ক্রিকেট ও ফুটবলের ঠাসা সূচি নিয়ে আজকের টিভি গাইড

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ০৬ ০৮:৫৪:৫৪
ক্রিকেট ও ফুটবলের ঠাসা সূচি নিয়ে আজকের টিভি গাইড
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার ৬ ডিসেম্বর রয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। একদিকে ক্রিকেটের মাঠে অ্যাশেজ ও ওয়ানডে সিরিজের উত্তেজনা অন্যদিকে রাতে ফুটবল দুনিয়ার বড় দলগুলোর লড়াই। দর্শকদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ব্যস্ততার মধ্য দিয়েই কাটবে।

ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য ভোর থেকেই শুরু হয়েছে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার প্রথম টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনের খেলা যা সরাসরি দেখাচ্ছে টি স্পোর্টস। সকাল ১০টায় শুরু হবে অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস ১।

দুপুরের দিকে সবার নজর থাকবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচের দিকে। সিরিজ নির্ধারণী এই তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টায় যা সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টস ও স্টার স্পোর্টস ২ চ্যানেলে। এছাড়া রাতের আকর্ষণে থাকছে আইএল টি টোয়েন্টি। রাত সাড়ে ৮টায় দুবাই ক্যাপিটালস লড়বে গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে এবং ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস।

ফুটবলেও আজ রয়েছে জমজমাট সূচি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অ্যাস্টন ভিলা মাঠে নামবে আর্সেনালের বিপক্ষে এবং রাত ৯টায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি লড়বে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে। দুটি ম্যাচই সরাসরি দেখা যাবে সিলেক্ট ওয়ান চ্যানেলে। স্প্যানিশ লা লিগায় রাত ১১টায় বার্সেলোনা মুখোমুখি হবে রিয়াল বেটিসের। এই ম্যাচটি সরাসরি উপভোগ করা যাবে বিগিন অ্যাপে।


আজ টিভিতে কী কী খেলা? দেখে নিন সময়সূচি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২১ ০৯:৩৭:২৮
আজ টিভিতে কী কী খেলা? দেখে নিন সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি শুরু হচ্ছে ব্যাডমিন্টনের উত্তেজনা দিয়ে, আর বিকেলে রয়েছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ ২-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন দুই ভিন্ন অঙ্গনের এই লড়াই উপভোগ করতে পারবেন টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।

ক্রিকেটে দিনের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচে মুখোমুখি হবে নামিবিয়া ও নেপাল। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ ২-এর এই ম্যাচ দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান শক্তিশালী করা এবং পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে জয় পেতে মরিয়া থাকবে উভয় দল। ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ৩টায় এবং সরাসরি সম্প্রচার করবে ফ্যানকোড।

ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ ২ সহযোগী সদস্য দেশগুলোর জন্য ৫০ ওভারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা। এই টুর্নামেন্টের ফলাফল ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রতিটি ম্যাচই দুই দলের জন্য বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে।

অন্যদিকে দিনের শুরুতেই ব্যাডমিন্টনপ্রেমীরা উপভোগ করতে পারবেন বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর-এর ম্যাচ। আন্তর্জাতিক সার্কিটের এই প্রতিযোগিতার খেলা সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এবং সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২।

-রাফসান


রেফারিকে প্রভাবিত করে ম্যাচ জিতেছে স্পেন: ফাইনাল হেরে বিস্ফোরক ওটামেন্ডি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ২১:৪৯:৪৯
রেফারিকে প্রভাবিত করে ম্যাচ জিতেছে স্পেন: ফাইনাল হেরে বিস্ফোরক ওটামেন্ডি
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালে ইউরোপীয় পরাশক্তি স্পেনের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পর মাঠের বাইরে এবার রেফারিকে প্রভাবিত করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে আর্জেন্টিনা শিবির। আলবিসেলেস্তেদের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি সরাসরি স্পেনের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে মাঠের রেফারিকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে প্রভাবিত করার এই বিস্ফোরক দাবি করেছেন। রোববারের (১৯ জুলাই ২০২৬) এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে পরাস্ত হয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরার স্বপ্নভঙ্গ হলো লিওনেল মেসির দলের।

ম্যাচের মূল লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ স্প্যানিশ ডিফেন্সের সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ ও নিষ্প্রভ ছিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের শেষদিকে দলের অন্যতম নির্ভরতা এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়লে চরম বিপদে পড়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। রক্ষণভাগের প্রাণপণ চেষ্টা সত্ত্বেও অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র জয়সূচক গোলে দীর্ঘ ১৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় পরে স্পেন।

তবে রোমাঞ্চকর এই ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাস রূপ নেয় রণক্ষেত্রে। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর সাথে সাথেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার রাইট-ব্যাক নাহুয়েল মোলিনা স্পেনের গোল্ডেন বল জয়ী তারকা রদ্রিকে সরাসরি আঘাত করেন এবং মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের দিকে কিল-ঘুষি ছুড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মাঠের এই তুমুল হট্টগোলের মধ্যেই ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক দুই সতীর্থ নিকোলাস ওটামেন্ডি ও রদ্রির মধ্যে চরম উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও বাদানুবাদ হতে দেখা যায়।

পরাজয়ের বেদনায় নীল ওটামেন্ডি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রিকে মাঠের মধ্যেই আঙুল উঁচিয়ে বলেন, ‘তোমরা ম্যাচ জেতার জন্য সারা সপ্তাহ ধরেই (বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে) গণমাধ্যমে অনবরত ঘ্যানঘ্যান করেছো। তুমি এবং লাপোর্তে—তোমরা দুজনেই রেফারিকে প্রভাবিত করতে মাঠের বাইরে নোংরা রাজনীতি করেছ। একটি মেগা ফাইনালের আগে এটি মোটেও ঠিক ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণ নয়।’

আসলে ওটামেন্ডির এমন ক্ষোভের পেছনে কারণ ছিল ফাইনালের ঠিক আগে স্পেনের ফরাসি বংশোদ্ভূত ডিফেন্ডার আইমেরিক লাপোর্তের দেওয়া একটি বিতর্কিত বক্তব্য। লাপোর্তে দাবি করেছিলেন যে, চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার আগের ম্যাচগুলোতে রেফারির বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাদের রীতিমতো 'বিস্মিত' করেছে।

স্প্যানিশ বিখ্যাত ক্রীড়া দৈনিক 'মার্কা' (Marca)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে লাপোর্তে বলেছিলেন, ‘ফুটবলে মাঠের আগ্রাসন বা ট্যাকটিক্যাল ফাউল নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিন্তিত নই, যদি রেফারি ঠিকঠাক ও নিরপেক্ষভাবে তার দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে আমরা মাঠে এমন কিছু অদ্ভুত কাণ্ড দেখেছি যা আমাদের অবাক করেছে। অনেক বড় বড় ফাউল ও অপরাধের কোনো দৃশ্যমান শাস্তি দেওয়া হয়নি, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ম্যাচগুলোতে তারা একচেটিয়া সুবিধা পেয়েছে।’

তিনি আরও যোগ করে বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপের মতো এত বড় ও মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টে এমন পক্ষপাতমূলক পরিস্থিতি মোটেও কাম্য নয়। রেফারির মূল কাজই হলো মাঠের এসব অনিয়ম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাতে কোনো নির্দিষ্ট দল অন্যায্য সুবিধা না পায়। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই আমরা সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক ফুটবল খেলে আসছি, কাউকে অহেতুক আঘাত করিনি। ফাইনালেও আমরা আমাদের সেই ছন্দ ধরে রাখতে চাই, তবে সবকিছু মাঠের রেফারির সততার ওপর নির্ভর করছে।’

এদিকে বিশ্বজয়ের পর স্পেনের মহানায়ক ও সফল কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ফাইনালের স্নায়ুযুদ্ধ সম্পর্কে বলেন, ‘নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যেই আরও আগেই ম্যাচটি নিশ্চিতভাবে জিততে পারলে আমাদের দলের জন্য ভালো লাগত। কিন্তু আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক (এমিলিয়ানো) মার্টিনেজের অসাধারণ ও অবিশ্বাস্য কিছু দুর্দান্ত সেভ আমাদের গোল উৎসবকে বারবার আটকে দিয়েছিল। তবে যেহেতু এটি বিশ্বকাপের ফাইনাল, এখানে মাঠের লড়াই ও উত্তেজনা তো থাকবেই। শেষদিকে তারা ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও তাদের বিপক্ষে গোল বের করতে আমাদের যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে। তবে আমাদের ছেলেরা লড়াই করতে ভালোবাসে এবং যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্যই আমরা আগে থেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম।’

/আশিক


'সবকিছু ভুলে যাও': ড্রেসিংরুমে মেসির রহস্যময় বার্তা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে তোলপাড়

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ২০:৩৮:২৬
'সবকিছু ভুলে যাও': ড্রেসিংরুমে মেসির রহস্যময় বার্তা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে তোলপাড়
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফাইনালের চরম উত্তেজনার মধ্যে লিওনেল মেসির একটি বিশেষ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা ফুটবলবিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে মেসির দেওয়া এই বক্তব্য নিয়ে ক্রীড়ামোদিদের মধ্যে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। আর্জেন্টিনার প্রভাবশালী স্পোর্টসভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস (TyC Sports) এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর খবরটি প্রকাশ করেছে।

টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে অত্যন্ত গম্ভীর মুখে সতীর্থদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘চলো ছেলেরা, শান্ত থাকো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা যেন মাঠে শান্ত থাকি।’ একটি মেগা ফাইনালের আগে দলের দলপতির কাছ থেকে এমন দায়িত্বশীল ও স্বাভাবিক অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যই প্রত্যাশিত ছিল।

তবে সাধারণ এই বার্তার পরই মেসি এমন কিছু কথা বলেন, যা নেটদুনিয়ায় রহস্যের জন্ম দেয়। তিনি যোগ করেন, ‘সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলো। শুধু খেলার দিকেই মনোযোগ দাও, ছেলেরা।’ মেসির মুখ থেকে এই ‘সবকিছু ভুলে যাও’ শব্দবন্ধটি শোনার পর ফুটবল ভক্তদের মনে নানামুখী প্রশ্নের উদয় হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, মেসি আসলে মাঠের বাইরের ঠিক কোন বিতর্ক বা ঘটনাকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন?

৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি ফুটবলার ঠিক কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট না করলেও ফুটবল বিশ্লেষকরা এর পেছনের কারণ সহজেই অনুমান করতে পারছেন। মূলত ফাইনালের মহারণের আগে আর্জেন্টিনা দলকে ঘিরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। ইউরোপীয় গণমাধ্যম ও স্পেনের ফুটবলারদের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে, টুর্নামেন্ট জুড়ে আর্জেন্টিনা নাকি রেফারিংয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ ও অনৈতিক সুবিধা (Refereeing Favoritism) পেয়ে আসছে।

এমনকি স্পেনের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার আইমেরিক লাপোর্তেও মেগা ফাইনালের ঠিক আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে রেফারিং নিয়ে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। লাপোর্তে বলেন, ‘চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে আমরা এমন কিছু বিতর্কিত ঘটনা দেখেছি, যা আমাদের সত্যিই বিস্মিত করেছে। মাঠে এমন কিছু স্পষ্ট ফাউল ও সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেগুলোর জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

ধারণা করা হচ্ছে, ফাইনালের আগে প্রতিপক্ষের এমন গুরুতর মনস্তাত্ত্বিক চাপ এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ যাতে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যেই ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের ‘সবকিছু ভুলে’ শুধু ফুটবলে মনোযোগ দেওয়ার তাগিদ দিয়েছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস


ট্রাম্প-ইয়ামাল কুশল বিনিময়ের খণ্ডিত ভিডিও নিয়ে ইন্টারনেটে তুমুল বিতর্ক ও আসল সত্য

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ১৮:৪৩:৩০
ট্রাম্প-ইয়ামাল কুশল বিনিময়ের খণ্ডিত ভিডিও নিয়ে ইন্টারনেটে তুমুল বিতর্ক ও আসল সত্য
ছবি : সংগৃহীত

২৩তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মহাকাব্যিক ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে স্পেনের ঐতিহাসিক বিশ্বজয়ের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে এক অভূতপূর্ব ও আগ্রহোদ্দীপক দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। ট্রফি জয়ের পর মাঠের অন্যতম নায়ক স্পেনের তরুণ ফুটবল বিস্ময় লামিন ইয়ামাল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হাসিমুখে হাত মিলিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় একটি প্রভাবশালী টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ‘ফক্স ফাইভ’ (Fox 5)-এর প্রকাশিত এক বিশেষ ভিডিও চিত্রে এই সুন্দর ও কুশল বিনিময়ের দৃশ্যটি স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।

মহা-উৎসবের এই ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিজয়ীদের পদক নেওয়ার সময় মঞ্চে উপস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে হাত মেলান লামিন ইয়ামাল। তবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে এই ঘটনার কিছু খণ্ডিত ও সম্পাদিত (এডিটেড) ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা ভুল বোঝাবুঝি ও তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়।

পরবর্তীতে ‘ফক্স ফাইভ’ তাদের অফিশিয়াল হ্যান্ডেলে পূর্ণাঙ্গ ভিডিওটি প্রকাশ করলে বিতর্কের অবসান ঘটে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, তরুন ইয়ামাল মঞ্চে আসতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে নিজে আগে হাত বাড়িয়ে ইয়ামালের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং অত্যন্ত প্রফুল্ল চিত্তে তার গলায় বিশ্বজয়ের মহামূল্যবান স্বর্ণপদকটি পরিয়ে দেন। শুধু তা-ই নয়, বিদায় নেওয়ার সময় এই তরুণ তুর্কির পিঠ ও কাঁধ চাপড়ে তাকে মাঠের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য বিশেষ বাহবাও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে বসে সশরীরে উপভোগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ম্যাচ শেষে জমকালো সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ফিফা (FIFA) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যৌথভাবে তিনি বিশ্বজয়ী স্পেন দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের হাতে মেডেল তুলে দেন।

ফুটবল বিশ্বের এই সর্বোচ্চ শিরোপা জয় তরুণ লামিন ইয়ামালের ক্যারিয়ারে এক অবিনশ্বর ও চিরস্মরণীয় অর্জন হিসেবে যুক্ত হলো। মাত্র ১৯ বছর বয়সে নিজের অভিষেক বিশ্বকাপেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম মূল কাণ্ডারি ও সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ব্যক্তিগতভাবে একটি গোল করলেও, গতি ও নিখুঁত ড্রিবলিংয়ের মাধ্যমে স্পেনের উইং ও আক্রমণভাগে তার অবদান ছিল এককথায় অনন্য ও অনবদ্য।

বিশ্বমঞ্চের এই সাফল্যের আগে ঘরোয়া ফুটবলেও দুর্দান্ত সময় পার করেছেন এই বার্সা ফরোয়ার্ড। চলমান ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে স্প্যানিশ লা লিগার শিরোপাও নিজের শোকেসে তুলেছেন ইয়ামাল। আর এবার বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটি জেতার পর ফুটবল দুনিয়ায় তাকে ঘিরে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মাননা ‘ব্যালন ডি'অর’ (Ballon d'Or) জয়ের আলোচনাও বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। যদিও এবারের বিশ্বকাপে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’ (Golden Ball) জয়ী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিও ২০২৬ সালের ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে অন্যতম শক্তিশালী ও প্রধান দাবিদার হিসেবে ফুটবল বিশ্লেষকদের চোখে এগিয়ে রয়েছেন।

/আশিক


১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের ফাইনালে এমন লজ্জাজনক রেকর্ডে জড়াল আর্জেন্টিনার নাম

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ১৮:২৬:৩৮
১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের ফাইনালে এমন লজ্জাজনক রেকর্ডে জড়াল আর্জেন্টিনার নাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের মেগা ফাইনালে ইউরোপীয় পরাশক্তি স্পেনের গতি ও নিখুঁত ট্যাকটিকসের সামনে মাঠের লড়াইয়ে একপ্রকার সম্পূর্ণ অসহায় ও দিশেহারা অবস্থায় ছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পুরোটা সময় জুড়েই স্প্যানিশদের একের পর এক ক্ষুরধার আক্রমণের তোড়ে কোণঠাসা হয়ে থাকা আলবিসেলেস্তেরা পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে একটিও শট (Shot on Target) নিতে পারেনি। এমনকি পরবর্তীতে অতিরিক্ত সময়ে নেওয়া তাদের দুটি শটও ছিল সম্পূর্ণ লক্ষ্যভ্রষ্ট। বিশ্বকাপ ফাইনালের দীর্ঘ ইতিহাসে এমন হতশ্রী ও নিষ্ক্রিয় পরিসংখ্যান বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটির জন্য এক পরম বিব্রতকর ও লজ্জাজনক রেকর্ডই বটে।

মাঠের লড়াইয়ে লা ফুরিয়া রোজার একের পর এক আক্রমণের সুনামি ও ঢেউ সামলে কেবল নিজেদের রক্ষণভাগের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা এবং গোলরক্ষকের অতিমানবীয় দক্ষতায় ম্যাচটি কোনোমতে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যেতে পেরেছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অবশ্য ম্যাচের দ্বিতীয় অর্ধেকের একেবারে শেষ মুহূর্তে ইনজুরি টাইমে (ইঞ্জুরি টাইম) আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের তারকা এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়লে দলের বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হয়। ম্যাচের বাকি সমীকরণ ও শেষ মুহূর্তের স্নায়ুযুদ্ধ আর্জেন্টিনা দলকে ১০ জন নিয়ে চরম প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পার করতে হয়।

ম্যাচের সামগ্রিক পরিসংখ্যানই স্পষ্ট বলে দিচ্ছে মাঠের চিত্রটা ঠিক কতটা একতরফা ও স্পেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মূল লড়াইয়ে স্পেন যেখানে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ চূর্ণ করে ১৫টি বিপজ্জনক শট নিয়েছিল, সেখানে আর্জেন্টিনার নামের পাশে শটের সংখ্যা ছিল একদম ‘শূন্য’! ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বোঝাতে আরেকটি পরিসংখ্যানই যথেষ্ট—পুরো ম্যাচে স্প্যানিশরা কর্নার পেয়েছিল ৯টি, আর বিপরীতে আর্জেন্টিনা দলগতভাবে আদায় করতে পেরেছিল মাত্র ১টি কর্নার। মাঠের ভেতরে স্পেনের এমন একচ্ছত্র ও দানবীয় আধিপত্যের পরও অবশ্য আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের ডিফেন্স লাইনের কারণে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো গোলমুখ খুলতে পারেনি স্পেন।

অতিরিক্ত সময়ের শুরুর দিকেই স্পেনের আক্রমণভাগ একবার বল আর্জেন্টিনার জালে জড়ালেও রেফারি ফাউলের কারণে বিতর্কিতভাবে তা বাতিল করে দেন, যা নিয়ে মাঠে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায়। তবে স্প্যানিশদের আটকে রাখা যায়নি; অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত জালের দেখা পায় স্পেন। দলের পক্ষে ফেরান তরেসের করা এই একমাত্র জয়সূচক গোলটি শেষ পর্যন্ত ধরে রেখেই বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় পরে তারা।

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসের অন্য সব আসরকে ছাড়িয়ে এবারের ফাইনালটি একটি চরম নেতিবাচক ও বিব্রতকর দিক থেকে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ক্রীড়া জগতের বিখ্যাত পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওপ্টা (Opta)-র অফিসিয়াল তথ্য ও উপাত্ত অনুযায়ী, ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপের ফাইনালে নিখুঁত রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে এই প্রথম কোনো দল নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় প্রতিপক্ষের গোলমুখ লক্ষ্য করে একটিও শট নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হলো। আর ফুটবল ইতিহাসের এই নজিরবিহীন ও বিব্রতকর রেকর্ডের পাতায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে নাম উঠে গেল লিওনেলের মেসির আর্জেন্টিনার।

/আশিক


আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বজয়, অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসাল ইরান

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ১৭:৫৯:৪২
আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বজয়, অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসাল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালের মহাকাব্যিক মহাসমরে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলের ব্যবধানে স্তব্ধ করে দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুলেছে ইউরোপসেরা পরাশক্তি স্পেন। লা ফুরিয়া রোজার এই ঐতিহাসিক বিশ্বজয়ের পর বিশ্বজুড়ে এখন লামিন ইয়ামাল ও মিকেল মেরিনোদের নান্দনিক ও গতিময় ফুটবলের জয়গান চলছে। স্পেনের বিশ্বজয়ের এই অভূতপূর্ব উন্মাদনা ও উদযাপনে এবার ভিন্ন মাত্রা যোগ করে শরিক হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান।

সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করায় স্পেনের ফুটবল দল ও দেশটির জনগণকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে তেহরান প্রশাসন। তবে এই অভিনন্দনের পেছনে ফুটবলীয় দক্ষতার পাশাপাশি জড়িয়ে গেছে গভীর ভূরাজনৈতিক সমীকরণ। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্পেনের এই মহাকাব্যিক জয় বিশ্বজুড়ে সেই সব মুক্তিকামী মানুষের মনে পরম আনন্দ এনে দিয়েছে, যারা আন্তর্জাতিক মহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতিমালার ঘোর বিরোধী।

বৈশ্বিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও দেখা গেছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো এবং যুদ্ধের বিষয়ে মাদ্রিদ প্রশাসনের কঠোর ও সমালোচনামূলক অবস্থানের কারণে বিশ্বজুড়ে বহু মানুষ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরিবর্তে বিজয়ী দল স্পেনের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন উজাড় করে দিয়েছে।

অন্যদিকে ভূরাজনৈতিক এই মেরুকরণের উল্টো পিঠে, ইসরায়েলি শীর্ষ রাজনীতিবিদ এবং দেশটির সাধারণ ফুটবল ভক্তরা মাঠের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছিলেন। এর মূল কারণ হলো, আর্জেন্টিনার বর্তমান ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক ও সামরিক নীতিমালার একজন অত্যন্ত সোচ্চার এবং কড়া সমর্থক হিসেবে পরিচিত।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের ঘালিবাফের অফিশিয়াল বক্তব্য উদৃত করে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা (IRNA)-র এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক সংকটে ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের মানবিক অবস্থান এবং ইরানের প্রতি দেশটির পরোক্ষ কূটনৈতিক সমর্থনই প্রমাণ করে যে—স্বাধীনতা, ন্যায়পরায়ণতা ও দৃঢ়তা হচ্ছে স্পেনের মতো একটি বুদ্ধিদীপ্ত ও শ্রদ্ধাশীল জাতির প্রধান বৈশিষ্ট্য।

স্পিকার ঘালিবাফ আরও যোগ করে বলেন, ফুটবল মাঠের এই ঐতিহাসিক জয়টি কেবল স্পেনের সাধারণ জনগণের হৃদয়কেই উদ্বেলিত ও আনন্দিত করেনি, বরং বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত বহু মুক্ত, স্বাধীন, শোষিত ও ন্যায়পরায়ণ জাতির হৃদয়কেও সমানভাবে আন্দোলিত ও আনন্দিত করেছে।

ইরানি স্পিকারের এই বার্তার আগে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই স্পেনের প্রশংসা করে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন, নির্বিচার গণহত্যা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে স্পেনের জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের ইতিবাচক আচরণ এবং সামগ্রিকভাবে দেশটির সরকারের গৃহীত রাজনৈতিক অবস্থান বিশ্ববাসীর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অনুকরণীয় বার্তা বহন করে।

/আশিক


ট্রফি হাতছাড়া, আবেগঘন বিদায়ে কাঁদলেন লিওনেল মেসি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ০৯:৪৫:২৫
ট্রফি হাতছাড়া, আবেগঘন বিদায়ে কাঁদলেন লিওনেল মেসি
ছবি : সংগৃহীত

দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন পূরণ হলো না আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির। বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত ছন্দে দেখা যায়নি আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবল মহাতারকাকে। ম্যাচ শেষে গলায় রানার্সআপের পদক ঝুলিয়ে আবেগ সামলাতে পারেননি তিনি। চোখের জল লুকানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। তবে হতাশার মধ্যেও প্রতিপক্ষের অসাধারণ পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে ভোলেননি মেসি।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ফাইনালের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই। বল দখল, আক্রমণ, পাসিং এবং সুযোগ তৈরির প্রায় প্রতিটি পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনাকে ছাড়িয়ে যায় ইউরোপের দলটি। ম্যাচের হিসাব বলছে, স্পেন গোলমুখে মোট ২০টি শট নেয়, যেখানে আর্জেন্টিনা নিতে পারে মাত্র ২টি। পাশাপাশি পাসের সংখ্যাতেও স্পেনের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট; তারা ৮৪৫টি সফল পাস সম্পন্ন করে, বিপরীতে আর্জেন্টিনার পাস ছিল ৪৩৩টি।

ফাইনাল শেষে দর্শকদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মেসি। কণ্ঠ ভারী হয়ে তিনি বলেন, "আমি দুঃখিত। তবে আমি জানি, আমরা আমাদের সর্বস্ব দিয়ে লড়েছি। মাঠে হৃদয়ের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি।"

প্রতিপক্ষের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক আরও বলেন, "সত্যি বলতে, স্পেন আমাদের চেয়ে ভালো ফুটবল খেলেছে। আমরা পরাজিত হয়েছি এবং সেই বাস্তবতা মেনে নিচ্ছি। কিন্তু এই একটি ম্যাচ আমাদের পুরো যাত্রাকে মুছে দিতে পারে না। আমি আমার সতীর্থ, সমর্থক এবং পুরো দেশের প্রতি কৃতজ্ঞ।"

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। তবে স্পেনের সংগঠিত ফুটবল, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং ধারাবাহিক আক্রমণের সামনে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা সম্ভব হয়নি দক্ষিণ আমেরিকার দলটির। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফাইনালেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখে স্প্যানিশরা।

পরাজয়ের পরও মেসির আচরণ আবারও ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে। হতাশা ও অশ্রুর মাঝেও তিনি প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং নিজের দলের প্রচেষ্টার প্রতি গর্ব প্রকাশ করেছেন।

অনেকের ধারণা, এটি ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে মেসির শেষ উপস্থিতি। সে কারণে ফাইনাল শেষে তার চোখের জল শুধুই একটি ট্রফি হারানোর বেদনা নয়; বরং বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা ক্যারিয়ারের এক আবেগঘন অধ্যায়ের প্রতীক হিসেবেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

-রফিক


বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তাপ টেনিস কোর্টে, স্পেনের জয় নিয়ে আশাবাদী নাদাল

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৯ ২২:১৬:৪৭
বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তাপ টেনিস কোর্টে, স্পেনের জয় নিয়ে আশাবাদী নাদাল
ছবি : সংগৃহীত

স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার হাইভোল্টেজ বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তাপ এখন ফুটবল মাঠ ছাড়িয়ে টেনিস কোর্টেও আছড়ে পড়েছে। বিশ্ব কাঁপানো এই মহারণের ঠিক আগমুহূর্তে নিজের পছন্দের দল বেছে নিয়েছেন টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল। নিজের জন্মভূমি স্পেনের জয় নিয়ে শতভাগ আশাবাদী হলেও, প্রতিপক্ষ ও বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতি বরাবরের মতোই গভীর সমীহ ও শ্রদ্ধা ঝরেছে এই মহাতারকার কণ্ঠে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের এই মহাকাব্যিক ফাইনালে বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১টায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি স্পেন ও আর্জেন্টিনা। বহুল প্রতীক্ষিত এই ট্রফি লড়াইয়ের আগে স্বাভাবিকভাবেই স্পেনের পক্ষে নিজের জোরালো সমর্থন জানিয়েছেন টেনিস দুনিয়ার অন্যতম সেরা কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল। ক্যারিয়ারে ২২টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী এই স্প্যানিশ তারকা, যিনি ২০২৪ সালে পেশাদার টেনিসকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছেন, তিনি মনে করেন বর্তমান স্প্যানিশ দলটির বিশ্বকাপ জয়ের সব ধরনের সামর্থ্য রয়েছে। ফাইনাল নিয়ে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে নাদাল স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমার মনে প্রাণে বিশ্বাস, এবার আমরাই জিতব।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় নাদাল ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে স্পেনের প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের সেই ঐতিহাসিক সোনালী স্মৃতিও রোমন্থন করেন। তিনি লিখেছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ফুটবল আমার অন্যতম প্রিয় একটি খেলা। ফুটবল খেলতে, টেলিভিশনে ম্যাচ দেখতে এবং নিজের জাতীয় দলকে সমর্থন করতে আমি সবসময়ই দারুণ ভালোবাসতাম। ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার স্টেডিয়ামে সশরীরে উপস্থিত থাকার সেই অসাধারণ অনুভূতি আমি আজও ভুলতে পারিনি। আগামীকাল আবারও তেমন একটি ঐতিহাসিক ম্যাচ উপভোগ করার দারুণ সুযোগ পাচ্ছি। ফাইনালের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা এবং এই দেশটিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। আমার দেশের দলের জন্য রইল অনেক শুভকামনা। ভামোস এস্পানিয়া!’

ফুটবল খেলাটির সঙ্গে নাদালের পারিবারিক সম্পর্কও অত্যন্ত গভীর। তার আপন চাচা মিগেল অ্যাঞ্জেল নাদাল স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে অতীতে তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন এবং ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনা ও মায়োর্কার জার্সিতেও বিপুল সাফল্য পেয়েছেন। স্প্যানিশ রেডিও ‘এল পার্তিদাসো দে কোপে’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নাদাল জানান, তিনি ফাইনাল ম্যাচটি পরিবারের সবার সঙ্গে একসঙ্গে বসে উপভোগ করবেন।

ফাইনালে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনার শক্তিমত্তা ও রণকৌশল সম্পর্কে বলতে গিয়ে টেনিস কিংবদন্তি বলেন, ‘আর্জেন্টিনা দল হিসেবে নিজেদের শক্তির জায়গাগুলো খুব নিখুঁতভাবে কাজে লাগাতে পারে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও তাদের সেই সামর্থ্যের প্রমাণ দেখা গেছে। প্রথমার্ধের খেলা খুব একটা আকর্ষণীয় না হলেও, গোল হজম করার পর তারা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসাধারণ ফুটবল খেলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

তবে প্রতিপক্ষের রণকৌশল নিয়ে বেশি মাথা না ঘামিয়ে স্পেনের খেলোয়াড়দের নিজেদের স্বাভাবিক খেলায় মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। নাদাল বলেন, ‘মাঠে দুই দলই নিজেদের সেরা শক্তি দিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করবে। আমাদের দলেও যথেষ্ট শক্তি ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। প্রতিপক্ষ কী করছে বা তাদের কৌশল কী—সেটা ভুলে গিয়ে পুরো বিশ্বকাপজুড়ে আমরা যেভাবে আক্রমণাত্মক ও গোছানো ফুটবল খেলেছি, ফাইনালেও সেই মান ধরে রাখতে হবে। স্পেনের খেলোয়াড়রা যদি নিজেদের সেরা ছন্দ ধরে রাখতে পারে, তবে তাদের হারানো যেকোনো দলের জন্যই খুব কঠিন হবে।’

নাদালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, চলতি টুর্নামেন্টে স্পেনের পারফরম্যান্সের উন্নতি ছিল অত্যন্ত ধারাবাহিক। তিনি উল্লেখ করেন, ‘গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচ থেকে শুরু করে আজ ফাইনাল পর্যন্ত দলটি ধাপে ধাপে এবং ধারাবাহিকভাবে নিজেদের খেলার উন্নতি করেছে। আমি মনে করি, লা ফুরিয়া রোজা তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো সময়ে ও সেরা ছন্দে থেকেই ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছেছে।’

নিজের দেশ স্পেনকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করলেও প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা এবং তাদের সফল কোচ লিওনেল স্কালোনির প্রশংসা করতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেননি নাদাল। তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টাইন কোচ লিওর (স্কালোনি) সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব ভালো ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমি তাকে খুব কাছ থেকে চিনি। তিনি যেভাবে দল পরিচালনা করেন, তা এককথায় অসাধারণ। আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের সঙ্গে গত কয়েক বছরে তিনি যা করে দেখিয়েছেন, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এ ছাড়া আর্জেন্টিনায় আমার অনেক ভালো বন্ধুও আছেন।’

এমনকি ফাইনালে যদি স্পেন হেরেও যায়, তবে আর্জেন্টিনার কাছে সেই পরাজয়টি তিনি খুব সহজভাবে মেনে নিতে পারবেন বলেও অকপটে স্বীকার করেন নাদাল। টেনিস কিংবদন্তি বলেন, ‘অবশ্যই আমি মাঠের লড়াইয়ে সর্বশক্তি দিয়ে স্পেনকে সমর্থন করব। কিন্তু ফুটবলের ভাগ্যে যদি আমাদের হারতেই হয়, তবে আর্জেন্টিনার কাছে সেই হার মেনে নেওয়া আমার জন্য মানসিকভাব অনেক সহজ হবে। কারণ সেই দলে আমার অনেক বন্ধু ও পরিচিত মানুষ জড়িয়ে আছেন। যদি কারও কাছে ট্রফি হারতেই হয়, তবে আমি চাইব সেটা যেন আর্জেন্টিনা এবং তাদের অসাধারণ কোচের কাছেই হোক।’

/আশিক


ঘরে বসে যেভাবে সরাসরি স্মার্টফোনে দেখবেন বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণ

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৯ ২২:১১:৪৭
ঘরে বসে যেভাবে সরাসরি স্মার্টফোনে দেখবেন বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণ
ছবি : সংগৃহীত

সমগ্র ক্রীড়াবিশ্বকে বুঁদ করে রাখা ২৩তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মহারণের যাবতীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের এই শিরোপা নির্ধারণী চূড়ান্ত লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং ইউরোপসেরা পরাশক্তি স্পেন।

রোববার (১৯ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ও রোমাঞ্চকর এই মেগা ফাইনাল। আন্তর্জাতিক ফুটবলের দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নের এই ব্লকবাস্টার দ্বৈরথ ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা ও উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।

বাংলাদেশের কোটি কোটি দর্শক যাতে ঘরে বসেই নিখুঁতভাবে এই মহাযুদ্ধ উপভোগ করতে পারেন, তার জন্য টেলিভিশন এবং অনলাইন—দুই মাধ্যমেই বিশেষ সম্প্রচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভির (বাংলাদেশ টেলিভিশন) পাশাপাশি খেলাটি সরাসরি ও স্পোর্টস কমেন্ট্রিসহ সম্প্রচার করবে স্যাটেলাইট চ্যানেল টি-স্পোর্টস এবং সময় টেলিভিশন।

টেলিভিশন পর্দার বাইরে যারা ডিজিটাল মাধ্যমে খেলা দেখতে চান, তাদের জন্যও রয়েছে নানা বিকল্প। নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন সুবিধার আওতায় সাধারণ স্মার্টফোন, ট্যাব কিংবা স্মার্ট টিভিতে মাই রবি অ্যাপ, বাংলালিংকের জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম টফি, গ্রামীণফোনের বায়োস্কোপ এবং আইস্ক্রিন (iScreen) ওটিটি প্ল্যাটফর্মে বিশ্বকাপের এই মেগা ফাইনালটি সরাসরি লাইভ স্ট্রিম করা হবে।

প্রথাগত এই সব বড় মাধ্যমের পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক আরও কয়েকটি বিশেষায়িত প্ল্যাটফর্মেও ফাইনাল ম্যাচটি দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা। ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্পোর্টসজিফাই (Sportsgify) এবং স্পোর্টজেডএক্স (SportzDX) মোবাইল অ্যাপ থেকেও ফুটবলপ্রেমীরা সহজেই উপভোগ করতে পারবেন বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী এই রোমাঞ্চকর ম্যাচটি।

/আশিক

পাঠকের মতামত: