প্রতিটি শিশুর চিকিৎসা নিশ্চিত করবে সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৭ ১২:২৭:২২
প্রতিটি শিশুর চিকিৎসা নিশ্চিত করবে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

প্রতিটি শিশুকে তার প্রয়োজন ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে সরকার। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সেবা, শিক্ষা ও পুনর্বাসনে সরকার আরও সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

শনিবার সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে প্রতিবন্ধী ও সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য নতুন পুনর্বাসন কেন্দ্র সিএসএফ সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি বিশেষ মানুষকে অন্য সব নাগরিকের মতো সমঅধিকার ও রাষ্ট্রীয় সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। বাজেট কর্মসূচি, নীতি প্রণয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

ড. এম এ মুহিত জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের যাতায়াত সহজ করতে মেট্রোরেলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হবে। তাঁর মতে, শুধু চিকিৎসা নয়, চলাচল, শিক্ষা, পুনর্বাসন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি—সব ক্ষেত্রেই বিশেষ মানুষের জন্য সুযোগ বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতিটি জেলায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা পরিবার বা সমাজের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকার বদলে নিজস্ব সক্ষমতা অনুযায়ী বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

কড়াইল বস্তিতে উদ্বোধন হওয়া নতুন সিএসএফ সেন্টারকে বিশেষ শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ও সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়মিত চিকিৎসা, থেরাপি, পুনর্বাসন সহায়তা এবং প্রয়োজনভিত্তিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলাদা মনোযোগ, প্রশিক্ষিত সেবাদাতা, পরিবারভিত্তিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রয়োজন। শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা নয়, কমিউনিটি পর্যায়ের সেবা জোরদার করাও জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিবারগুলো অনেক সময় আর্থিক, সামাজিক ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। তাই স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, যাতায়াত সুবিধা এবং পুনর্বাসন—এই চারটি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার চায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা যেন সমাজের মূলধারায় যুক্ত হতে পারে। তাদের জন্য চিকিৎসা ও শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো হলে তারা পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সম্পদে পরিণত হতে পারবে।

কড়াইলের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও নিম্নআয়ের এলাকায় এমন পুনর্বাসন কেন্দ্র চালু হওয়াকে স্থানীয়রা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। বিশেষ করে যেসব পরিবার নিয়মিত থেরাপি বা বিশেষায়িত চিকিৎসা নিতে অর্থনৈতিকভাবে সমস্যায় পড়ে, তাদের জন্য এই ধরনের কেন্দ্র বড় সহায়তা হতে পারে।

সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়মিত ফিজিওথেরাপি, ভাষা ও যোগাযোগ সহায়তা, পুষ্টি পরামর্শ এবং দৈনন্দিন চলাচলের প্রশিক্ষণ দরকার হতে পারে। তাই পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো শুধু চিকিৎসা নয়, জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে পারে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিশেষ মানুষদের কল্যাণে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়াচ্ছে। তাঁর মতে, প্রতিবন্ধিতা কোনো অক্ষমতা নয়; বরং সঠিক সেবা, শিক্ষা ও সামাজিক সহযোগিতা পেলে প্রতিটি শিশুই তার সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পেতে পারে।

অনুষ্ঠানে সরকারি নীতি, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কড়াইলের এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের অন্য এলাকাতেও বিশেষ শিশুদের জন্য একই ধরনের সেবা মডেল সম্প্রসারণের পথ তৈরি হতে পারে।

-রফিক


তারেক রহমানের সঙ্গে ভিসা প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১২:৪১:১৪
তারেক রহমানের সঙ্গে ভিসা প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভিসা-এর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কারপিন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। বৈঠকে ডিজিটাল কমার্সের বিস্তার, নিরাপদ পেমেন্ট অবকাঠামো এবং বাংলাদেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থায় ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও সহযোগিতার সুযোগও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি পেমেন্ট ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। দ্রুত সম্প্রসারিত ই-কমার্স ও ডিজিটাল সেবার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক পেমেন্ট প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়েও দুই পক্ষ মতবিনিময় করেছে।

স্টিফেন কারপিনের এই সফর এমন সময়ে হচ্ছে, যখন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম পেপ্যালের কার্যক্রম চালুর জন্যও একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে। ফলে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্কের সঙ্গে দেশের আর্থিক খাতের সংযোগ বৃদ্ধি বর্তমানে সরকারের ডিজিটাল অর্থনীতি-সংক্রান্ত উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সামনে এসেছে।

ভিসার পক্ষ থেকেও সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়া প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়ার বাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠানটি সুরেশ শেঠিকে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তার দায়িত্বের আওতায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান রয়েছে। তিনি সরাসরি স্টিফেন কারপিনের অধীনে কাজ করছেন। ভিসা নিজেই দক্ষিণ এশিয়াকে তাদের অন্যতম গতিশীল ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তিন দিনের সফরে সোমবার বাংলাদেশে পৌঁছান স্টিফেন কারপিন। তার সঙ্গে রয়েছেন সুরেশ শেঠি। সফরসূচি অনুযায়ী, ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক প্রধান ১২ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন। এই সফরে সরকারি পর্যায়ের পাশাপাশি দেশের আর্থিক ও ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে পেমেন্ট প্রযুক্তিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ভিসা। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্টেবলকয়েন এবং টোকেনভিত্তিক পেমেন্ট প্রযুক্তিতে একাধিক নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে স্মার্টফোনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের সুযোগ বাড়াতে নতুন সক্ষমতাও চালু করেছে। এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বাণিজ্যে নিরাপত্তা, আস্থা ও সহজ লেনদেন নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল পেমেন্টের বিস্তার শুধু নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয় নয়। কার্যকর ও নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো ক্ষুদ্র ব্যবসা, ই-কমার্স, ফিনটেক, আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে এর সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা, জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মধ্যে আন্তঃসংযোগ নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

-রাফসান


মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব কে হবে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১০:৩৯:২৫
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিব কে হবে
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সেই আলোচনায় বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি সামনে আসছে। দলীয় ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হলেও আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে বিষয়টিকে চূড়ান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হলে এর প্রভাব শুধু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো এবং সরকারের মন্ত্রিসভাতেও নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে তিনি বর্তমানে একই সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় তার সম্ভাব্য পদ পরিবর্তনের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নতুন মুখ আসার আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হলে বিএনপির মহাসচিব পদে কে দায়িত্ব নেবেন, সেটিই দলের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক প্রশ্ন হয়ে উঠতে পারে। বিএনপির চেয়ারম্যানের পর মহাসচিব দলটির দৈনন্দিন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফলে নতুন মহাসচিব নির্বাচন বা অন্তর্বর্তী সময়ে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিয়োগের বিষয়টি দলীয় রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

দলীয় সূত্রের বরাতে আলোচনায় দুটি নাম বিশেষভাবে সামনে এসেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর মধ্যে কাউকে জাতীয় কাউন্সিলের আগ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বেও পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে উঠবে। সংশ্লিষ্ট মহলের আলোচনায় বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নাম সম্ভাব্য এলজিআরডিমন্ত্রী হিসেবে উঠে এসেছে। আরেকটি সম্ভাবনা হিসেবে বর্তমান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়ে একই মন্ত্রণালয়ে রাখা হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। সূত্রের দাবি, সরকার গঠনের প্রাথমিক পর্যায়েও সালাহউদ্দিন আহমদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ ছিল।

সালাহউদ্দিন আহমদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নেওয়া হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে নতুন মন্ত্রী প্রয়োজন হবে। এই জায়গায় বর্তমান পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির নাম আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকেও সম্ভাব্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনার আলোচনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তন আসতে পারে। সেক্ষেত্রে বর্তমান মন্ত্রিসভার অন্য কোনো সদস্যের দপ্তর পরিবর্তন করে পানিসম্পদে নেওয়া অথবা মন্ত্রিসভার বাইরে থেকে নতুন কাউকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। ফলে একটি পরিবর্তনের সূত্র ধরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে ধারাবাহিক দপ্তর পুনর্বণ্টনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আলোচনায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নামও রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একটি অংশের ধারণা, সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন না এলে তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় নেওয়ার সম্ভাবনাও বিবেচনায় থাকতে পারে। তবে তিনি কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন কিংবা আদৌ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হবেন কি না—এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

একই সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভায় আরও দুই থেকে তিনজন নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। সম্ভাব্য রদবদলে শুধু শূন্য হওয়া মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী নিয়োগ নয়, কয়েকজন বর্তমান মন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তনের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব আলোচনা এখন পর্যন্ত সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে।

পুরো সমীকরণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী করা হলে তার পরবর্তী ধাপে দলীয় নেতৃত্ব, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এবং মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণের বিষয়গুলো সামনে আসতে পারে। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার রদবদল বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক এখতিয়ার এবং দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সম্ভাব্য নাম ও দপ্তর বণ্টনের আলোচনাগুলোকে নিশ্চিত সিদ্ধান্তের পরিবর্তে রাজনৈতিক সূত্রনির্ভর সম্ভাবনা হিসেবেই বিবেচনা করা যুক্তিযুক্ত।

-রফিক


এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু আজ, আবেদন করবেন যেভাবে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১০:০৭:৩৩
এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ শুরু আজ, আবেদন করবেন যেভাবে
ছবি : সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর প্রকাশিত ফল নিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর সংশয় থাকলে আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। তবে এ বছর সরাসরি শিক্ষা বোর্ডে গিয়ে কিংবা কাগজে লিখিত কোনো আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ নেই। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শেষ করতে হবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ৮ আগস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোও আবেদন পদ্ধতি, ফি পরিশোধ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। তাই আবেদন করার আগে নিজ শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি পত্রে ১৫০ টাকা করে ফি দিতে হবে। তবে বাংলা ও ইংরেজির মতো যেসব বিষয়ে দুটি পত্র রয়েছে, সেসব বিষয়ের পুনর্নিরীক্ষণ চাইলে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত অর্থ বিকাশ, নগদ অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।

একবার কোনো বিষয়ের আবেদন সম্পন্ন করার পরও শিক্ষার্থী চাইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্য বিষয়ের জন্য আলাদাভাবে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। নতুন বিষয়ের আবেদনেও একই পদ্ধতিতে ফি দিতে হবে। তবে আগে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থাকলে পুনরায় নতুন নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আবেদনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ফি পরিশোধ করার আগে ভুল করে কোনো বিষয় নির্বাচন করা হলে সেটি পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে। ‘মুছে ফেলুন’ অপশন ব্যবহার করে ভুল বিষয় বাদ দিয়ে কাঙ্ক্ষিত বিষয় পুনরায় নির্বাচন করা যাবে। কিন্তু একবার অর্থ পরিশোধ হয়ে গেলে নির্বাচিত বিষয় আর পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে না। জমা দেওয়া অর্থও ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে প্রথমে বোর্ডের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে পরীক্ষার্থীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়ার পাশাপাশি ড্রপডাউন তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। তথ্য ঠিকভাবে পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে আবেদন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ সামনে আসবে।

এরপর শিক্ষার্থীকে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এই নম্বরটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুনর্নিরীক্ষণ শেষে ফলাফলে কোনো পরিবর্তন হলে বা চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ওই নম্বরে জানানো হবে।

পরবর্তী ধাপে পরীক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফল স্ক্রিনে দেখা যাবে। যে পত্র বা বিষয়গুলোর ফল পুনর্নিরীক্ষণ করাতে চান, সেগুলো টিক দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘ফি প্রদান করুন’ অপশনে গেলে নির্বাচিত পত্রের ভিত্তিতে মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে, তা দেখানো হবে।

বিকাশ, নগদ কিংবা সোনালী সেবার যেকোনো একটি মাধ্যম ব্যবহার করে নির্ধারিত ফি জমা দেওয়া যাবে। অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি বুঝতে অসুবিধা হলে আবেদন পোর্টালের ‘হেল্প’ অপশন থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেখা যাবে। পেমেন্ট সফল হওয়ার পর পুনরায় পোর্টালে গিয়ে ‘জমা দিন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এই ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পরই আবেদন চূড়ান্তভাবে জমা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।

এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মনে রাখা প্রয়োজন, ফল পুনর্নিরীক্ষণ সাধারণ অর্থে উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়ন বা পুনরায় নম্বর দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়। সাধারণত উত্তরপত্রের সব প্রশ্নের নম্বর যোগ করা হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে মোট নম্বরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না এবং ফল প্রস্তুতের সময় কোনো কারিগরি বা হিসাবগত ত্রুটি হয়েছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা হয়। ফলে আবেদন করলেই যে নম্বর বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল সেবা, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারছেন। এসএমএসে ফল পেতে নির্ধারিত নম্বরে পরীক্ষার নাম, বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে বার্তা পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি অনুযায়ী, গত ১৯ বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন পাসের হার। এমন প্রেক্ষাপটে প্রত্যাশার তুলনায় কম নম্বর পাওয়া বা ফলাফল নিয়ে সংশয় থাকা শিক্ষার্থীদের একটি অংশ পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারেন।

-রফিক


শূন্য পদে রিজভী নাকি অন্য কেউ: বিএনপিতে আলোচনার ঝড়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ২১:৪৭:৩৬
শূন্য পদে রিজভী নাকি অন্য কেউ: বিএনপিতে আলোচনার ঝড়
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। দলটির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবিধান ও আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে তাকে দলীয় পদ ছাড়তে হতে পারে, যার ফলে শূন্য হতে যাওয়া মহাসচিব পদে আসার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হলে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কে হবেন—তা নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহলে জোর আলোচনা চলছে। এই পদের জন্য সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে দলের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুঃসময়েও দলের মুখপাত্র হিসেবে অবিচল ভূমিকা পালনের কারণে হাইকমান্ডের আস্থায় রয়েছেন তিনি।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের ভাবনায় রিজভী আহমেদকে এই দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তবে এই পদের দৌড়ে সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল এবং মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির মতো হেভিওয়েট নেতাদের নামও শোনা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে রুহুল কবির রিজভী জানান যে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বা ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের বিষয়ে তার কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই এবং কেউ এখনো তার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করেননি। দল তাকে যেভাবে মূল্যায়ন করবে, শীর্ষ নেতৃত্বের সেই সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন বলে জানান।

বিএনপির সবশেষ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর কাউন্সিল হওয়ার নিয়ম থাকলেও নানা কারণে তা গত ১০ বছর ধরে স্থগিত রয়েছে। তবে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দলের পরবর্তী কাউন্সিল আয়োজনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ওই কাউন্সিলেই দলের পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচন করা হতে পারে। ততদিন পর্যন্ত সাংগঠনিক গতিশীলতা রক্ষায় কাউকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

/আশিক


এসএসসি পরীক্ষার খাতার শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ১৮:৩৬:০০
এসএসসি পরীক্ষার খাতার শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা
ছবি: বাসস

সদ্য প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা ও দক্ষতার শতভাগ নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলের কৃত্রিমভাবে পাসের হার বা জিপিএ-৫ বাড়ানোর যে সংস্কৃতি ছিল, বর্তমান সরকার তা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে এসেছে।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার গঠনের মাত্র দুই মাস পর গত ২১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। এবারই প্রথমবারের মতো দেশজুড়ে একক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে এবং কেন্দ্রে সিসিটিভি ও বডি-ওন ক্যামেরার মাধ্যমে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হয়েছিল। খাতার মূল্যায়ন হয়েছে শতভাগ নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে। তাই এই ফলাফলই শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অর্জনের প্রতিফলন। বিগত ১৬ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার যে ক্ষতি হয়েছে তা রাতারাতি মেরামত সম্ভব না হলেও, আত্মনির্ভরশীলতা ও কর্মসংস্থানমুখী আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। এছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যক্রমে পরিমার্জনের অংশ হিসেবে নতুন চারটি বই যুক্ত করার তথ্যও তিনি নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামানসহ বিভিন্ন বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি ঘাটতি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিহ্নিত করে শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

/আশিক


বিগত ১৮ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর বড় ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ১৮:২৫:৩৭
বিগত ১৮ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর বড় ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১৮ বছরের শাসনামলে আন্দোলন-সংগ্রাম, গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা বীরের মর্যাদা পাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। তিনি জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে বিগত ১৮ বছরে নির্যাতিত সকলেই সরকারিভাবে গেজেটভুক্ত হবেন, স্বীকৃতি পাবেন এবং ভাতা সুবিধা লাভ করবেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকা আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আইনজীবীদের ওপর নির্যাতন’ শীর্ষক এক প্রামাণ্যচিত্র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় স্থগিত হয়ে যাওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেট প্রক্রিয়া পুনর্বহাল করা হয়েছে এবং ‘জুলাই অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুনরায় আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কেবল ৩৬ দিনের ফসল নয়, বরং এটি দীর্ঘ ১৮ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলন, রাজপথের ত্যাগ, হামলা-মামলা ও গুম-খুনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের চূড়ান্ত পরিণতি।

সরকারের সংস্কারমূলক কার্যক্রম প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং বিএনপির তারেক রহমানের নির্দেশে দলটি প্রথম দল হিসেবে ঐতিহাসিক 'জুলাই সনদে' স্বাক্ষর করেছে। তিনি আরও দাবি করেন, এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করলেও বিএনপি রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদের বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় পিপি ওমর ফারুক ফারুকীসহ আইনজীবী সমিতির শীর্ষ ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


শেখ হাসিনা ও হাদি হত্যাকারীদের দ্রুত প্রত্যর্পণের তাগিদ দিল বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ১৮:০৭:১১
শেখ হাসিনা ও হাদি হত্যাকারীদের দ্রুত প্রত্যর্পণের তাগিদ দিল বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

দায়িত্ব গ্রহণের দেড় মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিভিন্ন দিক ও আলোচনার বিষয়বস্তু গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বৈঠকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করার দাবি জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার আশা প্রকাশ করেছে যে, এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় ভারত ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাবে। পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ভারত সরকার যেসব নথিপত্র চেয়েছিল তা আগেই হস্তান্তর করা হয়েছে। হাদি ইস্যুটিকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে অভিহিত করে গ্রেপ্তারকৃত সন্দেহভাজন খুনিদের দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশের কাছে সোপর্দ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ব্রিফিংয়ে গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনার দেওয়া ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যের কড়া জবাব ও প্রতিবাদ প্রসঙ্গেও কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মন্তব্য করেন, একজন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া ছিল বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রতি সরাসরি অবমাননা। ভারত সরকার যাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে ব্যাপারে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে উপলব্ধি করতে পেরেছে বলে আশ্বস্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সর্বোপরি, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিতে একটি সহায়ক ও শ্রদ্ধাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৯ ২২:০৬:২৬
বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি বজায় রাখতে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (৯ আগস্ট) দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বিগত কিছুদিন ধরে একটি পক্ষ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যার চূড়ান্ত খেসারত দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। তিনি জানান, বিএনপি সরকার শিগগিরই জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা পেশ করবে। এ সময় বিরুদ্ধ মতাদর্শীদের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য না দিয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছর পার হওয়ায় এখন আর পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই; বরং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী সরকারের নানা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা তুলে ধরে জানান, চলতি আগস্ট মাসের ১৬ তারিখ থেকে 'ফ্যামিলি কার্ড'-এর মূল কাজ শুরু হবে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের প্রায় ৪১ লাখ নারী এই সুবিধা পাবেন, যার মধ্যে কেবল বাঁশখালীতেই ১০ থেকে ১২ হাজার পরিবার অন্তর্ভুক্ত হবে। পাশাপাশি সাধারণ কৃষক ও লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে লবণ চাষীদের জন্য 'কৃষক কার্ড' চালুর সুবিধাও শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, মহেশখালী, মাতারবাড়ী ও মীরসরাইকে ঘিরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ টানা হচ্ছে এবং চিনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ অঞ্চলে শত শত কারখানা গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে তিনি বিগত সরকারের সময়ের বিদ্যুৎ খাতের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত সংস্কার করে আগামী ১০ বছরের জ্বালানি রূপরেখা সংসদে তোলার ঘোষণা দেন এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের সকল ৫০ শয্যার উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

চট্টগ্রাম থেকে অর্থ ও স্বরাষ্ট্রের মতো দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় অধিবাসীদের দেশের উন্নয়ন যাত্রায় সঙ্গে থাকার আহ্বান জানান। তিনি বিএনপির মূল শক্তি জনগণ উল্লেখ করে বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শক্তিশালী কর্মশক্তিতে রূপান্তর করা, যেন প্রত্যেকে নিজ পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে বাঁশখালীর বাহারছড়া গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবারের হাতে নতুন বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী, মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন এবং তাদের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণ করেন।

/আশিক


দেশ পরিচালনায় পূর্ণ সততা নিশ্চিতে হেফাজত আমিরের দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৯ ১৮:৪১:৪৫
দেশ পরিচালনায় পূর্ণ সততা নিশ্চিতে হেফাজত আমিরের দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল সোয়া চারটায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী মাদরাসায় পৌঁছালে হেফাজতে ইসলামের আমির এবং তাঁর ছেলে ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সাক্ষাতের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী হেফাজত আমিরকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। এরপর তিনি প্রবীণ এই আলেম ও ধর্মীয় নেতার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

বৈঠকে দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ অধিকার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করবে, তবে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে ইসলামকে তার নিজস্ব মহিমায় এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিগত রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যারা অতীতে দেশকে ভিন্ন আদর্শ ও নেতিবাচক অভিমুখে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, তারা গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মহলে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিকালে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারপ্রধান হিসেবে নিজের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ পরিচালনার এই গুরুদায়িত্ব যেন পূর্ণ সততা ও ঈমানের সঙ্গে পালন করতে পারেন, সে জন্য তিনি হেফাজত আমিরের দোয়া ও পরামর্শ কামনা করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল, স্থানীয় সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর এবং হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

/আশিক

পাঠকের মতামত: