১৫ মেগাসিটির সফর শেষে ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপের স্বর্ণালি ট্রফি

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি। বৈশ্বিক এই সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ট্রফিটির আগমনকে কেন্দ্র করে দেশের ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তবে উৎসবের আমেজ থাকলেও সাধারণ দর্শকরা চাইলেই সরাসরি ট্রফিটি দেখার সুযোগ পাবেন না।
সীমিত পরিসরে প্রদর্শনী আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রফিটি সবার জন্য উন্মুক্তভাবে প্রদর্শিত হবে না। কোকা–কোলার ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, কেবল তারাই সরাসরি ট্রফি দেখার ও এর সঙ্গে ছবি তোলার বিরল সুযোগ পাবেন। এই বিশেষ ক্যাম্পেইনটি গত ৮ জানুয়ারি শেষ হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারীদের নির্দিষ্ট প্রোমোশনাল বোতল কিনে কিউআর কোড স্ক্যান করে ফিফা-থিমভিত্তিক একটি কুইজে অংশ নিতে হয়েছিল। সেখান থেকে নির্বাচিত বিজয়ীদের ‘এক্সক্লুসিভ পাস’ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যবহার করে তারা প্রদর্শনীস্থলে প্রবেশ করতে পারবেন।
বৈশ্বিক সফরের প্রেক্ষাপট ‘ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকাকোলা’-এর ষষ্ঠ আসরটি সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। এই সফরের উদ্বোধন করেন ইতালির কিংবদন্তি ফুটবলার ও ২০০৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী তারকা আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো। রিয়াদে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দেল পিয়েরো শিশুদের নিয়ে একটি ফুটবল ক্লিনিকে অংশ নেন এবং দিনশেষে সাধারণ দর্শকদের জন্য একটি পাবলিক ফ্যান ইভেন্টের আয়োজন করা হয়। রিয়াদ থেকেই ট্রফিটি বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।
সফরের ব্যাপ্তি ও তাৎপর্য দীর্ঘ ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সফরে ট্রফিটি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশের মোট ৭৫টি স্থানে প্রদর্শিত হবে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকায় ট্রফিটির আগমন বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফিফার চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাইওর মতে, বিশ্বকাপ ট্রফি খেলাধুলার সর্বোচ্চ সম্মানের প্রতীক এবং ঢাকায় এর প্রদর্শনী ভক্তদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অন্যদিকে, কোকা–কোলার ভাইস প্রেসিডেন্ট মিকায়েল ভিনে জানিয়েছেন, গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে এই ট্রফি ট্যুর বিশ্বজুড়ে ফুটবলের উন্মাদনা ও মানুষের মধ্যে গভীর সংযোগ তৈরি করে আসছে।
একটি ঐতিহাসিক আসর উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে। এই আসর থেকেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ৪৮টি এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ট্রফি ট্যুরে ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ এবং নারী বিশ্বকাপ আয়োজন করবে এমন দেশগুলোকেও বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিসিবি ও আইসিসি বৈঠক: বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে কাটছে না জটিলতা
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে ভারতে গিয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে তারা অনড় রয়েছে বলে আইসিসিকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ভিডিও কনফারেন্স শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
আইসিসির সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিসিবির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা অংশ নেন। বিসিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, দুই সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ। এছাড়াও বৈঠকে যোগ দেন বিসিবি পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।
বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সেখানে দল না পাঠানোর ব্যাপারে বোর্ড তার আগের সিদ্ধান্তেই অটল আছে। ভিডিও কনফারেন্স চলাকালীন আইসিসির পক্ষ থেকে বিসিবিকে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। আইসিসি যুক্তি দেয় যে, বিশ্বকাপের সময়সূচি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত এবং ঘোষণা করা হয়ে গেছে। তবে বিসিবি তাদের অবস্থানে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনতে রাজি হয়নি।
বাংলাদেশ দল কেন ভারতে যেতে চাচ্ছে না, তার প্রধান কারণ হিসেবে ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ এবং অফিসিয়ালদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিসিবি আইসিসিকে পুনরায় প্রস্তাব দিয়েছে যেন বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে অন্য কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিসিবির দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতে গিয়ে খেলা দলের সদস্যদের জন্য নিরাপদ নয়।
আইসিসি ও বিসিবি উভয় পক্ষই আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান সংকটের একটি যৌক্তিক সমাধান খুঁজে বের করতে একমত হয়েছে। যদিও আজকের বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি, তবে সামনের দিনগুলোতেও এই ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভারতে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে আইসিসির উদ্বেগ, পাঠানো হলো চিঠি
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা নিয়ে তিন ধরনের সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সোমবার বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এ তথ্য জানানোর পর বিসিবিও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিসিবি জানিয়েছে, এটি আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নিয়মিত অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অংশ। আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগের ব্যবস্থাপক গত ৮ জানুয়ারি বিসিবির নিরাপত্তা উপদেষ্টার কাছে পাঠানো এক ই-মেইলে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ দল ও সমর্থকদের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে একটি ‘রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট সামারি’ বা ঝুঁকি মূল্যায়ন সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন।
আইসিসির প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে পুরো বিশ্বকাপের ঝুঁকি ‘মডারেট’ বা মাঝারি হিসেবে চিহ্নিত হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ‘মডারেট টু হাই’ (মাঝারি থেকে উচ্চ) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী মূল্যায়নে সামগ্রিক ঝুঁকি মাঝারি বলা হলেও একটি বিশেষ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ দলের সঙ্গে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের উপস্থিতি একটি বিশেষ সংকটের কারণ হতে পারে যদি সেখানে ‘ধর্মীয় উগ্রপন্থার বিষয়টি জড়িত হয়’। এই বিষয়টি নিয়ে বিসিবিকে আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের বেঙ্গালুরুতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ এবং গ্রুপ পর্বে কলকাতায় তিনটি ও মুম্বাইয়ে একটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। আইসিসির মূল্যায়ন অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালীন সময় ও প্রতিপক্ষ বিবেচনায় এই ভেন্যুগুলোতে দলের ঝুঁকি ‘মিডিয়াম-লো’ বা মাঝারি থেকে কম। ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও খেলোয়াড়দের জন্য এমন কোনো বড় ঝুঁকি তৈরি হয়নি যা বর্তমান পরিকল্পনার বাইরে।
খেলোয়াড়দের চেয়ে সমর্থকদের জন্য ঝুঁকির মাত্রা বেশি বলে সতর্ক করেছে আইসিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ দল বড় ধরনের সহিংসতার শিকার হওয়ার আশঙ্কা কম থাকলেও সমর্থকদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি ‘মাঝারি থেকে উচ্চ’ পর্যায়ের। বিশেষ করে যারা দলের জার্সি পরে বা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে স্টেডিয়ামে যাবেন, তাদের ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার মতো ঘটনার প্রভাব খেলার আশপাশে পড়তে পারে বলে আইসিসি সতর্ক করেছে।
আইসিসির চিঠিতে ভারত ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা হয়েছে। এই নির্বাচনের উত্তাপ স্বল্প থেকে মাঝারি মেয়াদে পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছে আইসিসি। তবে এই উত্তেজনা খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতায় রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মূল্যায়নে উঠে এসেছে। বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা পরিকল্পনাটি দুই বোর্ডের স্বাধীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
বিসিবি এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, ক্রীড়া উপদেষ্টার মন্তব্যটি আইসিসি ও বিসিবির অভ্যন্তরীণ আলোচনার অংশ। নিরাপত্তার কারণে ভারত থেকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো অন্য দেশে সরিয়ে নিতে বিসিবি যে অনুরোধ জানিয়েছিল, এই চিঠিটি তার কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব নয়।
বিসিবি জানিয়েছে, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেছে এবং সেই আবেদনের কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব এখনো পাওয়া যায়নি। বর্তমান নিরাপত্তা মূল্যায়নটি কেবল সফরের প্রস্তুতি ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি অংশ মাত্র।
আসিফ নজরুল বনাম আইসিসি: বিশ্বকাপে কি তবে অনিশ্চিত বাংলাদেশ?
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে বর্তমানে এক বিশাল বিতর্ক তৈরি হয়েছে যা খোদ ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি পর্যন্ত গড়িয়েছে। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের করা একাধিক দাবিকে আইসিসি সরাসরি অস্বীকার করে জানিয়েছে যে এই বক্তব্যের সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থানের মিল নেই।
ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইসিসির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিসিবির সঙ্গে একটি অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ হয়েছিল ঠিকই, তবে সেটিকে আসিফ নজরুল ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে আসিফ নজরুল যে ধরনের দাবির কথা উল্লেখ করেছেন তা বাস্তবতার সঙ্গে একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে আসিফ নজরুলের করা বিস্ফোরক অভিযোগগুলো এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় ধরণের প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
এর আগে গত সোমবার ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন যে আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে পাঠানো একটি চিঠিতে বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুনির্দিষ্ট ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী প্রথম বড় কারণটি ছিল দলে মুস্তাফিজুর রহমানের অন্তর্ভুক্তি যা নাকি সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলবে।
এছাড়া সমর্থকদের জাতীয় জার্সি পরে চলাচল এবং দেশের জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে দলের ওপর বাড়তি হুমকি আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। তবে আইসিসি এই দাবিগুলোকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে যে মুস্তাফিজুর রহমানের নাম কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক বার্তায় উল্লেখ করা হয়নি। আইসিসির পক্ষ থেকে মুস্তাফিজকে দলে রাখলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে—এমন কোনো ইঙ্গিতকেও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের ওপর বড় ধরণের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে যার শুরুটা হয়েছিল আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাড়পত্র না দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। বিসিসিআইয়ের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাংলাদেশ সরকার দেশে আইপিএল সম্প্রচার পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় যা দুই দেশের ক্রীড়া কূটনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে আইসিসিকে প্রস্তাব দিয়েছে যেন তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয়। বর্তমান সূচি অনুযায়ী আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতায় এবং শেষ ম্যাচটি মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এখন ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আইসিসির ‘বার্তা’ নিয়ে বিভ্রান্তি: উপদেষ্টা ও উপ-প্রেস সচিবের ভিন্ন সুর
আজ সোমবার ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের দেওয়া একটি বক্তব্যের পরিমার্জিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি জানান যে, ক্রীড়া উপদেষ্টা আইসিসির পক্ষ থেকে যে তিনটি নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন, সেটি আসলে আইসিসির কোনো আনুষ্ঠানিক ‘জবাব’ ছিল না। বরং সেটি ছিল ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে হুমকি পর্যালোচনা সংক্রান্ত আইসিসির একটি আন্তঃবিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নোট। বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম তাদের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার যে অনুরোধ জানিয়েছিল, এটি তার জবাবে পাঠানো কোনো চিঠি নয় বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বাফুফে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন যে, আইসিসির সিকিউরিটি টিম একটি চিঠির মাধ্যমে তিনটি ঝুঁকির কথা জানিয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী সেই তিনটি পয়েন্ট ছিল
১. মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে
২. দর্শকদের জাতীয় দলের জার্সি ও পতাকা ব্যবহারে সতর্কতা
৩. নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নিরাপত্তা শঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়া।
আজাদ মজুমদারের আজকের ব্যাখ্যায় এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, এই পয়েন্টগুলো আইসিসির অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার অংশ ছিল, যা আনুষ্ঠানিক জবাব হিসেবে আসেনি।
তবে আসিফ নজরুলের বক্তব্যেও একটি ইঙ্গিত ছিল যে সরকার এখনো আনুষ্ঠানিক উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছে। সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে তিনি বলেছিলেন যে, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে আইসিসিকে দুটি চিঠি দিয়েছে এবং সেই চিঠিগুলোর আনুষ্ঠানিক উত্তরের প্রত্যাশা করছে সরকার। উপ-প্রেস সচিবের এই ব্যাখ্যার পর এটি স্পষ্ট যে, আইসিসির অভ্যন্তরীণ নোটের তথ্যের ভিত্তিতেই উপদেষ্টা প্রাথমিক মন্তব্য করেছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং সরকার আইসিসির পক্ষ থেকে একটি চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে, যা নির্ধারণ করবে মুস্তাফিজসহ বাংলাদেশ দল ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না।
মুস্তাফিজকে দলে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ? আইসিসির অদ্ভুত শর্তে ক্রিকেট বিশ্বে তোলপাড়
আজ সোমবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা বাফুফে ভবনে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল আইসিসির পক্ষ থেকে পাঠানো একটি চিঠির বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। তিনি জানান যে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত সফরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান কারণে নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়তে পারে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সবথেকে চমকপ্রদ এবং বিতর্কিত বিষয়টি হলো আইসিসির নিরাপত্তা টিম পরামর্শ দিয়েছে যেন বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করা না হয়। আসিফ নজরুল বলেন যে আইসিসির পাঠানো চিঠিতে দাবি করা হয়েছে মুস্তাফিজ দলে থাকলে তা দলের জন্য বড় ধরণের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ঘটনাটি ক্রিকেট বিশ্বে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে কারণ একজন নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা আগে কখনো শোনা যায়নি।
এর পাশাপাশি আইসিসির পক্ষ থেকে দর্শকদের জন্য কিছু বিশেষ সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে। মাঠের ভেতরে বাংলাদেশ দলের জার্সি এবং জাতীয় পতাকা নিয়ে চলাফেরার ক্ষেত্রে সমর্থকদের সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে যা ভক্তদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তৃতীয় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময়কে। চিঠিতে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা ততটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই রাজনৈতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের জটিল সমীকরণের ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি ইতিমধ্যে ভারত গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে অনীহা প্রকাশ করেছে।
আইপিএল থেকে মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর বাংলাদেশে যে গণজাগরণ ও আবেগ দেখা দিয়েছিল তার ফলে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধ করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়। ক্রীড়া উপদেষ্টার আজকের বক্তব্যের পর বিষয়টি আরও জটিল মোড় নিল। মুস্তাফিজুর রহমানের মতো একজন বিশ্বসেরা বোলারকে ছাড়া বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা যেমন ক্রিকেটীয় দিক থেকে বড় ক্ষতি তেমনি তাঁর থাকা নিয়ে আইসিসির অদ্ভুত শর্ত মানা দেশের সম্মানের ওপর আঘাত বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। আইসিসির এই তিন পরামর্শ এবং বিসিবির পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে আগামী বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভবিষ্যৎ। সরকার এবং বিসিবি উভয়ই এখন খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং জাতীয় সম্মানের বিষয়টি মাথায় রেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে।
বিশ্বকাপের ভেন্যু নিয়ে বাংলাদেশ–আইসিসি টানাপোড়েন
২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নির্ধারিত ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্যত্র সরানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের করা আনুষ্ঠানিক আবেদনের জবাব খুব শিগগিরই পাওয়া যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ধারণা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল চলতি সপ্তাহের সোমবার অথবা মঙ্গলবারের মধ্যেই তাদের অবস্থান জানাতে পারে। নিরাপত্তাজনিত কারণ উল্লেখ করে বিসিবি চেয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হোক।
এই অনুরোধ এমন এক সময় সামনে এলো, যখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পরামর্শে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশ দলের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান-এর সঙ্গে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয় এবং এর কিছু সময় পরই বিসিবি আইসিসির কাছে তাদের আবেদন জমা দেয় বলে জানা গেছে।
তবে ক্রিকেট কূটনীতির সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এই আবেদন আইসিসির পক্ষ থেকে অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। আয়োজক দেশ হিসেবে ভারতের অবস্থান এবং টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিগত অগ্রগতির কারণে বিকল্প ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়ে আইসিসি খুব একটা নমনীয় হবে না বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিকল্প হিসেবে ভারতের চেন্নাই ও থিরুবনন্তপুরমের নাম আলোচনায় থাকলেও, শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবটি এখনো অনিশ্চিত।
বর্তমান সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো আয়োজনের কথা রয়েছে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে। এর আগে চেন্নাইকে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব করা হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি। বিসিবির অবস্থান ছিল, এ ধরনের সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই এবং বিষয়টি সরকারের সম্মতির ওপর নির্ভরশীল।
এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপসংক্রান্ত যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হবে। তার ভাষায়, এই বিষয়ে বোর্ড এককভাবে কোনো চূড়ান্ত অবস্থান নিতে পারে না এবং আগের অবস্থান থেকে এখনো সরে আসেনি বিসিবি।
এদিকে, বাংলাদেশ সরকারও আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতের কাছ থেকে সরাসরি যোগাযোগ বা আনুষ্ঠানিক বার্তা প্রত্যাশা করছে বলে জানা গেছে। কূটনৈতিক ও ক্রীড়া–সংক্রান্ত নিরাপত্তা সমন্বয়ের বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
এর মধ্যেই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত সম্প্রতি ভারতে অনুষ্ঠিত ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ওয়ানডে ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয়, আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও সৈকত এবং গাজী সোহেল ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, বিসিবির আবেদনে উত্থাপিত ‘নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের’ জবাবে আইসিসি এই আম্পায়ারদের ভারতের ম্যাচে নিয়মিত দায়িত্ব পালনের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভারতে সফর নিয়ে অতীতে কোনো বড় ধরনের নিরাপত্তা জটিলতা না থাকার কথাও উল্লেখ করা হতে পারে।
বিশ্বকাপ শুরুর সময় আর চার সপ্তাহেরও কম বাকি থাকায় সূচি ও ভেন্যু সংক্রান্ত যেকোনো অনিশ্চয়তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চায় আইসিসি। জানা গেছে, অংশগ্রহণকারী দলগুলো অনুশীলনের উদ্দেশ্যে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই আয়োজক দেশে পৌঁছাতে শুরু করবে। ফলে, ভেন্যু পরিবর্তন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে দেরি হলে পুরো টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে প্রভাব পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা এখন কেবল ক্রিকেটীয় নয়, বরং কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে। আইসিসির আসন্ন সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়।
-রাফসান
খেলা প্রেমীদের জন্য টিভির পর্দায় আজকের সব খেলার সময়সূচি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বর্তমান আসর এখন এক রোমাঞ্চকর পর্যায়ে। আজ ১২ জানুয়ারি ঢাকার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুটি বড় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দিনের প্রথম খেলায় দুপুর ১টায় মুখোমুখি হবে সিলেট এবং রংপুর। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই রংপুর রাইডার্স তাদের ব্যাটিং তান্ডব বজায় রেখেছে, অন্যদিকে সিলেট স্ট্রাইকার্সও তাদের বোলিং ইউনিট নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী। এই দুই দলের দ্বৈরথ সবসময়ই দর্শকদের জন্য বিশেষ কিছু বয়ে নিয়ে আসে। ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টস এবং নাগরিক টেলিভিশনের পর্দায়।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা তাদের ঘরের মাঠে লড়াই করবে রাজশাহী-র বিপক্ষে। ঢাকার জন্য এই ম্যাচটি মানমর্যাদার লড়াই, কারণ ঘরের মাঠে দর্শকদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। অন্যদিকে রাজশাহী তাদের ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড নিয়ে ঢাকাকে তাদের ডেরাতেই হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে যেতে চায়। শীতের সন্ধ্যায় ফ্লাডলাইটের নিচে এই টি-টোয়েন্টি যুদ্ধ দেখার জন্য ইতিমধ্যেই স্টেডিয়ামে দর্শকদের আনাগোনা শুরু হয়েছে।
খেলোয়াড়দের ফর্ম এবং পিচের কন্ডিশন বিবেচনা করলে আজকের দুটি ম্যাচই হাই-স্কোরিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার ম্যাচে কুয়াশার প্রভাব টস জেতা দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে। যারা মাঠে গিয়ে খেলা দেখতে পারবেন না, তাঁরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও টেলিভিশনের মাধ্যমে সরাসরি এই ক্রিকেট উৎসব উপভোগ করতে পারবেন।
ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর? বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ নিয়ে বড় খবর
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র মাসখানেক বাকি। ঠিক এই সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক নজিরবিহীন ও অত্যন্ত সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি এবং ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের দেওয়া বিশেষ পরামর্শ পর্যালোচনা করে বিসিবি জানিয়ে দিয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা ভারত সফর করবে না। আজ দুপুরে বিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশের সব ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে অন্য কোনো নিরাপদ দেশে স্থানান্তরের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ক্রিকেটভিত্তিক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘ক্রিকবাজ’ জানিয়েছে যে, আইসিসি এই অনুরোধের গুরুত্ব অনুধাবন করেছে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে।
বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের জীবনের নিরাপত্তা বোর্ড কোনোভাবেই ঝুঁকিতে ফেলতে চায় না। ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো হওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা বিসিবিকে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। বোর্ড বিশ্বাস করে যে, একটি মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য উপযুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা আইসিসির নৈতিক দায়িত্ব। আইসিসিও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত মিয়ানমারের ওপার থেকে আসা বিকট বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষের কারণে ছোঁড়া গুলি বাংলাদেশের চিংড়ি ঘের ও ফসলি জমিতে এসে পড়ায় চাষিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, নারী ও শিশুরা ভয়ে ঘর থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছেন না। টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন ও বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে। একদিকে সীমান্ত যুদ্ধ আর অন্যদিকে ক্রিকেটের ময়দানে ভেন্যু পরিবর্তন—সব মিলিয়ে আজ ১১ জানুয়ারি ২০২৬ দিনটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর এক মোড় নিয়েছে।
আইসিসিকে নতুন শর্ত দিয়েছে বিসিবি: বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এখন এক বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্নের মুখে দাঁড়িয়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, বিসিবি আইসিসিকে দেওয়া তাদের সর্বশেষ চিঠিতে একটি নজিরবিহীন দাবি তুলেছে। তারা শুধু দলগত নিরাপত্তা নয়, বরং দলের প্রতিটি সদস্যের জন্য আলাদা বা ‘পার্সোনাল’ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছে। এই তালিকার মধ্যে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ, সাপোর্ট স্টাফ এবং দলের কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বিসিবির মতে, বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ভারতের মাটিতে এই স্তরের নিরাপত্তা ছাড়া টাইগারদের মাঠে নামানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
বিসিবির এই দাবির প্রেক্ষিতে আইসিসি তাদের পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিসিবির সামনে তুলে ধরেছে। আইসিসি জানিয়েছে যে, তারা সর্বোচ্চ মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজিয়েছে এবং প্রয়োজনে বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাবেও রাজি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভার তারা বিসিবির ওপরই ছেড়ে দিয়েছে। বড় সংকটটি তৈরি হয়েছে ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে। বিসিবি তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করলেও আইসিসি তাতে সায় দিচ্ছে না। আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, টুর্নামেন্টের সূচি ও ভেন্যু পরিবর্তন করা এই মুহূর্তে প্রায় অসম্ভব। কারণ সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলো এবং স্থানীয় আয়োজকদের সব ধরণের কারিগরি ও বাণিজ্যিক প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে।
আইসিসি মনে করছে যে, শেষ মুহূর্তে ভেন্যু পরিবর্তন করলে সেটি একটি চেইন রিঅ্যাকশন তৈরি করতে পারে যা পুরো টুর্নামেন্টের কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। অন্যদিকে বিসিবি তাদের অবস্থানে অনড়। তারা মনে করছে, বিসিসিআই এবং আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। এই টানাপোড়েন যদি দ্রুত মিটে না যায়, তবে ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপ একটি বড় ধরণের কূটনৈতিক ও ক্রীড়া সংকটের দিকে এগিয়ে যাবে। এখন দেখার বিষয়, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কোনো নতুন সমাধান বের করতে পারেন কি না।
সূত্র: এনডিটিভি
পাঠকের মতামত:
- ১৫ মেগাসিটির সফর শেষে ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপের স্বর্ণালি ট্রফি
- ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সেরা ৪টি তেল
- ৫ কেজি মটরশুঁটি ছাড়ানো যাবে মাত্র ৫ মিনিটে! জেনে নিন কার্যকরী পদ্ধতি
- মোবাইল ফোন গ্রাহকদের বিটিআরসির বিশেষ সতর্কবার্তা
- বাংলাদেশ-ভারত সামরিক সম্পর্কে ফাটল নেই, সব যোগাযোগের পথ খোলা: নয়াদিল্লি
- অর্থনৈতিক সংকট থেকে রাজপথের জনসমুদ্র: ইরানে কেন থামছে না বিক্ষোভ?
- নানিয়ারচর প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে চেয়ার-টেবিল প্রদান করেছে নানিয়ারচর জোন
- গণভোটে ‘না’ ভোট মানেই গণ-অভ্যুত্থানের ব্যর্থতা: নাহিদ ইসলাম
- ভালুকায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
- বিসিবি ও আইসিসি বৈঠক: বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে কাটছে না জটিলতা
- শেখ হাসিনা ও কামালের মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
- ডিএসই মেইন বোর্ডে ভারসাম্যপূর্ণ টার্নওভার
- ১৩ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ডিএসইতে আজকের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ডিএসইতে আজকের দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ ভাতা, কোন গ্রেডে কত
- সময় বদলেছে, নাগরিক প্রত্যাশাও বেড়েছে: আমীর খসরু
- সাবেক এমপি মমতাজ বেগমের বিপুল সম্পদ জব্দের আদেশ
- স্বৈরাচার ঠেকাতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার সুপারিশ: আলী রীয়াজ
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
- ভারতে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে আইসিসির উদ্বেগ, পাঠানো হলো চিঠি
- ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: আব্বাস আরাগচি
- ওজন হাতের মুঠোয় রাখতে চান? ডিনার শেষে পান করুন এই পানীয়
- পেঁপে কিনছেন? রাসায়নিকযুক্ত ফল চেনার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন
- রেস্তোরাঁ স্টাইলে মিষ্টি আলুর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সহজ নিয়ম
- শীতে পিঠার স্বাদে ভিন্নতা আনতে পাতে রাখুন ‘বাঁধাকপির পিঠা’: জেনে নিন রেসিপি
- মার্জিন ঋণে বিনিয়োগযোগ্য শেয়ারের হালনাগাদ তালিকা
- ডিএসই–৩০ শেয়ারে মিশ্র সূচনা, ব্যাংক খাতে ইতিবাচক ধারা
- উচ্চ সুদের চাপে বিনিয়োগহীন বেসরকারি খাত, স্থবিরতা কাটছে না
- তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স এর ক্রেডিট রেটিং এ চমক
- ডিএসই পরিদর্শনে পাঁচ কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
- কনকনে শীতে বিপর্যস্ত তেঁতুলিয়া: শৈত্যপ্রবাহের কবলে জনজীবন বিপর্যস্ত
- কোনো বোঝাপড়ার নির্বাচন আমরা করতে চাই না: ডা. শফিকুর রহমান
- আসিফ নজরুল বনাম আইসিসি: বিশ্বকাপে কি তবে অনিশ্চিত বাংলাদেশ?
- ইরানের সাথে ব্যবসা করলেই ২৫% শুল্ক গুনবে বিশ্ব
- আজ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- স্বর্ণের দামে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ: মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে সোনা
- শরীরে ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার লক্ষণ, বাড়াবেন যেভাবে
- পে-স্কেল নিয়ে দুঃসংবাদ! বড় সিদ্ধান্তের পথে সরকার
- জোট গঠনে অনেক ছাড় দিয়েছে এনসিপি লক্ষ্য এবার সরকার গঠন: আসিফ মাহমুদ
- হিটার ছাড়াই ঘর থাকবে আগুনের মতো গরম; জানুন ৫টি জাদুকরী কৌশল
- আইসিসির ‘বার্তা’ নিয়ে বিভ্রান্তি: উপদেষ্টা ও উপ-প্রেস সচিবের ভিন্ন সুর
- রেমিট্যান্সে একের পর এক ম্যাজিক: গত বছরের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেল জানুয়ারি
- স্তন ক্যানসার রুখতে আজই বদলে ফেলুন আপনার ৫টি ভুল অভ্যাস
- যে দেশে মা ও দাদির সাথে সুর মিলিয়ে কান্না না করলে অসম্পূর্ণ থেকে যায় বিয়ে
- পুরোনো ফোন থেকে মিলবে সোনা: চীনা বিজ্ঞানীদের চমকপ্রদ আবিষ্কার
- এসএসসি পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন, চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
- ৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
- এক চড়, দশ হাজার টাকা, আর চিরকালের নত মেরুদণ্ড
- বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত: মিউচুয়াল ফান্ড বিশ্লেষণ
- ওষুধের দরে বড় চমক! এবার ২৯৫টি ওষুধের দাম বেঁধে দিল অন্তর্বর্তী সরকার
- ডলারের আধিপত্য ও তেলের নিয়ন্ত্রণ: ট্রাম্পের শুল্কের রাজনীতিতে কাঁপছে বিশ্ববাজার
- শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার
- ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের
- আজ ঢাকায় বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিন প্রস্তাব
- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাউশির চিঠি, নেপথ্যে কী
- প্রবাসী আয়ের শক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ: শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ
- আজকের আবহাওয়া আপডেট: কোথায় কতটা শীত
- কোরআন ও হাদিসে জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত








