আশুরার রোজা কেন এত ফজিলতপূর্ণ? জেনে নিন

ইসলামী বর্ষপঞ্জির সূচনা হয় মহররম মাস দিয়ে। হিজরি বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররম শুধু একটি নতুন বছরের সূচনাই নয়, বরং এটি ইসলামে সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ চারটি মাসের অন্যতম। এই মাসের ১০ তারিখ, যা ‘আশুরা’ নামে পরিচিত, মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ধর্মীয় ইতিহাস, ইবাদত এবং আত্মশুদ্ধির দৃষ্টিকোণ থেকে দিনটির গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর।
‘আশুরা’ শব্দটি আরবি ‘আশারা’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘দশ’। অর্থাৎ মহররম মাসের দশম দিনই আশুরা নামে পরিচিত। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনে সংঘটিত হয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তাই দিনটি শুধু স্মৃতিবিজড়িত নয়, বরং ইবাদত ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনেরও বিশেষ উপলক্ষ।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ১২টি মাসের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, এর মধ্যে চারটি মাস বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, “আল্লাহর বিধানে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই মাসের সংখ্যা বারোটি। এর মধ্যে চারটি সম্মানিত মাস।” (সুরা আত-তাওবা: ৩৬)। মহররম সেই চার সম্মানিত মাসের একটি।
আশুরার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো রোজা পালন। বিভিন্ন সহিহ হাদিসে এই রোজার অসংখ্য ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)। এ কারণেই ইসলামী চিন্তাবিদরা এই রোজাকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ সুন্নত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
হিজরতের পর মহানবী (সা.) মদিনায় এসে লক্ষ্য করেন, ইহুদিরা আশুরার দিনে রোজা রাখে। কারণ, এই দিনেই আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা (আ.) এবং তাঁর অনুসারীদের ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) ঘোষণা করেন, “মুসা (আ.)-এর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা তোমাদের চেয়ে অধিক হকদার।” এরপর তিনি নিজেও রোজা রাখেন এবং সাহাবিদেরও এই রোজা পালনের নির্দেশ দেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৬৮০)
পরবর্তীতে ইসলামে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার জন্য মহানবী (সা.) ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যদি তিনি পরবর্তী বছর জীবিত থাকেন, তাহলে শুধু ১০ মহররম নয়, বরং ৯ মহররমও রোজা রাখবেন। তিনি বলেন, “আগামী বছর জীবিত থাকলে আমি অবশ্যই নবম তারিখেও রোজা রাখব।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৩৪)
এই হাদিসের আলোকে অধিকাংশ ইসলামী ফকিহের অভিমত, আশুরার সর্বোত্তম আমল হলো ৯ ও ১০ মহররম—এই দুই দিন রোজা রাখা। আবার কেউ চাইলে ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখতে পারেন। তবে কেবল ১০ মহররম একটি রোজা রাখলেও সুন্নত আদায় হবে, যদিও দুই দিন রোজা রাখা অধিক উত্তম ও ফজিলতপূর্ণ।
আশুরার রোজা কেবল অতীতের গুনাহ মাফের আশাবাদই জাগায় না; এটি ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, আত্মসংযম এবং আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের বাস্তব অনুশীলন। একজন মুমিন এই দিনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং ইবাদতের প্রতি নতুন করে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পান।
একই সঙ্গে আশুরা মুসলিম ইতিহাসের আরেকটি বেদনাবিধুর অধ্যায়ের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। ৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে মহানবী (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা সত্য, ন্যায় ও ইসলামের আদর্শ রক্ষার জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন। যদিও আশুরার রোজার বিধান কারবালার ঘটনার বহু আগেই প্রবর্তিত হয়েছিল, তবুও এই দিন মুসলমানদের সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার শিক্ষাও স্মরণ করিয়ে দেয়।
ইসলামী গবেষকদের মতে, আশুরার দিনকে ঘিরে শরিয়তে নির্ধারিত ইবাদত হলো রোজা পালন। এ দিনকে কেন্দ্র করে কুসংস্কার, ভিত্তিহীন রীতি বা শরিয়তসম্মত নয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
আলেমরা বলেন, আশুরার প্রকৃত শিক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, সুন্নতের অনুসরণ এবং আত্মসংযমের মাধ্যমে ঈমানকে আরও দৃঢ় করা। তাই এই দিনটি যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করলে একজন মুসলমান আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও নৈকট্য লাভের আশা করতে পারেন।
মহররমের এই বরকতময় সময়ে মুসলিম উম্মাহর উচিত সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী আশুরার রোজা পালন, বেশি বেশি নফল ইবাদত করা, তওবা-ইস্তিগফার করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা।
আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্তের সময়
ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম হলো সালাত বা নামাজ। প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নর-নারীর ওপর নির্ধারিত সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। দৈনন্দিন জীবনের কর্মব্যস্ততার মধ্যেও সময়মতো নামাজ আদায়ের জন্য প্রতিটি ওয়াক্তের সঠিক সময় জানা গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের ওপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে।’ (সুরা আন-নিসা: ১০৩)
হাদিসেও নামাজের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আল্লাহর কাছে কোন আমল সবচেয়ে প্রিয়? উত্তরে রাসুলুল্লাহ (সা.) যথাসময়ে নামাজ আদায়ের কথা বলেন। এ বর্ণনা থেকে নির্ধারিত ওয়াক্তের মধ্যে সালাত আদায়ের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়েছে ভোর ৪টা ১১ মিনিটে। দিনের প্রথম ফরজ নামাজ ফজর। ভোরের নীরব সময়ে ইবাদতের মাধ্যমে একজন মুসলমানের দিনের সূচনা হয়। ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজের পাশাপাশি এর আগের দুই রাকাত সুন্নতেরও বিশেষ ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার হওয়ায় জোহরের পরিবর্তে মসজিদে জামাতের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করবেন প্রযোজ্য মুসল্লিরা। প্রদত্ত সময়সূচি অনুযায়ী জোহরের ওয়াক্ত শুরু দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে। তবে জুমার জামাতের সময় মসজিদভেদে আলাদা হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট মসজিদের নির্ধারিত খুতবা ও জামাতের সময় আগে থেকেই জেনে নেওয়া ভালো।
বিকেলের আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে ৪টা ৪১ মিনিটে। এরপর সূর্যাস্তের সঙ্গে শুরু হবে মাগরিবের সময়। আজ মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪১ মিনিটে। মাগরিবের সময় তুলনামূলকভাবে সীমিত হওয়ায় ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর অযথা বিলম্ব না করে নামাজ আদায় করা উত্তম।
দিনের সর্বশেষ ফরজ নামাজ এশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২ মিনিটে। এশার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে একজন মুসলমানের দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের ধারাবাহিকতা সম্পন্ন হয়। নিয়মিত নামাজ কেবল একটি ধর্মীয় কর্তব্যই নয়; বরং আল্লাহর স্মরণ, আত্মশুদ্ধি, শৃঙ্খলা ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
মঙ্গলবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি
আজ মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২০ সফর ১৪৪৮ হিজরি। প্রতিদিনের মতো ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার নির্ধারিত সময়ের পাশাপাশি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ও জানানো হয়েছে।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, ঢাকায় ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৪টা ৮ মিনিটে। জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে। বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে শুরু হবে আসরের নামাজ। মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিটে এবং রাত ৮টা ৪ মিনিটে শুরু হবে ইশার নামাজ। আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে।
পরদিন বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকায় ফজরের সময় অপরিবর্তিত থেকে ভোর ৪টা ৮ মিনিট থাকবে। তবে সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২৯ মিনিটে, যা আগের দিনের তুলনায় এক মিনিট পরে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঢাকার সময়কে ভিত্তি ধরে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের জন্য কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করতে হবে। চট্টগ্রামের মুসল্লিদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটের মুসল্লিদের ৬ মিনিট বিয়োগ করে নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট যোগ করতে হবে।
নামাজের সময় নির্ধারণে ভৌগোলিক অবস্থান, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পার্থক্যের কারণে বিভাগভেদে সামান্য সময়ের তারতম্য হয়ে থাকে। তাই নিজ নিজ এলাকার সঠিক সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইসলামে নামাজকে দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়। নির্ধারিত সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়ের মাধ্যমে একজন মুসলিম আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পাশাপাশি শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপনের অনুশীলন করতে পারেন। তাই প্রতিদিনের ওয়াক্তসূচি জেনে সময়মতো নামাজ আদায় করা ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তথ্যসূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
হজযাত্রীদের বড় সুখবর: হজের বিমান টিকিটের দাম আরও কমাল সরকার
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের হজ পালনের ব্যয় আরও সাশ্রয়ী করতে বিমান টিকিটের মূল্য এক লাফে ২৫ হাজার টাকা কমিয়েছে সরকার। এর ফলে ২০২৬ সালের পবিত্র হজের জন্য বিমান টিকিটের নতুন মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী পর্বে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়া হয়। হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এই মেলার আয়োজন করে।
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং একটি যৌক্তিক ও সহনশীল হজ প্যাকেজ উপহার দেওয়াকে সরকার সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত বছরে বিমান টিকিটের দাম প্রতি ক্ষেত্রে ১২ হাজার টাকা কমানো সম্ভব হয়েছিল। এবার ধারাবাহিক ধারাবাহিকতায় টিকিটের মূল্য আরও ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশি হাজিদের অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমাতে সৌদি সরকারের কাছে বিমান টিকিটের ওপর আরোপিত সে দেশের বিমানবন্দর নির্মাণ কর কমানোর আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে হাজিদের আবাসন ব্যয় কমানোর বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, বাংলাদেশের মোট হজযাত্রীদের প্রায় ৯৫ শতাংশই বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব সফর করেন, আর মাত্র ৫ শতাংশ যান সরকারি ব্যবস্থাপনায়। তাই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন যেকোনো বিতর্কিত বা অসাধু কাজ থেকে বিরত থাকতে বেসরকারি হজ এজেন্সি মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ রাজকীয় সৌদি দূতাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, হাবের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিপুলসংখ্যক সম্ভাব্য হজপ্রত্যাশী উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
হজ ২০২৭: প্রাথমিক নিবন্ধনের বিস্তারিত নিয়ম জারি করল সরকার
২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে যে, এই সময়ের মধ্যেই হজে যেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। তবে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি ও বয়সের বাধ্যবাধকতার কারণে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং কয়েকটি নির্দিষ্ট জটিল বা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এবার হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন না।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) মো. আবুবকর সিদ্দীকের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসরণ করেই নিবন্ধনের এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে এর পূর্বে ৩০ হাজার টাকা ফি পরিশোধ করে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘোষিত হজ প্যাকেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় ই-হজ সিস্টেমের পাশাপাশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকে অনলাইনে নিবন্ধন করা যাবে। এই ক্ষেত্রে নিবন্ধনের অর্থ সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় জমা দিতে হবে। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অর্থ জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে, যা হজ পোর্টালে প্রকাশ করা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবারও নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু ছাড়াও হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, গুরুতর মানসিক বা স্নায়ুবিক সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তি এবং ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তরা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন না। পাশাপাশি কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যান্সার রোগী, যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারের মতো সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীরা ফিটনেস সনদের অভাবে হজে যেতে পারবেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধনের সুবিধার্থে হজযাত্রীদের জন্য ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ থাকা বৈধ পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে প্রাথমিক নিবন্ধনের সময়ই প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা এবং কাঙ্ক্ষিত হজ প্যাকেজ বাছাই করে নিতে হবে।
/আশিক
কোরআনের চোখে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারা?
পবিত্র কোরআনে যেখানে ‘ক্ষতি’ (খুসরান)-এর কথা এসেছে, তা মূলত দ্বিনের ক্ষতিকেই নির্দেশ করে। কোরআনের পরিভাষায় ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ মূলত তারাই, যারা নিজেদের আখিরাত ও ঈমান হারিয়েছে।
কোরআনের আলোকে ক্ষতিগ্রস্তদের ধরন ও তাদের পরিচয় নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো
১. কুফরিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি
আল্লাহ তাআলার প্রতি কুফরই মানবজীবনের সর্ববৃহৎ ক্ষতি। এটি এমন এক চিরস্থায়ী ব্যর্থতা, যা মানুষকে চিরতরে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত করে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
‘যারা মিথ্যায় বিশ্বাস করেছে এবং আল্লাহকে অস্বীকার করেছে, তারাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত।’
(সুরা : আল-আনকাবুত, আয়াত : ৫২)
২. সম্পদ ও সন্তানের কারণে বিভ্রান্তি
ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি অনেক মানুষের চরম ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নুহ (আ.) তাঁর জাতির কাফিরদের সম্পর্কে বলেছিলেন:
‘তারা আমার অবাধ্য হয়েছে এবং এমন লোকদের অনুসরণ করেছে, যাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করেছে।’
(সুরা : নুহ, আয়াত : ২১)
৩. সৃষ্টিগত নিদর্শন ও শরিয়ত অস্বীকার
যে কুফর মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, তার অন্যতম হলো আল্লাহর সৃষ্টিগত নিদর্শন ও শরিয়তের বিধানসমূহ প্রত্যাখ্যান করা। আল্লাহ বলেন:
‘যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।’
(সুরা : আয-যুমার, আয়াত : ৬৩)
৪. মনগড়া কাজ ও আত্মমুগ্ধতা
কিছু মানুষ এমন অনেক আমল করে, যা তারা সৎকর্ম মনে করে। কিন্তু তাদের সব পরিশ্রম দুনিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকে; আখিরাতে তা কোনো কাজে আসে না। আল্লাহ তাআলা বলেন:
‘বলুন, আমি কি তোমাদের এমন লোকদের সংবাদ দেব, যারা কর্মের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত? তারা হলো সেইসব মানুষ, যাদের সমস্ত প্রচেষ্টা দুনিয়ার জীবনেই ব্যর্থ হয়েছে, অথচ তারা মনে করে যে তারা খুব ভালো কাজ করছে।’
(সুরা : আল-কাহফ, আয়াত : ১০৩-১০৪)
৫. দুনিয়ার স্বার্থে ঈমান আনয়ন
কিছু মানুষের ঈমান কেবল পার্থিব স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল। ঈমানের মাধ্যমে ধন-সম্পদ বা পদমর্যাদা মিললে তারা দ্বিনের ওপর থাকে, কিন্তু কোনো পরীক্ষা বা বিপদে পড়লেই মুখ ফিরিয়ে নেয়। এরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত। আল্লাহ বলেন
‘মানুষের মধ্যে কেউ কেউ এমন আছে, যারা দ্বিধাগ্রস্তভাবে আল্লাহর ইবাদত করে। যদি তার কোনো কল্যাণ হয়, তবে সে তাতেই সন্তুষ্ট থাকে; আর যদি কোনো পরীক্ষায় পড়ে, তবে সে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সে দুনিয়া ও আখিরাত—উভয়ই হারায়। এটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।’
(সুরা : হজ, আয়াত : ১১)
কোরআনে উল্লেখিত অন্যান্য ক্ষতির কারণসমূহ
অন্যায়ভাবে হত্যা
‘সে নিজের ভাইকে হত্যা করল, ফলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।’ (সুরা : আল-মায়িদা, আয়াত : ৩০)
দারিদ্র্য বা লজ্জার ভয়ে সন্তান হত্যা
‘নিশ্চয়ই তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যারা নির্বুদ্ধিতাবশত ও অজ্ঞতার কারণে নিজেদের সন্তানদের হত্যা করেছে।’ (সুরা : আল-আনআম, আয়াত : ১৪০)
আল্লাহর শাস্তি থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
‘আল্লাহর কৌশল থেকে শুধু ক্ষতিগ্রস্তরাই নিজেদের নিরাপদ মনে করে।’ (সুরা : আল-আরাফ, আয়াত : ৯৯)
আল্লাহর স্মরণে উদাসীনতা
‘হে মুমিনরা! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদের আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ না করে। আর যে এমন করবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।’ (সুরা : আল-মুনাফিকুন, আয়াত : ৯)
আল্লাহ সম্পর্কে কুধারণা
‘তোমাদের প্রতিপ্রতিপালক সম্পর্কে তোমাদের এই কুধারণাই তোমাদের ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছ।’ (সুরা : ফুসসিলাত, আয়াত : ২৩)
কাফিরদের অন্ধ আনুগত্য
‘হে ঈমানদাররা! যদি তোমরা কাফিরদের আনুগত্য করো, তবে তারা তোমাদের পিছিয়ে দেবে, আর তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরে আসবে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৪৯)
অঙ্গীকার ভঙ্গ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা
কোরআনে আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা ও অন্যায়ভাবে সম্পর্ক ছিন্ন করাকে ধ্বংসের মূল কারণ বলা হয়েছে
‘সেই সকল লোক, যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি পরিপক্ব করার পরও ভেঙে ফেলে এবং যেই সম্পর্ক রক্ষা করতে তিনি আদেশ করেছেন তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তার করে; বস্তুত এমন সব লোক অতি ক্ষতিগ্রস্ত।’
(সুরা : আল-বাকারা, আয়াত : ২৭)
এখানে আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার বলতে আলমে আরওয়াহে (রূহের জগতে) মানবজাতির কাছ থেকে নেওয়া তাওহীদের স্বীকৃতিকে বোঝায়, যা সুরা আরাফের ১৭২ নম্বর আয়াতে উল্লেখ রয়েছে:
‘যখন তোমার রব আদম সন্তানদের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের সন্তানদের বের করেছিলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে সাক্ষী বানিয়েছিলেন—আমি কি তোমাদের রব নই? সবাই জবাব দিয়েছিল, কেন নয়? আমরা সবাই সাক্ষ্য দিচ্ছি...’
(সুরা : আল-আরাফ, আয়াত : ১৭২)
কোরআনের মূল শিক্ষা হলো—পার্থিব সম্পদ, পদমর্যাদা বা সুযোগ-সুবিধা হারানো প্রকৃত ক্ষতি নয়; বরং ঈমান ও আখিরাত হারানোই হলো সবচেয়ে বড় দেউলিয়াত্ব। আর প্রকৃত সফলতা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আখিরাতে মুক্তি লাভের মধ্যেই নিহিত।
/আশিক
প্রতিদিনের ৫ সুন্নাহ আমল, জান্নাতের আশার পথ
ইসলামে এমন অনেক আমল রয়েছে, যেগুলো পালন করতে সময় খুব বেশি লাগে না, কিন্তু সওয়াব ও ফজিলতের দিক থেকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ তাঁর উম্মতকে এমন কিছু দৈনন্দিন আমল শিখিয়েছেন, যেগুলো নিয়মিত পালন করলে আল্লাহর রহমত, নিরাপত্তা, ক্ষমা এবং আখিরাতে সফলতার আশা করা যায়। আলেমদের মতে, এসব আমল শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের অংশ নয়; বরং একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবনকে আল্লাহর স্মরণে পরিচালিত করার একটি সুন্দর পদ্ধতি।
দিনের শুরুতে ফজরের সালাত আদায়কে ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সহিহ মুসলিমের একটি হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তায়) থাকে।" (সহিহ মুসলিম: ৬৫৭)। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, এই হাদিসের অর্থ হলো, ফজরের সালাত একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর বিশেষ হেফাজত ও অনুগ্রহের কারণ হতে পারে। তাই সম্ভব হলে জামাআতে ফজরের নামাজ আদায় করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ হলো প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি তিলাওয়াত করা। একটি সহিহ হাদিসে এসেছে, "যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।" (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নাসাঈ: ১০০; শাইখ আল-আলবানী রহ. হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন)। অল্প সময়ের এই আমল একজন মুসলিমের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ বহন করে।
সাইয়্যিদুল ইস্তিগফারকে ক্ষমা প্রার্থনার সর্বোত্তম দোয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সহিহ বুখারির বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে সকালে এই দোয়া পড়ে এবং সন্ধ্যার আগে মারা যায়, অথবা রাতে পড়ে সকালে মৃত্যুবরণ করে, সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে (সহিহ বুখারি: ৬৩০৬)। তাই প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই দোয়াটি পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
এ ছাড়া সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার "বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু..." দোয়াটি পাঠ করার কথাও হাদিসে এসেছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়া পাঠ করবে, আল্লাহর ইচ্ছায় তাকে আকস্মিক বিপদ-আপদ ক্ষতি করতে পারবে না (সুনান আবু দাউদ: ৫০৮৮; সুনান তিরমিযী: ৩৩৮৮)। ইসলামী স্কলারদের মতে, এটি আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা ও তাঁর হেফাজত কামনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জিকির।
ভ্রমণে বের হওয়ার সময় বা প্রিয়জনকে বিদায় দেওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ একটি অর্থবহ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলতেন, "আস্তাওদি'উল্লাহা দীনাকা ওয়া আমানাতাকা ওয়া খাওয়াতীমা আমালিকা" অর্থাৎ, "আমি তোমার দীন, তোমার আমানত এবং তোমার জীবনের শেষ আমলগুলো আল্লাহর জিম্মায় সোপর্দ করছি।" (সুনান আবু দাউদ: ২৬০০; সুনান তিরমিযী: ৩৪৪৩)। এই দোয়া শুধু ভ্রমণকারীর জন্য নয়, বরং নিজের ও পরিবারের জন্যও আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনার একটি সুন্দর মাধ্যম।
২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা, কোথায় কী সুবিধা মিলবে
২০২৭ সালের হজ পালনের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি পৃথক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) নতুন প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, ‘হজ প্যাকেজ-১’-এর ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত কম খরচের ‘হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)’ গ্রহণ করতে হজযাত্রীদের ব্যয় হবে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই প্যাকেজেই হজযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় আবাসন, মিনা-আরাফার সেবা এবং সৌদি আরবে অবস্থানকাল বিবেচনায় পৃথক সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সামর্থ্য অনুযায়ী প্যাকেজ বেছে নেওয়ার সুযোগ পান আগ্রহীরা।
হজ প্যাকেজ-১: হারাম শরীফের কাছাকাছি আবাসনের সুবিধা
সরকারি প্যাকেজগুলোর মধ্যে তুলনামূলক উন্নত সুবিধাসম্পন্ন হজ প্যাকেজ-১-এ মক্কায় মসজিদুল হারামের বহিঃচত্বর থেকে ১,০০০ থেকে ১,৪০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মদিনায় হজযাত্রীরা মারকাজিয়া এলাকায় অবস্থানের সুযোগ পাবেন, যা মসজিদে নববীর নিকটবর্তী এলাকা হিসেবে পরিচিত।
এ ছাড়া মিনায় এই প্যাকেজের হজযাত্রীদের জন্য জোন-২-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা ও আরাফার কার্যক্রমে ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ অনুযায়ী সেবা এবং অনুমোদিত মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই প্যাকেজে সাধারণত সৌদি আরবে ৩৫ থেকে ৪০ দিন অবস্থান করতে হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে রুম আপগ্রেড কিংবা স্বল্পমেয়াদি (শর্ট) প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।
হজ প্যাকেজ-২: কম খরচে সরকারি হজের সুযোগ
অর্থনৈতিকভাবে তুলনামূলক সাশ্রয়ী এই প্যাকেজে মক্কায় হোটেল থাকবে মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে। মদিনায় আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে মারকাজিয়া এলাকার বাইরে, তবে মসজিদে নববী থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ মিটারের মধ্যে।
এই প্যাকেজের হজযাত্রীদের জন্য মিনায় জোন-৫-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা ও আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা এবং মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার পরিবেশনের সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সরকার জানিয়েছে, যদি কোনো হোটেল দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হয়, তাহলে সৌদি আরবের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী হজযাত্রীদের জন্য সালাওয়াত বাস-এর ব্যবস্থা করা হবে, যাতে যাতায়াতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়।
প্যাকেজ নির্বাচন করবেন কীভাবে?
হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেসব হজযাত্রী হারাম শরীফের কাছাকাছি আবাসন, অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক অবস্থান এবং উন্নত সেবা চান, তারা হজ প্যাকেজ-১ বেছে নিতে পারেন। অন্যদিকে ব্যয় কম রাখতে আগ্রহীরা হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) নির্বাচন করলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় মৌলিক সেবা নিশ্চিতভাবেই পাবেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তী সময়ে হজ নিবন্ধন, কিস্তি পরিশোধ, ভিসা, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমের সময়সূচি পৃথকভাবে প্রকাশ করা হবে।
-রাফসান
মঙ্গলবারের নামাজের সময়সূচি, ফজর থেকে এশা পর্যন্ত
আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬)। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, আর হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৬ সফর ১৪৪৮ হিজরি। প্রতিদিনের মতো ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ ঢাকায় জোহরের নামাজ আদায়ের সময় দুপুর ১২টা ০৮ মিনিট। আসরের নামাজ বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে, মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে এবং এশার নামাজ রাত ৮টা ১৪ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
পরবর্তী দিনের অর্থাৎ বুধবার (২২ জুলাই)-এর ফজরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৩টা ৫৯ মিনিটে। এছাড়া আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২৩ মিনিটে।
ইসলামে নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই প্রতিদিনের সময়সূচি জেনে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া ধর্মীয় অনুশীলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে ভৌগোলিক অবস্থান, স্থানীয় মসজিদের অনুসৃত সময় গণনা পদ্ধতি কিংবা ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্যালেন্ডারের কারণে সময়সূচিতে এক থেকে দুই মিনিটের সামান্য পার্থক্য হতে পারে। তাই নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত সময়কেও অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
-রাফসান
আজ নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন পাঁচ ওয়াক্তের সময়
আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬)। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৫ সফর ১৪৪৮ হিজরি। প্রতিদিনের মতো ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ ঢাকায় জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৯ মিনিটে। আসরের নামাজের সময় বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিট, মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট এবং এশার নামাজ রাত ৮টা ১৫ মিনিটে আদায় করা হবে।
পরবর্তী দিনের অর্থাৎ মঙ্গলবার (২১ জুলাই)-এর ফজরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৩টা ৫৬ মিনিটে। এছাড়া আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২২ মিনিটে।
ইসলামে নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই প্রতিদিনের নামাজের সময় জেনে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থান, মসজিদের অনুসৃত হিসাবপদ্ধতি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্যালেন্ডারের কারণে সময়সূচিতে সামান্য পার্থক্য দেখা যেতে পারে। তাই নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত সময়সূচিও অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন শর্ত দিল ইরান
- ওমানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নতুন সামুদ্রিক রুট চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ইরান
- এটা সংস্কার নয়, হস্তান্তর: নতুন জ্বালানি নীতি নিয়ে জামায়াতের তোপ
- শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চাওয়া ৪০৪ শিক্ষকের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য
- ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে ভাইরাল হওয়া ঘরোয়া টোটকার কার্যকারিতা
- এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬: শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগরে বসতভিটার বিরোধে হামলা- ভাঙচুরের অভিযোগ
- মিরপুরে মালয়েশিয়াকে হারিয়ে সিরিজে শুভসূচনা করল বাংলাদেশ এইচপি দল
- আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির জীবনে নেমে এল গভীর শোক
- ফেনী শহরে বহুতল ভবনে চাঞ্চল্যকর ঘটনা, ছয়তলার কার্নিশ থেকে শিশুকে অক্ষত উদ্ধা
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন পূর্বাভাস: সারা দেশের পরিস্থিতি কেমন থাকবে
- ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ মার্কিন সামরিক প্রধানের
- পুতিনকে কোণঠাসা করতে মার্কিন সিনেটে বিশাল ভোটে বিল পাস, চাপে ভারত-চীন
- রাজনৈতিকভাবে দাফন হয়েছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার: সালাহউদ্দিন আহমদ
- টিএফআই সেলে সালাহউদ্দিনকে নির্যাতন: চূড়ান্ত চার্জশিটের পথে ট্রাইব্যুনাল
- আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের খেসারত দিচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- দিল্লির সুরক্ষিত এলাকায় গোপন বৈঠক: বাংলাদেশে কোন বড় নাশকতার ছক কষছেন শেখ হাসিনা?
- প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর ঘিরে বিএনপিতে ব্যাপক প্রস্তুতি
- শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- স্বর্ণের দাম কমল, আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে ভরি
- আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্তের সময়
- আজ টিভিতে যত খেলা: এলপিএল ফাইনালসহ জমজমাট সূচি
- তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান চুক্তি কি নতুন সামরিক জোট? যা বললেন এরদোগান
- ইরানকে যে শর্ত দিল যুক্তরাষ্ট্র, যেটা মানলেই ছাড়
- প্রথম mRNA ফ্লু টিকা অনুমোদন, কারা নিতে পারবেন
- স্বর্ণ খাতে বড় সংস্কার, বদলাতে পারে আমদানি-রপ্তানি নিয়ম
- গণমাধ্যম শক্ত হলে গণতন্ত্রও টেকসই হবে: মির্জা ফখরুল
- আগস্টের শেষে চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ
- মণিপুরের অমীমাংসিত সীমান্ত নিয়ে ভারত-মিয়ানমার আলোচনা
- সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ও আগামী সপ্তাহের আবহাওয়ার সার্বিক রূপরেখা
- ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া তাড়াতে সাংস্কৃতিক বিপ্লব প্রয়োজন: ডা. শফিকুর রহমান
- দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আসছে বড় পরিবর্তন, নতুন আইনের রূপরেখা প্রকাশ
- আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয় মিত্র, তারা বিএনপির সঙ্গে মিশে যাবে: নাছির চৌধুরী এমপি
- ঘরে বসেই যেভাবে জানবেন এসএসসির ফলাফল, ১০ আগস্ট প্রকাশের ঘোষণা
- মার্কিন ইমিগ্রেশন সার্ভিস বিভাগে বড় পরিবর্তন, প্রবাসীদের জন্য জরুরি বার্তা
- ২০২৩ সালের ইসরায়েলি হামলার ক্ষত: আড়াই বছর পর উদ্ধার ৪০ শিশুর দেহাবশেষ
- জুলাই শহীদদের কবর বাঁধানোর বরাদ্দও মেরে খেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার: ইশরাক হোসেন
- শেয়ারবাজারে আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্তের বড় আপডেট জানাল দুদক
- যুদ্ধের বড় প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, আকাশ প্রতিরক্ষা ও অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যাপক আধুনিকায়ন
- চার বিভাগে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কায় আবহাওয়া দপ্তরের বিশেষ সতর্কতা
- হাসিনাকে মাইক দেওয়ায় ভারতকে কাঠগড়ায় তুললেন সালাহউদ্দিন
- বিশ্ববাজারের পথ ধরে দেশীয় বাজারেও স্বর্ণের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি
- গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় নতুন আশার খবর দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী
- নদীদূষণ দূর করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তির জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি: মাহদী আমিন
- ইতিহাসের মালিকানা কারও একার নয়, ৫ আগস্টের বিজয় সাধারণ মানুষের: সাইদুর রহমান লিটল
- দেবিদ্বার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত মিজানুর রহমান মাস্টার
- জুলাইয়ের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে, যেন তা হারিয়ে না যায়: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
- ভারত সরকারের আলটিমেটামের মুখে নতিস্বীকার, ভুল স্বীকার করল মেটা
- লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ভারতীয় কিংবদন্তির আগমন, মালিকানায় বড় চমক
- শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনে হামলা থামাল ইরান, কেন?
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- স্বর্ণের সঙ্গে বাড়ল রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
- মঙ্গলবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি
- ৫ আগস্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশ
- জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- গণমাধ্যম শক্ত হলে গণতন্ত্রও টেকসই হবে: মির্জা ফখরুল
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মজুত নিয়ে নতুন তথ্য, কী বলছে সিএনএন
- ফের বাড়ল তেলের দাম
- আজ মঙ্গলবার বন্ধ যেসব মার্কেট, বের হওয়ার আগে দেখুন








