অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে সরকার

সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক এবং পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তরটি টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মিয়ানমার সীমান্তে অপরাধ দমনে ইতোমধ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সাথে ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।
সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং ‘মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে এই বিষয়টি সবসময় জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সবসময়ই আত্মরক্ষার অজুহাতে সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র (লেথাল উইপন) ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছে। তবে সীমান্তে নিহতদের পরিবারকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সমঝোতা হয়নি বলে তিনি জানান।
সংসদে অনুপ্রবেশের পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক জোরপূর্বক পুশইন করা ২ হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ১১ জনকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে এবং বাকিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের পক্ষ থেকে অন্তত ৩৬ বার পুশইনের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে।
/আশিক
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন ব্যবসায়ী সমন্বয়ে গঠিত এক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, শিল্প খাতে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেছে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, দেশের বেসরকারি খাতের বিকাশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোতে দ্রুত ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে পণ্য খালাসের সময় ও খরচ কমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়বে। একই দিনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় একাধিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও যৌথ উদ্যোগে অর্থনীতিকে গতিশীল করার বিষয়গুলোতে ঐকমত্য দেখা গেছে।
/আশিক
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন ব্যবসায়ী সমন্বয়ে গঠিত এক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও অর্থনৈতিক সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আয়োজিত এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, শিল্প খাতে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেছে।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, দেশের বেসরকারি খাতের বিকাশ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল করতে সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোতে দ্রুত ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়িত হলে পণ্য খালাসের সময় ও খরচ কমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়বে। একই দিনে দেশের শীর্ষ স্থানীয় একাধিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রপ্তানি সম্প্রসারণ ও যৌথ উদ্যোগে অর্থনীতিকে গতিশীল করার বিষয়গুলোতে ঐকমত্য দেখা গেছে।
/আশিক
আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ
ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ত্বরান্বিত এবং দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দেশের সকল বন্দর দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রাইভেট সেক্টর বা বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য খালাস ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন বা '২৪ ঘণ্টা' করার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
উক্ত প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের সমন্বয়ে সামনের দিনগুলোতে নিশ্চিত করা হবে যেন দেশের প্রতিটি সমুদ্র, স্থল ও আকাশ বন্দর ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করতে পারে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য বহুগুণ দ্রুত ও গতিশীল হবে।
শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এই দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ বৈঠকে বেসরকারি খাতের বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ, ইকোনমিক জোন (বেজা) ও রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা)-তে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সার্বিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে স্পষ্ট করা হয়, তরুণ ও নারী সমাজের জন্য ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার। 'সবার আগে বাংলাদেশ' এই নীতিকে সামনে রেখে দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগবান্ধব ও ব্যবসা-সহায়ক বাজেট ও পলিসি সাপোর্ট বজায় রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উপস্থিত বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিক পলিসিগত সিদ্ধান্তে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।
/আশিক
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব স্থবির কারখানায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা বা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আইনি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন এবং বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকের সভাপতি চলতি বছরের মধ্যেই এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে দেশে সার্বিক বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থা ও বিভাগকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল
সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। পূর্বের সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সলিসিটর অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন তারিখে জারিকৃত স্মারকমূলে ইতিপূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে 'বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, ১৯৭২' (P.O. No. 6 of 1972)-এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পুনর্বিন্যাসপূর্বক মোট ২৬৫ জন আইন কর্মকর্তাকে (৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল) অবিলম্বে কার্যকরের উদ্দেশ্যে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনায় গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই আইন কর্মকর্তাদের এই নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
/আশিক
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের ঘটনার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। ডিবি সূত্রে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলার ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের সুনির্দিষ্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই গুলশানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আইনের আওতায় নেওয়া হয়।
এর আগে বুধবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির হয়ে লতিফ সিদ্দিকী নিজেই আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানান। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তার না করলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানাবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। তবে বিকেলেই তাঁকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, লতিফ সিদ্দিকী পূর্বেও ভিন্ন একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে মুক্ত পান। এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানায় নতুন করে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হলো।
/আশিক
একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকা ও নয়াদিল্লি পারস্পরিক স্বার্থ ও সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘আমরা উভয়েই একমত যে, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’ এ সময় পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টাও উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এটি কেবল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তাই নির্দিষ্ট কোনো দ্বিপক্ষীয় অস্বস্তিকর বিষয় বা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি, তবে আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার সব বিষয় নিয়েই টেবিলে আলোচনা হবে।
আসন্ন ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সিদ্ধান্ত হলে তা দ্রুত জানানো হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদানের এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সফরের আমন্ত্রণ থাকায় সব কর্মসূচি একসাথে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের আসন্ন ঢাকা সফরকে ‘অনুসন্ধানমূলক’ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রাধিকারগুলো ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। ঢাকার কূটনীতিকে ‘জিরো-সাম গেম’ (একটি দেশের সাথে সম্পর্ক বাড়লে অন্যের সাথে অবনতি হওয়া) হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে সব দেশের সাথেই ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।
অন্যদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে। সাংস্কৃতিক বিনিময়, বাণিজ্য ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ভিত্তিতে আগামী দিনে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
দেশে পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ কমাতে ইলেকট্রিক যানবাহনের (ইভি) ব্যবহার বাড়ানো, পুরনো বাস অপসারণে পরিবেশবান্ধব ‘স্ক্র্যাপ নীতি’ প্রণয়ন এবং ঢাকার অভ্যন্তরে যানজট নিরসনে টার্মিনাল পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। জাতীয় বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
সরকারের মূল লক্ষ্য হলো একটি নিরাপদ, সময়োপযোগী, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বিশ্বমানের পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ইলেকট্রিক যানবাহনের প্রসারে ইতোমধ্যে কর বা শুল্ক কাঠামোতে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে ইভি আমদানিতে প্রায় ৬২ শতাংশ কর প্রযোজ্য ছিল, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে যাতে উদ্যোক্তারা এই শিল্পে বিনিয়োগে উৎসাহিত হন এবং সাধারণ মানুষের পক্ষেও ইভি ক্রয় করা সহজ হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় ইভি চার্জিং অবকাঠামো বা চার্জিং স্টেশন স্থাপনের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নগরীর ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গণপরিবহন অপসারণে নতুন একটি কৌশলগত পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৫ বছর বা তার বেশি পুরনো এবং চলাচলের অনুপযোগী বাসগুলোকে কেবল স্রেফ 'ডাম্পিং' করে ফেলে রাখা হবে না। বরং পরিবেশসম্মত উপায়ে ‘স্ক্র্যাপিং’ করে সেখান থেকে লোহা, ইস্পাতসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামাল পৃথক করা হবে, যা দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় নতুন করে কাজে লাগানো যাবে।
রাজধানী ঢাকার চিরচেনা যানজট নিরসনে বাস টার্মিনালগুলোর পুনর্বিন্যাসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে একই টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা ও সিটি বাস পরিচালিত হওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ঢাকার অভ্যন্তরীণ বাসস্ট্যান্ডগুলোকে শুধু সিটি বাস চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট রাখা হবে এবং দূরপাল্লার বা আন্তঃজেলা বাসগুলোকে রাজধানীর প্রবেশমুখে নির্ধারিত আধুনিক টার্মিনালে স্থানান্তরিত করা হবে। এর ফলে শহরের মূল সড়কে ভারী বাসের চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেট্রো রেল, মনোরেল এবং আধুনিক ইলেকট্রিক সিটি বাসকে একই নেটওয়ার্কের আওতায় এনে একটি 'একীভূত গণপরিবহন নেটওয়ার্ক' গড়ে তুলতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে যাত্রীরা খুব সহজেই একক টিকিট ও সমন্বিত নেটওয়ার্কে এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাতায়াত করতে পারবেন। এর ফলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর মানুষের নির্ভরতা কমবে এবং ঢাকাকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
/আশিক
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আশ্বাস
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে শীর্ষ কূটনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় হাইকমিশনার প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে এক পৃথক বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়। উভয় পক্ষই অভিন্ন স্বার্থে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনার ঢাকায় তাঁর কূটনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেন। পরিচয়পত্র পেশের নির্দিষ্ট সময় পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, নতুন হাইকমিশনার দায়িত্ব পালনের পর সম্প্রতি বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটন ভিসা দেওয়া আবারও চালু করা হয়েছে, যা দীর্ঘ দিন ধরে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতায় আটকে ছিল। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের মধ্যকার জনগণের পর্যটন, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
- ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে ড্রোন তাণ্ডব: আন্তর্জাতিক ষড়যন্তের দিকে আঙুল ইরানের
- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড চুলা: কেনার আগে জেনে নিন কাজের পার্থক্য
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
- যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন, প্রভাবিত হবে বাংলাদেশও
- স্ত্রীর কবর খননকালে ২৪ বছর পর স্বামীর অক্ষত দেহ উদ্ধার
- আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিশ্বজয়ে আবার স্বর্ণের দামে দরপতন
- হয়ে গেল সাফের ড্র: সহজ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশ, সহজ হলো সেমির পথ
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ
- আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া কেমন থাকবে? যা জানাল অধিদপ্তর
- কুমিল্লা প্রেস ক্লাব নির্বাচন আজ, ১৬ পদে লড়ছেন ৩২ প্রার্থী
- ৩ লাখ ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার সম্মত: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
- আগস্টের ডিজেল-অকটেন-পেট্রোলের দাম নির্ধারণ
- হজযাত্রীদের বড় সুখবর: হজের বিমান টিকিটের দাম আরও কমাল সরকার
- বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্যে প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন
- ব্রাজিলে তীব্র ঝড়ে দেয়াল ধসে নিহত সাবেক জনপ্রিয় ফুটবলার
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
- আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- দেশের ৭ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশ টাইগার্সের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান
- অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল
- কেশম দ্বীপে স্বজন হত্যার প্রতিশোধ: জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ আইআরজিসির
- হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, মধ্যপ্রাচ্যকে কী বার্তা দিচ্ছে 'বাহরাইন শিল্ড'?
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
- একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
- নেতৃত্বের রদবদল: বিসিবির বোর্ড সভায় নতুন ওয়ানডে অধিনায়কের ঘোষণা
- আর্জেন্টিনা ম্যাচে প্রটোকল ভেঙে এমবোলোকে লাল কার্ড: আইএফএবি
- পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
- মাঠে ও সেটে সমান দাপট, শুটিং স্পটে মেসির 'ভামোস' রহস্য উন্মোচন
- উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ৮ বিভাগেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- শ্রীমঙ্গলের পর বাহুবলে আবার বাধা: সড়কের ওপরই বসে পড়লেন এনসিপি নেতারা
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আশ্বাস
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী, দেশের বাজারে উল্টো পতন
- পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের পথে এনসিপি নেতারা
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- দুই যুদ্ধ একসূত্রে: ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত কি এখন মহাযুদ্ধে রূপ নিচ্ছে?
- যে ভুলের কারণে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ হতে পারে আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট
- বৈঠকের আগেই চটলেন ট্রাম্প: তোপের মুখে নেতানিয়াহু
- হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় সারজিস ও নাসীরুদ্দীনের গাড়িবহরে হামলা
- টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান বিএসটিআইয়ের
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- আন্তর্জাতিক মুক্তির একদিন আগেই স্টার সিনেপ্লেক্সে আসছে নতুন ‘স্পাইডার-ম্যান’
- চুক্তি না হলে ইরানের 'পিকেক্স মাউন্টেন' পরমাণু কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
- দেশের ২৬টি টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক, ইএসডিওর গবেষণায় উদ্বেগ
- ইউক্রেন ও হুতিদের প্রবেশে নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত ইরান যুদ্ধ
- স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি
- ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার: শামা ওবায়েদ
- বিশ্বকাপ ফাইনালই ছিল মেসির শেষ ম্যাচ, বিস্ফোরক বার্তা সতীর্থ পারেদেসের
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ফরিদপুরে হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানে সোলার লাইট চুরি, অন্ধকারে আচ্ছন্ন এলাকা
- জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে বিদেশের লিগে নতুন শুরুর সামনে শামীম
- ২০৩৬ সালের মধ্যে অর্থের প্রয়োজনই ফুরিয়ে যাবে: ইলন মাস্ক








