জিয়া বিদ্রোহ না করলে দেশ স্বাধীন হতো না: হাফিজ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ১৬ ০৯:১৮:৫৪
জিয়া বিদ্রোহ না করলে দেশ স্বাধীন হতো না: হাফিজ
বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। ছবি: সংগৃহীত

একাত্তরের রণাঙ্গনের অন্যতম সাহসী যোদ্ধা এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম দ্ব্যর্থহীন ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে মহান মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের একক এজেন্ডা ছিল না বরং এটি ছিল সমগ্র জাতির অস্তিত্ব রক্ষার এক মহাকাব্যিক লড়াই। সোমবার রাজধানীর বনানীর বাসভবনে যুগান্তরকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন যে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণেই এই বিজয় অর্জিত হয়েছে এবং বিশেষ করে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকরা যদি সেদিন বিদ্রোহ না করতেন তবে হয়তো মুক্তিযুদ্ধও হতো না এবং বাংলাদেশও স্বাধীন হতো না। মুক্তিবাহিনীর মধ্যে তার নেতৃত্বাধীন প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টই সবচেয়ে বেশি সাহসিকতা পুরস্কার অর্জন করেছে এবং একইসঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যক শহীদ হওয়ার গৌরবও এই ব্যাটালিয়নের বলে তিনি গর্বভরে উল্লেখ করেন।

রণাঙ্গনের এই অকুতোভয় বীর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানান যে ১৪ ডিসেম্বর ছিল তার জীবনের এক অলৌকিক দিন কারণ সেদিন তিনি নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন যখন তার চারপাশে মেশিনগানের গুলিতে সহযোদ্ধারা লুটিয়ে পড়ছিল। এই যুদ্ধের ভয়াবহতা ও তার বীরত্ব এতটাই অসামান্য ছিল যে কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমান তাকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করার জন্য লিখিত সুপারিশ পর্যন্ত পাঠিয়েছিলেন। ৩০ মার্চ যশোর ক্যান্টনমেন্টে বিদ্রোহের মাধ্যমে তিনি যে যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে ১৪ ডিসেম্বর সিলেটে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন যে যশোর ক্যান্টনমেন্টে আট ঘণ্টার সম্মুখ যুদ্ধের পর তিনি যখন অস্ত্রাগার ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসেন তখন হাজার হাজার সাধারণ গ্রামবাসী দা ও কুড়াল নিয়ে তাদের স্বাগত জানায় এবং তখনই তিনি বাঙালির স্বাধীনতার প্রকৃত স্পিরিট বা আকাঙ্ক্ষা অনুভব করতে পারেন।

যুদ্ধের কৌশলগত দিক বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে জুলাই মাসে কামালপুরের ভয়াবহ যুদ্ধে শক্তিশালী বেলুচ রেজিমেন্টের বিপক্ষে লজিস্টিক সাপোর্ট ছাড়াই তিনি এবং ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিন মাত্র দুইশ সৈন্য নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছিলেন যা ছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম ভয়াবহ কনভেনশনাল অ্যাটাক। পরবর্তীতে জেড ফোর্সের অংশ হিসেবে সিলেট দখলের পরিকল্পনা করেন এবং অপ্রচলিত পথ হিসেবে চা বাগানের ভেতর দিয়ে অগ্রসর হয়ে ১৪ ডিসেম্বর সিলেট এমসি কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবন এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। ভারতীয় বিমান বাহিনীর সহায়তায় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে ১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের বার্তা পাঠায় যা ছিল তাদের জন্য এক চূড়ান্ত আনন্দের মুহূর্ত। তবে এই বিজয়ের আনন্দ ছিল বিষাদমাখা কারণ তার ব্যাটালিয়নের ২০০ জন সাহসী সৈনিক এবং ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন ও লেফটেন্যান্ট আনোয়ারের মতো মেধাবী অফিসাররা সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিক ও সাবেক মন্ত্রী আহ্বান জানান যে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা অর্থাৎ সামাজিক সুবিচার সাম্য ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং কেউ যেন এই মহান অর্জনকে ছোট করার হীন চেষ্টা না করে।


সংসদে সমাধান না হলে রাজপথই শেষ ভরসা: গণভোট নিয়ে অনড় অবস্থানে জামায়াত

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২১ ১৬:০৭:৪০
সংসদে সমাধান না হলে রাজপথই শেষ ভরসা: গণভোট নিয়ে অনড় অবস্থানে জামায়াত
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২১ মার্চ ২০২৬) সকালে মণিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন—"ভোট আর গণভোট; একটা হালাল হলে আরেকটা হারাম হবে কেন?" তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জামায়াত আমির হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সংসদীয় উপায়ে গণভোটের সমস্যার সমাধান না হয়, তবে দেশের ৭০ শতাংশ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই দাবি আদায় করা হবে। ঈদযাত্রা নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় ভাড়ার নৈরাজ্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বক্তব্য জাতির জন্য লজ্জাজনক। এটাকে 'অমানবিক ও অপরাধ' আখ্যা দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, সাধারণ মানুষের যাত্রা আরামদায়ক করতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া, দেশবাসী ও প্রবাসীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গাজা ও ইরানে চলমান সংঘাতের কথা উল্লেখ করে তিনি মজলুমদের বিজয়ের জন্য দোয়া করেন।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ব্যস্ততায় কাটছে বিরোধীদলীয় নেতার ঈদের দিনটি। বেলা ১১টা থেকে ২৯ মিন্টো রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় শুরু করেছেন তিনি। এরপর বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

/আশিক


এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছে দুই নতুন সংগঠন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ২১:৩০:২৯
এনসিপিতে যুক্ত হচ্ছে দুই নতুন সংগঠন
ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক করার লক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নতুন করে সাংগঠনিক বিস্তারের উদ্যোগ নিয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের পরপরই ‘জাতীয় কৃষক শক্তি’ এবং ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি’ নামে দুটি নতুন সহযোগী সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হতে পারে।

দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মতে, ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ ফোরামে এ দুটি সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। কৃষিখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বৃহৎ জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবীদের সংগঠিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দলটি পেশাভিত্তিক অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে চায়, যা রাজনৈতিক কাঠামোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে।

নেতারা মনে করছেন, দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের গুরুত্ব অপরিসীম হলেও এই খাতের মানুষদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা তুলনামূলকভাবে সীমিত। ‘জাতীয় কৃষক শক্তি’ গঠনের মাধ্যমে কৃষকদের দাবি, অধিকার এবং অর্থনৈতিক স্বার্থকে সরাসরি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি’ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সহায়তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

এনসিপির বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামো ইতোমধ্যেই বিভিন্ন স্তরে বিস্তৃত হয়েছে। এর আগে দলটি জাতীয় ছাত্রশক্তি, জাতীয় যুবশক্তি, জাতীয় শ্রমিক শক্তি এবং জাতীয় নারীশক্তি নামে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন গঠন করেছে। নতুন দুটি সংগঠন যুক্ত হলে দলটির সংগঠনভিত্তিক বিস্তার আরও গভীর ও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, নতুন সংগঠন দুটি নিয়ে প্রাথমিক কাঠামোগত পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঈদের পর কেন্দ্রীয়ভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, দলীয় আলোচনার ভিত্তিতেই এই দুটি সংগঠনের ধারণা এসেছে। তিনি জানান, একটি অনানুষ্ঠানিক কৃষক উইং আগে থেকেই থাকলেও সেটিকে এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রমকে আরও সংগঠিত ও সক্রিয় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দলের অন্যতম লক্ষ্য হলো কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথ সুগম করা। এই লক্ষ্যে রাজনৈতিক কাঠামোর ভেতরে কৃষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এনসিপির সাংগঠনিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জুলাই আন্দোলনের পর উদ্ভূত ছাত্রনেতৃত্বের ধারাবাহিকতা থেকেই দলটির ছাত্রভিত্তিক সংগঠনগুলোর বিকাশ ঘটেছে। পরবর্তীতে যুব, শ্রমিক ও নারী সংগঠন যুক্ত হয়ে একটি বিস্তৃত রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা এখন পেশাভিত্তিক সংগঠন ও সেক্টরভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

এছাড়াও পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করতে এনসিপি ইতোমধ্যে ন্যাশনাল প্রফেশনাল অ্যালায়েন্স, ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্স, ইউনিভার্সিটি টিচার্স ফোরাম, ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলসহ একাধিক সংগঠন গঠন করেছে। প্রকৌশলী, আইনজীবী, চিকিৎসক এবং প্রবাসীদের নিয়েও পৃথক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, যা দলটির বহুমাত্রিক সাংগঠনিক কৌশলকে নির্দেশ করে।

-রাফসান


জামায়াতে ইসলামীর আমীরের ঈদের বিশেষ কর্মসূচি প্রকাশ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ১৬:৪৪:৪৭
জামায়াতে ইসলামীর আমীরের ঈদের বিশেষ কর্মসূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় আদায় করবেন। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল ৪টার সময় দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ৮টায় মিরপুরের ৬০ ফিট সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে নির্ধারিত প্রধান ঈদ জামাতে তিনি অংশ নেবেন। জামাত শেষে বিরোধীদলীয় নেতা সেখানে উপস্থিত সাধারণ মুসল্লি, নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জামায়াতের আমীরের এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং জামাতস্থলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।

/আশিক


আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মেনে নেব না: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১৬:৫০:২৮
আমাদের ঘাড়ে কারও আধিপত্য মেনে নেব না: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘ সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ কারও আধিপত্য মেনে নেবে না। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চীনা দূতাবাসের সহায়তায় দুস্থদের মাঝে 'ঈদ উপহার' বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের ঘাড়ের ওপর আমরা কারও আধিপত্য মেনে নেব না। বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ বুক উঁচু করে বাঁচতে চায় এবং বিশ্বের বুকে গর্বিত বাংলাদেশি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে চায়।” চীনের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “অনেকে বাংলাদেশকে কিছু না দিয়েই সব নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে, কিন্তু চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকার চীনের দেওয়া বন্ধুত্বের নিদর্শনগুলো ‘হাইজ্যাক’ করে নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়ে চরম অকৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে।

অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জামায়াত আমিরের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ঈদুল ফিতর হলো ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার উৎসব। বাংলাদেশের মানুষের খুশিতে অংশীদার হতে এবং উন্নয়নে সহায়তা করতে চীন সবসময় পাশে থাকবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং দুই দেশ একসঙ্গে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবে।

/আশিক


চীনের দেওয়া সহায়তা হাইজ্যাক করা হয়েছে! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জামায়াত আমিরের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১২:১৯:৫৩
চীনের দেওয়া সহায়তা হাইজ্যাক করা হয়েছে! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জামায়াত আমিরের
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, বিরোধী দল হিসেবে জনগণের কল্যাণে কাজ করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে তাঁর দল। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে 'ঈদ উপহার' হিসেবে ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈদেশিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “দেশের ঘাড়ে কোনো ধরনের আধিপত্যবাদ চাপিয়ে দেওয়া হলে আমরা তা বরদাশত করব না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অতীতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য চীনের দেওয়া সহায়তাগুলো ‘হাইজ্যাক’ বা আত্মসাৎ করা হয়েছিল। তবে আগামীতে চীন বা অন্য বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সহায়তা যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়ে জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে জামায়াত আমির জানান, দেশের মানুষের প্রয়োজনে এবং কৃষকদের স্বার্থে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে তাঁর দল যেকোনো ধরনের সাহসী পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। জনগণের অধিকার আদায়ে বিরোধী দল কেবল রাজপথেই নয়, বরং সামাজিক সেবামূলক কাজের মাধ্যমেও পাশে থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।

/আশিক


সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১০:২১:৫৫
সংসদে নয়া ইতিহাস: প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেল জামায়াতে ইসলামী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে দলের নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। গত ১২ মার্চ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের গেজেট অনুযায়ী, ‘বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১’ এবং সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে এই মনোনয়ন কার্যকর করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পর দ্বিতীয় বৃহত্তম সংসদীয় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াত। ফলে নিয়ম অনুযায়ী সরকারের বিরোধিতাকারী দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ আসন থাকায় দলটির শীর্ষ নেতৃত্বকে এই সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেছে। ৬৮টি আসন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন। নতুন এই সংসদীয় কাঠামো দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

/আশিক


সরকার কি শুধু ধানের শীষের ভোটারদের? ত্রাণ বৈষম্য নিয়ে সরব সারজিস আলম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ১৯:১০:০৬
সরকার কি শুধু ধানের শীষের ভোটারদের? ত্রাণ বৈষম্য নিয়ে সরব সারজিস আলম
ছবি : সংগৃহীত

জনগণের ট্যাক্সের অর্থে কেনা সরকারি ত্রাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনে চরম বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত চাল, সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড এবং ঈদ উপহারের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলো বর্তমানে শুধুমাত্র বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।

সারজিস আলম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে আসা সরকারি সুবিধাগুলো বিএনপি নেতারা নিজেদের ইচ্ছামতো ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ায় বিএনপির বাইরে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক কিংবা সাধারণ দরিদ্র মানুষেরা পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, সরকারি সুবিধা কি কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের সমর্থকদের জন্য? এই সরকার কি শুধু ধানের শীষের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করছে, নাকি দেশের পুরো জনগণের?

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, সরকারের উচিত দেশের ১০০ শতাংশ জনগণের কথা ভাবা, কিন্তু বর্তমানে মাঠপর্যায়ে যা ঘটছে তাতে মনে হচ্ছে সরকার কেবল ৫০ শতাংশ বা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কেনা উপহার বা সুবিধা কেন কেবল রাজনৈতিক বিবেচনায় বিলি করা হবে, তা নিয়ে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাঁর এই পোস্টটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

/আশিক


রাষ্ট্রপতির ‘তিন অপরাধ’ ফাঁস করলেন জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১৬:৪৮:১৭
রাষ্ট্রপতির ‘তিন অপরাধ’ ফাঁস করলেন জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুতেই এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক নাটকীয়তার সাক্ষী হলো। প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ শুরু করতে গেলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন। এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির তিনটি সুনির্দিষ্ট ‘অপরাধ’ ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা।

অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে সংসদ ভবনের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণগুলো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, “এই সংসদ জুলাই শহীদদের পবিত্র রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা স্পিকারের কাছে আগেই সবিনয় নিবেদন করেছিলাম, এই মহান সংসদে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট বা খুনির দোসর বক্তব্য দিয়ে পরিবেশ কলুষিত করতে না পারে।”

জামায়াত আমিরের দৃষ্টিতে রাষ্ট্রপতির ‘তিন অপরাধ’ ও বর্জনের কারণ

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছরের শাসনামলে এবং বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সময় হওয়া প্রতিটি খুনের নেপথ্যে রাষ্ট্রপতির পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। তিনি নিজেকে এই ব্যবস্থার অংশ হিসেবেই পরিচালিত করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র চাপের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালালে রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জানিয়েছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তাঁর এই বক্তব্য অস্বীকার করে বলেন তাঁর কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র নেই। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদাহানি করেছেন এবং জাতির সামনে ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।

তৃতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছিলেন যেখানে বিধান ছিল—নির্বাচনে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তারা একই সাথে ‘সংস্কার সংশোধন পরিষদের’ সদস্য হিসেবেও বিবেচিত হবেন এবং একই দিনে উভয় পদের শপথ গ্রহণ করবেন। বিরোধী দল এই দুটি শপথ নিলেও সরকারি দল তা নেয়নি। এছাড়া রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছিল অধ্যাদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা, যা তিনি করেননি। এর ফলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে তিনি সরাসরি অপমান করেছেন বলে দাবি করেন জামায়াত আমির।

একই সুরে সুর মিলিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পিকারের কাছে জোরালো দাবি জানিয়ে বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের ফসল এই সংসদ। এখানে কোনোভাবেই ফ্যাসিস্ট বা তাদের দোসরদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়ে মহান সংসদকে অপবিত্র করা যাবে না।” বিরোধী দলের এই অনড় অবস্থান এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালীন ওয়াকআউট ত্রয়োদশ সংসদের শুরুতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে।

/আশিক


গোলাম পরওয়ারের পিটিশন গ্রহণ: খুলনা-৫ আসনের বিজয় কি তবে অনিশ্চিত?

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১৬:১০:৩৮
গোলাম পরওয়ারের পিটিশন গ্রহণ: খুলনা-৫ আসনের বিজয় কি তবে অনিশ্চিত?
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনের ঘোষিত ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও ওই আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর এই আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই আসনের ব্যালট পেপারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল সরঞ্জামাদি যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, খুলনা-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। গোলাম পরওয়ারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখন ওই আসনের ভোটের শুদ্ধতা যাচাই করা হবে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুধু খুলনা-৫ নয়, এ পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি প্রার্থী বিভিন্ন আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। হাইকোর্ট প্রতিটি আবেদনের গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট ও সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ থাকলে হাইকোর্টে 'নির্বাচনি আবেদন' করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে এই আবেদনগুলোর নিয়মিত শুনানি চলছে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: