জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; শনিবারই উদযাপিত হবে ঈদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ১৯:২১:৫৬
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; শনিবারই উদযাপিত হবে ঈদ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শুক্রবার ৩০ রোজা পূর্ণ হবে এবং আগামী শনিবার (২১ মার্চ) সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি জানান, দেশের সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, আজ বাংলাদেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার নির্ভরযোগ্য খবর পাওয়া যায়নি।

ধর্মীয় নিয়মানুযায়ী রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে শনিবার থেকে শাওয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ওই দিনই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালিত হবে। উল্লেখ্য, ১৭ সদস্যের এই জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি প্রতি আরবি মাসের ২৯ তারিখে বৈঠকে বসে চাঁদের অবস্থান নিশ্চিত করে।

/আশিক


২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ২১:৪৫:৪৫
২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
ছবি : সংগৃহীত

সরকার ও ব্যবসায়ীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) উদ্যোগে আয়োজিত শীর্ষ বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় এ সংক্রান্ত দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সভায় উল্লেখ করা হয়, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো সরকার ও ব্যবসায়ী সমাজ—উভয় পক্ষই গভীরভাবে অনুধাবন করছে। সমস্যার কার্যকর সমাধানে নিবিড় সংলাপ ও সমন্বয়ের বিকল্প নেই।

ইতিপূর্বে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ২৮টি সুনির্দিষ্ট সমস্যার মধ্যে ২১টি বিষয়ে ইতোমধ্যে নীতিগত সমাধান ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং বাকি ৭টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবারও খাতভিত্তিক সংলাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরির নানা দিক নিয়ে ব্যবসায়ী নেতারা বিস্তারিত প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার একটি কৌশলগত রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়। এই লক্ষ্য অর্জনে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং সার্বিক নীতিনির্ধারণী সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়।

উচ্চপর্যায়ের এই নীতি নির্ধারণী বৈঠকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস


যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ১৮:৩৮:০৬
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন ব্যবসায়ী সমন্বয়ে গঠিত এক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, শিল্প খাতে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, দেশের বেসরকারি খাতের বিকাশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোতে দ্রুত ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে পণ্য খালাসের সময় ও খরচ কমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়বে। একই দিনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় একাধিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও যৌথ উদ্যোগে অর্থনীতিকে গতিশীল করার বিষয়গুলোতে ঐকমত্য দেখা গেছে।

/আশিক


যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ১৮:৩৮:০৬
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন ব্যবসায়ী সমন্বয়ে গঠিত এক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, শিল্প খাতে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেছে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, দেশের বেসরকারি খাতের বিকাশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোতে দ্রুত ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে পণ্য খালাসের সময় ও খরচ কমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়বে। একই দিনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় একাধিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও যৌথ উদ্যোগে অর্থনীতিকে গতিশীল করার বিষয়গুলোতে ঐকমত্য দেখা গেছে।

/আশিক


আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০১ ১৮:৩৩:৫৩
আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ত্বরান্বিত এবং দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দেশের সকল বন্দর দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রাইভেট সেক্টর বা বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য খালাস ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন বা '২৪ ঘণ্টা' করার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

উক্ত প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের সমন্বয়ে সামনের দিনগুলোতে নিশ্চিত করা হবে যেন দেশের প্রতিটি সমুদ্র, স্থল ও আকাশ বন্দর ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করতে পারে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য বহুগুণ দ্রুত ও গতিশীল হবে।

শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এই দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ বৈঠকে বেসরকারি খাতের বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ, ইকোনমিক জোন (বেজা) ও রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা)-তে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সার্বিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে স্পষ্ট করা হয়, তরুণ ও নারী সমাজের জন্য ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার। 'সবার আগে বাংলাদেশ' এই নীতিকে সামনে রেখে দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগবান্ধব ও ব্যবসা-সহায়ক বাজেট ও পলিসি সাপোর্ট বজায় রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উপস্থিত বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিক পলিসিগত সিদ্ধান্তে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

/আশিক


বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ৩০ ২০:১৩:০১
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব স্থবির কারখানায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা বা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আইনি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের সভাপতি চলতি বছরের মধ্যেই এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে দেশে সার্বিক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা ও বিভাগকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়।

উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ৩০ ১৮:২২:৪৯
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল
ছবি : সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। পূর্বের সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সলিসিটর অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন তারিখে জারিকৃত স্মারকমূলে ইতিপূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে 'বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, ১৯৭২' (P.O. No. 6 of 1972)-এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পুনর্বিন্যাসপূর্বক মোট ২৬৫ জন আইন কর্মকর্তাকে (৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল) অবিলম্বে কার্যকরের উদ্দেশ্যে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনায় গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই আইন কর্মকর্তাদের এই নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

/আশিক


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৯ ২১:৪৩:৪৩
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের ঘটনার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। ডিবি সূত্রে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলার ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের সুনির্দিষ্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই গুলশানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আইনের আওতায় নেওয়া হয়।

এর আগে বুধবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির হয়ে লতিফ সিদ্দিকী নিজেই আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানান। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তার না করলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানাবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। তবে বিকেলেই তাঁকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, লতিফ সিদ্দিকী পূর্বেও ভিন্ন একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে মুক্ত পান। এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানায় নতুন করে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হলো।

/আশিক


একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৯ ২১:৩৮:৪৬
একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকা ও নয়াদিল্লি পারস্পরিক স্বার্থ ও সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘আমরা উভয়েই একমত যে, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’ এ সময় পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টাও উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এটি কেবল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তাই নির্দিষ্ট কোনো দ্বিপক্ষীয় অস্বস্তিকর বিষয় বা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি, তবে আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার সব বিষয় নিয়েই টেবিলে আলোচনা হবে।

আসন্ন ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সিদ্ধান্ত হলে তা দ্রুত জানানো হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদানের এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সফরের আমন্ত্রণ থাকায় সব কর্মসূচি একসাথে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের আসন্ন ঢাকা সফরকে ‘অনুসন্ধানমূলক’ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রাধিকারগুলো ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। ঢাকার কূটনীতিকে ‘জিরো-সাম গেম’ (একটি দেশের সাথে সম্পর্ক বাড়লে অন্যের সাথে অবনতি হওয়া) হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে সব দেশের সাথেই ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।

অন্যদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে। সাংস্কৃতিক বিনিময়, বাণিজ্য ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ভিত্তিতে আগামী দিনে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

/আশিক


যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৯ ১৮:২১:৪০
যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশে পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ কমাতে ইলেকট্রিক যানবাহনের (ইভি) ব্যবহার বাড়ানো, পুরনো বাস অপসারণে পরিবেশবান্ধব ‘স্ক্র্যাপ নীতি’ প্রণয়ন এবং ঢাকার অভ্যন্তরে যানজট নিরসনে টার্মিনাল পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। জাতীয় বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

সরকারের মূল লক্ষ্য হলো একটি নিরাপদ, সময়োপযোগী, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বিশ্বমানের পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ইলেকট্রিক যানবাহনের প্রসারে ইতোমধ্যে কর বা শুল্ক কাঠামোতে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে ইভি আমদানিতে প্রায় ৬২ শতাংশ কর প্রযোজ্য ছিল, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে যাতে উদ্যোক্তারা এই শিল্পে বিনিয়োগে উৎসাহিত হন এবং সাধারণ মানুষের পক্ষেও ইভি ক্রয় করা সহজ হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় ইভি চার্জিং অবকাঠামো বা চার্জিং স্টেশন স্থাপনের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নগরীর ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গণপরিবহন অপসারণে নতুন একটি কৌশলগত পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৫ বছর বা তার বেশি পুরনো এবং চলাচলের অনুপযোগী বাসগুলোকে কেবল স্রেফ 'ডাম্পিং' করে ফেলে রাখা হবে না। বরং পরিবেশসম্মত উপায়ে ‘স্ক্র্যাপিং’ করে সেখান থেকে লোহা, ইস্পাতসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামাল পৃথক করা হবে, যা দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় নতুন করে কাজে লাগানো যাবে।

রাজধানী ঢাকার চিরচেনা যানজট নিরসনে বাস টার্মিনালগুলোর পুনর্বিন্যাসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে একই টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা ও সিটি বাস পরিচালিত হওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ঢাকার অভ্যন্তরীণ বাসস্ট্যান্ডগুলোকে শুধু সিটি বাস চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট রাখা হবে এবং দূরপাল্লার বা আন্তঃজেলা বাসগুলোকে রাজধানীর প্রবেশমুখে নির্ধারিত আধুনিক টার্মিনালে স্থানান্তরিত করা হবে। এর ফলে শহরের মূল সড়কে ভারী বাসের চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেট্রো রেল, মনোরেল এবং আধুনিক ইলেকট্রিক সিটি বাসকে একই নেটওয়ার্কের আওতায় এনে একটি 'একীভূত গণপরিবহন নেটওয়ার্ক' গড়ে তুলতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে যাত্রীরা খুব সহজেই একক টিকিট ও সমন্বিত নেটওয়ার্কে এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাতায়াত করতে পারবেন। এর ফলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর মানুষের নির্ভরতা কমবে এবং ঢাকাকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: