রোজকার শেয়ারবাজার

২০ আগস্ট ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২০ ১৫:২০:৪৪
২০ আগস্ট ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশ শেয়ার

আজকের লেনদেনে (২০ আগস্ট ২০২৫) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শীর্ষ ১০ দশ লুজাররের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নিচে দুটি আলাদা সূচক—Close Price বনাম YCP এবং Open Price বনাম LTP—অনুযায়ী তথ্য তুলে ধরা হলো।

শীর্ষ ১০ দশ লুজার (Close Price & YCP ভিত্তিক):

ক্রম ট্রেডিং কোড ক্লোজিং মূল্য সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন গতকালের ক্লোজিং % পরিবর্তন
1 STANCERAM 88.2 95.9 86.2 95.3 -7.45%
2 JUTESPINN 224.2 244.7 224 240.2 -6.66%
3 EXIMBANK 4.8 5.1 4.7 5.1 -5.88%
4 MITHUNKNIT 19.3 20.3 19.2 20.5 -5.85%
5 DSHGARME 120.8 130.9 119.6 127.8 -5.47%
6 DULAMIACOT 106.4 112.9 106 112.1 -5.08%
7 BXPHARMA 123.3 133 121.8 129.7 -4.93%
8 RAHIMTEXT 185.2 196.8 182.1 194.6 -4.83%
9 CAPMBDBLMF 8 8.5 7.8 8.4 -4.76%
10 SIBL 6.3 6.8 6.2 6.6 -4.54%

শীর্ষ ১০ দশ লুজার (Open Price & LTP ভিত্তিক):

ক্রম ট্রেডিং কোড ওপেনিং মূল্য সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন শেষ লেনদেন % পরিবর্তন
1 TUNGHAI 2.9 2.9 2.5 2.6 -10.34%
2 MEGCONMILK 23 23.3 21 21.1 -8.26%
3 STANCERAM 95.3 95.9 86.2 88.2 -7.45%
4 BXPHARMA 133 133 121.8 123.3 -7.29%
5 PREMIERLEA 2.8 2.8 2.6 2.6 -7.14%
6 BDWELDING 10.8 10.8 10.1 10.1 -6.48%
7 ECABLES 137.9 137.9 128 129.1 -6.38%
8 PDL 6.5 6.5 6.1 6.1 -6.15%
9 APOLOISPAT 3.3 3.3 3.1 3.1 -6.06%
10 SIBL 6.7 6.8 6.2 6.3 -5.97%

আজকের বাজারে STANCERAM, JUTESPINN, BXPHARMA ও SIBL উভয় সূচকে (ক্লোজ প্রাইস ও ওপেন প্রাইস ভিত্তিক) উল্লেখযোগ্য পতনে রয়েছে। বিশেষভাবে TUNGHAI সর্বোচ্চ পতনের (-10.34%) শিকার হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য দিনটি ছিল চ্যালেঞ্জিং, কারণ ফার্মাসিউটিক্যাল, ব্যাংকিং এবং টেক্সটাইল খাতে বড় ধস লক্ষ্য করা গেছে।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও বাজার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

/আশিক


৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১৫:৫৪:২৫
৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে ব্যাপক ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে, যেখানে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাজারজুড়ে একধরনের শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের (rebound) চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। দিনশেষে মোট লেনদেন হওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ৩৬৭টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে মাত্র ১৫টির দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত রয়েছে, যা বাজারে ক্রেতাদের সুস্পষ্ট আধিপত্য নির্দেশ করে।

বিভিন্ন ক্যাটাগরির পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির ২০৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৯১টির দর বেড়েছে, যা ব্লু-চিপ ও শক্তিশালী মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোর ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৪টি এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে ১০২টি কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারের প্রায় সব স্তরে ইতিবাচক সাড়া প্রতিফলিত করছে।

মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। এ খাতে লেনদেন হওয়া ৩৪টির মধ্যে ৩০টির দর বেড়েছে এবং কোনো পতন হয়নি, যা দীর্ঘদিন পর বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরুদ্ধারের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

লেনদেনের পরিমাণেও বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে। দিনের মোট লেনদেন মূল্য প্রায় ৯,৯১৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। একইসঙ্গে মোট লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি এবং শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৩৪৩ মিলিয়ন ইউনিট, যা বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনও এদিন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকায়, যা পূর্ববর্তী দিনের তুলনায় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে।

ব্লক মার্কেটেও বড় আকারের লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, জিকিউ বলপেন, ফাইন ফুডস এবং লাভেলো আইসক্রিমসহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর এই ধরনের শক্তিশালী উত্থান বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা মনে করছেন, ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতা বজায় থাকলে বাজারে নতুন বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়তে পারে এবং সামগ্রিকভাবে একটি স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী ট্রেন্ড গড়ে উঠতে পারে।

-রাফসান


৮ এপ্রিল: দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১৫:২১:০০
৮ এপ্রিল: দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ দরপতনকারী কোম্পানিগুলোর তালিকায় তুলনামূলকভাবে সীমিত মাত্রার পতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে বড় ধরনের ধসের পরিবর্তে একটি স্বাভাবিক সংশোধনী প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দিনশেষে ড্যাকাডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড শীর্ষ লুজার হিসেবে অবস্থান নিয়েছে, যার শেয়ারদর প্রায় ১.২১ শতাংশ কমে ১৬.৩ টাকায় নেমে এসেছে।

এরপরের অবস্থানে থাকা টেকনোড্রাগ লিমিটেডের শেয়ারদর প্রায় ১.০৭ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩৬.৯ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড এবং অ্যাপেক্স ট্যানারি লিমিটেড যথাক্রমে প্রায় ০.৯৫ শতাংশ ও ০.৭৯ শতাংশ দর হারিয়েছে, যা ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেক্সটাইল সংশ্লিষ্ট খাতে কিছুটা বিক্রয়চাপের প্রতিফলন।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতেও মৃদু দরপতন দেখা গেছে। মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ফাইন ফুডস এবং বাটা শু কোম্পানির শেয়ারদর সামান্য কমেছে, যদিও পতনের হার তুলনামূলকভাবে সীমিত। এ ধরনের প্রবণতা সাধারণত স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার (profit booking) কারণে ঘটে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বীমা খাতের জনতা ইন্স্যুরেন্স এবং সাপোর্টালসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারেও সামান্য নিম্নগতি লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে সামগ্রিকভাবে সতর্ক বিনিয়োগ আচরণের প্রতিফলন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সীমিত পতন বাজারের জন্য নেতিবাচক নয়; বরং এটি একটি স্বাস্থ্যকর সংশোধন (healthy correction) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কারণ ধারাবাহিক উত্থানের পর কিছু শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়া স্বাভাবিক এবং এটি বাজারকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।

তারা আরও উল্লেখ করেন, বড় পতনের পরিবর্তে ক্ষুদ্র পরিসরের এই দরপতন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পুনঃপ্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যেসব কোম্পানির মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী।

-রাফসান


৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১৪:৫০:২৭
৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে। দিনশেষে শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলদেশ গ্যাস (বাংগ্যাস), যার শেয়ারদর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৪.২ টাকায় পৌঁছেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিডি ল্যাম্পস, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৯৭ শতাংশ বেড়ে ১৫৭.৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে কেবিপিপি ওয়াটার বিল, কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ এবং এবিব্যাংকের শেয়ারদর যথাক্রমে প্রায় ৯.৯৪ শতাংশ, ৯.৮১ শতাংশ এবং ৮.৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্যাংকিং খাতে এদিন উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। এবিব্যাংক ও আইএফআইসি—উভয় ব্যাংকের শেয়ারদর যথাক্রমে ৮.৯৩ শতাংশ এবং ৭.৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা খাতটিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতেও চাঙ্গাভাব লক্ষ্য করা গেছে। এক্সিম ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং প্রাইম আইসিবিএ ফান্ড উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিকল্প বিনিয়োগ মাধ্যমের প্রতি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অটোমোবাইল খাতের কোম্পানি বিডিএ অটোকারও শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, যার শেয়ারদর প্রায় ৮.৭৪ শতাংশ বেড়ে ২১৮.৯ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স খাতের পিপলস ইন্স্যুরেন্সও প্রায় ৭.১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষ তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং কার্যক্রম এবং খাতভিত্তিক বিনিয়োগ প্রবণতার পরিবর্তনের কারণে এই উত্থান দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির এই ধারা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কিনা তা নির্ভর করবে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, আয় প্রবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। তাই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

-রাফসান


ইরান যুদ্ধে বিরতির জাদুকরী প্রভাব: শেয়ারবাজারে সূচকের বিশাল উল্লম্ফন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১২:১৯:৩৮
ইরান যুদ্ধে বিরতির জাদুকরী প্রভাব: শেয়ারবাজারে সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত হওয়ার খবরে বিশ্বজুড়ে যে স্বস্তির হাওয়া বইছে, তার ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারেও। আজ বুধবার লেনদেন শুরুর প্রথম মুহূর্ত থেকেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে, যার ফলে সূচক ও লেনদেন—উভয় ক্ষেত্রেই এক শক্তিশালী উল্লম্ফন ঘটেছে।

মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৪৩ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৫২৯১ পয়েন্টে উন্নীত হয়। লেনদেন শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় সূচক প্রায় ৩ শতাংশের কাছাকাছি বেড়ে ৫ হাজার ২৯৮ পয়েন্ট অতিক্রম করে। বাজারে তালিকাভুক্ত ৩৫৫টি কোম্পানির মধ্যে ৩৪৫টিরই শেয়ারের দাম বাড়তে দেখা গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম সেরা বাজার পরিস্থিতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

লেনদেনের গতিতেও আজ এক অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। গত মঙ্গলবার প্রথম ঘণ্টায় যেখানে ১৬১ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল, আজ একই সময়ে লেনদেনের পরিমাণ ৩৯০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির খবর এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে তেহরানের সম্মতি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় স্বস্তি দিয়েছে।

এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ১৫ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলারে নেমে এসেছে। এই ইতিবাচক ঢেউ শুধু বাংলাদেশে নয়, বরং এশিয়ার অন্যান্য বাজার যেমন—জাপানের নিক্কি (৫ শতাংশ বৃদ্ধি), ভারতের সেনসেক্স (সাড়ে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি) এবং হংকংয়ের সূচকেও বড় ধরনের উত্থান ঘটিয়েছে। আপাতত বড় ধরনের যুদ্ধের অনিশ্চয়তা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আবারও শেয়ারবাজারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।

/আশিক


৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৫:১৪:৩২
৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে অধিকাংশ শেয়ার ইতিবাচক প্রবণতা প্রদর্শন করেছে। দিনের শেষে মোট ৩৯৩টি লেনদেনযোগ্য কোম্পানির মধ্যে ২৭৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে ব্যাপক আশাবাদের ইঙ্গিত দেয়। বিপরীতে দরপতন হয়েছে মাত্র ৭০টি শেয়ারের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি।

এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর মধ্যেও ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এ ক্যাটাগরিতে ১২৬টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, যেখানে পতন হয়েছে ৪৪টির। একইভাবে বি ক্যাটাগরিতে ৬৯টি কোম্পানি মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জেড ক্যাটাগরিতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ৮০টি শেয়ার বাড়ার বিপরীতে কমেছে মাত্র ১৯টি। এটি নির্দেশ করে যে দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোতেও সাময়িক ক্রয়চাপ তৈরি হয়েছে।

লেনদেনের পরিসংখ্যানও বাজারের গতি বৃদ্ধির প্রমাণ দিয়েছে। এদিন মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৫,৯৭০ কোটি টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সঙ্গে মোট লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি এবং শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ২৪ কোটিরও বেশি ইউনিট অতিক্রম করেছে।

বাজার মূলধনেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। দিনশেষে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৮২ লাখ কোটি টাকার বেশি, যা সামগ্রিকভাবে বাজারের শক্তিশালী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।

ব্লক ট্রেড সেগমেন্টেও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম দেখা গেছে। এপেক্স স্পিনিং, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে ১১০ মিলিয়ন টাকার বেশি ব্লক ট্রেড হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ প্রবণতা এবং নির্দিষ্ট খাতে আগ্রহ বৃদ্ধির কারণে এই উত্থান দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ক্ষুদ্র মূলধনের শেয়ারগুলোতে ক্রয়চাপ বেশি থাকায় বাজারে দ্রুত ইতিবাচক গতি তৈরি হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই উত্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কি না তা নির্ভর করবে কোম্পানির মৌলভিত্তি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার ওপর। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত আবেগের পরিবর্তে বিশ্লেষণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৫:১০:৩৩
শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে কিছু শেয়ারে দরপতনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে শীর্ষ লুজার তালিকায় উঠে এসেছে ব্যাংক, বিমা এবং আর্থিক খাতের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। দিনের শেষে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সবচেয়ে বেশি দর হারানো কোম্পানি হিসেবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৫.০৬ শতাংশ কমে ১৫ টাকায় নেমে এসেছে।

এরপরের অবস্থানে রয়েছে পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, যার শেয়ারদর ৩.৫১ শতাংশ কমে ১৬.৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে উত্তরা ফাইন্যান্স ৩.০৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১২.৭ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে, যা আর্থিক খাতে দুর্বল প্রবণতার প্রতিফলন।

বিমা খাতের আরেকটি কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ২.৫৬ শতাংশ কমে ৬০.৯ টাকায় নেমে এসেছে। পাশাপাশি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ ২.৫৪ শতাংশ এবং আইএফআইসি শরিয়াহভিত্তিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২.৫০ শতাংশ দর হারিয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের শেয়ারদরও ২.৪৮ শতাংশ কমে ২ হাজার ১০৯.৯ টাকায় নেমে এসেছে। বড় মূলধনী এই শেয়ারের পতন বাজারে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবেও প্রভাব ফেলেছে।

এ ছাড়া এসিএফএল, ন্যাশনাল ব্যাংক এবং ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ আরও কয়েকটি শেয়ার ২ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে শীর্ষ লুজার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বাজারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা, খাতভিত্তিক সংশোধন এবং বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি কৌশলগত অবস্থান পরিবর্তনের কারণে এই দরপতন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে চাপ বেশি থাকায় এ খাতের শেয়ারগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে সামগ্রিকভাবে বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা না যাওয়ায় এটিকে স্বাভাবিক সংশোধন হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের উচিত কোম্পানির মৌলভিত্তি ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৭ ১৪:৫৪:৪৫
শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে, যেখানে বেশ কয়েকটি কোম্পানি প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষে উঠে এসেছে লাভেলো আইসক্রিম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লাভেলো, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৯৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪.৯ টাকায় পৌঁছেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিডি অটোমোবাইলস খাতের প্রতিষ্ঠান বিডিএ অটোকার, যার শেয়ার ৯.৯৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০১.৩ টাকায়। একইভাবে এসিএমই পিএলসি প্রায় ৯.৯১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৩.৩ টাকায় অবস্থান নিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

অটোমোবাইল খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান রানার অটোও উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯.৮০ শতাংশ বেড়ে ৪০.৩ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ ৯.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬.৯ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম এবং বিডি থাই ফুড উভয় প্রতিষ্ঠানই যথাক্রমে ৮.৫৫ শতাংশ এবং ৭.৮৩ শতাংশ হারে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া লেগেসি ফুটওয়্যার ৭.২৫ শতাংশ এবং টেকনোড্রাগ ৬.২৬ শতাংশ বাড়ার মাধ্যমে শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং প্রবণতা এবং বাজারে আস্থার আংশিক পুনরুদ্ধার এই উত্থানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় এ ধরনের দ্রুত মূল্যবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।

তবে বাজার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের দ্রুত উত্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই না-ও হতে পারে। তাই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মৌলভিত্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং বাজার ঝুঁকি বিবেচনা করা জরুরি।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৫:০৫:৫৬
আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে একটি মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে টানা দরপতনের ধারার মধ্যে কিছুটা ভারসাম্য ফেরার ইঙ্গিত মিলেছে। দিনের শেষে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে ১৭২টির দর কমেছে এবং ৬৮টি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বাজারে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। ২০১টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ৮৭টি বেড়েছে এবং ৭৬টি কমেছে, যা বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে আংশিক আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দেয়।

বি ক্যাটাগরিতে ৮১টি শেয়ারের মধ্যে ২৬টি বেড়েছে এবং ৪১টি কমেছে, যা এখনও দুর্বলতার উপস্থিতি থাকলেও কিছুটা ভারসাম্য তৈরি হয়েছে বলে বোঝা যায়। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৭টি শেয়ারের মধ্যে ৩৬টি বেড়েছে এবং ৫৫টি কমেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোর ক্ষেত্রে সীমিত পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হয়েছে। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৩টির দর বেড়েছে এবং মাত্র ৬টির দর কমেছে। এটি এই খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা ফিরে আসার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় কমেছে। মোট লেনদেন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৭০৭ কোটি টাকায়, যা বাজারে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখের বেশি।

বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও বড় ধরনের উত্থান এখনো দেখা যায়নি।

ব্লক ট্রানজেকশনে কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে গ্লোবাল কিউ বলপেন, ডমিনেজ স্টিল এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এই মিশ্র প্রবণতা একটি ট্রানজিশনাল ফেজ নির্দেশ করে, যেখানে টানা পতনের পর বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে পুনরায় অবস্থান নিচ্ছেন। তবে স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিশ্চিত করতে বাজারে তারল্য বৃদ্ধি ও আস্থার পুনর্গঠন জরুরি।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১৪:৫৮:৫২
আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে কিছু শেয়ারে উত্থান দেখা গেলেও, বাজারের একটি বড় অংশে এখনও বিক্রির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) খাতের শেয়ারগুলোতে উল্লেখযোগ্য দরপতন বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আজকের শীর্ষ লুজার তালিকার শীর্ষে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৫২ শতাংশ কমে ৩.৮ টাকায় নেমে এসেছে। আর্থিক খাতের এই পতন বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা ও আস্থাহীনতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এরপরের অবস্থানগুলোতেও একই খাতের কোম্পানির আধিপত্য দেখা গেছে। ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স এবং পিপিএল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস—এই তিনটি কোম্পানির শেয়ারদর প্রায় ৮.৭ শতাংশ করে কমেছে। একই প্রবণতা দেখা গেছে জিএসপি ফাইন্যান্স এবং আইএলএফএসএল-এর ক্ষেত্রেও, যেগুলোর দরপতন ৮ শতাংশের আশেপাশে অবস্থান করছে।

এনবিএফআই খাতে ধারাবাহিক এই পতন সাধারণত তারল্য সংকট, ঋণমানের ঝুঁকি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, প্রিমিয়ার লিজিং কোম্পানির শেয়ারদরও ৮ শতাংশ কমেছে, যা আর্থিক খাতের সার্বিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

শুধু আর্থিক খাত নয়, অন্যান্য খাতেও কিছু চাপ লক্ষ্য করা গেছে। পায়োনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জাহিন টেক্সটাইলের শেয়ারদর ৪ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এটি নির্দেশ করে যে বাজারের দুর্বলতা নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সেশনগুলোতে যে আংশিক রিকভারি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যেও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোতে বিক্রির চাপ বজায় রয়েছে। বিশেষ করে আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন।

-রাফসান

পাঠকের মতামত:

৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি... বিস্তারিত