জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮ দফা রাষ্ট্রগঠনের রূপরেখা ঘোষণা

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এ ২৮ দফা রাষ্ট্রচিন্তা: অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ রূপরেখা প্রকাশঐতিহাসিক ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন। এতে বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থার কাঠামোগত সংকট তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন রাষ্ট্রচিন্তার ২৮টি দিকনির্দেশনা উপস্থাপন করা হয়।
ঘোষণাপত্রে উঠে আসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের ব্যর্থতা, রাজনৈতিক শাসনের সংকট ও কাঠামোতান্ত্রিক দুর্বলতার বিষয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য বিকল্প রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও করণীয় স্পষ্টভাবে জানানো হয়।
ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত মূল ২৮ দফা পরিকল্পনা:
১। যেহেতু উপনিবেশ বিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল;
২। যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে;
৩। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ করেছিল;
৪। যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে এবং মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়;
৫। যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ইং সনে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
৬। যেহেতু দেশী-বিদেশী চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১ -এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়;
৭। যেহেতু গত দীর্ঘ ষোল বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়;
৮। যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধ্বংস করে;
৯। যেহেতু, হাসিনা সরকারের আমলে তারই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক, ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে;
১০। যেহেতু, তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে;
১১। যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ষোল বছর যাবত নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়;
১২। যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশী রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে;
১৩। যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এদেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে;
১৪। যেহেতু, আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারী চাকুরীতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকুরী প্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়;
১৫। যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সকল বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়;
১৬। যেহেতু, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যার ফলে সারা দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়;
১৭। যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে, অগনিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে;
১৮। যেহেতু, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনরত সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সকল শ্রেণী, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়;
১৯। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবেলায় গণঅভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসঙ্গত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত;
২০। যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রীম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠন করা হয়;
২১। যেহেতু, বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়;
২২। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সকল রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;
২৩। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ষোল বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম কালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ ও সকল ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধসমূহের দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;
২৪। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গনঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
২৫। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসঙ্গত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
২৬। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ু সহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
২৭। বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।
২৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রনয়ণ করা হলো।
এই ২৮টি ঘোষণার মধ্য দিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সংকট থেকে উত্তরণের একটি বিকল্প রূপরেখা এবং গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সময় ড. ইউনূস বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতে। নতুন প্রজন্মকে এই রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রতিনিধি ও মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
/আশিক
দেশের আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা; ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার অ্যালার্ট
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৯টি জেলার ওপর দিয়ে আজ রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) সকালের মধ্যে তীব্র ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল শনিবার রাতে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, সকাল ৯টার মধ্যে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এই ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে। এই ঝোড়ো হাওয়ার কারণে নদীবন্দরগুলোতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দেশবাসীর দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ও উৎসবের আমেজে দেশবাসীকে নতুন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২১ মার্চ ২০২৬) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঈদ-পরবর্তী এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা করেন, জনগণ যে ধরনের দেশ দেখতে চায়, সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেই তাঁর সরকার নিরলস কাজ করে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন আমরা সবার প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।" একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে দল-মত নির্বিশেষে সবার ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন যে, দেশবাসীর সমর্থন থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে।
এদিন সকালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, আলেম-ওলামা এবং সামরিক-বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা নগরে তাঁর বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর তিনি গুলশানের বাসভবনে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় কাটাবেন বলে জানানো হয়েছে।
/আশিক
নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রথম ঈদ: উৎসব, ঐক্য ও প্রত্যাশার বাংলাদেশ

রাফসান খান
স্টাফ রিপোর্টার
এক মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর আজ উদ্যাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ত্যাগ, সংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষায় উজ্জ্বল এই দিনটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আনন্দ, কৃতজ্ঞতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উপলক্ষ। রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদের প্রধান জামাত, আর শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সর্বত্র বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। নতুন পোশাক, পরিবার-পরিজনের সঙ্গে মিলন এবং আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে মানুষ উদ্যাপন করছে বছরের অন্যতম বড় এই ধর্মীয় উৎসব।
তবে এবারের ঈদ এসেছে এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর এটি দেশের প্রথম ঈদুল ফিতর। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবারের ঈদকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ এক আবহ। রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ ও ইতিবাচক প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যেখানে ঈদের নামাজ পৃথকভাবে আদায় করা হয়েছিল, সেখানে রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই একসঙ্গে অংশগ্রহণকে অনেকেই ঐক্য ও স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।
ঈদ উপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী এবং বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, রমজানের সিয়াম সাধনা মানুষকে অন্যায় ও পাপাচার থেকে দূরে রেখে নৈতিক গুণাবলি অর্জনে সহায়তা করে এবং ঈদ সেই অর্জনেরই আনন্দঘন প্রকাশ। তিনি একটি শান্তিপূর্ণ, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে ঈদের শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বিত্তবানদের প্রতি দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, ঈদুল ফিতর আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে এবং রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রতিফলিত করাই এই উৎসবের মূল তাৎপর্য। তিনি সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাজধানী ঢাকায় এবার ঈদুল ফিতরে ১২১টি ঈদগাহ এবং ১৫৯৯টি মসজিদে মোট ১৭৭১টি জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে আটটায়, আর প্রতিকূল আবহাওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, পাশাপাশি সংসদ ভবন এলাকা এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে ঈদের নামাজের আয়োজন করা হয়েছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জাতীয় ঈদগাহসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে উৎসব উদ্যাপন করতে পারে।
অবশেষে গতকাল সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে এক ফালি চাঁদ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে ঘরে বেজে ওঠে সেই চিরচেনা সুর, ঈদের আগমনের আনন্দধ্বনি। কয়েক দিন ধরে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি ভুলে মানুষ ফিরে গেছে আপন ঠিকানায়, প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে।
রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত সর্বত্র উৎসবের প্রস্তুতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আতর, টুপি, সেমাই, নতুন পোশাক কেনার ভিড়, রাতভর মেহেদি আঁকার আয়োজন, বিউটি পারলারে দীর্ঘ লাইন, আর ঘরে ঘরে রান্নার প্রস্তুতি মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক রঙিন উৎসবমুখর পরিবেশ। ঈদের সকালে নামাজ শেষে কোলাকুলি, মিষ্টি বিতরণ এবং পরিবারকেন্দ্রিক আনন্দের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পাচ্ছে এই উৎসব।
সার্বিকভাবে এবারের ঈদুল ফিতর কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং একটি নতুন সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় ঐক্য, সহমর্মিতা এবং আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এটি স্মরণ করিয়ে দেয়, রমজানের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত অনুশীলনে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রকৃত অর্থে ঈদের তাৎপর্য পূর্ণতা পায়।
বিরোধী দলীয় নেতার ঈদের শুভেচ্ছা: সরকারি বাসভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (২০ মার্চ) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষা ধারণ করে একটি নৈতিক ও মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির বার্তা নিয়ে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পবিত্র রমজান আগমন করেছিল। তিনি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, এই মাসে রোজা রাখার তাওফিক লাভ করা মহান নিয়ামত। তিনি দোয়া করেন, আল্লাহ যেন এই সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানুষের গুনাহ মাফ করে দেন এবং সবাইকে তাঁর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন।
তিনি জানান, চাঁদ দেখা যাওয়ায় ইনশা-আল্লাহ পরদিন ঈদ উদযাপিত হবে এবং এই উপলক্ষে তিনি দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, রমজান শুধু ক্ষুধা ও পিপাসার কষ্টের শিক্ষা দেয় না; বরং এটি মানুষকে আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং তাকওয়ার পথে পরিচালিত করে। মানুষ এই মাসে কতটুকু কল্যাণ অর্জন করতে পেরেছে তা আল্লাহই ভালো জানেন, তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আল্লাহ যেন সবাইকে তাঁর অনুগ্রহে কবুল করেন।
জামায়াত আমির আরও বলেন, তাকওয়া মানুষের অন্তরে আল্লাহভীতি সৃষ্টি করে, যা ব্যক্তি ও সমাজকে সুশৃঙ্খল ও কল্যাণমুখী করে তোলে। যাদের অন্তরে আল্লাহভীতি নেই, তারা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অনাচার সৃষ্টি করে। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন সমাজ থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর হয় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ প্রতিষ্ঠিত হয়।
তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালনকারীদের প্রতিও আহ্বান জানান, যেন তারা আল্লাহভীতি ধারণ করে দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বলেন, আল্লাহ যেন বাংলাদেশের ওপর তাঁর রহমত নাজিল করেন এবং দেশবাসীকে রিজিক ও সম্মানের বরকত দান করেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও জানান, ঈদের দিন তিনি রাজধানীর মিন্টো রোডের বাসভবনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সকালবেলায় নিজ নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫-এ ঈদের নামাজ আদায় করবেন এবং নামাজ শেষে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন। পরে বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানরত কূটনীতিকদের সঙ্গে এবং বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের কর্মসূচি রয়েছে।
সার্বিকভাবে তার এই বার্তায় ঈদকে কেন্দ্র করে শুধু শুভেচ্ছা নয়, বরং রমজানের শিক্ষা ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহমর্মিতাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের আহ্বান স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
ইশরাত/২০২৬-৪৫৪৬
রমজানের শিক্ষা থেকে ঐক্যের ডাক: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পবিত্র মাহে রমজানের ত্যাগ, তাকওয়া ও সংযমের শিক্ষা ধারণ করে ঈদুল ফিতরের আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি জাতির উদ্দেশে এই আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন-এ প্রচারিত বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর এসেছে মুসলিম উম্মাহর জন্য ঐক্য, সংহতি, সহমর্মিতা এবং অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে। তিনি সকলকে রমজানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখার আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ঈদ কেবল উৎসবের আনন্দ নয়, বরং এটি সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঈদের আনন্দ দেশের প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি পরিবারে এবং প্রতিটি মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছে যাবে। বিশেষ করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণের পাশাপাশি বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতিও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং বলেন, এই পবিত্র উৎসব যেন শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে। তিনি সকলকে ঈদ মোবারক জানিয়ে দেশের সার্বিক কল্যাণ ও অগ্রগতির জন্য দোয়া কামনা করেন।
সামগ্রিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা কেবল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি সামাজিক ও নৈতিক আহ্বান, যেখানে রমজানের শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রয়োগের মাধ্যমে একটি সহমর্মিতাপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
ইশরাত/২০২৬-৫৪৬৩
শ্রমিকদের বেতন-বোনাস শতভাগ পরিশোধ করছে সরকার
ঈদকে সামনে রেখে দেশের শ্রমবাজারে স্বস্তির বার্তা এসেছে। সরকার নিশ্চিত করেছে যে শ্রমিকদের বেতন ও উৎসব বোনাস সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করা হয়েছে, যার ফলে অতীতের মতো কোনো শ্রমিক অসন্তোষ এবার দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শাহী ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, কেবল নিয়মিত বেতনই নয়, বরং ঈদ বোনাসও শতভাগ পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে শিল্পাঞ্চলগুলোতে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং শ্রমিকদের মধ্যে সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে সরকার প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। এই উদ্যোগের ফলে কারখানাগুলো সময়মতো শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিতে সক্ষম হয়েছে, যা অন্যান্য বছরের তুলনায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সফলতার পেছনে সরকারের সদিচ্ছা, নীতিগত অঙ্গীকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক সংকেত।
প্রবাসী শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের ভেতরের শ্রমিকদের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কল্যাণেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও সহায়তায় সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যেই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঈদের পর থেকেই এসব কারখানা চালুর কার্যক্রম শুরু হবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বিদেশগামী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। আগামী মাস থেকে এই প্রশিক্ষণ উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা যায় এবং প্রবাসে গিয়ে শ্রমিকরা কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হন।
শ্রমিকদের প্রতারণা থেকে রক্ষার বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে অনেককে শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রবাসী শ্রমিকদের পরিবারকেও সচেতন করা হচ্ছে, কারণ কিছু প্রতারক চক্র বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের জিম্মি করে তাদের স্বজনদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে।
-রাফসান
বৃষ্টির বাধায় কি ম্লান হবে ঈদের আনন্দ? আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ আপডেট
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আগামী ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করায় সারা দেশেই ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে আগামী তিন দিন দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আজ সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতে সামান্য বাড়তে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) দেশের আট বিভাগেই ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং ওই দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ওই দিনও শিলাবৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস। তবে রোববার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমতে শুরু করবে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা পুনরায় সামান্য বাড়তে পারে। মূলত সোমবারের পর থেকে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
/আশিক
২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন
বিশ্ব ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হচ্ছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা আন্তর্জাতিক চলাচলকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করে তুলছে।
ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ ব্যবস্থার অন্যতম সুবিধা হলো, ভ্রমণকারীদের কোনো ধরনের ভিসা আবেদন বা ফি প্রদানের প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্টই ভ্রমণের জন্য প্রধান এবং একমাত্র প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় করে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি নাগরিকরা বার্বাডোস, বাহামাস, ভুটান, মাইক্রোনেশিয়া, গ্রানাডা, গাম্বিয়া, হাইতি, জামাইকা, কুক আইল্যান্ডস, ডোমিনিকা, ফিজি, কিরিবাতি, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, মাদাগাস্কার, মন্টসেরাট, নিয়ু, ভার্জিন আইল্যান্ডস, রুয়ান্ডা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিনস এবং ভানুয়াতুসহ একাধিক দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবেন।
এছাড়াও কিছু দেশ বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ‘ভিসা অন অ্যারাইভাল’ সুবিধা প্রদান করে, যেখানে ভ্রমণকারীরা গন্তব্যে পৌঁছানোর পরই ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন। এই তালিকায় রয়েছে বলিভিয়া, বুরুন্ডি, কাবো ভার্দে, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, কম্বোডিয়া, কোমোরোস, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, মালদ্বীপ, নেপাল, সিশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, তিমুর-লেসতে, টুভ্যালু ও সামোয়া।
অন্যদিকে, কিছু দেশে ভ্রমণের আগে অনলাইনের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) গ্রহণ করতে হয়। কেনিয়া ও শ্রীলংকা এ ধরনের প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত, যেখানে আগাম অনুমোদন নিয়ে সহজেই ভ্রমণ করা সম্ভব।
ভ্রমণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভিসা নীতির শিথিলতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও পাসপোর্ট শক্তির একটি ইতিবাচক প্রতিফলন। একইসঙ্গে এটি পর্যটন, ব্যবসা এবং শিক্ষা বিনিময়ের সুযোগও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ভিসা ছাড়াই প্রবেশের সুযোগ থাকলেও প্রতিটি দেশের নিজস্ব প্রবেশ শর্ত, অবস্থানের সময়সীমা এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ রয়েছে, যা ভ্রমণের আগে জেনে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সামগ্রিকভাবে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণ আরও সহজ, গতিশীল এবং বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে, যা বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
-রফিক
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; শনিবারই উদযাপিত হবে ঈদ
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শুক্রবার ৩০ রোজা পূর্ণ হবে এবং আগামী শনিবার (২১ মার্চ) সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি জানান, দেশের সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, আজ বাংলাদেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার নির্ভরযোগ্য খবর পাওয়া যায়নি।
ধর্মীয় নিয়মানুযায়ী রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে শনিবার থেকে শাওয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ওই দিনই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালিত হবে। উল্লেখ্য, ১৭ সদস্যের এই জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি প্রতি আরবি মাসের ২৯ তারিখে বৈঠকে বসে চাঁদের অবস্থান নিশ্চিত করে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- হরমুজ প্রণালী না খুললে ধ্বংস হবে ইরান: ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি
- ঈদের খুশিতে বাড়তি আনন্দ; স্বর্ণের দামে বড় ধস নামাল বাজুস
- দেশের আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা; ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার অ্যালার্ট
- ইরানি কূটনীতিকদের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম: সৌদির কড়া পদক্ষেপে তোলপাড় মধ্যপ্রাচ্য
- ২২ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- রুটিন মিশনে হঠাৎ বিধ্বস্ত কাতারের সামরিক হেলিকপ্টার: নিখোঁজদের সন্ধানে হাহাকার
- কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় বাস লণ্ডভণ্ড: ৩ শিশু ও ২ নারীসহ ঝরল ১২ প্রাণ
- ইরানের দুঃসময়ে পুতিনের ঘোষণা; মস্কো থাকবে ‘নির্ভরযোগ্য অংশীদার’ হয়ে
- নাতাঞ্জে ফের মহাপ্রলয়: মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় কাঁপছে ইরানের পরমাণু কেন্দ্র
- সংসদে সমাধান না হলে রাজপথই শেষ ভরসা: গণভোট নিয়ে অনড় অবস্থানে জামায়াত
- রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর খবর: ভারতসহ এশিয়ার টার্গেট এখন ইরান
- প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দেশবাসীর দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রথম ঈদ: উৎসব, ঐক্য ও প্রত্যাশার বাংলাদেশ
- হরমুজ উত্তেজনার প্রভাব, ইরান তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্ত
- বিরোধী দলীয় নেতার ঈদের শুভেচ্ছা: সরকারি বাসভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন
- রমজানের শিক্ষা থেকে ঐক্যের ডাক: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- হরমুজের সংকট মোকাবেলায় ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনায় ট্রাম্প
- চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলের অস্ত্র কারখানায় আগুন
- তেলের দামের ধাক্কায় সংকটে ভারতীয় বিমান খাত, রুট বন্ধের সতর্কতা
- ঈদের আনন্দ ম্লান: যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম বিশ্ব
- ইসরায়েলে প্রথমবার 'নাসরুল্লাহ' মিসাইল ব্যবহার করল ইরান
- জুমাতুল বিদা: ফজিলত, দোয়া ও করণীয় জানুন
- ইসরায়েলকে বড় জরিমানা ফিফার, কারণ কী
- শ্রমিকদের বেতন-বোনাস শতভাগ পরিশোধ করছে সরকার
- ট্রাম্প ও মিত্রদের জন্য ‘অপ্রত্যাশিত চমক’ প্রস্তুত রয়েছে- ইরান
- ইরান যুদ্ধে আটকে পড়ে পালানোর পথ খুঁজছেন ট্রাম্প
- সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন দেশের যেসব জায়গায়
- ‘বিশ্বকে রক্ষা করছি’ নেতানিয়াহুর দাবি
- আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা
- ২০ মার্চ ঢাকার নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি মিলবে মাত্র ২ লাখ ২ হাজার টাকায়
- ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
- জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে আর ছাড় নয়: ইরান
- চাঁদ দেখার পর যে দোয়া পড়তেন নবী (সা.)
- কাতারের জ্বালানি কমপ্লেক্সে হামলা ইরানের সামরিক সক্ষমতার সীমিত অংশ
- ইরানের হামলায় ইসরাইলের তেল শোধনাগারে আগুন
- ‘আমি বেঁচে আছি’- গুজব ভেঙে সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু
- ইরান মিশনের পর জরুরি অবতরণ মার্কিন F-35, F-35 ক্ষতিগ্রস্ত?
- গ্যাস শক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে ইরানের আঘাত: বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তার নতুন ঢেউ
- ‘কোরআনের ভুল খুঁজতে গিয়ে নিজেই বদলে গেলাম’
- যুদ্ধের মাঝেই হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের মাস্টারপ্ল্যান
- যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত নেই: পেন্টাগনের ব্রিফিংয়ে ইরান ধ্বংসের নতুন নীল নকশা
- মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে ড্রোন হানা: ওয়াশিংটনের সামরিক ঘাঁটিতে আতঙ্ক
- বৃষ্টির বাধায় কি ম্লান হবে ঈদের আনন্দ? আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ আপডেট
- ২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন
- এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছে দুই নতুন সংগঠন
- কুমিল্লা শেষ সময়ে জমজমাট আতর-টুপির বাজার
- ক্যাম্পাসের ব্যস্ততা পেরিয়ে ঈদের ছুটিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার আনন্দ
- ‘আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে’: ইরানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী
- ইরান হামলার নিন্দা, আমিরাতের পাশে মিশর
- সৌদিতে আজ কি দেখা যাবে ঈদের চাঁদ? সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
- বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
- ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!
- ঈদুল ফিতর ২০২৬: প্রধান জামাতের সময় ও জাতীয় ঈদগাহের সুযোগ-সুবিধা জেনে নিন
- কালিগঞ্জের পল্লীতে ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
- আজ ডিএসইর সেরা ১০ গেইনার কোনগুলো
- ১৪৪৭ হিজরির রমজান কি ২৯ দিনে শেষ হবে? সৌদি সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
- ১৬ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
- শেয়ারবাজারে দরপতনে এগিয়ে যেসব শেয়ার
- ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে পাবেন, জানুন বিস্তারিত
- ক্যাম্পাসের ব্যস্ততা পেরিয়ে ঈদের ছুটিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার আনন্দ
- ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক
- ২৬ রমজান: আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ
- স্বর্ণের দামে আরও এক দফা ধস: গত চার দিনে কত কমল ভরিতে?








