৪১ বছরেও ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে রোনালদো, গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ডার্ক হর্স কারা?

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ২০:৪১:১০
৪১ বছরেও ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে রোনালদো, গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ডার্ক হর্স কারা?
ছবি : সংগৃহীত

এবারের ফিফা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের লড়াইটি ইতিমধ্যে বেশ জমজমাট ও তীব্র হয়ে উঠেছে। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো যতই শেষের দিকে এগোচ্ছে, শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় ততই একাধিক ফুটবল তারকার নাম যুক্ত হচ্ছে। বিশ্বমঞ্চের এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি নিজের করে নিতে ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকার ফুটবল পরাশক্তিদের বড় বড় তারকারা একে অপরের সঙ্গে সমানে সমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বর্তমান তালিকার শীর্ষস্থানটি দখল করে আছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে তিনি এবারের টুর্নামেন্টে নিজের গোলখাতা খুলেছেন। মেসির দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা, যেকোনো বড় ম্যাচে একক নৈপুণ্যে মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা এবং আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার জোরালো সম্ভাবনা তাকে গোল্ডেন বুটের অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী দাবিদারে পরিণত করেছে। গত ২০২২ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জয়ী এই তারকা বর্তমানে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

মেসির পাশাপাশি গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেকে জানান দিচ্ছেন ইংল্যান্ডের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। ২০১৮ বিশ্বকাপের এই গোল্ডেন বুটজয়ী ফুটবলার ইতিমধ্যে এবারের আসরে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে জোড়া গোল করে নিজের চিরচেনা ফর্মের জানান দিয়েছেন। তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে নিয়মিত গোল করার ক্ষেত্রে কেইনের এক অনন্য ক্ষমতা রয়েছে, যা ইংল্যান্ডকে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাকে ব্যক্তিগত এই দৌড়ে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দিতে পারে।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপেকে আবারও গোল্ডেন বুটের অন্যতম প্রধান ফেভারিট হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করে এই পুরস্কার নিজের করে নেওয়া এই ফরোয়ার্ড বড় মঞ্চে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এবারের আসরের উদ্বোধনী ম্যাচেই গোল পাওয়ার মাধ্যমে তিনি আবারও এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের লড়াইয়ে নিজের অবস্থান অত্যন্ত শক্ত করেছেন।

এছাড়া নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড, জার্মানির কাই হাভার্টজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফোলারিন বালোগানও ইতিমধ্যে দুটি করে গোল করে এই তালিকায় নিজেদের নাম লিখিয়েছেন। হালান্ড তার ক্লাব ফুটবলের গোল করার ধারাবাহিকতার জন্য পরিচিত হলেও, আন্তর্জাতিক মঞ্চে নরওয়ে দলের সার্বিক পারফরম্যান্স তার ব্যক্তিগত অর্জনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। অন্যদিকে জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের স্কোয়াড যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ায় হাভার্টজ ও বালোগানের সামনে টুর্নামেন্টে আরও দূর যাওয়ার এবং গোলসংখ্যা বাড়ানোর ভালো সুযোগ রয়েছে।

তালিকায় মেক্সিকোর হুলিয়ান কুইনোনস, সুইডেনের ইয়াসিন আয়রি এবং নিউজিল্যান্ডের এলিজা জাস্টও একটি করে গোল করে প্রাথমিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যুক্ত আছেন। তবে তাদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো নিজেদের দলকে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে নিয়ে যাওয়া, যাতে গোল করার আরও সুযোগ তৈরি হয়। উল্লেখ্য, ফিফার টাইব্রেকার নিয়ম অনুযায়ী টুর্নামেন্ট শেষে যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তবে কার অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর সংখ্যা বেশি সেটি বিবেচনা করা হবে। যদি অ্যাসিস্টের সংখ্যাও সমান হয়ে যায়, তবে যে খেলোয়াড় মাঠে তুলনামূলক কম মিনিট খেলেছেন, তাকেই গোল্ডেন বুটের জন্য বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে লিওনেল মেসির পাশাপাশি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও এই বিশ্বকাপে এক নতুন ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন। ফুটবল ইতিহাসে পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার একমাত্র অনন্য রেকর্ডটি রয়েছে তার দখলে। এবারের আসরে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে তিনি নিজের গড়া সেই ইতিহাসকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বর্তমানে বয়স ৪১ বছর হলেও রোনালদোর গোল করার সহজাত ক্ষমতা ও মাঠের অভিজ্ঞতা তাকে সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে রাখে, যদিও ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে নিজের প্রথম ম্যাচে এই ফিনিশার গোলশূন্য ছিলেন।

স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা মিকেল ওয়ারজাবালকেও এবার গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সম্ভাব্য ‘ডার্ক হর্স’ বা চমক হিসেবে বিবেচনা করছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা। ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে তার গোল ও অ্যাসিস্টের দারুণ পরিসংখ্যান তাকে স্প্যানিশ দলের অন্যতম প্রধান সূত্রে পরিণত করেছে। তাছাড়া গত ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তার দেওয়া ম্যাচজয়ী গোলটি প্রমাণ করে যে বড় মঞ্চে তিনি কতটা কার্যকর।

ডার্ক হর্স হিসেবে টুর্নামেন্টে আরও আলোচনায় আছেন ব্রাজিলের তরুণ তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র এবং ফ্রান্সের দুই ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল অলিজ। দেম্বেলে ও অলিজ তাদের সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্লাব ফুটবলের মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন, যা ফরাসি দলের আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী ও ভয়ংকর করে তুলেছে। অন্যদিকে নেইমার পরবর্তী যুগে ভিনিসিয়াস জুনিয়র বর্তমানে ব্রাজিলের সেলেসাওদের আক্রমণের মূল চালিকাশক্তি ও প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছেন।

আফ্রিকা মহাদেশের দুই বড় ফুটবল আইকন মিশরের মোহাম্মদ সালাহ ও সেনেগালের সাদিও মানেও গোল্ডেন বুটের সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছেন। তবে ব্যক্তিগত এই পুরস্কারের মঞ্চে তাদের সাফল্য কতটা বিস্তৃত হবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করছে চলতি বিশ্বমঞ্চে তাদের নিজ নিজ জাতীয় দলের টিকে থাকা এবং টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপগুলোতে এগিয়ে যাওয়ার ওপর। সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইটি এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও আকর্ষণীয় রূপ নিয়েছে; যেখানে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা, দলীয় সাফল্য এবং ব্যক্তিগত ফর্ম—সবকিছুর চূড়ান্ত সমন্বয়েই নির্ধারিত হবে কার হাতে উঠছে এই সোনালী জুতো।

/আশিক


ক্যারিবীয় স্পিনারদের বিপক্ষে আবারও ব্যর্থতার পরিচয় বাংলাদেশের

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ৩১ ১৮:৫০:০৯
ক্যারিবীয় স্পিনারদের বিপক্ষে আবারও ব্যর্থতার পরিচয় বাংলাদেশের
ছবি : সংগৃহীত

মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে লিড পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে সহজেই ৮ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে টাইগারদের হারের মূল কারণগুলো তুলে ধরেন দলটির অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

অধিনায়কের মতে, উইকেটের চরিত্র বিবেচনায় ১৭০ রান ডিফেন্ড করা সম্ভব ছিল। তবে বোলিং বিভাগে কাঙ্ক্ষিত শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায়নি বলে মনে করেন তিনি। নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, বোলাররা সঠিক লেংথ ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং চতুর্থ ইনিংসে মাত্র দুটি উইকেট শিকার করতে পেরেছেন, যা টেস্ট জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। যদি অন্তত সাত-আটটি উইকেট তুলে নেওয়া যেত, তবে লড়াইয়ের চিত্র ভিন্ন হতে পারত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পাশাপাশি ক্যারিবীয় স্পিনারদের বিপক্ষে ব্যাটারদের দুর্বলতার কথাও স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তিনি জানান, দলের ব্যাটিং সামর্থ্য অনুযায়ী স্পিন আক্রমণকে আরও দক্ষভাবে মোকাবিলা করা উচিত ছিল, যা এই ম্যাচে করা সম্ভব হয়নি।

/আশিক


টাকার বিনিময়ে ভোট ও কারচুপির অভিযোগে বিতর্কিত রোনালদোর ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ জয়

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৯ ২০:৩৯:৪২
টাকার বিনিময়ে ভোট ও কারচুপির অভিযোগে বিতর্কিত রোনালদোর ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ জয়

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির চিরন্তন লড়াইয়ে নতুন করে বিতর্ক যুক্ত হয়েছে ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর আয়োজিত ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ (BOAT) ভোটকে কেন্দ্র করে। এই বিশেষ ভোটাভুটিতে ২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে রোনালদোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং প্রথম ব্যালন ডি’অর জয়ের মৌসুমটিকে সর্বকালের সেরা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই ফলাফলে রোনালদো পেছনে ফেলেছেন ২০১২ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে রেকর্ড ৯১ গোল করা লিওনেল মেসির সেই অভাবনীয় মৌসুমটিকে। তবে এই স্বীকৃতি মিলতেই তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমী ও সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আয়োজকদের ভোটাভুটির ত্রুটিপূর্ণ ও বিতর্কিত নিয়মকানুন। জানা গেছে, এই পোলিংয়ে ভোট দেওয়ার জন্য সমর্থকদের প্রতিটি ভোটের বিপরীতে এক ইউরো করে অর্থ খরচ করতে হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, একই ব্যক্তি বা সমর্থক একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় এই অনলাইন ভোটের নিরপেক্ষতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫ হাজার ৯ জন ভোটার একাধিকবার ভোট প্রদান করেছেন; যার মধ্যে ৪ হাজার ৬৬৫ জন দুই থেকে চারবার, ৩০০ জন পাঁচ থেকে নয়বার এবং ৪৪ জন জনসমর্থক ১০ থেকে ২৬ বার পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

টাকা খরচ করে এবং একই ভোটারের বারবার ভোট দেওয়ার এই সুযোগ থাকায় মেসির বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন যে, এই ফলাফল দিয়ে দুই কিংবদন্তির মাঠের পারফরম্যান্সের সুনির্দিষ্ট ও সঠিক মূল্যায়ন করা অসম্ভব। ২০১২ সালে বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে লিওনেল মেসি গোল করার যে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েছিলেন, তার সঙ্গে ২০০৮ সালের রোনালদোর পারফরম্যান্সের তুলনার ক্ষেত্রে এই ত্রুটিপূর্ণ ভোটিং সিস্টেম পুরোপুরি প্রভাব ফেলেছে বলে তাদের দাবি। ফলে সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অর মৌসুমের এই খেতাবটি নিয়ে ফুটবল বিশ্বে আলোচনা ও সমালোচনা সমান্তরালেই চলছে।

তথ্যসূত্র: গোল.কম


ডি-থ্রি ট্রফিতে শক্তিশালী দল গড়ল ওয়ালটন, লক্ষ্য শিরোপা

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৭ ২০:৫৯:৪২
ডি-থ্রি ট্রফিতে শক্তিশালী দল গড়ল ওয়ালটন, লক্ষ্য শিরোপা
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় দলের একঝাঁক তারকা ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন আয়োজন ‘ডি-থ্রি ট্রফি’তে শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড গড়েছে ওয়ালটন। গত সোমবার (২৬ অক্টোবর, ২০২৬) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ আট ঘণ্টার জমজমাট খেলোয়াড় নিলামে আকর্ষণীয় সব ক্রিকেটারদের দলে টানে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

নতুন এই টুর্নামেন্টে টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে এবং চার দিনের ক্রিকেট—এই তিন সংস্করণকে একই প্রতিযোগিতার আওতাভুক্ত করেছে বিসিবি। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেওয়া এই টুর্নামেন্টের নিলামে ২৬৯ জন ক্রিকেটারের মধ্য থেকে দলগুলো তাদের পছন্দের খেলোয়াড় বেছে নেয়। আগে থেকে নির্ধারিত আইকন ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ালটনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন জাতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া নিলাম থেকে ২২ জন ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়ে মোট ২৩ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড গঠন করেছে ওয়ালটন।

নিলামে ওয়ালটনের অন্যতম বড় চমক ছিল জাতীয় দলের গতি তারকা তাসকিন আহমেদ, যাকে পেতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে ব্যয় করতে হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্ট। এছাড়া লিটন কুমার দাসকে ১ কোটি ৫৫ লাখ, মুমিনুল হককে ৮০ লাখ এবং স্পিনার নাসুম আহমেদকে ৬৯ লাখ পয়েন্টে দলে নেওয়া হয়েছে। বোলিং আক্রমণকে আরও শাণিত করতে তরুণ পেসার ইকবাল হাসান ইমনকে ৬৬ লাখ এবং প্রতিশ্রুতিশীল অলরাউন্ডার সামিউন বাসির রাতুলকে ৫৪ লাখ পয়েন্টে দলে ভেড়ায় ওয়ালটন। পাশাপাশি আরিফুল ইসলাম (৬২ লাখ), মার্শাল আইয়ুব (৩৬ লাখ), রনি তালুকদার (৩০ লাখ), হাবিবুর রহমান সোহান ও রেজাউর রহমান রাজা (৩২ লাখ করে) সহ অন্যান্য তারকা ও উদীয়মান ক্রিকেটারদের নিয়ে দারুণ এক স্কোয়াড সাজানো হয়েছে।

অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের চমৎকার এই সমন্বয় নিয়ে দারুণ আশাবাদী ওয়ালটনের কোচ, জাতীয় দলের সাবেক সফল স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। নিলাম শেষে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি জানান, সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দল গঠন করা হয়েছে এবং তিন সংস্করণের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। এদিকে নিলামে ওয়ালটনের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খানও দলটির শিরোপা জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, দলে মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাসের মতো অভিজ্ঞ নেতৃত্ব দেওয়ার মতো একাধিক ক্রিকেটার থাকলেও এখনো দলের আনুষ্ঠানিক অধিনায়ক চূড়ান্ত করা হয়নি। কোচ আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ও দলের প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতে অধিনায়কত্ব চূড়ান্ত করা হবে। তারকা ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স, তরুণদের উদ্যম এবং সঠিক কোচিংয়ের মাধ্যমে মাঠে নিজেদের সেরাটা দিয়ে ডি-থ্রি ট্রফির প্রথম আসরেই শিরোপা ঘরে তুলতে চায় ওয়ালটন।

ডি-থ্রি ট্রফিতে ওয়ালটনের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

মেহেদী হাসান মিরাজ (আইকন), মুমিনুল হক সৌরভ, লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ, মার্শাল আইয়ুব, নাসুম আহমেদ, আরিফুল ইসলাম, রনি তালুকদার, মো. ইকবাল হাসান ইমন, নাহিদুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, রেজাউর রহমান রাজা, জিয়াউর রহমান, নাঈম আহমেদ, হাবিবুর রহমান সোহান, সামিউন বাসির রাতুল, চৌধুরী মো. রিজওয়ান, এস এম মেহেরব হাসান, ইমরানউজ্জামান, আসাদুজ্জামান পায়েল, রবিউল হাসান অনিক, রবিউল ইসলাম রবি ও রাকিব হাওলাদার।

/আশিক


চেলসির তরুণ তুর্কি এস্তেভাওকে দলে ভেড়াতে মরিয়া পিএসজি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৭ ১৯:২৩:৪৪
চেলসির তরুণ তুর্কি এস্তেভাওকে দলে ভেড়াতে মরিয়া পিএসজি
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন জানুয়ারির দলবদলে চেলসির উদীয়মান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এস্তেভাও উইলিয়ানকে ধারে (লোন) দলে ভেড়ানোর জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেছে ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। একের পর এক খেলোয়াড়ের ইনজুরির কারণে দলের আক্রমণভাগ কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ায় বিকল্প ফরোয়ার্ডের খোঁজে রয়েছে ক্লাবটি। আর এই ১৯ বছর বয়সী তরুণ তারকাকে প্যারিসে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন খোদ কোচ লুইস এনরিকে।

চলতি মৌসুমে ফিটনেস সমস্যা ও ইনজুরির কবলে পড়ে বেশ বিপাকে পড়েছে পিএসজি। যদিও সোমবার লিগে লিওঁর বিপক্ষে মিকেল গডটস ও সেনি মায়ুলুর চমৎকার পারফরম্যান্সে ফরাসি লিগ ওয়ানের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে দলটি, তবুও কোচ এনরিকে নিজ স্কোয়াডের সীমাবদ্ধতা নিয়ে বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সামনে রয়েছে দীর্ঘ ও কঠিন শিডিউল; তার ওপর খাভিচা কভারাৎসখেলিয়া ও উসমান দেম্বেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ তারকারা চোটে পড়ায় এনরিকের হাতে আক্রমণভাগে কার্যকর অপশন প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। চলতি মৌসুমে বড় কোনো সাফল্য অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা পিএসজি কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে নারাজ। ফলে শীতকালীন দলবদলে আক্রমণভাগকে দ্রুত শক্তিশালী করতে বেশ মরিয়া হয়ে উঠেছে ক্লাবটির ম্যানেজমেন্ট।

শীতকালীন এই দলবদলে চেলসির সম্ভাবনাময় তরুণ রত্ন খ্যাত ব্রাজিলিয়ান এস্তেভাওকেই সবচেয়ে উপযোগী ও কার্যকর লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে পিএসজি। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে পালমেইরাস থেকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে পা রাখার পর থেকেই মূল একাদশে নিয়মিত জায়গা পাওয়ার জন্য বেশ লড়াই করতে হচ্ছে এই তরুণ ফরোয়ার্ডকে। এমনকি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে মূল একাদশে (স্টার্টার হিসেবে) মাঠে নামার সুযোগ পাননি তিনি।

ফরাসি ক্রীড়ামাধ্যম ‘ফুট০১’-এর তথ্য অনুযায়ী, লুইস এনরিকে এই ব্রাজিলিয়ান তরুণের খেলার শৈলী ও মুভমেন্টে ভীষণ মুগ্ধ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, স্প্যানিশ এই মাস্টারমাইন্ড এবং পিএসজির প্রভাবশালী স্পোর্টিং অ্যাডভাইজর লুইস কাম্পোস দুজনেই এস্তেভাওকে দলে ভেড়াতে গভীরভাবে আগ্রহী। পিএসজির এই দুই শীর্ষ কর্তার যৌথ সম্মতির কারণেই সম্ভাব্য এই লোন চুক্তির সম্ভাবনা দিন দিন আরও জোরালো হচ্ছে। ফরাসি ফুটবলে স্বল্পমেয়াদি এই সময়ের সদ্ব্যবহার করে এস্তেভাওয়ের সর্বোচ্চ প্রতিভা বের করে আনার ব্যাপারে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী এনরিকে।

উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আগ্রহ থাকলেও, এই চুক্তির ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর ও সুনির্দিষ্ট শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইংলিশ ক্লাব চেলসি। জনপ্রিয় স্পোর্টস পোর্টাল ‘টিমটক’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই ক্লাবের ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ইতিমধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ব্রাজিলের এই তরুণ উইঙ্গারের চুক্তি নবায়ন, সম্পূর্ণ বেতন এবং মাঠে নিয়মিত খেলার সময় নিয়ে কিছু কঠিন বাধ্যবাধকতা সামনে এনেছে লন্ডনের ক্লাবটি।

চেলসি তাকে কেবল শর্তহীন লোন ভিত্তিতে ছাড়তে ইচ্ছুক, কারণ তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এই ব্রাজিলিয়ানের একটি সুদীর্ঘ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। এছাড়া, পিএসজিকে খেলোয়াড়ের সম্পূর্ণ বেতন নিজেদের কাঁধে নিতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, এস্তেভাও যেন প্যারিসে গিয়েও বেঞ্চে অলস সময় না কাটান, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সংখ্যক মিনিট মাঠে না খেললে পিএসজির ওপর আর্থিক জরিমানা আরোপের মতো কঠোর ধারাও চুক্তিতে যুক্ত করতে চাইছে ব্লুজরা।

যদিও এই শর্তগুলো নিয়ে বর্তমানে দুই ক্লাবের মধ্যে দরকষাকষি চলছে, তবুও চেলসি মূলত এই শীতকালীন বাজারেই এস্তেভাওকে প্যারিসে পাঠানোর ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে বলে জানা গেছে। চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত রূপ পেলে উভয় পক্ষই লাভবান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে এস্তেভাও যেমন ইউরোপিয়ান ফুটবলে সর্বোচ্চ স্তরে খেলার মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, তেমনি পিএসজিও তাদের শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে দলের গভীরতা বহুলাংশে বাড়িয়ে নিতে সক্ষম হবে।

/আশিক


শেষ হলো বিসিবির নতুন ডি-থ্রি টুর্নামেন্টের আকর্ষণীয় ক্রিকেটার নিলাম

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৬ ১৮:৫৮:৫১
শেষ হলো বিসিবির নতুন ডি-থ্রি টুর্নামেন্টের আকর্ষণীয় ক্রিকেটার নিলাম
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন ডমেস্টিক থ্রি (ডি-থ্রি) টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী নিলাম আজ সোমবার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি একজন করে আইকন ক্রিকেটারের পাশাপাশি আরও ২২ জন করে মোট ২৩ জনের শক্তিশালী স্কোয়াড গঠন করেছে। আগামী তিন বছর এই দলগুলোই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন দল কেমন স্কোয়াড সাজিয়েছে

ফরচুন গ্রুপ

তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেন, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তানভির ইসলাম, ইবাদত হোসেন, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, মুশফিক হাসান, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আকবর আলী, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, এনামুল হক আশিক, স্বাধীন ইসলাম, শামীম মিয়া, নুহায়েল সানদিদ, মোহাম্মদ হোসাইন, নিলয় রঞ্জন শীল, সৈকত আলী, হাফিজুর রহমান এবং ইসলামুল আহসান আবির।

ওয়ালটন

মেহেদী হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ, মার্শাল আইয়ুব, নাসুম আহমেদ, আরিফুল ইসলাম, রনি তালুকদার, ইকবাল হোসেন ইমন, নাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, রেজাউর রহমান রাজা, জিয়াউর রহমান, হাবিবুর রহমান সোহান, সামিউন বশির রাতুল, চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান, এসএম মেহেরব হোসেন, ইমরানুজ্জামান, আসাদুজ্জামান পায়েল, নাঈম আহমেদ, রবিউল হাসান অনিক, রবিউল ইসলাম রবি এবং রাকিব হাওলাদার।

এইস ব্লু স্টার

নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, এনামুল হক বিজয়, আফিফ হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয়, ইফতিখার হোসেন ইফতি, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, আবু হাশিম, আবু হায়দার রনি, সাদিকুর রহমান, কালাম সিদ্দিকী অ্যালিন, সফর আলী, ইয়াসিন হোসেন, রহিম আহমেদ, আনামুল হক আনাম, আজিজুল হাকিম রনি, আব্দুর রহিম, আদিল বিন সিদ্দীক এবং শাহাদাত রহমান সম্রাট।

সেভেন রিংস সিমেন্ট

মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, খালেদ আহমেদ, সাদমান ইসলাম, জাকির হাসান, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, মোহাম্মদ মিঠুন, মোহাম্মদ ইরফান হোসেন, শেখ পারভেজ জীবন, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, আনিসুল ইসলাম ইমন, আনামুল হক, দেবাশীষ সরকার, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, রাফিউজ্জামান রাফি, রিজান হোসেন, রায়ান রাফসান রহমান, তাফসির আরাফাত তাসিব, ফারহান সাদিক এবং আব্দুল্লাহ আল মুমিন।

একমি গ্রুপ

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, নাঈম হাসান, আলিস আল ইসলাম, মোহাম্মদ রুবেল, অমিত হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, শাহাদাত হোসেন দিপু, রাকিবুল হাসান, রিপন মণ্ডল, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, খালিদ হাসান, জাওয়াদ আবরার, মারুফ মৃৃধা, ইয়াসিন মিয়া, মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান, সাব্বির হোসেন, রুয়েল মিয়া, আহরার আমিন পিয়ান, আল আমিন রনি এবং অনিক সরকার।

সিটিজেনস ব্যাংক

নাইম শেখ, সাইফ হাসান, জাকের আলী, শরিফুল ইসলাম, হাসান মুরাদ, ইয়াসির আলী রাব্বি, সুমন খান, আজিজুল হাকিম তামিম, জিসান আলম, তাইবুর রহমান পারভেজ, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শুভাগত হোম, শফিকুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, তোফায়েল হাসান, আল ফাহাদ, মইন খান, আরিফ আহমেদ, লিওন ইসলাম, আশিকুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আল মুহী, ইকবাল হোসেন ইমন, অনিক দেব বর্মন এবং হুমায়ন আহমেদ।

/আশিক


সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য রেকর্ড

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৬ ১৮:২০:২৮
সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য রেকর্ড
ছবি : সংগৃহীত

ফুটবলারদের ব্যক্তিগত অর্জনের শীর্ষ স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর। ১৯৫৬ সালে প্রবর্তিত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জেতার স্বপ্ন বিশ্বের প্রতিটি ফুটবলারই লালন করেন। তবে অতি অল্প বয়সে এই অনন্য কীর্তি গড়ার ইতিহাস খুব বেশি খেলোয়াড়ের নেই। ফুটবলের দীর্ঘ ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জয়ের অবিসংবাদিত রেকর্ডটি ধরে রেখেছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো নাজারিও।

১৯৯৭ সালে বার্সেলোনার জার্সিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং ব্রাজিলের হয়ে কোপা আমেরিকা জয়ের সুবাদে মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন রোনালদো। প্রায় তিন দশক অতিক্রান্ত হলেও পুরুষ বিভাগে সবচেয়ে কম বয়সী ব্যালন ডি’অর জয়ী হিসেবে তাঁর এই রেকর্ডটি আজও অক্ষুণ্ণ রয়েছে। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের তারকা মাইকেল ওয়েন; যিনি ২০০১ সালে লিভারপুলের হয়ে এফএ কাপ, লিগ কাপ ও উয়েফা কাপ জয়ের পথে ২২ বছর ৪ দিন বয়সে এই সম্মান অর্জন করেন।

তালিকার তৃতীয় স্থানে নাম রয়েছে আর্জেন্টিনার জাদুকর লিওনেল মেসির। ২০০৯ সালে বার্সেলোনার ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের বছরে ২২ বছর বয়সে তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি’অর জেতেন, যা পরবর্তীতে রেকর্ড আটবার জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। চতুর্থ স্থানে থাকা উত্তর আয়ারল্যান্ডের কিংবদন্তি জর্জ বেস্ট ১৯৬৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ইউরোপিয়ান কাপ জয়ের সুবাদে ২২ বছর বয়সে এই পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া পঞ্চম স্থানে অবস্থান করা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ওলেগ ব্লোখিন ১৯৭৫ সালে ডায়নামো কিয়েভের হয়ে ঘরোয়া ও ইউরোপীয় শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ২৩ বছর বয়সে ব্যালন ডি’অর নিজেদের ঝুলিতে পুরেছিলেন। মাইকেল ওয়েন, লিওনেল মেসি বা জর্জ বেস্টের মতো বিশ্বসেরা তারকারাও তরুণ বয়সে এই সম্মান অর্জন করলেও ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিওর সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জয়ের সেই ঐতিহাসিক রেকর্ড এখনও ভাঙতে পারেননি কেউ।

/আশিক


বড় ধাক্কা খেল সান্তোস, বড় নিষেধাজ্ঞায় নেইমার

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৫ ১৭:৩৮:৪৫
বড় ধাক্কা খেল সান্তোস, বড় নিষেধাজ্ঞায় নেইমার
ছবি : সংগৃহীত

সান্তোসের জার্সিতে মাঠে নেমে বড় ধাক্কা খেলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র। লাল কার্ড ও আগের হলুদ কার্ডের খড়গে তাকে আগামী দুই ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। গত শনিবার ঘরের মাঠে বাহিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল সান্তোস। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় দলটি। ম্যাচের প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে এক দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন নেইমার।

প্রথমার্ধের খেলা শেষে বিরতি কাটিয়ে মাঠে ফেরার মুহূর্তে আবারও নেস্তরের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান এই ফরোয়ার্ড। তর্কের একপর্যায়ে মুখ ঢেকে কথা বলার কারণে বিষয়টি নিয়ে রেফারির কাছে অভিযোগ জানান বাহিয়ার মিডফিল্ডার নেস্তর। এরপর ভিডিও সহকারী রেফারির বা ভিএআরের সাহায্য নেন রেফারি। ‘ভিনি জুনিয়র রুল’-এর নিয়ম প্রয়োগ করে নেইমারকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়।

মাঠ ছাড়ার সময়ও উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে ছিল। রেফারি লাল কার্ড দেখানোর পরও নেস্তরের সঙ্গে পুনরায় বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর চেষ্টা করেন সান্তোসের এই তারকা। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে এসে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি এবং দাবি করেন যে নেস্তর অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তার সঙ্গে এমন আচরণ করেছিলেন।

নেইমার লাল কার্ড দেখায় সান্তোস দশ জনের দলে পরিণত হলেও দল লড়াই চালিয়ে যায়। ম্যাচে দলের হয়ে লুয়ান পেরেস বলের লড়াইয়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখান। পরবর্তীতে বেনজামিন রোলহেইসারের নিখুঁত ক্রস থেকে আক্রমণ শাণিয়ে গোল আদায় করে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়ে ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ করে এক মূল্যবান পয়েন্ট অর্জন করে স্বাগতিক সান্তোস।

/আশিক


স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন লিওনেল মেসি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ২০:২৫:০৮
স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন লিওনেল মেসি
ছবি : সংগৃহীত

অসাধারণ ফুটবল ক্যারিয়ারের গৌরবময় সাফল্য এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রিন্সেস অব আস্তারিয়াস’ ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি।

শুক্রবার স্পেনের উত্তরাঞ্চলীয় আস্তারিয়াস অঞ্চলের রাজধানী ওভিয়েদোতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে স্পেনের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্সেস লিওনরের হাত থেকে এই আনুষ্ঠানিক সনদ গ্রহণ করেন ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ওভিয়েদোর ওই অনুষ্ঠানে মেসি পৌঁছালে আর্জেন্টিনার জার্সি পরিহিত শত শত সমর্থক স্লোগান ও উল্লাসের মাধ্যমে তাঁকে বরণ করে নেন। জুরিবোর্ড তাঁকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলার’ হিসেবে অভিহিত করার পাশাপাশি মাঠের বাইরের মানবিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে। অনুষ্ঠানে প্রিন্সেস লিওনর তাঁর বক্তৃতায় মেসির অনন্য ক্রীড়াশৈলী, দলের প্রতি সনিষ্ঠতা এবং ব্যক্তিগত অহংকারের ঊর্ধ্বে ওঠার মানসিকতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ ২১ বছর বার্সেলোনায় সফল অধ্যায় পার করার পর পিএসজি ঘুরে বর্তমানে মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামির নেতৃত্ব দেওয়া মেসি গত বছরের শুরুতেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান। ১৯৮১ সাল থেকে প্রবর্তিত স্প্যানিশ ভাষাভাষী বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের সঙ্গে ৫০ হাজার ইউরো অর্থমূল্য প্রদান করা হয়। খেলাধুলা ছাড়াও এ বছর বিজ্ঞান, শিল্পকলা ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রাখায় ব্রিটিশ লেখক জুলিয়ান বার্নস, নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ এবং সংগীত তারকা প্যাটি স্মিথের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই পুরস্কার অর্জন করেছেন।

/আশিক


ফুটবল বিশ্বে নতুন জল্পনা: সেরা কোচের পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যিনি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৯:০৯:১৯
ফুটবল বিশ্বে নতুন জল্পনা: সেরা কোচের পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যিনি
ছবি : সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অরের সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা-কল্পনা। পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে, আর্সেনালের মিকেল আর্তেতা ও অ্যাস্টন ভিলার উনাই এমেরির মতো হেভিওয়েট ক্লাব কোচদের পেছনে ফেলে এই লড়াইয়ে পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন স্পেনের জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মাধ্যম গোল ডটকমের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) লন্ডনে অনুষ্ঠেয় জমকালো এই আয়োজনে সেরা কোচ হিসেবে দে লা ফুয়েন্তের হাতেই ট্রফি ওঠার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

মনোনীতদের তালিকায় বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পানি স্থান পেলেও মূল আকর্ষণ তৈরি হয়েছে দে লা ফুয়েন্তে এবং পিএসজিকে টানা দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ উপহার দেওয়া লুইস এনরিকের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কেন্দ্র করে। এই অনুষ্ঠানে দে লা ফুয়েন্তেকে সংবর্ধনা জানাতে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাফায়েল লুজানসহ স্প্যানিশ ফুটবল প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার লন্ডনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

স্প্যানিশ কোচের এমন এগিয়ে থাকার পেছনে কাজ করেছে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর দুর্দান্ত সাফল্য। তাঁর অধীনে স্পেন কেবল বিশ্বকাপই জয় করেনি, বরং পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে মাত্র একটি গোল হজম করার অনন্য রেকর্ড গড়েছে। এছাড়া দলটির শক্তিশালী রক্ষণভাগ ও দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে তারা ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানও অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: