ডিএসইতে একযোগে এনএভি প্রকাশ, কোন ফান্ড কোথায় দাঁড়াল

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৪ ১১:৪৯:৩৯
ডিএসইতে একযোগে এনএভি প্রকাশ, কোন ফান্ড কোথায় দাঁড়াল
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক ক্লোজড এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড ২৩ নভেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত দিনে ইউনিটপ্রতি নেট অ্যাসেট ভ্যালু বা এনএভি হালনাগাদ করেছে। একদিনের লেনদেন শেষে প্রকাশিত এসব তথ্যে দেখা যায়, অধিকাংশ ফান্ডই বর্তমান বাজারদরে ইউনিটপ্রতি এনএভি হিসেবে মূলদাম দশ টাকার নিচে লেনদেনমূল্য প্রতিফলিত করছে, তবে কিছু ফান্ড এখনও প্রিমিয়ামে আছে এবং বেশ কিছু ফান্ডের মোট সম্পদের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য মাত্রায় রয়েছে। সব তথ্য ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে।

প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান, এলআর গ্লোবাল নামের ফান্ডসহ বেসরকারি ব্যাংক ও লিজিং সংশ্লিষ্ট একাধিক ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে আট থেকে নয় টাকার ঘরে অবস্থান করছে, যদিও কস্ট প্রাইস বা ক্রয়মূল্যভিত্তিক এনএভি এখনো দশ টাকার ওপরে। উদাহরণ হিসেবে এনসিসিবিএলএমএফ ওয়ান ফান্ডটি বাজারদরে ইউনিটপ্রতি এনএভি দেখিয়েছে নয় টাকা আট পয়সা, অথচ কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে এই এনএভি এগারো টাকা আট পয়সা। এই ফান্ডের মোট নিট সম্পদের পরিমাণ প্রায় আটানব্বই কোটি টাকারও বেশি বাজারদরে এবং কস্ট প্রাইস অনুসারে প্রায় একশ বিশ কোটি টাকার অধিক। এলআর গ্লোবাল মিউচুয়াল ফান্ডটির ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা স্পষ্ট, যেখানে বাজারদরে ইউনিটপ্রতি এনএভি আট টাকা তেতাল্লিশ পয়সা হলেও কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে তা দশ টাকা নিরানব্বই পয়সা এবং মোট নিট সম্পদ দুইশো বাষট্টি কোটি টাকারও বেশি।

বাজারে কার্যকর বেশ কিছু ফান্ডের আকার মোট সম্পদের দিক থেকে বড় হলেও ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে মুখমূল্য দশ টাকার অনেক নিচে আছে। যেমন ট্রাস্ট ব্যাংক নামের ফান্ডটি ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে দেখিয়েছে ছয় টাকা একচল্লিশ পয়সা, যেখানে কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে এনএভি এগারো টাকা তেতাল্লিশ পয়সা এবং মোট নিট সম্পদের পরিমাণ বাজারদরে একশ চুরানব্বই কোটি টাকার বেশি, কস্ট প্রাইসে প্রায় তিনশ ছেচল্লিশ কোটি টাকারও ওপরে।

পপুলার ওয়ান, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ইবিএল এনআরবি এমএফ ও এফবিএফআইএফ ফান্ডগুলোও একই ধরনের চিত্র তুলে ধরেছে, যেখানে বাজারদরে প্রতি ইউনিট এনএভি ছয় থেকে সাত টাকার ঘরে, কিন্তু কস্ট প্রাইসভিত্তিক এনএভি এগারো টাকার বেশি। বিশেষ করে এফবিএফআইএফ ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারদরে পাঁচশ ছেচল্লিশ কোটি টাকারও বেশি, আর কস্ট প্রাইসে তা আটশ বিরাশিটি কোটি টাকার উপরে, যা ফান্ডটির বড় আকার ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের চাপকে ইঙ্গিত করে।

ডিএসইতে তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি ফান্ডের ক্ষেত্রে বাজারদরের এনএভি মুখমূল্য দশ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্য ডিসকাউন্টে অবস্থান করছে। যেমন ফার্স্ট জনতা মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে পাঁচ টাকা সাতানব্বই পয়সা, অথচ কস্ট প্রাইসে তা এগারো টাকা চুয়াল্লিশ পয়সা এবং মোট নিট সম্পদ বাজারদরে প্রায় একশ তিয়াত্তর কোটি টাকারও বেশি।

আইসিবি এগ্রাণী ওয়ান, আইসিবি সোনালী ওয়ান, আইসিবি থার্ড এনআরবি, প্রাইম আইসিবি ফান্ড, আইসিবিএএমসিএল সেকেন্ড ফান্ড ও পিএফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডসহ বেশ কয়েকটি ফান্ডে কস্ট প্রাইসের তুলনায় বাজারদরে ইউনিটপ্রতি এনএভি উল্লেখযোগ্যভাবে কম, যা দীর্ঘমেয়াদে মূলধনী ক্ষতির চাপকে পরিসংখ্যানের মাধ্যমে স্পষ্ট করে। বিনিয়োগ বিশ্লেষণের দৃষ্টিতে এটি ডিসকাউন্টেড ফান্ড পরিস্থিতি তুলে ধরে, যদিও পৃথক ফান্ডের বিনিয়োগ কৌশল ও ডিভিডেন্ড ইতিহাস বিবেচনায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, কিছু ফান্ড এখনও তুলনামূলক ভালো অবস্থানে আছে। ক্যাপিটেক জিবি ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে দেখানো হয়েছে নয় টাকা ঊননব্বই পয়সা, যা মুখমূল্যের খুব কাছাকাছি এবং কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে এই এনএভি দশ টাকা ছিয়াশি পয়সা। রিলায়েন্স ওয়ান ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে দশ টাকা আটচল্লিশ পয়সা, অর্থাৎ এটি মুখমূল্য দশ টাকার ওপরে অবস্থান করছে, কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে এগারো টাকা ছয় পয়সা।

সব ফান্ডের মধ্যে গ্রামীণ সেকেন্ড ফান্ডের পরিসংখ্যান সবচেয়ে নজরকাড়া, কারণ এটির ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে পনেরো টাকা পঁয়তাল্লিশ পয়সা, যা শুধু মুখমূল্যেরই অনেক ওপরে নয়, বরং কস্ট প্রাইসভিত্তিক এনএভি দশ টাকা সাঁইত্রিশ পয়সারও ওপরে বাজারমূল্যে উল্লেখযোগ্য প্রিমিয়াম প্রতিফলিত করছে। এই ফান্ডের মোট নিট সম্পদের পরিমাণ বাজারদরে দুইশো একাশি কোটি টাকারও বেশি, কস্ট প্রাইসে প্রায় একশ উননব্বই কোটি টাকার কাছাকাছি।

এছাড়া এসইএমএল লার্জ ক্যাপ, এসইএমএল ফার্স্ট বি এস এল, এসইএমএল আইবিবিএল এসএফ ফান্ডগুলোর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে নয় থেকে দশ টাকার ঘরে অবস্থান করছে, যা তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থান নির্দেশ করে। তদুপরি গ্রিন ডেল্টা, ডিবিএইচ, ভিক্টোরি কিংবা ক্যাপিএম আইবিবিএল, ক্যাপিএম বিডিবিএল ফান্ডের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, আর্থিক খাতভিত্তিক এই ফান্ডগুলোর নিট সম্পদের আকার মাঝারি হলেও বাজারদরে ডিসকাউন্ট অব্যাহত আছে, আর কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে ইউনিটপ্রতি এনএভি দশ টাকার ওপরে অবস্থান করছে।

সব ফান্ডের ক্ষেত্রেই উল্লেখ আছে যে এনএভি নির্ণীত হয়েছে নির্ধারিত তারিখের শেষে সব সম্পদ ও দায় বিবেচনার ভিত্তিতে। প্রতিটি ফান্ডের মুখমূল্য দশ টাকা হওয়া সত্ত্বেও বাজারদরের এনএভি অধিকাংশ ক্ষেত্রে মুখমূল্যের নিচে এবং কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে এনএভি প্রায় সব ক্ষেত্রেই দশ টাকার ওপরে, যা দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিতে মূলধনী ক্ষতির চাপ, বাজারদরের দুর্বলতা এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ সময়ের মূল্য পরিবর্তনের প্রভাবকে একসঙ্গে ইঙ্গিত করে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য এই তথ্যগুলো ফান্ড বাছাই, পোর্টফোলিও পুনর্গঠন এবং ঝুঁকি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করতে পারে, যদিও স্বতন্ত্র বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্বীয় আর্থিক পরামর্শকের মতামত নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

-রফিক


২২ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৫:১৬:০৪
২২ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি-তে (ডিএসই) লেনদেনে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনশেষে মোট ৩৮৮টি ইস্যুতে লেনদেন সম্পন্ন হয়, যার মধ্যে দর বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৯৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭১টি। পতনশীল শেয়ারের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সামগ্রিক বাজারে চাপের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে।

এ ক্যাটাগরিতে ২০০টি শেয়ার লেনদেনের মধ্যে ৯৯টি কমেছে, ৬১টি বেড়েছে এবং ৪০টি অপরিবর্তিত ছিল। বি ক্যাটাগরিতে ৮০টি শেয়ারের মধ্যে ৪৩টি কমেছে, ২৬টি বেড়েছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত রয়েছে। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৮টি লেনদেনযোগ্য শেয়ারের মধ্যে ৫২টি পতন হয়েছে এবং ৩৬টি বেড়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টি ইস্যুর মধ্যে ৭টি বেড়েছে, ৭টি কমেছে এবং ২০টি অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডে একটি ইস্যু লেনদেন হয়েছে, যেখানে দরপতন হয়েছে। সরকারি সিকিউরিটিজে এদিন কোনো লেনদেন হয়নি।

দিনভর মোট ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৭২টি ট্রেডের মাধ্যমে প্রায় ২১ কোটি ৯৫ লাখ শেয়ার হাতবদল হয়। লেনদেনের মোট মূল্য দাঁড়ায় ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৫ টাকা। বাজার মূলধন (মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন) দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ১০ হাজার ৬৭১ কোটি টাকায়, যার মধ্যে ইকুইটি খাতের অংশ ৩ লাখ ৫৪ হাজার ১৩০ কোটি টাকার বেশি।

ব্লক মার্কেটে এদিন ২৫টি কোম্পানির মোট ৫৪টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। মোট ৪১ লাখের বেশি শেয়ার হাতবদলের মাধ্যমে প্রায় ১৬৫ কোটি ৪১ লাখ টাকার লেনদেন হয়। উল্লেখযোগ্য ব্লক ট্রেড হয়েছে সাপোর্টল, ফাইন ফুডস, এমএল ডাইং, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং জিপি শেয়ারে।

এর মধ্যে সাপোর্টলে এককভাবে প্রায় ৯০ কোটি টাকার বেশি ব্লক লেনদেন হয়েছে, যা দিনের মোট ব্লক ট্রেডের বড় অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর কিছু শেয়ারে স্বাভাবিক মূল্যসংশোধন হয়েছে। ব্যাংক ও ইন্স্যুরেন্স খাতে বিক্রির চাপ এবং নির্বাচিত শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাজারে নিম্নমুখী চাপ তৈরি করেছে।

তবে ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে ওঠানামা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে মৌলভিত্তি শক্তিশালী কোম্পানিতে বিনিয়োগই ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

-রাফসান


২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৫:১১:০৭
২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শেষ পর্যায়ে বেশ কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস লক্ষ্য করা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ ১০ লুজারের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে এশিয়াটিক ল্যাব, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ কমে ৫৭ টাকায় নেমে আসে। আগের দিনের সমাপনী দর ছিল ৬৩ টাকা। দিনভর শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৬৩ টাকা ৪০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৫৬ টাকা ৭০ পয়সা।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এক্সিম ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ কমে ৩ টাকায় লেনদেন শেষ করে। তৃতীয় স্থানে থাকা ফারকেম ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১৩ টাকা ৭০ পয়সায় নেমে আসে।

এ ছাড়া এনবিএল ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে ৫ টাকায়, ফ্যামিলি টেক্স ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ টাকা ৭০ পয়সায় এবং ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৫ দশমিক ৪০ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

টেক্সটাইল ও শিল্প খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। আল-হাজ টেক্সটাইল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ কমে ১৩০ টাকা ২০ পয়সায় এবং শ্যামপুর সুগার মিলস ৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমে ১৫৭ টাকা ৩০ পয়সায় অবস্থান নেয়।

এছাড়া আইসিবি থার্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ৪ টাকা ৩০ পয়সায় এবং তুংহাই ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়া, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিক্রির চাপ এবং নির্বাচিত কোম্পানির শেয়ারে মূল্যসংশোধনের কারণে এই দরপতন হয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েক দিনের উত্থানের পর কিছু শেয়ারে স্বাভাবিক মূল্যসমন্বয় ঘটেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে বাজার পর্যবেক্ষকরা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। মৌলভিত্তি, আর্থিক প্রতিবেদন এবং খাতভিত্তিক প্রবণতা বিশ্লেষণ ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

-রাফসান


২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৫:০১:৫৭
২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শেষ পর্যায়ে নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী দরের তুলনায় শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় বেশ কয়েকটি ব্যাংক ও মিউচুয়াল ফান্ড স্থান পেয়েছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে সোনারগাঁও, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ০১ শতাংশ বেড়ে ৩৭ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়েছে। আগের দিনের সমাপনী দর ছিল ৩৪ টাকা ৪০ পয়সা। দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ৩৭ টাকা ৭০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৩৪ টাকা ৪০ পয়সা।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে ৫ টাকা ৭০ পয়সায় বন্ধ হয়। তৃতীয় স্থানে থাকা কেবিপিপিডব্লিউবিআইএল ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫২ টাকা ১০ পয়সায় অবস্থান নেয়।

এ ছাড়া আইবিপি ৫ দশমিক ২২ শতাংশ বেড়ে ১৪ টাকা ১০ পয়সায় এবং এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

ব্যাংক খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। এবি ব্যাংক ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে ৬ টাকা ৬০ পয়সায় এবং ব্র্যাক ব্যাংক ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৬ টাকা ৬০ পয়সায় দিন শেষ করে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড ৪ শতাংশ, পপুলার ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং সাপোর্টল ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ দরবৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ২ টাকা ৬০ পয়সা, ২ টাকা ৭০ পয়সা ও ৪৬ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

বিশ্লেষণ

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমূল্যের শেয়ার ও ব্যাংক খাতে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে এই দরবৃদ্ধি হয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বাজার স্থিতিশীলতার ফলে আস্থা কিছুটা ফিরে এসেছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সাময়িক উল্লম্ফন দেখে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নিয়ে কোম্পানির আর্থিক অবস্থা, মৌলভিত্তি ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা জরুরি।

-রাফসান


শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৬:১৫:২৮
শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এর ১৯ ফেব্রুয়ারি সমাপ্ত সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬৫.৯৯ পয়েন্ট বা ১.২২ শতাংশ বেড়ে ৫,৪৬৫.৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একই সময়ে ডিএস৩০ সূচক ১.৮৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২,০৯৭.৮৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক সামান্য ০.১৭ শতাংশ কমেছে এবং এসএমই সূচক ২.০৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা খাতভিত্তিক মিশ্র প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

এই সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫২,৫০২ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গড় দৈনিক লেনদেন বেড়ে হয়েছে প্রায় ১০,৫০০ কোটি টাকা, যা ৬৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। ডলারে হিসাবে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৪২৯ মিলিয়ন ডলার। লেনদেনের পরিমাণ ও হাউলা সংখ্যাও দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন।

বাজার মূলধন সামান্য ০.১৫ শতাংশ বেড়ে ৭১ লাখ কোটি টাকার উপরে অবস্থান করছে। সপ্তাহজুড়ে ২০৩টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টি। বাজারের অ্যাডভান্স-ডিক্লাইন অনুপাত ১.৩৩ হওয়ায় সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

খাতভিত্তিক লেনদেনে ব্যাংক খাত শীর্ষে রয়েছে, যা মোট লেনদেনের ২০ শতাংশের বেশি অংশীদারিত্ব নিয়েছে। ফার্মা ও কেমিক্যাল খাত দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে প্রায় ১৬ শতাংশ লেনদেন করেছে। এছাড়া টেক্সটাইল, জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফুয়েল অ্যান্ড পাওয়ার খাতেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে ফুয়েল অ্যান্ড পাওয়ার এবং আইটি খাতে লেনদেনের প্রবৃদ্ধি চোখে পড়ার মতো।

সাপ্তাহিক টার্নওভারে শীর্ষে রয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, যার লেনদেন মূল্য ৪১৬ কোটি টাকার বেশি। এরপর রয়েছে সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক। ব্লক মার্কেটে গ্রামীণফোন ও অন্যান্য বড় কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে।

সাপ্তাহিক টপ গেইনার তালিকায় বেশ কয়েকটি জেড ক্যাটাগরির কোম্পানি স্থান পেয়েছে, যেখানে এনবিএল ও বিআইএফসি উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখিয়েছে। বিপরীতে, বন্ড ও কিছু ব্যাংকিং শেয়ারে দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজারের সামগ্রিক পিই রেশিও ৯.৯৪, যা তুলনামূলকভাবে আকর্ষণীয় মূল্যায়ন নির্দেশ করে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, লেনদেনের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি এবং সূচকের ধারাবাহিক উত্থান বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত বহন করছে। তবে এসএমই ও শরিয়াহ সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা বাজারে খাতভিত্তিক ভারসাম্যহীনতার বিষয়টি সামনে এনেছে। সামনের সপ্তাহগুলোতে নীতিগত স্থিতিশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ প্রবাহ বজায় থাকলে বাজারে এই ইতিবাচক ধারা আরও শক্তিশালী হতে পারে।

-রাফসান


১৯ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৭:১৯:৫৯
১৯ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ১৯ ফেব্রুয়ারি লেনদেনের দিনটি ছিল ব্যাপক বিক্রির চাপে নিমজ্জিত। সমাপনী মূল্যভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে মাত্র ৪৬টির দাম বেড়েছে, বিপরীতে ৩১৩টির দর কমেছে এবং ৩৩টি অপরিবর্তিত ছিল। সংখ্যাগত বিচারে বাজারে নেতিবাচক প্রবণতাই প্রাধান্য পেয়েছে।

এ ক্যাটাগরিতে ২০৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৬৩টির শেয়ারদর কমেছে, যা প্রধান বাজার সূচকের ওপর চাপ তৈরি করেছে। বি ক্যাটাগরিতেও ৭৯টির মধ্যে ৬৩টির দরপতন হয়েছে। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৭টি কোম্পানির মধ্যে ৮৭টির দর হ্রাস বাজারের দুর্বল মনোভাবকে আরও স্পষ্ট করেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টির মধ্যে ২২টির দর কমেছে। করপোরেট বন্ডে সীমিত লেনদেন হলেও সরকারি সিকিউরিটিজেও পতনের চিত্র দেখা গেছে।

লেনদেন ও বাজার মূলধন

দিনশেষে মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৫০টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ৪১২টি। টাকার অঙ্কে লেনদেন হয়েছে ৫৫৯৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বেশি, যা আগের দিনের তুলনায় নিম্নমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনও কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭১ লাখ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইকুইটি খাতের বাজার মূলধন প্রায় ৩৫ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা।

ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেন

ব্লক মার্কেটে ২৪টি সিকিউরিটিজে ৫৮টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের লেনদেন হয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারে, প্রায় ৬৩ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এছাড়া সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস ও জিকিউ বলপেন উল্লেখযোগ্য অঙ্কে লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতার প্রতিফলন হতে পারে। তারা বলছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে নীতিগত সমন্বয় ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে।

-রাফসান


১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৬:৩৪:৪২
১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি লেনদেন চলাকালে ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের সমাপনী মূল্যের তুলনায় বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। শীর্ষ ১০ দরপতনকারী তালিকায় প্রধানত ফাইন্যান্স ও ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলো স্থান পেয়েছে।

সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ফার্স্ট ফাইন্যান্সের। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ১০ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। একইভাবে জিএসপি ফাইন্যান্স এবং প্রাইম ফাইন্যান্সের শেয়ারদরও ১০ শতাংশ করে কমেছে, যা বাজারে বিক্রির চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

শুরভিড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রায় ৮.৯৫ শতাংশ কমে ৬ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ৮.৬২ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে ৫ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে এসেছে।

অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স ও এক্সিম ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড উভয়েই ৮.৩৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিআইএফসি ও তুংহাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর ৭.৬৯ শতাংশ কমেছে।

ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস ৭.৫০ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক খাতে তারল্য সংকট, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং স্বল্পমূলধনী শেয়ারে অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেনের কারণে এই দরপতন দেখা যেতে পারে। তারা বিনিয়োগের আগে মৌলভিত্তি ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

-রাফসান


১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৬:৩২:২৩
১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি লেনদেন চলাকালে ক্লোজিং প্রাইস ও আগের কার্যদিবসের সমাপনী দামের তুলনায় শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় খাদ্য, ব্যাংক ও বীমা খাতের একাধিক প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে।

দিনের লেনদেনে রহিমা ফুড করপোরেশন সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬.০৫ শতাংশ বেড়ে ১৪৫ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যেখানে আগের দিন ছিল ১৩৭ টাকা ১০ পয়সা।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আইসিবি ইএপিএমএফ ১ম ইউনিট ফান্ড, যার দর ৪.১৬ শতাংশ বেড়ে ৫ টাকায় পৌঁছেছে। তৃতীয় স্থানে থাকা মেরকেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ৩.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি নিয়ে ২৫ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলসের শেয়ার ৩.২৮ শতাংশ বেড়ে ২১৩ টাকা ৮০ পয়সায় অবস্থান নিয়েছে। বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজেস ৩.২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ টাকায় বন্ধ হয়েছে।

ব্যাংকিং খাতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ২.৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫ টাকা ৭০ পয়সায় উঠেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার ১.৭১ শতাংশ বেড়ে ৮২ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ২.১০ শতাংশ এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইবিপি ২.২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, খাদ্য ও ব্যাংক খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা বাড়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে চাহিদা তৈরি হয়েছে। তবে সামগ্রিক বাজার প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

-রাফসান


১৮ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৬:২৭:০১
১৮ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি লেনদেনের সার্বিক চিত্র ছিল নিম্নমুখী। দিন শেষে মোট ৩৯৩টি ইস্যু লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে মাত্র ৮২টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ২৮৬টির দর কমেছে এবং ২৫টি অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারজুড়ে বিক্রির চাপ প্রাধান্য পাওয়ায় সার্বিক সূচকে দুর্বলতা লক্ষ্য করা গেছে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক চিত্র

এ ক্যাটাগরিতে ২০৫টি শেয়ারের মধ্যে ৩২টির দর বেড়েছে, ১৬৫টির কমেছে এবং ৮টি অপরিবর্তিত ছিল। বি ক্যাটাগরিতে ৮০টির মধ্যে ৩১টি বেড়েছে, ৪২টি কমেছে। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৮টির মধ্যে ৭৯টির দর হ্রাস পেয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা ছিল স্পষ্ট। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ২৭টির দর কমেছে। করপোরেট বন্ডে ৩টির মধ্যে ২টির দর হ্রাস পেয়েছে এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ৩টির দর কমেছে।

লেনদেন ও বাজার মূলধন

দিনের মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৩ হাজার ২১৫টি ট্রেডে। মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৪ কোটি ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩টি ইউনিট। লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৩৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় কম।

দিন শেষে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটি বাজারের অংশ ৩৫ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকার বেশি।

ব্লক মার্কেটে সক্রিয়তা

ব্লক মার্কেটে ৪০টি সিকিউরিটিজে মোট ৭৩টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৪২ লাখ ইউনিট শেয়ার হাতবদল হয়ে মোট লেনদেনমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি ৯১ লাখ টাকায়।

ব্লক লেনদেনে গিকিউ বলপেন, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, এমএল ডাইং, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারণ পদ্ধতি

ডিএসইর বাজার সারাংশে দরবৃদ্ধি ও দরপতনের হিসাব নির্ধারণ করা হয় ক্লোজিং প্রাইসের ভিত্তিতে। ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারণে শেষ ৩০ মিনিটের লেনদেনের ওজনযুক্ত গড় মূল্য বিবেচনায় নেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ে লেনদেন না হলে আগের সর্বোচ্চ ২০টি লেনদেনের গড় মূল্য ব্যবহার করা হয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, খাতভিত্তিক বিক্রির চাপ ও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তারা বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মৌলভিত্তি ও ঝুঁকি বিশ্লেষণের পরামর্শ দিয়েছেন।

-রাফসান


১৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৬:২২:৫৭
১৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি লেনদেন শেষে বেশ কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরে উল্লেখযোগ্য নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। দিনের সমাপনী মূল্য ও আগের কার্যদিবসের সমাপনী দামের তুলনায় সর্বোচ্চ পতনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ দরপতনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৮.৩৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে এসেছে, যেখানে আগের দিন ছিল ৪ টাকা ৮০ পয়সা।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার ৮.১৯ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ারদর ৭.৪৬ শতাংশ কমে ৬ টাকা ২০ পয়সায় বন্ধ হয়েছে।

জেনেক্সট টেকনোলজিস ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর ৭.১৪ শতাংশ করে কমে ২ টাকা ৬০ পয়সায় অবস্থান নিয়েছে।

ওয়ান ব্যাংক পিএলসির শেয়ার ৬.৯৭ শতাংশ কমে ৮ টাকায় নেমে এসেছে। নুরানি ডাইং অ্যান্ড সোয়েটারস ৬.৮৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

ফার্স্ট এশিয়া ফাইন্যান্স, আইএলএফএসএল এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এই তিন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর ৬.৬৬ শতাংশ করে কমে ১ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক খাতে তারল্য সংকট, বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং স্বল্পমূলধনী শেয়ারে বিক্রির চাপ এসব কারণে এ ধরনের দরপতন ঘটতে পারে। তারা বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তি ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

-রফিক

পাঠকের মতামত: