ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম: ট্রাম্পের আল্টিমেটামে বিশ্ববাজারে কাঁপন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার কঠোর আল্টিমেটাম এবং ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) বাজার খোলার পরপরই অপরিশোধিত তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে না দিলে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকটের পূর্বাভাস দিচ্ছে।
দ্য গার্ডিয়ান ও রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় রোববার রাত ১০টায় আন্তর্জাতিক বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দামে উল্লম্ফন দেখা দেয়। মে মাসের সরবরাহের জন্য মার্কিন অপরিশোধিত তেল ডব্লিউটিআই (WTI)-এর মূল্য ১.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
যদিও লেনদেনের কিছু সময় পর এটি ৯৯ ডলারের কাছাকাছি স্থিতিশীল হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড (Brent Crude) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩.৪৪ ডলারে পৌঁছায়, যা পরে সামান্য কমে ১১২ ডলারে অবস্থান করছে।
উল্লেখ্য যে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর আগের দিন ডব্লিউটিআই ও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল যথাক্রমে ৬৭.০২ এবং ৭২.৪৮ ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকস ও সিটি ব্যাংকের বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
/আশিক
খামেনি-পেজেশকিয়ান আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: বড় কোনো সিদ্ধান্তের পথে ইরান?
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা আলি খামেনির সঙ্গে রাজধানী তেহরানে এক দীর্ঘ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আড়াই ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) বিস্তারিত কিছু না জানালেও, এটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আইআরআইবি-র প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, দুই শীর্ষ নেতার এই আলোচনায় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়ানো এবং কূটনৈতিক সমাধানের বিষয়টি প্রধান্য পেয়েছে। এছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (IRGC) ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে সর্বোচ্চ নেতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আলোচনায় সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি তাকে মুগ্ধ করেছে তা হলো সর্বোচ্চ নেতার বিনয়ী, আন্তরিক ও সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ। পেজেশকিয়ানের মতে, খামেনির দৃষ্টিভঙ্গি ও কথোপকথনের ধরন পুরো বৈঠকের পরিবেশকে বিশ্বাস, শান্তি ও সরাসরি সংলাপভিত্তিক পরিবেশে রূপ দিয়েছে।
প্রেসিডেন্টের এই ইতিবাচক মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের উত্তেজনা প্রশমনে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, সর্বোচ্চ নেতার এই ‘সবুজ সংকেত’ ইরানের আগামী দিনের বৈদেশিক নীতি ও সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।
/আশিক
বেইজিং সফরের আগেই হার মানলেন ট্রাম্প? হরমুজ প্রণালি নিয়ে পিছু হটল ওয়াশিংটন
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তিবলে প্রভাব বিস্তারের নীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা খেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পারস্য উপসাগরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে উন্মুক্ত রাখার বিতর্কিত পরিকল্পনা ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে বড় ধরনের একটি কূটনৈতিক ও সামরিক পশ্চাদপসরণ হিসেবে দেখছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আসন্ন বেইজিং সফরের ঠিক এক সপ্তাহ আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত বুধবার চীন সফরে পৌঁছান। ঠিক একই দিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেয়। সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হুংদা ফ্যান মনে করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট সামরিক পথ না থাকা এবং বিশ্বজুড়ে প্রবল রাজনৈতিক চাপের মুখে ট্রাম্প এই আপস করতে বাধ্য হয়েছেন।
অধ্যাপক ফ্যানের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘হুমকি দিয়ে জেতার’ পুরনো কৌশল এবার কাজে আসেনি। মূলত শি-ট্রাম্প শীর্ষ সম্মেলনের আগে বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা কমানোর একটি বড় চাহিদা তৈরি হয়েছিল। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আস্থার সংকট চরম পর্যায়ে থাকায় বর্তমানে বেইজিং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চীন তার অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে এই দুই দেশের দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারে।
এই পরিস্থিতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পিছু হটার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরা নেওয়ার বা ‘কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’-এর প্রবণতা আরও বাড়বে। যদিও কূটনীতি ব্যর্থ হলে ইরান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, তবে ট্রাম্পের বেইজিং সফরকে কেন্দ্র করে চীন একটি বড় ধরনের ‘ব্রেকথ্রু’ বা স্থায়ী সমাধান বয়ে আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি
ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও যুদ্ধাবস্থা নিরসনে এবার কূটনৈতিক সমাধানের পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা ও সমঝোতার জন্য তেহরান প্রস্তুত। তবে এই আলোচনার টেবিলে ইরানের জনগণের অধিকার এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে পেজেশকিয়ান ইরানের এই অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাতে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, আলোচনায় পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তার তীব্র অনাস্থার কথা ব্যক্ত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একদিকে যখন দ্বিপক্ষীয় সংলাপ চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই ওয়াশিংটন ইরানের ওপর দুবার হামলা চালিয়েছে। আমেরিকার এই আচরণকে তিনি ‘পেছন থেকে ছুরি মারা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি এবং উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার একদম শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
প্রস্তাবিত এই সমঝোতা অনুযায়ী, ইরান তাদের বিতর্কিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলোর কিছু অংশ প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে।
এছাড়াও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সম্ভাব্য সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা: ইসরায়েলি হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই আবারও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে লেবানন। বুধবার (৬ মে) রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় থমকে গেছে সব ধরনের শান্তি প্রক্রিয়া। এই হামলায় হিজবুল্লাহর অভিজাত রাদওয়ান ইউনিটের এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে এই হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের দাবি, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে ওই কমান্ডারকে নির্মূল করা হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহ বা লেবাননের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই হামলার পর লেবাননের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম জানিয়েছেন, আপাতত ইসরায়েলের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কোনো বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লেবানন কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের স্পষ্ট সময়সূচি চায়। অন্যদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা বন্ধ না হলে আলোচনার কোনো পরিবেশ তৈরি হবে না।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বছরের শেষ নাগাদ একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তির যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন, বৈরুতে এই নতুন হামলার পর তা এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। ইসরায়েল তাদের উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লেবাননের ভেতরে ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ‘নিরাপত্তা বলয়’ গড়ার দাবি করলেও বৈরুতের কেন্দ্রঘেঁষা এলাকায় হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের কালো মেঘ জমছে।
সূত্র : রয়টার্স
মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট
কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের রহস্যময় মৃত্যুর প্রায় সাত বছর পর তার কথিত ‘সুইসাইড নোট’ বা আত্মহননের চিরকুট জনসমক্ষে এনেছেন মার্কিন এক ফেডারেল বিচারক। বুধবার (৬ মে) নিউ ইয়র্কের একটি আদালতের নির্দেশে এই চাঞ্চল্যকর নথিটি প্রকাশ করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইন লিখেছেন, পৃথিবীকে বিদায় জানানোর সময়টি নিজে বেছে নিতে পারা একটি ‘আনন্দের বিষয়’। হলুদ রঙের লিগ্যাল প্যাডে হাতে লেখা এই নোটে আরও বলা হয়েছে— "তারা আমার ব্যাপারে কয়েক মাস ধরে তদন্ত করেছে—কিন্তু কিছুই পায়নি! যার ফলাফল হলো ১৫ বছর আগের এই অভিযোগগুলো। তোমরা আমার কাছে কী চাও—আমি কি কান্নায় ভেঙে পড়ব! এতে কোনো মজা নেই—এটা এর যোগ্যও নয়!"
নোটটি প্রথম খুঁজে পেয়েছিলেন এপস্টেইনের সাবেক সেলমেট এবং খুনের দায়ে দণ্ডিত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নিকোলাস টারটাগ্লিওন। তার আইনজীবীরা এটি আদালতে জমা দিয়েছিলেন। মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ কেনেথ কারাস গত সপ্তাহে নিউ ইয়র্ক টাইমসে এই নোট নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এটি প্রকাশের নির্দেশ দেন। বিচারক জানান, এটি একটি ‘বিচার বিভাগীয় নথি’ এবং জনসাধারণের এটি দেখার অধিকার রয়েছে।
২০১৯ সালের জুলাই মাসে ম্যানহাটনের জেলে এপস্টেইনের সাথে প্রায় দুই সপ্তাহ একই সেলে ছিলেন টারটাগ্লিওন। তার দাবি, নোটটি তাদের কক্ষের একটি বইয়ের ভেতরে লুকানো ছিল। যদিও মার্কিন ফেডারেল তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, তারা এর আগে কখনও এই নোটটি দেখেননি এবং বিচার বিভাগ থেকে প্রকাশিত এপস্টেইন-সংক্রান্ত লাখ লাখ নথির মধ্যেও এটি ছিল না।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় এক নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এপস্টেইন। পরে ২০১৯ সালে আবারও নিউ ইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের সংগ্রহের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ১০ আগস্ট ম্যানহাটনের জেল কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা পরে আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এই নতুন চিরকুটটি তার মৃত্যুকে ঘিরে থাকা রহস্যে নতুন মাত্রা যোগ করল।
সূত্র: রয়টার্স
দ্রুতই শেষ হবে যুদ্ধ: ইরানের সঙ্গে সমঝোতার বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক এবং খুব দ্রুতই যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৬ মে) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চাইছে। সমঝোতা অনুযায়ী তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না—এমন শর্তেই আলোচনা এগোচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আলোচনার টেবিলে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, "খুব সম্ভবত আমরা একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব।"
মার্কিন সংবাদমাধ্যম পিবিএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে তার নির্ধারিত চীন সফরের আগেই এই সমঝোতা সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে তার। তবে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, যদি কোনো কারণে আলোচনা ভেস্তে যায়, তবে আবারও বিধ্বংসী বোমা হামলা শুরু করা হবে।
এদিকে তেহরানের পক্ষ থেকে কিছুটা রক্ষণাত্মক অবস্থান দেখা গেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছেন, তারা এখনো মার্কিন প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দেননি। তবে দুই পক্ষের মধ্যে আদান-প্রদান হওয়া নথিগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষ অনড় অবস্থানে ছিল। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই সরবরাহ হতো, যা এখন যুদ্ধের কারণে চরম সংকটে রয়েছে।
/আশিক
৬০০ বার হামলা চালায় ইরান ইরাকে মার্কিন স্থাপনায়
ইরাকে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে একের পর এক হামলার ঘটনায় ওয়াশিংটন ও বাগদাদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরান যুদ্ধ চলাকালে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ৬০০টিরও বেশি হামলার তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস, ইউএস ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট সেন্টার এবং এরবিলে মার্কিন কনস্যুলেট লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইরাকি মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো এই হামলাগুলোর পেছনে রয়েছে এবং তারা ভবিষ্যতে মার্কিন নাগরিক ও স্থাপনাগুলোতে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে।
সবচেয়ে গুরুতর বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে যে ইরাক সরকারের কিছু অংশ এসব মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা এখন শুধু কথা নয়, বরং মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে ‘কাজ’ দেখতে চায়।
মিলিশিয়াদের সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সরানো, তাদের অর্থায়ন বন্ধ করা এবং বেতন দেওয়া থামানোর জন্য ইরাক সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরাক সরকার ও এসব মিলিশিয়ার মধ্যের সীমারেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তাদের ওপর আস্থা রাখা কঠিন।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে শান্তি! ইরান-আমেরিকার আলোচনায় বড় মোড়
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বিশ্ব। দুদেশের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির লক্ষ্যে একটি সংক্ষিপ্ত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক (মেমো) চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। বুধবার (৬ মে) শান্তি প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত একটি পাকিস্তানি সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই পক্ষের দীর্ঘ আলোচনার পর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং দ্রুতই এক পৃষ্ঠার একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'অ্যাক্সিওস'ও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছিল। একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, “আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ের খুব কাছাকাছি আছি এবং শিগগিরই এই স্বাক্ষর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
প্রকাশিত তথ্য মতে, এই ১৪ দফার মেমোটি মূলত যুদ্ধ অবসানের একটি প্রাথমিক কাঠামো বা ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে কাজ করবে। এটি কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এবং বিস্তারিত শর্তাবলি নিয়ে পরবর্তী ধাপে আলোচনা চলবে। অ্যাক্সিওস আরও উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া আশা করছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি সই হয়নি, তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে ফলপ্রসূ এবং অগ্রসর পর্যায়ের আলোচনা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সমঝোতা যদি বাস্তবে রূপ নেয় তবে তা কেবল মধ্যপ্রাচ্যের ভয়াবহ উত্তেজনা কমাবে না, বরং অস্থিতিশীল বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। এখন পুরো বিশ্বের নজর আগামী ৪৮ ঘণ্টার ওপর, যা নির্ধারণ করতে পারে এই অঞ্চলের ভবিষ্যতের শান্তি ও স্থিতিশীলতা।
/আশিক
অনুপ্রবেশ রুখতে 'অ্যাকশন মোডে' বিজেপি: ৪৫ দিনেই সীমান্তে জমি বরাদ্দের ঘোষণা
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর রাজ্য ও কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। সরকার গঠনের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ দেবে নবগঠিত বিজেপি সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজেপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করতে চায়। মূলত সীমান্ত পার হয়ে অনুপ্রবেশ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাই গেরুয়া শিবিরের প্রধান লক্ষ্য। বিজেপি নেতাদের মতে, রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতায় বিএসএফ এবং পুলিশ যৌথ অভিযান চালাতে সক্ষম হবে, যা সীমান্ত জেলাগুলোর জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন রোধে সহায়ক হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দলটি ‘শনাক্ত করো, নির্মূল করো এবং বিতাড়িত করো’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করার ঘোষণা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত এক দশকে পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার নিয়ে তৃণমূল ও কেন্দ্রের মধ্যে তুমুল বিরোধ চলে আসছিল। ২০২১ সালে বিএসএফ-এর কার্যপরিধি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সিএএ (CAA) এবং এনআরসি (NRC) বাস্তবায়নে মমতা ব্যানার্জির সরকারের তীব্র বাধার মুখে পড়েছিল মোদি সরকার। এছাড়া খাগড়াগড় ও ভূপতিনগর বিস্ফোরণের মতো স্পর্শকাতর ঘটনাগুলোর তদন্তেও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের ফলে এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ রোধে দিল্লি-কলকাতা একযোগে কাজ করতে পারবে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- বিপিএল ফিক্সিং কেলেঙ্কারি: ক্রিকেটার ও মালিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বিসিবির ব্যবস্থা
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বেইজিংয়ে বড় অঙ্গীকার
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায়
- জমি কেনার আগে জানুন জরুরি পরিভাষা: প্রতারণা এড়াতে বিশেষ টিপস
- খামেনি-পেজেশকিয়ান আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: বড় কোনো সিদ্ধান্তের পথে ইরান?
- শিক্ষার্থীদের রিডিং পড়াতে ব্যর্থ হলে বেতন মিলবে না শিক্ষকদের
- বেইজিং সফরের আগেই হার মানলেন ট্রাম্প? হরমুজ প্রণালি নিয়ে পিছু হটল ওয়াশিংটন
- কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপির সাথে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর: কৃষি পুনর্বাসনে আসছে বড় ঘোষণা
- দেশে হামের তাণ্ডব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দিশেহারা অভিভাবকরা
- ৭ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৭ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৭ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
- ওয়াকফ সম্পত্তির উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক
- ঘরোয়া টোটকা বনাম বাস্তবতা: চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের রস ব্যবহারের সুবিধা ও ঝুঁকি
- কার হাতে উঠছে ব্যালন ডি’অর? সেরা পাঁচের লড়াইয়ে বড় চমক
- ২০৩০ সালের টার্গেট ২০%: সৌরবিদ্যুতের হাত ধরে জ্বালানি বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ
- তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠন নিয়ে বড় সংকট
- ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা: ইসরায়েলি হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
- মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট
- দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি ও বজ্রসহ ঝড়ের হানা: আবহাওয়া দপ্তরের জরুরি বার্তা
- আজ বৃহস্পতিবারের ব্যস্ত সূচি: জেনে নিন রাজধানীর প্রধান কর্মসূচিগুলো
- সব রেকর্ড চুরমার! স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ
- আজ বৃহস্পতিবার: বের হওয়ার আগে জেনে নিন রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ
- আজ বৃহস্পতিবারের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তথ্য
- টানা ১৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- দ্রুতই শেষ হবে যুদ্ধ: ইরানের সঙ্গে সমঝোতার বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
- হয়রানি করলে ছাড় নয়! জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার রোডম্যাপ ঘোষণা সরকারের
- ৪৮ দলের মেগা বিশ্বকাপ: সব ম্যাচ দেখার বিনিময়ে লাখপতি হওয়ার সুযোগ
- কুয়ালালামপুরে চিকিৎসায় বড় উন্নতি, দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মির্জা আব্বাস
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- মৃত্যুর ১৭ বছর পরও বিশ্ব সংগীতের রাজা মাইকেল জ্যাকসনই!
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
- ৬০০ বার হামলা চালায় ইরান ইরাকে মার্কিন স্থাপনায়
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- মৌলভীবাজারে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- পায়ে ধরে ইজ্জত ভিক্ষা চেয়েও রক্ষা পাইনি: কুমিল্লায় গৃহবধূর পৈশাচিক আর্তনাদ
- পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের পর সীমান্ত সিল! বিজিবি-কে কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- তেলের পর বিদ্যুৎ! ভর্তুকি সামাল দিতে নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি
- ফের ৯ শতাংশ পার মূল্যস্ফীতি, দিশেহারা মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ
- একনেকে উঠছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প, বড় সুখবর দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
- মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে শান্তি! ইরান-আমেরিকার আলোচনায় বড় মোড়
- ৬ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৬ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নির্ধারিত স্থান ছাড়া বসবে না পশুর হাট: প্রতিমন্ত্রী
- অনিদ্রায় ভুগছেন? এই ৫টি অভ্যাস বদলে দেবে আপনার জীবন
- অনুপ্রবেশ রুখতে 'অ্যাকশন মোডে' বিজেপি: ৪৫ দিনেই সীমান্তে জমি বরাদ্দের ঘোষণা
- এরদোগানের বড় চমক: ইস্তাম্বুলে প্রকাশ্যে এলো দানবীয় ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইলদিরিমহান’
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- যুদ্ধ শেষ নয়, ইরান হামলার ছক এখনো টেবিলে
- ক্রিকেটে ঠাসা সূচি; বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ও আইপিএলের উত্তাপ আজ
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








