথা বলেই থামেননি; তিনি মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের উৎপাদন গতি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এফ-৩৫ ফাইটার জেট কিংবা অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিদেশি ক্রেতাদের হাতে পৌঁছাতে অতিরিক্ত সময় লাগছে, যা কাম্য নয়। ওয়াশিংটন সতর্ক করে দিয়েছে যে, ভারত যদি রাশিয়ার তেল আমদানি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ পুরোপুরি দূর না করে, তবে আগামীতে ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্কের হার আরও বাড়ানো হতে পারে। মোদি-ট্রাম্পের এই 'বন্ধুত্ব বনাম বাণিজ্য' যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির বড় আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
সূত্র : এনডিটিভি
মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর ট্রাম্পের নতুন টার্গেটে ৫ দেশ
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক অভিযানে আটক করার নাটকীয়তার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির উচ্চাকাঙ্ক্ষা এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ১৮২৩ সালের ঐতিহাসিক ‘মনরো ডকট্রিন’-এর আদলে তিনি নিজের নতুন দর্শন ‘ডনরো ডকট্রিন’ (Donroe Doctrine) ঘোষণা করেছেন। এই নীতির লক্ষ্য হলো পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য নিশ্চিত করা। এই নীতির অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার পর এখন বিশ্বের আরও পাঁচটি দেশ বা অঞ্চল ট্রাম্পের বিশেষ নজরে রয়েছে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
গ্রিনল্যান্ড ও কলম্বিয়া তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। বিরল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপটি কৌশলগতভাবে উত্তর আটলান্টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প দাবি করেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড দখল করা প্রয়োজন, কারণ সেখানে রুশ ও চীনা জাহাজের আনাগোনা বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকায় ট্রাম্পের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে কলম্বিয়া। ভেনেজুয়েলার অভিযানের পরপরই ট্রাম্প কলম্বিয়ার বামপন্থি প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে সতর্ক করে বলেছেন, মাদক পাচারে সহায়তার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ইরান, মেক্সিকো ও কিউবা মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের নিশানায় রয়েছে ইরান। দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হামলা চালানো হলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রতিবেশী মেক্সিকো সীমান্তে মাদক ও অভিবাসী প্রবাহ ঠেকাতে ট্রাম্প ‘মেক্সিকো উপসাগর’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘আমেরিকা উপসাগর’ রাখার নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন এবং কার্টেল দমনে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছেন। সবশেষে কিউবার ওপরও নজর রয়েছে ট্রাম্পের। তিনি মনে করেন, মাদুরোর পতনের পর কিউবার কমিউনিস্ট সরকার এমনিতেই ভেঙে পড়বে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবার সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, ট্রাম্পের কথাকে যেন তারা হালকাভাবে না নেয়। ল্যাটিন আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো এখন ট্রাম্পের এই ‘ডনরো ডকট্রিন’-এর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গভীর শঙ্কার মধ্যে রয়েছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের বাড়িতে হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ব্যক্তিগত বাসভবনে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার মধ্যরাতের পর ওহাইও অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত তাঁর বাড়িতে এই হামলা চালানো হয় বলে আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ভ্যান্সের বাসভবনের জানলাসহ সম্পদের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, হামলার সময় জেডি ভ্যান্স বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য ওই বাড়িতে ছিলেন না। একটি হোয়াইট হাউস সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার কিছু সময় আগেই ভ্যান্স পরিবার ওহাইও শহর ত্যাগ করেছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবনের জানলাগুলো ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র অ্যান্থনি গুগেলমি জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তি একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং তাঁর বিরুদ্ধে ভাইস প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস, সিনসিনাটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি অফিস সমন্বিতভাবে এই ঘটনার তদন্ত করছে। আটক ব্যক্তির নাম বা পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা না হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ আনার বিষয়ে কাজ চলছে। এক ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, এই ব্যক্তি সরাসরি ভাইস প্রেসিডেন্ট বা তাঁর পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করেছিলেন কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্টের ওপর এমন হামলা মার্কিন প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে সিক্রেট সার্ভিসের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তির উদ্দেশ্য এবং কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে তাঁর সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ওহাইওসহ পুরো যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার পর এবার কি ইরান? ট্রাম্পের ‘শক্ত আঘাত’ হানার হুঁশিয়ারি
ভেনেজুয়েলায় আকস্মিক মার্কিন সামরিক অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন যদি আর কোনো প্রতিবাদকারী নিহত হন, তবে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ওপর ‘খুব শক্ত আঘাত’ হানবে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন এই অস্থিরতার তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল রবিবার রাতে তাঁর বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্সে ওয়ান’-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “আমরা ইরানের পরিস্থিতির ওপর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে নজর রাখছি। তারা যদি আগের মতো নির্বিচারে মানুষ হত্যা শুরু করে, তবে আমার মনে হয় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তারা খুব শক্ত আঘাত পাবে।” এর আগে শুক্রবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন যে, তাঁর দেশ ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ অবস্থায় রয়েছে এবং বিক্ষোভকারীদের রক্ষায় যেকোনো সময় হস্তক্ষেপ করতে পারে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার সকালে এক বিবৃতিতে তেহরান দাবি করেছে যে, ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থি কর্মকর্তা ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্তব্য মূলত সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জায়নবাদী সত্তা (ইসরায়েল) আমাদের জাতীয় ঐক্যে আঘাত হানার যেকোনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।” ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, বিদেশি শত্রুরা অর্থনৈতিক অসন্তোষকে পুঁজি করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
ইরানে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় গত ২৮ ডিসেম্বর, যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে দোকানদাররা ধর্মঘট শুরু করেন। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই আন্দোলন রাজনৈতিক রূপ নিয়ে তেহরানসহ পশ্চিমাঞ্চলের শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। আল জাজিরার তথ্যমতে, বিক্ষোভে ইতিমধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনার পর ইরানের ওপর ট্রাম্পের এই নতুন চাপ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ভেনেজুয়েলার চলমান রাজনৈতিক সংকট ঘিরে আবারও কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি ‘সমাধানে’ যুক্তরাষ্ট্র যে পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে, তাতে সহযোগিতা না করলে ভেনেজুয়েলার ওপর দ্বিতীয় দফা সামরিক হামলা চালানোর সম্ভাবনা নাকচ করা যায় না। এই বক্তব্য নতুন করে লাতিন আমেরিকাজুড়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–কে যুক্তরাষ্ট্রে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার ঘটনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ওয়াশিংটনের প্রস্তাবে সাড়া না দিলে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে এবং সামরিক বিকল্পও আলোচনার বাইরে নয়।
ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। তাঁর ভাষায়, যদি ভেনেজুয়েলা সরকার সহযোগিতা না করে, তাহলে দ্বিতীয় দফা হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী অবস্থানের নতুন ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শুধু ভেনেজুয়েলা নয়, একই বক্তব্যে ট্রাম্প প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়া ও মেক্সিকো–র বিরুদ্ধেও সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেন। যদিও এসব হুমকির পেছনে নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি বা পরিকল্পনার কথা তিনি প্রকাশ করেননি, তবুও মন্তব্যগুলো লাতিন আমেরিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এদিকে ট্রাম্প কিউবা প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বলেন, কিউবা–র কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা অভ্যন্তরীণ চাপে ভেঙে পড়ার পথে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক বার্তা দিতে চেয়েছেন।
তবে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনে অবস্থিত কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর দূতাবাস থেকে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।
-রফিক
এয়ার ফোর্সে ওয়ান থেকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা: বিপাকে পড়তে পারে ভারতীয় পণ্য
রাশিয়া থেকে তেল আমদানির জেরে ভারতের ওপর আবারও কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটন ফেরার পথে তাঁর বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্সে ওয়ান’-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নয়া দিল্লি যদি রুশ তেল কেনা অব্যাহত রাখে, তবে ভারতীয় পণ্যের ওপর খুব দ্রুতই আরও বড় ধরনের শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ব্যক্তিগতভাবে ‘খুব ভালো মানুষ’ হিসেবে বর্ণনা করলেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দিতে রাজি নন। ট্রাম্প বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী একজন চমৎকার মানুষ, তিনি জানতেন যে রুশ তেল আমদানির বিষয়ে আমি মোটেও খুশি নই। আর আমাকে খুশি রাখা তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” ট্রাম্পের দাবি, তাঁর চাপের মুখেই ভারত ইতিমধ্যে রাশিয়া থেকে তেল কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র চায় ভারত এই আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করুক।
মার্কিন এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এল যখন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর বিশ্ব তেলের বাজার নতুন করে অস্থির হয়ে উঠেছে। বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদ থাকা ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ এখন কার্যত মার্কিন নিয়ন্ত্রণে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ভারতকে রাশিয়ার বিকল্প হিসেবে অন্য বাজার খুঁজে নিতে বাধ্য করছে। উল্লেখ্য যে, গত বছরও রুশ তেল কেনার দায়ে ভারতীয় কিছু পণ্যের ওপর ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
ভারত শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার কাছ থেকে তুলনামূলক কম দামে তেল সংগ্রহ করছে। তবে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ভারত যদি রাশিয়ার অর্থনীতি সচল রাখতে সাহায্য করা বন্ধ না করে, তবে মার্কিন বাজারে ভারতীয় চাল, টেক্সটাইল ও কেমিক্যাল পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক দ্রুত কার্যকর হবে। এই ঘোষণার ফলে ২০২৬ সালের শুরুতে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্কের মধ্যে এক নতুন সংকটের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
আজ সৌদি আরবে স্বর্ণের দাম কত
৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সৌদি আরবের স্বর্ণবাজারে দামের উল্লেখযোগ্য কোনো অস্থিরতা দেখা যায়নি। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় ওঠানামা না থাকায় স্থানীয় বাজারেও স্বর্ণের দর প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে বিনিয়োগকারী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্থিতিশীলতার বার্তা পৌঁছেছে।
সর্বশেষ বাজারদর অনুযায়ী, সৌদি আরবে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫২২ দশমিক ৫১ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় রূপান্তর করলে দাঁড়ায় আনুমানিক ১৭ হাজার ২৭ টাকা। দিনভর দামের পরিবর্তন ছিল অত্যন্ত সীমিত, মাত্র ০ দশমিক ০১ রিয়াল, যা বাজারের শান্ত অবস্থার ইঙ্গিত দেয়।
একই দিনে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম দাম দাঁড়িয়েছে ৪৭৯ দশমিক ৬৬ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫ হাজার ৬৩৭ টাকা। অলংকার তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত এই ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনপ্রিয় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি গ্রামে ৪৫৭ দশমিক ২০ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার ৯০২ টাকা। দৈনন্দিন গহনা ও বিয়ের অলংকারের ক্ষেত্রে এই ক্যারেটের স্বর্ণের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম মূল্য ৩৯১ দশমিক ৮৮ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২ হাজার ৭৭০ টাকা। আধুনিক ও হালকা ডিজাইনের গহনার জন্য এই ক্যারেটের স্বর্ণ সৌদি বাজারে ক্রেতাদের একটি বড় অংশের পছন্দ।
কম ক্যারেটের স্বর্ণের দিকেও নজর দিলে দেখা যায়, ১৪ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি গ্রামে ৩০৫ দশমিক ৬৭ সৌদি রিয়াল, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯ হাজার ৯৬৫ টাকা। পাশাপাশি ১০ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২১৭ দশমিক ৮৯ সৌদি রিয়াল (প্রায় ৭ হাজার ১০২ টাকা) এবং ৬ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১৩০ দশমিক ৬৩ সৌদি রিয়াল (প্রায় ৪ হাজার ২৫৮ টাকা)–এ স্থির রয়েছে।
স্বর্ণবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি রিয়ালের সঙ্গে মার্কিন ডলারের পেগ ব্যবস্থা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারের গতিপ্রকৃতি সৌদি আরবে সোনার দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বর্তমানে বড় কোনো বৈশ্বিক আর্থিক অস্থিরতা না থাকায় সৌদি স্বর্ণবাজারে দামের এই স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে।
-রাফসান
যৌথ অভিযানে কাঁপল সিরিয়া: আইএস নির্মূলে একজোট যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স
মধ্যপ্রাচ্যে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএল বা আইএসের পুনরুত্থানের ঝুঁকি মোকাবিলায় সিরিয়ায় বড় ধরণের যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) সিরিয়ার ঐতিহাসিক পালমিরা অঞ্চলের এক জনশূন্য এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পালমিরার উত্তরে একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে, যা আইএস গোষ্ঠী তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদের জন্য ব্যবহার করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) নিশ্চিত করেছে যে, ফ্রান্সের বিমান বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে পরিচালিত এই অভিযানে ‘দায়েশ’ বা আইএসের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে এলাকায় হামলাটি চালানো হয়েছে, তা প্রাচীন পালমিরা শহর থেকে কিছুটা দূরে এবং কোনো বেসামরিক বসতি নেই এমন স্থানে অবস্থিত। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে, এই গোষ্ঠীর পুনরুত্থান কেবল সিরিয়ার জন্য নয়, বরং বিশ্ব নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরণের হুমকি, তাই এই সামরিক পদক্ষেপ অপরিহার্য ছিল।
সিরিয়ায় এই হামলা এমন এক সময়ে এল যখন অঞ্চলটিতে আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ৯ দিনব্যাপী এক বিশেষ অভিযানে অন্তত ২৫ জন আইএস যোদ্ধাকে হত্যা ও আটক করে। গত ১৩ ডিসেম্বর সিরিয়ায় এক হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও একজন দোভাষী নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে পেন্টাগন ওই অভিযান শুরু করেছিল। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ তুরস্কও তাদের সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১০০ জনেরও বেশি আইএস সন্দেহভাজনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পরিবর্তনের সম্ভাব্যতা এবং আঞ্চলিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে আইএস যাতে পুনরায় সংগঠিত হতে না পারে, সেজন্যই পশ্চিমা শক্তিগুলো এই আগ্রাসী নীতি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে পালমিরার মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইএসের ভূগর্ভস্থ নেটওয়ার্ক ধ্বংস করাকে ব্রিটিশ ও ফরাসি বাহিনী বড় ধরণের কৌশলগত জয় হিসেবে দেখছে। এই হামলার পর সিরিয়ায় থাকা অন্যান্য বিদেশি শক্তির পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর এখন নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।
পাঠকের মতামত:
- কৃষ্ণগহ্বরের তাণ্ডবে ফুটছে আদি মহাবিশ্ব: শুরুর জগত নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য
- বাংলাদেশ-পাকিস্তান সামরিক সম্পর্ক এখন তুঙ্গে: রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন গণবিজ্ঞপ্তি জারি, বেসরকারি স্কুল-কলেজের জন্য বড় সুখবর
- চট্টগ্রামের খতনা করাতে গিয়ে চিরতরে ঘুমিয়ে পড়ল ৭ বছরের রোহান
- ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
- ২৬ কেন্দ্রের ফলে পাশা উল্টে গেল: জকসু নির্বাচনের নাটকীয় মোড়
- শীতে বারবার প্রস্রাবের বেগ: সাধারণ ঘটনা নাকি কিডনি রোগের সংকেত?
- সদরপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র, গুলি ও ককটেল উদ্ধার
- ভিপি পদে রিয়াজুল বনাম রাকিব: জকসু নির্বাচনের ২০ কেন্দ্রের ফল এক নজরে
- তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৩ বিভাগ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪-৬ ডিগ্রিতে
- সুস্থ থাকতে চায়ের সঙ্গে এই ৫ খাবারের বিচ্ছেদ জরুরি: আজই সতর্ক হোন
- বিচার না করে নির্বাচনে গেলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে: রিফাত
- স্যার আমি কি আপনার সঙ্গে দেখা করতে পারি?: মোদির অনুরোধে যা বললেন ট্রাম্প
- ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অনড়: আসিফ নজরুল
- ছড়িয়ে পড়েছে নিপাহ ভাইরাস: মৃত্যুর হার ১০০ শতাংশে পৌঁছানোয় রেড অ্যালার্ট
- উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের ৪ দিনের ‘মেগা সফর’: রুট ম্যাপ দেখে নিন
- গণতন্ত্রের মশাল এখন তারেক রহমানের হাতে: খসরু
- জকসু নির্বাচনে বোটানিতে ফল প্রকাশ, ভোটে চমক
- বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির শীর্ষ নেতা
- ৭ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
- ডিএসইতে আজ দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারে আজকের শীর্ষ লাভবান ১০ কোম্পানি
- জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা
- অলিম্পিক ও কেডিএসের নগদ লভ্যাংশ বিতরণ
- ডিএসইতে বন্ড আপডেট, চার ট্রেজারি বন্ডের রেকর্ড ডেট
- সূচক বাড়ছে, ভলিউম ৯ কোটির বেশি, কী বোঝায়
- বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- শীতকালে বাংলাদেশের ভ্রমণের ৫ সেরা জায়গা: ২০২৬ সালের ট্রাভেল গাইড
- নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে দেশ ধ্বংস হবে: ডা. তাহের
- বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে বুলবুলের বিস্ফোরক তথ্য
- আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
- ৬ বিভাগের ফলাফলে ভিপি পদে মাত্র ৫৭ ভোটের ব্যবধান: টানটান উত্তেজনা জবিতে
- শীতেও ত্বক থাকবে মাখনের মতো নরম: জানুন জাদুকরী কিছু সহজ টিপস
- দাঁতের শিরশিরানি থেকে মুক্তির ৫ সহজ উপায়
- টিভির পর্দায় আজকের সব খেলার সূচি
- বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না গেলে বড় জরিমানার মুখে বাংলাদেশ
- আজ ০৭ জানুয়ারি নামাজের সময়সূচি
- আজ বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি জেনে নিন বের হওয়ার আগে
- চার জোনে বিভক্ত হচ্ছে সেন্ট মার্টিন
- যে ১০ জেলায় আজও শৈত্যপ্রবাহের রেড অ্যালার্ট
- নবম পে স্কেলে আকাশছোঁয়া বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ: কার পকেটে ঢুকবে বাড়তি টাকা?
- জকসু নির্বাচনের প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, ভিপি-জিএস পদে কে কোথায়?
- ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এবার আমাদের ভোট: হাসনাত আবদুল্লাহ
- নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ছক: বেরিয়ে এলো হাদি খুনের রোমহর্ষক তথ্য
- সোনা ও প্লাটিনামের পাহাড় কি আকাশেই ভাসছে? গ্রহাণু নিয়ে গবেষকদের অবাক দাবি
- দুদকের নজরদারিতে সারজিস আলম
- নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় ছড়াচ্ছেন তারা কড়া নজরদারিতে: শফিকুল আলম
- প্রস্রাবের রং কি বদলে যাচ্ছে? কিডনি বিকল হওয়ার আগাম লক্ষণ জানুন
- শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমানো উপকারী না ক্ষতিকর জানুন বিশেষজ্ঞ মত
- ৯ম পে স্কেলে আমূল পরিবর্তন, সরকারি চাকরিতে বেতনে বড় সুখবর
- ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে
- কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য লম্বা ছুটি ঘোষণা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নতুন বছরে স্বর্ণের বাজারে বড় পরিবর্তন, আজ থেকে সোনার দর নিম্নমুখী
- বুধবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- পেটের আলসার: কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- ৪ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে আজ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী তালিকা
- স্বর্ণের দামে নতুন বছরের শুরুতেই স্বস্তি: আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- কাত্তালী টেক্সটাইলের শেয়ারে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর
- অবশেষে অবসান হলো অপেক্ষার: বিশেষ আহ্বান নিয়ে হাজির ড. ইউনূস
- ০৫ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- আবহাওয়া অফিসের বড় দুঃসংবাদ, ধেয়ে আসছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত
- গয়না কেনার আগে দেখে নিন আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশে
- এক নজরে ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বশেষ NAV








