চেলসির বয়সভিত্তিক দলে জাইমা? আসল সত্য জানালেন আমিনুল হক

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১১:৩৩:৫৮
চেলসির বয়সভিত্তিক দলে জাইমা? আসল সত্য জানালেন আমিনুল হক
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের লন্ডনের ক্লাব চেলসিতে খেলার সুযোগ পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটাতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন, জাইমার চেলসিতে সুযোগ পাওয়ার বিষয়ে তার দেওয়া বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই সাবেক গোলরক্ষক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন নিয়মিত ফুটবল খেলতেন এবং সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

আমিনুল হক উল্লেখ করেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার বিষয়টি তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকেই শুনেছিলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান তাদের মেয়েকে খেলাধুলার চেয়ে লেখাপড়ায় বেশি মনোযোগী হতে বলেছিলেন। তারা দুজনেই অত্যন্ত ক্রীড়াপ্রেমী হওয়া সত্ত্বেও সন্তানকে আগে উচ্চশিক্ষিত ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে আমিনুল হক আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন তাদের মধ্যে গোলকিপিং নিয়ে কিছু স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়। সেদিনের স্মৃতি টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, “আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।” জাইমা মূলত স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং উচ্চতায় লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।

আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন যে, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি গভীর ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।

/আশিক


এক হলুদ কার্ডেই ভাঙতে পারে বিশ্বকাপের স্বপ্ন; ফিফার নতুন টাইব্রেকার নিয়মে যা জানা গেল

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ২০:১৩:৪১
এক হলুদ কার্ডেই ভাঙতে পারে বিশ্বকাপের স্বপ্ন; ফিফার নতুন টাইব্রেকার নিয়মে যা জানা গেল
ছবি : সংগৃহীত

৪৮ দলের এই বিশাল বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে পরবর্তী রাউন্ড নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি আগের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। ফিফার নতুন নির্দেশনা ও বৈশ্বিক ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রচলিত রীতিনীতি অনুযায়ী গ্রুপ টেবিলের টাইব্রেকার ও সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল বাছাইয়ের নিয়মে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন এসেছে।

গ্রুপ পর্ব শেষে যদি কোনো গ্রুপের দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, তবে ধাপে ধাপে কয়েকটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড প্রয়োগ করে ভাগ্য নির্ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় এবার সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে মুখোমুখি লড়াই বা হেড-টু-হেড রেকর্ডের ওপর। অর্থাৎ, টাইয়ে থাকা দলগুলো নিজেদের মধ্যে যে ম্যাচগুলো খেলেছে, সেখানে যে দল বেশি পয়েন্ট পেয়েছে সে তালিকায় এগিয়ে থাকবে। যদি মুখোমুখি ম্যাচের পয়েন্টও সমান হয়, তবে শুধু সেই দলগুলোর নিজেদের মধ্যকার ম্যাচের গোল ব্যবধান এবং এরপর নিজেদের মধ্যকার ম্যাচে করা সর্বমোট গোলসংখ্যা বিবেচনা করা হবে।

মুখোমুখি লড়াইয়ের এই ‘মিনি-টেবিল’ সমীকরণেও যদি কোনো সমাধান না আসে, তবেই কেবল পুরো গ্রুপ পর্বের সামগ্রিক গোল ব্যবধান দেখা হবে। সামগ্রিক গোল ব্যবধান সমান হলে বিবেচনায় আসবে ৩ ম্যাচে করা সর্বমোট গোলসংখ্যা। এরপরও যদি দলগুলোকে আলাদা করা না যায়, তবে ফিফা শৃঙ্খলা বা ফেয়ার প্লে পয়েন্ট বিবেচনা করবে। যেখানে কম হলুদ ও লাল কার্ড পাওয়া দলকে নকআউটের টিকিট দেওয়া হবে। সবশেষ ধাপ হিসেবে দলগুলোর অফিশিয়াল ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং দেখা হবে এবং সেটিও সমান হলে লটারির মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

অন্যদিকে, ১২টি গ্রুপের প্রতিটি থেকে শীর্ষ দুটি দল সরাসরি রাউন্ড অব ৩২-এ চলে যাওয়ার পর বাকি ৮টি স্লট পূরণের জন্য একটি ভার্চুয়াল ‘ওয়াইল্ডকার্ড টেবিল’ তৈরি করা হবে। ১২টি গ্রুপের তৃতীয় স্থান পাওয়া দলগুলোর মধ্যে এই তুলনা করা হবে। যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপের তৃতীয় স্থানধারী দলগুলো একে অপরের মুখোমুখি হয় না, তাই এই ওয়াইল্ডকার্ড টেবিলে কোনো হেড-টু-হেড নিয়ম খাটবে না। এখানে দলগুলোর অবস্থান নির্ধারণে ক্রমানুসারে সর্বমোট পয়েন্ট, সামগ্রিক গোল ব্যবধান, মোট গোলসংখ্যা, ফেয়ার প্লে রেকর্ড এবং সবশেষে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং বিবেচনা করা হবে। ফলে, এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোতে কেবল ম্যাচ জেতাই নয়, কার্ড বাঁচিয়ে খেলা এবং গোলের ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়া প্রতিটি দলের নকআউট ভাগ্যের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

/আশিক


মেসি বনাম নেইমার বিতর্ক: বার্সা তারকা ইয়ামালের চোখে কে সেরা, কে আদর্শ?

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ১৮:৪৪:২৬
মেসি বনাম নেইমার বিতর্ক: বার্সা তারকা ইয়ামালের চোখে কে সেরা, কে আদর্শ?
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব ফুটবলের বরপুত্র লিওনেল মেসিকে ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে গণ্য করেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ বিস্ময়বালক লামিনে ইয়ামাল। তবে নিজের ব্যক্তিগত আদর্শ বা আইডল বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অনন্য এক নাম উল্লেখ করেছেন—ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ফুটবল দর্শন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইয়ামাল এই মন্তব্য করেন।

সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেন, “প্রতিটি ম্যাচই প্রমাণ করে যে মেসি ইতিহাসের সেরা। যদি কারও সন্দেহ থাকে, তাহলে সেটা শুধু সন্দেহ করার জন্যই। এ নিয়ে আর কিছু বলার নেই। তবে আমার আদর্শ নেইমার, আর সেরা হলো মেসি।” ইয়ামালের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে, যেখানে তিনি একই সঙ্গে মেসির শ্রেষ্ঠত্ব এবং নেইমারের খেলার প্রতি তার মুগ্ধতাকে প্রকাশ করেছেন।

বর্তমানে ইয়ামাল চোট কাটিয়ে পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা এই বার্সা তারকা এখনই নিজের শরীরে পূর্ণ ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। পুরোপুরি ফিট হয়ে ওঠার পথে আছেন উল্লেখ করে ইয়ামাল জানান, কোচের নির্দেশনা অনুযায়ী যতটা সময় প্রয়োজন, তিনি মাঠে দিতে প্রস্তুত। দলের সাথে শতভাগ মানিয়ে নেওয়ার এই প্রক্রিয়াকে তিনি কোনোভাবেই তাড়াহুড়ো করে নষ্ট করতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন।

/আশিক


স্পেন-সৌদি আরবসহ আজ বিশ্বকাপের বড় ছয় লড়াই, এক নজরে পূর্ণ সূচি

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ১০:৫১:১৫
স্পেন-সৌদি আরবসহ আজ বিশ্বকাপের বড় ছয় লড়াই, এক নজরে পূর্ণ সূচি
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ক্রমেই উত্তেজনার নতুন মাত্রায় পৌঁছাচ্ছে। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচ এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কোনো দল নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করতে চাইছে, আবার কেউ টুর্নামেন্টে টিকে থাকার শেষ লড়াইয়ে মাঠে নামছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ থেকে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে টানা ছয়টি হাইভোল্টেজ ম্যাচ।

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি দর্শকের পাশাপাশি বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে বাড়তি উন্মাদনা। ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দল আজ মাঠে নামবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে।

দিনের প্রথম ম্যাচে সকাল ৬টায় মুখোমুখি হবে ইকুয়েডর ও কুরাসাও। কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকলেও ইকুয়েডরকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ দেবে না কুরাসাও। সাম্প্রতিক সময়ে আক্রমণভাগে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দলটি চমক দেখানোর চেষ্টা করছে।

সকাল ১০টায় মাঠে নামবে তিউনিসিয়া ও জাপান। এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল জাপান তাদের গতিময় ফুটবলের জন্য পরিচিত। অন্যদিকে, তিউনিসিয়া শারীরিক সক্ষমতা ও শক্তিশালী রক্ষণভাগের ওপর ভর করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে চাইবে।

রাত ১০টার ম্যাচে ফুটবলপ্রেমীদের বিশেষ নজর থাকবে স্পেন ও সৌদি আরবের লড়াইয়ের দিকে। টিকি-টাকা দর্শনের আধুনিক সংস্করণ নিয়ে খেলতে থাকা স্পেন বল দখলের মাধ্যমে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে। অন্যদিকে, সৌদি আরব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজেদের আন্তর্জাতিক মান অনেক উন্নত করেছে।

রাত ১টায় মাঠে নামবে বেলজিয়াম ও ইরান। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল বেলজিয়ামের সামনে এটি সহজ ম্যাচ বলে মনে হলেও ইরানকে অবহেলা করার সুযোগ নেই। সংগঠিত ফুটবল এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণ তাদের বড় অস্ত্র।

আগামীকাল ভোর ৪টায় মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে। দক্ষিণ আমেরিকার অভিজ্ঞ দল উরুগুয়ে নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে চাইবে। তবে কেপ ভার্দেও টুর্নামেন্টে চমক দেখানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

দিনের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল সকাল ৭টায়। সেখানে মিসর ও নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে। আফ্রিকার শক্তিশালী দল মিসর নিজেদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের ওপর ভরসা করছে, আর নিউজিল্যান্ড শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল দিয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের ৪৮ দলের বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে। কারণ, গ্রুপ পর্বের সামান্য ভুলও নকআউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে।

বিশ্ব ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ এখন শুধু মাঠের লড়াই নয়; বরং কৌশল, পরিসংখ্যান, দলগত সমন্বয় এবং মানসিক দৃঢ়তারও বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সুখবর হলো, সবগুলো ম্যাচই টেলিভিশনের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও দেখা যাবে। ফলে ঘরে, অফিসে কিংবা ভ্রমণের মধ্যেও ফুটবল উপভোগ করা সম্ভব হবে।

আজকের বিশ্বকাপ সূচি

সকাল ৬:০০ – ইকুয়েডর বনাম কুরাসাও

সকাল ১০:০০ – তিউনিসিয়া বনাম জাপান

রাত ১০:০০ – স্পেন বনাম সৌদি আরব

রাত ১:০০ – বেলজিয়াম বনাম ইরান

আগামীকাল ভোর ৪:০০ – উরুগুয়ে বনাম কেপ ভার্দে

আগামীকাল সকাল ৭:০০ – মিসর বনাম নিউজিল্যান্ড

সম্প্রচার: বিটিভি, সময় টিভি ও টি-স্পোর্টস

-রাফসান


বিশ্বকাপে গোলযুদ্ধে ব্রাজিল-জার্মানির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ১০:০০:৫৮
বিশ্বকাপে গোলযুদ্ধে ব্রাজিল-জার্মানির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের জন্ম হয়েছে। সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ব্রাজিল ও জার্মানি এখন এমন এক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িয়েছে, যেখানে প্রতি ম্যাচেই বদলে যাচ্ছে রেকর্ডের মালিকানা। দুই ফুটবল পরাশক্তির এই লড়াই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নতুন করে আলোচনায় ব্যস্ত করে তুলেছে।

বিশ্বকাপের চলমান আসরে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রথমে এগিয়ে যায় জার্মানি। এক ম্যাচেই সাত গোল করে তারা বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের মোট গোলসংখ্যা ২৩৯-এ উন্নীত করে এবং সাময়িকভাবে ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে যায়।

তবে জার্মানদের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। হাইতির বিপক্ষে নিজেদের পরের ম্যাচে ব্রাজিল দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। প্রথমার্ধেই তিনবার জালের দেখা পেয়ে সেলেসাওরা বিশ্বকাপে মোট গোলসংখ্যা ২৪১-এ নিয়ে যায় এবং আবারও শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করে।

কিন্তু নাটক এখানেই শেষ হয়নি। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জার্মানির ২-১ ব্যবধানের জয়ের মাধ্যমে আবারও পাল্টে যায় সমীকরণ। নতুন দুই গোল যোগ করে বিশ্বকাপে তাদের মোট গোলসংখ্যাও ২৪১-এ পৌঁছে যায়। ফলে দুই দল এখন সমান অবস্থানে রয়েছে।

ফুটবল পরিসংখ্যান বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপ ইতিহাসে এত দীর্ঘ সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে এমন রেকর্ড প্রতিদ্বন্দ্বিতা খুব কমই দেখা গেছে। এটি শুধু গোলের সংখ্যা নয়, বরং কয়েক দশক ধরে বিশ্ব ফুটবলে আধিপত্য ধরে রাখার প্রতিফলনও বটে।

এই প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বড় বিস্ময়কর বিষয় হলো আর্জেন্টিনার অবস্থান। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অন্যতম শক্তিশালী দল হওয়া সত্ত্বেও তাদের গোলসংখ্যা বর্তমানে ১৫৫, যা ব্রাজিল ও জার্মানির তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে।

শুধু আর্জেন্টিনা নয়, ইউরোপের আরও কয়েকটি সফল দলও অনেক দূরে অবস্থান করছে। ফ্রান্সের মোট গোল ১৩৯, ইতালির ১২৮ এবং স্পেন ও ইংল্যান্ডের গোলসংখ্যা ১০৮ করে রয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপের গোলদাতার তালিকায় কার্যত আলাদা এক স্তরে অবস্থান করছে ব্রাজিল ও জার্মানি। তাদের সঙ্গে অন্য কোনো দেশের ব্যবধান এতটাই বড় যে, অন্তত এখনই তৃতীয় কোনো দল এই দৌড়ে প্রবেশ করতে পারছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি ফুটবল অবকাঠামো, শক্তিশালী বয়সভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচি, ধারাবাহিক বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ এবং আক্রমণভিত্তিক ফুটবল দর্শন।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিল সবচেয়ে বেশি পাঁচবার শিরোপা জিতেছে। অন্যদিকে, জার্মানি চারবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজেদের ফুটবল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে গোলের লড়াইটি শুধু পরিসংখ্যানের নয়, বরং দুই ফুটবল সভ্যতার মর্যাদার প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, চলমান আসরে উভয় দল নকআউট পর্বে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিলে এই রেকর্ড আরও কয়েকবার হাতবদল হতে পারে। প্রতি ম্যাচের সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে।

ফুটবল ইতিহাসবিদদের ভাষায়, বিশ্বকাপের সর্বকালের গোলরেকর্ড এখন আর কেবল একটি সংখ্যা নয়; এটি ব্রাজিল ও জার্মানির দীর্ঘদিনের শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

আগামী ম্যাচগুলোতে কোন দল এগিয়ে যাবে, সেটিই এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

-রাফসান


সুইডেনের ইসাক নাকি ডাচ প্রাচীর ভ্যান ডাইক? বিশ্বকাপে আজ দুই লিভারপুল তারকার দ্বৈরথ

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২০ ২২:০২:৩২
সুইডেনের ইসাক নাকি ডাচ প্রাচীর ভ্যান ডাইক? বিশ্বকাপে আজ দুই লিভারপুল তারকার দ্বৈরথ
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এফ’-এর এক হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ রাতে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে মুখোমুখি হচ্ছে নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন। বৈশ্বিক এই আসরের মহারণে ফুটবলবিশ্ব আজ এক অনন্য রোমাঞ্চের সাক্ষী হতে যাচ্ছে, যেখানে একই ক্লাব লিভারপুলের দুই তারকা ফুটবলার আন্তর্জাতিক মঞ্চে একে অপরের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে নামছেন। ডাচ রক্ষণভাগের প্রধান স্তম্ভ ভার্জিল ভ্যান ডাইককে আজ সামলাতে হবে তার ক্লাব সতীর্থ ও সুইডেনের আক্রমণভাগের মূল ভরসা আলেকজান্ডার ইসাককে।

টুর্নামেন্টের শুরুটা দুই দলের দুই রকম হয়েছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে তিউনিশিয়াকে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় রয়েছে সুইডেন। সেই ম্যাচে ১টি গোল ও ২টি অ্যাসিস্ট করে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন সুইডিশ স্ট্রাইকার ইসাক। অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডস তাদের প্রথম ম্যাচে জাপানের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। নকআউটের দৌড়ে টিকে থাকতে ডাচদের জন্য আজকের ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লিভারপুলের নিয়মিত সতীর্থ হওয়ায় ইসাকের খেলার ধরন, গতি এবং দুর্বলতা—সবই ভ্যান ডাইকের খুব ভালো জানা। তবে মাঠে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য সবসময়ই এক বড় আতঙ্ক ইসাক। ফলে ভ্যান ডাইকের শারীরিক শক্তি, অভিজ্ঞতা ও পজিশনিংয়ের বিপক্ষে ইসাকের নিখুঁত গতি ও ড্রিবলিংয়ের এক চরম ট্যাকটিক্যাল লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। অ্যানফিল্ডের দুই সেনানি আজ দেশের জার্সিতে কেউ কাউকে ছাড় দিতে প্রস্তুত নন।

/আশিক


ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়, জ্লাতানের চোখে এবার বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার অন্য দল!

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২০ ২১:৪৫:০৫
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়, জ্লাতানের চোখে এবার বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার অন্য দল!
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ মানেই যেখানে আলোচনার সিংহভাগ জুড়ে থাকে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স কিংবা ইংল্যান্ডের মতো ঐতিহ্যবাহী ফুটবল পরাশক্তিরা, সেখানে এবারের আসরে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সুর তুললেন সুইডিশ ফুটবল কিংবদন্তি জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। তার মতে, এবারের আসরে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র শুধু ভালো খেলাই নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নও অনায়াসে দেখতে পারে।

গ্রুপ ‘ডি’-তে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিমধ্যেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মার্কিনরা। দলটির এমন দুর্দান্ত ও গোছানো পারফরম্যান্সই মূলত মুগ্ধ করেছে ইব্রাহিমোভিচকে। ম্যাচ-পরবর্তী এক আলোচনায় নিজের চিরচেনা আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে জ্লাতান বলেন, "আগে যদি বিশ্বাস না করে থাকেন, তাহলে এখন বিশ্বাস করতে শুরু করুন। পুরো দেশ এখন তাদের পেছনে দাঁড়িয়েছে। আর এমন প্রবল সমর্থন থাকলে যেকোনো দলকে হারানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। আজ তারা সত্যিই দারুণ খেলেছে। সত্যি বলতে, অস্ট্রেলিয়া তাদের জন্য বিন্দুমাত্র হুমকি হয়ে উঠতে পারেনি।"

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ছন্দ ও গতিকে টুর্নামেন্টে অনেক দূর যাওয়ার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসেবে দেখছেন এই কিংবদন্তি। তিনি আরও যোগ করেন, "বিশ্বকাপের আগে কী হয়েছে সেটা মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো এই মুহূর্তে মাঠে কী হচ্ছে। বর্তমানে তাদের যে গতি ও আত্মবিশ্বাস আছে, সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। ম্যাচ বাই ম্যাচ এই ধারা ধরে রাখতে পারলে তারা অনেক দূর যাবে।"

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমে একটি আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র, পরে অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের চমৎকার হেডে জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের। এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৩০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচ জেতার ঐতিহাসিক কীর্তি গড়ল মার্কিনরা। প্রথাগত পরাশক্তিদের এড়িয়ে ইব্রাহিমোভিচের এমন অকুণ্ঠ প্রশংসা ফুটবলবিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্বাগতিকদের এই জয়রথ শেষ পর্যন্ত কত দূর ফায়দা আনে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

/আশিক


অবসরের ১১ বছর পর ফুটবল মাঠে ফিরছেন কিংবদন্তি রোনালদিনহো

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২০ ২০:২৫:৪৪
অবসরের ১১ বছর পর ফুটবল মাঠে ফিরছেন কিংবদন্তি রোনালদিনহো
ছবি : সংগৃহীত

চলমান বিশ্বকাপের চরম উত্তেজনার মাঝেই ফুটবলবিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করল এক অবিশ্বাস্য খবর। পেশাদার ফুটবল থেকে বিদায় নেওয়ার প্রায় এক যুগ পর আবারও বুট পায়ে সবুজ মাঠে ফিরছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা জাদুকর ও ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদিনহো।

তবে ৪৬ বছর বয়সী এই তারকার প্রত্যাবর্তন কোনো বড় ক্লাবে কিংবা ব্রাজিলের জাতীয় দলে নয়; তিনি যুক্ত হচ্ছেন ইতালির তৃতীয় স্তরের লিগ সিরি ‘সি’-এর ক্লাব ‘রাভেন্না’ (Ravenna)-র সাথে। ইতালিয়ান গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, রোনালদিনহো কেবল রাভেন্নার জার্সিতে মাঠেই নামবেন না, বরং ক্লাবটির শেয়ার কিনে এর উন্নয়ন প্রকল্পেও মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ করতে যাচ্ছেন।

আগামী ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে এক বিশেষ জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রোনালদিনহোর ক্লাবে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে রাভেন্না কর্তৃপক্ষ। ক্লাবটির সভাপতি ইনাৎসিও চিপরিয়ানি দীর্ঘদিন ধরেই এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারকে নিজেদের প্রজেক্টে যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

নতুন এই যাত্রা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ২০০৫ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা বলেন, "নতুন রং, কিন্তু একই হাসি। আমি আবারও বল নিয়ে নাচতে এবং ইনাৎসিও ও তার পরিবারের সঙ্গে নতুন একটি গল্প লিখতে মুখিয়ে আছি। ফুটবল সবসময়ই আমার কাছে আনন্দের উৎস ছিল, সেই আনন্দই আমি রাভেন্নায় নিয়ে যেতে চাই।"

তবে পুরো মৌসুমের সব ম্যাচে তাকে দেখা যাবে না। জানা গেছে, বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি মাঠে নামবেন এবং এর পাশাপাশি ক্লাবের বৈশ্বিক প্রচারণা ও ব্র্যান্ডিংয়ে মূল ভূমিকা পালন করবেন। ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তি ২০১৫ সালে ফ্লুমিনেন্সের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলে অবসরে যান। দীর্ঘ ১১ বছর পর তার এই আকস্মিক প্রত্যাবর্তনের খবরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে নতুন উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।

/আশিক


শীর্ষে থেকেও অস্বস্তিতে ব্রাজিল, শেষ ম্যাচের আগে মেলেনি দ্বিতীয় পর্বের টিকিট

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২০ ১৮:৪৫:০৮
শীর্ষে থেকেও অস্বস্তিতে ব্রাজিল, শেষ ম্যাচের আগে মেলেনি দ্বিতীয় পর্বের টিকিট
ছবি : সংগৃহীত

হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে স্বস্তি ফিরেছে ব্রাজিল শিবিরে। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সাথে ১-১ গোলে ড্র করার পর এই বড় জয়ে ২ ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে অবস্থান করছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে নকআউট পর্বের টিকিট পুরোপুরি নিশ্চিত করতে সেলেসাওদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত।

গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের শেষ প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। নকআউট পর্বে সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করতে হলে ভিনিসিয়ুস-রদ্রিগোদের এই ম্যাচে অন্তত হার এড়াতে হবে। স্কটল্যান্ডকে হারাতে পারলে কোনো জটিল সমীকরণের প্রয়োজন হবে না, ৭ পয়েন্ট নিয়ে সরাসরি শীর্ষ দুইয়ে থেকে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেবে ব্রাজিল। সে ক্ষেত্রে মরক্কো যদি তাদের শেষ ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জেতেও, ব্রাজিলের দ্বিতীয় পর্ব নিশ্চিত থাকবে এবং গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকলে তারা গ্রুপসেরাও হতে পারে।

অন্যদিকে, স্কটল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচটি যদি ড্র হয়, তবে ব্রাজিলের পয়েন্ট হবে ৫। তখন গ্রুপে তাদের অবস্থান ও ভাগ্য নির্ভর করবে মরক্কো-হাইতি ম্যাচের ফলাফলের ওপর। মরক্কো তাদের ম্যাচে ড্র করলে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে গ্রুপসেরা হবে ব্রাজিল। আর মরক্কো যদি হাইতিকে হারিয়ে দেয়, তবে ব্রাজিল দ্বিতীয় দল হিসেবে নকআউটে যাবে।

তবে স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে গেলে পরিস্থিতি চরম জটিল হয়ে উঠবে। সে ক্ষেত্রে স্কটল্যান্ডের পয়েন্ট হবে ৬ এবং ব্রাজিলকে পুরোপুরি তাকিয়ে থাকতে হবে মরক্কোর ফলাফলের দিকে। মরক্কো যদি হাইতির বিপক্ষে জয় বা ড্র পায়, তবে ব্রাজিল সরাসরি তৃতীয় স্থানে নেমে যাবে। তখন তাদের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় এড়াতে টুর্নামেন্টের সেরা তৃতীয় দলগুলোর তালিকায় শীর্ষ আটে থাকতে হবে। অবশ্য মরক্কো যদি হাইতির কাছে হেরে যায়, তবে ব্রাজিল হেরেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে থেকে পরবর্তী পর্বে উঠতে পারে।

১৯৬৬ সালের পর এই প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের যে চরম শঙ্কায় পড়েছিল ব্রাজিল, হাইতির বিপক্ষে জয়ে তা কিছুটা কমলেও পুরোপুরি কেটে যায়নি। ফলে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি সেলেসাওদের জন্য রূপ নিয়েছে অঘোষিত ফাইনালে।

/আশিক


ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬: টিভি ও মোবাইলে দেখার উপায়

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২০ ১১:৪০:০২
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬: টিভি ও মোবাইলে দেখার উপায়
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এবার রয়েছে বড় সুখবর। শুধু টেলিভিশন নয়, একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করা যাবে। ফলে বাড়ির বাইরে থাকলেও স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ কিংবা স্মার্ট টিভির মাধ্যমে খেলা দেখা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপ সম্প্রচারের অন্যতম জনপ্রিয় ডিজিটাল মাধ্যম হিসেবে থাকছে বাংলালিংকের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফি। বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ আর্লি বার্ড অফার চালু করেছে। মাত্র ৯৯ টাকার সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে পুরো টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ সরাসরি দেখার সুযোগ মিলবে।

অন্যদিকে গ্রামীণফোনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপও বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে। অ্যাপ কিংবা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে দর্শকরা সহজেই সব ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৯৭ টাকার প্যাকেজও চালু করেছে।

দেশের জনপ্রিয় ক্রীড়া চ্যানেল টি স্পোর্টসও তাদের অফিশিয়াল অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে। যারা টেলিভিশনের সামনে বসে খেলা দেখার সুযোগ পান না, তাদের জন্য এটি একটি কার্যকর বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনও বিশেষ বিশ্বকাপ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মাত্র ৯৯ টাকায় পুরো বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ মিলবে। এছাড়া ১০৮০পি এইচডি সম্প্রচারের সুবিধাও থাকছে।

আইস্ক্রিনের নিয়মিত সাবস্ক্রিপশন ব্যবস্থাও দর্শকদের জন্য আকর্ষণীয়। ডেইলি প্যাকেজ পাওয়া যাচ্ছে ৩ টাকায়, সাপ্তাহিক ২০ টাকায়, মাসিক ৭৯ টাকায়, ছয় মাসের প্যাকেজ ১৯৯ টাকায় এবং বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ৩৪৯ টাকায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারের কারণে এবার বাংলাদেশের দর্শকদের বিশ্বকাপ দেখার অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের বড় একটি অংশ এখন স্মার্টফোননির্ভর হয়ে পড়ায় মোবাইল স্ট্রিমিংয়ের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।

ফিফার নতুন কাঠামো অনুযায়ী, গ্রুপ পর্ব শেষে ৩২টি দল নকআউট পর্বে জায়গা করে নেবে। এরপর শেষ ষোল, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।

বিশ্বকাপ ঘিরে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল দর্শকসংখ্যার ক্ষেত্রেও নতুন রেকর্ড তৈরির সম্ভাবনা দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রচার বিশ্লেষকরা। তাদের ধারণা, এবারের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দর্শক দেখা ক্রীড়া আসরগুলোর একটিতে পরিণত হতে পারে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: