স্বপ্নের ব্যানারে ‘মোনাফেকদের দখল’: উমামা ফাতেমার বিদায়ের নেপথ্য কাহিনি

জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী অন্যতম জনচিত মুখ, উমামা ফাতেমা, আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে নিজের ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি যে দীর্ঘ স্ট্যাটাস প্রকাশ করেছেন, তাতে যেমন রয়েছে রাজনৈতিকভাবে গঠিত একটি ছাত্র প্ল্যাটফর্মের অন্দরমহলের কালো চিত্র, তেমনই রয়েছে একজন তরুণ নারীনেত্রীর হৃদয়বিদারক আত্মকথন।
এটি কেবল কোনো ব্যক্তিগত পদত্যাগপত্র নয়, বরং একটি প্রজন্মের আন্দোলনের ভেঙে পড়া স্বপ্ন, আস্থার সংকট ও বিপন্ন ভবিষ্যতের প্রকাশ্য জবানবন্দি।
‘জুলাই-আন্দোলনের অসমাপ্ত দায়িত্ব থেকেই যাত্রা, কিন্তু স্বাধীনতা ছিল না’
উমামা ফাতেমা স্পষ্টভাবে জানান, তিনি এনসিপি গঠনের পর ‘জুলাই অভ্যুত্থানের অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে যুক্ত হন। কিন্তু প্ল্যাটফর্মটিকে স্বাধীনভাবে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করতেই শুরু হয় চাপ, ষড়যন্ত্র ও হেনস্তা।
তার ভাষায়:“দলীয় লেজুড় ও প্রেসক্রিপশনের বাইরে এই ব্যানারটি স্বাধীনভাবে কাজ করলে অনেকের রাজনৈতিক ভবিষ্যত হুমকির মুখে পড়ত। তাই আমার উপর অনলাইন, অফলাইনে ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করা হয় যাতে আমি কাজ না করি।”
‘সহযোদ্ধা’দের মুখোশ খুলে গেল: ভেতরে ছিল দম্ভ, বাইরে কৃত্রিম সৌজন্য
স্ট্যাটাসে উমামা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে লেখেন, “মানুষ বাইরে যত ভালো সাজার চেষ্টা করুক, ভিতর থেকে কতটা ছোটলোক হতে পারে আমি হাড়ে হাড়ে টের পাই ঐ সময়গুলোতে।”
তিনি জানান, যাদের সঙ্গে মিটিং-মিছিল করেছেন, তারাই পরিকল্পিতভাবে জুনিয়রদের দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে Smear Campaign চালিয়েছে। তাঁকে নানা প্রোপাগান্ডার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হয়। আর এ ঘটনা ঘটেছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ বা নীরব প্রশ্রয়ে।
কমিটি বিতর্ক: নেতৃত্বে গোষ্ঠীপন্থা, তৃণমূলে বঞ্চনা
উমামা স্ট্যাটাসে জানান, এনসিপি গঠনের আগে এবং পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে কমিটিগুলো ঢালাওভাবে বিতরণ করা হয়। এগুলোর অধিকাংশই ‘ভাই-ব্রাদার ক্লাব’ ভিত্তিক বলে অভিযোগ করেন তিনি।
“কমপ্লেইন আসলে আমি সরাসরি সাবেক আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে জানিয়েছি। কিন্তু আমার কথা শোনা হয়নি। বরং পেইজের এক্সেস আমার কাছে থাকা উচিত হলেও, আমাকে মিডিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, মার্চ মাসে আন্দোলনের অফিসিয়াল পেজ থেকেই তার বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়া হয়—এটি ছিল তার ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগের অন্যতম প্রতীকী ঘটনা।
‘ভোট দেওয়ার এক মিনিট আগেও দ্বিধায় ছিলাম’
প্ল্যাটফর্মের সাম্প্রতিক কাউন্সিল নির্বাচন নিয়েও উমামা গভীর হতাশা প্রকাশ করেন।তিনি জানান, “যারা কাজ করতে চায়, তারা প্রার্থী হতে পর্যন্ত পারেনি। ভোটারদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ক্যাডার।”
তিনি শেষ মুহূর্তে ভোট দেন ঠিকই, কিন্তু বলেন,“ভেবেছিলাম হয়তো শেষবার কিছু ভালো কিছু হবে। কিন্তু রাতে দেখি, যিনি নির্বাচনেই অংশ নেননি, তিনিই কাউন্সিল মেম্বার হয়ে গেছেন।”
‘পদ, ক্ষমতা, স্ট্যান্ডবাজি—প্ল্যাটফর্মটা এখন একটা সুবিধাবাদী কুয়ায় আটকে গেছে’
উমামা আরও জানান,“নেতারা রাতের বেলা হেয়ার রোডে গিয়ে পদ নিয়ে দরকষাকষি করত। আমি জানতাম। অথচ তারা সামনাসামনি আমাকে বলেন, আমিও যেন গিয়ে পদ চাই। আমি তখনই বলি, আমি কেন ওদের কাছে যাব? তারা আমার কে?”
তিনি উল্লেখ করেন, যে নেতৃত্ব পদ দেয়, সেই নেতৃত্ব আদর্শও নিয়ন্ত্রণ করে—এবং এই দাসত্বপ্রবণ সংস্কৃতি আদর্শভিত্তিক ছাত্র রাজনীতিকে ধ্বংস করছে।
উমামা'র ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেখতে ক্লিক করুণ
‘আমি রাজনৈতিকভাবে নয়, মানবিকভাবে হেরে গেছি’
উমামা তার স্ট্যাটাসে একপর্যায়ে লেখেন:“আমি অভ্যুত্থানের স্বপ্নকে রক্ষার জন্য এই প্ল্যাটফর্মে গিয়েছিলাম। কিন্তু বুঝতে পারছিলাম, এখানে ভালো কিছু সম্ভব নয়। এখানে সংস্কার, শহীদ, শহীদ পরিবার—সবই মুখের বুলি।”
তিনি নিজেই বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু পারেননি—কারণ তা তার আত্মাকে বিদ্ধ করত।“আমি তো মানুষ, কাদা ছোড়াছুড়ি করতে আসিনি।”
‘আমি প্রত্যাহার করছি আমার ভোট ও সমর্থন’
এই আন্দোলনের মুখপাত্র হয়েও তিনি নিজেকে দলবাজ গোষ্ঠীর কাছে ‘একজন অনাহুত প্রতিবাদী’ বলে বর্ণনা করেন। সে কারণেই শেষমেশ তিনি জানান,“আমি অভ্যুত্থানের কথা ভেবে বৈষম্যবিরোধী প্ল্যাটফর্মে যে ভোট দিয়েছি, যে সমর্থন দিয়েছি, সবকিছুই প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।”
তিনি এটিও লেখেন,“অনেকের স্বপ্ন, সময় নষ্ট হয়েছে। আমি জানি না প্ল্যাটফর্মের ভবিষ্যৎ কী, তবে আমি আমার আত্মাকে এই রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ছায়া থেকে সরিয়ে নিচ্ছি।”
‘যারা আমাকে মানসিকভাবে ভেঙেছে, তাদের কখনো ক্ষমা করব না’
উমামা ফাতেমা লেখেন,“আমি জানি, আমাকে যারা কষ্ট দিয়েছে, আমার প্রতি ষড়যন্ত্র করেছে, অভ্যুত্থানকে পণ্য করে রাজনৈতিক লাভ তুলেছে—আমি তাদের কখনোই ক্ষমা করব না। আমি রূহের ভেতর থেকে বদদোয়া দিচ্ছি এই মোনাফেকদের।”
একটি স্বপ্ন ভাঙার গল্প, যা ইতিহাস হয়ে থাকবে
উমামা ফাতেমার স্ট্যাটাস কেবল একটি ব্যক্তিগত পদত্যাগ নয়। এটি বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির অবক্ষয়ের এক উন্মোচিত দলিল। যেখানে ‘বৈষম্যবিরোধী’ নামটি থাকলেও বাস্তবে তার ভেতরে রয়েছে গোষ্ঠীতন্ত্র, নেতৃত্ব চোরাচালান ও আদর্শের বিপর্যয়।
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান যেভাবে হাজারো তরুণকে পথে নামিয়েছিল, সেই অভ্যুত্থানের ব্যানারে দাঁড়ানো এক নারীনেত্রীর এই অভিজ্ঞতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—শুধু বিপ্লব ঘটিয়ে নয়, সেটি টিকিয়ে রাখার নেতৃত্বও প্রয়োজন। আর সেই নেতৃত্ব যদি আস্থাহীন হয়, তাহলে অভ্যুত্থানও হয়ে পড়ে ব্যর্থ স্মারক।
? স্ট্যাটাস উৎস: উমামা ফাতেমার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট?️ প্রতিবেদন: সত্তনিউজ ইনভেস্টিগেশন ডেস্ক
পাঁচ-ই লাগবে, নুরের নির্দেশ: ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় গ্রেপ্তার ফারুক হোসেন
‘পাঁচ, পাঁচ–ই লাগবে, এটা ভিপি নুরের নির্দেশ’—এমন একটি অডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও ছড়িয়ে পড়ার পর লক্ষ্মীপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের বহিষ্কৃত সভাপতি ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (০৫ অক্টোবর) রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
পরদিন মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) বিকেলে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের নাম ভাঙিয়ে অর্থ দাবি ও ১০ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। জেলা গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান চৌধুরী বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত ফারুক হোসেন ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, বিদেশগমনে ইচ্ছুক এক ব্যক্তির কাছে পাসপোর্ট, ভিসা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও বিএমইটি কার্ডের সুবিধার্থ প্রাথমিক খরচের কথা বলে প্রতিমন্ত্রী নুরের নাম ভাঙিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন ফারুক, যা পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে কেন্দ্রীয় দলের ভাবমূর্তি চরম ক্ষুণ্ন হয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই ফারুক হোসেনকে সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুব অধিকার পরিষদ। এক বিবৃতিতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বহিস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর; তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তাঁর নাম ভাঙিয়ে বা দলের পরিচয় ব্যবহার করে কোনো প্রকার অনৈতিক ধান্দাবাজি বরদাশত করা হবে না এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত ফারুক নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ করেন যে, স্থানীয় একটি চক্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির সাহায্যে পাঁচ হাজার টাকার কথাকে বিকৃত ও কণ্ঠ সম্পাদনা করে এই বিতর্ক তৈরি করেছে।
/আশিক
ছাত্রদলে ছাত্র নেই: সালমান মুক্তাদিরের মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন নাছির উদ্দীন নাছির
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সামাজিক মাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের ‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। সালমান মুক্তাদিরের দেশের ছাত্ররাজনীতির বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেই উল্লেখ করে বক্তব্যটিকে ভুল পর্যবেক্ষণ বলে দাবি করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় নাছির উদ্দীন নাছির মন্তব্যটির কড়া জবাব দেন। তিনি লেখেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তরুণ প্রজন্মের একাংশের মধ্যে যে রাজনীতিবিমুখতা সৃষ্টি হয়েছিল, তার প্রভাবেই মূলত এই ধরনের অবাস্তব ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রকৃত বাস্তবতা হলো—বর্তমানে দেশের দুই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের নিয়মিত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং এসব কমিটির সিংহভাগই নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত।
নাছির আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক আন্দোলন এবং সম্প্রতি সমাপ্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরামসহ অসংখ্য নিয়মিত শিক্ষার্থী অকাতরে জীবন দিয়েছেন ও বন্দি অবস্থায় কারাগার থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের এই ঐতিহাসিক ত্যাগ ও সক্রিয় অংশগ্রহণকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন। একই সাথে ভুল ধারণা অবসানের লক্ষ্যে যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে এসে সরাসরি ছাত্রদলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার জন্য সালমান মুক্তাদিরকে প্রকাশ্য আমন্ত্রণ জানান ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।
/আশিক
কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, থানায় এজাহার দিতে গিয়ে অবরুদ্ধ এনসিপি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় সাধক লালন শাহের আখড়াবাড়িতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার জের ধরে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। উক্ত ঘটনায় রোববার রাতে থানায় লিখিত এজাহার জমা দিতে গিয়ে আড়াই ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে থাকার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন দলটির কুষ্টিয়া জেলা শাখার নেতাকর্মীরা। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা পুলিশ স্টেশনের চারপাশ ঘেরাও করে তাদের ওপর ‘মব জাস্টিস’ ও হামলার চেষ্টা চালায় বলে দাবি করেছে এনসিপি।
ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস টনি ও সদস্যসচিব সুলতান মারুফ তালহা জানান, রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা ১৭ জন নেতাকর্মী হামলাকারীদের বিরুদ্ধে এজাহার দিতে কুমারখালী থানায় যান। গভীর রাত হওয়ায় স্থানীয় দোকানপাট বন্ধ থাকায় এজাহার টাইপ করতে না পেরে তারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সহায়তা চান। তবে পুলিশ শুরুতে কম্পিউটার ব্যবহারের অনুমতি ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে নানা টালবাহানায় তা নাকচ করে দেয়। একপর্যায়ে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী থাানার ভেতর প্রবেশ করে এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করে এবং অবরুদ্ধ করে রাখে। অবশেষে পুলিশি নিরাপত্তায় রাত ১টার দিকে তারা নিরাপদে কুষ্টিয়া শহরে পৌঁছাতে সক্ষম হন।
এদিকে এনসিপির অবরুদ্ধ করার এই দাবি ও হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বী। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘটনার সাথে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জড়িত নন; স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথাকাটাকাটির জেরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটেছিল। তবে কোনো সদস্য জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে দলীয়ভাবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
অন্যদিকে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন এনসিপি নেতাদের অবরুদ্ধ করার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, থানা প্রাঙ্গণে জামায়াত, বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। মামলা গ্রহণ না করার বিষয়টি নাকচ করে তিনি স্পষ্ট করেন যে, এনসিপি প্রতিনিধিরা প্রস্তুতকৃত কোনো লিখিত এজাহার জমা দেননি। থানার পক্ষ থেকে মামলা লিখে দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রাথমিক ঘটনার বিবরণ বা আসামিদের পরিচয় না জেনে পুলিশের পক্ষ থেকে সরকারি কম্পিউটারে নিজ দায়িত্বে মামলা লিখে দেওয়ার কোনো আইনগত বিধান নেই। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনসিপি নেতাদের প্রটোকল দিয়ে শহরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে লালন আখড়াবাড়ি পরিদর্শন ও সংগীত উপভোগ শেষে বের হওয়ার সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে লক্ষ্য করে ডিম ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে একদল দুর্বৃত্ত। হামলায় তাঁর সফরসঙ্গী গাড়িটির কাচ ভেঙে যায়। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে থমথমে পরিস্থিতির মাঝে পুলিশি পাহারায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিরাপদে উদ্ধার করে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠায় স্থানীয় প্রশাসন।
/আশিক
কুষ্টিয়ায় লালন শাহের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
ঝিনাইদহ ও হবিগঞ্জের পর এবার কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়ায় অবস্থিত বাউল সম্রাট লালন শাহের মাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
স্থানী সূত্রে জানা গেছে, লালনের আখড়াবাড়ি পরিদর্শন শেষে বের হওয়ার সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে অবস্থানরত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলার মুহূর্তে আচমকা তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়ে মারা হয়। এরপর একদল লোক তাকে ঘিরে ফেলে ধাওয়া করে এবং প্রায় ৩০ মিনিট তিনি অবরুদ্ধ অবস্থায় আটকে থাকেন।
ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন এনসিপি নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাসনাত আবদুল্লাহ। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এটি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর পঞ্চমবারের মতো হামলার ঘটনা। বারবার ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সুপরিকল্পিত হামলা চালিয়ে তার প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। অধিকার ও ন্যায়বিচারের যে সামাজিক লড়াই সূচনা হয়েছে, তা কোনো অপশক্তির বাধায় থমকে যাবে না বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ফুটেজে দেখা গেছে, কিছু লোক উত্তেজিত অবস্থায় ‘ধর, ধর’ বলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করছে। তবে প্রচারিত ওই ভিডিও ও সার্বিক ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক নিরপেক্ষ যাচাই সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ২২ মে জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা হয়। পরবর্তীতে ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার, সোনালী ব্যাংক ও সার্কিট হাউস সংলগ্ন স্থানেও তিনি হামলার শিকার হয়েছিলেন।
/আশিক
দলীয় পরিচয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা: আখতারুজ্জামানকে নেতা মানতে রাজি নয় জামায়াত
ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের মামলায় গ্রেফতার হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামায়াতে ইসলামীর 'নেতা' হিসেবে মানতে রাজি নয় দলটি। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আখতারুজ্জামান জামায়াতের কোনো নেতা নন, তিনি কেবল একজন সহযোগী সদস্য। তিনি ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর দলটির সহযোগী সদস্য পদ পাওয়ার জন্য প্রাথমিক ফরম পূরণ করেছিলেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে রংপুর বিভাগীয় উন্নয়ন ফোরামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে এটিএম আজহারুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রংপুর বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে দেশের সবচেয়ে অবহেলিত অঞ্চল হিসেবে রয়ে গেছে। এই অঞ্চলের উন্নয়ন বৈষম্য নিরসনে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ উপস্থাপিত ১৩ দফা দাবি অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ তুলে ধরেন যে, একটি বিশেষ প্রতিবেশী দেশের আপত্তির মুখেই মূলত সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে এটিএম আজহারুল ইসলাম বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের ওপর জুলুম-অত্যাচার চালানো হলে আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিকেও একসময় দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হবে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে সারা দেশে চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এবং বিএনপি ক্ষমতার দাপটে আওয়ামী লীগের অনুসৃত পথই বেছে নিয়েছে।
জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজনৈতিক আন্দোলন স্তব্ধ করা যাবে না। দেশে অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ণ নেতৃত্বের কারণেই সামগ্রিক অস্থিরতা বিরাজ করছে এবং সরকার সংবিধানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে রংপুর বিভাগের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্যগণ ছাড়াও রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানসহ জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরকারেরই গোপন যোগাযোগ রয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার
বিএনপি ত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের কারণে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, একজন তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং দরকার হলে অদক্ষ ও ব্যর্থ কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার নৈতিক অধিকার তাঁর রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন ও সরকার বিমানবন্দরের ওই সাধারণ ঘটনাকে কেন্দ্র বানিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে এবং রিমান্ডে এনে মূলত নিজেদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ক্ষোভ চরিতার্থ করছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে আখতারুজ্জামানকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সমাবেশে জামায়াতকে স্বাধীনতাবিরোধী কিংবা গোপন দল হিসেবে আখ্যায়িত করার সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতকে নিয়ে কটু মন্তব্য করার আগে বিএনপির উচিত আয়নায় নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান ভালোভাবে দেখে নেওয়া।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই, বরং বর্তমান সরকারের সঙ্গেই আওয়ামী লীগের গোপন সখ্য ও তলে-তলে যোগাযোগ রয়েছে। আর এই সুযোগ নিয়েই রাজপথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার সাহস পাচ্ছে। তবে পলাতক ফ্যাসিবাদী শক্তিকে রুখতে এবং জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে সরকার যদি সদয় পদক্ষেপ নেয়, তবে বিরোধী দলগুলো সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
/আশিক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সম্পদ ও মামলা নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক পোস্ট
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের পুরোনো দুর্নীতি মামলা, মোট সম্পদের পরিমাণ এবং সেই সম্পদের প্রকৃত উৎস নিয়ে কঠোর প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি সালাহউদ্দিন আহমেদের অর্জিত সম্পদের স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য হিসাব প্রকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে সরকারের সমালোচকদের ব্যাংক হিসাব তলবের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি এমপি-মন্ত্রীসহ তাঁদের নিকটাত্মীয়দের ব্যাংক হিসাবও নিয়মিত রাষ্ট্রীয় তদারকির আওতায় আনার আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেন, ৮৫ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালে চাকরি ত্যাগ করা সালাহউদ্দিন আহমেদের বেতন-ভাতা ছিল অত্যন্ত সীমিত। কিন্তু বিসিএস ক্যাডার থেকে রাজনীতিতে এসে প্রতিমন্ত্রী হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই কীভাবে গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় কোটি টাকার বিলাসবহুল ‘প্ল্যাটিনাম রেসিডেন্স’-এ ফ্ল্যাট ও একাধিক সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব—তা নিয়ে তিনি চরম বিস্ময় প্রকাশ করেন।
একই সঙ্গে ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই দম্পতির ঘোষিত সম্পদ ৬.৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩০ কোটি টাকায় পৌঁছানোর পেছনের বৈধ উৎসেরও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদকের দায়ের করা ঘুষ গ্রহণ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সালাহউদ্দিন আহমেদের সাজা হওয়া এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে খালাস পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাকস্বাধীনতা ও ভিন্নমত দমনে বিএফইউআইসহ রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার না করে, এমপি-মন্ত্রীদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তাঁর নিজের হিসাব তলবের মধ্য দিয়েই এই প্রক্রিয়ার সূচনা করার চ্যালেঞ্জ জানান।
/আশিক
বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীলদের সঙ্গে অসদাচরণ, সরকারি কাজে বাধাদান এবং লাঞ্ছিত করার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সকালে মদিনা থেকে আসা একটি ফ্লাইটের ব্যাগেজ বেল্টে চাপ ও ট্রলি সংকট তৈরি হলে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আখতারুজ্জামান তাঁর দিকে ক্ষিপ্ত হয়ে ধেয়ে যান, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার হুমকি দেন। একই সময়ে তাঁর প্রটোকল সহকারীরা সংরক্ষিত কেপিআই এলাকায় ভিডিও ধারণ করতে গেলে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তা বাধা দিলে তাঁকেও মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়। এছাড়া সাধারণ যাত্রীদের জন্য আনা জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলে ক্ষতিসাধন ও বিমান কর্মকর্তাদের প্রতি মারমুখী আচরণ করে বিমানবন্দরে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়। ওই ঘটনায় আজ সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় সরকারি কাজে বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, সাবেক এই রাজনীতিকের অতীত ক্যারিয়ারও নানা বিতর্কে ভরা। তিনি এর আগে তাঁর সাবেক দল বিএনপি থেকে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অনিয়মের দায়ে মোট ৫ বার বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। উস্কানিমূলক আচরণ ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর স্থানে সহিংসতার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
/আশিক
উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থার তাগিদ আমীরে জামায়াতের
রাজধানীর মিরপুরে সাম্প্রতিক বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানোর আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হলে বিষয়টি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো যেত বলে মন্তব্য করেছেন আমীরে জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান পরবর্তী এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, উচ্ছেদ অভিযানের আওতাভুক্ত এলাকাগুলো একাধিক সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে স্থানীয় মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখা তাঁদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। ফলে এত বড় একটি সরকারি পদক্ষেপ গ্রহণের আগে সংসদ সদস্যদের যুক্ত করা হলে জনস্বার্থ ও সরকারি শৃঙ্খলা—উভয় রক্ষা করে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধান বের করা সম্ভব হতো। ভবিষ্যতে যেকোনো জনকল্যাণমুখী উচ্ছেদ বা উন্নয়নমূলক উদ্যোগে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে জনগণের সহযোগিতা নিশ্চিত করা যাবে।
মিরপুরের উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত মূলত যানবাহন এবং পথচারীদের অবাধ চলাচলের জন্য সংরক্ষিত থাকা উচিত, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমায়। তবে জীবিকার তাগিদে গ্রাম থেকে আসা বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শৃঙ্খলার অভাবে ফুটপাতে বসছেন এবং প্রতিনিয়ত নানা স্তরে চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন। তাই হুট করে সরিয়ে দেওয়ার বদলে তাঁদের জন্য স্বস্তিদায়ক বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেন তিনি, যেন সিটি করপোরেশনও নিয়মমাফিক রাজস্ব পায় এবং চাঁদাবাজি বন্ধ হয়।
অভিযান চলাকালে সরকারি যানবাহনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত আখ্যা দিয়ে জামায়াত আমীর বলেন, সরকারি সম্পদ কোনো ব্যক্তির নয়, বরং জনগণের করের টাকায় তৈরি। এসব ধ্বংস করলে জাতীয় ক্ষতি হয়। উচ্ছেদ চলাকালে অসাবধানতাবশত তার ছিঁড়ে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে স্থানীয় মসজিদের গোডাউনে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে সরকারের সুনজরের আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, চাঁদাবাজি, দখলদারি ও মাদক ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনকে ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন’ নীতি অনুসরণের পরামর্শ দেন তিনি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- শ্বাসনালির জমে থাকা মিউকাস দূর করতে পেঁয়াজ ও অলিভ অয়েলের জাদুকরী মিশ্রণ
- হামলা হলে আরও ভয়াবহ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের, অস্ত্র উৎপাদন বাড়ল আড়াই গুণ
- সরকারের ভুল নীতি ও সিন্ডিকেটের খেসারত দিচ্ছে নিম্নবিত্ত: নাহিদ ইসলাম
- ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল, সাথে থাকছে মার্কিন বাহিনী
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক কাঠামো নিয়ে সরকারের নয়া ঘোষণা
- পাঁচ-ই লাগবে, নুরের নির্দেশ: ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় গ্রেপ্তার ফারুক হোসেন
- গ্রাহকদের জন্য জরুরি নোটিশ, সাময়িকভাবে মিলবে না একাধিক কার্ড সেবা
- বিশ্বমঞ্চে অনিয়ম ঢাকার অভিযোগ, তোপের মুখে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি
- অনুশোচনা ছাড়া আওয়ামী লীগের সাথে মীমাংসা অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
- সৌদি আরবের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েল আগ্রাসন ও ইরানি উত্তেজনার মাঝে রিয়াদে নতুন কূটনৈতিক সেশন
- ছাত্রদলে ছাত্র নেই: সালমান মুক্তাদিরের মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন নাছির উদ্দীন নাছির
- ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অন্তিম পর্বে মেসি, প্রস্তুত ফুটবল বিশ্ব
- পাঁচ দিনের নতুন আবহাওয়া বুলেটিন প্রকাশ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বর্ষণের আভাস
- তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও গঙ্গা চুক্তি নিয়ে মোদিকে তথ্য দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী
- সরকারি ঋণ বৃদ্ধি ও খেলাপি ঋণের প্রভাবে ব্যাংক খাতে বড় ঝুঁকি
- আমরা আজ আরও শক্তিশালী: ভিডিও প্রকাশ করে মাখোঁর কড়া বার্তা
- আবহাওয়া দপ্তরের চারদিনের নতুন পূর্বাভাস জারি, বদলাচ্ছে আবহাওয়ার রূপ
- ভারতের সাথে গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে, সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা
- কেনাকাটার সময় বাড়ল দুই ঘণ্টা, সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত বহাল ২২ অক্টোবর পর্যন্ত
- প্রথম আরব স্বীকৃতিদানকারী দেশের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন উদ্যোগ
- ষড় ঋতুর পালাক্রমের ছোঁয়ায় কুবিতে শীতের আগমনী বার্তা
- 'নকল ভিনিসিয়ুস খেলছেন মাঠে!' রিয়াল তারকাকে ঘিরে ব্রাজিলে উদ্ভট ষড়যন্ত্র তত্ত্ব
- বিশ্বজুড়ে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের জরুরি বার্তা
- ইসরায়েলি নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে সেনাবাহিনী: চিফ অব স্টাফ
- ৫২ বছর পর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, সম্মাননা পেলেন গাইবান্ধার 'এক টাকার শিক্ষক' লুৎফুর রহমান
- মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ ও ইরানকে যুক্ত করার দাবি পাকিস্তান জামায়াতের
- মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতিতে নতুন মোড়, মার্কিন জবাবে ইরানের কড়া পর্যবেক্ষণ
- কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, থানায় এজাহার দিতে গিয়ে অবরুদ্ধ এনসিপি
- বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আসছে পবিত্র রমজানের নতুন সময়সূচি
- প্রযুক্তিমুখী শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকদের সম্মানি নিয়ে সরকার প্রধানের বড় ঘোষণা
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ২০২৬: আলো দিয়ে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের আবিষ্কারে ৩ বিজ্ঞানীর বাজিমাত
- বয়স বাড়ার সাথে পুরুষদের টেস্টোস্টেরন হরমোন হ্রাস: চেনার ৯টি লক্ষণ
- যুদ্ধ থামানোর নতুন কৌশল? মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসায়ীদের নজর রাশিয়ার লুকঅয়েলে
- দক্ষতা উন্নয়নে সেনাবাহিনী কর্তৃক নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে দর্জি প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন
- বিইআরসির নতুন দর: আজ সন্ধ্যা থেকেই অটোগ্যাস ও এলপিজি সিলিন্ডারের দামে বড় লাফ
- ওয়াশিংটনের খবরকে মিথ্যা আখ্যা দিল তেহরান, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন আরাগচির
- কুষ্টিয়ায় লালন শাহের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
- বয়স বাড়লেই বাড়ে ঝুঁকি, জেনে নিন প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার মূল কারণ ও প্রতিকার
- সপ্তাহজুড়ে ধারাবাহিক ওঠানামার পর স্বর্ণের বাজার আবার ঊর্ধ্বমুখী
- মোস্তাফিজের বাজে ওভার ও অদ্ভুত কৌশলগত ভুলে ক্ষুব্ধ ক্রিকেট অঙ্গন
- প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমেই শেখ হাসিনাকে ফেরানো সম্ভব, আশাবাদী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- আশ্বিনের আবহাওয়ায় নতুন বদল, চার দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জারি
- মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি তে যোগ দিতে চায় ৬টিরও বেশি দেশ, জানালেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- নতুন স্যাটেলাইটের নির্মাণ শেষ করে মহাকাশ বিজ্ঞানে তেহরানের বড় সাফল্য
- প্রতিটি জেলা ও সিটি কর্পোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী মেগা প্রকল্পের সিদ্ধান্ত
- শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কড়া বার্তা
- আবারও বাড়ল এলপিজির দাম, নতুন দর ঘোষণা করল বিইআরসি
- পূর্ণ ক্ষমতায় রামপালের দুই ইউনিট, জাতীয় গ্রিডে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সম্পদ ও মামলা নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক পোস্ট
- প্রবীণদের বয়স্ক ভাতা বৃদ্ধি ও ফ্যামিলি কার্ডে সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- এশিয়ান গেমসে বৃষ্টির থাবা, সেমিফাইনালের আগে নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ
- দলীয় পরিচয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা: আখতারুজ্জামানকে নেতা মানতে রাজি নয় জামায়াত
- এলপিজি আমদানি পর্যাপ্ত, তবু ১৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার ২৯০০: গ্যাস গেল কোথায়?
- ৩ মাসের মধ্যে দেশ থেকে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির
- আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় নতুন মোড়, আদালতে বাদীর বিশেষ আবেদন
- স্কুল ভর্তি থেকে জমি কেনাবেচা: রাজ্যগুলোর কাছে ধর্মভিত্তিক হিসাব তলব ভারতের কমিটির
- ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীদের চাপ, বাণিজ্যমন্ত্রীর অবস্থান পরিষ্কার
- জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা
- এক দশক পর চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর ও গদর বন্দর ঘিরে নতুন সমীকরণ
- কলকাতায় ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের টিকিটে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার
- উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থার তাগিদ আমীরে জামায়াতের
- লাইন পরিবর্তন কাজ: বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় জরুরি বার্তা তিতাসের








