শেয়ার বাজার

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ক্যাশ ফ্লো বিশ্লেষণ:উত্থানে ১২ কোম্পানি, হঠাৎ ধসে ৯টি

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুন ২৮ ১৭:৩২:৩৮
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ক্যাশ ফ্লো বিশ্লেষণ:উত্থানে ১২ কোম্পানি, হঠাৎ ধসে ৯টি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩টি কোম্পানির মধ্যে ২১টি প্রতিষ্ঠান চলতি ২০২৫ অর্থবছরের মার্চ প্রান্তিক (জুলাই ২০২৪–মার্চ ২০২৫) পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ বা ক্যাশ ফ্লো সংক্রান্ত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ১২টি কোম্পানি ক্যাশ ফ্লোতে শক্তিশালী উত্থান দেখিয়েছে, অন্যদিকে ৯টি কোম্পানির নগদ প্রবাহে হঠাৎ পতন দেখা গেছে।

এই উভয়মুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের জন্য একদিকে যেমন সতর্ক সংকেত, অন্যদিকে কিছু কোম্পানির প্রতি আস্থা বৃদ্ধিরও ইঙ্গিত দিচ্ছে।

শক্তিশালী ফিরেছে ১২টি কোম্পানি

ডিএসই সূত্র অনুযায়ী, নিচের ১২টি কোম্পানি উল্লেখযোগ্য হারে তাদের ক্যাশ ফ্লো বাড়াতে সক্ষম হয়েছে:

কোম্পানিআগের বছরের ক্যাশ ফ্লো (Tk)চলতি বছরের ক্যাশ ফ্লো (Tk)পরিবর্তন (Tk)
মেঘনা পেট্রোলিয়াম -14.35 149.31 +163.66
ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস 0.71 57.68 +56.97
যমুনা অয়েল 16.66 88.26 +71.60
ইউনাইটেড পাওয়ার 7.65 15.17 +7.52
পাওয়ার গ্রিড 9.84 15.47 +5.63
তিতাস গ্যাস 3.31 14.02 +10.71
ডেসকো 1.99 8.98 +6.99
সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল 2.18 7.69 +5.51
সামিট পাওয়ার 7.05 7.23 +0.18
বারাকা পাওয়ার 0.67 4.37 +3.70
লুবরেফ বিডি 1.52 2.32 +0.80
লিন্ডে বিডি 3.22 3.80 +0.58

বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যার আগের বছর শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল নেতিবাচক ১৪.৩৫ টাকা, সেটি এ বছর দাঁড়িয়েছে ১৪৯.৩১ টাকায়। এটি খাতটির মধ্যে সর্বোচ্চ ও অন্যতম নজিরবিহীন ঘুরে দাঁড়ানোর দৃষ্টান্ত। ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, যমুনা অয়েল ও ইউনাইটেড পাওয়ারের চমৎকার পারফরম্যান্সও বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

ধস নামল ৯টি কোম্পানিতেঅন্যদিকে, ৯টি কোম্পানি চলতি প্রান্তিকে আগের তুলনায় নগদ প্রবাহে লক্ষণীয় হারে হ্রাস দেখিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থানে রয়েছে পদ্মা অয়েল, যার শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো এ বছর হয়েছে -২৭.২১ টাকা, যেখানে আগের বছর ছিল +৩.০৮ টাকা।

কোম্পানিআগের বছরের ক্যাশ ফ্লো (Tk)চলতি বছরের ক্যাশ ফ্লো (Tk)পরিবর্তন (Tk)
পদ্মা অয়েল 3.08 -27.21 -30.29
বারাকা পতেঙ্গা -1.78 -5.48 -3.70
ডরিন পাওয়ার 24.97 11.28 -13.69
শাহজীবাজার পাওয়ার 9.32 1.99 -7.33
এমজেএল বিডি 8.04 0.29 -7.75
খুলনা পাওয়ার 3.21 0.81 -2.40
এনার্জিপ্যাক 1.89 0.09 -1.80
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং 1.44 0.51 -0.93
জিবিবি পাওয়ার 3.08 0.14 -2.94

ডরিন পাওয়ার ও শাহজীবাজার পাওয়ারের মতো শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির নগদ প্রবাহে এই ধরনের পতন বাজারকে অস্থির করে তুলতে পারে। বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের আগেও ক্যাশ ফ্লো নেতিবাচক ছিল, এবার তা আরও নিচে নেমেছে, যা কোম্পানিটির ঋণ পরিস্থিতি ও চলতি খরচের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

বিশ্লেষণ

সবচেয়ে আলোচিত ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ক্ষেত্রে। কোম্পানিটি যেখানে গত অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো দেখিয়েছিল নেতিবাচক ১৪.৩৫ টাকা, সেখানে এই বছর তা দাঁড়িয়েছে ১৪৯.৩১ টাকায়। এটি বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে ক্যাশ ফ্লোর ঘুরে দাঁড়ানোর এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একইভাবে, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, যমুনা অয়েল, ইউনাইটেড পাওয়ার, তিতাস গ্যাস, ডেসকো, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল ও সামিট পাওয়ার তাদের আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে নগদ প্রবাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। এই বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে চাহিদা বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন এবং রাজস্ব সংগ্রহে গতিশীলতা।

অপরদিকে, ডরিন পাওয়ার, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, শাহজীবাজার পাওয়ার, এমজেএল বিডি, পদ্মা অয়েল, এনার্জিপ্যাক এবং খুলনা পাওয়ারের মতো খ্যাতিমান কোম্পানিগুলো এই প্রান্তিকে ক্যাশ ফ্লোতে হঠাৎ ধসের মুখে পড়েছে। সবচেয়ে হতাশাজনক তথ্য উঠে এসেছে পদ্মা অয়েলের ক্ষেত্রে, যেখানে আগের বছর শেয়ারপ্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩.০৮ টাকা, এবার তা নেমে এসেছে মাইনাস ২৭.২১ টাকায়। বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের নগদ প্রবাহ আগেও নেতিবাচক ছিল, এবার তা আরও খারাপ হয়েছে। এই পতনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন উচ্চ সুদে নেওয়া ঋণের চাপ, অপারেশনাল ব্যয়ের বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আদায়ে ধীরগতি।

এই বিপরীতমুখী চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দেয়, খাতভিত্তিক ধারণার চেয়ে কোম্পানিভিত্তিক বিশ্লেষণ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদিও সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তথাপি প্রতিটি কোম্পানির অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা, আর্থিক পরিকল্পনা এবং ব্যবসার কাঠামো ক্যাশ ফ্লোর ধারাবাহিকতা নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখে।

এই প্রান্তিক চিত্রে একটি দিক স্পষ্ট—বাংলাদেশের শক্তি খাতে পুনঃসংগঠনের সময় এসেছে। দক্ষ পরিচালনা ও টেকসই আর্থিক কৌশলের মাধ্যমে যেসব কোম্পানি নিজেদের পুনর্গঠন করতে পারবে, তারাই ভবিষ্যতের বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করবে। অন্যদিকে, যারা পুরনো ধারায় ব্যবস্থাপনা চালিয়ে যাবে, তাদের জন্য সামনে অস্থিরতা ও আর্থিক সংকট অনিবার্য।

সার্বিকভাবে, মার্চ ২০২৫ প্রান্তিকের এই ক্যাশ ফ্লো চিত্র বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্তই এখন সবচেয়ে জরুরি। সময় এসেছে মৌলিক বিশ্লেষণের, এবং এমন কোম্পানিতে বিনিয়োগের, যারা নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করতে পেরেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর ওপর আরও নিবিড় নজর দেওয়া এবং কার্যকর নীতিমালা গ্রহণও জরুরি হয়ে উঠেছে, যাতে সামগ্রিকভাবে এই খাতটি অর্থনীতির ভিত মজবুত করতে পারে।


৮ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১৪:৪১:৫৯
৮ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। দিনজুড়ে অধিকাংশ খাতে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকায় দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে ১৯২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। বিপরীতে মূল্য বেড়েছে ১৪৫টির, আর অপরিবর্তিত ছিল ৫৬টির দর।

দিনের লেনদেনে মোট ৩৯৩টি সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়। এর মধ্যে দরপতনের সংখ্যা দরবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকায় বাজারজুড়ে সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

সবচেয়ে বেশি চাপ দেখা যায় এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে। এ শ্রেণির ১৯৭টি কোম্পানির মধ্যে ১০৯টির দর কমেছে, বেড়েছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির। তুলনামূলকভাবে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতেও বিক্রির চাপ বাজারের সামগ্রিক দুর্বল মনোভাবের ইঙ্গিত দিয়েছে।

বি ক্যাটাগরিতেও নেতিবাচক প্রবণতা ছিল। মোট ৭৪টি কোম্পানির মধ্যে ৪১টির শেয়ারদর কমেছে, ৩০টির বেড়েছে এবং ৩টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরির ১২২টি কোম্পানির মধ্যে ৪৫টির দর বেড়েছে, ৪২টির কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এই শ্রেণিতে ক্রয় ও বিক্রির চাপ তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ থাকলেও বাজারের সামগ্রিক চিত্র ইতিবাচক হয়নি।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১২টির ইউনিটদর কমেছে, ১১টির বেড়েছে এবং ১১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজেও সীমিত লেনদেনের মধ্যে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়।

দিন শেষে মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫৬৯টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ কোটি ৩৬ লাখ ৭৫ হাজার ৮৩৬টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়। আর্থিক মূল্যমানের হিসেবে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৬ কোটি ১১ লাখ ৭১ হাজার ৭৫৩ টাকা, যা আগের কয়েকটি কার্যদিবসের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম।

লেনদেন কমার পাশাপাশি বাজারমূলধনেও পতন হয়েছে। দিন শেষে ইক্যুইটি বাজারের মোট বাজারমূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড এবং ঋণপত্রসহ ডিএসইর মোট বাজারমূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা।

এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য কিছু লেনদেন হয়েছে। মোট ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার ব্লক মার্কেটে হাতবদল হয়েছে। ব্লক মার্কেটে মোট ১০৬টি পৃথক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ২৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা সম্পন্ন হয়।

ব্লক মার্কেটে মূল্যমানের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস, সিপিএলসি (SIPLC), অ্যাপেক্স স্পিনিং, ডোমিনেজ, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংক এশিয়া এবং মালেক স্পিনিং-এর শেয়ারে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিন বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ মুনাফা তুলে নেওয়া এবং ঝুঁকি কমানোর কৌশল গ্রহণ করায় বিক্রির চাপ বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে নতুন অর্থপ্রবাহও সীমিত ছিল। তারা মনে করেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির ইতিবাচক আর্থিক প্রতিবেদন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের সক্রিয়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্বল্পমেয়াদি মূল্য ওঠানামা দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, আয়, নগদ প্রবাহ, লভ্যাংশ নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগ করাই হবে বিচক্ষণ কৌশল।

-রাফসান


৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১৪:৩৬:৪৮
৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে ইনটেক লিমিটেড (INTECH)। দিনের লেনদেনে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ কমে ৩১ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে আসে, যা এদিনের সর্বোচ্চ মূল্যহ্রাস।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দিনজুড়ে শেয়ারটিতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। ফলে আগের কার্যদিবসের ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে নতুন সমাপনী দর নির্ধারিত হয়। লেনদেনের পুরো সময়জুড়ে শেয়ারটির সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর একই পর্যায়ে থাকায় শক্তিশালী বিক্রির প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

দরপতনের তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (FAREASTFIN) এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস (PLFSL)। প্রতিষ্ঠান দুটির শেয়ারদরই ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ করে কমেছে। ফাইন্যান্স খাতের এসব শেয়ারে বিক্রির চাপ বাজারের সামগ্রিক দুর্বল মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে অ্যাটলাস বাংলাদেশ (ATLASBANG)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে ৮১ টাকা ১০ পয়সায় নেমে এসেছে।

বস্ত্র খাতের ফ্যামিলিটেক্স (FAMILYTEX)-এর শেয়ারও দরপতনের তালিকায় স্থান পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৪ শতাংশ কমে ২ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়।

এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ICB 3rd NRB Mutual Fund (ICB3RDNRB) ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ দর হারিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

পর্যটন ও হোটেল খাতের সোনারগাঁও হোটেল (SONARGAON), কেবল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেবলস (ECABLES) এবং ভোক্তা পণ্য প্রস্তুতকারী সিঙ্গার বাংলাদেশ (SINGERBD)-এর শেয়ারও এদিন বিক্রির চাপে উল্লেখযোগ্য দর হারিয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের EBL NRB Mutual Fund (EBLNRBMF)-ও শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

-রাফসান


৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৮ ১৪:২৯:৫০
৮ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৮ জুলাই) লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড (SEAPEARL)। দিনের লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেড়ে ৪৪ টাকায় পৌঁছায়, যা এদিনের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের এ কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতাদের শক্তিশালী আগ্রহ এবং ধারাবাহিক কেনার চাপ মূল্যবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৪৪ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৩৯ দশমিক ৬০ টাকা।

দরবৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে প্রযুক্তি খাতের জেনেক্স ইনফোসিস (GENEXIL)। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.৮৯ শতাংশ বেড়ে ৪০ টাকায় লেনদেন শেষ হয়। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অব্যাহত থাকায় জেনেক্সের শেয়ারেও শক্তিশালী ক্রয়চাপ দেখা যায়।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ (SHARPIND)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৫ টাকা ৮০ পয়সায় পৌঁছেছে। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির মূল্য ২৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

বস্ত্র খাতের এমএল ডাইং (MLDYEING)-এর শেয়ারও উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯.২৪ শতাংশ বেড়ে ১৩ টাকায় বন্ধ হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দরবৃদ্ধির তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে কেবিপি পাকিস্তান ওয়েলথ বিল্ডার ইসলামিক ফান্ড (KBPPWBIL)। ফান্ডটির ইউনিটদর ৯.১৬ শতাংশ বেড়ে ৪১ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতের এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড (AIBL1STIMF) ৮.৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে।

পর্যটন খাতের আরেক আলোচিত কোম্পানি ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস (UNIQUEHRL)-এর শেয়ারও ইতিবাচক ধারা ধরে রেখেছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭.২২ শতাংশ বেড়ে ৪৯ টাকায় লেনদেন শেষ হয়।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের CAPMIBBL Mutual Fund, খাদ্য খাতের Apex Foods এবং উৎপাদন খাতের FEKDIL-ও শীর্ষ গেইনার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর যথাক্রমে ৬.৬১ শতাংশ, ৬.৪৫ শতাংশ এবং ৬.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

-রাফসান


৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১৭:০৫:৫৪
৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় প্রাধান্য পেয়েছে আর্থিক ও লিজিং খাতের কোম্পানিগুলো। দিনের লেনদেন শেষে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়ে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল) শীর্ষ লুজারের অবস্থানে উঠে এসেছে। একইসঙ্গে ফিনিক্স ফাইন্যান্সসহ বেশ কয়েকটি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য বিক্রির চাপ দেখা গেছে।

ডিএসইর বাজার তথ্য অনুযায়ী, আইএলএফএসএলের শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে দিনের সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নেয়। একই হারে মূল্য হারিয়ে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডও যৌথভাবে শীর্ষ লুজারের অবস্থানে রয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর এদিন ৩০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে।

দরপতনের তালিকায় পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড (পিএলএফএসএল)। দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারই ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ে।

অন্যদিকে, মাইডাস ফাইন্যান্স লিমিটেড এদিন ৪০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ দর হারিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে অবস্থান করে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আর্থিক খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রির চাপ বৃদ্ধির কারণেই এদিন খাতভিত্তিক দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে।

ডিএসইর শীর্ষ দশ লুজার তালিকায় আরও রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং, যার শেয়ারদর ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জেনেক্স ইনফোসিস ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। একই সঙ্গে জেনারেশন নেক্সট এবং তুং হাই নিটিং উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। তালিকার দশম স্থানে থাকা এম.এল. ডাইং এদিন ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ দর হারিয়েছে।

-রাফসান


৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৭ ১৭:০০:৩৮
৭ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেন শেষে দর বৃদ্ধির তালিকায় আধিপত্য দেখিয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড ও নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ার। দিনশেষে এমবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি নিয়ে গেইনার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ফান্ড ও কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় এদিন বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

ডিএসইর লেনদেন তথ্য অনুযায়ী, এমবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটদর ৪০ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে দিনের সর্বোচ্চ গেইনারের অবস্থান দখল করে। সর্বোচ্চ অনুমোদিত দৈনিক মূল্যসীমায় পৌঁছে ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের বিশেষ নজর কাড়ে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তসরিফা নিটওয়ার্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর ২ টাকা ১০ পয়সা, অর্থাৎ ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দিনের অন্যতম আলোচিত শেয়ারে পরিণত হয়। তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায়।

গেইনার তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। এদিন ফান্ডটির ইউনিটদর ৩০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের ইঙ্গিত বহন করছে।

ডিএসইর শীর্ষ দশ গেইনার তালিকায় আরও জায়গা করে নিয়েছে জিল বাংলা সুগার মিলস, যার শেয়ারদর ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে, এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-ওয়ান ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং গ্রীন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষ দশের তালিকা সম্পূর্ণ করেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মঙ্গলবারের লেনদেনে মিউচুয়াল ফান্ডের শক্তিশালী উপস্থিতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন। পাশাপাশি নির্বাচিত ব্যাংক, বস্ত্র ও শিল্প খাতের কিছু শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ক্রয়চাপ দেখা গেছে, যা বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।

-রাফসান


৬ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৬ ১৪:৩১:৫৯
৬ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মিশ্র প্রবণতার মধ্যেও ইতিবাচক আবহ লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধি হওয়া কোম্পানির সংখ্যা দরপতনের তুলনায় বেশি ছিল। একই সঙ্গে বাজারমূলধনও বেড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ডিএসইর প্রকাশিত বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৬টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৫৫টির দর কমেছে এবং ৭১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। ফলে সামগ্রিক বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বিক্রেতাদের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা গেছে।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৩টির দর বেড়েছে, ৮৫টির কমেছে এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩০টির দর বৃদ্ধি, ৩৫টির দরপতন এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে তুলনামূলক ভালো প্রবণতা দেখা গেছে। এ শ্রেণির ১২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩৫টির কমেছে এবং ৩২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৭টির ইউনিটদর বেড়েছে, মাত্র ৩টির কমেছে এবং ১৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডের ক্ষেত্রে ৪টির মধ্যে ২টির দাম বেড়েছে এবং ২টির কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজে (জি-সেক) লেনদেন হওয়া একমাত্র ইস্যুটির দর কমেছে।

দিন শেষে মোট ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৩০টি ট্রেডে প্রায় ৪৪ কোটি ৮৩ লাখ ১৯ হাজার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। এসব লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৬ কোটি ৫৭ লাখ ৩৭ হাজার ৬০২ টাকা ৭০ পয়সা, যা বাজারে উল্লেখযোগ্য তারল্যের উপস্থিতি নির্দেশ করে।

এদিন ডিএসইর মোট বাজারমূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ১ হাজার ৮৩২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ইকুইটি বাজারের মূলধন প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারমূলধন প্রায় ২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা এবং ঋণপত্রের বাজারমূলধন ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪০৬ কোটি টাকার বেশি।

ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ৪২টি কোম্পানির শেয়ারে ১১৭টি ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়। এতে প্রায় ৬৯ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৪৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের লেনদেন হয়েছে MALEKSPIN-এ, যেখানে প্রায় ৭৭.২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ENVOYTEX, যার লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৭৪.০৭ কোটি টাকা। এছাড়া MEGHNAPET (৪৩.২১ কোটি টাকা), ASIATICLAB (৪২.২৯ কোটি টাকা), FINEFOODS (২৭.৫৯ কোটি টাকা), MARICO (২৭.৩০ কোটি টাকা), DOMINAGE (২৭.৯৭ কোটি টাকা) এবং DAFODILCOM-এর মতো কোম্পানিগুলোও ব্লক মার্কেটে বড় অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দরবৃদ্ধি হওয়া কোম্পানির সংখ্যা বেশি থাকলেও সামগ্রিক বাজার এখনও মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। তাদের ভাষ্য, বাজারে আস্থা আরও শক্তিশালী করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ, ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে অর্থপ্রবাহ এবং স্থিতিশীল নীতিগত পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেনও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

-রাফসান


৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৬ ১৪:৩০:৩৮
৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নির্বাচিত কিছু শেয়ারে উল্লেখযোগ্য বিক্রির চাপ দেখা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ২টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, দরপতনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে BIFC। একই সঙ্গে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের একাধিক কোম্পানি এবং কিছু উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য হারে মূল্য হারিয়েছে।

দিনের সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে BIFC-এর শেয়ারে। আগের কার্যদিবসের ৪.৭০ টাকা থেকে নেমে শেয়ারটির সমাপনী মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪.৩০ টাকা, যা ৮.৫১ শতাংশ পতনের সমান।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে PREMIERLEA। কোম্পানিটির শেয়ারদর ২.৬০ টাকা থেকে কমে ২.৪০ টাকায় নেমেছে। ফলে শেয়ারটির মূল্য ৭.৬৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে GSPFINANCE-এর শেয়ারে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ৪.০০ টাকা থেকে কমে ৩.৭০ টাকায় নেমে এসেছে, যা ৭.৫০ শতাংশ মূল্যহ্রাস নির্দেশ করছে।

একই দিনে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের আরও দুটি কোম্পানি FAREASTFIN এবং ILFSL-এর শেয়ারেও সমান ৭.১৪ শতাংশ করে পতন হয়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর ১.৪০ টাকা থেকে ১.৩০ টাকায় নেমে আসে।

FIRSTFIN-এর শেয়ারদর ৪.৫০ টাকা থেকে কমে ৪.২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ার ৬.৬৭ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে।

খাদ্য খাতের RAHIMAFOOD-ও দিনের লুজার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ার ৯১.৩০ টাকা থেকে কমে ৮৫.৭০ টাকায় নেমেছে, যা ৬.১৩ শতাংশ দরপতনের সমান।

অন্যদিকে PRIMEFIN-এর শেয়ারদর ৫.৫৬ শতাংশ কমে ৩.৪০ টাকায় নেমেছে। একই সঙ্গে NFML-এর শেয়ার ৫.০৯ শতাংশ এবং দেশের বহুল আলোচিত শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠান BEXIMCO-এর শেয়ার ৩.৭২ শতাংশ দর হারিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দরপতনের তালিকায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের একাধিক কোম্পানির উপস্থিতি বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। পাশাপাশি কিছু শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাও বাজারে বিক্রির চাপ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

-রাফসান


৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৬ ১৪:২৮:৫৬
৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশ কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ২টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে DSSL দিনের সর্বোচ্চ গেইনার হিসেবে উঠে এসেছে। পাশাপাশি SEAPEARL, ASIATICLAB, SUMITPOWER এবং GPH ISPAT-সহ একাধিক কোম্পানির শেয়ারেও শক্তিশালী মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে DSSL। কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের ১২.২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩.৪০ টাকায় পৌঁছেছে। এতে শেয়ারটির মূল্য ৯.৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দিনের সর্বোচ্চ উত্থান।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে SEAPEARL। পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতের এই কোম্পানির শেয়ারদর ৩৭.৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০.৯০ টাকায় ওঠে, ফলে বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৯.৬৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করেন।

তৃতীয় স্থানে থাকা PF1STMF মিউচুয়াল ফান্ডটির ইউনিটদর ৯.৬০ টাকা থেকে ১০.৩০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এতে ইউনিটটির মূল্য ৭.২৯ শতাংশ বেড়েছে।

ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের ASIATICLAB-এর শেয়ারও শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৩০.৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৯.৭০ টাকায় পৌঁছেছে, যা ৭.০৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান।

বীমা খাতের CONTININS-এর শেয়ার ৬.৬৯ শতাংশ বেড়ে ৩৬.৭০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। একই সময়ে বিদ্যুৎ খাতের SUMITPOWER-এর শেয়ারদর ১৬.২০ টাকা থেকে ১৭.২০ টাকায় উঠে ৬.১৭ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে।

ইস্পাত খাতের GPH ISPAT-এর শেয়ারও ক্রেতাদের আগ্রহে ৬.০৪ শতাংশ বেড়ে ১৯.৩০ টাকায় পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অবকাঠামো ও শিল্প খাতসংক্রান্ত প্রত্যাশা ইস্পাত কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। EXIM1STMF-এর ইউনিটদর ৫.৮৮ শতাংশ, CAPMIBBLMF-এর ইউনিটদর ৫.৪১ শতাংশ এবং CAPITECGBF-এর ইউনিটদর ৫.৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, শুধুমাত্র সাধারণ শেয়ার নয়, ফান্ডভিত্তিক বিনিয়োগেও আগ্রহ বাড়ছে।

-রাফসান


৫ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ০৫ ১৬:৪০:০২
৫ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
ছবি : সংগৃহীত

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ এবং বাজার মূলধন দুই ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী ধারা লক্ষ্য করা গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ডিএসইর সর্বশেষ বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট ৩৮৯টি সিকিউরিটিজে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৭৭টির দাম বেড়েছে, ১৫৩টির দর কমেছে এবং ৫৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ দরবৃদ্ধিকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দরপতনকারী প্রতিষ্ঠানের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।

লেনদেন ১,৫৩০ কোটি টাকার বেশি

দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮৭টি লেনদেন (ট্রেড) সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোট ৪৫ কোটি ৯৯ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। আর্থিক মূল্যে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩০ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার ৯৮৭ টাকা, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় শক্তিশালী লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাজার মূলধনেও ইতিবাচক অগ্রগতি

লেনদেন শেষে ডিএসইতে ইক্যুইটি বাজারের মোট বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪০৯ কোটি ৭৮ লাখ ৬২ হাজার ৫০২ টাকা। মিউচুয়াল ফান্ড এবং ঋণপত্র (ডেট সিকিউরিটিজ) মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৬৭৪ কোটি ৬০ লাখ ২৩ হাজার ২৬৩ টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজার মূলধনের এই বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।

বিভিন্ন ক্যাটাগরির চিত্র

এ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত ১৯৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯২টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৭৫টির কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

বি ক্যাটাগরিতে ৭৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪২টির দর বেড়েছে, ২৮টির কমেছে এবং ৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

জেড ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত ১২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৩টির দর বেড়েছে, ৫০টির কমেছে এবং ২৭টির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

অন্যদিকে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টির মধ্যে ১১টির ইউনিটদর বেড়েছে, ৭টির কমেছে এবং ১৬টির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ব্লক মার্কেটে জমজমাট লেনদেন

দিনের ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ৫৩টি কোম্পানির শেয়ারে ৪৮৪ কোটি ১৭ লাখ টাকার ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে।

ব্লক মার্কেটে মূল্যমানের দিক থেকে সবচেয়ে বড় লেনদেন হয়েছে এনভয় টেক্সটাইল (ENVOYTEX)-এর শেয়ারে। কোম্পানিটির প্রায় ৭৩.৮৯ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

এরপর রয়েছে ফাইন ফুডস (FINEFOODS), যার ব্লক লেনদেনের পরিমাণ ৭০.৬৬ কোটি টাকা। এছাড়া ডমিনেজ স্টিল, এপেক্স স্পিনিং, জি-কিউ বলপেন, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, আইপিডিসি, আইটিসি এবং এনসিসি ব্যাংক-এর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে।

কী বলছেন বাজার বিশ্লেষকরা?

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সপ্তাহের শুরুতেই অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধি এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি বাজারে ক্রয়চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে ব্যাংক, উৎপাদন, ওষুধ, প্রকৌশল এবং বস্ত্র খাতের কিছু মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে দেখা গেছে।

তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, এক দিনের ইতিবাচক লেনদেনকে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, আয়, লভ্যাংশ, মূল্য-আয় (P/E) অনুপাত, করপোরেট ঘোষণা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, লেনদেনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়লে দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা আরও শক্তিশালী হতে পারে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: