২০০৬ সালের পুরোনো আইন ভেঙে নতুন ‘ভিসানীতি-২০২৬’ অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান ২০০৬ সালের ভিসা নীতিমালা সংশোধন করে নতুন ‘ভিসানীতি-২০২৬’ অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক উত্থাপিত এই নতুন নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি। তিনি জানান, নীতিমালাটিকে আরও সমৃদ্ধ, আধুনিক ও কার্যকর করতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভিসা নীতি সহজ করার মূল প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘‘আগে আমাদের নীতি ছিল পুরোপুরি পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে। অর্থাৎ, অন্য একটি দেশ আমাদের নাগরিকদের যত দিনের বা মেয়াদের ভিসা দিত, আমরাও তাদের নাগরিকদের ঠিক তত দিনের জন্যই ভিসা দিতাম। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের বর্তমান বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের কিছু জায়গায় নিজেদের প্রয়োজনেই উদার হওয়া দরকার। একজন বিদেশি ব্যবসায়ী যদি বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে আসেন, তা আমাদের দেশের জন্যই সুবিধা। বর্তমান সরকার চাচ্ছে দেশে একটা ইকোনমিক থ্রাস্ট (অর্থনৈতিক গতিশীলতা) আসুক।’’
তিনি আরও জানান, দেশে পুঁজির সংকট কাটাতে বাইরের উদ্বৃত্ত বা সারপ্লাস পুঁজি দেশে টানার লক্ষ্যেই ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার এই বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নীতিমালায় বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থান আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নতুন এই নীতিমালায় ভিসার ক্যাটাগরি বা শ্রেণী বিন্যাস করে মোট ৩৪টি টাইপ (ধরণ) করা হয়েছে।
গঠিত উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মূলত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বা সিকিউরিটি ইস্যুগুলো দেখবে। এছাড়া বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ও এই কমিটিতে রয়েছে, যাতে তারা নিজ নিজ খাতের স্বার্থ ও চাহিদার প্রতিফলন ঘটিয়ে এই পলিসিটাকে চূড়ান্ত রূপ দিতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই নীতিমালার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতকে উৎসাহিত করা, বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখে পারস্পরিকতার ভিত্তিতে একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা সম্ভব হবে।
/আশিক
তীব্র লোডশেডিংয়ের মাঝেই বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন পদক্ষেপ
সদ্য সমাপ্ত জুন মাসে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলের ঢালাও অভিযোগ এবং দেশজুড়ে চলমান তীব্র লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ে এক জরুরি মতবিনিময় সভা করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল জুম প্ল্যাটফর্মে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনলাইন এই বৈঠকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অস্বাভাবিক ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের মূল কারণ উদঘাটন এবং মাঠ পর্যায়ে লোডশেডিংয়ের বাস্তব চিত্র ও গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিকল্প জ্বালানি নিশ্চিতের লক্ষ্যে সোলার সিস্টেমে ‘নেট মিটার’ স্থাপনের সর্বশেষ হালনাগাদ পরিস্থিতি ও অগ্রগতিও সভায় গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়।
আলোচনা শেষে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং গ্রাহকদের হয়রানি ও ভোগান্তি কমাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।
/আশিক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই বৈঠকটি শুরু হয়। বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
জানা গেছে, মন্ত্রিসভার এই নিয়মিত বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পক্ষ থেকে উত্থাপিত নীতিগত সিদ্ধান্ত, নতুন খসড়া আইন, প্রশাসনিক নীতি এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনার কথা রয়েছে।
চলমান এই বৈঠক শেষ হওয়ার পর সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। সেখানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বৈঠকের গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, অনুমোদন ও দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করবেন।
/আশিক
ফিলিস্তিনের সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন ভবিষ্যতেও থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশবিরোধী যেকোনো ধরনের অপপ্রচার ও সাইবার অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচারকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দফতরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস ওয়াই রামাদানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি প্রগতিশীল ও উদারপন্থী মুসলিম রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের দেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের যে কোনো অপচেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।’
ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিক পরিসরে জনমত গঠন ও কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের নীতিগত ও নৈতিক সমর্থন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
বৈঠকে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। তাদের বাংলাদেশে আগমন ও পড়াশোনা নির্বিঘ্ন করতে ‘অন-অ্যারাইভাল ভিসা’ প্রদানে বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। রাষ্ট্রদূতের এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানোর অনুরোধ জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত আরও প্রস্তাব করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে কোনও ফিলিস্তিনি নাগরিক বা শিক্ষার্থী বাংলাদেশের ভিসার আবেদন করলে যাচাইয়ের সুবিধার্থে সেই আবেদনের অনুলিপি ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসে পাঠানো যেতে পারে। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আমরা ফিলিস্তিনকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসি ও বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিনের জনগণের কল্যাণে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’
গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক পরিচালক (ইনচার্জ) ফুয়াদ হাসান পরাগ এবং ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রথম সচিব নূর এইচ ও আলাইদি উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
জুলাই মাসে দেশের বেসরকারি খাতে ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম বাড়বে নাকি কমবে—সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে বৃহস্পতিবার। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এদিন জুলাই মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা করবে। নতুন এই মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে সারা দেশে কোটি কোটি গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক গ্রাহকের মাসিক জ্বালানি ব্যয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।
বিইআরসি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরামকো ঘোষিত সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস (Saudi CP)-এর সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে জুলাই মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের মূল্য, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়।
কমিশনের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর শহীদ প্রকৌশলী ভবনের ষষ্ঠ তলায় বিইআরসির শুনানি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে কমিশনের আনুষ্ঠানিক আদেশ তাদের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে, যাতে ভোক্তা, এলপিজি অপারেটর এবং পরিবেশকরা নতুন মূল্য সহজেই জানতে পারেন।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম এবং ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামাই মূলত বাংলাদেশের এলপিজির মূল্য নির্ধারণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ফলে প্রতি মাসে সৌদি সিপি ঘোষণার পর বাজার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বিইআরসি নতুন দর নির্ধারণ করে থাকে। এ কারণে প্রতি মাসের শুরুতে এলপিজির দাম বাড়া বা কমা নিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
সবশেষ গত ২ জুন বিইআরসি এলপিজির মূল্য কমিয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। অর্থাৎ এক ধাপে সিলিন্ডারপ্রতি ৫৫ টাকা কমানো হয়েছিল, যা ভোক্তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়।
একই সময় যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও সমন্বয় করা হয়। লিটারপ্রতি অটোগ্যাসের মূল্য ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা পরিবহন খাতের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
বাংলাদেশে পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধার বাইরে থাকা বিপুল সংখ্যক পরিবার রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র শিল্প, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং পরিবহন খাতেও এলপিজির ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে বিইআরসির নতুন মূল্য ঘোষণা শুধু গৃহস্থালির ব্যয় নয়, বরং সামগ্রিক বাজারব্যবস্থা ও ভোক্তা পর্যায়ের জীবনযাত্রার খরচেও প্রভাব ফেলতে পারে।
-রাফসান
৩১২ থেকে ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত জাপানি ঋণ, কোন সংকটে পাশে দাঁড়াচ্ছে টোকিও?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে আসা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) একটি প্রতিনিধি দল। বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার ও বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকার মেট্রোরেল বা এমআরটি লাইনসমূহ এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের অন্যতম বড় খবর ছিল বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাপানের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের পূর্বনির্ধারিত ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা বাড়িয়ে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে টোকিও ইতিবাচক সাড়া দেয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (Bangladesh–Japan Economic Partnership Agreement—EPA) দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে জাপানি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে যে, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি অত্যাধুনিক প্যাট্রোল বোট (পাহারাদার জাহাজ) উপহার হিসেবে প্রদান করা হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান মাথাব্যথা ‘রোহিঙ্গা সংকট’ নিয়েও গভীর আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে আশ্রিত লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে সম্পূর্ণ নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাপানের অব্যাহত মানবিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে টোকিওকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
ফলপ্রসূ এই আলোচনা শেষে জাপানি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানায়। প্রধানমন্ত্রীও কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে দ্বিপাক্ষিক সফরে জাপান যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান।
অন্যদিকে জাপানের পক্ষে ভাইস মিনিস্টারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যুরোর পরিচালক হিরোসে আইকো, জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো এবং জাইকার বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।
/আশিক
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই: শামা ওবায়েদ
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান বা বলার মতো কোনো নতুন অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তির সব শর্ত ও নিয়ম মেনেই শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে; তবে আপাতত এই প্রক্রিয়ায় কোনো বাড়তি বা নতুন অগ্রগতি নেই।
দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক সম্পর্কের নীতি ব্যাখ্যা করে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’—এই নীতিতে বিশ্বাসী এবং বিশ্বের সব দেশের সাথেই সুদৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিবিড় হওয়ার বিষয়টি অন্য কোনো তৃতীয় দেশের জন্য চিন্তার কারণ হওয়া উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া এশিয়ার পরাশক্তি চীনের সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘২+২ মেকানিজম’ এবং বিশেষ ‘অর্থনৈতিক করিডর’ স্থাপনের বিষয়টি বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক পর্যালোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরানোর বিষয়ে বড় অগ্রগতি জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্তত ১০টি দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ সফলভাবে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আইনি প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগিয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ টেনে শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন, এই রাষ্ট্রীয় সফরটি মূলত দুই মুসলিম দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।
/আশিক
ঢাকার ১১০ কিমি নদী পথে চলবে বিদ্যুৎচালিত যান, মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি জানলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসনে ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার সড়ক (ইনার সার্কুলার রিং রোড) ও নৌপথ কার্যকরভাবে চালুর লক্ষ্যে গৃহীত মেগা অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবস্থাপনা ও ঢাকার চারপাশের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়নবিষয়ক এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
উপ-প্রেস সচিব জানান, এই সমন্বিত মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট কীভাবে স্থায়ীভাবে নিরসন করা হবে, তা বৈঠকে বিশদ গ্রাফিক্স ও পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজধানীর ‘ইনার সার্কুলার রিং রোড’ নির্মাণ প্রকল্পের সর্বশেষ ভৌত অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিস্থিতি অবহিত করা হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকার এই বৃত্তাকার সড়কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৯ কিলোমিটার, যা দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত। এর একটি অংশ আব্দুল্লাহপুর রেলগেট থেকে শুরু করে ধউর, বিরুলিয়া, গাবতলী, বছিলা, হাজারীবাগ, সোয়ারিঘাট, কদমতলী, তেঘরিয়া, পোস্তগোলা, ফতুল্লা, চাষাঢ়া ও শিমরাইল হয়ে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্য অংশটি আব্দুল্লাহপুর রেলগেট থেকে তেরমুখ, পূর্বাচল ও বেরাইদ হয়ে সরাসরি ডেমরায় গিয়ে যুক্ত হবে। এই বিশাল রিং রোডের মধ্যে রায়েরবাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশের নির্মাণকাজ বর্তমানে পুরোদমে চলছে। বৈঠকে জানানো হয়, চলমান এই অংশের প্রায় ৪৫ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এই বৃত্তাকার সড়কটি সম্পূর্ণরূপে নির্মিত হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা যানবাহনগুলোকে রাজধানীর ভেতরের অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবহার না করেই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারবে। বিশেষ করে সিলেট, মাওয়া (পদ্মা সেতু) ও চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে আসা দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলো ঢাকার মূল শহরের ভেতরে প্রবেশ না করেই তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এর ফলে ঢাকা শহরের ওপর থেকে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই হ্রাস পাবে এবং মহানগরের অভ্যন্তরীণ যানজট পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটবে।
সড়কপথের পাশাপাশি ঢাকাকে ঘিরে থাকা ১১০ কিলোমিটার দীর্ঘ নদী পথকে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়েও বৈঠকে জোর দেওয়া হয়। এই বৃত্তাকার নৌপথটি পুরোদমে চালু করা সম্ভব হলে রাজধানীর মূল সড়কের ওপর থেকে যানবাহনের চাপ এক ধাক্কায় বহুগুণ কমে যাবে এবং সাধারণ মানুষ কোনো যানজট ছাড়াই এক গন্তব্য থেকে অন্য গন্তব্যে অনায়াসে যাতায়াত করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, বৈঠকে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা এই নৌপথ চালুর কারিগরি ও পরিবেশগত বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই নদী পথ ব্যবহার করলে ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকবে, জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং সময়ও অনেক কম লাগবে। কারণ, এই বৃত্তাকার নদী পথে যেসব আধুনিক নৌযান চালানো হবে, তার সবগুলোই হবে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ও বিদ্যুৎচালিত (ইলেকট্রিক)।
উচ্চপর্যায়ের এই পর্যালোচনা বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক, নৌপরিবহন সচিব মো. জাকারিয়া, রেলপথ সচিব ফাহমিদুল ইসলাম এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী জহিরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিঠুন চন্দ্র শীল এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক খান মাহমুদ আমানত ও অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বৈঠকে অংশ নেন।
/আশিক
এইচএসসিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা: কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ও প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শতভাগ নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করতে দেশজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা এবং কঠোর তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে জানান, পরীক্ষার সার্বিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবারই প্রথম পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ‘বডি ক্যামেরা’ ব্যবহারের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পরীক্ষা চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁস বা যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালে অপরাধীদের তাৎক্ষণিকভাবে সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (১ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কড়া নির্দেশনার কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের পাবলিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রচলিত আইন সংশোধন করে প্রশ্নপত্র ফাঁস, ডিজিটাল জালিয়াতি কিংবা পরীক্ষা-সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। প্রশ্নফাঁস বা জালিয়াতির সাথে কোনো শিক্ষক বা পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় এবার উত্তরপত্র মূল্যায়ন ব্যবস্থায়ও এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, আগে পরীক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ করলে শুধু নম্বর পুনর্নিরীক্ষণের (স্ক্রুটিনি) সুযোগ পেলেও, এখন থেকে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে পুরো উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের (রি-ইভালুয়েশন) সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড থেকে নমুনা উত্তরপত্র (স্যাম্পল স্ক্রিপ্ট) সংগ্রহ করে তা পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে, যাতে বোঝা যায় পরীক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত কিংবা কম নম্বর দিচ্ছেন কিনা। এজন্য পরীক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং মূল্যায়নের মান বাড়াতে একজন পরীক্ষকের ওপর উত্তরপত্রের অতিরিক্ত মানসিক চাপ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সম্ভাব্য দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। দেশের কোথাও বন্যা বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অকারণে বা সামান্য কারণে পরীক্ষা স্থগিত করার পক্ষে বর্তমান সরকার কোনোভাবেই নয়।
চলতি বছর নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কেন এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না, তা মন্ত্রণালয় গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে। ড্রপ-আউট বা শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার মূল কারণগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে তা রোধে প্রয়োজনীয় কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র চালুর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেও সম্পূর্ণ ডিজিটাল পরীক্ষা ব্যবস্থায় হ্যাকিংয়ের মতো বড় ধরনের সাইবার অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। তাই বর্তমান বাস্তবতায় আমাদের প্রচলিত এনালগ ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরও জোরদার করাই এই মুহূর্তে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্রের ওয়ান-টাইম ট্র্যাকিং ও নিরাপত্তার বিদ্যমান সব ধরনের প্রযুক্তিগত দুর্বলতা দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে আরও একটি বড় তথ্য দিয়ে জানান, আগামী ২০২৮ সাল থেকে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এছাড়া এবার প্রথমবারের মতো সারা দেশে সম্পূর্ণ অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও যাতে অভিন্ন মান নিশ্চিত করা যায়, সেজন্য পরীক্ষকদের বিশেষ নির্দেশনা, প্রশিক্ষণ ও কঠোর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
সবশেষে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো ধরনের সত্যতা যাচাই না করে পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় এবারও দেশজুড়ে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
ভারতীয় ভিসা আবেদনে বড় পরিবর্তন
ভারতীয় ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বরাদ্দে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক)। আগামী বুধবার (১ জুলাই) থেকে সারা দেশে নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভিসা প্রত্যাশী আবেদনকারীরা আর নিজেদের পছন্দমতো অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় (টাইম স্লট) বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন না। এর পরিবর্তে, অনলাইনে আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার সময় সিস্টেমে খালি থাকা পরবর্তী যেকোনো একটি সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোমেটিকভাবে) আবেদনকারীর জন্য বরাদ্দ করা হবে।
আইভ্যাক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে বাংলাদেশের সব কটি ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে সব ধরনের ভিসার (ট্যুরিস্ট, মেডিকেল, বিজনেস ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এই নতুন টাইম-স্লটভিত্তিক আবেদন জমা দেওয়ার নিয়ম চালু হচ্ছে। প্রতিটি আইভ্যাক কেন্দ্রের দৈনিক আবেদন গ্রহণ করার সর্বোচ্চ সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে অনলাইন সিস্টেম ক্রমানুসারে আবেদনকারীদের জন্য সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেবে। ফলে নতুন নিয়মে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করার সময় আবেদনকারীদের আলাদাভাবে কোনো টাইম স্লট নির্বাচন করার প্রয়োজন পড়বে না।
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও নির্বিঘ্ন, সুশৃঙ্খল ও সময়মতো সম্পন্ন করার স্বার্থে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিতকরণ কপিতে (স্লট পেপার) উল্লেখিত নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আইভ্যাক কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে আইভ্যাক কর্তৃপক্ষ।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় নানিয়ারচর সেনা জোনের আর্থিক সহায়তা প্রদান
- কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসি শুরু আজ: পরীক্ষার্থী ৯৫ হাজার ৭০২ জন
- দিবাগত রাত ১টার মধ্যেই ১৪ অঞ্চলে ঝড়ের তণ্ডব ও সতর্কসংকেত জারি
- নতুন নেতার অধীনেই ওয়াশিংটনকে রুখতে তেহরানের রণপ্রস্তুতি
- তীব্র লোডশেডিংয়ের মাঝেই বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন পদক্ষেপ
- সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে বড় ধাক্কা? জেনে নিন সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম
- আপনার বক্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম: মনিকে ট্যাগ করে ছাত্রদল সভাপতি
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু
- স্বপ্ন এবার সত্যি হলো: ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজস্ব স্টেডিয়াম উদ্বোধন করে শাহরুখের বার্তা
- ক্রোয়াট দেয়াল ভাঙার চ্যালেঞ্জ, সমালোচনার জবাব দিতে পারবেন কি রোনালদো?
- নরওয়ের বিপক্ষে এখনো জয়হীন ব্রাজিল! ৫ জুলাই কি ভাঙবে সেই রেকর্ড?
- উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারকে নিয়ে ইরানের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন শাহবাজ শরিফ
- ফিলিস্তিনের সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন ভবিষ্যতেও থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ২ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন মূল্য
- এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
- ১৮ দিনেও মেলেনি রাজুর সন্ধান, পথ চেয়ে দিন কাটছে বৃদ্ধ মা-বাবার
- গণভোটের রায় অমান্য করে সংশোধনের পথে সরকার, রাজপথে নামছে জামায়াত
- ৩১২ থেকে ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত জাপানি ঋণ, কোন সংকটে পাশে দাঁড়াচ্ছে টোকিও?
- শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই: শামা ওবায়েদ
- লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে চূড়ায় এমবাপ্পে
- পার পিস ৫০ টাকা: জুলাইযোদ্ধা সার্টিফিকেট নিয়ে উমামা ফাতেমার রহস্যময় পোস্ট
- ঢাকার ১১০ কিমি নদী পথে চলবে বিদ্যুৎচালিত যান, মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি জানলেন প্রধানমন্ত্রী
- ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন: আরও সস্তা হলো সোনা
- চলতি বিশ্বকাপে এই প্রথম একই ঐতিহাসিক কিট দ্বিতীয়বার ব্যবহার করছে আর্জেন্টিনা
- নেতানিয়াহু প্রশাসন গুরু ট্রাম্পের কথা না শুনলে ইরানই শিক্ষা দেবে: আব্বাস আরাগচি
- আমরা সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করব, তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়: জামায়াত আমির
- ফুটবল বিশ্লেষকদের চোখে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ: ফাইনালের পথে সম্ভাব্য যত প্রতিপক্ষ
- ১৪৪ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপের নিচে মিলল অলৌকিক প্রাণ: ভেনেজুয়েলায় ৩ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার
- মাসজুড়ে ৮ থেকে ৯ দিন বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস, উত্তরাঞ্চলসহ ৩ বিভাগে বন্যার আগাম সতর্কতা
- এইচএসসিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা: কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ও প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন
- ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য নীতির আগুনে পুড়ছে বিশ্ব, একমাত্র ‘স্পষ্ট বিজয়ী’ হিসেবে উদয় চীনের
- অসলো চুক্তি লঙ্ঘন করে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের মানচিত্র বদলে দেওয়ার গোপন ছক ফাঁস
- দীর্ঘ ২৮ বছর পর নকআউটে নরওয়ে: আইভরি কোস্টের বিপক্ষে আজ মাঠে নামছেন হালান্ড
- পিছিয়ে পড়েও মেজাজ হারাননি আনচেলত্তি, ড্রেসিংরুমের সেই গোপন বার্তা ফাঁস
- ১৯৭৪ থেকে ১৯৯০: বিশ্বমঞ্চে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল দ্বৈরথের রোমাঞ্চকর চার অধ্যায়
- দেবিদ্বারে ৪ হাজারের বেশি কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ
- নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও গৃহ পুননির্মাণে সহায়তা প্রদান
- ভারতীয় ভিসা আবেদনে বড় পরিবর্তন
- নম্বর লুকিয়ে প্রোফাইল শেয়ারের ফিচার আনল হোয়াটসঅ্যাপ: নাম বুকিং শুরু আজই
- প্রায় ১৫০ বছরের পুরোনো আইন বাতিল করে পাস হলো জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬
- ইরান সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে তেহরান যাচ্ছে জামায়াতের সংসদীয় প্রতিনিধিদল
- ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের পরবর্তী রোডম্যাপ: সেমিফাইনালে সুপার ক্লাসিকোর আভাস
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল
- ৬০ দিনের মধ্যে কেটে গেল ১৪ দিন, তবুও আলোর মুখ দেখেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি
- ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থনৈতিক অভিযাত্রা: পাস হলো দেশের অন্যতম বড় জাতীয় বাজেট
- স্বর্ণের পর এবার কমল রুপার দাম, প্রকাশ নতুন তালিকা
- ভিসা সহজ হতেই বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক
- দোহায় আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক, দাবি ট্রাম্পের
- এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
- দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের খবর নাকচ ইরানের
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন মূল্য
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের সর্বশেষ দাম
- স্বর্ণের পর এবার কমল রুপার দাম, প্রকাশ নতুন তালিকা
- সোনার বাজারে ধ্বস, ১ লাখ ৮২ হাজার টাকায় মিলবে ভরি
- ভূমিকম্পের আগেই ফোনে সতর্কবার্তা, যেভাবে চালু করবেন এই ফিচার
- সৌদিতে প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
- মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলা
- হরমুজ ঘিরে নতুন উত্তেজনা, হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথ নাকচ করলেন নেতানিয়াহু
- সৌদিতে যেতে পারবেন না ৩ দেশের ভ্রমণকারীরা
- ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থনৈতিক অভিযাত্রা: পাস হলো দেশের অন্যতম বড় জাতীয় বাজেট
- ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত কেন গুরুত্বপূর্ণ








