বীর শহিদদের স্মরণে সাভারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) ভোরে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি এই সম্মান জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা দুজনেই পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের কথা স্মরণ করে পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকায় এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিরাও জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এরপর তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরাও এদিন স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও বিদেশি কূটনীতিকদের ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে স্মৃতিসৌধের বেদি।
/আশিক
১৭ বছর পর দেশ একটি কার্যকর সংসদ পেয়েছে: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশ একটি প্রকৃত ও কার্যকর জাতীয় সংসদ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশের সাধারণ মানুষ এ ধরনের একটি আইনসভার জন্য অপেক্ষা করছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সেই দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে। এর ফলে জাতীয় সংসদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) আয়োজিত ‘ফল উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, গণমাধ্যমের বলিষ্ঠ ভূমিকা এবং বস্তুনিষ্ঠ প্রচারের মাধ্যমেই জাতীয় সংসদ আরও বেশি মহিমান্বিত হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে সংসদকে জনগণের প্রকৃত আশা-আকাঙ্ক্ষা ও অধিকার আদায়ের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে গণমাধ্যম বড় অবদান রাখবে। নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিগত বছরগুলোর সংসদীয় ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেন।
এমনকি সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে সংসদ সদস্য থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের ক্ষোভ ও সংকোচ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অতীতে বেশ কয়েকটি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হলেও এরশাদের আমলের সংসদে থাকার বিষয়টি বলতেও তাঁর লজ্জা বোধ হয়। তিনি আরও জানান, অতীতে এমন পরিস্থিতিও দেখা গেছে যেখানে টেলিভিশনে বা রেডিওতে এক জনের নির্বাচিত হওয়ার খবর শোনার দুদিন পর অন্য ব্যক্তি সংসদে এসে আসন গ্রহণ করেছেন। ফলে অনৈতিক উপায়ে বা ফাঁকতালে বহু লোক অতীতে সংসদ সদস্য হয়ে গিয়েছিলেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও যোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে এক ধরনের ‘আবোল-তাবোল’ সংসদ চলার পর এবারই প্রথম একটি সত্যিকারের কার্যকর সংসদ গঠিত হয়েছে। বর্তমান সংসদকে তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদের মতো একটি শক্তিশালী, কার্যকর ও প্রতিনিধিত্বশীল সংসদের সঙ্গে তুলনা করেন। স্পিকার তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচনে এমন অনেক প্রার্থী বিজয়ী হয়ে এসেছেন, যাদের আগে বড় কোনো রাজনৈতিক পরিচিতি বা প্রভাব ছিল না, কিন্তু তারা স্রেফ নিজস্ব যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তায় জয়ী হয়েছেন।
দেশের ভোটারদের মানসিকতার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, এবারের ভোট দেওয়ার ধরন দেখে পরিষ্কার বোঝা গেছে যে, সাধারণ মানুষ ব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন দেখতে চেয়েছিল। অতীতে সংসদ সদস্যরা যেসব কর্মকাণ্ড করেছেন, মানুষ তাতে সন্তুষ্ট ছিল না বলেই একটি প্রকৃত সংসদ বেছে নিয়েছে। নতুন সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু মানুষ এই সংসদের ওপর আস্থা রেখেছে, তাই জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার দায়িত্ব এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দেশের গণতন্ত্রকে প্রকৃত অর্থে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে সংসদকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে সাংবাদিকদের শক্তিশালী ভূমিকা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন সংসদ সদস্য ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মেলবন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। অন্যদিকে, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সংসদকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে সাংবাদিকদের যেকোনো ইতিবাচক ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগে সংসদ সচিবালয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।
বিপিজেএর সভাপতি হারুন জামিলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান লিথোর সঞ্চালনায় এই ফল উৎসবে রাজনৈতিক অঙ্গন এবং গণমাধ্যমের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, আখতারুজ্জামান মিয়া, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, বিএনপির সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জামায়াতের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এবং সালাহ উদ্দিন।
এছাড়া জাতীয় সংসদের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ, এম আব্দুল্লাহ, মোস্তফা কামাল মজুমদার, বাছির জামাল, আশিষ সৈকত, জাহেদ চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম কাগজী, আলফাজ আনাম, সুলতান মাহমুদ, ইলিয়াস হোসেন, কামরান রেজা চৌধুরী, রিয়াজ আহমেদ, নাফিজা দৌলা ও নিখিল ভদ্রসহ সংগঠনের সহসভাপতি ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মো. শাহজাহান মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল ইসলাম (তানিম আহমেদ) এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মশিউর রহমান ও মনিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
/আশিক
২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ভ্যাটের আওতায় আসছে নতুন ১৬ ব্যবসা খাত: অর্থমন্ত্রী
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার ১৬টি খাতকে সুনির্দিষ্ট মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে সরকার। এই তালিকায় মুদি দোকান থেকে শুরু করে তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক্স ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো যুক্ত হচ্ছে। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং চলতি বছরের প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্দশতম দিনে লিখিত প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের এই বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরটি টেবিল উত্থাপিত হয়।
সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫ এর সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা অর্থমন্ত্রীর কাছে বিগত অর্থবছরের ভ্যাট আদায়ের পরিমাণ এবং ভবিষ্যতে নতুন কোনো খাতকে এই রাজস্ব ব্যবস্থার আওতাভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে কিনা, তা জানতে চান। একই সঙ্গে নতুন সম্ভাব্য খাতগুলোর একটি তালিকাও লিখিত প্রশ্নের মাধ্যমে আহ্বান করেন তিনি। এই প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান যে, সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হয়েছে।
ভ্যাটের পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী সংসদে স্পষ্ট করেন যে, রাজস্ব আদায়ের ভিত্তি মজবুত করতে নতুন ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে যে ১৬টি খাতকে নির্দিষ্ট হারে ভ্যাটের আওতায় আনা হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে সাধারণ মুদি দোকান, তৈরি পোশাক ও কাপড়ের দোকান, কনফেকশনারি, প্রসাধন সামগ্রী বা কসমেটিকসের দোকান এবং প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্যের বিক্রয়কেন্দ্র। এছাড়া জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন এবং এসি, ফ্রিজ ও ওভেনসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর দোকানও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে পেইন্ট, স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলস, ঢেউটিন, রড-সিমেন্টের ব্যবসা, ফার্নিচারের শোরুম, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং রেস্টুরেন্ট খাতকেও এই নতুন ভ্যাট ব্যবস্থার অধীনে আনা হচ্ছে।
/আশিক
চীনের ডালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ডালিয়ান থেকে হাই-স্পিড বা বুলেট ট্রেনে রওনা হয়ে বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি বেইজিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান। এর আগে দুপুর ২টায় তিনি ডালিয়ান থেকে ট্রেনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।
বেইজিং সফরের ঠিক আগেই বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বিশেষ উদ্যোগ ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। ১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস শীর্ষক এই আয়োজনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ উপস্থিত ছিলেন।
এবারের এই বৈশ্বিক সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ এবং অঞ্চল থেকে প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পোদ্যোক্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের অংশগ্রহণ দেশের জন্য বহুমুখী ইতিবাচক প্রভাব বয়ে আনবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের পথ সুগম হওয়া এবং কর্মসংস্থানের বড় ধরনের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের টেকসই উন্নয়ন ও সফল অর্থনৈতিক মডেলগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশের জাতীয় সক্ষমতা আরও সুসংহত হবে। প্রসঙ্গত, মালয়েশিয়ায় দ্বিপাক্ষিক সফর সম্পন্ন করে গত সোমবার (২২ জুন) চীনের ডালিয়ান শহরে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
/আশিক
কোন বয়সী শিশুরা পাবে ভিটামিন ‘এ’? জেনে নিন কবে থেকে শুরু
দীর্ঘ প্রায় ১৪ মাস বিরতির পর আবারও শুরু হচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এদিন ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৩৫ লাখেরও বেশি শিশুকে বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবার মোট ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৮ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
দেশব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র মূলত নিয়মিত ইপিআই (সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি) কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী জানিয়েছেন, ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্ধারিত দিনে সন্তানদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, অপুষ্টি কমাতে এবং চোখের স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এবার দেশের ১২টি জেলার ৫৮টি উপজেলার ২৯০টি ইউনিয়নের ৭১৪টি ওয়ার্ডে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্গম অঞ্চলের শিশুদের কর্মসূচির আওতায় আনতে মূল ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত চার দিন ‘চাইল্ড টু চাইল্ড সার্চিং’ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে কর্মসূচির যাত্রা শুরু হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো এবং সামগ্রিক শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত এই কর্মসূচি শিশু মৃত্যুহার কমাতেও কার্যকর অবদান রাখে।
সূত্র: বাসস
চীনে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিলেন তারেক রহমান
চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর দালিয়ানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সামার প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ (Innovation at Scale) শীর্ষক প্ল্যানারি সেশন শুরু হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী নেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। তিনি প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু অভিযোজন, শিল্পখাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ সেশনে বাংলাদেশের পাশাপাশি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর, মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক পর্বের বাইরে সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশের এলডিসি-উত্তরণ-পরবর্তী অর্থনৈতিক বাস্তবতা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, উৎপাদনশীল শিল্পায়ন এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সামনে তুলে ধরার একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে এই সফরের মাধ্যমে।
-রফিক
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন মোড়, হতে পারে ১৭ চুক্তি
বাংলাদেশের জন্য শতভাগ শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা চালু রেখেছে চীন। কিন্তু এত বড় সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে প্রত্যাশিত মাত্রায় রপ্তানি বাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্য দিন দিন আরও একপেশে হয়ে উঠছে। এই বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরে বাণিজ্য বৈষম্য কমানো এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বর্তমানে বার্ষিক মোট বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে এর মধ্যে প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলারই চীনের অনুকূলে চলে যাচ্ছে। বিপরীতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারেরও নিচে অবস্থান করছে, যা অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি এবং আর্থিক সহযোগিতাসহ প্রায় ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, এলডিসি-পরবর্তী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধি।
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ আগামী কয়েক বছরের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে। ফলে বর্তমানে পাওয়া শুল্কমুক্ত সুবিধা আর বহাল থাকবে না। এ কারণেই এখন থেকেই বিকল্প ব্যবস্থাপনা হিসেবে চীনের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে এফটিএ বাস্তবায়নের জন্য যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহজ শর্তে অর্থায়নের বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে নতুন অর্থায়ন কাঠামো নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কৃষি খাতেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের আম ও কাঁঠাল চীনের বিশাল বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্প্রতি চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস বাংলাদেশি তাজা আম আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় ফাইটোস্যানিটারি বা উদ্ভিদ স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুমোদন দিয়েছে। ফলে এই সফরকে কৃষি রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, আম ও কাঁঠাল রপ্তানির প্রোটোকল বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে এবং কৃষকরা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারের সুবিধা পেতে শুরু করবেন।
এদিকে পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা খাতেও চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হবে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে মোংলায় দ্বিতীয় একটি চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়েও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হতে পারে।
ডিজিটাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতেও নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি বিনিয়োগ জোরদার করতে একটি বিশেষ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।
এ ছাড়া ব্যাংকিং খাতেও বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশে চীনা ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক এবং চীনের ন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রেগুলেটরি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মধ্যে নতুন সহযোগিতা চুক্তি হতে পারে।
অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতুর সংস্কার এবং নবম চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু নির্মাণ প্রকল্প।
বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা নিয়েও উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে পারে।
আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস এবং আরসিইপিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রেও চীনের সমর্থন চাওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) পক্ষ থেকেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চীনের বিভিন্ন শহরে ৩০টি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন, প্রযুক্তি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ২০টি পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশে একটি চীনা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা।
-রফিক
জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’ দ্রুত কার্যকরের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বনেতাদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন অ্যা শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’ (Loss and Damage Fund)-কে শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নকে আরও সহজলভ্য, শর্তহীন করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর জোর দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অর্থায়ন, প্রযুক্তি এবং যৌথ অঙ্গীকারের পাশাপাশি ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’ (Green Climate Fund)-কে কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কেবল প্রশমন (Mitigation) নয়, বরং অভিযোজনও (Adaptation) সমানভাবে অপরিহার্য। সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ডব্লিউইএফ-এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি। উল্লেখ্য, ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলমান ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’ প্রতিপাদ্যের এই সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
/আশিক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ
চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান জভিংগি। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ডব্লিউইএফ-এর বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ডেল্টা রাষ্ট্র ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু রক্ষায় বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন দূরদর্শী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের বিশাল উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ চলছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ দিতে সৌরবিদ্যুতে কর-সুবিধা প্রদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশের এসব পদক্ষেপের প্রেক্ষিতে আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্ট আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের এই জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিনিয়োগকারীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে। বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে তিনি ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলল ভারত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে আটকে রাখা এবং অভিবাসন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনার প্রায় ৯ দিন পর অবশেষে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৩ জুন) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেন যে, ডা. জাহেদকে শেষ পর্যন্ত ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি নিজেই আর প্রবেশ না করে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, গত ১৪ জুন ডা. জাহেদ উর রহমান একটি ব্যক্তিগত পাসপোর্ট এবং সার্ক (SAARC) ভিসা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে পৌঁছান। তার মূল উদ্দেশ্য ছিল নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (IORA) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ২৮তম বৈঠকে অংশ নেওয়া। তবে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেশটির অভিবাসন (ইমিগ্রেশন) কর্মকর্তারা তাকে আটকে দেন এবং বেশ কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
রণধীর জয়সওয়াল আরও জানান, মূলত ভারতের একটি নিরাপত্তা-সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ নজরদারি তালিকায় (Watchlist) ডা. জাহেদের নাম থাকায় অভিবাসন কর্মকর্তারা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে সাময়িকভাবে আটকে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে তার সফরের উদ্দেশ্য এবং পরিচয় পুনঃনিশ্চিত হওয়ার পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাকে দেশে প্রবেশের পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিমানবন্দরে দীর্ঘক্ষণ আপত্তিকর আচরণের শিকার হওয়ার পর ক্ষুব্ধ ডা. জাহেদ নিজ সিদ্ধান্তেই আর ভারত সফর না বাড়িয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের একজন উচ্চপদস্থ সরকারি উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে এভাবে আটকে রাখার ঘটনায় ঢাকার কূটনৈতিক মহলে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এই ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। সেই কূটনৈতিক প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটেই ঘটনার ৯ দিন পর ভারত সরকার এই আনুষ্ঠানিক স্পষ্টীকরণ দিলো।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- রোনালদোর ‘ফিরে এসেছি’ হুংকার নিয়ে ইব্রাহিমোভিচের তীব্র উপহাস
- রাউন্ড অব ৩২-এর আগে ব্রাজিলের একাদশে বড় রদবদলের আভাস
- সঞ্চয়পত্র নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা, সব ব্যাংককে কড়া সতর্কবার্তা
- ১৭ বছর পর দেশ একটি কার্যকর সংসদ পেয়েছে: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ‘সবুজ পাতায়’ যুক্ত হচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু প্রকল্প
- ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা নিয়ে মুখ খুললেন লিওনেল মেসি
- করের নতুন নিয়ম ১ জুলাই থেকে, যেসব ফিতে বাড়ছে ২০ শতাংশ টিডিএস
- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ থেকে টোল নিচ্ছে না ইরান: ট্রাম্প
- খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ইরানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ভ্যাটের আওতায় আসছে নতুন ১৬ ব্যবসা খাত: অর্থমন্ত্রী
- চীনের ডালিয়ান থেকে বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
- ২৪ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ২৪ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৪ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- চরভদ্রাসনে বিএনপির মৌন মিছিল, শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির প্রতিবাদ
- ‘চল যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ নাজিরপুরে মাদক নির্মূলে মানববন্ধন
- বিশ্বকাপ থেকে আরও ৫ দলের বিদায়
- আজ থেকেই নতুন দর, কত টাকায় মিলবে এক ভরি সোনা
- কোন বয়সী শিশুরা পাবে ভিটামিন ‘এ’? জেনে নিন কবে থেকে শুরু
- চীনে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিলেন তারেক রহমান
- ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম প্রকাশ, কত বাড়ল-কমল
- আজ রাতের বিশ্বকাপ সূচিতে চার হাইভোল্টেজ ম্যাচ, জানুন পূর্ণ সূচি
- আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, জেনে নিন সব সময়
- বুধবার বন্ধ থাকবে যমুনা ফিউচার পার্কসহ যেসব মার্কেট
- সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকবে এসব এলাকা
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন মোড়, হতে পারে ১৭ চুক্তি
- ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করল সিনেট
- জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’ দ্রুত কার্যকরের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- লন্ডনে সিলেট-চট্টগ্রাম উৎসব ইউকে ২০২৬ আয়োজনে প্রথম সভা ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠিত
- দেবিদ্বারে বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: শেষ হচ্ছে বল্লভপুর-উজানী কান্দি-মধু মুরা সড়কের কাজ
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের মাঝে পানির ট্যাংকি বিতরণ
- বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২: দ্বিতীয় রাউন্ডে যাদের বিপক্ষে খেলতে পারে আর্জেন্টিনা
- বিএনপি ফ্যাসিবাদের রাজপথ ধরে হাঁটছে: জামায়াত আমির
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ
- ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর
- দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলল ভারত
- রাফিনিয়ার জায়গায় একাদশে নেইমার, তবে প্রথাগত উইঙ্গার নয় খেলবেন নতুন ভূমিকায়!
- ইরানের বুকে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের আগে মার্কিন পাইলটের রহস্যময় দাবি
- হ্যারি কেইনকে রুখতে ঘানার ‘কালো জাদু’! ব্রিটিশ মিডিয়ার রিপোর্টে তোলপাড় বিশ্ব ফুটবল
- আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে: তথ্য উপদেষ্টা
- ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর ইরানি প্রতিনিধিদের ওয়াকআউট: মধ্যপ্রাচ্য শান্তিতে নতুন সংকট
- বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন সুপ্রিম কোর্টের ১৭ সরকারি আইনজীবী
- ২৩ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ২৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- এক ম্যাচে মেসির ৪ নতুন রেকর্ড, কাঁপছে বিশ্বকাপ ইতিহাস
- মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান-পেট্রোনাস বৈঠক, বাড়ছে জ্বালানি সহযোগিতা
- চুক্তি ভাঙলে ব্যবস্থা, ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি
- পতিত শক্তিকে আর ফিরতে দেওয়া হবে না: রিজভী
- বাজারে অস্থিরতা, আবারও বাড়ল স্বর্ণের মূল্য
- শিক্ষকের মর্যাদা ও প্রশাসনিক সংস্কৃতির সীমারেখা
- আজকের খেলার সূচি: বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে ওভাল টেস্ট
- ইরান চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তোপ
- হরমুজে টোল নিলে যুক্তরাষ্ট্রই আদায় করবে: ট্রাম্প
- স্পেন-সৌদি আরবসহ আজ বিশ্বকাপের বড় ছয় লড়াই, এক নজরে পূর্ণ সূচি
- বিশ্বকাপে গোলযুদ্ধে ব্রাজিল-জার্মানির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
- ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬: টিভি ও মোবাইলে দেখার উপায়
- রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের নতুন লাফ: দুদিনের মাথায় দামের এই রেকর্ড লাফের পেছনের রহস্য কী?
- ১৮ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য যেসব সুবিধা বাড়ানো হয়েছে
- ১৮ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুর ও বেইজিং—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেগা সফরে যা কিছু থাকছে
- ২১ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- অবসরের ১১ বছর পর ফুটবল মাঠে ফিরছেন কিংবদন্তি রোনালদিনহো
- রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত








