মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ নতুন সমীকরণ: পুত্রাজায়ার রুদ্ধদ্বার বৈঠক কি ঘুচাবে শ্রমবাজারের দীর্ঘদিনের সংকট?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২২ ১২:১২:৫৩
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ নতুন সমীকরণ: পুত্রাজায়ার রুদ্ধদ্বার বৈঠক কি ঘুচাবে শ্রমবাজারের দীর্ঘদিনের সংকট?

মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে পুত্রাজায়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পারদানা পুত্রা’য় এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস মিলিয়ে এই বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বড় ঘোষণা বা নতুন চুক্তির কথা সামনে না এলেও, এর ভেতরের বার্তা ছিল সুদূরপ্রসারী ও মানবিক। দুই দেশের শীর্ষ নেতাই মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই শ্রমবাজারে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং শ্রমিকদের হয়রানি-নির্যাতন বন্ধের বিষয়ে গভীর আন্তরিকতা দেখিয়েছেন। বিশেষ করে, বছরের পর বছর ধরে চলে আসা মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ন্যায্য, সাশ্রয়ী ও দুর্নীতিমুক্ত করার বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক লাভের জন্য শ্রমিকদের শোষণ ও দুর্ব্যবহার কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ এবং আটকে পড়া বাংলাদেশিদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের দাবি অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করেছেন।

এই শীর্ষ বৈঠকটি কেবল আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং দুই দেশের পারিবারিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে পুত্রাজায়ায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তাঁর স্ত্রী ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল। একান্ত ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার টেবিলে কেবল শ্রমবাজারই নয়, স্থান পেয়েছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি এবং শিক্ষার মতো বহুমাত্রিক উদীয়মান খাতগুলো। দুই দেশের যৌথ সংবাদ সম্মেলন থেকে আসা এই জোরালো বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া এখন কেবল 'শ্রমিক আদান-প্রদানকারী' সম্পর্কের গণ্ডি পেরিয়ে আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী অংশীদার হিসেবে পথ চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব সাইবার সুরক্ষা আইনে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ২৩:৪৬:১৯
সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব সাইবার সুরক্ষা আইনে
ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং হয়রানি রোধে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। এর মধ্যে সংবাদ প্রকাশের জেরে কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান রাখার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির এক সভায় এই খসড়াটি পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। খসড়া আইনটি যেন স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই হয়রানির হাতিয়ার না হয়, সে বিষয়ে সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় আলোচনার ভিত্তিতে খসড়ায় বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সংশোধনী ও প্রস্তাব উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে মানহানি ও দণ্ডবিধির মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান, গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা আরও স্পষ্ট করা, মোবাইল কোর্টের বিধান বাদ দেওয়া এবং কনটেন্ট ব্লক করার ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে লিখিত নোটিশ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা এবং কনটেন্ট অবমুক্তির আবেদন নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাবও করা হয়েছে। অংশীজনদের মতামত নিয়ে খসড়াটি পুনরায় পরিমার্জন করে ওয়েবসাইটে প্রকাশের মাধ্যমে জনসাধারণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হবে।

/আশিক


সবুজ জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ঢাকা ও বেইজিংয়ের

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৮:১৯:২০
সবুজ জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ঢাকা ও বেইজিংয়ের
ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির বা সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। বুধবার (৪ নভেম্বর) বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার উল্লেখ করে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বা সিইআইজেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। কুনমিং ও চট্টগ্রামকে সংযুক্ত করার প্রস্তাবিত করিডোর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরসহ বহুমাত্রিক যোগাযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে সহায়ক খাতগুলোতে চীনের বিনিয়োগ দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত লাভজনক হবে। চীনা মন্ত্রী লিউ হাইশিং সবুজ জ্বালানি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জোরালো আশ্বাস দেন। এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতালের অর্থায়ন ও নির্মাণকাজে সহযোগিতার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে চীনের অব্যাহত সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন তিনি, যার জবাবে চীনা মন্ত্রী এই বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। এ ছাড়া চলমান জ্বালানি সংকটেও চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, ওই ঐতিহাসিক সফরগুলোই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিল। জবাবে লিউ হাইশিং বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে এই সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে। চীনে নিজের সর্বশেষ সফরের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সফররত মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠকগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এ ছাড়া গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতি চীনা মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদলের সদস্যদের বঙ্গভবন পরিদর্শন করান। এ সময় চীনা মন্ত্রীর বাবা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত লিউ শুকিংয়ের ১৯৮০ সালে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশের দুর্লভ ভিডিওচিত্র এবং তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রপতির চীন সফরের বিভিন্ন ঐতিহাসিক আলোকচিত্র দেখানো হয়। এই সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, জন বিভাগের সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।

চীনা প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লিউ ইউইন এবং সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পেং শিউবিন উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (সমন্বয়) সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এই বৈঠকে অংশ নেন।

/আশিক


পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গ্যাসকূপ খননসহ নতুন ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৭:৫৬:০৪
পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গ্যাসকূপ খননসহ নতুন ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বা একনেকের বৈঠকে তেরোটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি চারটি প্রকল্পের অনুমোদন স্থগিত রেখে সেগুলো আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমান। বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত পঁচিশ অক্টোবর একনেকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নির্ধারিত থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল।

বৈঠকে যেসব প্রকল্পের অনুমোদন স্থগিত করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন প্রকল্প। স্থগিত হওয়া অন্য দুটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে প্রবৃদ্ধি-লোকাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট বা এলইডি ইন সিলেক্টেড মিউনিসিপ্যালিটিজ এবং মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন প্রকল্প। এই প্রকল্পগুলো আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে একনেক বৈঠকে যেসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষায়িত ও অপারেশনাল যানবাহন ক্রয়। এ ছাড়া তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দুটি মূল্যায়ন ও উন্নয়ন গ্যাসকূপ খনন প্রকল্পও অনুমোদন লাভ করেছে।

অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ইনোভেশন ক্লাইমেট স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট, বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা, দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন সেন্টার স্থাপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খালের পাড় সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন প্রকল্পের প্রথম পর্ব। এ ছাড়া ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় বি-টাইপ অফিসার্স বাসস্থান নির্মাণ, জিগাতলার গাবতলা কলোনিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ এবং গ্রামীণ সড়কে পনেরো মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদিত হয়েছে।

বৈঠকে পঞ্চাশ কোটি টাকার কম ব্যয়ের কয়েকটি প্রকল্প অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অনুমোদন দিয়েছেন বলে অবহিত করা হয়। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এসব প্রকল্পের বিষয়ে একনেক বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হৃদ্‌রোগ চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, শিশু-কিশোর ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন।

/আশিক


ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৩ ১৮:৫৫:০৭
ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে জানানো হয়েছে যে বর্তমানে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের জন্য বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই সমীক্ষা শেষ হলে সেতু দুটির ভৌগোলিক অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

বৈঠকে মূলত দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর জন্য ‘ওয়াই-আকৃতি’র সংযোগ ব্যবস্থা এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতুর মাধ্যমে রংপুরসহ গোটা উত্তরাঞ্চলের সড়ক ও রেল যোগাযোগব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ কেবল দ্রুততরই হবে না, বরং মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের মধ্যে সরাসরি বিকল্প উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

একই সঙ্গে বৈঠকে বহুমুখী পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে সারা দেশে পানির তীব্র সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদনে গতি আনা, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ব্যারেজের ওপর দিয়েই বিকল্প সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আরও জানান, প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে অর্থায়নের উৎস, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করার বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।

উক্ত বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান সহ অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সেতু সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, পানিসম্পদ সচিব ড. এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিন, মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি ও প্রকৌশলী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


ঢাকাকে না জানিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, জবাবের অপেক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০২ ১৯:৩৫:০৮
ঢাকাকে না জানিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, জবাবের অপেক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের মক্কায় এক মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দেশটির সরকারের কাছ থেকে কোনো জবাব পায়নি ঢাকা। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষের পাঠানো চিঠির উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

সোমবার (২ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, সৌদি সরকারের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা এবং সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের মিশন যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে বিষয়টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ঢাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশের পর গত ১৫ অক্টোবর জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি আরবের পররাষ্ট্র দপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত তথ্য চায়। পরবর্তীতে গত ১৮ অক্টোবর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে পুনরায় একই চিঠি হস্তান্তর করা হয়। সোমবার পর্যন্ত সেসব চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিউত্তর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

/আশিক


সীমান্ত থেকে পোশাক শিল্পে উসকানি দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ২৩:৪৩:৩৩
সীমান্ত থেকে পোশাক শিল্পে উসকানি দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, স্বার্থ সুরক্ষা এবং দেশের রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পোশাক শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের নির্দিষ্ট সময় আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকলেও সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে আগেই মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। মালিক পক্ষের নাম দ্রুত পাওয়া গেলেও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধির নাম পেতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় নাম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আলোচনার পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও আন্দোলনের নামে পুলিশের গাড়িতে আগুন, ভাঙচুর ও কারখানায় অগ্নিসংযোগের মতো সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও শিল্প ধ্বংসের চক্রান্তে নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে সীমান্তের ওপার থেকে উসকানি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, বিশৃঙ্খলা ও নাশকতাকারীদের কঠোরহস্তে দমন করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়া বন্ধ থাকা কারখানাগুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত চালুর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার শান্তি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

উক্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


পোশাক খাতের নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ২০:৪২:০২
পোশাক খাতের নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন সচল রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবে সরকার। এর আগে শ্রমিক অসন্তোষের বর্তমান পরিস্থিতি, এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং উদ্ভূত সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারণ করতে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও উপদেষ্টার সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে চলমান সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এদিকে, পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে। রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে এই গেজেট প্রকাশ করা হয়। গঠিত এই বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএ’র পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন ও বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম-মহাসচিব আসিফ আইয়ুব এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

/আশিক


১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্র: বিজয়ী হলো যেসব নম্বর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৯:৩০:৫৮
১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্র: বিজয়ী হলো যেসব নম্বর
ছবি : সংগৃহীত

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৬ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার জিতেছে ০৯২৩২৮৩ নম্বরটি এবং ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছে ০৮৪২৫১১ নম্বরটি।

রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই ড্র অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা। আয়োজকরা জানান, একক সাধারণ পদ্ধতিতে অর্থাৎ প্রতিটি সিরিজের একই নম্বরের বিপরীতে এই ড্র পরিচালনা করা হয়। এবারের ড্রয়ে মোট ৮৬টি সিরিজের ৪৬টি সাধারণ সংখ্যার বিপরীতে ৩ হাজার ৯৫৬টি প্রাইজবন্ড পুরস্কারের জন্য বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছে।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় পুরস্কারের পাশাপাশি ১ লাখ টাকা করে দুটি তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী নম্বর হলো ০৮৭৩৬১১ ও ০৮৯১৯৫৬। ৫০ হাজার টাকা করে দুটি চতুর্থ পুরস্কার জিতেছে ০৪৫৮৬৫৮ ও ০৯২৪৬৯৫ নম্বর। এ ছাড়া ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের পঞ্চম পুরস্কার জিতেছেন ৪০ জন বিজয়ী। প্রাইজবন্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে, ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে অন্তত ৬০ দিন পূর্বে বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ডগুলোই কেবল এই ড্রয়ের আওতাভুক্ত হয়েছে। বিজয়ী প্রাইজবন্ডধারীদের আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখা হবে।

/আশিক


সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৮:৫৯:২০
সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ৩ নভেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) দুই দিনব্যাপী প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আজ রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

‘ছাদের প্রতিটি ইঞ্চি কাজে লাগান, সৌরবিদ্যুৎ থেকে আয় বাড়ান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) যৌথভাবে এই এক্সপোর আয়োজন করেছে। প্রদর্শনীটি ৩ ও ৪ নভেম্বর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি হ্রাস এবং গ্রীষ্মকালীন জনদুর্ভোগ ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার। এক্সপো চলাকালে সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণ, জাতীয় জ্বালানি মিশ্রণে এর অংশ বাড়ানো এবং অব্যবহৃত জমি ও ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে মোট চারটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) বাস্তবায়ন এবং সৌরবিদ্যুতের প্রসারে সরকারি নীতি ও প্রণোদনা তুলে ধরাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

প্রদর্শনীতে আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে অর্থায়নের সুযোগ তুলে ধরা হবে। এতে নীতিনির্ধারক, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, প্রযুক্তি সরবরাহকারী এবং সাধারণ ভোক্তারা অংশ নেবেন। প্রদর্শনীতে কর ও শুল্ক সুবিধা, সবুজ ও জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট, সৌরচালিত সেচব্যবস্থা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পাবে। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: