মাথা ঝুঁকিয়ে নয়, সংসদে স্পিকারকে সম্মান জানাতে হবে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ১৮:১০:১৩
মাথা ঝুঁকিয়ে নয়, সংসদে স্পিকারকে সম্মান জানাতে হবে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে অধিবেশনকক্ষে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় মাথা ঝুঁকিয়ে স্পিকারের চেয়ার বা সভাপতির প্রতি সম্মান জানানোর দীর্ঘদিনের রীতির অবসান ঘটলো। এখন থেকে সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি মেনে স্পিকারের প্রতি সম্মান জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সংসদের অধিবেশনে এই রুলিং ও সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

এর আগে গত ১৬ জুন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এই রীতির তীব্র আপত্তি তুলেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর এই পদ্ধতি ইসলামের আকীদা ও বিশ্বাসের সঙ্গে ‘সাংঘর্ষিক’ এবং তা ‘শিরকের কাছাকাছি চলে যায়’। বিষয়টি সুরাহার জন্য তিনি স্পিকারের প্রতি অনুরোধ জানালে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ কার্যপ্রণালি বিধি পরীক্ষা করে পরে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আশ্বস্ত করেছিলেন।

আজ সেই বিষয়ে চূড়ান্ত রুলিং দিতে গিয়ে স্পিকার বলেন, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৭ বিধি অনুযায়ী, সংসদের বৈঠক চলাকালে কক্ষে প্রবেশ, ত্যাগ কিংবা আসন গ্রহণ ও ছাড়ার সময় সদস্যগণ সভাপতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন। তবে অষ্টম সংসদে বিধিটি সংশোধন করে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দটি ইতিমধ্যে বাদ দেওয়া হয়েছে।

স্পিকার আরও স্পষ্ট করেন, অষ্টম সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির উপস্থাপিত প্রতিবেদন সংসদে বিবেচিত ও গৃহীত হয়েছিল, যার মধ্যে ২৬৭ (১) বিধির এই সংশোধনীটি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

যেহেতু কার্যপ্রণালি বিধি থেকে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাই সংসদ সদস্যদের যার যার ধর্মীয় রীতি (যেমন: সালাম বা অন্যান্য ধর্মীয় সম্ভাষণ) অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ার বা সভাপতির প্রতি সম্মান জানানোর নির্দেশ দেন তিনি।

/আশিক


হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০২ ১৯:৫১:৩৩
হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
ছবি : সংগৃহীত

আদালতের পৃথক দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, হামলা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় তার জামিন সংক্রান্ত রুলের ওপর শুনানি শেষে রোববার (২ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা বিচারাধীন থাকায় এখনই তিনি কারামুক্তি পাচ্ছেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার নিযুক্ত আইনজীবী।

এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর এই দুই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন। সেই রুলের শুনানি শেষে গত ২৬ জুলাই আদালত রায়ের তারিখ হিসেবে ২ আগস্ট দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত দিনে শুনানি শেষে জারি করা রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেন উচ্চ আদালত। আদালতে আসামি পক্ষে আইনি পরিচালনা করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।

আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের জানান, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা সংক্রান্ত মামলাটির বিচার কাজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রক্রিয়াধীন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলায় তার জামিন আদেশ স্থগিত রয়েছে। বাকি চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় হাইকোর্ট জামিনের আদেশ দিয়েছেন এবং অবশিষ্ট দুটি মামলার রুল শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

উলেখ্য, ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়, যার ভিত্তিতে একই বছরের ২৫ নভেম্বর তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তার জামিন আবেদনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সৃষ্ট সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম নিহত হন। উক্ত হত্যার ঘটনায় নিহত আইনজীবীর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে পুলিশ ও সংক্ষুব্ধ পক্ষ থেকে আরও চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা নিয়ে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

/আশিক


হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০২ ১৮:৪৪:০০
হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। রবিবার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, হুতিদের উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেই বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান বা দেশটিকে উপেক্ষা করার অংশ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, কারণ তেহরানের সঙ্গেও বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে অংশগ্রহণের পেছনের প্রেক্ষাপট ও কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, রিয়াদের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও বহুমাত্রিক। এই সম্পর্ককে কেবল হজ, ওমরাহ বা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি শক্তিশালী কৌশলগত উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ। তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক দেশ হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের এক ধরণের সুদৃঢ় আত্মিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধ জড়িত। তাই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রয়োজনে সহায়তা চাওয়া হলে বাংলাদেশ নীতিগতভাবে তাতে সাড়া দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

একই সংবাদ সম্মেলনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জামিন পাওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি জানান, সাবেক এই কর্মকর্তাকে ফেরত আনার বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে মূল উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ সংক্রান্ত আইনগত ও কূটনৈতিক আলোচনা চলমান রয়েছে এবং চূড়ান্ত কোনো অগ্রগতি হলে তা স্বরাষ্ট্র বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

/আশিক


অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০২ ১৮:৩২:১৫
অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের পাতারটেকে সাতজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। রোববার (২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এই আবেদন পেশ করা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, যার সাথে যুক্ত ছিলেন একাধিক প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সাবেক সরকারের আমলে বিরোধী দল ও ইসলামী মতাদর্শ দমনে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের মতো একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। কোনো রাজনৈতিক নেতা বা সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা নিষিদ্ধ সমতুল্য ছিল এবং বহু মানুষকে গোপন বন্দিশালায় রাখা হতো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই ধরনের অভিযান ও ক্রসফায়ারের নামে হত্যাকে জাতিসংঘসহ বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বহুবার মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করেছে বলে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়।

ঘটনার বিবরণে প্রসিকিউটর তামিম উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের নোয়াগাঁও পাতারটেক এলাকায় ‘অপারেশন শরতের তুফান’ নামের এক অভিযানে সোয়াত সদস্যরা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) নেতৃত্বে সাতজনকে গুলি করে হত্যা করে। তাদের বিভিন্ন স্থান থেকে তুলে এনে প্রথমে বগুড়ার একটি গোপন স্থানে রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত সাতজনের মধ্যে চারজনের পরিচয় এখনও অজানা হলেও বাকি তিনজন ছিলেন মো. ইবরাহীম, ফরিদুল ইসলাম আকাশ ও সাইফুর রহমান। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর ইবরাহীমের বাবা ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। এছাড়া তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুমকির কারণে নিহতদের স্বজনেরা সেসময় লাশ দাবি করতে সাহস পাননি বলেও শুনানিতে উঠে আসে।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, তৎকালীন এসবি প্রধান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, সিটিটিসির তৎকালীন প্রধান মনিরুল ইসলামসহ পুলিশ ও ডিবি বিভাগের একাধিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আসামিদের মধ্যে শহীদুল হক ও আসাদুজ্জামান মিয়া বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন এবং শুনানির দিন তাদের ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা হয়।

অভিযোগ গঠনের শুনানির পাশাপাশি আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালত থেকে অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন এবং শুনানির প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় চান। প্রসিকিউশন থেকে নথিপত্র পেতে দেরি হয়েছে উল্লেখ করে আসামিপক্ষ সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রসিকিউশনের কোনো আপত্তি না থাকায় ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১০ আগস্ট দিন ধার্য করেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এই ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল।

/আশিক


আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০২ ১৮:০৮:৫০
আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
ছবি : সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কারাগারে দেড় মাসেরও বেশি সময় বন্দি থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার পর তিনি কারামুক্ত হন, যদিও এর আগে ২৭ জুলাই সেখানকার আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন।

দুবাইয়ের আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি বর্তমানে ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে নিশ্চিত করেছে তার পারিবারিক সূত্র। তবে দুবাই পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ইন্টারপোলের রেড নোটিশ ও ঢাকার পাঠানো নথিপত্র পর্যালোচনার পরও কেন তাকে ফেরত আনা সম্ভব হলো না, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ দেশের নাগরিকত্ব ছাড়াও অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে এবং ভিন্ন দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করলে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতেও তাকে দেশে ফেরানো অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে। তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ বিনিয়োগের মাধ্যমে তুরস্কের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট অর্জন করেছেন বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতেও তার বিনিয়োগ রয়েছে বলে জানা গেছে। কোনো ব্যক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৈধ বাসিন্দা হলে এবং সে দেশে তার বিরুদ্ধে কোনো স্থানীয় অপরাধের অভিযোগ না থাকলে প্রত্যর্পণ এড়ানো আইনিভাবে সহজ হয়ে যায়। এর আগে পুলিশ পরিদর্শক মামুন ইমরান খান হত্যা মামলার আসামি আরাভ খানের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল; ইন্টারপোলের রেড নোটিশ থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহারের কারণে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।

ইন্টারপোলের জারি করা রেড নোটিশ মূলত সদস্য দেশগুলোর কাছে কোনো অপরাধীকে শনাক্ত বা সাময়িকভাবে আটক করার অনুরোধ, যা কোনো সরাসরি আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়। কোনো অভিযুক্তকে নির্দিষ্ট দেশে ফেরত পাঠাবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট দেশের আদালত ও সরকার।

আদালতে প্রত্যর্পণের আদেশ কার্যকর করার আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার নথি, অভিযোগের আইনি ভিত্তি এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মতো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হয়। দুবাইয়ের আদালতে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত নথিপত্র ও আইনি আবেদনের ওপর উভয় পক্ষের শুনানির পর আদালত শর্তসাপেক্ষে বেনজীর আহমেদকে জামিন দেওয়ার নির্দেশ দেন। জামিনের শর্ত হিসেবে তার দুবাই ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং তার পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা রাখা হয়েছে।

বেনজীর আহমেদের জামিন বা বর্তমান অবস্থান নিয়ে দুবাই পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এ বিষয়ে ইমেইলে যোগাযোগ করা হলে দুবাই পুলিশের জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স জানায়, তারা সরাসরি এ ধরনের তথ্য প্রচার করে না এবং তথ্যের জন্য তার কোনো নিকটাত্মীয়কে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে পাঠাতে হবে। অন্যদিকে, ঢাকায় পুলিশ সদরদপ্তরের ইন্টারপোল শাখা (এনসিবি) বেনজীর আহমেদের মুক্তির বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে সম্মত হননি।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়, তার মধ্যে তার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে এবং তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়, যার ভিত্তিতে গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

/আশিক


২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ২১:৪৫:৪৫
২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
ছবি : সংগৃহীত

সরকার ও ব্যবসায়ীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) উদ্যোগে আয়োজিত শীর্ষ বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় এ সংক্রান্ত দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সভায় উল্লেখ করা হয়, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো সরকার ও ব্যবসায়ী সমাজ—উভয় পক্ষই গভীরভাবে অনুধাবন করছে। সমস্যার কার্যকর সমাধানে নিবিড় সংলাপ ও সমন্বয়ের বিকল্প নেই।

ইতিপূর্বে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ২৮টি সুনির্দিষ্ট সমস্যার মধ্যে ২১টি বিষয়ে ইতোমধ্যে নীতিগত সমাধান ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং বাকি ৭টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবারও খাতভিত্তিক সংলাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরির নানা দিক নিয়ে ব্যবসায়ী নেতারা বিস্তারিত প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার একটি কৌশলগত রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়। এই লক্ষ্য অর্জনে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং সার্বিক নীতিনির্ধারণী সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।

উচ্চপর্যায়ের এই নীতি নির্ধারণী বৈঠকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস


যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ১৮:৩৮:০৬
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন ব্যবসায়ী সমন্বয়ে গঠিত এক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, শিল্প খাতে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, দেশের বেসরকারি খাতের বিকাশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোতে দ্রুত ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে পণ্য খালাসের সময় ও খরচ কমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়বে। একই দিনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় একাধিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও যৌথ উদ্যোগে অর্থনীতিকে গতিশীল করার বিষয়গুলোতে ঐকমত্য দেখা গেছে।

/আশিক


যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ১৮:৩৮:০৬
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন ব্যবসায়ী সমন্বয়ে গঠিত এক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, শিল্প খাতে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, দেশের বেসরকারি খাতের বিকাশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোতে দ্রুত ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে পণ্য খালাসের সময় ও খরচ কমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়বে। একই দিনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় একাধিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও যৌথ উদ্যোগে অর্থনীতিকে গতিশীল করার বিষয়গুলোতে ঐকমত্য দেখা গেছে।

/আশিক


আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ১৮:৩৩:৫৩
আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ত্বরান্বিত এবং দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দেশের সকল বন্দর দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রাইভেট সেক্টর বা বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য খালাস ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন বা '২৪ ঘণ্টা' করার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

উক্ত প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের সমন্বয়ে সামনের দিনগুলোতে নিশ্চিত করা হবে যেন দেশের প্রতিটি সমুদ্র, স্থল ও আকাশ বন্দর ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করতে পারে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য বহুগুণ দ্রুত ও গতিশীল হবে।

শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এই দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ বৈঠকে বেসরকারি খাতের বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ, ইকোনমিক জোন (বেজা) ও রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা)-তে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সার্বিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে স্পষ্ট করা হয়, তরুণ ও নারী সমাজের জন্য ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার। 'সবার আগে বাংলাদেশ' এই নীতিকে সামনে রেখে দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগবান্ধব ও ব্যবসা-সহায়ক বাজেট ও পলিসি সাপোর্ট বজায় রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উপস্থিত বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিক পলিসিগত সিদ্ধান্তে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

/আশিক


বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ৩০ ২০:১৩:০১
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব স্থবির কারখানায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা বা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আইনি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের সভাপতি চলতি বছরের মধ্যেই এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে দেশে সার্বিক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা ও বিভাগকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: