শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
০৬ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ

মঙ্গলবার ৬ জানুয়ারি ২০২৬ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে মিশ্র প্রবণতায়। দিনজুড়ে বেশিরভাগ শেয়ারের দামে পতন দেখা গেলেও কিছু শেয়ারে দরবৃদ্ধি হয়েছে। লেনদেন শেষে দেখা যায়, দর কমেছে বেশি সংখ্যক শেয়ারের, যা বাজারে নেতিবাচক চাপের ইঙ্গিত দেয়।
শেয়ার দর পরিস্থিতি (সব ক্যাটাগরি)
দিনের লেনদেনে মোট ৩৯১টি সিকিউরিটিজ অংশ নেয়। এর মধ্যে—
দর বেড়েছে ১০৮টির
দর কমেছে ২২৭টির
দর অপরিবর্তিত ছিল ৫৬টির
ক্যাটাগরি অনুযায়ী চিত্র
A ক্যাটাগরিতে মোট ২০৪টি শেয়ার লেনদেন হয়।
দর বেড়েছে: ৭৬টি
দর কমেছে: ৯৬টি
অপরিবর্তিত: ৩২টি
B ক্যাটাগরি মোট ৮১টি শেয়ার লেনদেন হয়।
দর বেড়েছে: ২২টি
দর কমেছে: ৪৩টি
অপরিবর্তিত: ১৬টি
N ক্যাটাগরি এদিন মাত্র ১টি শেয়ার লেনদেন হয়, যার দর অপরিবর্তিত ছিল।
Z ক্যাটাগরি এই ক্যাটাগরিতে চাপ বেশি ছিল। মোট ১০৫টি শেয়ার লেনদেন হয়।
দর বেড়েছে: ১০টি
দর কমেছে: ৮৮টি
অপরিবর্তিত: ৭টি
মিউচুয়াল ফান্ড, বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজ
মিউচুয়াল ফান্ড (MF)মোট ৩৩টি ফান্ড লেনদেন হয়।
দর বেড়েছে: ৬টি
দর কমেছে: ৯টি
অপরিবর্তিত: ১৮টি
করপোরেট বন্ড (CB)
দর কমেছে: ১টি
অপরিবর্তিত: ২টি
সরকারি সিকিউরিটিজ (G-Sec)
দর বেড়েছে: ১টি
দর কমেছে: ২টি
লেনদেনের সারসংক্ষেপ
দিনটিতে ডিএসইতে মোট—
১,৪৫,৯৬০টি ট্রেড সম্পন্ন হয়
লেনদেন হওয়া শেয়ারের পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ৮ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৯টি
মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়ায় ৪৫৪ কোটি ৬৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯৭২ টাকা
বাজার মূলধন
লেনদেন শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে—
ইকুইটি: ৩২ লাখ ৫১ হাজার ১৮ কোটি টাকা
মিউচুয়াল ফান্ড: ২ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা
ঋণপত্র (ডেট সিকিউরিটিজ): ৩৫ লাখ ২০ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা
সব মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৬৭ লাখ ৯৪ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য পরিবর্তিত হয়েছে।
ব্লক মার্কেটের চিত্র
দিনটিতে ব্লক মার্কেটে ৩০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে।মোট—
১০৫টি ট্রেড
৩৬ লাখ ৮২ হাজার ৭১১টি শেয়ার
লেনদেন মূল্য ৩৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা
ব্লক মার্কেটে বড় অঙ্কের লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ফাইন ফুডস, গ্রামীণফোন, রেনাটা, স্কয়ার ফার্মা, জিকিউ বলপেন, ওরিয়ন ইনফিউশন ও সিটি ব্যাংক।
সার্বিক মূল্যায়ন
দিনের লেনদেনে Z ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর বড় দরপতন এবং মোট পতনশীল শেয়ারের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বাজারে কিছুটা নেতিবাচক চাপ দেখা গেছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ ও মূল্য তুলনামূলকভাবে বেশি থাকায় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বজায় ছিল।
ইরান যুদ্ধে বিরতির জাদুকরী প্রভাব: শেয়ারবাজারে সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
ইরান যুদ্ধ দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত হওয়ার খবরে বিশ্বজুড়ে যে স্বস্তির হাওয়া বইছে, তার ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারেও। আজ বুধবার লেনদেন শুরুর প্রথম মুহূর্ত থেকেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে, যার ফলে সূচক ও লেনদেন—উভয় ক্ষেত্রেই এক শক্তিশালী উল্লম্ফন ঘটেছে।
মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৪৩ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৫২৯১ পয়েন্টে উন্নীত হয়। লেনদেন শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় সূচক প্রায় ৩ শতাংশের কাছাকাছি বেড়ে ৫ হাজার ২৯৮ পয়েন্ট অতিক্রম করে। বাজারে তালিকাভুক্ত ৩৫৫টি কোম্পানির মধ্যে ৩৪৫টিরই শেয়ারের দাম বাড়তে দেখা গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম সেরা বাজার পরিস্থিতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
লেনদেনের গতিতেও আজ এক অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। গত মঙ্গলবার প্রথম ঘণ্টায় যেখানে ১৬১ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল, আজ একই সময়ে লেনদেনের পরিমাণ ৩৯০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির খবর এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে তেহরানের সম্মতি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় স্বস্তি দিয়েছে।
এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ১৫ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলারে নেমে এসেছে। এই ইতিবাচক ঢেউ শুধু বাংলাদেশে নয়, বরং এশিয়ার অন্যান্য বাজার যেমন—জাপানের নিক্কি (৫ শতাংশ বৃদ্ধি), ভারতের সেনসেক্স (সাড়ে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি) এবং হংকংয়ের সূচকেও বড় ধরনের উত্থান ঘটিয়েছে। আপাতত বড় ধরনের যুদ্ধের অনিশ্চয়তা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আবারও শেয়ারবাজারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
/আশিক
৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে অধিকাংশ শেয়ার ইতিবাচক প্রবণতা প্রদর্শন করেছে। দিনের শেষে মোট ৩৯৩টি লেনদেনযোগ্য কোম্পানির মধ্যে ২৭৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে ব্যাপক আশাবাদের ইঙ্গিত দেয়। বিপরীতে দরপতন হয়েছে মাত্র ৭০টি শেয়ারের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি।
এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর মধ্যেও ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এ ক্যাটাগরিতে ১২৬টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, যেখানে পতন হয়েছে ৪৪টির। একইভাবে বি ক্যাটাগরিতে ৬৯টি কোম্পানি মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জেড ক্যাটাগরিতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ৮০টি শেয়ার বাড়ার বিপরীতে কমেছে মাত্র ১৯টি। এটি নির্দেশ করে যে দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোতেও সাময়িক ক্রয়চাপ তৈরি হয়েছে।
লেনদেনের পরিসংখ্যানও বাজারের গতি বৃদ্ধির প্রমাণ দিয়েছে। এদিন মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৫,৯৭০ কোটি টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সঙ্গে মোট লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি এবং শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ২৪ কোটিরও বেশি ইউনিট অতিক্রম করেছে।
বাজার মূলধনেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। দিনশেষে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬.৮২ লাখ কোটি টাকার বেশি, যা সামগ্রিকভাবে বাজারের শক্তিশালী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।
ব্লক ট্রেড সেগমেন্টেও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম দেখা গেছে। এপেক্স স্পিনিং, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে ১১০ মিলিয়ন টাকার বেশি ব্লক ট্রেড হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ প্রবণতা এবং নির্দিষ্ট খাতে আগ্রহ বৃদ্ধির কারণে এই উত্থান দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ক্ষুদ্র মূলধনের শেয়ারগুলোতে ক্রয়চাপ বেশি থাকায় বাজারে দ্রুত ইতিবাচক গতি তৈরি হয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই উত্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কি না তা নির্ভর করবে কোম্পানির মৌলভিত্তি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নীতিগত ধারাবাহিকতার ওপর। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত আবেগের পরিবর্তে বিশ্লেষণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
-রাফসান
শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে কিছু শেয়ারে দরপতনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে শীর্ষ লুজার তালিকায় উঠে এসেছে ব্যাংক, বিমা এবং আর্থিক খাতের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। দিনের শেষে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সবচেয়ে বেশি দর হারানো কোম্পানি হিসেবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৫.০৬ শতাংশ কমে ১৫ টাকায় নেমে এসেছে।
এরপরের অবস্থানে রয়েছে পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, যার শেয়ারদর ৩.৫১ শতাংশ কমে ১৬.৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে উত্তরা ফাইন্যান্স ৩.০৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১২.৭ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে, যা আর্থিক খাতে দুর্বল প্রবণতার প্রতিফলন।
বিমা খাতের আরেকটি কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ২.৫৬ শতাংশ কমে ৬০.৯ টাকায় নেমে এসেছে। পাশাপাশি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ ২.৫৪ শতাংশ এবং আইএফআইসি শরিয়াহভিত্তিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২.৫০ শতাংশ দর হারিয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের শেয়ারদরও ২.৪৮ শতাংশ কমে ২ হাজার ১০৯.৯ টাকায় নেমে এসেছে। বড় মূলধনী এই শেয়ারের পতন বাজারে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবেও প্রভাব ফেলেছে।
এ ছাড়া এসিএফএল, ন্যাশনাল ব্যাংক এবং ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ আরও কয়েকটি শেয়ার ২ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে শীর্ষ লুজার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বাজারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা, খাতভিত্তিক সংশোধন এবং বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি কৌশলগত অবস্থান পরিবর্তনের কারণে এই দরপতন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে চাপ বেশি থাকায় এ খাতের শেয়ারগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে সামগ্রিকভাবে বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা না যাওয়ায় এটিকে স্বাভাবিক সংশোধন হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের উচিত কোম্পানির মৌলভিত্তি ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
-রাফসান
শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে, যেখানে বেশ কয়েকটি কোম্পানি প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষে উঠে এসেছে লাভেলো আইসক্রিম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লাভেলো, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৯৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪.৯ টাকায় পৌঁছেছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিডি অটোমোবাইলস খাতের প্রতিষ্ঠান বিডিএ অটোকার, যার শেয়ার ৯.৯৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০১.৩ টাকায়। একইভাবে এসিএমই পিএলসি প্রায় ৯.৯১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৩.৩ টাকায় অবস্থান নিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
অটোমোবাইল খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান রানার অটোও উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর ৯.৮০ শতাংশ বেড়ে ৪০.৩ টাকায় পৌঁছেছে। এছাড়া কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ ৯.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬.৯ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে।
খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম এবং বিডি থাই ফুড উভয় প্রতিষ্ঠানই যথাক্রমে ৮.৫৫ শতাংশ এবং ৭.৮৩ শতাংশ হারে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া লেগেসি ফুটওয়্যার ৭.২৫ শতাংশ এবং টেকনোড্রাগ ৬.২৬ শতাংশ বাড়ার মাধ্যমে শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং প্রবণতা এবং বাজারে আস্থার আংশিক পুনরুদ্ধার এই উত্থানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় এ ধরনের দ্রুত মূল্যবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।
তবে বাজার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের দ্রুত উত্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই না-ও হতে পারে। তাই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মৌলভিত্তি, আর্থিক সক্ষমতা এবং বাজার ঝুঁকি বিবেচনা করা জরুরি।
-রাফসান
আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে একটি মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে টানা দরপতনের ধারার মধ্যে কিছুটা ভারসাম্য ফেরার ইঙ্গিত মিলেছে। দিনের শেষে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে ১৭২টির দর কমেছে এবং ৬৮টি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বাজারে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সম্ভাবনা নির্দেশ করে।
এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। ২০১টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ৮৭টি বেড়েছে এবং ৭৬টি কমেছে, যা বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর মধ্যে আংশিক আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দেয়।
বি ক্যাটাগরিতে ৮১টি শেয়ারের মধ্যে ২৬টি বেড়েছে এবং ৪১টি কমেছে, যা এখনও দুর্বলতার উপস্থিতি থাকলেও কিছুটা ভারসাম্য তৈরি হয়েছে বলে বোঝা যায়। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৭টি শেয়ারের মধ্যে ৩৬টি বেড়েছে এবং ৫৫টি কমেছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারগুলোর ক্ষেত্রে সীমিত পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইতিবাচক প্রবণতা তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হয়েছে। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৩টির দর বেড়েছে এবং মাত্র ৬টির দর কমেছে। এটি এই খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা ফিরে আসার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় কমেছে। মোট লেনদেন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৭০৭ কোটি টাকায়, যা বাজারে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখের বেশি।
বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও বড় ধরনের উত্থান এখনো দেখা যায়নি।
ব্লক ট্রানজেকশনে কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে গ্লোবাল কিউ বলপেন, ডমিনেজ স্টিল এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এই মিশ্র প্রবণতা একটি ট্রানজিশনাল ফেজ নির্দেশ করে, যেখানে টানা পতনের পর বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে পুনরায় অবস্থান নিচ্ছেন। তবে স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিশ্চিত করতে বাজারে তারল্য বৃদ্ধি ও আস্থার পুনর্গঠন জরুরি।
-রাফসান
আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে কিছু শেয়ারে উত্থান দেখা গেলেও, বাজারের একটি বড় অংশে এখনও বিক্রির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) খাতের শেয়ারগুলোতে উল্লেখযোগ্য দরপতন বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
আজকের শীর্ষ লুজার তালিকার শীর্ষে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৫২ শতাংশ কমে ৩.৮ টাকায় নেমে এসেছে। আর্থিক খাতের এই পতন বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা ও আস্থাহীনতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এরপরের অবস্থানগুলোতেও একই খাতের কোম্পানির আধিপত্য দেখা গেছে। ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স এবং পিপিএল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস—এই তিনটি কোম্পানির শেয়ারদর প্রায় ৮.৭ শতাংশ করে কমেছে। একই প্রবণতা দেখা গেছে জিএসপি ফাইন্যান্স এবং আইএলএফএসএল-এর ক্ষেত্রেও, যেগুলোর দরপতন ৮ শতাংশের আশেপাশে অবস্থান করছে।
এনবিএফআই খাতে ধারাবাহিক এই পতন সাধারণত তারল্য সংকট, ঋণমানের ঝুঁকি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে, প্রিমিয়ার লিজিং কোম্পানির শেয়ারদরও ৮ শতাংশ কমেছে, যা আর্থিক খাতের সার্বিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
শুধু আর্থিক খাত নয়, অন্যান্য খাতেও কিছু চাপ লক্ষ্য করা গেছে। পায়োনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জাহিন টেক্সটাইলের শেয়ারদর ৪ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এটি নির্দেশ করে যে বাজারের দুর্বলতা নির্দিষ্ট খাতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সেশনগুলোতে যে আংশিক রিকভারি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যেও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোতে বিক্রির চাপ বজায় রয়েছে। বিশেষ করে আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন।
-রাফসান
আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক পতনের পর আংশিক ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষ গেইনার তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি বাজারে স্বল্পমেয়াদি আস্থার পুনরুদ্ধারের সংকেত দিচ্ছে।
আজকের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বিডি অটোকার লিমিটেড, যার শেয়ারদর প্রায় ৮.৯২ শতাংশ বেড়ে ১৮৩.১ টাকায় পৌঁছেছে। অটোমোবাইল খাতের এই উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ারদর ৭.৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮.২ টাকায়। অবকাঠামো ও নির্মাণ সংশ্লিষ্ট খাতে এই ধরনের উত্থান অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রত্যাশিত গতিশীলতার ইঙ্গিত বহন করে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাত থেকেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৬.৯ শতাংশ বেড়ে ৩.১ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আংশিক আস্থা ফেরার প্রতিফলন।
টেক্সটাইল ও শিল্প খাতের কোম্পানি অ্যাপেক্স স্পিনিং এবং লাভেলো আইসক্রিমও উল্লেখযোগ্য হারে মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারদর ৬ শতাংশের বেশি এবং লাভেলোর শেয়ারদর ৫.২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ভোক্তা পণ্য ও রপ্তানিমুখী খাতে নতুন করে আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।
একই সঙ্গে ফার্মাসিউটিক্যাল ও ব্যাংকিং খাতেও কিছু ইতিবাচক সংকেত দেখা গেছে। টেকনোড্রাগ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ এবং প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারদর ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা বহুমুখী খাতজুড়ে সীমিত পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্থান এখনো স্থায়ী ট্রেন্ড নয়, বরং সাম্প্রতিক দরপতনের পর স্বল্পমেয়াদি কারেকশন বা প্রফিট রিকভারি হতে পারে। তবে একাধিক খাতে একযোগে মূল্যবৃদ্ধি বাজারে স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
-রাফসান
আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেনে বাজারজুড়ে তীব্র দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় নেতিবাচক সেশনের ইঙ্গিত দেয়। দিনের লেনদেন শেষে দেখা যায়, মোট লেনদেন হওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ২৫টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে ৩৫৪টির দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান বাজারে একতরফা বিক্রির প্রবণতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর মধ্যেও একই চিত্র দেখা গেছে। ২০৩টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭টি বেড়েছে, বিপরীতে ১৭৮টি কমেছে। যা মূলধনী ও তুলনামূলক স্থিতিশীল কোম্পানিগুলোর ওপরও বিক্রির চাপ তৈরি হয়েছে বলে নির্দেশ করে।
বি ক্যাটাগরিতে ৮০টি শেয়ারের মধ্যে মাত্র ৪টি বেড়েছে, আর ৭৫টি কমেছে। জেড ক্যাটাগরিতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, যেখানে ১০৭টি শেয়ারের মধ্যে ১০১টির দরপতন হয়েছে। এটি দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর ওপর বাড়তি চাপের প্রতিফলন।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে। ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে মাত্র একটি বেড়েছে, বিপরীতে ৩০টির দর কমেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তোলার প্রবণতা এই পতনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। দিনের মোট লেনদেন মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫,১১৯ কোটি টাকায়, যা আগের সেশনের তুলনায় কম সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ২১ কোটি ৬০ লাখের বেশি।
বাজার মূলধন কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা বাজারের সামগ্রিক মূল্যমান হ্রাসের প্রতিফলন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ব্যাপক দরপতন সাধারণত বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা, তারল্য সংকট, প্রফিট বুকিং এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সম্মিলিত প্রভাবের ফল। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক চাপ এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা বাজারে বিক্রির চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।
-রাফসান
আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজকের লেনদেনে বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে স্বল্পমেয়াদি নেতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের মূল্যের তুলনায় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তালিকার বেশিরভাগ শেয়ারই প্রায় ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য হারিয়েছে।
আজকের শীর্ষ লুজার তালিকায় রয়েছে নিউলাইন ক্লথিংস, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৮৩ শতাংশ কমে ৫.৫ টাকায় নেমে এসেছে। টেক্সটাইল খাতে এই পতন বিনিয়োগকারীদের আস্থার দুর্বলতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ফ্যামিলি টেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর ৯.৬৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২.৮ টাকায়। একই খাতের অন্যান্য কোম্পানির মধ্যেও চাপ লক্ষণীয়, যা সামগ্রিকভাবে টেক্সটাইল সেক্টরে দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানির শেয়ারদর ৯.৪৩ শতাংশ কমেছে। আর্থিক খাতের এই দরপতন বাজারে ঝুঁকি-বিমুখ মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা গেছে। ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং পপুলার ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড—সবগুলোতেই প্রায় ৯ শতাংশের বেশি মূল্যহ্রাস হয়েছে। এটি মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সাময়িক দুর্বলতা নির্দেশ করে।
ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, নুরানি ডাইং এবং তুং হাই নিটিংয়ের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী শেয়ারের ওপর বিক্রির চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সমন্বিত দরপতন সাধারণত প্রফিট বুকিং, বাজারে তারল্য সংকট কিংবা বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি কৌশল পরিবর্তনের ফল হতে পারে। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে একযোগে পতন বাজারের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থাকেও প্রতিফলিত করে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- আনচেলত্তির আল্টিমেটাম ও সান্তোসের পরিকল্পনা: নেইমার কি ফিরবেন ব্রাজিলের জার্সিতে?
- হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
- ইরান যুদ্ধে বিরতির জাদুকরী প্রভাব: শেয়ারবাজারে সূচকের বিশাল উল্লম্ফন
- ট্রাম্প ও খামেনি উভয়েরই ‘বিজয়’ দাবি: কার কৌশলে এল এই ঐতিহাসিক সমঝোতা?
- শিক্ষাই জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর মেগা পরিকল্পনার ঘোষণা
- হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের
- মোজতবা খামেনির সবুজ সংকেত ও ট্রাম্পের শর্ত: ইরান-মার্কিন চুক্তির নেপথ্য কাহিনী
- হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া: ৩ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়ের দাপট
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
- ৫৩ বার দাম পরিবর্তন: স্বর্ণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়ল ২০২৬ সাল
- বুধবার ৮ এপ্রিল ২০২৬: জেনে নিন আপনার জেলার নামাজের সঠিক সময়
- প্রেসিডেন্ট অসুস্থ ও উন্মাদ,ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে নাগরিক অধিকার সংগঠনের ডাক
- ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান: স্থায়ী শান্তির ডাক শাহবাজের
- ৩৮ দিনের সংঘাত শেষে: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে ট্রাম্প
- ব্ল্যাক এপ্রিল: অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে ভয়াবহতম জ্বালানি সংকটে বিশ্ব
- যে কারণে বিসিবি সভাপতির চেয়ার হারালেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল
- হিজবুল্লাহ ও ইরানের যৌথ হামলায় কাঁপল ইসরায়েল: উত্তর থেকে দক্ষিণ জুড়ে সাইরেন
- চাঁদের ওপারে নতুন বিশ্ব রেকর্ড: ৪ লাখ কিলোমিটার ছাড়িয়ে ফিরছে আর্টেমিস-২
- সৌদি আরবের জুবাইল শিল্পনগরীতে ইরানের ভয়াবহ ড্রোন ও মিসাইল হামলা
- বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা! ইরানের ৯টি প্রদেশে যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের উত্তাপ স্বর্ণের বাজারে: বাড়ছে নিরাপদ বিনিয়োগ
- আজ রাতেই একটি আস্ত সভ্যতা বিলীন হবে, ইরানকে ট্রাম্পের চূড়ান্ত হুমকি
- রাতের মধ্যে ২০ জেলায় ঝড়ের তাণ্ডব: ৬০ কিমি বেগে বাতাস ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- দেবিদ্বারে স্কুল শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ধারন ও অর্থ আদায়: নারী কারাগারে
- তেলের মূল কেন্দ্রে আঘাত! খারগ দ্বীপে বিস্ফোরণে কাঁপছে পারস্য উপসাগর
- যুদ্ধে ১ কোটি ৪০ লাখ ইরানি জীবন দিতে রাজি: পেজেশকিয়ান
- মনোনয়ন না দেওয়ায় বিএনপিকে ধন্যবাদ জানালেন রুমিন ফারহানা
- আবুধাবির এআই সেন্টারকে ‘কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু’ ঘোষণা করল তেহরান
- ক্রিকেটে বড় ধামাকা: ১১ সদস্যের কমিটির নেতৃত্বে তামিম, ভেঙে গেল বোর্ড
- হঠাৎ কাঁপল দেশ: কোথায় ছিল এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল?
- ৭ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার ৩৯তম দিনে কী ঘটছে?
- মুক্তির দাবি ঠিক, কিন্তু অনলাইন আক্রমণ কে থামাবে?
- এবার ভারত মহাসাগরে মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজে ইরানের শক্তিশালী হামলা
- তেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, আতঙ্কের কারণ নেই: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী
- ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করেও বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৫টি জাদুকরী উপায়
- ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ধ্বংসের দাবি নেতানিয়াহুর
- ভ্যাকসিন কিনতে খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে ইরানের থাবা, ১৫ মার্কিন সেনা আহত
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- কৌশলগতভাবে তেহরানের কাছে পরাজিত ট্রাম্প: ইরান
- আজকের টাকার রেট: ডলার ও ইউরোর সর্বশেষ বিনিময় হার জানুন
- গীতি কবিতায় বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন সিরাজিয়া পারভেজ টুটুল
- সংজ্ঞাহীন অবস্থায় মোজতবা খামেনি? ৩৯ দিন পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
- ভোর ৫টার ঝটিকা অভিযান: ধানমন্ডি থেকে যেভাবে ধরা পড়লেন শিরীন শারমিন
- কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: বাহরাইনে বাজছে বিপদের সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে মানুষ
- সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সংসদ: ডাবল শিফট অধিবেশনে ১৩৩ বিলের লড়াই
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- ভারতের বিপক্ষে মহাযুদ্ধ! কাল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের মেগা ফাইনাল
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- কালিগঞ্জে কাটুনিয়া রাজবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব চূড়ান্ত বরখাস্ত
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
- আবারও স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি ছাড়ালো যত
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- দেশের ৯ জেলায় কালবৈশাখীর আঘাত! ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
- আজকের খেলার সূচি, কোথায় কোন ম্যাচ
- নতুন নিয়মে সন্ধ্যার পর যেসব বিপণিবিতান খোলা থাকবে
- ৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
- চাঁদ জয়ের মহাযাত্রা শুরু! সফলভাবে উড্ডয়ন করল নাসার আর্টেমিস ২
- ০২ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি








