মধ্যস্থতার নামে চাঁদাবাজিঃ জাবিতে বাস ছাড়ে গোপন ভূমিকা কার?

সত্য নিউজ: ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী নীলাচল পরিবহনের নয়টি বাস আটক এবং পরে ছাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) তৈরি হয়েছে অস্বচ্ছতা ও বিতর্ক। হাফ ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধ থেকে শুরু হওয়া এই ঘটনায় ‘মধ্যস্থতার নামে চাঁদাবাজি’র অভিযোগ উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও বিব্রত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান (হিরন) হাফ ভাড়া না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সালাম-বরকত হলের কয়েকজন আবাসিক ছাত্রকে সঙ্গে নিয়ে বাসগুলো আটকে দেন। প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার পর রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে এখানেই থেমে থাকেনি বিতর্ক। প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসচালকদের বরাতে জানা গেছে, বাস ছাড়াতে গিয়ে পরিবহন চেকার মো. ফয়সাল ক্যাম্পাসে প্রবেশের আগে বাসগুলোর কাছ থেকে ১৬ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন এবং সেটি ‘সমাধান খরচ’ হিসেবে শিক্ষার্থীদের দেওয়ার কথা বলেন। অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থ আদায়ের বিষয়টি গোপনে মীমাংসার চেষ্টা করেন বাস প্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে তা বাস্তবায়ন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ফয়সালসহ নীলাচলের প্রতিনিধিরা শহীদ মিনার এলাকায় গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেখান থেকে হেঁটে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এতে পরিস্থিতির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, “শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি। ঘটনায় একাধিক পক্ষের সম্পৃক্ততা এবং অস্পষ্ট আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বাস কর্তৃপক্ষ প্রশাসনকে না জানিয়ে নিজ উদ্যোগে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত।”
অন্যদিকে চেকার ফয়সালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে ছাত্রদলের নবীনুর রহমান বলেন, “পরিচিত একজন বাস প্রতিনিধির অনুরোধে আমি মধ্যস্থতায় সহায়তা করি। কিন্তু কোনো টাকার লেনদেনে আমি জড়িত নই।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিবহন ব্যবস্থাপনার ওপর শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক পক্ষের সম্পৃক্ততা—দুটি বিষয়ই নতুন করে নজরে এসেছে। প্রশাসনের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ হলো স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের চিহ্নিত করা এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আজ (সোমবার) বাস কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার পর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
কলকাতার সেনা আবাসিকে কেন তিন বাংলাদেশি জেনারেল? নতুন তথ্য ঘিরে বাড়ছে নানা প্রশ্ন
ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের তিন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে সম্প্রতি কলকাতার একটি সুরক্ষিত সেনা আবাসিক এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে একাধিক নিরাপত্তা সূত্রের দাবি। এই তিনজন হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (বরখাস্ত) মো. মুজিবুর রহমান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেন এবং মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ। বিষয়টিকে ঘিরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঢাকা ও কলকাতার একাধিক নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এর আগে তারা কলকাতার সল্টলেক ও নিউ টাউনের সঞ্জিবা গার্ডেন কমপ্লেক্সে পরিবারসহ বসবাস করছিলেন। তবে সম্প্রতি তাদের সেখান থেকে সরিয়ে হুগলি সেতুর (হাওড়া ব্রিজ) নিকটবর্তী একটি উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত সেনা আবাসিক এলাকায় নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রগুলোর দাবি।
নিরাপত্তা সূত্রগুলোর ভাষ্য, সাধারণ মানুষের প্রবেশ যেখানে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত, এমন একটি সামরিক আবাসিক এলাকায় এই তিন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে স্থানান্তরের ঘটনা তাৎপর্যপূর্ণ। তাদের মতে, বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং এর পেছনে বৃহত্তর কৌশলগত বিবেচনাও থাকতে পারে।
সূত্রগুলোর আরও দাবি, এই তিন কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গেও বৈঠক করছেন। তাদের অভিযোগ, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ভবিষ্যতে আবার রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনার সম্ভাব্য কৌশল নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নিরাপত্তা সূত্রের তথ্যমতে, কলকাতার সিটি সেন্টার-২ এবং পার্ক স্ট্রিট এলাকায় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তাদের একাধিক বৈঠক হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এমনকি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গেও তাদের সাক্ষাতের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সূত্রগুলোর ভাষ্য।
তিন কর্মকর্তার মধ্যে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (বরখাস্ত) মো. মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। তাদের মতে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, আয়নাঘর পরিচালনা এবং বিরোধী দল দমনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। একই সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' (RAW)-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে বাংলাদেশের সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।
সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। পরে ১১ সেপ্টেম্বর তাকে বরখাস্ত করা হয়। এরপর তিনি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে যান বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
অন্যদিকে সাবেক ডিজিএফআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেনের বিরুদ্ধেও গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে। নিরাপত্তা সূত্রগুলোর মতে, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং বিরোধী দল দমনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদের বিরুদ্ধেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর তিনি দেশত্যাগ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। পরবর্তীতে বিশেষ ব্যবস্থায় তিনি তামাবিল সীমান্ত হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন বলেও জানা গেছে।
এদিকে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একটি অংশ বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর মতে, ভারত যদি সত্যিই এই সাবেক কর্মকর্তাদের বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। তার ভাষায়, "ভারত তাদের কেবল মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছে—এমনটি মনে করার সুযোগ খুব কম। ভবিষ্যতে তাদের বিভিন্ন কৌশলগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা হতে পারে।"
আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক অধ্যাপক এম শহীদুজ্জামানও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এসব সাবেক কর্মকর্তা বাংলাদেশের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে অত্যন্ত স্পর্শকাতর তথ্য জানেন। ফলে তাদের বিদেশে অবস্থান এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক যোগাযোগ জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি আরও বলেন, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের উচিত আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ হাসিনা সরকারের একাধিক সাবেক সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং অন্যান্য সংস্থায় মামলা ও তদন্ত চলমান রয়েছে।
-সূত্র: আমার দেশ।
রোমের বুকে রক্তক্ষরণ: একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংস হত্যা, নেপথ্যে কী?
ইতালির রাজধানী রোমে এক বুক কাঁপানো ও রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একই প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারের তিন সদস্যকে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকার ভিয়া মন্তিলিও সড়কের একটি বহুতল আবাসিক ভবনে এই লোমহর্ষক হামলাটি ঘটে। নিহতরা হলেন—বাংলাদেশের নোয়াখালীর বসুরহাটের বাসিন্দা কামাল, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের মাত্র পাঁচ বছর বয়সী নিষ্পাপ কন্যাশিশু। অজ্ঞাতপরিচয় এক দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁদের ওপর অতর্কিত ও নৃশংস হামলা চালায়। ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
এই পৈশাচিক ও আকস্মিক হামলা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন কামালের ১৮ বছর বয়সী বড় ছেলে। তবে তিনিও মারাত্মকভাবে জখম হয়েছেন এবং বর্তমানে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তরুণটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত হলেও পরিবারের সবাইকে হারানোর এই মানসিক ট্রমা ও শারীরিক আঘাত কাটিয়ে উঠতে তাঁর দীর্ঘ সময় লাগবে। ইতালীয় গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো এলাকাটি ঘিরে রেখেছে এবং এই কাপুরুষোচিত হামলার মূল কারণ উদঘাটনসহ ঘাতককে শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে। রোমের বুকে ঘটে যাওয়া এই ট্র্যাজেডিতে ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোক ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার: পলিথিনে মোড়ানো ছিল নৃশংসতা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ হওয়ার দুই সপ্তাহ পর বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস নিশ্চিত করেছে যে, গত ৩০ এপ্রিল ডিএনএ এবং ডেন্টাল রেকর্ড পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ধারকৃত দেহাংশগুলো বৃষ্টির বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এর আগে ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (USF) দুই মেধাবী শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি ও জামিল আহমেদ লিমন একই দিনে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ওপর থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা একটি আবর্জনা ফেলার কালো পলিথিনে মোড়ানো ছিল। শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এই নৃশংসতাকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, খুনি এতটাই নিষ্ঠুর ছিল যে মৃতদেহটিকে মহাসড়কের পাশে সাধারণ আবর্জনার মতো ফেলে রেখেছিল।
বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত জটিল ও লোমহর্ষক। ২৬ এপ্রিল ম্যানগ্রোভ এলাকায় কায়াক চালনাকারী কয়েকজন মাছশিকারি একটি সন্দেহজনক কালো পলিথিন দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। লিমনের মরদেহ যেখানে পাওয়া গিয়েছিল, এটি তার খুব কাছাকাছি এলাকা ছিল। উদ্ধারকৃত খণ্ডিত অংশগুলো এতটাই বিকৃত ছিল যে, প্রাথমিকভাবে সেগুলো নারী না পুরুষের তা শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। তবে আদালতের হলফনামা অনুযায়ী, মরদেহের অংশে লেগে থাকা পোশাকের অবশিষ্টাংশের সাথে নিখোঁজ হওয়ার দিন সিসিটিভি ফুটেজে দেখা বৃষ্টির পোশাকের মিল খুঁজে পায় তদন্তকারীরা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে লিমনের রুমমেট ২৬ বছর বয়সী মার্কিন তরুণ হিশাম আবুঘরবেহকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ হিশামের গাড়ির ভেতরে বৃষ্টির রক্তের দাগ খুঁজে পাওয়ার পর থেকেই তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত ছিল, তবে মরদেহ খুঁজে পেতে বেগ পেতে হয়।
বর্তমানে অভিযুক্ত হিশাম আবুঘরবেহকে কোনো ধরনের জামিন ছাড়াই কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ‘ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার’ বা পূর্বপরিকল্পিত সর্বোচ্চ মাত্রার দুটি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগসহ মরদেহ গুম ও তথ্য গোপনের একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেন এই মেধাবী দুই শিক্ষার্থীকে এমন পৈশাচিক পরিণতির শিকার হতে হলো, তার মোটিভ বা কারণ উদ্ঘাটনে এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। এদিকে, দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে ফ্লোরিডার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের মাতম চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃষ্টি ও লিমনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিদেশের মাটিতে উচ্চশিক্ষারত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
থানায় ওসির রুমে ঢুকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন: ‘দলের নাম ভাঙিয়ে সুবিধা নিলে দায়ী আপনি’
রাজধানীর শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার প্রাণকেন্দ্র থানাগুলোকে সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে এক নজিরবিহীন ও আকস্মিক অভিযানে নেমেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার দুপুরে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা বা প্রটোকল ছাড়াই ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি পুলিশি সেবার মান সরেজমিনে তদারকি করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ১০ মিনিট ২৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, মন্ত্রী সরাসরি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তাদের আগমনের সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চান। এই আকস্মিক পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনসেবার নামে থানায় ‘দালাল চক্রের’ দৌরাত্ম্য বন্ধ করা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি পেশাদার পুলিশি কাঠামো নিশ্চিত করা। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রাজধানীসহ সারা দেশের থানাগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দালালমুক্ত করতে হবে এবং সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের মধ্যস্থতা ছাড়াই সরাসরি আইনি সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
থানার ভেতরে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও মানবিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অত্যন্ত সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করেন। তিনি ডিউটি অফিসারের কক্ষ থেকে শুরু করে হাজতখানা এবং পুলিশ সদস্যদের ব্যারাক বা মেস পর্যন্ত প্রতিটি কোণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। হাজতখানার ধারণক্ষমতা, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং ফ্যান বা ওয়াশরুমের ব্যবস্থা আছে কি না, সে বিষয়ে তিনি ওসির কাছ থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য গ্রহণ করেন। এমনকি হাজতে থাকা এক ব্যক্তির জন্য সরবরাহকৃত খাবারের মানও তিনি নিজ চোখে যাচাই করেন। এর মাধ্যমে মন্ত্রী একটি বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, অভিযুক্ত বা আটক হওয়া ব্যক্তিরাও যেন রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকাকালীন ন্যূনতম মানবিক মর্যাদা থেকে বঞ্চিত না হয়। পুলিশ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধার খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি তিনি তাদের সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে থানায় অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চিরাচরিত সংস্কৃতি বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক কঠোর প্রশাসনিক বার্তা প্রদান করেছেন। রমনা থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে তিনি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বলেন, বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে যদি কেউ থানায় কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে, তবে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকেই নিতে হবে। এটি মূলত পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি থেকে মুক্ত করে একটি স্বাধীন ও জনবান্ধব সংস্থায় রূপান্তরের সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে যদি দায়িত্ব অবহেলা, দুর্নীতি বা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তাকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না এবং কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে। আকস্মিক এই থানা পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে পুলিশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
নয়াপল্টনের স্কুলে শিশু নির্যাতন: ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
রাজধানীর ব্যস্ত নয়াপল্টনের একটি স্কুলের অফিসকক্ষে যা ঘটেছে, তা কেবল একটি অপরাধ নয়—এটি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও শিশু সুরক্ষার ওপর ভয়াবহ প্রশ্নচিহ্ন। চার বছরের কম বয়সী একটি শিশুকে স্কুলের ভেতর আটকে রেখে নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর নগরজুড়ে তৈরি হয় তীব্র ক্ষোভ। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই শুক্রবার ভোরে স্কুলটির ব্যবস্থাপককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার ভোরে মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে পল্টন থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে পবিত্র কুমার বড়ুয়া কে। তিনি নয়াপল্টনের শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক এবং একই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান-এর স্বামী। ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, গত আঠারো জানুয়ারি নয়াপল্টনের মসজিদ রোডে অবস্থিত শারমিন একাডেমিতে প্রি-প্লে শ্রেণিতে পড়ুয়া চার বছরের কম বয়সী একটি শিশুকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। স্কুলের অফিসকক্ষের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শিশুটিকে একটি নারী ধরে রেখেছেন এবং একজন পুরুষ তাকে মারধর করছেন। কখনো গলা চেপে ধরা, কখনো মুখ চেপে রাখা, এমনকি হাতে স্ট্যাপলার নিয়ে ভয় দেখানোর দৃশ্যও ফুটেজে ধরা পড়ে। ওই নারী হলেন প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান এবং পুরুষটি ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়া।
নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দায়ের করে জানান, তাঁর সন্তান এখনো গভীর মানসিক ট্রমায় রয়েছে। ঘুমের মধ্যেও সে চিৎকার করে ওঠে—“মুখ সেলাই করে দিও না।” শিশুটি স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে এবং বাবা-মায়ের সঙ্গেও থাকতে চাইছে না। বর্তমানে সে নানাবাড়িতে অবস্থান করছে।
শিশুটির বাবা জানান, স্কুলে ভর্তি হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এমন ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয় তাদের একমাত্র সন্তান। ভিডিও দেখে তাঁরা হতভম্ব হয়ে পড়েন। শিশুটি বারবার বলছিল, স্কুলে কথা বললে তাকে গলায় চাপ দেওয়া হবে এবং মুখ সেলাই করে দেওয়া হবে—এমন ভয় দেখানো হয়েছিল।
ঘটনার পর স্কুলটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে সেখানে এসে ভিড় করেন একাধিক অভিভাবক। অনেকেই ভিডিও দেখে আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। কেউ কেউ জানান, আগে কখনো এমন ঘটনার কথা শোনেননি, কিন্তু এখন সন্তানদের স্কুলে পাঠানো নিয়েই ভয় কাজ করছে।
এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেছেন। শিশু আইনের সত্তর ধারায় দায়ের করা মামলায় শারমিন জাহান ও পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে আসামি করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত চাইল্ড হেল্পলাইন এক শূন্য নয় আট-এর শিশু সুরক্ষা কর্মীরা শিশুটির মানসিক পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শিশুর দীর্ঘমেয়াদি মানসিক বিকাশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে, যা পুরো সমাজের জন্যই অশনি সংকেত।
এই ঘটনা আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে—নীতিমালা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষার বাস্তব প্রয়োগে বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হলে এমন সহিংসতা বন্ধ হবে না বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জুলাই অভ্যুত্থানে লুণ্ঠিত অস্ত্র কুমিল্লায় উদ্ধার

মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত অস্ত্র যে এখনও দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তার জন্য নীরব হুমকি হয়ে আছে, তারই নতুন প্রমাণ মিলেছে কুমিল্লায়। জেলার মুরাদনগর উপজেলায় হাইওয়ে পুলিশের একটি লুণ্ঠিত অস্ত্রসহ দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনাটি নির্বাচনপূর্ব নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে মুরাদনগর উপজেলার লাজৈর এলাকার একটি ডোবা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র দুটি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লাস্থ র্যাবের একটি বিশেষ দল। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে লাজৈর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সড়কের পাশে একটি ডোবা থেকে কসটেপে মোড়ানো অবস্থায় দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি চাইনিজ রাইফেল রয়েছে, যা হাইওয়ে পুলিশের ব্যবহৃত অস্ত্র বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি জুলাই অভ্যুত্থান আন্দোলনের সময় পার্শ্ববর্তী ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা থেকে লুণ্ঠিত হয়েছিল। অন্য অস্ত্রটির উৎস ও ব্যবহারের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছাল, কারা এতে জড়িত এবং আরও অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধ ও সহিংসতার ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ৮ আসন থেকে প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি সশস্ত্র হামলার শিকার হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক আহমেদ এনটিভি অনলাইনকে জানান, ঘটনাটি নিশ্চিতভাবে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা এবং প্রার্থীর শারীরিক অবস্থা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করতে থাকেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে চড়ে আসা দুর্বৃত্তরা হাদির অবস্থান শনাক্ত করে। তাদের একটি মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। হামলার পর তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পুলিশ বলছে, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতোমধ্যে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এখনো কোনো গ্রেপ্তার বা সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা যায়নি। কর্তৃপক্ষ হামলার যথাযথ তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে।
ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বাবার
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘটে গেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে রসুলপুর ইউনিয়নের হামকুড়া গ্রামে ছেলে আসলাম শেখের আঘাতে বাবা আরশেদ শেখ মারা গেছেন। শান্ত গ্রামটি মুহূর্তেই উত্তেজনা আর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আরশেদ শেখ ও তার ছেলে আসলাম শেখের মাঝে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। প্রতিদিনের মতই শনিবারও তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। তবে পরিস্থিতি এক পর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ছেলে আসলাম উত্তেজনার বশে বাবাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। আঘাতের পর আরশেদ শেখ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করলেও পথেই তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার পরপরই আসলাম শেখ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিকভাবে সক্রিয় গ্রামটি এমন ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানিয়েছেন, পুলিশ আসলামকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে এবং ঘটনাটি আইনগতভাবে তদন্তাধীন। তিনি জানান, “ঘটনা ঘটার পরই আসলাম পালিয়ে যায়। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আমরা ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছি।”
ঘটনাটি পারিবারিক সহিংসতা ও মানসিক অস্থিরতার বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, পরিবারে দীর্ঘদিনের চাপ, বোঝাপড়া ও সংলাপের অভাব অনেক সময় আকস্মিকভাবে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে।
হামকুড়া গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, পরিবারটির মধ্যে পরিস্থিতি দীর্ঘদিনই টানটান ছিল। কিন্তু শোকাভিভূত গ্রামের অনেকে এমন মৃত্যুর ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না।
-রফিক
৮ হাজার পৃষ্ঠার প্রমাণ, হাজারো নিহত–আহত: শেখ হাসিনাদের বিরুদ্ধে রায়ে কী ঘটতে যাচ্ছে? সরাসরি দেখুন!
জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময়কার দমন–পীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় পড়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১-এর বিচারক বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় পাঠ শুরু করেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিমের অন্যান্য সদস্যরা।
মামলাটিতে প্রসিকিউশন মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগ দাখিল করেছে, যেখানে ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠার তথ্যসূত্র, ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠার জব্দতালিকা ও অন্যান্য দালিলিক প্রমাণ এবং ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার শহীদদের তালিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, এসব নথি প্রমাণ করে যে ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে দেশজুড়ে গণবিক্ষোভ দমনে অভিযুক্ত তিনজন পরিকল্পিত, পদ্ধতিগত এবং ব্যাপক মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন—বিশেষত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদেরও বিক্ষোভ দমনে ব্যবহারের জন্য সরাসরি নির্দেশ দেন। এসব নির্দেশের ফলেই দেশব্যাপী দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন এবং ২৫ হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারী আহত, অঙ্গহানি বা বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। তদন্তে এসব ঘটনাকে গণহত্যা, পরিকল্পিত হত্যা এবং অমানবিক নির্যাতনের শামিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ৫ আগস্টের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির দিনে আশুলিয়ায় সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা। অভিযোগ অনুযায়ী, সেদিন ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করা হয়, এরপর লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়; এমনকি অন্তত একজনকে জীবন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, এই ঘটনার নির্দেশও এসেছে শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইজিপির কাছ থেকেই, যা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের স্পষ্ট উদাহরণ।
রায় পড়া শুরুর পর ট্রাইব্যুনাল চত্বরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মামলার সংবেদনশীলতা, অভিযুক্তদের সাবেক রাষ্ট্রক্ষমতার অবস্থান এবং নথিপত্রের বিশাল পরিমাণের কারণে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরাও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে উপস্থিত ছিলেন। আদালত–সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নথিপত্রের বিশালতা বিবেচনায় রায় সম্পূর্ণ পড়তে সময় লাগবে এবং রায়টির রাজনৈতিক ও আইনি গুরুত্ব বাংলাদেশের সমসাময়িক ইতিহাসে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।
সরাসরি দেখুন:
পাঠকের মতামত:
- শ্বাসনালির জমে থাকা মিউকাস দূর করতে পেঁয়াজ ও অলিভ অয়েলের জাদুকরী মিশ্রণ
- হামলা হলে আরও ভয়াবহ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের, অস্ত্র উৎপাদন বাড়ল আড়াই গুণ
- সরকারের ভুল নীতি ও সিন্ডিকেটের খেসারত দিচ্ছে নিম্নবিত্ত: নাহিদ ইসলাম
- ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল, সাথে থাকছে মার্কিন বাহিনী
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক কাঠামো নিয়ে সরকারের নয়া ঘোষণা
- পাঁচ-ই লাগবে, নুরের নির্দেশ: ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় গ্রেপ্তার ফারুক হোসেন
- গ্রাহকদের জন্য জরুরি নোটিশ, সাময়িকভাবে মিলবে না একাধিক কার্ড সেবা
- বিশ্বমঞ্চে অনিয়ম ঢাকার অভিযোগ, তোপের মুখে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি
- অনুশোচনা ছাড়া আওয়ামী লীগের সাথে মীমাংসা অসম্ভব: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
- সৌদি আরবের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইসরায়েল আগ্রাসন ও ইরানি উত্তেজনার মাঝে রিয়াদে নতুন কূটনৈতিক সেশন
- ছাত্রদলে ছাত্র নেই: সালমান মুক্তাদিরের মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন নাছির উদ্দীন নাছির
- ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অন্তিম পর্বে মেসি, প্রস্তুত ফুটবল বিশ্ব
- পাঁচ দিনের নতুন আবহাওয়া বুলেটিন প্রকাশ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বর্ষণের আভাস
- তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও গঙ্গা চুক্তি নিয়ে মোদিকে তথ্য দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী
- সরকারি ঋণ বৃদ্ধি ও খেলাপি ঋণের প্রভাবে ব্যাংক খাতে বড় ঝুঁকি
- আমরা আজ আরও শক্তিশালী: ভিডিও প্রকাশ করে মাখোঁর কড়া বার্তা
- আবহাওয়া দপ্তরের চারদিনের নতুন পূর্বাভাস জারি, বদলাচ্ছে আবহাওয়ার রূপ
- ভারতের সাথে গঙ্গার পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে, সিদ্ধান্ত নেবে ঢাকা
- কেনাকাটার সময় বাড়ল দুই ঘণ্টা, সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত বহাল ২২ অক্টোবর পর্যন্ত
- প্রথম আরব স্বীকৃতিদানকারী দেশের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন উদ্যোগ
- ষড় ঋতুর পালাক্রমের ছোঁয়ায় কুবিতে শীতের আগমনী বার্তা
- 'নকল ভিনিসিয়ুস খেলছেন মাঠে!' রিয়াল তারকাকে ঘিরে ব্রাজিলে উদ্ভট ষড়যন্ত্র তত্ত্ব
- বিশ্বজুড়ে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের জরুরি বার্তা
- ইসরায়েলি নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে সেনাবাহিনী: চিফ অব স্টাফ
- ৫২ বছর পর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, সম্মাননা পেলেন গাইবান্ধার 'এক টাকার শিক্ষক' লুৎফুর রহমান
- মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ ও ইরানকে যুক্ত করার দাবি পাকিস্তান জামায়াতের
- মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতিতে নতুন মোড়, মার্কিন জবাবে ইরানের কড়া পর্যবেক্ষণ
- কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, থানায় এজাহার দিতে গিয়ে অবরুদ্ধ এনসিপি
- বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আসছে পবিত্র রমজানের নতুন সময়সূচি
- প্রযুক্তিমুখী শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকদের সম্মানি নিয়ে সরকার প্রধানের বড় ঘোষণা
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ২০২৬: আলো দিয়ে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের আবিষ্কারে ৩ বিজ্ঞানীর বাজিমাত
- বয়স বাড়ার সাথে পুরুষদের টেস্টোস্টেরন হরমোন হ্রাস: চেনার ৯টি লক্ষণ
- যুদ্ধ থামানোর নতুন কৌশল? মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসায়ীদের নজর রাশিয়ার লুকঅয়েলে
- দক্ষতা উন্নয়নে সেনাবাহিনী কর্তৃক নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে দর্জি প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন
- বিইআরসির নতুন দর: আজ সন্ধ্যা থেকেই অটোগ্যাস ও এলপিজি সিলিন্ডারের দামে বড় লাফ
- ওয়াশিংটনের খবরকে মিথ্যা আখ্যা দিল তেহরান, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন আরাগচির
- কুষ্টিয়ায় লালন শাহের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
- বয়স বাড়লেই বাড়ে ঝুঁকি, জেনে নিন প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার মূল কারণ ও প্রতিকার
- সপ্তাহজুড়ে ধারাবাহিক ওঠানামার পর স্বর্ণের বাজার আবার ঊর্ধ্বমুখী
- মোস্তাফিজের বাজে ওভার ও অদ্ভুত কৌশলগত ভুলে ক্ষুব্ধ ক্রিকেট অঙ্গন
- প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমেই শেখ হাসিনাকে ফেরানো সম্ভব, আশাবাদী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- আশ্বিনের আবহাওয়ায় নতুন বদল, চার দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জারি
- মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি তে যোগ দিতে চায় ৬টিরও বেশি দেশ, জানালেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- নতুন স্যাটেলাইটের নির্মাণ শেষ করে মহাকাশ বিজ্ঞানে তেহরানের বড় সাফল্য
- প্রতিটি জেলা ও সিটি কর্পোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী মেগা প্রকল্পের সিদ্ধান্ত
- শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কড়া বার্তা
- আবারও বাড়ল এলপিজির দাম, নতুন দর ঘোষণা করল বিইআরসি
- পূর্ণ ক্ষমতায় রামপালের দুই ইউনিট, জাতীয় গ্রিডে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সম্পদ ও মামলা নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক পোস্ট
- প্রবীণদের বয়স্ক ভাতা বৃদ্ধি ও ফ্যামিলি কার্ডে সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- এশিয়ান গেমসে বৃষ্টির থাবা, সেমিফাইনালের আগে নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ
- দলীয় পরিচয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা: আখতারুজ্জামানকে নেতা মানতে রাজি নয় জামায়াত
- এলপিজি আমদানি পর্যাপ্ত, তবু ১৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার ২৯০০: গ্যাস গেল কোথায়?
- ৩ মাসের মধ্যে দেশ থেকে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির
- আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় নতুন মোড়, আদালতে বাদীর বিশেষ আবেদন
- স্কুল ভর্তি থেকে জমি কেনাবেচা: রাজ্যগুলোর কাছে ধর্মভিত্তিক হিসাব তলব ভারতের কমিটির
- ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীদের চাপ, বাণিজ্যমন্ত্রীর অবস্থান পরিষ্কার
- জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা
- এক দশক পর চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর ও গদর বন্দর ঘিরে নতুন সমীকরণ
- কলকাতায় ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের টিকিটে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার
- উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থার তাগিদ আমীরে জামায়াতের
- লাইন পরিবর্তন কাজ: বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় জরুরি বার্তা তিতাসের








