চাঁদ জয়ে ৪ লাখ কিলোমিটার যাত্রা! শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান

মানুষের মহাকাশ জয়ের ইতিহাসে দীর্ঘ ৫৪ বছর পর এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে। ১৯৭২ সালে নাসার অ্যাপোলো প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চারজন নভোচারী চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করছেন। কারিগরি জটিলতার কারণে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে উৎক্ষেপণ কয়েক দফা পিছিয়ে গেলেও, নাসা এখন ১ এপ্রিল (বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল) এই ঐতিহাসিক যাত্রার চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এবারের অভিযানে নভোচারীরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, বরং তাঁরা চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবেন। এই মিশনে নভোচারীরা পৃথিবী থেকে ৪ লাখ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো-১৩ মহাকাশযানের পর মানুষের জন্য মহাকাশে দীর্ঘতম পথ পাড়ি দেওয়ার নতুন রেকর্ড। নাসা এই বিশাল প্রকল্পের জন্য এ পর্যন্ত প্রায় ৯০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে চাঁদে সশরীরে অবতরণের লক্ষ্যে ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের সঙ্গে ২৯০ কোটি ডলারের একটি চুক্তিও সম্পন্ন করেছে।
দীর্ঘ সময় পর চাঁদে মানুষের এই আগ্রহ ফিরে আসার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ভারতের চন্দ্রযান-১। ১৯৭০-এর দশকের অ্যাপোলো নভোচারীদের আনা পাথর বিশ্লেষণ করে একসময় বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন চাঁদে পানি বা ভূতাত্ত্বিক সক্রিয়তা নেই।
কিন্তু চন্দ্রযান-১ চাঁদে পানির অস্তিত্ব আবিষ্কার করে বিজ্ঞানীদের ধারণা বদলে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, চাঁদের মেরু অঞ্চলের গভীর গর্তগুলোতে কোটি কোটি টন বরফ রয়েছে, যা থেকে ভবিষ্যৎ মিশনের জন্য হাইড্রোজেন জ্বালানি তৈরি করা সম্ভব। এছাড়া চাঁদে পাওয়া হিলিয়াম-৩ নামক আইসোটোপ ভবিষ্যতে নিউক্লিয়ার ফিউশনের এক অনন্য জ্বালানি হয়ে উঠতে পারে, যা পৃথিবীকে দেবে অফুরন্ত শক্তি।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও সংকেতের সন্ধান: আদি মহাবিশ্বের গোপন তথ্য ফাঁস
মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী হলেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় ৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা এক প্রচণ্ড শক্তিশালী রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার মিরক্যাট (MeerKAT) রেডিও টেলিস্কোপ। বিজ্ঞানীরা এই দানবীয় সংকেতকে বলছেন ‘মেগা-লেজার’ বা ‘হাইড্রক্সিল মেগামেজার’। দুটি বিশাল গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের প্রচণ্ড সংঘর্ষের ফলে এই শক্তিশালী লেজার রশ্মি তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেগা-লেজার হলো মহাকাশে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া এক ধরনের অতি-শক্তিশালী রেডিও তরঙ্গ। যখন গ্যাসপূর্ণ দুটি বিশাল গ্যালাক্সির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে, তখন সেখানে থাকা হাইড্রক্সিল অণুগুলো একে অপরের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। সাধারণ লেজার যেমন দৃশ্যমান আলো তৈরি করে, এই মেগা-লেজার ঠিক তেমনি অত্যন্ত উজ্জ্বল রেডিও সংকেত তৈরি করে, যা মহাবিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভ্রমণ করতে পারে।
৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা এই সংকেতটি সাধারণত টেলিস্কোপে ধরা পড়ার কথা ছিল না। কিন্তু আলবার্ট আইনস্টাইনের ভবিষ্যদ্বাণী করা ‘গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং’ নামক এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। পৃথিবী এবং ওই দূরবর্তী গ্যালাক্সির মাঝখানে অন্য একটি বিশাল গ্যালাক্সি থাকায় তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অনেকটা ‘আতশি কাচের’ মতো কাজ করেছে। ফলে সংকেতটি স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ গুণ বেশি উজ্জ্বল হয়ে আমাদের কাছে পৌঁছেছে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সংকেতটির উৎস হলো হ্যাটলাস জে১৪২৯৩৫.৩-০০২৮৩৬ নামক একটি সিস্টেম। আমরা বর্তমানে সংকেতটিকে যেভাবে দেখছি, তা আসলে ৮০২ কোটি বছর আগের দৃশ্য। অর্থাৎ, যখন মহাবিশ্বের বয়স ছিল বর্তমানের অর্ধেকেরও কম, সেই সময়ের একটি মহাজাগতিক সংঘর্ষের প্রতিধ্বনি আমরা আজ শুনতে পাচ্ছি। এই আবিষ্কার মহাবিশ্বের আদি আমলের গ্যালাক্সিগুলোর বিবর্তন এবং তাদের সংঘর্ষের ধরন বুঝতে বিজ্ঞানীদের নতুন পথ দেখাবে।
সূত্র: ডেইলি মেইল
ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান: গোল্ডিলক্স জোনে মিলল পৃথিবীর মতো ৪৫টি গ্রহ
অসীম মহাকাশে কি আমরা সত্যিই একা? মানুষের এই চিরন্তন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এক চমকপ্রদ মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় তারা সৌরজগতের বাইরে এমন ৪৫টি গ্রহের তালিকা তৈরি করেছেন, যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার মতো উপযুক্ত পরিবেশ থাকতে পারে। মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় এই আবিষ্কার এলিয়েন লাইফ বা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বিশাল অগ্রগতি।
বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত আমাদের সৌরজগতের বাইরে প্রায় ৬ হাজারের বেশি ‘এক্সোপ্ল্যানেট’ বা বহির্গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। তবে সব গ্রহ প্রাণের জন্য অনুকূল নয়। এই নতুন গবেষণায় মূলত পাথুরে গ্রহগুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, কারণ এগুলোতে পানি থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আর পানি থাকা মানেই সেখানে জীবনের প্রাথমিক উপাদান থাকার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হওয়া। তালিকায় থাকা গ্রহগুলোর মধ্যে প্রোক্সিমা সেন্টরি বি, ট্রাপিস্ট-১এফ এবং কেপলার-১৮৬এফ-এর মতো পরিচিত গ্রহের পাশাপাশি টিওআই-৭১৫ বি-র মতো নতুন কিছু গ্রহের নাম উঠে এসেছে।
এই গ্রহগুলোর বিশেষত্ব হলো এগুলো তাদের নক্ষত্রের ‘গোল্ডিলক্স জোন’ বা বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থিত। সহজ কথায়, এই অঞ্চলের তাপমাত্রা খুব বেশি গরম বা খুব বেশি ঠান্ডা নয়, যার ফলে পানি তরল অবস্থায় থাকতে পারে। ইউরোপের গাইয়া মিশন এবং নাসার এক্সোপ্ল্যানেট আর্কাইভের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই ৪৫টি গ্রহ তাদের নক্ষত্র থেকে প্রায় পৃথিবীর সমান শক্তি বা তাপ পায়।
বিশেষ করে পৃথিবী থেকে ৪০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত ‘ট্রাপিস্ট-১’ সিস্টেমে এমন চারটি গ্রহ রয়েছে যা বিজ্ঞানীদের বিশেষভাবে আশাবাদী করে তুলেছে। এছাড়া এলএইচএস ১১৪০ বি নামক গ্রহে প্রচুর পানি এবং নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডলের সংকেত পাওয়া গেছে।
গবেষণায় আরও ২৪টি গ্রহ শনাক্ত করা হয়েছে যেগুলো উপবৃত্তাকার পথে ঘোরার কারণে মাঝেমধ্যে বাসযোগ্য অঞ্চলের ভেতরে প্রবেশ করে। এসব গ্রহ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে বোঝা যাবে ঠিক কতটা বিকিরণ বা তাপ সহ্য করেও একটি গ্রহ প্রাণের অনুকূলে থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই তালিকা ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণার নতুন পথ দেখাবে এবং হয়তো খুব শীঘ্রই আমরা জানতে পারব—মহাজগতের বিশালতায় পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথাও প্রাণের স্পন্দন আছে কি না।
/আশিক
নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল বিরল দৃশ্য: অবাক পৃথিবীর বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীরা
মহাকাশের গভীর থেকে এক রোমাঞ্চকর খবর! সাধারণ নিয়ম ভেঙে এক অদ্ভুত আচরণ করছে একটি ছোট ধূমকেতু। মহাকাশবিজ্ঞানীদের অবাক করে দিয়ে Comet 41P (৪১পি) নামের এই ধূমকেতুটি প্রথমে তার ঘোরার গতি কমিয়ে প্রায় থমকে গিয়েছিল এবং বর্তমানে এটি সম্পূর্ণ উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করেছে। নাসার হাবল টেলিস্কোপের পাঠানো তথ্যে এই বিরল দৃশ্য ধরা পড়েছে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই ধূমকেতুটির আদি নিবাস সূর্যের অনেক দূরের বরফময় অঞ্চল ‘কুইপার বেল্ট’-এ। তবে বর্তমানে এটি বৃহস্পতি গ্রহের মহাকর্ষীয় টানে সূর্যের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে এবং প্রতি ৫.৪ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ২০১৭ সালে সূর্যের কাছাকাছি আসার পর থেকেই এর ঘূর্ণন গতিতে এই নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। গবেষক ডেভিড জেউইটের মতে, ধূমকেতুর গায়ের বরফ সূর্যের তাপে গ্যাসে পরিণত হয়ে যখন বাইরে বেরিয়ে আসে, তখন তা ছোট ইঞ্জিনের মতো কাজ করে। এই গ্যাসের অসম নির্গমনের ফলেই ধূমকেতুটি দোলনার মতো উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করেছে। মাত্র ১ কিলোমিটার চওড়া ছোট আকারের এই ধূমকেতুটিতে এই প্রভাব অনেক দ্রুত কাজ করছে।
আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, ৪১পি ধূমকেতুটি ধীরে ধীরে তার শক্তি হারাচ্ছে। ২০০১ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে এর গ্যাস নির্গমনের ক্ষমতা প্রায় ১০ গুণ কমে গেছে। অর্থাৎ, এর ভেতরের বরফ ফুরিয়ে আসছে অথবা উপরে ধুলার স্তর জমে এটি নিস্তেজ হয়ে পড়ছে। সাধারণত মহাকাশে এমন পরিবর্তন হতে হাজার বছর লাগলেও ৪১পি-র ক্ষেত্রে তা ঘটছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে, যা বিজ্ঞানীদের জন্য মহাকাশের রহস্য উন্মোচনের এক অনন্য সুযোগ করে দিয়েছে।
/আশিক
রিলস ভিডিওতে বৈপ্লবিক ফিচার আনছে মেটা; বদলে যাবে আপনার অভিজ্ঞতা
সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট দেখার সময় বিরক্তিকর ‘লিঙ্ক ইন বায়ো’ খোঁজার দিন এবার শেষ হতে চলেছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং শপিং প্রিয় দর্শকদের জন্য এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে মেটা। এখন থেকে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক রিলস ভিডিওর ভেতরেই সরাসরি যুক্ত করা যাবে শপিং লিঙ্ক। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেট এক প্রতিবেদনে মেটার এই নতুন ফিচারের কথা তুলে ধরেছে।
ইনস্টাগ্রামের এই নতুন সুবিধায় একজন ক্রিয়েটর একটি রিল পোস্ট করার আগেই তাতে ৩০টি পর্যন্ত পণ্যের লিঙ্ক যুক্ত করতে পারবেন। মেটার নিজস্ব কমার্স ক্যাটালগ ছাড়াও এতে অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। দর্শকরা যখন রিলটি দেখবেন, তখন স্ক্রিনে একটি ছোট ‘ব্যানার’ ভেসে উঠবে; যেখানে ট্যাপ করলেই সুপারিশকৃত পণ্যের তালিকা চলে আসবে। এর ফলে দর্শকদের আর কষ্ট করে প্রোফাইলে গিয়ে বায়ো থেকে লিঙ্ক খুঁজতে হবে না, বরং ভিডিও দেখতে দেখতেই পছন্দের পণ্য কেনা সহজ হবে।
মেটা জানিয়েছে, এই সুবিধাটি ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক উভয় প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাবে। তবে ফেসবুক ক্রিয়েটরদের জন্য কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে; তারা আপাতত কেবল আমাজনের মতো নির্দিষ্ট মার্কেটপ্লেস পার্টনারদের পণ্যই ট্যাগ করতে পারবেন। এই পরিবর্তনের ফলে মেটা এখন সরাসরি টিকটক ও ইউটিউব শর্টসের সমপর্যায়ে চলে এল। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ক্রিয়েটরদের আয়ের নতুন পথ খুলবে, অন্যদিকে মেটা নিজেও ব্যবহারকারীদের কেনাকাটার পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে তথ্য পাবে, যা তাদের বিজ্ঞাপন ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করবে।
/আশিক
তথ্য সংরক্ষণে আরও স্মার্ট চ্যাটজিপিটি; লাইব্রেরি ফিচারে বদলে যাবে ব্যবহারের অভিজ্ঞতা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দুনিয়ায় নিজেদের চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি-তে (ChatGPT) ‘লাইব্রেরি’ (Library) নামক একটি যুগান্তকারী ফিচার যুক্ত করেছে ওপেনএআই। এই নতুন সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন থেকে চ্যাটে আপলোড করা বিভিন্ন ফাইল একটি নির্দিষ্ট ক্লাউড স্টোরেজে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন। এর ফলে পুরোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো বারবার আপলোড করার ঝামেলা ছাড়াই পরবর্তী যেকোনো সময়ে সেগুলোর তথ্য ব্যবহার করা সহজ হবে।
ওপেনএআই জানিয়েছে, নতুন এই ‘লাইব্রেরি’ সুবিধাটি বর্তমানে চ্যাটজিপিটির প্লাস (Plus), প্রো (Pro) এবং বিজনেস (Business) সংস্করণ ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে। সুবিধাটি সক্রিয় হওয়ার পর চ্যাটজিপিটির ওয়েব সংস্করণের সাইডবারে ‘লাইব্রেরি’ নামে একটি আলাদা ট্যাব দেখা যাবে। এই ট্যাবে ব্যবহারকারীর আপলোড করা সাম্প্রতিক সব ফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা থাকবে। তবে চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে তৈরি করা ছবিগুলো আগের মতোই ‘ইমেজেস’ ট্যাবে সংরক্ষিত থাকবে; লাইব্রেরি অংশে শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর নিজস্ব আপলোড করা ফাইলগুলোই দৃশ্যমান হবে।
লাইব্রেরি থেকে কোনো ফাইল পুনরায় ব্যবহার করতে চাইলে কম্পোজার মেনুর অ্যাটাচমেন্ট বা অ্যাড বাটনে ক্লিক করে ‘অ্যাড ফ্রম লাইব্রেরি’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। ব্যবহারকারী নিজে থেকে ডিলিট না করা পর্যন্ত এই ফাইলগুলো লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত থাকবে।
মজার ব্যাপার হলো, কোনো নির্দিষ্ট চ্যাট হিস্ট্রি মুছে ফেললেও সেই চ্যাটে ব্যবহৃত ফাইলগুলো লাইব্রেরি থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে না। ফাইল স্থায়ীভাবে মুছতে হলে লাইব্রেরি থেকে নির্দিষ্ট ফাইলটি নির্বাচন করে ট্র্যাশ আইকনে ক্লিক করতে হবে, যা সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে ওপেনএআই-এর সার্ভার থেকে স্থায়ীভাবে অপসারিত হবে।
সূত্র: ব্লিপিং কম্পিউটার
ফেসবুকে রিলস শেয়ারে মাসে আয় সাড়ে ৩ লাখ টাকা: মেটার বড় ঘোষণা
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আয়ের বিশাল সুযোগ নিয়ে এলো মেটা (ফেসবুকের মাতৃপ্রতিষ্ঠান)। এখন থেকে ফেসবুকে রিলস ও পোস্ট শেয়ার করে প্রতি মাসে ৩ হাজার ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকারও বেশি আয় করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। ‘ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক’ নামক নতুন একটি প্রোগ্রামের আওতায় এই বিপুল অর্থ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে মেটা। মূলত ইউটিউব ও টিকটকের জনপ্রিয় ক্রিয়েটরদের ফেসবুকমুখী করতেই মেটার এই বিশেষ উদ্যোগ। মেটার অফিশিয়াল নিউজরুম থেকে জানানো হয়েছে, যারা অন্য প্ল্যাটফর্মে (ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ইউটিউব) অলরেডি জনপ্রিয়, তারাই এই প্রোগ্রামে অগ্রাধিকার পাবেন।
এই প্রোগ্রামের আওতায় যাদের অন্য প্ল্যাটফর্মে অন্তত ১ লাখ ফলোয়ার রয়েছে, তারা মাসে ১ হাজার ডলার এবং যাদের ১০ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে, তারা মাসে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত নিশ্চিত আয় করতে পারবেন। নির্বাচিত ক্রিয়েটররা টানা তিন মাস মেটার পক্ষ থেকে এই নিশ্চিত পেমেন্ট পাবেন, তবে শর্ত হলো তাদের নিয়মিত মানসম্মত ‘এলিজিবল রিলস’ শেয়ার করতে হবে। এছাড়া ফেসবুক এসব ক্রিয়েটরের কন্টেন্টের রিচ বাড়াতে বিশেষ কারিগরি সহায়তাও প্রদান করবে। বর্তমানে এই প্রোগ্রামটি আমন্ত্রণভিত্তিক হলেও আগ্রহী ক্রিয়েটররা ফেসবুক অ্যাপের ‘প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ড’ থেকে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করতে পারবেন।
আয়ের সুযোগ শুধু রিলস বা ভিডিওতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; মেটা তাদের মনিটাইজেশন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে ছবি, স্টোরি এমনকি টেক্সট বা লেখা পোস্ট থেকেও টাকা আয়ের সুযোগ থাকছে। মেটার তথ্যমতে, বর্তমানে ফেসবুকের মোট আয়ের ৬০ শতাংশই আসছে রিলস থেকে, আর বাকি অংশ আসছে ছবি ও লেখা থেকে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বিশাল বোনাস ঘোষণা বাংলাদেশের তরুণ ক্রিয়েটরদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে। মেটা ২০২৫ সালে ক্রিয়েটরদের প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পেমেন্ট করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি।
/আশিক
নাসার ধাক্কায় বদলে গেল গ্রহাণুর পথ; মহাকাশ বিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস
মহাকাশ বিজ্ঞানে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের খবর দিচ্ছে নাসার 'ডার্ট' (DART) মিশনের সাম্প্রতিক গবেষণা। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মানুষ প্রথমবার ইচ্ছাকৃতভাবে একটি মহাকাশযানকে গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কা খাইয়েছিল, যার প্রভাব বিজ্ঞানীদের আগের সব ধারণাকেই আমূল বদলে দিয়েছে। বিজ্ঞান সাময়িকী 'সায়েন্স অ্যাডভান্সেস'-এ প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেই ধাক্কার ফলে কেবল ছোট গ্রহাণু 'ডাইমরফোস' নয়, বরং পুরো গ্রহাণু জোড়ার সূর্যের চারপাশের কক্ষপথেও পরিবর্তন এসেছে।
এই পরীক্ষায় মহাকাশযানটি গিয়ে ধাক্কা দিয়েছিল ছোট গ্রহাণু ডাইমরফোস-এর সঙ্গে, যা মূলত বড় গ্রহাণু ডিডিমোস-এর চারপাশে ঘোরে। এই দুই গ্রহাণু মিলে একটি ‘বাইনারি সিস্টেম’ তৈরি করেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এই গ্রহাণু জোড়ার যে ৭৭০ দিনের সময় লাগত, তা এখন এক সেকেন্ডেরও কম সময়ের ব্যবধানে পরিবর্তিত হয়েছে। যদিও এই সময়টুকু আমাদের কাছে অতি সামান্য মনে হতে পারে, কিন্তু মহাজাগতিক স্কেলে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ডাইমরফোস থেকে ছিটকে যাওয়া পাথর ও ধূলিকণা এই ধাক্কার শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল, যার ফলে এর কক্ষপথের পথ সামান্য বদলে গেছে।
গবেষকদের মতে, এই পরীক্ষাটি দেখিয়েছে যে মহাকাশে মানুষের সৃষ্ট একটি ছোট পরিবর্তনও দীর্ঘ সময় পরে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে যদি কোনো বিপজ্জনক গ্রহাণু সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে, তবে এভাবেই মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা মেরে তার গতিপথ সামান্য বদলে দেওয়া সম্ভব হবে। এতে করে পৃথিবীকে এক বিশাল মহাজাগতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার পথ প্রশস্ত হলো। এই আবিষ্কারটি মূলত পৃথিবীকে গ্রহাণুর সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
/আশিক
মার্চের আকাশে গ্রহের মেলা! ৩১ মার্চ পর্যন্ত মহাজাগতিক থিয়েটার দেখবে বাংলাদেশ
মার্চের শেষার্ধে বাংলাদেশের আকাশ এক অনন্য মহাজাগতিক মঞ্চে রূপ নিতে যাচ্ছে। দিনের তপ্ত রোদ শেষে সন্ধ্যার আকাশ যখন স্বচ্ছ ও নির্মল হয়ে ওঠে, তখনই চোখ মেললে ধরা দিচ্ছে বিস্ময়কর সব জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক দৃশ্য। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেখা যাবে গ্রহের মেলা, চাঁদের লুকোচুরি আর উজ্জ্বল নক্ষত্রপুঞ্জের উপস্থিতি; সব মিলিয়ে এক মহাজাগতিক থিয়েটার।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এই সময়ের পাঁচটি উল্লেখযোগ্য মহাজাগতিক দৃশ্য
ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া 'প্ল্যানেট প্যারেড' মার্চের শেষ ভাগেও অব্যাহত থাকবে, তবে গ্রহগুলোর অবস্থানে আসবে নতুন বিন্যাস। ১৬ মার্চের পর সূর্যাস্তের ঠিক পরেই পশ্চিম আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে দেখা দিচ্ছে শুক্র গ্রহ। সন্ধ্যাতারা হিসেবে পরিচিত এই গ্রহের খুব কাছেই অবস্থান করছে বুধ গ্রহ। সাধারণত সূর্যের কাছাকাছি থাকায় বুধ দেখা কঠিন হলেও মার্চে এটি গোধূলি বেলায় ঢাকার আকাশেও স্পষ্ট দেখা যাবে। এদিকে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি মাঝ আকাশে নিজের আধিপত্য বজায় রাখবে। টেলিস্কোপে এর চারটি বড় উপগ্রহ 'গ্যালিলিয়ান মুন' দেখার সুযোগ মিলবে। অন্যদিকে শনি গ্রহ ভোরের আকাশে সূর্যোদয়ের আগে পূর্ব দিগন্তে উদিত হবে, যা দেখার জন্য মার্চের শেষ সপ্তাহই আদর্শ সময়।
২০ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে দেখা যাবে আকাশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দৃশ্য। এ সময়ে চাঁদের সরু ফালি একে একে বিভিন্ন গ্রহের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে। ২০ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে 'ক্রিসেন্ট মুন' শুক্র ও বুধের খুব কাছাকাছি থাকবে। সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে এই দৃশ্য এমন মনে হবে যেন চাঁদ আর শুক্র একে অপরকে আলিঙ্গন করছে। ২৫ মার্চ চাঁদ চলে আসবে বৃহস্পতির কাছে, যা আলোকদূষণমুক্ত আকাশে খালি চোখেই উপভোগ করা যাবে।
আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ পালিত হবে বসন্তকালীন বিষুব। এদিন সূর্য ঠিক পূর্ব দিকে উদিত হবে এবং পশ্চিমে অস্ত যাবে, ফলে দিন ও রাত প্রায় সমান হবে। বাংলাদেশ বিষুবরেখার কাছাকাছি হওয়ায় এ পরিবর্তনের প্রভাব এখানে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি ঋতু পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং বসন্তের পূর্ণতার প্রতীক।
মার্চের শেষ দিকে রাত ১০টার পর আকাশের ঠিক ওপরে দেখা যাবে কালপুরুষ নক্ষত্রপুঞ্জ, যার তিনটি তারার সারি বা 'বেল্ট' সহজেই চেনা যায়। কালপুরুষের নিচে দক্ষিণ-পূর্ব আকাশে জ্বলজ্বল করবে আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র লুব্ধক (সাইরাস)। অন্যদিকে উত্তর আকাশে সপ্তর্ষিমণ্ডলও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে। শহরের বাইরে খোলা আকাশে গেলে মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গার হালকা সাদা আভাও চোখে পড়তে পারে।
৩১ মার্চ পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে ৭টা ৩০ মিনিট গ্রহ দেখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। খালি চোখে শুক্র ও বৃহস্পতি দেখা গেলেও শনির বলয় বা ইউরেনাসের আভা দেখতে হলে অন্তত ১০×৫০ ক্ষমতার একটি বাইনোকুলার প্রয়োজন হবে। এই মার্চের আকাশ তাই শুধু রাতের সৌন্দর্য নয়, বরং প্রকৃতি ও মহাকাশের এক অনন্য সংলাপ।
সূত্র : দ্য স্কাই লাইভ, স্কাইম্যাপ অনলাইন
মহাকাশ স্টেশনের বাইরে সাড়ে ৬ ঘণ্টা; নাসার নভোচারীদের রোমাঞ্চকর ‘স্পেসওয়াক’
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (ISS) আয়ুষ্কাল বাড়াতে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এক বিশেষ অভিযানে নামছেন নাসার নভোচারীরা। চলতি মার্চ মাসেই তারা দুই দফায় স্টেশনের বাইরে খোলা মহাকাশে বের হয়ে কাজ করবেন, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘স্পেসওয়াক’। স্টেশনের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার পথ সুগম করতেই এই চ্যালেঞ্জিং পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নাসার তথ্যমতে, প্রথম স্পেসওয়াকটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ মার্চ। এই রোমাঞ্চকর অভিযানে অংশ নিচ্ছেন অভিজ্ঞ নভোচারী জেসিকা মিয়ার এবং তাঁর সঙ্গী ক্রিস্টোফার উইলিয়ামস। তারা স্টেশনের বিশেষ প্রবেশদ্বার ‘কোয়েস্ট এয়ারলক’ দিয়ে শূন্য মহাকাশে বেরিয়ে আসবেন। সেখানে প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা ‘২এ পাওয়ার চ্যানেল’ প্রস্তুত করবেন। মূলত স্টেশনে সর্বাধুনিক সৌর প্যানেল ‘আইআরওএসএ’ (iROSA) বসানোর প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করবেন তারা। এই আধুনিক রোল-আউট সোলার অ্যারেগুলো বসানো হলে স্টেশনটি আগের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে।
জেসিকা মিয়ারের জন্য এটি চতুর্থ অভিজ্ঞতা হলেও, ক্রিস্টোফার উইলিয়ামসের জন্য এটিই হবে জীবনের প্রথম স্পেসওয়াক। প্রথম দফার কাজ সফল হলে ‘ইউএস স্পেসওয়াক–৯৫’ নামে দ্বিতীয় অভিযানটি শুরু হবে। সেখানে স্টেশনের ‘৩বি পাওয়ার চ্যানেল’ মেরামতের কাজ করা হবে। উল্লেখ্য যে, মহাকাশ স্টেশন তৈরির পর থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখতে কয়েকশ বার এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করা হয়েছে। এবার যে দুটি অভিযান হতে যাচ্ছে, সেগুলো হবে এই স্টেশনের ২৭৮তম ও ২৭৯তম স্পেসওয়াক। আধুনিক প্রযুক্তির এই সংযোজন ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছে নাসা।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- চাঁদ জয়ে ৪ লাখ কিলোমিটার যাত্রা! শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান
- রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম! ৪ দিনেই দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাম
- নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান
- ১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান! শিক্ষা খাতে বড় বদল আনছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভণ্ডামি করছে: সংসদ ছেড়ে ফেসবুকে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০: নেপাল বধ করে শিরোপার মঞ্চে লাল-সবুজ
- সংসদীয় ইতিহাসে বিরল নজির: সরকারি দলের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ সংসদে
- ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
- শত্রুদের জন্য বন্ধ হরমুজ প্রণালি! সাগরে যুদ্ধের নতুন ছক কষছে ইরান
- সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান
- কুমিল্লায় সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আমিরাত? হরমুজ প্রণালি মুক্ত করার বড় পরিকল্পনা
- মেক্সিকোর মাটিতেই ইতিহাস! ৪ দশক পর বিশ্বকাপের টিকিট পেল ইরাক
- হরমুজ প্রণালির মুখে আগুন! ইরানের বাণিজ্যিক বন্দরে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা
- রণক্ষেত্র পেরিয়ে ফিরছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬ জাহাজ! বড় ঘোষণা ইরানের
- আমিরাতে ড্রোন হামলার ধ্বংসাবশেষে প্রাণ গেল বাংলাদেশির!
- এএন-২৬ এর অভিশপ্ত ইতিহাস! আবারও ২৯টি প্রাণ কেড়ে নিল পুরনো মডেলের বিমান
- বোনের জন্য কেক নিয়ে ফেরা হলো না নিশাতের!
- মেসি-ম্যাজিকে বিধ্বস্ত জাম্বিয়া! বিশাল জয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- যুদ্ধের ১ মাস: ১৬ হাজার গোলাবারুদ আর ৮০০ বিমান হামলায় বিধ্বস্ত ইরান!
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- ৩ সপ্তাহেই কি থামছে ইরান যুদ্ধ? হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা
- আজ শনিবার: রাজধানীতে যেসব কর্মসূচি রয়েছে
- মোজাম্মেলের অবৈধ টাকায় পলাতক পুলিশ কর্তাদের বিলাসী জীবন!
- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে দেখে নিন: বুধবার ঢাকার কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- কুয়েত বিমানবন্দরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা! জ্বালানি ডিপোতে আগুনের লেলিহান শিখা
- হরমুজ প্রণালি: ট্রাম্পের গলার কাঁটা? কেন এই জলপথ ইরানকে দিচ্ছে বাড়তি শক্তি
- ২০২৬ বিশ্বকাপেও নেই ৪ বারের চ্যাম্পিয়নরা
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বড় ক্ষয়ক্ষতি
- পাঁচদিন বৃষ্টির আভাস, কী বলছে আবহাওয়া অফিস
- ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে, জানুন সহজ উপায়
- নফল নামাজসহ আজকের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে পুতিন-আল নাহিয়ানের আলোচনা
- যুদ্ধ থামাতে প্রস্তুত ইরান, তবে শর্তে সমাধান
- আজকের খেলার সূচি, কোন ম্যাচ কখন
- বুধবার চার ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- মোজতবা খামেনি কোথায়, যা জানা গেল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিকে টার্গেটের হুমকি ইরানের
- যুদ্ধ থামতে পারে দ্রুত ও হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে: ট্রাম্প
- শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও সংকেতের সন্ধান: আদি মহাবিশ্বের গোপন তথ্য ফাঁস
- ৩ মাসে ৫০ বার সমন্বয়! স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতা থামবে কবে?
- পেনাল্টি বঞ্চিত বাংলাদেশ? রেফারির বাঁশিতেই হারল লাল-সবুজরা!
- মুক্তিযুদ্ধ আমাদের পরিবারের রক্ত আছে: সংসদে আবেগঘন জামায়াতের আমির
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা
- সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে মিশন ভিয়েতনাম: কাবরেরার তুরুপের তাস কি আজ মাঠে নামবে?








