ভয়ংকর ঝুঁকিতে দেশের তিন বড় শহর: মাটির নিচ থেকে আসছে বড় বিপদের বার্তা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২২ ০৯:১০:৫১
ভয়ংকর ঝুঁকিতে দেশের তিন বড় শহর: মাটির নিচ থেকে আসছে বড় বিপদের বার্তা
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে বড় মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানলে রাজধানী ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম নগরীর ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে দেশের এই প্রধান তিন শহরের লাখ লাখ ভবন ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার মতো মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে পুরান ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভবনই বড় ধরনের কম্পন সহ্য করার মতো সক্ষমতা রাখে না।

বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী সামনে রিখটার স্কেলে ৮ দশমিক ২ থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন কোনো দুর্যোগ ঘটলে রাজধানী ঢাকার প্রায় ছয় লাখ ভবন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে। এর মধ্যে সিংহভাগই পুরান ঢাকার অপরিকল্পিত ও জরাজীর্ণ স্থাপনা। জনসংখ্যার অত্যধিক ঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন নির্মাণ এবং অপ্রশস্ত সড়ক অবকাঠামোর কারণে এই ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী জানান বিল্ডিং কোড অমান্য করে ভবন তৈরির কারণেই এই ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে এখনই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, অন্যথায় বড় শহরের অপরিকল্পিত ভবনগুলো বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

অন্যদিকে দেশের অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভূকম্পন এলাকার বা ডেঞ্জার জোনের মধ্যে অন্যতম অবস্থানে রয়েছে সিলেট। এই জেলাটি পার্শ্ববর্তী ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি ফল্ট ও স্থানীয়ভাবে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্পের আওতাভুক্ত। ভূতাত্ত্বিক গঠনের কারণে সিলেটকে দেশের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৮৯৭ সালের ১২ জুন ডাউকি ফল্ট থেকে উৎপত্তি হওয়া ৮ দশমিক ৭ মাত্রার সেই ‘বড় ভুইছাল’ বা ভূমিকম্পে বৃহত্তর সিলেটের বড় অংশ মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলেই সিলেটের পুরোনো ভবনগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে।

সিলেট অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা স্থানীয় ফল্ট বা চ্যুতিগুলো নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠছে। ২০২১ সালের মে মাসে মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে সিলেটে ২০ বার ভূকম্পন অনুভূত হয়, যার কয়েকটির উৎপত্তিস্থল ছিল ডাউকি ফল্টের কাছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পুর প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম জানান ঢাকায় সম্প্রতি অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পটি সিলেটের জন্য অশনিসংকেত। তাঁর মতে মধুপুর ফল্ট লাইনটি এতদিন নিষ্ক্রিয় থাকলেও হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে ঢাকায় ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নতুন ভবনের ক্ষতি কম হলেও সিলেটে একই মাত্রার কম্পনে পুরোনো ও নন-ইঞ্জিনিয়ারিং ভবনগুলো টিকে থাকতে পারবে না। এছাড়া সিলেট শহরের উপশহর আবাসিক এলাকাটি জলাশয় ভরাট করে তৈরি করায় এবং সেখানে বহুতল ভবন বেশি থাকায় বড় ভূমিকম্পে ওই এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের চিত্রও ভীতিজাগানিয়া। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) তথ্য অনুযায়ী নগরীতে বর্তমানে ৩ লাখ ৮২ হাজার ১১১টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ ভবনই বড় ভূমিকম্পে ধসে পড়ার মতো ঝুঁকিতে আছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী শহরে একতলা ভবন আছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫টি এবং দুই থেকে পাঁচ তলা ভবন আছে ৯০ হাজার ৪৪৪টি। এছাড়া ১০ তলার ওপরে থাকা ৫২৭টি ভবনও ঝুঁকির বাইরে নয়। চউকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস উল্লেখ করেন চট্টগ্রাম একটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা এবং বড় ধরনের কম্পন হলে নগরের অধিকাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান ভূমিকম্পের তিনটি প্রধান উৎসই চট্টগ্রামের খুব কাছাকাছি অবস্থিত। তাই রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৫ বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে নগরের ৭৫ শতাংশ ভবন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। এতে কেবল আবাসিক ভবন নয়, চট্টগ্রাম বন্দর, ইস্টার্ন রিফাইনারি এবং কক্সবাজারের মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে নগরীর অধিকাংশ ভবনই বিল্ডিং কোড মেনে তৈরি হয়নি এবং সেগুলোতে ভূমিকম্প প্রতিরোধী কোনো ব্যবস্থা নেই।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো উদ্ধার তৎপরতার অপ্রতুলতা। ঢাকা ও চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকার গলিগুলো অত্যন্ত সরু হওয়ার কারণে বড় কোনো মানবিক বিপর্যয় ঘটলে সেখানে উদ্ধারকারী গাড়ি বা অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। সিলেটেও বড় দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোও এই ঝুঁকির তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছে যা দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে।


আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ০৯:৪০:৩৪
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততায় কেনাকাটা একটি বড় অংশ। তবে বৃহস্পতিবার ঢাকার বেশ কিছু এলাকায় নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকে। তাই জরুরি কাজে বা শপিংয়ের জন্য ঘর থেকে বের হওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন আজ আপনার গন্তব্য এলাকাটি বন্ধের তালিকায় আছে কি না। মূলত ঢাকার মোহাম্মদপুর, মতিঝিল ও মালিবাগ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে আজ সাপ্তাহিক ছুটি পালিত হয়।

আজ যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে: মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা এবং রমনা শিশুপার্ক এলাকা।

বন্ধ থাকবে যেসব প্রধান মার্কেট: কেনাকাটার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং (মোহাম্মদপুর), বিআরটিসি মার্কেট এবং শ্যামলী হল মার্কেট আজ বন্ধ থাকবে। এছাড়া মিরপুর এলাকার মুক্তিযোদ্ধা সুপারমার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট এবং মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স আজ খোলা পাবেন না। রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিল ও পল্টনের বায়তুল মোকাররম মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, এবং পীর ইয়ামেনি মার্কেট আজ পূর্ণ দিবস বন্ধ থাকবে। মালিবাগ ও মগবাজার এলাকার মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট এবং ফরচুন শপিং মলও আজকের এই তালিকায় রয়েছে।

পরিকল্পিতভাবে যাতায়াত করলে কেবল সময় নয়, আপনার যাতায়াত খরচও সাশ্রয় হবে। বিশেষ করে যারা গৃহস্থালি কেনাকাটার জন্য কৃষি মার্কেট বা ধর্মীয় সামগ্রীর জন্য বায়তুল মোকাররম যাওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে ঢাকার নিউ মার্কেট, গাউছিয়া এবং উত্তরা-বনানী এলাকার বেশিরভাগ মার্কেট আজ খোলা থাকবে।


আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি 

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ০৯:৩৫:৩৯
আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি 
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে চলাচলের ক্ষেত্রে সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে আজ ৮ জানুয়ারির গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির একটি রূপরেখা নিচে তুলে ধরা হলো। বিশেষ করে মিরপুর ও গাবতলী এলাকায় যারা যাতায়াত করবেন, তাদের জন্য বিজিবির বিশেষ কর্মসূচিটি জানা জরুরি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আজ বেলা পৌনে ১২টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে একটি বিশেষ সংবাদ সম্মেলন করবে। বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও সেগুলোর খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চাইনিজ নাগরিককে গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে এই সম্মেলনে। আইফোন চোরাচালান বা জালিয়াতি চক্রের বড় কোনো নেটওয়ার্কের তথ্য আজ উঠে আসতে পারে।

তীব্র শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দুপুর ১২টায় ঢাকা ব্যাটালিয়নের (৫ বিজিবি) ব্যবস্থাপনায় শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত গাবতলী বেড়িবাঁধ সংলগ্ন কাঁচা বাজার এলাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এই সময় গাবতলী ও বেড়িবাঁধ এলাকায় মানুষের কিছুটা সমাগম ও যানবাহনের ধীরগতি থাকতে পারে।

সকাল ১০টায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা শুরু হয়েছে সিরডাপ মিলনায়তনে। ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র ও সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার’ শীর্ষক এই সভায় বিশিষ্ট নাগরিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অংশ নিচ্ছেন।

যারা বিদেশে বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য আজ বনানীর শেরাটন ঢাকা (Sheraton Dhaka) হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত 'অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো ২০২৬' অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৩০টিরও বেশি অস্ট্রেলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা সরাসরি এই এক্সপোতে অংশ নিচ্ছেন।

আবহাওয়া ও ট্রাফিক টিপস

ঢাকার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকার পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুয়াশার কারণে সকালে দৃষ্টিসীমা কিছুটা কম থাকায় ধীরগতিতে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে গাবতলী ও শাহবাগ এলাকায় ভিড় বা কর্মসূচির কারণে কিছুটা যানজট দেখা দিতে পারে।


আজ বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ০৯:৩৮:০৭
আজ বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে কেনাকাটা করতে যাওয়ার আগে এলাকাভিত্তিক সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়টি খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকার বড় বড় শপিংমল ও মার্কেটগুলো বন্ধ থাকবে। বিশেষ করে উত্তরা, কুড়িল, বাড্ডা এবং খিলক্ষেত এলাকায় আজ সব ধরণের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকছে।

সাপ্তাহিক ছুটির তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্ক। এছাড়া উত্তরার মাসকট প্লাজা, আমির কমপ্লেক্স, এবি সুপার মার্কেট, এবং কুশল সেন্টারও আজ বন্ধ থাকবে। অন্যান্য মার্কেটের মধ্যে পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, নুরুনবী সুপার মার্কেট এবং ইউনাইটেড প্লাজা আজ তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ রাখবে।

এলাকাভিত্তিক ছুটির কারণে আজ বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহজাদপুর এবং নিকুঞ্জ-১ ও ২ এলাকার সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। এছাড়া কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, খিলক্ষেত, উত্তরখান এবং দক্ষিণখান এলাকার মার্কেটগুলোও আজ খুলবে না। জোয়ার সাহারা, আশকোনা এবং বিমানবন্দর সড়ক থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত এলাকার অধিকাংশ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আজ সাপ্তাহিক ছুটি পালন করবে।

শৈত্যপ্রবাহের কারণে এমনিতেই জনজীবন স্থবির, তাই বিড়ম্বনা এড়াতে আজ কেনাকাটার জন্য বিকল্প হিসেবে ধানমন্ডি বা মিরপুর এলাকা বেছে নিতে পারেন, কারণ ওই এলাকার মার্কেটগুলো আজ খোলা রয়েছে।


আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি জেনে নিন বের হওয়ার আগে

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ০৯:২৯:৩৮
আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি জেনে নিন বের হওয়ার আগে
ছবি : সংগৃহীত

আজকের কর্মসূচিগুলো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে হওয়ায় যাতায়াতে কিছুটা সময় হাতে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

প্রেস ক্লাব ও সেগুনবাগিচা (সকাল ১০:৩০ - দুপুর ১:০০)

জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ডিআরইউতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং ডক্টর আব্দুল মঈন খানের উপস্থিতিতে পৃথক দুটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ফলে পুরানা পল্টন ও তোপখানা রোড এলাকায় সকাল থেকেই মানুষের চাপ থাকবে।

গুলশান এলাকা (বিকেল ৩:০০)

ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গুলশানের ফেলানী অ্যাভিনিউতে জাতীয় নাগরিক পার্টির ‘আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চ’ অনুষ্ঠিত হবে। এতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। এই কর্মসূচির কারণে গুলশান-১ ও ২ মুখী রাস্তায় বিকেলের দিকে বড় ধরনের জট তৈরি হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (দুপুর ১২:৩০)

মধুর ক্যান্টিনের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত মাহদী হাসান ও তাহরিমা জান্নাত সুরভী তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন। শাহবাগ ও নীলক্ষেত এলাকায় এ সময় শিক্ষার্থীদের সমাগম বাড়বে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা (সকাল ৯:০০)

জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কুড়িল ও বসুন্ধরা গেট এলাকায় সকাল থেকেই কিছুটা ভিড় থাকতে পারে।

মোহাম্মদপুর (সকাল ১০:০০)

সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদের উপস্থিতিতে একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান চলবে। আসাদগেট থেকে গাবতলীমুখী রাস্তায় এর প্রভাব পড়তে পারে।

যারা বিকেলে গুলশান বা বনানী হয়ে যাতায়াত করবেন, তারা সম্ভব হলে মগবাজার-হাতিরঝিল রুট ব্যবহার করতে পারেন। প্রেস ক্লাব সংলগ্ন রাস্তাগুলোতে যানজট এড়াতে ফ্লাইওভার ব্যবহার করা কার্যকর হতে পারে।


হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপবে দেশ: ৬ ডিগ্রিতে নামবে ৫ বিভাগের তাপমাত্রা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১৮:৫৮:৩৬
হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপবে দেশ: ৬ ডিগ্রিতে নামবে ৫ বিভাগের তাপমাত্রা
ছবি : সংগৃহীত

হাড়কাঁপানো শীতের চাদরে ঢাকা পড়তে যাচ্ছে গোটা বাংলাদেশ। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, আগামীকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়ে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এমনকি মাসের শেষভাগে কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ চিত্র বিশ্লেষণ করে মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও ফেনী ছাড়া দেশের বাকি ৬১টি জেলাই বর্তমানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট ছাড়া অন্য ছয়টি বিভাগে কুয়াশার ঘনত্ব আরও বাড়বে। ফলে বুধবার দুপুর ১২টার আগে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে সূর্যের মুখ দেখার সম্ভাবনা খুবই কম। অন্যান্য বিভাগে সকাল ১০টার পর রোদের দেখা মিলতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা ক্রমাগত কমতে শুরু করেছে। চলতি জানুয়ারি মাসে দেশে অন্তত এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়ার এই চরম অবস্থায় শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের কামড় মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, যা কৃষি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।


বুধবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১৬:৫২:৪৭
বুধবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
ছবি : সংগৃহীত

শীতকালীন বিদ্যুৎ লাইন সংরক্ষণ ও জরুরি মেরামত কাজের জন্য আগামীকাল বুধবার সিলেট নগরীর একটি বড় অংশে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। সোমবার পৃথক দুটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ–১ ও বিভাগ–২ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ধাপে ধাপে বিভিন্ন ফিডারের আওতায় থাকা গ্রাহকরা বিদ্যুৎহীন থাকবেন।

বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ–১ এর অধীনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আম্বরখানা ও লাক্কাতুড়া ফিডারের আওতাভুক্ত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ থাকবে না। এর মধ্যে রয়েছে আম্বরখানা মসজিদ, দত্তপাড়া, সরকারি কলোনি, মজুমদারী, কমলা বাগান, পূর্ব পীরমহল্লা এবং হাউজিং স্টেট ফরিদাবাদ আবাসিক এলাকা। এছাড়া লাক্কাতুড়া ফিডারের আওতাধীন বাদাম বাগিচা, বড় বাজার, বনশ্রী ফিডারভুক্ত চৌকিদেখী, ইলাশকান্দি, উদয়ন, পাহাড়িকা, দারুস সালাম, শেভরন, লাক্কাতুড়া চা-বাগান ও বনশ্রী আবাসিক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।

অন্যদিকে, বিভাগ–২ এর অধীনে রায়নগর ফিডারে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেনারপাড়া, মজুমদারপাড়া, দর্জিপাড়া, পূর্ব মিরাবাজার ও খারপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এছাড়া নাইওরপুল ফিডারের আওতায় সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নাইওরপুল পয়েন্ট, ওসমানী জাদুঘর, ধোপাদিঘীর উত্তরপাড়, হোটেল অনুরাগ, ঝরনারপাড়, কুমারপাড়া পয়েন্ট ও শাহী ঈদগাহসহ আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

বিউবোর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মেরামত কাজ নির্ধারিত সময়ের আগে শেষ হয়ে গেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় সচল করা হবে। তবে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় আবাসিক গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাময়িক এই অনাকাঙ্ক্ষিত অসুবিধার জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেট নগরবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।


তাপমাত্রা নামছে হু হু করে: শীতের এই তান্ডব চলবে কতদিন?

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ০৯:৩৬:৫৬
তাপমাত্রা নামছে হু হু করে: শীতের এই তান্ডব চলবে কতদিন?
ছবি : সংগৃহীত

সারা দেশে জেঁকে বসা হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশার দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন ও প্রাণিকুল। উত্তরের হিমেল হাওয়ার প্রভাবে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ নিচের দিকে নামছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতেও শীতের তীব্রতা বেড়েছে, যেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের ১৫টি জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া বিশ্লেষক ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন যে গতকাল সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা ধাপে ধাপে হ্রাস পেতে শুরু করেছে। চলতি জানুয়ারি মাসেই অন্তত দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি বা দুটি অত্যন্ত তীব্র হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাতে পুরো দেশ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার আগে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অধিকাংশ জেলায় সূর্যের দেখা মেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে খুলনা ও বরিশাল বিভাগে সকাল ১০টার পর থেকে রোদের দেখা মিলতে পারে। টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোরসহ ১৫টি অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তীব্র ঠান্ডার কারণে শীতজনিত রোগবালাই যেমন সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। কুয়াশার কারণে সড়ক, নৌ ও বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় পণ্য পরিবহন ও কর্মজীবী মানুষের যাতায়াতে সৃষ্টি হয়েছে বাড়তি বিড়ম্বনা। কুয়াশা অনেক এলাকায় দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ায় দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে গেছে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও প্রকট হচ্ছে। অসহায় মানুষ খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি উঠেছে।


আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ০৯:৩০:০৭
আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
ছবি : সংগৃহীত

ট্রান্সফরমারের জরুরি সংরক্ষণ ও কারিগরি ত্রুটি মেরামতের লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার সিলেট নগরীর একটি বড় অংশে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। সোমবার পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ–১ ও বিভাগ–২ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আজ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিভিন্ন ফিডারের আওতায় থাকা গ্রাহকরা বিদ্যুৎহীন থাকবেন।

বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ–১ এর তথ্য অনুযায়ী, আম্বরখানা ও লাক্কাতুড়া ফিডারের আওতায় থাকা আম্বরখানা মসজিদ, দত্তপাড়া, মজুমদারী, সরকারি কলোনি, পূর্ব পীরমহল্লা, হাউজিং স্টেট ফরিদাবাদ এবং আশপাশের এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না। এছাড়া লাক্কাতুড়া চা–বাগান, বাদাম বাগিচা, বড়বাজার, চৌকিদেখী, ইলাশকান্দি, উদয়ন, বনশ্রী আবাসিক এলাকাসহ সংলগ্ন এলাকাগুলোতেও একই সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে বিভাগ–২ এর অধীনে রায়নগর ফিডারে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেনারপাড়া, মজুমদারপাড়া, দর্জিপাড়া, পূর্ব মিরাবাজার ও খারপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হবে। এছাড়া নাইওরপুল ফিডারের আওতায় থাকা ওসমানী জাদুঘর, ধোপাদিঘীর উত্তরপাড়, ঝরনারপাড়, কুমারপাড়া পয়েন্ট এবং শাহী ঈদগাহ এলাকায় সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

বিউবোর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মেরামত কাজ নির্ধারিত সময়ের আগে শেষ হয়ে গেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় সচল করা হবে। তবে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় আবাসিক গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাময়িক এই অনাকাঙ্ক্ষিত অসুবিধার জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেট নগরবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।


আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ০৯:১৬:৩৪
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় কেনাকাটার জন্য বের হওয়ার আগে সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়টি মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এলাকাভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিনে মার্কেট বন্ধ থাকার নিয়ম অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বাণিজ্যিক এলাকা ও বড় শপিংমলগুলো বন্ধ থাকবে। বিশেষ করে ধানমন্ডি, নিউমার্কেট এবং কারওয়ান বাজার এলাকার ক্রেতাদের আজ বিকল্প চিন্তা করতে হবে।

আশেপাশের এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকার তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা ও লালমাটিয়া।

যেসব মার্কেট আজ বন্ধ থাকবে বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, মোতালিব প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউছিয়া, ধানমন্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অর্চার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, আনাম র‍্যাংগস প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট এবং অর্চিড প্লাজা।

সাধারণত সাপ্তাহিক এই ছুটির দিনে কেবল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বা কাঁচাবাজার খোলা থাকলেও বড় শপিংমল ও ফ্যাশন হাউসগুলো পূর্ণ দিবস বন্ধ থাকে। তবে বুধবার এসব এলাকায় অর্ধদিবস বন্ধ পালন করা হয়। তাই সময় বাঁচাতে ও বিড়ম্বনা এড়াতে তালিকার মার্কেটগুলো এড়িয়ে আজ ঢাকার অন্য খোলা থাকা এলাকায় (যেমন উত্তরা বা বনানী) কেনাকাটার পরিকল্পনা করতে পারেন।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত