ঝড় নয়, যেন দুঃস্বপ্ন—সালথায় হঠাৎ তাণ্ডবে বসতভিটা নিশ্চিহ্ন

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নে মাত্র পাঁচ মিনিটের এক আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১৮ জুন) রাত ৯টার দিকে দক্ষিণ আটঘর গ্রামে সংঘটিত এই ঝড়ের তাণ্ডবে সাতটি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য গাছপালা ও কৃষিজমি।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, "রাত ৯টার দিকে আচমকাই প্রচণ্ড হাওয়া ও ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই গ্রাম যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার রূপ নেয়।" তিনি আরও বলেন, "সিরাজ মোল্যা, সালাম শেখ, নুরু শেখ, কামরুল গাজী, সোহাগ গাজী, মিজান শেখ ও বক্কার খানের ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেকের টিনের চাল উড়ে গেছে, আবার কেউ ঘরসহ সবকিছু হারিয়ে ফেলেছেন।"
ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই দিনমজুর ও কৃষক পরিবার। ঝড়ের পর অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। বসতঘরের পাশাপাশি ভেঙে পড়েছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, যার ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষিজ ফসল ও মৌসুমি আয়ের উৎস।
এ প্রসঙ্গে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনিছুর রহমান জানান, "ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। দ্রুততম সময়ে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুরে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, "ঘটনার খবর পেয়েই তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করা হচ্ছে। প্রশাসন যথাযথ সহায়তা করবে।"
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এমন হঠাৎ ও তীব্র ঘূর্ণিঝড় অঞ্চলে আগে দেখা যায়নি। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কি না, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা
—আশিক নিউজ ডেস্ক
দেশের চার জেলায় দুপুর ১টার মধ্যে ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি: আবহাওয়া অফিসের মেগা অ্যালার্ট
আসন্ন জ্যৈষ্ঠের তীব্র ভ্যাপসা গরমের মাঝেই দেশের চার মেগা জেলায় আজ দুপুর ১টার মধ্যে ধেয়ে আসছে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ শিলাবৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রকাশিত এক জরুরি ও বিশেষ সতর্কবার্তায় এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার (২৪ মে ২০২৬) সকালে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত নোটিশে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের এই জেলাগুলোতে দুপুরের আগেই দুমকা হাওয়া ও আকস্মিক মেঘের সৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের অফিশিয়াল সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে বা পাশ্ববর্তী কিছু স্থানে আজ দুপুর ১টার মধ্যে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে তীব্র ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে এসব এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাত, বজ্রবৃষ্টি অথবা অতিভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
আকস্মিক এই আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের নদী অববাহিকায় চলাচলরত সকল নৌযান ও নদীবন্দরসমূহকে অনতিবিলম্বে ‘১ নম্বর’ (পুনঃ) ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। দুপুরের এই চরম বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঈদুল আজহার আগাম কেনাকাটা ও কোরবানির পশুর হাটের প্রস্তুতিতে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
/আশিক
দূষণে আবারও বিশ্বের শীর্ষ তালিকায় ঢাকা
দীর্ঘদিন ধরেই ভয়াবহ বায়ুদূষণের চাপ সামলাচ্ছে রাজধানী ঢাকা। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম ও স্থির আবহাওয়ার কারণে আবারও দূষণের মাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। ফলে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আবারও উপরের দিকে উঠে এসেছে ঢাকা।
আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান IQAir–এর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল দশম। এসময় রাজধানীর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) স্কোর রেকর্ড করা হয় ১১৯, যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুমানের এই অবস্থায় শিশু, বয়স্ক, অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘসময় বাইরে অবস্থান করলে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা, চোখ জ্বালাপোড়া এবং ক্লান্তি তৈরি হতে পারে।
তবে আবহাওয়া ও যানবাহনের চাপের ওপর নির্ভর করে দিনের বিভিন্ন সময়ে দূষণের মাত্রা ওঠানামা করতে পারে বলে জানিয়েছে আইকিউএয়ার। গত বৃহস্পতিবার একই সময়ে ঢাকার স্কোর ছিল ১০৭। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাতাস আরও খারাপ হয়েছে।
এদিন দূষণের তালিকায় শীর্ষে ছিল সান্তিয়াগো, যার AQI স্কোর ১৫৮। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রিয়াদ–এর স্কোর ছিল ১৫৪। এই দুই শহরের বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
অন্যদিকে ভারতের দিল্লি ১২৯ স্কোর নিয়ে অষ্টম এবং কলকাতা ১২৭ স্কোর নিয়ে নবম অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, নেপালের কাঠমান্ডু এবং চীনের হাংজু ও চেংডু–ও দূষণের তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, AQI স্কোর ০ থেকে ৫০ হলে বাতাস ভালো ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মাঝারি মানের। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর হলে তা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর। আর ১৫১ ছাড়িয়ে গেলে তা সাধারণ মানুষের জন্যও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
পরিবেশবিদদের মতে, ঢাকায় নির্মাণকাজের ধুলা, পুরোনো যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন এবং গরমে স্থির বাতাসের কারণে দূষণ দ্রুত জমে যাচ্ছে। বর্ষা পুরোপুরি শুরু না হওয়া পর্যন্ত রাজধানীবাসীকে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই থাকতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
-রাফসান
ঈদের দিনে কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া
দেশজুড়ে আবারও তীব্র আকারে দেখা দিয়েছে ভ্যাপসা গরম ও তাপপ্রবাহ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ১১টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা, টাঙ্গাইল, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলায় তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। এসব এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে অবস্থান করছে।
ঈদুল আজহার আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি থাকলেও আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে বড় ধরনের স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে না। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ঈদের সময়ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরমের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, ঈদের দিন ঢাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বরং ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায় তাপপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হতে পারে। ফলে ঈদযাত্রা ও কোরবানির প্রস্তুতির সময় মানুষকে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
তবে দেশের সব জায়গায় একই ধরনের আবহাওয়া থাকবে না। আবহাওয়া বিভাগ বলছে, সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় ঈদের দিন বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরাঞ্চল ও রাজধানীতে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৫ মে পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণও হতে পারে। তবে ২৬ মে থেকে আবারও তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ে। তাই বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রোদে দীর্ঘসময় না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
-রফিক
আবহাওয়া অফিসের ১২০ ঘণ্টার বিশেষ বার্তা
পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি শক্তিশালী লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিস্তৃত থাকায় দেশের ৩টি প্রধান বিভাগে কালবৈশাখী ঝড়-হাওয়া ও বজ্রপাতসহ ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
গতকাল বুধবার (২০ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের সই করা আগামী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) এক বিশেষ বুলেটিন ও পূর্বাভাসে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই লঘুচাপের প্রভাবে দেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং আগামী ৫ দিনই সারা দেশে বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের অফিশিয়াল পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) দেশের রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া এবং প্রবল বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
একই সঙ্গে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। আজ সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পরদিন শুক্রবার (২২ মে) বৃষ্টির তীব্রতা আরও কিছুটা বেড়ে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবারও রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি ও অববাহিকা এলাকায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সতর্কতা রয়েছে। তবে ওইদিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া অফিস দেশের নদী বন্দরগুলোকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে বজ্রপাতের সময় পাকা দালানের নিচে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে।
/আশিক
আজ দুপুরের মধ্যে দেশের তিন বিভাগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
আজ দুপুরের মধ্যেই দেশের রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট—এই তিন বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী স্টাইলের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বুধবার (২০ মে) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত এক বিশেষ বুলেটিনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আজ ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বলপ্রয়োগ করা এই পূর্বাভাসে নদী অববাহিকার নৌযানগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে স্পষ্ট বলা হয়েছে, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং সেই সাথে বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হতে পারে। বৈরী আবহাওয়ার এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের ওই অঞ্চলের সকল নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত (নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত) দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, আগের দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আবহাওয়া অফিস আরও সতর্ক করেছে যে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি ও অববাহিকা অঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অত্যন্ত ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির এই পূর্বাভাসের মধ্যেও দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে।
বিশেষ করে নোয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ (Mild Heat Wave) আজ সারাদিন অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের বাকি অংশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের চূড়ান্ত বুলেটিনে উল্লেখ করেছে।
/আশিক
ঈদের আনন্দ মাটি করতে পারে বঙ্গোপসাগরের নতুন ঘূর্ণিঝড়
মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে উদযাপিত হবে। আজ সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে ঈদের এই চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়। তবে ঈদের এই উৎসবের আমেজের মধ্যেই উৎসবের দিনগুলোতে দেশে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবল শঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসের দ্বিতীয় অর্ধে অর্থাৎ ঈদের ঠিক আগের দিনগুলোতে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ বা প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার উচ্চ আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ।
এই দুর্যোগের প্রভাবে ঈদের সময় দেশে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বিভাগভিত্তিক বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হবে সিলেট বিভাগে (৫২০-৫৪০ মি.মি.)। এছাড়া ময়মনসিংহে ৩৪০-৩৬০, চট্টগ্রামে ৩৩০-৩৫০, রংপুরে ২৬০-২৮০ এবং ঢাকা বিভাগে ২৫০-২৭০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। মে মাসের শেষ ভাগে দেশজুড়ে ২ থেকে ৩ দিন শিলাবৃষ্টিসহ তীব্র কালবৈশাখীর চরম পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে।
ঈদের নির্দিষ্ট দিনের আবহাওয়া প্রসঙ্গে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যেহেতু এখন কালবৈশাখীর মূল মৌসুম, তাই ঝড়-বৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে ঈদের দিন ঠিক কোন কোন অঞ্চলে কেমন তীব্রতায় ঝড় বা ভারী বৃষ্টি আঘাত হানবে, তা আরও ২-৩ দিন পর সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব হবে।’
/আশিক
১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস, ১ নম্বর সংকেত
দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (১৮ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক জরুরি সতর্কবার্তায় এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলার ওপর দিয়ে এই ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিন দেশের সব বিভাগেই ঝড়-বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
/আশিক
সন্ধ্যার আগেই দেশের ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
দেশের সাতটি জেলার ওপর দিয়ে পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তীব্র ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সাথে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে বিশেষ সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ রোববার (১৭ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া এক জরুরি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই ঝোড়ো হাওয়ার সাথে এসব অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়ার এই আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে নদীপথের দুর্ঘটনা এড়াতে উল্লিখিত এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
/আশিক
আসছে সুপার এল নিনো: বাংলাদেশের আবহাওয়া ও কৃষিতে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় বাংলাদেশের চিরচেনা আবহাওয়ার আচরণে এক চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ঋতুচক্রের স্বাভাবিক গতিপথ হারিয়ে একদিকে যেমন গ্রীষ্মকাল দীর্ঘায়িত হচ্ছে, অন্যদিকে বর্ষার আগেই দেখা দিচ্ছে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যা। এই সামগ্রিক পরিস্থিতির মাঝেই আন্তর্জাতিক আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, চলতি ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্বজুড়ে সক্রিয় হতে যাচ্ছে ‘এল নিনো’। এমনকি এটি একটি শক্তিশালী বা ‘সুপার এল নিনো’তে রূপ নিতে পারে বলে বিভিন্ন জলবায়ু মডেলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা বাংলাদেশের কৃষি, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র হলো এল নিনো, যা সাধারণত ২ থেকে ৭ বছর পরপর ফিরে আসে। বাংলাদেশ সরাসরি প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত না হলেও দক্ষিণ এশিয়ার মৌসুমি বায়ু এই বৈশ্বিক জলবায়ু ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। আবহাওয়াবিদদের মতে, ‘টেলিকানেকশন’ বা দূরবর্তী জলবায়ুগত সম্পর্কের মাধ্যমে এল নিনো সক্রিয় হলে সমুদ্র থেকে স্বাভাবিক আর্দ্রতার প্রবাহ ব্যাহত হয়। এর ফলে বাংলাদেশে বর্ষাকাল আসতে বিলম্ব হতে পারে এবং সামগ্রিকভাবে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে তীব্র খরা ও দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হতে পারে।
নতুন করে শক্তিশালী এল নিনো সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কায় সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ ২০২৪ সালের অভিজ্ঞতা। ওই বছর দেশের ইতিহাসে রেকর্ড টানা ৩৬ দিন তীব্র তাপপ্রবাহ চলে, যেখানে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এবার সুপার এল নিনো তৈরি হলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর) তীব্র খরার ঝুঁকিতে পড়বে। বৃষ্টি কম হলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ বাড়বে, নদী ও খাল-বিল শুকিয়ে যাবে এবং সেচনির্ভর কৃষিতে ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাবে।
বাংলাদেশের কৃষি এখনও বহুলাংশে প্রকৃতিনির্ভর। এল নিনোর কারণে বর্ষা দেরিতে শুরু হওয়া, সামগ্রিক বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া এবং হঠাৎ অতিবৃষ্টির মতো ত্রিমুখী ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। চলতি বছরের এপ্রিলেই আকস্মিক অতিবৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনার মতো হাওরাঞ্চলের নিচু জমির ধান পানিতে তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে, নদীতে মিঠাপানির প্রবাহ কমে গেলে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটের মতো উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে, যা আমন ও বোরো চাষের পাশাপাশি সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলবে।
জলবায়ুর এই চরম ভাবাপন্ন রূপ এখন আর শুধু পরিবেশগত বিপর্যয় নয়, এটি সরাসরি জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিয়েছে। দীর্ঘ তাপপ্রবাহের কারণে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া ও কিডনি রোগের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। আবার অল্প সময়ে অতিবৃষ্টির ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও পানিবাহিত সংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং শ্রমজীবী মানুষ এই স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রথম শিকার হচ্ছেন।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের এপ্রিলে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৫.৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সংকট হলো একই সময়ে দুই ধরনের চরম আবহাওয়া দেখা দেওয়া—একদিকে খরা, অন্যদিকে আকস্মিক বন্যা। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রাকৃতিক অস্থিরতার সঙ্গে দেশের অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল-জলাশয় ভরাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। ভবিষ্যৎ বিপর্যয় এড়াতে এখন থেকেই জলবায়ুসহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন, উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদী নগর পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় মেহেরপুরে যুবকের মৃত্যুদণ্ড
- ২৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সিলেটের বিশ্বনাথে জমে উঠেছে পশুর হাট
- তথ্যের জগৎ আর প্রথাগত নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নেই: তথ্যমন্ত্রী
- আলোচনার টেবিলেও শত্রুর সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে ইরান
- আগামীকাল থেকে নামছে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন: রেলমন্ত্রী
- মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যায় ডিএনএ রিপোর্টে মিলল ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন প্রবাসী মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- ইসরায়েলি জেনারেলের চাঞ্চল্যকর দাবি: সংঘর্ষে জয়ী হয়েছে ইরান
- রাজধানীতে আজ সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততা
- দেশের চার জেলায় দুপুর ১টার মধ্যে ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টি: আবহাওয়া অফিসের মেগা অ্যালার্ট
- তেজাবি সোনার বাজারে ধস: ৩ দিন আগের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করলো বাজুস
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১ মাসে ৩ বার ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা! হোয়াইট হাউসে আত্মঘাতী হামলা
- কুমিল্লা সরানো হলো ১৩১ বছরের স্কুল আঙিনার কবরস্থানের সাইনবোর্ড
- রামিসা হত্যা ও ফারিয়া ধর্ষণের প্রতিবাদ: চট্টগ্রামে ফুলেশ্বরী অ্যাসোসিয়েশনের মিছিল
- নিসাব কার বেশি? জেনে নিন ঠিক যেসব নারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জের: ফেঁসে গেলেন ২২ এনসিপি নেতা
- তেলাপোকা’র আতঙ্কে মোদী সরকার, টুইটারের পর বন্ধ হলো সিজেপির ওয়েবসাইট
- লাশ উদ্ধারের ৫ দিনের মাথায় চূড়ান্ত অভিযোগপত্র: রামিসা হত্যায় দ্রুততম বিচারের রেকর্ড
- এটাই এনসিপির মূল বসন্ত, মামলা খেয়ে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর রহস্যময় অভিনন্দন
- আড়াই কোটি মানুষ ও কোরবানির পশুর পরিবহন এবার মেগা চ্যালেঞ্জ: সেতুমন্ত্রী
- কালিগঞ্জে পোস্ট অফিসের চোরাই গ্রিল উদ্ধার: ভাঙারি ব্যবসায়ী ও নাইটগার্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- আগামীকাল টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- চব্বিশের শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেবো না: মির্জা ফখরুল
- রামিসা হত্যার খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
- ইরানের আঘাতে মার্কিন ড্রোন বহরে মেগা বিপর্যয়
- শাহজালাল বিমানবন্দরে বেক্সিমকোর হেলিকপ্টার গায়েব করে সাবেক উপদেষ্টার তুঘলকি কাণ্ড!
- পতিত স্বৈরাচারের সাথে ভেতরের গোষ্ঠীর গোপন যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- আচেহ প্রদেশে শরিয়া আইন লঙ্ঘন: প্রকাশ্যে ১০০ বেত্রাঘাতে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন নারী
- ঈদের আগে উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক পেতে রূপবিশেষজ্ঞদের বিশেষ রূপচর্চা গাইড
- সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই, ভারতে আত্মপ্রকাশ করল তেলাপোকা জনতা পার্টি
- স্ত্রীর দেনমোহর বাকি রেখে কি কোরবানি দেওয়া যাবে? জেনে নিন ইসলামের স্পষ্ট ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও অতিরিক্ত দাবির কারণেই সংলাপে অচলাবস্থা: ইরান
- ত্রিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- যুক্তরাষ্ট্র হাউসে নাটকীয় মোড়: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাঁচাতে ইরান সংক্রান্ত ভোট বাতিল
- সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বৈষম্য কমাতে নতুন পে স্কেলে বড় উদ্যোগ
- দেশের অর্থনীতি সচল রাখা প্রবাসীদের জন্য আজকের মুদ্রার দর
- নারায়ণগঞ্জের গোলাপি মহিষ ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন রয়টার্স ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার শিরোনাম
- কোরবানির ঈদের আগে জুয়েলারি পাড়ায় বড় ধস: নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ
- বৃষ্টির পরও কমেনি গরম; আজ সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
- ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে, দিনের শুরুতেই একনজরে
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আমেরিকায় গ্রিন কার্ডের নিয়মে বড় কড়াকড়ি: সাময়িক ভিসাধারীদের দেশ ছাড়ার তাগিদ
- রামিসা থেকে আবদুল্লাহ: শিশু যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে নীরবতার অবসান হোক
- ইরান যুদ্ধে ড্রোন ধ্বংসে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের
- ইরানে ধাক্কা খেয়ে চীনের সামনে দুর্বল আমেরিকা?
- আবারও কমলো সোনার দাম, ভরিতে বড় পতন
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রামিসা থেকে আবদুল্লাহ: শিশু যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে নীরবতার অবসান হোক
- ইরানে ধাক্কা খেয়ে চীনের সামনে দুর্বল আমেরিকা?
- আজ ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ইরান যুদ্ধে ড্রোন ধ্বংসে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের
- দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- যে ৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আশঙ্কা
- ঘরেই বানান মজাদার কাঁচা আমের ঝাল আচার
- আবারও কমলো সোনার দাম, ভরিতে বড় পতন
- ২১ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- রামিসার মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে আজ রাতেই পল্লবীর বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ঈদের দিনে কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া








