কার কী মার্কা দেখার সময় নেই, লক্ষ্য এখন মুক্তি: আসিফ মাহমুদ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে বলেন যে দেশের মানুষ গ্রামের অলিগলি থেকে শুরু করে শহরের বাজার এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত এক ধরণের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রত্যক্ষ করছে। তিনি অভিযোগ করেন যে ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বিতাড়িত করা হলেও গত ১৬ মাসে অত্যাচরের ধরণ বদলেছে মাত্র, কিন্তু নিপীড়ন বন্ধ হয়নি। তাঁর মতে, এই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি পেতে হলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি ‘ব্যালট বিপ্লব’ ঘটানো ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন যে ইতোমধ্যে ৩০০ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে এবং দেশের মুক্তির স্বার্থে সাধারণ মানুষকে মার্কা বা প্রতীক না দেখে কেবল প্রার্থীর যোগ্যতা ও জোটের অঙ্গীকার বিবেচনা করে ভোট দিতে হবে। আসিফ মাহমুদ মনে করেন, এই একটি ভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশ দীর্ঘকালীন স্বাধীনতা, সুশাসন এবং সত্যিকারের সার্বভৌমত্বের পথে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।
নির্বাচনী সভায় একটি বড় রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে আসিফ মাহমুদ বলেন যে তারা গত ১৭ বছর ধরে কেবল সংস্কারের কথাই বলে এসেছে, কিন্তু যখন সত্যি সত্যি সংস্কার করার সময় এসেছে, তখন তাদের কণ্ঠ হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন যে এই জোটকে নির্বাচিত করলে হয়তো আগামী পাঁচ বছর একটি নিরবচ্ছিন্ন সেবা পাওয়া যাবে, তবে এর চেয়েও বড় সিদ্ধান্ত হবে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়যুক্ত করা। তাঁর ভাষায়, গণভোটে জয়ী হলে এই সংস্কারের সুফল কেবল বর্তমান প্রজন্ম নয়, বরং আমাদের সন্তানদের পরবর্তী প্রজন্মও দীর্ঘ সময় ধরে ভোগ করতে পারবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে একটি পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং যারা নতুন করে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে চায়, তাদের মধ্যে এখন এক ধরণের গোপন ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তারা সবাই মিলে গণভোটে ‘না’ ভোটকে জয়ী করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাঁর বক্তব্যে ৫ আগস্টের স্পিরিটকে ধারণ করে ১২ ফেব্রুয়ারির ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে সব ধরণের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার শপথ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন যে দেশ এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে একদিকে আছে সুশাসনের স্বপ্ন আর অন্যদিকে নতুন করে জেঁকে বসা স্বৈরাচারী শক্তি। এই পথসভাতেই তিনি চট্টগ্রাম-৮ আসনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী জোবাইরুল আরিফ এবং বান্দরবান আসনের প্রার্থী সুজা উদ্দিনকে ভোটারদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাঁদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। তাঁর মতে, যারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং মানুষের মৌলিক সংস্কার চায়, তাঁদের জন্য এই ১১ দলীয় জোটই হলো একমাত্র আশ্রয়স্থল। ভোটারদের তিনি চোখ বন্ধ করে দেশের মুক্তির কান্ডারিদের নির্বাচিত করার আহ্বান জানান যাতে বাংলাদেশ আবার অন্ধকার যুগে ফিরে না যায়।
এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছে দুই নতুন সংগঠন
রাজনৈতিক সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক করার লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নতুন করে সাংগঠনিক বিস্তারের উদ্যোগ নিয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের পরপরই ‘জাতীয় কৃষক শক্তি’ এবং ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি’ নামে দুটি নতুন সহযোগী সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে পারে।
দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মতে, ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ ফোরামে এ দুটি সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। কৃষিখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বৃহৎ জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবীদের সংগঠিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দলটি পেশাভিত্তিক অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে চায়, যা রাজনৈতিক কাঠামোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে।
নেতারা মনে করছেন, দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের গুরুত্ব অপরিসীম হলেও এই খাতের মানুষদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা তুলনামূলকভাবে সীমিত। ‘জাতীয় কৃষক শক্তি’ গঠনের মাধ্যমে কৃষকদের দাবি, অধিকার এবং অর্থনৈতিক স্বার্থকে সরাসরি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি’ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
এনসিপির বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামো ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্তরে বিস্তৃত হয়েছে। এর আগে দলটি জাতীয় ছাত্রশক্তি, জাতীয় যুবশক্তি, জাতীয় শ্রমিক শক্তি এবং জাতীয় নারীশক্তি নামে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন গঠন করেছে। নতুন দুটি সংগঠন যুক্ত হলে দলটির সংগঠনভিত্তিক বিস্তার আরও গভীর ও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, নতুন সংগঠন দুটি নিয়ে প্রাথমিক কাঠামোগত পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদের পর কেন্দ্রীয়ভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, দলীয় আলোচনার ভিত্তিতেই এই দুটি সংগঠনের ধারণা এসেছে। তিনি জানান, একটি অনানুষ্ঠানিক কৃষক উইং আগে থেকেই থাকলেও সেটিকে এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রমকে আরও সংগঠিত ও সক্রিয় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দলের অন্যতম লক্ষ্য হলো কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথ সুগম করা। এই লক্ষ্যে রাজনৈতিক কাঠামোর ভেতরে কৃষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এনসিপির সাংগঠনিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জুলাই আন্দোলনের পর উদ্ভূত ছাত্রনেতৃত্বের ধারাবাহিকতা থেকেই দলটির ছাত্রভিত্তিক সংগঠনগুলোর বিকাশ ঘটেছে। পরবর্তীতে যুব, শ্রমিক ও নারী সংগঠন যুক্ত হয়ে একটি বিস্তৃত রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা এখন পেশাভিত্তিক সংগঠন ও সেক্টরভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
এছাড়াও পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করতে এনসিপি ইতোমধ্যে ন্যাশনাল প্রফেশনাল অ্যালায়েন্স, ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্স, ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফোরাম, ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলসহ একাধিক সংগঠন গঠন করেছে। প্রকৌশলী, আইনজীবী, চিকিৎসক এবং প্রবাসীদের নিয়েও পৃথক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, যা দলটির বহুমাত্রিক সাংগঠনিক কৌশলকে নির্দেশ করে।
-রাফসান
জামায়াতে ইসলামীর আমীরের ঈদের বিশেষ কর্মসূচি প্রকাশ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় আদায় করবেন। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল ৪টার সময় দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ৮টায় মিরপুরের ৬০ ফিট সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে নির্ধারিত প্রধান ঈদ জামাতে তিনি অংশ নেবেন। জামাত শেষে বিরোধীদলীয় নেতা সেখানে উপস্থিত সাধারণ মুসল্লি, নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জামায়াতের আমীরের এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং জামাতস্থলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।
/আশিক
আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মেনে নেব না: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘ সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ কারও আধিপত্য মেনে নেবে না। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চীনা দূতাবাসের সহায়তায় দুস্থদের মাঝে 'ঈদ উপহার' বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের ঘাড়ের ওপর আমরা কারও আধিপত্য মেনে নেব না। বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ বুক উঁচু করে বাঁচতে চায় এবং বিশ্বের বুকে গর্বিত বাংলাদেশি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে চায়।” চীনের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “অনেকে বাংলাদেশকে কিছু না দিয়েই সব নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে, কিন্তু চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকার চীনের দেওয়া বন্ধুত্বের নিদর্শনগুলো ‘হাইজ্যাক’ করে নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়ে চরম অকৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে।
অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াত আমিরের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ঈদুল ফিতর হলো ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার উৎসব। বাংলাদেশের মানুষের খুশিতে অংশীদার হতে এবং উন্নয়নে সহায়তা করতে চীন সবসময় পাশে থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং দুই দেশ একসঙ্গে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবে।
/আশিক
চীনের দেওয়া সহায়তা হাইজ্যাক করা হয়েছে! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জামায়াত আমিরের
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, বিরোধী দল হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে তাঁর দল। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে 'ঈদ উপহার' হিসেবে ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈদেশিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “দেশের ঘাড়ে কোনো ধরনের আধিপত্যবাদ চাপিয়ে দেওয়া হলে আমরা তা বরদাশত করব না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অতীতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য চীনের দেওয়া সহায়তাগুলো ‘হাইজ্যাক’ বা আত্মসাৎ করা হয়েছিল। তবে আগামীতে চীন বা অন্য বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সহায়তা যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়ে জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে জামায়াত আমির জানান, দেশের মানুষের প্রয়োজনে এবং কৃষকদের স্বার্থে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর দল যেকোনো ধরনের সাহসী পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দল কেবল রাজপথেই নয়, বরং সামাজিক সেবামূলক কাজের মাধ্যমেও পাশে থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
/আশিক
সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে দলের নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। গত ১২ মার্চ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়।
সংসদ সচিবালয়ের গেজেট অনুযায়ী, ‘বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১’ এবং সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে এই মনোনয়ন কার্যকর করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পর দ্বিতীয় বৃহত্তম সংসদীয় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াত। ফলে নিয়ম অনুযায়ী সরকারের বিরোধিতাকারী দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ আসন থাকায় দলটির শীর্ষ নেতৃত্বকে এই সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে। ৬৮টি আসন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন। নতুন এই সংসদীয় কাঠামো দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
/আশিক
সরকার কি শুধু ধানের শীষের ভোটারদের? ত্রাণ বৈষম্য নিয়ে সরব সারজিস আলম
জনগণের ট্যাক্সের অর্থে কেনা সরকারি ত্রাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনে চরম বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত চাল, সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড এবং ঈদ উপহারের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলো বর্তমানে শুধুমাত্র বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।
সারজিস আলম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে আসা সরকারি সুবিধাগুলো বিএনপি নেতারা নিজেদের ইচ্ছামতো ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ায় বিএনপির বাইরে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক কিংবা সাধারণ দরিদ্র মানুষেরা পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, সরকারি সুবিধা কি কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের সমর্থকদের জন্য? এই সরকার কি শুধু ধানের শীষের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করছে, নাকি দেশের পুরো জনগণের?
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, সরকারের উচিত দেশের ১০০ শতাংশ জনগণের কথা ভাবা, কিন্তু বর্তমানে মাঠপর্যায়ে যা ঘটছে তাতে মনে হচ্ছে সরকার কেবল ৫০ শতাংশ বা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কেনা উপহার বা সুবিধা কেন কেবল রাজনৈতিক বিবেচনায় বিলি করা হবে, তা নিয়ে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাঁর এই পোস্টটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
/আশিক
রাষ্ট্রপতির ‘তিন অপরাধ’ ফাঁস করলেন জামায়াত আমির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুতেই এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক নাটকীয়তার সাক্ষী হলো। প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ শুরু করতে গেলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন। এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির তিনটি সুনির্দিষ্ট ‘অপরাধ’ ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা।
অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে সংসদ ভবনের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণগুলো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, “এই সংসদ জুলাই শহীদদের পবিত্র রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা স্পিকারের কাছে আগেই সবিনয় নিবেদন করেছিলাম, এই মহান সংসদে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট বা খুনির দোসর বক্তব্য দিয়ে পরিবেশ কলুষিত করতে না পারে।”
জামায়াত আমিরের দৃষ্টিতে রাষ্ট্রপতির ‘তিন অপরাধ’ ও বর্জনের কারণ
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছরের শাসনামলে এবং বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সময় হওয়া প্রতিটি খুনের নেপথ্যে রাষ্ট্রপতির পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। তিনি নিজেকে এই ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই পরিচালিত করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র চাপের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালালে রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জানিয়েছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তাঁর এই বক্তব্য অস্বীকার করে বলেন তাঁর কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র নেই। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদাহানি করেছেন এবং জাতির সামনে ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।
তৃতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছিলেন যেখানে বিধান ছিল—নির্বাচনে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তারা একই সাথে ‘সংস্কার সংশোধন পরিষদের’ সদস্য হিসেবেও বিবেচিত হবেন এবং একই দিনে উভয় পদের শপথ গ্রহণ করবেন। বিরোধী দল এই দুটি শপথ নিলেও সরকারি দল তা নেয়নি। এছাড়া রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছিল অধ্যাদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা, যা তিনি করেননি। এর ফলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে তিনি সরাসরি অপমান করেছেন বলে দাবি করেন জামায়াত আমির।
একই সুরে সুর মিলিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পিকারের কাছে জোরালো দাবি জানিয়ে বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের ফসল এই সংসদ। এখানে কোনোভাবেই ফ্যাসিস্ট বা তাদের দোসরদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়ে মহান সংসদকে অপবিত্র করা যাবে না।” বিরোধী দলের এই অনড় অবস্থান এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালীন ওয়াকআউট ত্রয়োদশ সংসদের শুরুতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে।
/আশিক
গোলাম পরওয়ারের পিটিশন গ্রহণ: খুলনা-৫ আসনের বিজয় কি তবে অনিশ্চিত?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনের ঘোষিত ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও ওই আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর এই আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই আসনের ব্যালট পেপারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল সরঞ্জামাদি যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। গোলাম পরওয়ারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখন ওই আসনের ভোটের শুদ্ধতা যাচাই করা হবে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুধু খুলনা-৫ নয়, এ পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। হাইকোর্ট প্রতিটি আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট ও সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ থাকলে হাইকোর্টে 'নির্বাচনি আবেদন' করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে এই আবেদনগুলোর নিয়মিত শুনানি চলছে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
/আশিক
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে এলাকায় ফেরার দরকার নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের (চুপ্পু) আসন্ন ভাষণ এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এই কড়া বার্তা দেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ যদি বিরোধীদলীয় এমপিরা সংসদে বসে চুপ্পুর ভাষণ নীরবে শুনে যান, তাহলে জনগণের উচিত তাদেরকে নিজ নিজ এলাকায় নিয়ে গিয়ে মাইকে খুনি হাসিনার ভাষণ শুনিয়ে দেওয়া, যাতে তারা বুঝতে পারেন, জনগণ আর নীরব দর্শক নয়।’ তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ নীরবে গ্রহণ করা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দল যদি সত্যিই জনগণের পাশে থাকতে চায়, তবে তাদের উচিত ঢাকায় অবস্থান করে সংস্কার সভা ও জুলাই সনদের বাস্তবায়নের জন্য লড়াই অব্যাহত রাখা। তাঁর ভাষায়, ‘জনগণ বলবে, সংস্কার বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় ফেরার প্রয়োজন নেই; আগে দেশকে ঠিক করুন, তারপর মানুষের কাছে আসুন।’ এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি সংসদ সদস্যদের এলাকাভিত্তিক রাজনীতির চেয়ে জাতীয় সংস্কারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দেশবাসীর দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রথম ঈদ: উৎসব, ঐক্য ও প্রত্যাশার বাংলাদেশ
- হরমুজ উত্তেজনার প্রভাব, ইরান তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্ত
- বিরোধী দলীয় নেতার ঈদের শুভেচ্ছা: সরকারি বাসভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন
- রমজানের শিক্ষা থেকে ঐক্যের ডাক: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- হরমুজের সংকট মোকাবেলায় ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনায় ট্রাম্প
- চেক প্রজাতন্ত্রে ইসরায়েলের অস্ত্র কারখানায় আগুন
- তেলের দামের ধাক্কায় সংকটে ভারতীয় বিমান খাত, রুট বন্ধের সতর্কতা
- ঈদের আনন্দ ম্লান: যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম বিশ্ব
- ইসরায়েলে প্রথমবার 'নাসরুল্লাহ' মিসাইল ব্যবহার করল ইরান
- জুমাতুল বিদা: ফজিলত, দোয়া ও করণীয় জানুন
- ইসরায়েলকে বড় জরিমানা ফিফার, কারণ কী
- শ্রমিকদের বেতন-বোনাস শতভাগ পরিশোধ করছে সরকার
- ট্রাম্প ও মিত্রদের জন্য ‘অপ্রত্যাশিত চমক’ প্রস্তুত রয়েছে- ইরান
- ইরান যুদ্ধে আটকে পড়ে পালানোর পথ খুঁজছেন ট্রাম্প
- সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন দেশের যেসব জায়গায়
- ‘বিশ্বকে রক্ষা করছি’ নেতানিয়াহুর দাবি
- আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা
- ২০ মার্চ ঢাকার নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- দুই দফায় কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি মিলবে মাত্র ২ লাখ ২ হাজার টাকায়
- ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
- জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে আর ছাড় নয়: ইরান
- চাঁদ দেখার পর যে দোয়া পড়তেন নবী (সা.)
- কাতারের জ্বালানি কমপ্লেক্সে হামলা ইরানের সামরিক সক্ষমতার সীমিত অংশ
- ইরানের হামলায় ইসরাইলের তেল শোধনাগারে আগুন
- ‘আমি বেঁচে আছি’- গুজব ভেঙে সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু
- ইরান মিশনের পর জরুরি অবতরণ মার্কিন F-35, F-35 ক্ষতিগ্রস্ত?
- গ্যাস শক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে ইরানের আঘাত: বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তার নতুন ঢেউ
- ‘কোরআনের ভুল খুঁজতে গিয়ে নিজেই বদলে গেলাম’
- যুদ্ধের মাঝেই হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের মাস্টারপ্ল্যান
- যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত নেই: পেন্টাগনের ব্রিফিংয়ে ইরান ধ্বংসের নতুন নীল নকশা
- মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে ড্রোন হানা: ওয়াশিংটনের সামরিক ঘাঁটিতে আতঙ্ক
- বৃষ্টির বাধায় কি ম্লান হবে ঈদের আনন্দ? আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ আপডেট
- ২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন
- এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছে দুই নতুন সংগঠন
- কুমিল্লা শেষ সময়ে জমজমাট আতর-টুপির বাজার
- ক্যাম্পাসের ব্যস্ততা পেরিয়ে ঈদের ছুটিতে কুবি শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরার আনন্দ
- ‘আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে’: ইরানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী
- ইরান হামলার নিন্দা, আমিরাতের পাশে মিশর
- কালিগঞ্জের পল্লীতে ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
- এক বছরে দুই রমজান ও তিন ঈদের অপেক্ষায় মুসলিম উম্মাহ
- জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; শনিবারই উদযাপিত হবে ঈদ
- মধ্যপ্রাচ্যে মহাপ্রলয় রুখতে ইউরোপের আল্টিমেটাম
- ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ধস: সোনার দামে বাজুসের ঐতিহাসিক রেকর্ড পতন
- কাতারের গ্যাসে ইরানের আগুন: অন্ধকারে ডুবতে পারে বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ এলাকা
- বাড়তি ভাড়া নিলেই কড়া অ্যাকশন: সেতুমন্ত্রীর
- আমেরিকায় হামলার সক্ষমতা গড়ে তুলছে ইরান: যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা সংস্থা
- মধ্যপ্রাচ্যে মহাপ্রলয়; কাতার-সৌদির পর এবার কুয়েতের তেল হাবে ভয়াবহ আগুন
- যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- জ্বালানি স্থাপনায় হামলা ‘বড় ভুল’, কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
- সৌদিতে আজ কি দেখা যাবে ঈদের চাঁদ? সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
- বিলাসবহুল ধাতু স্বর্ণ এখন আরও সস্তা: বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
- ঈদ কি তবে শুক্রবার? সৌদি আরবের চাঁদ দেখা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটল!
- ‘৫০তম অভিযান’ ঘোষণা ইরানের, রণক্ষেত্র চার দেশে
- কালিগঞ্জের পল্লীতে ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
- ঈদুল ফিতর ২০২৬: প্রধান জামাতের সময় ও জাতীয় ঈদগাহের সুযোগ-সুবিধা জেনে নিন
- আজ ডিএসইর সেরা ১০ গেইনার কোনগুলো
- ১৪৪৭ হিজরির রমজান কি ২৯ দিনে শেষ হবে? সৌদি সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
- ১৬ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- পবিত্র রমজানের ২৫তম দিন; ১৫ মার্চের নামাজের সঠিক সময়সূচি জানুন
- হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
- শেয়ারবাজারে দরপতনে এগিয়ে যেসব শেয়ার
- সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী
- ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে পাবেন, জানুন বিস্তারিত
- ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস; ৪ জেলায় কালবৈশাখীর বড় সতর্কবার্তা








