বিশেষ প্রতিবেদন
শিলিগুড়ি করিডর ঘিরে নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তাপ: তিস্তা, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত বাস্তবতা

আশিকুর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে শিলিগুড়ি করিডর বা কথিত ‘চিকেনস নেক’ আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গ, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, চীন-ভারত সীমান্ত, নেপাল, ভুটান এবং তিস্তা অববাহিকাকে ঘিরে সাম্প্রতিক কৌশলগত আলোচনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, ঢাকার সম্ভাব্য কূটনৈতিক পুনর্বিন্যাস, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনা সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ—সব মিলিয়ে অঞ্চলটি এখন শুধু ভৌগোলিক নয়, কৌশলগত দিক থেকেও অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।
শিলিগুড়ি করিডর ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সরু ভূখণ্ডই দেশটির মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য এবং সিকিমকে স্থলপথে যুক্ত করে। এর উত্তরে নেপাল, ভুটান ও চীনঘেঁষা অঞ্চল; দক্ষিণে বাংলাদেশ। ফলে এই করিডরকে ঘিরে ভারতের নিরাপত্তা-পরিকল্পনা দীর্ঘদিন ধরেই অগ্রাধিকার পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সামরিক অবকাঠামো জোরদার, বিমানঘাঁটি উন্নয়ন, সীমান্ত নজরদারি এবং সংযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা বাড়ছে। ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই প্রস্তুতির বড় কারণ শুধু বাংলাদেশ নয়; বরং চীন-ভারত সীমান্ত উত্তেজনা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা হিসাব।
বাংলাদেশের জন্যও এই অঞ্চলটি কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। রংপুর বিভাগ, তিস্তা নদী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও নীলফামারী—সব মিলিয়ে উত্তরবঙ্গ এখন শুধু কৃষি বা নদীনির্ভর অঞ্চলের পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নেই। এটি বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা, পানি-নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক কৌশলগত ভারসাম্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যা উত্তরবঙ্গের কৃষি, জীবিকা, পরিবেশ ও জনজীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকট, নদীভাঙন, চরাঞ্চলের অনিশ্চয়তা এবং কৃষিজ উৎপাদনের ঝুঁকি উত্তরাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন বাস্তবতা।
এই প্রেক্ষাপটে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের কাছে শুধু একটি নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প নয়; এটি উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি, পরিবেশ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন। নদী খনন, তীর সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সংরক্ষণ, কৃষি সেচ এবং নদীকেন্দ্রিক উন্নয়ন—এসব বিষয় প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত। তবে প্রকল্পে চীনা সহায়তার সম্ভাবনা ভারতের নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভারতের দৃষ্টিতে, তিস্তা প্রকল্পের ভৌগোলিক অবস্থান শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি হওয়ায় এতে চীনের উপস্থিতি ভবিষ্যতে কৌশলগত প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের দৃষ্টিতে, তিস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা এবং পানি বণ্টন সমস্যার সমাধান না হওয়ায় বিকল্প উন্নয়ন সহযোগী খোঁজা অস্বাভাবিক নয়।
লালমনিরহাট বিমানবন্দর ঘিরেও সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন পুরোনো এই বিমানক্ষেত্র পুনরুজ্জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে কথাবার্তা হয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, উত্তরবঙ্গে কোনো বড় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশেষ করে যদি তাতে চীনা কারিগরি বা আর্থিক সহযোগিতা থাকে, তাহলে তা ভারতের শিলিগুড়ি করিডর নিরাপত্তা-চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ধরনের অবকাঠামো উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন, আঞ্চলিক সংযোগ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার স্বাভাবিক অংশ হিসেবেই দেখা হয়।
এ অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে চীন একটি বড় ফ্যাক্টর। সিকিম, অরুণাচল, তিব্বত এবং ভুটানঘেঁষা সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে ভারত-চীন সম্পর্ক বহু বছর ধরেই সংবেদনশীল। ২০১৭ সালের দোকলাম সংকট দেখিয়েছে, হিমালয়সংলগ্ন সীমান্তে সামান্য উত্তেজনাও বড় কৌশলগত সংকটে রূপ নিতে পারে। চীন অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ হিসেবে স্বীকার করে না; অন্যদিকে ভারত এটিকে তার অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। এই বিরোধের প্রেক্ষাপটে শিলিগুড়ি করিডর ভারতের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সেনা, সরঞ্জাম ও রসদ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এই করিডর গুরুত্বপূর্ণ স্থলসংযোগ।
তবে এই বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় অতিরঞ্জিত, উত্তেজনাপূর্ণ ও অসমর্থিত দাবি ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও বাংলাদেশের ভূখণ্ড দখলের আশঙ্কা, কোথাও উত্তরবঙ্গকে বিচ্ছিন্ন করার কথিত পরিকল্পনা, কোথাও আবার ধর্মীয় উত্তেজনাকে কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের দাবি সামনে আসে। এসব দাবি জনমনে উদ্বেগ তৈরি করলেও এগুলোর অনেকটির নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এমন সংবেদনশীল বিষয়ে আবেগনির্ভর প্রচারণার বদলে তথ্যভিত্তিক, রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি। কারণ ভুল তথ্য বা উসকানিমূলক বয়ান শুধু জনমতকে বিভ্রান্ত করে না; বরং আঞ্চলিক সম্পর্ককেও আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো—একদিকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, অন্যদিকে আঞ্চলিক সংঘাত এড়িয়ে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী এবং বাণিজ্য, যোগাযোগ, নদী, সীমান্ত ও নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই দুই দেশের সম্পর্ক গভীরভাবে আন্তঃনির্ভরশীল। আবার চীন বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ফলে ঢাকার জন্য কোনো একপক্ষের দিকে অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়া যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ রাখাও যুক্তিযুক্ত নয়। এখানে দরকার পরিপক্ব কূটনীতি, স্বচ্ছ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা সংবেদনশীলতা মাথায় রেখে উন্নয়ন সিদ্ধান্ত নেওয়া।
তিস্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়া উচিত স্পষ্ট ও বাস্তববাদী। প্রথমত, ভারত-বাংলাদেশ পানি বণ্টন আলোচনাকে নতুন গতিতে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, তিস্তা অববাহিকার মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশগত নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তৃতীয়ত, যে কোনো বিদেশি সহযোগিতা নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। চতুর্থত, তিস্তা প্রকল্পকে কেবল ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার চোখে না দেখে উত্তরবঙ্গের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
অন্যদিকে ভারতের জন্যও বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের উদ্বেগকে উপেক্ষা করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব নয়। সীমান্ত হত্যা, পানি বণ্টন, বাণিজ্য বৈষম্য, ভিসা জটিলতা, পুশ-ইন বিতর্ক এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বয়ানে বাংলাদেশকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন—এসব বিষয় দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়ায়। যদি ভারত সত্যিই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা ও শিলিগুড়ি করিডরের স্থিতিশীলতা চায়, তাহলে বাংলাদেশের সঙ্গে আস্থাভিত্তিক সম্পর্কই হবে সবচেয়ে কার্যকর পথ।
সব মিলিয়ে শিলিগুড়ি করিডর, তিস্তা ও উত্তরবঙ্গকে ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। এই অঞ্চলকে ঘিরে ভারত, বাংলাদেশ ও চীনের কৌশলগত হিসাব ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে এই প্রতিযোগিতা যেন সংঘাত, আতঙ্ক বা উসকানিতে রূপ না নেয়, সেটিই এখন সবচেয়ে জরুরি।
বাংলাদেশের নীতি হওয়া উচিত শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ়; সহযোগিতামূলক কিন্তু আত্মসম্মানসম্পন্ন; উন্নয়নমুখী কিন্তু নিরাপত্তা-সচেতন। উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন, তিস্তার ন্যায্য পানি, সীমান্তের স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য—এই চারটি বিষয়কে একসঙ্গে বিবেচনা করেই ঢাকাকে এগোতে হবে। কারণ শিলিগুড়ি করিডর ভারতের জন্য যেমন কৌশলগত, তেমনি তিস্তা ও উত্তরবঙ্গ বাংলাদেশের জন্য অস্তিত্ব, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার প্রশ্ন।
৫ আগস্ট নতুন রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী?
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এক যৌথ ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে যাচ্ছেন। আগামী ৫ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া’ (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা। ক্ষমতা হস্তান্তরের পর ভারতে অবস্থানের মধ্য দিয়ে দুই বছর পার হওয়ার পর এটিই হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক উপস্থিতি।
এফসিসি সাউথ এশিয়ার প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৫ আগস্ট নয়াদিল্লির মথুরা রোডের স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। অডিও সংযোগে সরাসরি যুক্ত হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান ও বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের রূপরেখা তুলে ধরতে পারেন বলে আয়োজক সংগঠনটির পক্ষ থেকে আভাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় দেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ভাষণ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের এই আন্তর্জাতিক প্যানেলে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বেশ কয়েকজন আলোচিত মুখ অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন ও শাহ মো. বখতিয়ার। বিশ্বজুড়ে কর্মরত সাংবাদিকেরা অনলাইনে যুক্ত হয়ে সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।
মুক্ত গণমাধ্যম ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করেই শেখ হাসিনাকে এই অডিও বক্তব্যের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন এফসিসি সাউথ এশিয়ার সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ। এই বিশেষ কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়ে ভারত সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের আইনি বা কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কোটা সংস্কার আন্দোলনের একপর্যায়ে দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেননি তিনি। গণঅভ্যুত্থান ও সরকার পতনের দুই বছর পূর্তির দিনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার এই অডিও বার্তা প্রদান এবং সাকিব আল হাসান ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো ব্যক্তিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
মঞ্চের পর্দার আড়াল থেকে ব্যান্ডেজ চোখে ফিরে এলেন এনসিপি সমন্বয়ক!
হবিগঞ্জে ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক আলিফ চৌধুরীর ওপর হামলায় একটি চোখ হারানোর ঘটনার প্রতিবাদে চোখে ব্যান্ডেজ বেঁধে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আয়োজিত ‘শহীদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে—জনতার ১ দফা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এভাবে বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নাম আহ্বান করা হলে তিনি কিছুক্ষণের জন্য মঞ্চের পর্দার আড়ালে যান। প্রায় এক মিনিট পর চোখে সাদা ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় ডায়াসে ফিরে এসে তিনি আলোচনায় অংশ নেন।
হবিগঞ্জে আয়োজিত এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা চলাকালে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও ছাত্রশক্তি নেতা আলিফ চৌধুরী চোখে মারাত্মক আঘাত পেয়ে দৃষ্টিশক্তি হারান। উক্ত ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ধরে তিনি এই প্রতিকী প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
নিজের বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আহত আলিফের চোখ ফিরিয়ে দেওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়। হামলাকারীদের সংবেদনশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবের কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনার পর আহত কর্মীর সুচিকিৎসায় কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।
/আশিক
দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা হারিয়ে বাংলাদেশ ছাড়ার প্রায় দুই বছর পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি ভার্চ্যুয়াল আয়োজনে তিনি বক্তব্য দেবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় জনসম্মুখে অনুপস্থিত থাকার পর এই বক্তব্য বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করতে পারে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে। নয়াদিল্লির মাথুরা রোডে অবস্থিত স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে মূল আয়োজন অনুষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি ক্লাবটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মেও এটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
আয়োজকদের আমন্ত্রণপত্রের তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়েও কথা বলতে পারেন। যদিও তার বক্তব্যের পূর্ণ বিষয়বস্তু এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও এই সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন পরবর্তীতে সরকারবিরোধী গণআন্দোলনে রূপ নেয়। এরপর গত প্রায় দুই বছরে তিনি কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠান, সংবাদ সম্মেলন বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত হননি। ফলে এবারের ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যকে তার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথম বড় ধরনের প্রকাশ্য উপস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে শুধু শেখ হাসিনাই নন, বাংলাদেশের রাজনীতি, কূটনীতি, মানবাধিকার এবং ক্রীড়াঙ্গনের কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিও অংশ নেবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক।
এছাড়া জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশ্লেষক আবু ওবায়দাহ আরিন এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইউএসএর পরিচালক শাহ মো. বখতিয়ারও অনুষ্ঠানে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রের এসব ব্যক্তির অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
-রাফসান
ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে নতুন একটি গণতান্ত্রিক সম্ভাবনার যুগে প্রবেশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে যদি সঠিক গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় থাকে, তবে সমাজের অন্যান্য উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবেই গতি লাভ করবে। রোববার (২ আগস্ট) ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল তার বক্তব্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, একটি প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ গঠিত হলে দেশের সাধারণ মানুষ সরাসরি ন্যায়বিচার পাবেন। এর পাশাপাশি প্রশাসনকে দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং জাতীয় সংসদের বিষয়ভিত্তিক কমিটিগুলোকে কার্যকর করা সম্ভব হলে দেশের গণতন্ত্র সুদৃঢ় ভিত্তি পাবে। রাজনৈতিক মতভেদ, সমস্যা কিংবা বিরোধী দলের আন্দোলন থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বকীয়তা বজায় রাখলে বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা টিকে থাকে।
প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজনৈতিক কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব জানান, সেখানে বহুমুখী সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং শক্তিশালী গণমাধ্যমের কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো মজবুত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির কারণেই দেশটিতে গণতান্ত্রিক ধারা ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
আইনজীবী ও বিচারকদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। অতীতের বিভিন্ন সময়ে দেশের নাগরিকেরা এই অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনে সমাজে ইনসাফ ও সঠিক বিচারব্যবস্থা কায়েম করাই অন্যতম লক্ষ্য। এই নীতিগুলো বাস্তবায়িত হলে সমাজ ও রাষ্ট্র দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
/আশিক
সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘জান দিব, জুলাই দিব না’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে চরম নির্যাতনের শিকার হয়ে বিরোধী দলে থাকা একটি পক্ষ ক্ষমতায় এসে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের মতো স্বৈরাচারী আচরণ ও পন্থাকে পুনরায় গ্রহণ করছে।
ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বর্তমানে ভিন্নমত দমনে যেসব ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও শক্ত প্রয়োগের চর্চা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা সরাসরি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনের অবিকল রূপ। সাবেক সরকারের আমলে বিরোধীদের ওপর যে দমন-পীড়ন চলেছে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তার প্রতিফলন ঘটা দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, বিগত সাড়ে ১৭ বছর ধরে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজসহ সাধারণ মানুষ চরম অত্যাচার ও নিপীড়নের মধ্য দিয়ে সময় পার করেছেন। একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ মুক্ত হলেও সাবেক সরকারের সেই নির্যাতনমূলক ধারা থেকে বের হওয়া সম্ভব হয়নি।
বক্তব্যের শেষ অংশে ২০২৪ সালের ১ আগস্ট তাদের দলকে নিষিদ্ধ করার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, সে সময় বিএনপি ও এলডিপিসহ গণতান্ত্রিক দলগুলো এই আদেশের প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তবে যারা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে তাদের চরম পতন ঘটেছিল, যা কুদরতি বিচারে এক ঐতিহাসিক শিক্ষা।
/আশিক
তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
রাজধানীসহ সারা দেশে বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও সিএনজি খাতে বিদ্যমান গ্যাসের তীব্র সংকট নিরসন এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির উদ্যোগের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পেট্রোবাংলা ভবন অভিমুখে প্রতীকী মার্চ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে কারওয়ান বাজার মোড়ে সার্ক ফোয়ারার সামনে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে খালি থালা ও পাতিল হাতে নিয়ে পেট্রোবাংলা ভবনের দিকে শোভাযাত্রা নিয়ে এগিয়ে যান।
সম্প্রতি পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জ্বালানি বিভাগে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৬৭ শতাংশ এবং সিএনজিতে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবসংক্রান্ত চিঠির ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এনসিপির নেতারা।
সমাবেশে এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল মনসুর বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণীরা, ব্যাহত হচ্ছে শিল্প উৎপাদন।
জ্বালানি খাতে চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে তারা বলেন, বিদ্যমান এই সংকটের সুরাহা না করে উল্টো যদি গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো পাঁয়তারা করা হয়, তবে ঢাকাবাসীকে সাথে নিয়ে পেট্রোবাংলা ভবন ঘেরাও ও অবরুদ্ধ করা হবে। একই সাথে আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে দেশের সার্বিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সারা দেশে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
/আশিক
অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সবকিছুকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দেওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব অস্বীকার করাও ভুল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে দৈনিক জালালাবাদ আয়োজিত এক সুধী সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমরা চাই না দেশ আবারও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত চোরাবালিতে হারিয়ে যাক। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের নজিরবিহীন আত্মত্যাগ এবং ত্যাগ স্বীকার কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। গোটা জাতিকে এই রক্তের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।"
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলের অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি দৃশ্যমান নয়। দেশজুড়ে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অনিয়ম বন্ধে কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি জোর তাগিদ দেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, "সংবাদমাধ্যম হলো সমাজের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ। একটি স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমই রাষ্ট্র ও সমাজকে সচেতন রাখতে পারে এবং প্রশাসনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনে।" গণমাধ্যমকর্মীদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে বস্তুনিষ্ঠ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
উক্ত সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছিল, তা এখনো দলীয় আদর্শ হিসেবে ধারণ করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।
শনিবার (১ আগস্ট) গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর ডিআরইউ মিলনায়তনে 'সম্প্রীতির জুলাই: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অবদান' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানে দল-মত ও ধর্ম নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষ রাজপথে নেমেছিল। আন্দোলনের সূচনা থেকেই এর একটি অসাম্প্রদায়িক চরিত্র ছিল, যেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৯ জন সদস্য শহীদ হন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকারগুলো নিজেদের অসাম্প্রদায়িক দাবি করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক কার্ড হিসেবে ব্যবহার করেছে। ভোটে ফায়দা লুটতে তাদের একটি নির্দিষ্ট দলের পকেটে রাখার অপচেষ্টা চালানো হতো। এর ফলে সেই রাজনৈতিক দলের নানা অপকর্মের দায়ভারও অন্যায়ভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর গিয়ে পড়ত। তাই সংখ্যালঘুদের কোনো নির্দিষ্ট দলের পকেটে না গিয়ে সব দলের সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক রাখা উচিত, যাতে কোনো দলই তাদের ব্যবহার করতে না পারে।
জুলাই-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি জোর দিয়ে তিনি বলেন, সংকটের সময় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, সেটিই জুলাইয়ের আসল শিক্ষা। শুধু গুম-খুন নয়, বিগত সময়গুলোতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখল ও হামলার সাথে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।
জাতীয় অগ্রগতি ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য উল্লেখ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হলে তার সুফল রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক পাবে। তাই দেশকে বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে এবং নতুন করে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি না করে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব প্রীতম দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় প্রধান ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
/আশিক
সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে যেভাবে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আক্রমণ চালিয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় এখন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এনসিপির ওপর হামলা পরিচালনা করছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ‘জুলাই স্মরণে: অগ্নিঝরা জুলাই, রক্তের ঋণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, দেশে নতুন কোনো রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ব্যাহত করতেই বারবার এই ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে।
এর আগে সিলেটের গোলাপগঞ্জে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দলটি। গোলাপগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়া কেন্দ্রীয় নেতাদের বহর লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় হামলাকারীরা বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দেয়।
সংগঠনের যুগ্ম সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, এনসিপি কোনো ধরনের সংঘাত বা সহিংসতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তাই ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি থেকে বিরত থেকে তিনি আর কোনো দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলবেন না বলে মন্তব্য করেন।
হামলার ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ৫ আগস্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশ
- স্বর্ণের সঙ্গে বাড়ল রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম
- আজ মঙ্গলবার বন্ধ যেসব মার্কেট, বের হওয়ার আগে দেখুন
- ফের বাড়ল তেলের দাম
- শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারতকেই অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে: শামা ওবায়েদ
- শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনে হামলা থামাল ইরান, কেন?
- সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও কাড়তে পারবে না অধিকার: সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের নতুন খসড়া
- জীবনহানি এড়াতে ট্রাম্পের নতুন কৌশল: হরমুজ প্রণালি নিয়ে কী চুক্তি হতে যাচ্ছে?
- বিদ্যুৎ বিল নিয়ে রটনা নাকি সত্য? নতুন বিজ্ঞপ্তিতে যা জানাল মন্ত্রণালয়
- মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকছে যেসব এলাকা
- শতাধিক মানুষের মাঝে গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিনামূল্যে চশমা বিতরণ।
- সমকামিতা কি মানসিক ব্যাধি? আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতামত
- সেপ্টেম্বরের মেগা টুর্নামেন্টে বড় চমক: কাকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে ঢাকায়?
- ভারতের পূর্ব সীমান্তে ২৫০টি চিনা হাউইটজার মোতায়েন করল পাকিস্তান
- নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে দেরি হওয়ার নেপথ্যে যেসব মূল কারণ!
- তেলের দাম কমায় বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দর
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার গুজব উড়িয়ে দিল তেহরান: নেপথ্যে কী কারণ?
- অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করার কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ৫ আগস্ট নতুন রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী?
- পুরো পুলিশ টিম একসঙ্গে চা-বিশ্রামে যাওয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া সতর্কতা
- মঞ্চের পর্দার আড়াল থেকে ব্যান্ডেজ চোখে ফিরে এলেন এনসিপি সমন্বয়ক!
- বয়স্ক ও বিধবা ভাতার আবেদন শুরু, যেভাবে করবেন আবেদন
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- যেসব দেশে দিনদুপুরে নেমে আসবে রাতের অন্ধকার!
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ৪০ মিলিয়ন ইউরোয় ইতালি পাড়ি জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা
- এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ
- সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত বল্লভপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা
- কীভাবে এলো এই বিশেষ দিন: বন্ধু দিবসের অজানা কথা
- এশিয়ান গেমস ফুটবলের সূচি প্রকাশ, কোন গ্রুপে বাংলাদেশ?
- হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
- হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
- সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
- ইরানের কঠোর অবস্থানের পর হামলা থেকে সরে এলেন ট্রাম্প
- আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
- ফের পরিবর্তন এলপিজি গ্যাসের দামে: রোববার সন্ধ্যা থেকে নতুন রেট কার্যকর
- টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
- আগস্ট জুড়ে আবহাওয়া কেমন থাকবে? দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটির বিশেষ বার্তা
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে নবগঠিত (আংশিক) কমিটি ঘোষণা
- অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
- ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে ড্রোন তাণ্ডব: আন্তর্জাতিক ষড়যন্তের দিকে আঙুল ইরানের
- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড চুলা: কেনার আগে জেনে নিন কাজের পার্থক্য
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর








