শিক্ষা ও সাহিত্যের আলোকবর্তিকা নিভে গেল—চলে গেলেন অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ অক্টোবর ১০ ২৩:৪৩:৪৮
শিক্ষা ও সাহিত্যের আলোকবর্তিকা নিভে গেল—চলে গেলেন অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

বাংলাদেশের সাহিত্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতির আকাশে এক বিশাল নক্ষত্র নিভে গেল। দেশের প্রজ্ঞা ও মানবিকতার প্রতীক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম আর নেই। শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। রেখে গেছেন স্ত্রী, এক পুত্র, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য ছাত্রছাত্রী এবং অগণিত ভক্ত-গুণগ্রাহী।

তাঁর প্রয়াণের সঙ্গে যেন শেষ হলো এক প্রজ্ঞাপূর্ণ যুগ—যেখানে জ্ঞানের সঙ্গে মানবিকতার, সাহিত্যের সঙ্গে যুক্তির, শিল্পের সঙ্গে সমাজবোধের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছিল সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জীবন ও কর্মে।

৩ অক্টোবর সকালটা ছিল তাঁর জীবনের শেষ কর্মমুখর সকাল। ধানমন্ডি থেকে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব) যাচ্ছিলেন নিয়মিত ক্লাস নিতে। হঠাৎ গাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। চালক তাঁকে দ্রুত পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলামসহ তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা সেখানে ছুটে যান এবং তাঁকে ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। চিকিৎসকেরা জানান—তিনি ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক’-এর শিকার হয়েছেন। জরুরি ভিত্তিতে তাঁর হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসানো হয়।

তবে শনিবার থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অক্সিজেন লেভেল নেমে যায়, ফুসফুসে পানি জমে, অবশেষে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা, পরিবার ও শিক্ষার্থীদের অগণিত প্রার্থনা সত্ত্বেও তিনি আর ফিরে আসেননি। শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে নেমে আসে গভীর শোক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাহিত্যিক, কবি, শিল্পী, প্রকাশক, পাঠক—সবাই যেন একসঙ্গে নির্বাক হয়ে যান।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার বলেন,

“তিনি ছিলেন আধুনিক মননসম্পন্ন এক শিক্ষক, যিনি সাহিত্যের পাশাপাশি মানুষকে চিনতে শিখিয়েছেন। তাঁর কথায় ও লেখায় এক অদ্ভুত স্বচ্ছতা ও সত্যের সাহস ছিল।”

ল্যাবএইড হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ফখরুল আলম, কায়সার হক, কবি দিলারা হাফিজ, ফরিদ কবির, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, কথাসাহিত্যিক ও চিকিৎসক মোহিত কামাল, এবং আরও অনেকে। তাঁরা বললেন, “মনজুরুল ভাই ছিলেন আমাদের সাহিত্য-শিক্ষা মহলের প্রাণ। তাঁর চলে যাওয়া মানে এক শূন্যতার সূচনা।”

বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু বলেন,

“অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুর পর বেঙ্গলের বহু কাজে মনজুরুল ইসলাম নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া আমাদের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে অপরিমেয় ক্ষতি।”

শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে বারডেমের হিমঘরে নেওয়া হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে তাঁর সহকর্মী, ছাত্রছাত্রী ও ভক্তরা শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। বেলা ১১টায় মরদেহ নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে, যেখানে সর্বস্তরের মানুষ জানাবে শ্রদ্ধা। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে তাঁকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে—যেখানে ঘুমিয়ে আছেন তাঁরই মতো এই দেশের চিন্তার স্থপতিরা।

জীবনের পথ ও সাহিত্যকীর্তি

১৯৫১ সালের ১৮ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। পেশাগত জীবনের সিংহভাগ কাটিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। অবসরের পরও তিনি একাডেমিয়া ছাড়েননি—ইউল্যাব-এ যোগ দেন নতুন প্রজন্মকে সাহিত্যের আলোয় গড়ে তুলতে।

তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘জাদুবাস্তবতা’র এক নতুন ধারা প্রতিষ্ঠা করেন—যেখানে বাস্তবতার গণ্ডি পেরিয়ে মানবমনের গভীর স্তরগুলো উন্মোচিত হয় কল্পনা ও প্রতীকী বয়ানে। তাঁর ‘প্রেম ও প্রার্থনার গল্প’ বইটি ২০০৫ সালে প্রথম আলো বর্ষসেরা সৃজনশীল বইয়ের পুরস্কার পায়। ১৯৯৬ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার এবং ২০১৮ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। সাহিত্য, অনুবাদ, নন্দনতত্ত্ব ও প্রবন্ধচর্চায় তাঁর কাজ বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছে আন্তর্জাতিক পরিসরে এক নতুন পরিচিতি।

এক শিক্ষক, এক মানবিক আলোকস্তম্ভ

শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি ছিলেন শুধু শিক্ষক নন—এক প্রেরণা, এক মেন্টর, যিনি শেখাতেন চিন্তা করতে, প্রশ্ন করতে, সত্যকে ভালোবাসতে। ক্লাসরুমে তাঁর কণ্ঠে সাহিত্য মানে ছিল মানবতার পাঠ, আর জীবনের প্রতিটি ব্যাখ্যা একেকটি গল্প হয়ে ফুটে উঠত তাঁর ব্যাখ্যায়।

তিনি ছিলেন এক মানবিক বুদ্ধিজীবী—যিনি ক্ষমতার সামনে সত্য উচ্চারণে দ্বিধা করতেন না, কিন্তু কারও প্রতি ঘৃণাও পোষণ করতেন না। তাঁর জীবন ছিল এক আলোকিত যাত্রা—যেখানে সাহিত্য, শিক্ষা, সততা ও সৌন্দর্য মিশে ছিল একাকার।

বিদায় এক আলোকিত আত্মাকে

দেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি মহল আজ শূন্য হয়ে গেল। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম আমাদের ছেড়ে গেছেন, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া আলোকরেখা এখনো অনুপ্রেরণা হয়ে জ্বলে থাকবে প্রতিটি পাঠকের, প্রতিটি ছাত্রের, প্রতিটি মুক্তমনের হৃদয়ে।

তিনি ছিলেন শিক্ষক, চিন্তক, লেখক—সবচেয়ে বড় কথা, তিনি ছিলেন এক আলোকিত মানুষ।


স্থানিয় নির্বাচনের আগে ইসিতে বড় রদবদল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ২২:০৬:১৫
স্থানিয় নির্বাচনের আগে ইসিতে বড় রদবদল
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে বড় ধরণের রদবদল এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক অফিস আদেশে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ের ১১২ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। ইসির জনবল ব্যবস্থাপনা শাখার সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এই আদেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংসদ নির্বাচনের পর এটিই ইসির পক্ষ থেকে নেওয়া সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক রদবদল।

ইসির এই বদলি আদেশে কড়া নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ১ মার্চের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল ছাড়তে হবে। যদি কেউ নির্ধারিত সময়ে দায়িত্ব হস্তান্তর না করেন, তবে ১ মার্চ বিকেল থেকেই তিনি বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরাসরি অবমুক্ত বা 'স্ট্যান্ড রিলিজ' হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামনে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ বড় পরিসরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসছে। সেই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই মাঠ পর্যায়ে এই ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচনগুলোকে আরও স্বচ্ছ ও প্রভাবমুক্ত করতেই অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নতুন নতুন কর্মস্থলে পাঠানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, আজই সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ইইউ রাষ্ট্রদূত আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনেও ইসির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফলে আন্তর্জাতিক মহলের নজরদারি এবং ইসির এই অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

/আশিক


যুক্তরাজ্যের নতুন বার্তা: ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বদলে যাচ্ছে ভিসা পাওয়ার নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৯:৩১:১০
যুক্তরাজ্যের নতুন বার্তা: ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বদলে যাচ্ছে ভিসা পাওয়ার নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্য ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশিদের জন্য বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন। আগামী বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে বাংলাদেশিদের জন্য প্রচলিত স্টিকার ভিসার পরিবর্তে শুধুমাত্র ডিজিটাল বা ‘ই-ভিসা’ ইস্যু করবে দেশটি। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক জরুরি বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আধুনিক ও দ্রুততর সেবা নিশ্চিত করতেই এই ডিজিটাল রূপান্তর বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভিসা অনুমোদনের পর আবেদনকারীকে বাধ্যতামূলকভাবে একটি UKVI (UK Visas and Immigration) অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই ই-ভিসা যাচাই এবং পাসপোর্টের তথ্য পাঠানো যাবে। ব্রিটিশ হাইকমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভ্রমণের আগে এই তথ্য যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। আপনার তথ্যগুলো UKVI অ্যাকাউন্টে সঠিকভাবে হালনাগাদ হওয়ার পরই কেবল আপনি যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের অনুমতি পাবেন।

সবচেয়ে ভালো খবর হলো, এই UKVI অ্যাকাউন্ট তৈরি বা ই-ভিসা সংক্রান্ত সেবা পেতে আবেদনকারীকে আলাদা কোনো অর্থ প্রদান করতে হবে না। এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। তবে পাসপোর্টের তথ্য সঠিক না থাকলে বা অ্যাকাউন্টে কোনো ত্রুটি থাকলে ভ্রমণে জটিলতা হতে পারে। তাই ভিসা পাওয়ার পর দ্রুত অ্যাকাউন্ট খুলে তথ্য হালনাগাদ করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

/আশিক


তিস্তা পাড়ে আর হাহাকার নয়: সমন্বিত মহাপরিকল্পনার ঘোষণা ত্রাণমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৯:০৪:১৭
তিস্তা পাড়ে আর হাহাকার নয়: সমন্বিত মহাপরিকল্পনার ঘোষণা ত্রাণমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

তিস্তা পাড়ের দুই কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে বড় ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "তিস্তা নদী শাসন ও খননের কাজ এখন আর বিচ্ছিন্নভাবে নয়; বরং একটি সমন্বিত মেগা প্রকল্পের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করা হবে।" তিস্তা পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের হাহাকার মোচনে সরকার এই মহাপরিকল্পনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

সভায় মন্ত্রী রংপুর অঞ্চলের চিরচেনা ‘বাজেট বৈষম্য’ নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, ভবিষ্যতে বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে রংপুর যাতে কোনোভাবেই পিছিয়ে না থাকে বা বৈষম্যের শিকার না হয়, সেদিকে সরকার কড়া নজর রাখবে। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির পাশাপাশি এ অঞ্চলে শিল্প-কলকারখানা গড়ে তুলে রংপুরকে দেশের অন্যতম উন্নত জনপদে রূপান্তরের অঙ্গীকার করেন তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গে টেনে বলেন, "শুধু ৫ আগস্ট নয়, অতীতে যেকোনো সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে; আইনের দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত।"

এর আগে দুই দিনের সফরে উত্তরবঙ্গে এসে প্রথম দিন নিজ জেলা লালমনিরহাটে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী। দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় শেষে তিনি রংপুরের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে মন্ত্রীর এই সরাসরি আশ্বাস উত্তরাঞ্চলের মানুষের মাঝে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।

/আশিক


সব পরাশক্তিই আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৭:১৯:২০
সব পরাশক্তিই আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর গভীর আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই দাবি করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, সৌদি আরব ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করতে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। ড. খলিলুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশের নতুন বৈদেশিক নীতির মূল মন্ত্র হবে— ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। অর্থাৎ, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদাকে সবকিছুর ওপরে স্থান দেওয়া হবে।

এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন এবং ইইউ-র প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে মন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের বৈদেশিক নীতির রূপরেখা তাদের জানিয়েছি। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর ভিত্তি করেই আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় মর্যাদা বজায় রেখে একটি ‘উইন-উইন’ বা লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তোলাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, প্রধান সব শক্তিধর দেশের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপর গভীর আস্থা প্রকাশ করেছেন। ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো আলোচনার মাধ্যমে সম্মানজনকভাবে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে মার্কিন ও ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতদের সাথে এই বৈঠক নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরও সুদৃঢ় করল বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

/আশিক


ঈদে টানা ছুটির মহা-প্ল্যান! এক নজরে ছুটির ক্যালেন্ডার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৬:৩১:৫৪
ঈদে টানা ছুটির মহা-প্ল্যান! এক নজরে ছুটির ক্যালেন্ডার
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক অভাবনীয় খবর। ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী, মাত্র ১-২ দিনের ব্যক্তিগত ছুটি ম্যানেজ করতে পারলেই এবার টানা ১০ দিনের এক দীর্ঘ অবকাশ উপভোগ করতে পারবেন তারা। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ শনিবার ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের নির্ধারিত ৫ দিনের ঈদের ছুটির সাথে শবে কদর, স্বাধীনতা দিবস এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলেমিশে এমন এক বিরল সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা যায়নি।

ছুটির শুরুটা হতে পারে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের মাধ্যমে। এরপর ১৮ মার্চ (বুধবার) যদি কেউ একদিনের ছুটি নিতে পারেন, তবে ১৯ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনের ঈদের ছুটি সরাসরি তার সাথে যুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ ১৮ তারিখের এক দিনের ত্যাগে মিলবে টানা ৭ দিনের বিশাল ছুটি। এখানেই শেষ নয়! ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর ২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গল ও বুধবার) মাত্র দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি ম্যানেজ করতে পারলেই কেল্লাফতে! কারণ এর পরের দিন ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং ২৭-২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটির দিন। ফলে সামান্য বুদ্ধিতেই টানা ১০ দিন অফিসের প্যারা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

এই দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা নিয়ে সচিবালয়সহ সরকারি অফিসগুলোতে এখনই শুরু হয়েছে আনন্দঘন গুঞ্জন। অনেকেই ইতোমধ্যেই বাড়ির টিকেট এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছেন। তবে এই সুযোগ নিতে হলে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নৈমিত্তিক ছুটি আগেভাগেই নিশ্চিত করতে হবে। যারা দূর-দূরান্তে থাকেন বা পরিবার নিয়ে দীর্ঘ ভ্রমণের চিন্তা করছেন, তাদের জন্য এই ১০ দিনের ছুটি হবে বছরের সেরা উপহার।

/আশিক


৫ আগস্টের পর ঢালাও মামলা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অ্যাকশন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৬:২০:৪৩
৫ আগস্টের পর ঢালাও মামলা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অ্যাকশন
ছবি : সংগৃহীত

৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে হওয়া ঢালাও মামলায় অনেক নির্দোষ ও বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে স্বীকার করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষে তিনি এই বিষয়ে কড়া নির্দেশনা প্রদান করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, কোনো অপরাধে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও অনেক বড় ব্যবসায়ী, সাংবাদিক এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে আসামি করা হয়েছে, যা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা। এসব মামলা দ্রুত যাচাই-বাছাই করে নিরীহদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, একটি সুবিধাবাদী শ্রেণি এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে নিরীহ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে। তিনি বলেন, “আমরা সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। তাই কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন জেল-জুলুম বা মামলাবাজির শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব।” এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার জন্য আলাদা কোনো কমিটির প্রয়োজন নেই বরং পুলিশ বাহিনীর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এটি দ্রুত সম্পন্ন করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন সবার জন্য সমান। এই তালিকার মধ্যে সাংবাদিক, ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ—সবাই অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। যারা প্রকৃতপক্ষে অপরাধের সাথে জড়িত নন, তাদের আর আদালতে দৌড়ঝাঁপ বা পুলিশের হয়রানি সহ্য করতে হবে না। সরকারের এই পদক্ষেপে জনমনে স্বস্তি ফেরার পাশাপাশি দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ধামাকা: আসছে বিশেষ কার্ড

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৬:১৩:০৬
কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ধামাকা: আসছে বিশেষ কার্ড
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।/ছবি : সংগৃহীত

দেশের প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সরাসরি সরকারি সেবা ও ভর্তুকি পৌঁছে দিতে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এই দিক-নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, "কৃষকই দেশের অর্থনীতির প্রাণ। তাই মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য চিরতরে বন্ধ করে কৃষকের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।" উল্লেখ্য, নির্বাচনী ইশতেহারে কৃষকদের জন্য এই স্মার্ট কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তারেক রহমান।

সভায় জানানো হয়, এই স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরকারি প্রণোদনা ও ভর্তুকির টাকা পাবেন। এতে করে ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে ভুয়া সুবিধাভোগীদের বাদ দেওয়া সম্ভব হবে এবং কৃষি উপকরণ বিতরণে স্বচ্ছতা আসবে। প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের কারিগরি অগ্রগতির খোঁজখবর নেন এবং মাঠ পর্যায়ে এর দ্রুত বিতরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এই স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থা চালু হলে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি কৃষি বিপ্লবে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষক কার্ড চালুর ফলে সার, বীজ ও ঋণের জন্য কৃষকদের আর কারো দ্বারস্থ হতে হবে না। এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি রাষ্ট্র ও কৃষকের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হবে। সভার সিদ্ধান্তে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারা দেশে এই ডাটাবেজ সম্পন্ন করে কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বড় সুখবর! ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে বিশেষ ভাতা দিচ্ছে সরকার: পাবেন যারা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৬:০৭:১৩
বড় সুখবর! ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে বিশেষ ভাতা দিচ্ছে সরকার: পাবেন যারা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অসচ্ছল, অসুস্থ এবং দুর্ঘটনায় আহত ক্রীড়াবিদদের পাশাপাশি কৃতি ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ‘জাতীয় ক্রীড়া ভাতা’ ও ‘ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি’র ঘোষণা দিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে মন্ত্রণালয়। যারা জাতীয় পর্যায়ে দেশের সম্মান বয়ে এনেছেন কিন্তু বর্তমানে আর্থিক সংকটে আছেন বা শারীরিকভাবে অসমর্থ, তাদের ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগ্রহী ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষার্থীরা আগামী ৭ মার্চ ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজস্ব মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধনের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। ক্রীড়াবিদদের জীবনমান উন্নয়ন এবং ক্রীড়া শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এই ভাতা ও বৃত্তি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আবেদনের প্রয়োজনীয় লিংকসমূহ

জাতীয় ক্রীড়া ভাতা: sports-allowance.online.info.bd

ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি: sports-edu.online.info.bd

/আশিক


সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: নতুন দিগন্তের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১২:২৭:৫৬
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: নতুন দিগন্তের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রথমবারের মতো ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে (এএফডি) অফিস করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ৯টায় তিনি তাঁর কার্যালয়ে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগণ তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় শেষে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিয়মিত কার্যসূচির অংশ হিসেবে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীকে নতুন ‘র‌্যাঙ্ক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই ব্যাজ পরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নবনিযুক্ত এই কর্মকর্তাদের ক্যারিয়ারে এক অনন্য সম্মান হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটি সশস্ত্র বাহিনীর চেইন অব কমান্ডকে আরও সুসংহত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম (অব.), সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হন। প্রধানমন্ত্রীর এই অফিস কার্যক্রম সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মনোবল সুদৃঢ় করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: