ইরান মিশনের পর জরুরি অবতরণ মার্কিন F-35, F-35 ক্ষতিগ্রস্ত?

ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক F-35 যুদ্ধবিমান জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে, যা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি করেছে। মার্কিন সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের আকাশসীমার ওপর পরিচালিত একটি যুদ্ধ মিশন শেষে বিমানটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি সামরিক ঘাঁটিতে নিরাপদে অবতরণ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)-এর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানান, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং পাইলটের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং এর পেছনের কারণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানটি ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। একই সময়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা একটি মার্কিন বিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনো এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি সত্যিই F-35 যুদ্ধবিমান শত্রুপক্ষের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তবে এটি হবে একটি নজিরবিহীন ঘটনা। কারণ ২০১৮ সাল থেকে এই স্টেলথ ফাইটার যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও শত্রুপক্ষের আঘাতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো নিশ্চিত ঘটনা এর আগে প্রকাশ্যে আসেনি।
এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির তালিকাও ধীরে ধীরে দীর্ঘ হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটি প্রায় ১২টি MQ-9 রিপার ড্রোন হারিয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাঁচটি KC-135 রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও সামনে এসেছে, যদিও এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
অন্যদিকে, যুদ্ধের শুরুতে একটি ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ দুর্ঘটনায় তিনটি মার্কিন F-15E যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়, যেখানে কুয়েতের একটি F/A-18 ভুলবশত সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছিল। তবে ওই ঘটনায় ছয়জন ক্রু নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
মানবিক ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকেও পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, এই সংঘাতে অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরানে নিহতের সংখ্যা ১,৪৪৪ জন ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ।
যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্য অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা, প্রতিরক্ষা শিল্প দুর্বল করা এবং পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথ বন্ধ করাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য।
মার্কিন বাহিনী ইতোমধ্যে ইরানের ভেতরে প্রায় ৭ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া ইরানের নৌ সক্ষমতা দুর্বল করতে ৪০টির বেশি মাইন স্থাপনকারী জাহাজ এবং ১১টি সাবমেরিনে আঘাত হানার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বর্তমানে নতুন করে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে আগাম কোনো তথ্য প্রকাশ করা হবে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
অন্যদিকে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের পথে রয়েছে এবং প্রতিদিনই ইরানের ভেতরে আরও গভীরে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, ইরান এখনও উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে, যা সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।
সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন প্রযুক্তিগত, সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে আরও জটিল হয়ে উঠছে, যেখানে প্রতিটি নতুন ঘটনা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
সুন্দরবনে ফাইভ-স্টার ‘ট্রি-হাউস’ ও আকাশপথে বাঘ দর্শনের মেগা পরিকল্পনা
পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অংশে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একগুচ্ছ উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারতের রাজ্য সরকার। এর অংশ হিসেবে সুন্দরবনের জনবসতিহীন দ্বীপগুলোতে পরিবেশবান্ধব ফাইভ-স্টার ‘ট্রি-হাউস’ রিসোর্ট নির্মাণ এবং উড়োজাহাজে করে আকাশপথে বাঘ দর্শনের মতো ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সাজানো হচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সুন্দরবনের গোসাবা সফরকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব রূপরেখার কথা তুলে ধরেন পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক উপদেষ্টা মিঠুন চক্রবর্তী।
মিঠুন চক্রবর্তী জানান, সুন্দরবনের প্রায় ৮ থেকে ১০টি জনমানবহীন দ্বীপে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে উচ্চমানের পরিবেশবান্ধব ট্রি-হাউস রিসোর্ট নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে। এ জন্য আগ্রহী বেসরকারি সংস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে জমি ইজারা কিংবা স্থায়ী বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে; তবে সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান রক্ষায় কোনো অবস্থাতেই কংক্রিটের স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে এসব রিসোর্টে ৮০ শতাংশ কর্মীই স্থানীয়দের মধ্য থেকে নিয়োগ করা বাধ্যতামূলক থাকবে, যার মাধ্যমে প্রতিটি রিসোর্টে গড়ে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ জন স্থানীয় যুবকের নিশ্চিত কর্মসংস্থান তৈরি হবে। সাধারণ হেলিকপ্টারের বিকট শব্দ বন্যপ্রাণীর ক্ষতি করে বিধায় কম শব্দের বিশেষ উড়োজাহাজ ব্যবহার করে পর্যটকদের আকাশ থেকে বাঘ দেখানোর পরিকল্পনা করছে সরকার, যা বন ও পরিবেশ আইন পুরোপুরি মেনেই বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রকৃতি পর্যটনের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজ ঐতিহ্য ও ধর্মীয় স্থানগুলোকে ঘিরে একটি ‘ট্রি-সার্কিট’ গড়ে তোলার রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আওতায় ‘মা মনসা’ ও ‘বনবিবি’র মন্দির সংস্কার, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী হাট স্থাপন, সুন্দরবনের খাঁটি মধু ও হস্তশিল্প বিক্রির প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ এবং পর্যটকদের জন্য সন্ধ্যায় নিয়মিত লোকসংগীত পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকবে। তা ছাড়া ডলফিন দেখার সুবিধার জন্য দুটি নতুন জেটি নির্মাণ, একটি অত্যাধুনিক ম্যানগ্রোভ পরিচিতি কেন্দ্র এবং একটি জীববৈচিত্র্য জাদুঘর গড়ে তোলার উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গোসাবায় আয়োজিত এই সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পর্যটন দপ্তরের সচিব, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক এবং সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্পের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে ম্যানগ্রোভ বনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে পরিবেশবিদদের পরামর্শ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীদের একাংশ।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় মোড়, হুতি ঠেকাতে এক টেবিলে সৌদি ও ইসরায়েল?
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলায় গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় নিয়ে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রভাবশালী দৈনিক ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’। হুতিদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে রিয়াদের পক্ষ থেকে জানানো অনুরোধের ভিত্তিতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মঙ্গলবার এক আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যকার সাম্প্রতিক বৈঠকের পরপরই রিয়াদ ও তেল আবিবের মধ্যে এই কার্যকর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, হুতিদের তীব্র আক্রমণের মুখে থাকা সৌদি বাহিনীকে গোয়েন্দা তথ্য ও সামরিক পরিকল্পনায় সহায়তা দিতে সেন্টকমের একটি বিশেষ টাস্কফোর্স সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এএফপির প্রতিবেদনে সৌদি-ইসরায়েল সরাসরি বৈঠক বা সেন্টকমের মধ্যস্থতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি এবং জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনেও রিয়াদ কিংবা তেল আবিবের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার সরাসরি উদ্ধৃতি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে ইসরায়েলের অপর সংবাদমাধ্যম ‘হারেৎজ’ জানিয়েছে, হুতিদের বিরুদ্ধে সংঘাতে সরাসরি সামনের সারিতে না জড়ানোর জন্য নিজ দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সতর্ক করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) শীর্ষ কর্মকর্তারা। বিশেষ করে হুতিরা ইয়েমেনের কৌশলগত বন্দরনগরী মোখার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা মনে করছেন, এ হুমকি একা মোকাবিলা না করে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সামরিক জোট গঠনের মাধ্যমে প্রতিহত করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
জেরুজালেম পোস্টের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, লোহিত সাগর অঞ্চলে হুতিদের সঠিক অবস্থান চিহ্নিতকরণ ও পাল্টা সামরিক অভিযানের নিখুঁত রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যেই মূলত ইসরায়েলের কাছে উন্নত গোয়েন্দা সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার অনুমতি দেওয়ায় তেল আবিবের নিরাপত্তা মহলে গভীর অস্বস্তি ও শঙ্কা বিরাজ করছে, কেননা সৌদি সীমান্ত থেকে ইসরায়েলের নিকটতম দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার।
ট্রাম্প প্রশাসন রিয়াদের এই পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে ইসরায়েল-সৌদি সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তিকে যুক্ত করার চেষ্টা করলেও রিয়াদ অনড় অবস্থান নিয়ে জানিয়েছে যে স্বাধীন ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধান ছাড়া তেল আবিবের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব নয়। এ ছাড়া মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, কৌশলগত বাব আল-মান্দাব প্রণালী থেকে হুতিদের হঠাতে যুক্তরাজ্যের সহায়তাও চেয়েছিল রিয়াদ; যার জবাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম কেবল সামরিক উপদেষ্টা পাঠাতে সম্মত হলেও অতিরিক্ত কোনো প্রকার সামরিক রসদ বা সহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
/আশিক
ভারত ও চীনসহ ১০ দেশকে নিশানা করে মার্কিন কংগ্রেসে নতুন বিল
রাশিয়া ও ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার আওতা আরও কঠোর করতে ভারত ও চীনসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রেখে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ অতিক্রম করেছে নতুন একটি বিল। ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ শীর্ষক এই বিলটি মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ২১৪-২১১ ভোটে প্রাথমিক অনুমোদন পায়, যেখানে দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট দিয়ে বিলটি পাসের পথ সুগম করেন। এর আগে গত মাসে মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ বিশাল ব্যবধানে এটি অনুমোদন পেয়েছিল এবং বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে বিলটির ওপর চূড়ান্ত ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রস্তাবিত এই আইনে রাশিয়ার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জ্বালানি খাতের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে জ্বালানি তেল পরিবহনে যুক্ত তথাকথিত ‘ছায়া বহর’ (শ্যাডো ফ্লিট)-এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বিলটিতে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি অব্যাহত রাখা দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের নির্বাহী ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্যানুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপিত এক সংশোধনীতে সম্ভাব্য শুল্কের আওতায় আসা ১০টি দেশের তালিকায় রয়েছে—ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তান।
তবে ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি গ্রেগরি মিকস এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করে যুক্তি দেখিয়েছেন যে, এটি কোনো পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ বা জবাবদিহি ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত শুল্ক আরোপের একচ্ছত্র ক্ষমতা দেবে। মূলত ওয়াশিংটনের দাবি, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বিক্রি থেকে আসা রাজস্বই ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোকে আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে; ফলে ক্রেতা দেশগুলোর ওপর বাণিজ্য চাপ সৃষ্টি করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। এদিকে ‘ইউক্রেন অ্যাকশন সামিট’-এর ব্যানারে ইউক্রেনপন্থি সংগঠনগুলো কিয়েভকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা অব্যাহত রাখতে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের ওপর জোর লবিং চালাচ্ছে। প্রতিনিধি পরিষদের আসন্ন অবকাশের আগেই বিলটি পাস হলে এটি কার্যকর করার জন্য প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত স্বাক্ষরের অপেক্ষায় পাঠানো হবে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, রয়টার্স
হেবরনের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিমদের জন্য বন্ধ করল ইসরায়েল
অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে মুসলিমদের প্রবেশাধিকার পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইহুদি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে নিরাপত্তার অজুহাতে বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা দুই দিন মসজিদটিতে মুসলিমদের নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধের এই পদক্ষেপে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ধর্ম মন্ত্রণালয়। পবিত্র এই স্থাপনার ওপর ইসরায়েলের অব্যাহত ‘পদ্ধতিগত লঙ্ঘন’ বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছে তারা। একই সঙ্গে মুসলিমদের নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইব্রাহিমি মসজিদের পরিচালক মোতাসেম আবু স্নেইনেহ এই পদক্ষেপকে মসজিদের অবশিষ্ট অংশ গ্রাস করার একটি পরিকল্পিত চেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মসজিদের প্রতিটি কক্ষ ও প্রাঙ্গণ ঐতিহাসিকভাবে সম্পূর্ণ ইসলামী পবিত্র স্থান এবং ইসরায়েলের এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক সনদে স্বীকৃত ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
মসজিদ বন্ধ করার পাশাপাশি পুরো এলাকায় সামরিক তৎপরতা ব্যাপক জোরদার করেছে দখলদার বাহিনী। মসজিদে প্রবেশের একাধিক চেকপয়েন্ট ও ইলেকট্রনিক নিরাপত্তা ফটক বন্ধ করে দেওয়ায় নিকটস্থ ইব্রাহিমি বালক প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আল-ফাইহা বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে, ফলে প্রতিষ্ঠান দুটিতে শিক্ষাকার্যক্রম সম্পূর্ণ থমকে গেছে।
হেবরনের পুরোনো শহরে অবস্থিত এই এলাকাটি বর্তমানে ইসরায়েলের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যেখানে প্রায় দেড় হাজার ইসরায়েলি সেনার কঠোর পাহারায় প্রায় ৪০০ অবৈধ বসতি স্থাপনকারী বসবাস করে। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে এক চরমপন্থী ইহুদি বসতি স্থাপনকারীর গুলিতে ২৯ জন মুসল্লি শহীদ হওয়ার পর ইসরায়েল একতরফাভাবে মসজিদটিকে বিভক্ত করে এর ৬৩ শতাংশ ইহুদিদের এবং মাত্র ৩৭ শতাংশ মুসলমানদের জন্য বরাদ্দ করে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
রক্তক্ষয়ী সংঘাতে লণ্ডভণ্ড পশ্চিম উপকূল, ইয়েমেনে তৈরি হচ্ছে বড় মানবিক বিপর্যয়
ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি বাহিনীর মধ্যকার সংঘাত মারাত্মক রূপ নেওয়ায় এক লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বরাতে এই মানবিক সংকটের তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, সংঘাতের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকলে দেশটি এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে।
ইউএনএইচসিআর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় দেশের অভ্যন্তরে এক লাখের বেশি মানুষ বসতভিটা ত্যাগ করে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পালিয়েছেন। জীবন বাঁচাতে আরও হাজার হাজার মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল বাব আল-মান্দাব প্রণালী পাড়ি দিয়ে পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে প্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন। হঠাৎ সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় বেশিরভাগ পরিবার জরুরি জিনিসপত্র ছাড়াই কোনোমতে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছে। ফলে এসব বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আশ্রয়, খাদ্য, সুপেয় পানি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে, যা স্থানীয় স্বাগতিক জনগোষ্ঠীর সীমিত সম্পদের ওপর চরম চাপ তৈরি করছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইয়েমেনের ভেতরে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করতে আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের নতুন জরুরি তহবিলের প্রয়োজন। পাশাপাশি জিবুতিতে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের জন্যও বাড়তি আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন হবে। এই সংঘাতের কারণে ইয়েমেনে পূর্ব থেকে অবস্থানরত সোমালিয়া ও ইথিওপিয়া থেকে আসা নিবন্ধিত ৬৫ হাজারেরও বেশি বিদেশি শরণার্থী নতুন করে চরম জীবনঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতি বিদ্রোহীদের দ্রুত সামরিক অগ্রযাত্রার ফলে এই তীব্র বাস্তুচ্যুতির ঘটনা শুরু হয়েছে। হুতিরা মূলত লোহিত সাগর উপকূলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে বাব আল-মান্দাব প্রণালীর ওপর নিজেদের অবস্থান সুসংহত করার কৌশল নিয়েছে। লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্তকারী এই কৌশলগত বাব আল-মান্দাব প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশ্বিক সামুদ্রিক পথ; হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্যের বিকল্প হিসেবে বর্তমানে এ জলপথের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস আমন্ত্রণ নিয়ে ধোঁয়াশার অবসান, যা জানাল নয়াদিল্লি
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সদ্য সমাপ্ত ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই আমন্ত্রণের একটি ছিল আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি ছিল বঙ্গোপসাগরীয় বহু-খাতভিত্তিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগের (বিমসটেক) সভাপতি হিসেবে ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে যোগদানের। মঙ্গলবার ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের অংশগ্রহণ ও আমন্ত্রণ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে তৈরি হওয়া অস্পষ্টতা প্রসঙ্গে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আগেই একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পরবর্তীতে বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের বিশেষ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য তাকে আরেকটি আমন্ত্রণ পাঠানো হয়; ফলে তিনি মূলত দুটি পৃথক আমন্ত্রণপত্র পেয়েছিলেন। গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে সদস্য, অংশীদার দেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জোটের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিমসটেকের বর্তমান প্রধান হিসেবে বাংলাদেশকে আউটরিচ সেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল যে ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এককভাবে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এমনকি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও স্পষ্ট করেছিলেন যে আমন্ত্রণটি কেবল বিমসটেক প্রধান হিসেবেই এসেছে। ঢাকা থেকে এমন অবস্থানের প্রেক্ষাপটেই নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো। রণধীর জয়সওয়াল পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের যে আলাদা আমন্ত্রণ ভারত জানিয়েছিল, তা এখনো কার্যকর ও বহাল রয়েছে।
/আশিক
চলমান সামরিক সংঘাতকে 'পবিত্র যুদ্ধ' আখ্যা দিয়ে যা বললেন উত্তর কোরিয়ার নেতা
রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ কর্মকাণ্ড ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও নিবিড় ও সম্প্রসারিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়ার বর্তমান সামরিক তৎপরতাকে ‘পবিত্র যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতি পিয়ংইয়ংয়ের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ এই তথ্য প্রকাশ করে।
উত্তর কোরিয়ার ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলেন। সেই বার্তার প্রত্যুত্তরেই মস্কোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন কিম জং উন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সহযোগিতা ও প্রতিষ্ঠিত জোটের ওপর ভিত্তি করে রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের যৌথ তৎপরতা সুসমন্বিতভাবে আরও এগিয়ে নিতে পিয়ংইয়ং সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
রাশিয়ার চলমান যুদ্ধকে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক ‘পবিত্র যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দেন কিম। এই লড়াইয়ে মস্কোর নিশ্চিত বিজয় আসবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং জানান যে ভ্লাদিমির পুতিন ও রাশিয়ার জনগণের প্রতি তাঁর দেশের অকৃত্রিম সমর্থন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বিবৃতির মাধ্যমে মূলত ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অবস্থানের প্রতি জোরালো সমর্থন প্রকাশ করলেন কিম। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যকার কৌশলগত ঐক্য বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে; বিশেষ করে ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার সেনা পাঠানোর পশ্চিমা অভিযোগ এবং পরবর্তীতে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তির পর এই সামরিক সহযোগিতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
মস্কোর পাশাপাশি বেইজিংয়ের সঙ্গেও দীর্ঘদিনের সম্পর্ক জোরদার করার ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন কিম জং উন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পাঠানো অভিনন্দন বার্তার জবাবে তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং সমাজতান্ত্রিক আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে পিয়ংইয়ং যৌথভাবে বেইজিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত ৯ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়ার ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুতিন ও শি উভয়েই অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলেন, যার প্রেক্ষিতে পৃথক দুই বার্তায় রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে নিজেদের দ্বিপাক্ষিক ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরলেন উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা।
সূত্র : রয়টার্স
পশ্চিমাঞ্চলীয় তিন শহরে প্রশাসনের জরুরি বার্তা, যা ঘটল সৌদি আরবে
সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় তিন প্রধান শহর মক্কা, জেদ্দা ও তায়েফে সম্ভাব্য বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কায় সর্বসাধারণের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচারিত এক জরুরি নির্দেশনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে এবং সরকারের সুরক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর (সিভিল ডিফেন্স) জানিয়েছে, দেশটির জাতীয় জরুরি সতর্কবার্তা প্ল্যাটফর্ম ‘ন্যাশনাল আর্লি ওয়ার্নিং প্ল্যাটফর্ম ফর ইমার্জেন্সিস’-এর মাধ্যমে নাগরিকদের মুঠোফোনে এই সতর্কবার্তাগুলো পাঠানো হয়। তবে এই নির্দেশনায় সম্ভাব্য ঝুঁকির প্রকৃত ধরন কিংবা সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সতর্কবার্তায় জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং কোনো ধরনের বিলম্ব না করে নিকটবর্তী নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নাগরিকদের ভবনের ভেতরের দিকের সুরক্ষিত কক্ষে জানালা থেকে দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান নিতে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া উন্মুক্ত স্থান, জানালা, বারান্দা ও ভবনের ছাদ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করার কড়া নির্দেশ দিয়েছে সিভিল ডিফেন্স। যেসব ব্যক্তি সতর্কবার্তা জারির সময় ঘরের বাইরে বা রাস্তায় অবস্থান করছিলেন, তাদের কালবিলম্ব না করে নিকটবর্তী কোনো শক্ত ভবনের ভেতরে প্রবেশ করার অথবা যেকোনো মজবুত কাঠামোর আড়ালে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কে থাকা গাড়িচালকদের সতর্কবার্তা পাওয়ার সাথে সাথে ফ্লাইওভার, সেতু ও সুউচ্চ ভবনের আশপাশ এড়িয়ে নিরাপদ স্থানে গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ও যেকোনো ধরনের জনসমাগম এড়িয়ে কেবল সরকারি তথ্যমাধ্যমের নির্ভরযোগ্য দিকনির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
মূলত ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের চলমান সামরিক সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি উত্তেজনার প্রেক্ষাপটেই এই জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত কয়েক দিন ধরেই হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর ও কৌশলগত বেসামরিক-সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে; যার জবাবে সৌদি জোট বাহিনীও ইয়েমেনের অভ্যন্তরে হুতিদের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা জোরদার করেছে।
সূত্র- আনাদোলু এজেন্সি
শর্ত পূরণ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে আবারও আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের নিজস্ব শর্তাবলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপে বসবে না তারা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের আলোচনার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ইরানের পক্ষ থেকে এমন অনমনীয় প্রতিক্রিয়া সামনে এলো। উল্লেখ্য, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুদ্ধবিরতি বা কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সময় এখনও হয়নি বলে অবস্থান নেওয়ার পর এবারই প্রথম আলোচনার সম্ভাবনার কথা বললেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নতুন বার্তার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি ট্রাম্পের বক্তব্যকে পরস্পরবিরোধী বলে কটাক্ষ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ট্রাম্পের এ ধরনের দ্বিমুখী কথাবার্তায় বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই; কারণ তিনি কখনো আলোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন, আবার কখনো আলোচনায় প্রস্তুত থাকার দাবি করেন।
বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে রেজায়ি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেল ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথকে ঘিরে সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি বদলে গেছে। সামনে যে পরিস্থিতি আসছে, কেবল ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে তা প্রতিহত করা সম্ভব হবে না। এ অবস্থায় ইরানের নির্ধারিত শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসা হবে না বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আগামী মাসে রূপপুর থেকে গ্রিডে আসবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: রুশ রাষ্ট্রদূত
- সেপ্টেম্বরের শেষভাগে রাতের আকাশে চোখ জুড়ানো মহাজাগতিক দৃশ্য
- শেষ হতে চলেছে স্মার্টফোনের যুগ? রহস্যময় ডিভাইস নিয়ে আসছে ওপেনএআই
- তাপপ্রবাহের মাঝে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা
- এলএনজি, জ্বালানি তেল ও টিসিবির পণ্য কেনায় সরকারের মেগা অনুমোদন
- একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
- সুন্দরবনে ফাইভ-স্টার ‘ট্রি-হাউস’ ও আকাশপথে বাঘ দর্শনের মেগা পরিকল্পনা
- মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় মোড়, হুতি ঠেকাতে এক টেবিলে সৌদি ও ইসরায়েল?
- ২০৩১ সালের মধ্যে চালু হচ্ছে নতুন ইলেকট্রিক ট্রেন, মেগা বরাদ্দ একনেকে
- বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের গর্জন, আইসিসির নতুন র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চমক
- ১ মিনিটের বিজ্ঞাপনে তোলপাড় নেটদুনিয়া, তীব্র সমালোচনার মুখে তারকা অভিনেত্রী
- নিম্নমুখী ধারার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, কোন পথে হাঁটছে বাজার?
- ভারত ও চীনসহ ১০ দেশকে নিশানা করে মার্কিন কংগ্রেসে নতুন বিল
- মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টার তীব্র নিন্দা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজের
- ডেঙ্গুর প্রকোপে নতুন রেকর্ড, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ও আক্রান্তের নতুন তথ্য
- হেবরনের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিমদের জন্য বন্ধ করল ইসরায়েল
- রক্তক্ষয়ী সংঘাতে লণ্ডভণ্ড পশ্চিম উপকূল, ইয়েমেনে তৈরি হচ্ছে বড় মানবিক বিপর্যয়
- রাজধানীতে আধুনিক যোগাযোগের মহাবিপ্লব, একনেক সভায় বিপুল অর্থ বরাদ্দ
- ভরদুপুরে সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও কোপ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল রোমহর্ষক দৃশ্য
- প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস আমন্ত্রণ নিয়ে ধোঁয়াশার অবসান, যা জানাল নয়াদিল্লি
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন বার্তা
- আগামী কয়েক দিন কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর
- গ্যাস-বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা হারানোর মুখে দেশের পোশাক শিল্প
- চলমান সামরিক সংঘাতকে 'পবিত্র যুদ্ধ' আখ্যা দিয়ে যা বললেন উত্তর কোরিয়ার নেতা
- বিশ্বকাপ বর্জনের নেপথ্যে কী ঘটেছিল? চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল তদন্ত কমিটি
- গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই প্রধান কাজ: রাষ্ট্রপতি
- ফজরের পর অল্প লোক নিয়ে ভিডিওর জন্য মিছিল করে নিষিদ্ধ লীগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান কবে শুরু? সামনে এলো সম্ভাব্য তারিখ
- প্রস্তুতির ঘাটতি নয়, বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেলেই জিতেছে: প্যাট কামিন্স
- পশ্চিমাঞ্চলীয় তিন শহরে প্রশাসনের জরুরি বার্তা, যা ঘটল সৌদি আরবে
- ঢাকার যানজট ও রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর পদক্ষেপ
- শর্ত পূরণ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: ইরান
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মধ্যেই পবিত্র মক্কায় বিরল সতর্কতা জারি
- ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ওবায়দুল কাদেরের কথোপকথন ফাঁস
- হাসপাতালগুলোতে উপচে পড়ছে ডেঙ্গু রোগী, মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগের নতুন বার্তা
- সৌদি শহরগুলোতে রেড অ্যালার্ট ও গাজায় জ্বালানি সংকট: মহাবিপর্যয়ের মুখে মধ্যপ্রাচ্য
- আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ফেডের সুদের হার বাড়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন
- সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনে বড় আঘাত, জ্বালানি বিশ্বে অশনিসংকেত
- শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বড় ঘোষণা
- জুড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটিতে নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, সভা বর্জন
- কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শুরুর দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের স্মারকলিপি
- তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন
- দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- যে মাঠে অভিষেক সেখানেই জাতীয় দলকে বিদায় বললেন ব্রাজিল কিংবদন্তি নেইমার
- টানা ১৪ দিন গ্রিন টি পানে শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে: বিশেষজ্ঞের তথ্য
- দেশের ভেতরে ৩০০ গ্যাসকূপ খনন ও ৫টি এফএসআরইউ করার পরিকল্পনা সরকারের
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়বে জামায়াত
- ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো হতে পারে না: স্পিকার
- ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কর মামলায় চেম্বার আদালতের নতুন আদেশ
- জুলাই বিপ্লবের ভঙ্গুর দশা কাটিয়ে পূর্ণ শক্তিতে ফিরছে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- দেশে শ্রমশক্তি ও কর্মসংস্থানের সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ
- পালিয়ে গিয়েও সমাজকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন হাসিনা: ডা. শফিকুর রহমান
- ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের কর দাবি নিয়ে হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা
- সংসদ সদস্যদের নম্বর হ্যাক করে টাকার দাবি: অধিবেশনে সতর্ক করলেন চিফ হুইপ
- বক্তব্যের পর আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে: সংসদে বিস্ফোরক রুমিন
- ইরান যুদ্ধ কবে থামবে, দিনক্ষণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প
- ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা, মুসলিম ঐক্যের ডাক দিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- বিরোধীদলকে সঙ্গে নিয়েই জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- দীর্ঘ কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে প্রতিবেশী দেশে সফরে যাচ্ছেন পরাশক্তির শীর্ষ নেতা
- ব্যালন ডি’অর ইয়ামালেরই প্রাপ্য: ফেইনুর্ড জয়ের পর বললেন হান্সি ফ্লিক
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে মিশ্র প্রবণতা, নজর মার্কিন মূল্যস্ফীতিতে
- স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে র্যাবের মতো শক্তিশালী ফোর্স অপরিহার্য: লুৎফুজ্জামান বাবর
- কালিগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রস্তুতি সভা
- ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করল এনসিপি








