গ্যাসের দাম বাড়ছে আজ!

দেশের সার কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আজ রবিবারই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে কৃষিখাত, সার উৎপাদন ব্যয় এবং সরকারের ভর্তুকি কাঠামোতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে।
এর আগে পেট্রোবাংলা এবং দেশের বিভিন্ন গ্যাস বিতরণ সংস্থা সার কারখানায় ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ৪০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়। গত ৬ অক্টোবর বিইআরসির আয়োজিত গণশুনানিতে এই প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শুনানি শেষে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয়ে “সবদিক বিবেচনা করে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।” তার বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে কৃষিকে অগ্রাধিকার ও এলএনজি আমদানির বাস্তব খরচ বিবেচনার বিষয়টি।
? এলএনজি আমদানি বাড়ানোর প্রস্তাব
পেট্রোবাংলার প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী-
- দাম বাড়ানো হলে ৭টি অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে
- অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত সার কারখানায় ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে পূর্ণ মাত্রায় সরবরাহ
- এপ্রিল–মে: ১৬৫ মিলিয়ন ঘনফুট
- জুন: ১৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট
- জুলাই–সেপ্টেম্বর: ১৩০ মিলিয়ন ঘনফুট
এই মাসভিত্তিক সরবরাহ কাঠামো বাস্তবায়নের জন্যই গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে প্রতি কেজি ইউরিয়া সার উৎপাদনে খরচ হচ্ছে প্রায় ৩৮ টাকা। কিন্তু বাজারে তা কৃষকদের কাছে বিক্রি হয় ২৭ টাকা, এবং বিসিআইসি ডিলারদের কাছে সরবরাহ করে ২৫ টাকায়। এতে প্রতি কেজিতে ১৩ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সরকারকে।
সার উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের জন্য সার মূল্য কম রেখেছে সরকার। কিন্তু এলএনজি আমদানির বাড়তি খরচ, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি দামের অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যয়ের কারণে ভর্তুকির পরিমাণও দ্রুত বাড়ছে।
গণশুনানিতে বিইআরসি চেয়ারম্যানের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে কৃষি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সার উৎপাদনে গ্যাসের দাম সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলে কোনো পরিবর্তনই কৃষক, উৎপাদক এবং সরকারের ওপর বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলতে পারে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এলএনজি আমদানির খরচ বাড়লেও সার শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যদিকে, অতিরিক্ত দাম কৃষি উৎপাদন ব্যয় ও খাদ্য নিরাপত্তায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে আজকের গ্যাস মূল্য ঘোষণা একটি নীতি–নির্ধারণী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এবার নির্বাচনী ময়দানে থাকবে না কোনো বৈষম্য: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, আগের মতো এবার কোনো ‘পাতানো’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাসী এবং প্রতিটি প্রার্থী কমিশনের কাছ থেকে ন্যায়বিচার পাবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় প্রাঙ্গণে মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে চলমান আপিল আবেদনের বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। সিইসি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশন সবার জন্য একটি সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং আইনি ভিত্তির ওপরই প্রতিটি আপিলের সমাধান করা হবে।
মনোনয়নপত্রের বৈধতা বা বাতিলের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীদের আপিল আবেদনের আজ চতুর্থ দিন চলছে। সিইসি আপিল শুনানির পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছ হবে বলে অঙ্গীকার করেছেন এবং প্রতিটি আবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সামনে আজ সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রার্থীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। অনেক প্রার্থী তাদের বাতিল হওয়া মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করছেন, আবার কেউ কেউ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জমা দিচ্ছেন।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিনে মোট ২৯৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। আগামীকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত আপিল আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। এরপর আগামী ১০ জানুয়ারি (শনিবার) থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক আপিল শুনানি, যা চলবে ১৮ জানুয়ারি (রোববার) পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম পূর্ণ গতিতে চলছে এবং এই আপিল শুনানিই ঠিক করে দেবে চূড়ান্ত ভোটের ময়দানে কারা থাকছেন।
রেকর্ড ভেঙে ২০২৫ সালেও ইউরোপে অবৈধ প্রবেশে এক নম্বরে বাংলাদেশ
২০২৫ সালে অবৈধ পথে ইউরোপে পৌঁছানো অভিবাসীদের জাতীয়তার মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের সর্বশেষ অনুসন্ধানে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থা দুটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহিঃসীমান্তে সবচেয়ে বেশি যে জাতীয়তার মানুষদের অনিয়মিতভাবে শনাক্ত করা হয়েছে, তারা বাংলাদেশি। বাংলাদেশিদের পর এই তালিকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় রয়েছেন মিসরীয় এবং আফগান নাগরিকরা। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি জোরদার করা সত্ত্বেও বাংলাদেশিদের এই অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবণতা কমানো সম্ভব হয়নি, বরং তা অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে।
ইউরোপে পৌঁছাতে বাংলাদেশিরা মূলত সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুট ব্যবহার করছেন, যেখানে লিবিয়া একটি অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। লিবিয়াভিত্তিক শক্তিশালী মানবপাচার নেটওয়ার্কের সহায়তায় বাংলাদেশিরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে ছোট নৌকায় করে ইতালি এবং গ্রিসের বিভিন্ন দ্বীপে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ফ্রন্টেক্সের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, মানবপাচারকারী চক্রগুলো ইউরোপে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং উচ্চ আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপজ্জনক যাত্রায় প্রলুব্ধ করছে। নজরদারি ও মানবপাচারবিরোধী কার্যক্রম বৃদ্ধি পেলেও এই সমুদ্রপথে বাংলাদেশিদের যাত্রা অব্যাহত রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশিদের এই ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের পেছনে মূলত অর্থনৈতিক সংকট ও উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে ফ্রন্টেক্স। দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা এবং বিদেশে ভালো আয়ের প্রত্যাশা অনেক যুবককে অনিয়মিত পথে ইউরোপ পাড়ি দিতে বাধ্য করছে। সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপমুখী এই প্রবণতা গত কয়েক বছর ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তবে ২০২৫ সালে এসে এটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। মিসরীয় ও আফগান নাগরিকরাও একইভাবে ল্যান্ড ও সি-রুট ব্যবহার করে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তালিকার এক নম্বরে থাকা বাংলাদেশিদের সংখ্যা এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রধান মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৩ বিভাগ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪-৬ ডিগ্রিতে
দেশের ৪৪ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিনে আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (১০ জানুয়ারি) ও রোববার (১১ জানুয়ারি) দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এই দুই দিন চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা জনজীবনে বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি করতে পারে।
গবেষক পলাশ তাঁর পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছেন, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকেই শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করবে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। বুধবার সকালেই রাজশাহীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জে ৭ ডিগ্রি এবং রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ইতিমধ্যে দেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ৫টির ওপর দিয়েই শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের এই প্রকোপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালেও রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রির ঘরে থাকতে পারে। তীব্র শীতের পাশাপাশি ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ এবং ছিন্নমূল জনগণের জন্য এই আবহাওয়া চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চার জোনে বিভক্ত হচ্ছে সেন্ট মার্টিন
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বিপন্ন জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার এবং দ্বীপটিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে চার স্তরের একটি মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, এখন থেকে সেন্ট মার্টিনে পর্যটন হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক এবং তা অবশ্যই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। তিনি বলেন, “দ্বীপ সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনাই এখন আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”
সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এই মহাপরিকল্পনায় সেন্ট মার্টিনকে চারটি জোনে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছে।
জোনগুলো হলো
১. জেনারেল ইউজ জোন (যেখানে পর্যটন ও হোটেল-রিসোর্ট থাকবে),
২. ম্যানেজড রিসোর্স জোন (কচ্ছপের প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রাতে থাকা নিষিদ্ধ),
৩. সাসটেইনেবল ইউজ জোন (স্থানীয়রা টেকসই সম্পদ ব্যবহার করবেন, পর্যটকরা রাতে থাকতে পারবেন না) এবং
৪. রেস্ট্রিক্টেড জোন (যেখানে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান আরও জানান, মাত্র ৮ হাজার মানুষের এই ক্ষুদ্র দ্বীপে প্রতিদিন ১০ হাজার পর্যটকের সমাগম স্থানীয়দের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। তাই পর্যটনকে সীমিত করে দ্বীপবাসীর জন্য মৎস্য, হস্তশিল্প ও কৃষিভিত্তিক বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ সচিব ফারহিনা আহমেদ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামানও দ্বীপে প্রকৃতিবান্ধব স্থাপনা নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেন্ট মার্টিন তার হারিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুনরায় ফিরে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যে ১০ জেলায় আজও শৈত্যপ্রবাহের রেড অ্যালার্ট
দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তরের জেলাগুলোতে শীতের কামড় এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের বুধবারের (৭ জানুয়ারি ২০২৬) পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। জেলাগুলো হলো— রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া। মঙ্গলবার রাজশাহীতে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন। আর রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের কারণে সারা দেশে মাঝরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, নৌ-পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, কেবল তাপমাত্রার পতন নয়, বরং বায়ু দূষণের কারণে বাতাসে ভাসমান বস্তুকণা বেড়ে যাওয়ায় কুয়াশা কাটছে না। ফলে সূর্যের আলো ঠিকমতো পৌঁছাতে পারছে না এবং সারা দিন শীতের তীব্র অনুভূতি বজায় থাকছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ায় হাসপাতালগুলোতেও বাড়ছে রোগীর ভিড়। আবহাওয়া অফিস বলছে, এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
নবম পে স্কেলে আকাশছোঁয়া বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ: কার পকেটে ঢুকবে বাড়তি টাকা?
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত 'নবম পে স্কেল' এর সুপারিশমালা চূড়ান্ত করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যানুযায়ী, বিদ্যমান ১৬টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখেই বেতন কাঠামোতে বড় ধরণের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশনের নতুন এই সুপারিশে সরকারি চাকুরেদের মূল বেতন গ্রেডভেদে প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই এই চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি অর্থ উপদেষ্টার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নবম পে স্কেল প্রণয়নের শুরুতে গ্রেড সংখ্যা কমানোর জোর দাবি উঠলেও দীর্ঘ পর্যালোচনার পর বর্তমান ১৬টি গ্রেড কাঠামোই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই নতুন স্কেলে সবচেয়ে বেশি সুফল পাবেন নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি এই সুপারিশে শিক্ষকদের জন্য দীর্ঘদিনের দাবি— 'পৃথক বেতন কাঠামো'র বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাগুলোও বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই নতুন পে স্কেলের বাস্তবায়ন শুরু হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে কয়েক দশকের মধ্যে সরকারি খাতে এটিই হবে সবচেয়ে বড় এবং বৈপ্লবিক বেতন কাঠামো পরিবর্তন। এতে সরকারি চাকুরেদের জীবনযাত্রার মান যেমন বাড়বে, তেমনি সরকারি কাজে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় ছড়াচ্ছেন তারা কড়া নজরদারিতে: শফিকুল আলম
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যারা এখনো সন্দেহ ও সংশয় ছড়াচ্ছেন, তাঁদের ওপর সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তীক্ষ্ণ নজরদারি রাখছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের প্রোফাইল আমাদের কাছে একদম পরিষ্কার। অতীতে তাদের ভূমিকা কী ছিল এবং কেন তারা এখন সংশয় ছড়াচ্ছেন, সরকার তা খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।”
প্রেসসচিব জানান, নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ৩৭ দিন এবং সরকার প্রতিটি পদক্ষেপে শতভাগ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল এখন অনেক উঁচুতে, কারণ তারা ইতিমধ্যে পরপর তিনটি বড় জাতীয় ইভেন্ট অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এবারের নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য রেকর্ড ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৩ জন নিবন্ধন করেছেন, যা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। তবে নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার কারণে অন্তত ৭ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন না, তাদের ভোট দিতে হবে পোস্টাল বা বিশেষ ব্যবস্থায়।
রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “নেতাদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে ‘টপ প্রায়োরিটি’। ইতিমধ্যে অনেক নেতাকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এ নিয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছে।” তিনি আরও জানান, জনগণের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে দিতে ‘ভোটের গাড়ি’ ক্যারাভানে গাড়ির সংখ্যা ১০টি থেকে বাড়িয়ে ৩০টি করা হচ্ছে। আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে অতিরিক্ত ২০টি গাড়ি সারা দেশে টিভিসি প্রদর্শন এবং কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নিয়ে প্রচার কাজ চালাবে, যা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা নিয়ে ইসির শঙ্কা প্রকাশ
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ শতাংশ অস্ত্র এবং ৩০ শতাংশ গুলি এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা না গেলে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনের সময় দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করে যাতে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অস্ত্রের ঝনঝনানি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো সম্পূর্ণ ‘সিল’ করে দেওয়া হবে। একই সাথে সীমান্ত এলাকাগুলোতেও কড়া নজরদারি ও সিল করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সভায় নির্বাচন কমিশনার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে একটি বিশেষ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, “এক এলাকার সন্ত্রাসীরা যাতে অন্য এলাকায় গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় নিতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।” সন্ত্রাসীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো ধরনের অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি বরদাশত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসনকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়।
যেসব এলাকায় তাপমাত্রা নামতে পারে ৭ ডিগ্রিতে
চলতি শীত মৌসুমের সবচেয়ে তীব্র শীতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল নাগাদ দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলসহ ৫টি বিভাগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার শঙ্কা রয়েছে। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে দেশের জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসতে পারে।
গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তাঁর পূর্বাভাসে উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সকাল ৬টার দিকে তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করবে। এর ফলে কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের প্রকোপ বাড়তে পারে। এছাড়া ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় ঘন কুয়াশার কারণে দুপুর ১২টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে বরিশাল ও খুলনা বিভাগে সকাল ১০টার পর রোদের কিছুটা ঝলক দেখা যেতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসেই দেশের ওপর দিয়ে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করবে। এই মাসে ১ থেকে ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে কোনো কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আজ সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস আরও সতর্ক করেছে যে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে নদী অববাহিকা ও উত্তরাঞ্চলে দৃশ্যমানতা কমে আসায় যানবাহন চলাচলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ এবং ভাসমান জনগোষ্ঠীর জন্য এই শৈত্যপ্রবাহ বড় ধরণের সংকট তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
- স্বপ্ন যখন আকাশছোঁয়া, সফল হতে এই ৫টি অভ্যাস আজই শুরু করুন
- এবার নির্বাচনী ময়দানে থাকবে না কোনো বৈষম্য: সিইসি
- ভারতীয় শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি: বিপাকে পড়তে পারেন ভারতীয় শিক্ষার্থীরা
- ভোররাতে বিকট শব্দে কাঁপল শরীয়তপুর: আধিপত্যের লড়াইয়ে প্রাণ গেল যুবকের
- আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
- প্রবাসী আয়ের শক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ: শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ
- রেকর্ড ভেঙে ২০২৫ সালেও ইউরোপে অবৈধ প্রবেশে এক নম্বরে বাংলাদেশ
- টিভির পর্দায় আজকের সব খেলার সূচি
- আজ ০৮ জানুয়ারি নামাজের সময়সূচি
- আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- আজ রাজধানীর কোথায় কোন কর্মসূচি
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- জকসু নির্বাচনে শিবিরের জয়জয়কার
- কৃষ্ণগহ্বরের তাণ্ডবে ফুটছে আদি মহাবিশ্ব: শুরুর জগত নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য
- বাংলাদেশ-পাকিস্তান সামরিক সম্পর্ক এখন তুঙ্গে: রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন গণবিজ্ঞপ্তি জারি, বেসরকারি স্কুল-কলেজের জন্য বড় সুখবর
- চট্টগ্রামের খতনা করাতে গিয়ে চিরতরে ঘুমিয়ে পড়ল ৭ বছরের রোহান
- ব্যালটে সিল মারা পুলিশের কাজ নয়: হাসনাত আব্দুল্লাহ
- ২৬ কেন্দ্রের ফলে পাশা উল্টে গেল: জকসু নির্বাচনের নাটকীয় মোড়
- শীতে বারবার প্রস্রাবের বেগ: সাধারণ ঘটনা নাকি কিডনি রোগের সংকেত?
- সদরপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র, গুলি ও ককটেল উদ্ধার
- ভিপি পদে রিয়াজুল বনাম রাকিব: জকসু নির্বাচনের ২০ কেন্দ্রের ফল এক নজরে
- তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৩ বিভাগ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪-৬ ডিগ্রিতে
- সুস্থ থাকতে চায়ের সঙ্গে এই ৫ খাবারের বিচ্ছেদ জরুরি: আজই সতর্ক হোন
- বিচার না করে নির্বাচনে গেলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে: রিফাত
- স্যার আমি কি আপনার সঙ্গে দেখা করতে পারি?: মোদির অনুরোধে যা বললেন ট্রাম্প
- ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অনড়: আসিফ নজরুল
- ছড়িয়ে পড়েছে নিপাহ ভাইরাস: মৃত্যুর হার ১০০ শতাংশে পৌঁছানোয় রেড অ্যালার্ট
- উত্তরবঙ্গে তারেক রহমানের ৪ দিনের ‘মেগা সফর’: রুট ম্যাপ দেখে নিন
- গণতন্ত্রের মশাল এখন তারেক রহমানের হাতে: খসরু
- জকসু নির্বাচনে বোটানিতে ফল প্রকাশ, ভোটে চমক
- বিএনপিতে যোগ দিলেন এনসিপির শীর্ষ নেতা
- ৭ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ বাজার বিশ্লেষণ
- ডিএসইতে আজ দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারে আজকের শীর্ষ লাভবান ১০ কোম্পানি
- জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির দোয়া ও রাজনৈতিক বার্তা
- অলিম্পিক ও কেডিএসের নগদ লভ্যাংশ বিতরণ
- ডিএসইতে বন্ড আপডেট, চার ট্রেজারি বন্ডের রেকর্ড ডেট
- সূচক বাড়ছে, ভলিউম ৯ কোটির বেশি, কী বোঝায়
- বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- শীতকালে বাংলাদেশের ভ্রমণের ৫ সেরা জায়গা: ২০২৬ সালের ট্রাভেল গাইড
- নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে দেশ ধ্বংস হবে: ডা. তাহের
- বিশ্বকাপে ভারত সফর নিয়ে বুলবুলের বিস্ফোরক তথ্য
- আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
- ৬ বিভাগের ফলাফলে ভিপি পদে মাত্র ৫৭ ভোটের ব্যবধান: টানটান উত্তেজনা জবিতে
- শীতেও ত্বক থাকবে মাখনের মতো নরম: জানুন জাদুকরী কিছু সহজ টিপস
- দাঁতের শিরশিরানি থেকে মুক্তির ৫ সহজ উপায়
- টিভির পর্দায় আজকের সব খেলার সূচি
- বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না গেলে বড় জরিমানার মুখে বাংলাদেশ
- আজ ০৭ জানুয়ারি নামাজের সময়সূচি
- ৯ম পে স্কেলে আমূল পরিবর্তন, সরকারি চাকরিতে বেতনে বড় সুখবর
- ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে
- কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য লম্বা ছুটি ঘোষণা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নতুন বছরে স্বর্ণের বাজারে বড় পরিবর্তন, আজ থেকে সোনার দর নিম্নমুখী
- বুধবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- ৪ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে আজ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী তালিকা
- পেটের আলসার: কারণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ
- কাত্তালী টেক্সটাইলের শেয়ারে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর
- অবশেষে অবসান হলো অপেক্ষার: বিশেষ আহ্বান নিয়ে হাজির ড. ইউনূস
- গয়না কেনার আগে দেখে নিন আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে দেশে
- ০৫ জানুয়ারি আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- আবহাওয়া অফিসের বড় দুঃসংবাদ, ধেয়ে আসছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত
- এক নজরে ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বশেষ NAV
- দৈনিক এনএভিতে কী বার্তা পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা








