দেবিদ্বারে ইয়াবা সেবন: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ জনের ২ মাসের জেল

মোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ২১:৪৬:৫৫
দেবিদ্বারে ইয়াবা সেবন: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ জনের ২ মাসের জেল
ছবি : মোঃ মাসুদ রানা

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের বাঙ্গুরী গ্রামে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে চারজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২১ জুন পরিচালিত অভিযানে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় প্রত্যেককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সল উদ্দিন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জাল উদ্দীন পিন্টু, ২৯ মো. শাহিন, ২৮ মো. তামিম, ২৩জাহিদুল ইসলাম, ৩৭তারা সবাই দেবিদ্বার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্র ও উপজেলা প্রশাসন জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঙ্গুরী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় চারজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক দণ্ড দেওয়া হয়।দণ্ডপ্রাপ্তদের রোববার দুপুরে দেবিদ্বার থানা পুলিশ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সল উদ্দিন বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সংশ্লিষ্ট যে কোনো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


মুরাদনগরে নিখোঁজ অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

মোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ২১:৪৩:০৮
মুরাদনগরে নিখোঁজ অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
ছবি : মোঃ মাসুদ রানা

কুমিল্লার মুরাদনগরে নিখোঁজের এক দিন পর এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার টনকী ইউনিয়নের বৈলাবাড়ি গ্রামের দড়েরপাড় এলাকায় সড়কের পাশের ঝোপ থেকে শনিবার ২০ জুন দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হত্যা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত মাহবুল হোসেন ২৮ মুরাদনগরের গকুলনগর গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন তিনি। গ্রেপ্তার হওয়া নাঈম ইসলাম ২৫ দাউদকান্দির পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ টিলি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পরিবার নিয়ে মুরাদনগরের নগরপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ১৮ জুন রাত প্রায় ১০টার দিকে মাহবুল অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরিবারকে জানিয়েছিলেন, দুজন যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছে দেবেন। কিন্তু গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোন বন্ধ পান।

রাতভর ও পরদিন শুক্রবার সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও মাহবুলের সন্ধান মেলেনি। শনিবার দুপুরে স্থানীয়রা টনকী ইউনিয়নের বৈলাবাড়ি গ্রামের দড়েরপাড় এলাকায় সড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেন।

বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. শফিউল আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে অটোরিকশা ছিনতাই বা চুরির উদ্দেশ্যে মাহবুলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ শনিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে নাঈম ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, মাহবুলের ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি কোদালকাটা-মির্জাপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে রবিবার ২১ জুন আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।


নানিয়ারচরে সেনা অভিযানে ১৩ লাখ টাকার সেগুন কাঠ উদ্ধার

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ১৬:১২:১৫
নানিয়ারচরে সেনা অভিযানে ১৩ লাখ টাকার সেগুন কাঠ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত

রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধারে তাৎক্ষণিক ও সফল অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের সেগুন গোলকাঠ উদ্ধার করা হয়েছে, যা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গত রাতের কোনো এক সময় নানিয়ারচর উপজেলার রাবার বাগান এলাকা থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ চুরির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানতে পেরে নানিয়ারচর সেনা জোন দ্রুত পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে উদ্ধার অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয়।

নানিয়ারচর জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, পিএসসি-এর নির্দেশনায় সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। সেনাবাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরচক্রের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়।

তদন্তে জানা যায়, চুরি হওয়া কাঠগুলো রামহরিপাড়া ও তক্ষশীলা এলাকার সড়ক ব্যবহার করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এরপর সম্ভাব্য গন্তব্যগুলো চিহ্নিত করে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা সদস্যরা।

অভিযানের একপর্যায়ে উপজেলার কৃষ্ণমাছড়া পুকুর সংলগ্ন একটি গোপন স্থানে বিপুল পরিমাণ সেগুন গোলকাঠের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে কাঠগুলো উদ্ধার করে নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়। উদ্ধার হওয়া কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাঠের মালিক মো. সোহেল মিয়া উদ্ধার হওয়া কাঠ শনাক্ত করেন। এরপর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাঠগুলো মালিকের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ না থাকলে এত বড় অঙ্কের সম্পদ উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম ছিল। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকার দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কাঠ চুরি ও অবৈধ পরিবহনের ঘটনা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছিল। সেনাবাহিনীর এ অভিযান অপরাধী চক্রগুলোর জন্য একটি শক্ত বার্তা হিসেবে কাজ করবে।

নানিয়ারচর এলাকার সাধারণ মানুষও সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, এ ধরনের তৎপরতা পার্বত্য অঞ্চলে মানুষের আস্থা আরও বাড়াবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।


রোববার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ১১:৩৬:৪১
রোববার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে
ছবি: সংগৃহীত

সাপ্তাহিক ছুটির দিন কিংবা অবকাশের সময় রাজধানীবাসীর বড় একটি অংশ পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা, আড্ডা কিংবা ঘোরাঘুরির পরিকল্পনা করে থাকেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছে মার্কেট বা দোকানপাট বন্ধ দেখতে হলে পুরো পরিকল্পনাই ভেস্তে যেতে পারে। এতে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনি বাড়ে দুর্ভোগও।

এ কারণে বাসা থেকে বের হওয়ার আগে রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ থাকবে, সে তথ্য জেনে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোববার (২১ জুন) ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকায় নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বহু মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

রাজধানীর তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের অন্যতম জনপ্রিয় কেন্দ্র বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি) আজ বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বন্ধ থাকবে পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লি, ইব্রাহীমপুর বাজার এবং রজনীগন্ধা মার্কেট।

এ ছাড়া ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট (গুলশান-১ ও ২), গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার এবং আল-আমিন সুপার মার্কেটেও আজ কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলবে না।

কেনাকাটার জন্য পরিচিত রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার এবং ঢাকা শপিং সেন্টারও আজ বন্ধ থাকবে।

এর পাশাপাশি আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স এবং মিতালি অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেটেও সাপ্তাহিক ছুটি পালন করা হবে।

শুধু মার্কেট নয়, রাজধানীর বিস্তীর্ণ এলাকার দোকানপাটও আজ বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী এবং মিরপুরের ১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর সেক্টর।

এ ছাড়া ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস এবং কাকলী এলাকার বেশিরভাগ দোকানপাটও বন্ধ থাকবে।

রাজধানীর কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল গুলশান-১, গুলশান-২, বনানী এবং মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়াতেও আজ অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কার্যক্রম বন্ধ রাখবে।

একই সঙ্গে নাখালপাড়া, মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকা, তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকা এবং তেজগাঁও শিল্প এলাকার বহু দোকান ও প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে।

রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা এবং কমলাপুরের কিছু অংশেও কেনাকাটার সুযোগ সীমিত থাকবে।

এ ছাড়া যাত্রাবাড়ীর একটি অংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড় এলাকার বহু দোকানপাট আজ বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, রাজধানীতে বিভিন্ন দিনে ভিন্ন ভিন্ন এলাকার সাপ্তাহিক ছুটি নির্ধারিত থাকায় আগে থেকেই তথ্য জেনে বের হওয়া জরুরি। এতে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি, যানজট এবং সময়ের অপচয় অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

-রাফসান


সংসদ থেকে সচিবালয়, আজ যেসব কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ১১:৩০:৩৩
সংসদ থেকে সচিবালয়, আজ যেসব কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় আজ (রোববার, ২১ জুন) সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় সংসদ, সচিবালয়, নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং গবেষণা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচি দিনভর প্রশাসনিক ও নীতিগত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।

দিনের শুরুতেই জাতীয় সংসদের কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে আয়োজিত একটি সেমিনারে তিনি অংশগ্রহণ করবেন। পরে দুপুর ১টায় নিজ কার্যালয়ে সংসদীয় লাইব্রেরি কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।

স্বাস্থ্য খাতেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের পুরাতন ১ নম্বর ভবনের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

সম্প্রতি পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রায়েনিয়াল কংগ্রেসে অংশগ্রহণ এবং সাম্প্রতিক ইউরোপ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন তিনি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়েও সাংবাদিকদের অবহিত করার কথা রয়েছে।

অর্থনীতি ও জাতীয় বাজেট নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে আজ। সকাল ১০টায় গুলশানের লেকশোর হোটেলের লা ভিটা হলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘সিপিডি বাজেট ডায়ালগ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা এই সংলাপে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। আসন্ন অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার কৌশল নিয়ে সেখানে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও রয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সকালে তেজগাঁওয়ের আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শাহবাগের আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত একটি সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।

পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক কার্যক্রমেও আজ বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বেলা ১১টায় আগারগাঁওয়ের পরিবেশ ভবনে আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নকে সামনে রেখে এই ধরনের আলোচনা সভাগুলো ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে পর্যটন ও বিমান খাতের উন্নয়ন নিয়েও আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ওই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

অন্যদিকে দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিজ্ঞান গবেষণা কর্মসূচিরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আজ। সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

-রাফসান


উত্তরাঞ্চলের ৪ জেলায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্যার সতর্কতা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২০ ১৮:২৮:৪৫
উত্তরাঞ্চলের ৪ জেলায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্যার সতর্কতা
ছবি : সংগৃহীত

টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলের চার জেলায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। শনিবার (২০ জুন) কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য এই বিশেষ সতর্কতা সংকেত ও পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন গণমাধ্যমকে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান, গত কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে উত্তরাঞ্চলের প্রধান তিন নদী—তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারের পানি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বৃদ্ধির এই ধারা যদি আগামী কয়েক দিন একইভাবে অব্যাহত থাকে, তবে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার (৩ দিন) মধ্যে এই নদ-নদীগুলোর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে যেতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন সংলগ্ন বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো অন্তত তিন দিনের জন্য এই স্বল্পমেয়াদি বন্যার কবলে পড়তে পারে।

কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের প্রায় সব কটি নদ-নদীর পানি সমতল উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আবহাওয়া ও নদীচিত্রের এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন পানি বৃদ্ধি পাওয়ার এই প্রবণতা পুরোপুরি বজায় থাকতে পারে।

এদিকে দেশের সার্বিক আবহাওয়া ও নদ-নদীর বর্তমান অবস্থা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই মুহূর্তে দেশের সব প্রধান ও বড় বড় নদ-নদীর পানি সামগ্রিকভাবে বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আশঙ্কার বিষয় হলো, বাংলাদেশের রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে এবং বাংলাদেশের ঠিক উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় ও অরুণাচল প্রদেশে আগামী কয়েক দিন মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আর উজানের এই বৃষ্টির পানি নেমে এলে নদীগুলোর ওপর চাপ আরও বাড়বে।

দেশের অন্য অঞ্চলের নদীগুলোর অবস্থা সম্পর্কে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি আগামী পাঁচ দিন ধরে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও তা বিপৎসীমার নিচেই অবস্থান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির স্তর আপাতত স্থিতিশীল বা অপরিবর্তিত থাকলেও চলতি সপ্তাহের শেষভাগে তা কিছুটা বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলের পাশাপাশি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও বন্যার চোখ রাঙানি দেখা দিয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের কিছু কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে জলমগ্ন বা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সাথে সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, কংস ও ভুগাই নদীর পানিও ক্রমশ বাড়তে থাকায় নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসন নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখতে এবং যেকোনো জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় আগাম সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে।

/আশিক


শনিবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২০ ১০:২১:০৬
শনিবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে
ছবি: সংগৃহীত

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা, প্রয়োজনীয় কাজ কিংবা ঘুরতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বের হন। তবে গন্তব্যে পৌঁছে যদি দেখা যায় মার্কেট বা দোকানপাট বন্ধ, তাহলে শুধু পরিকল্পনাই ভেস্তে যায় না, নষ্ট হয় মূল্যবান সময়ও। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানী ঢাকার পুরান ঢাকা ও আশপাশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় নিয়মিত সাপ্তাহিক বন্ধ পালন করা হবে। এ কারণে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসার বড় অংশ দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকবে।

বিশেষ করে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ব্যবসাকেন্দ্র শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণাংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির এলাকা এবং যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা এলাকা, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ ও শাঁখারী বাজার এলাকার বেশিরভাগ দোকানও বন্ধ থাকবে।

রাজধানীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট ও পাইকারি ব্যবসা কেন্দ্রও শনিবার বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ইসলামপুরের কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট এবং ইদ্রিস সুপার মার্কেট।

এ ছাড়া দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি বাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন এবং আজিমপুর সুপার মার্কেটও দিনের জন্য বন্ধ থাকবে।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন আলাদা হওয়ায় অনেকেই বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েন। ফলে পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া বের হলে সময় ও যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যায়।

-রাফসান


বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ কোথায় মার্কেট বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৯ ০৯:৫৪:৫৭
বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ কোথায় মার্কেট বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি কিংবা প্রয়োজনীয় কাজ সারতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বের হন। তবে গন্তব্যে পৌঁছে যদি দেখা যায় দোকানপাট কিংবা মার্কেট বন্ধ, তাহলে সময় ও শ্রম দুটোই নষ্ট হয়। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে কোন কোন এলাকায় সাপ্তাহিক ছুটি পালন করা হচ্ছে, তা জেনে নেওয়াই হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানী ঢাকার পুরান ঢাকা ও আশপাশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় দোকানপাট ও পাইকারি বাজার বন্ধ থাকবে। এসব এলাকার ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুরো দিন বা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্থগিত থাকতে পারে।

সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ব্যবসাকেন্দ্রগুলোতে। বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর এবং মীরহাজীরবাগ এলাকায় অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল এবং জয়কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও সাপ্তাহিক ছুটির আওতায় থাকবে।

যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল এলাকা, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা এলাকা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারীবাজার, চাঁনখারপুল এবং গুলিস্তানের দক্ষিণাংশেও নিয়মিত ব্যবসা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

শুধু দোকানপাট নয়, রাজধানীর বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেট ও পাইকারি বাজারও শুক্রবার বন্ধ থাকবে। ফলে কেনাকাটার পরিকল্পনা থাকলে বিকল্প স্থান বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্ধ থাকা মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট এবং ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট। পাশাপাশি শ্যামবাজারের পাইকারি দোকানগুলোও এদিন বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট এবং দয়াগঞ্জ বাজারেও ক্রেতাদের জন্য কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হবে না।

ধূপখোলা মাঠ বাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার এবং কাপ্তানবাজারের ব্যবসায়িক কার্যক্রমও শুক্রবার বন্ধ থাকবে। ফলে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আগেভাগেই প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুরের কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটারা এবং বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেটও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির আওতায় থাকবে।

এ ছাড়া শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট এবং সান্দ্রা সুপার মার্কেটও এদিন বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন দিনে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় অনেক সময় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়েন। ফলে আগে থেকে পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি ও সময়ের অপচয় কমানো সম্ভব।

-রফিক


লোডশেডিংয়ে নাকাল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বিদ্যুৎ উৎপাদন করেও অন্ধকারে ২১ জেলা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৯:৫৬:৪৪
লোডশেডিংয়ে নাকাল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বিদ্যুৎ উৎপাদন করেও অন্ধকারে ২১ জেলা
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সচল থাকা কেন্দ্রগুলোতেও জ্বালানি স্বল্পতার জেরে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই অঞ্চলের ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ইতিমধ্যে অন্তত ৯টি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। এরপরও খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ পদ্মার এপারেন ২১টি জেলার মানুষকে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা তীব্র লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে।

অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে উৎপাদিত এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের একটি বড় অংশ জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে সরাসরি ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হওয়া সত্ত্বেও চরম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের। স্থানীয় নাগরিক নেতাদের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতি কেবল উৎপাদন সংকটের কারণে তৈরি হয়নি, বরং এটি বিদ্যুৎ বণ্টনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আঞ্চলিক বৈষম্যের একটি স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস স্বল্পতার কারণে ৪১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ভেড়ামারা নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট কয়েকদিন ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এর পাশাপাশি ১১৫ মেগাওয়াটের খুলনা কেপিসিএল, ২২৫ মেগাওয়াটের নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং ১০৫ মেগাওয়াটের রূপসা ওরিয়ন পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। শুধু কেন্দ্র বন্ধ হওয়াই নয়, জ্বালানি সংকটে চালু থাকা বেশিরভাগ বিদ্যুৎকেন্দ্রও এখন তাদের প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতার চেয়ে অনেক নিচে নেমে এসেছে।

ওজোপাডিকোর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের গত বুধবার (১৭ জুন)-এর প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৩৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতার খুলনা পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে মাত্র ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন করেছে ৫১০ মেগাওয়াট। এছাড়া ১৫০ মেগাওয়াটের পায়রা ইউনাইটেড পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে এসেছে মাত্র ১৭ মেগাওয়াট, ১২০ মেগাওয়াটের বরিশাল সামিট পাওয়ার প্ল্যান্ট উৎপাদন করেছে ১৬ মেগাওয়াট এবং ১০৫ মেগাওয়াটের গোপালগঞ্জের মধুমতি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মিলেছে মাত্র ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই দিন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে সর্বমোট চার হাজার ৪১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছিল। তবে ওজোপাডিকোর নিজস্ব গ্রাহকদের জন্য সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র দুই হাজার ৩১৫ মেগাওয়াট। অবশিষ্ট দুই হাজার ১০৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। এই বৈষম্যমূলক পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় নাগরিক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে। তাদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো এই অঞ্চলে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এখানকার মানুষজন পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় লোড ডেসপাস সেন্টার (এলডিসি) বিদ্যুৎ বণ্টন নিয়ন্ত্রণ করায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে তুলনামূলকভাবে কম বিদ্যুৎ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে বলেও নাগরিক নেতারা দাবি করেন।

ওজোপাডিকো ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, খুলনা ও বরিশাল জোনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০০ মেগাওয়াট করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। দুই জোনে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ৬০০ থেকে ৭০০ মেগাওয়াট হলেও প্রতিদিন সরবরাহ ঘাটতি থাকছে ১৫০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট। ফলে শহর ও গ্রামাঞ্চলে দৈনিক আট থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকা এবং ভিআইপি ফিডারের বাইরে থাকা সাধারণ এলাকাগুলোতে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সবচেয়ে বেশি।

এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী এই বিদ্যুৎ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কোল্ড স্টোরেজ, আইটি সেবা, হাসপাতাল এবং ভারী উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরি জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এতে করে উদ্যোক্তাদের উৎপাদন ব্যয় বহুলাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বর্তমানে তাদের স্বাভাবিক সক্ষমতার অর্ধেক বা তার চেয়েও কম উৎপাদনে পরিচালিত হচ্ছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ওজোপাডিকোর প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদ বলেন, ওজোপাডিকো মূলত একটি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান। এলডিসির মাধ্যমে পিডিবি থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া যায়, সেটিই গ্রাহকদের মাঝে বণ্টন করা হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকলে বাধ্য হয়েই কিছু এলাকায় লোডশেডিং করতে হয়। তবে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আবার পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরলে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে বলে আশা করা যায়।

বিদ্যুৎ বণ্টনের এই বৈষম্য নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান। তিনি অভিযোগ করেন, খুলনা অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়ন ও সুবিধার ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। এখানে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলেও তার সিংহভাগ অন্য অঞ্চলে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং স্থানীয় জনগণকে লোডশেডিংয়ের চরম ভোগান্তির মধ্যে ফেলে রাখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, দীর্ঘমেয়াদে এই বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা। তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, খুলনা সিটি করপোরেশনের সোনাডাঙ্গা সোলার পার্কটি যদি অল্প ব্যয়ে পুনরায় সচল করা যায়, তবে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুতের একটি বড় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকারি উদ্যোগে বড় প্রকল্প নেওয়া হলে জাতীয় গ্রিডের ওপর থেকে বাড়তি চাপ অনেকটাই কমে আসবে।

/আশিক


বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ কোথায় মার্কেট বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১০:১৭:০৯
বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ কোথায় মার্কেট বন্ধ
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় প্রতিদিনই হাজারো মানুষ কেনাকাটা, ব্যক্তিগত কাজ কিংবা অবসর কাটাতে বিভিন্ন মার্কেট ও বাণিজ্যিক এলাকায় যান। তবে নির্দিষ্ট এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা না থাকলে ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে। তাই বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বাসা থেকে বের হওয়ার আগে রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও শপিং সেন্টার বন্ধ থাকবে, তা জেনে নেওয়া জরুরি।

সাপ্তাহিক ছুটির অংশ হিসেবে আজ রাজধানীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একটি অংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম এলাকা, জাতীয় চিড়িয়াখানা সংলগ্ন বাণিজ্যিক এলাকা, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বেশিরভাগ দোকানপাট।

এছাড়া রাজধানীর জনপ্রিয় ও ব্যস্ততম বেশ কয়েকটি মার্কেটও আজ বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বাইতুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট এবং সাকুরা মার্কেট।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: