আমার বুক আপনার ঢাল:উহুদ যুদ্ধে নবীজিকে বাঁচাতে গিয়ে এক হাত অবশ হলো যে সাহাবির

সাহাবি হজরত আবু তালহা যায়েদ ইবনে সাহল আনসারি (রা.) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসে একজন মহান বীর, যার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ত্যাগ, বীরত্ব ও ঈমানের এক অনন্য উদাহরণ। তিনি একসময় মূর্তিপূজক থাকলেও, তাঁর বিবাহ ও জীবনের সিদ্ধান্তগুলো ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। জীবনের শেষ লগ্নে সত্তর বছর বয়সেও তিনি জিহাদের পথে বেরিয়ে যান।
অভাবনীয় মোহর ও ইসলাম গ্রহণের ঘটনা
আবু তালহা (রা.) ছিলেন বনু নাজ্জার নামের খাযরাজ গোত্রের এক বংশের সন্তান। তিনি যখন উম্মু সুলাইম (রা.)-কে বিয়ের প্রস্তাব দেন, তখন নারীটি ছিলেন মুসলিম।
উম্মু সুলাইম তখন বলেছিলেন, “আমি এক আল্লাহর ইবাদতকারী আর তুমি মূর্তির পূজারী। আফসোস, আমি এক আল্লাহর ইবাদাতকারী আর তুমি মূর্তির পূজারী। আমাদের কীভাবে বিয়ে হতে পারে?” উম্মু সুলাইমের কথাগুলো ঝড় তোলে আবু তালহার হৃদয়ে। কিছুদিন ভাবাভাবি চলে। তারপর একদিন হুট করে উম্মু সুলাইমের কাছে গিয়ে ইসলাম কবুল করেন আবু তালহা। উম্মু সুলাইম এতটাই খুশি হন, তখনই বলে ফেলেন, “এখন আমি তোমাকে বিয়ে করতে প্রস্তত। আমার কোনো মোহর লাগবে না। তোমার ইসলামগ্রহণই আমার মোহর।”
উম্মু সুলাইম তখন আগের স্বামীর ঘরের এক সন্তানের মা; ছেলেটির নাম আনাস ইবনে মালেক (রা.)। আনাস (রা.)-এর হাতেই সম্পন্ন হয় আবু তালহা ইবনে যায়েদ (রা.)-এর বিবাহ। এই বিয়ের প্রসঙ্গ এলে আনাস (রা.) বলতেন, “আবু তালহা (রা.)-এর সঙ্গে এক অভাবিত মোহরে হয়েছিল আমার মায়ের বিয়েটা।”
মেহমানের আপ্যায়ন ও দানশীলতার দৃষ্টান্ত
নবুয়ত লাভের ১৩তম বছর। মসজিদে নববিতে এক মুসাফির নবীজি (সা.)-এর কাছে সাহায্য চাইলে, নবীজি (সা.) স্ত্রীদের ঘরে খোঁজ নেন। খাবার না পেয়ে তিনি সাহাবিদের দিকে ফিরে বলেন, “কেউ কী আছ, যে আল্লাহর এই বান্দাকে মেহমান বানাতে পারবে?”
আবু তালহা (রা.) সবিনয়ে বলেন, “মেহমানকে আমি বাড়ি নিয়ে যাব।” বাড়ি গিয়ে স্ত্রী উম্মু সুলাইমকে জানান, “বাচ্চাদের জন্য সামান্য রান্না করেছি। এছাড়া কিছু নেই।” আবু তালহা (রা.) স্ত্রীকে বলেন, “বাচ্চাদের ঘুম পাড়িয়ে দাও। ওরা ঘুমিয়ে গেলে ওদের খাবার দিয়েই মেহমানকে আপ্যায়ন করব। তুমি বাতি ঠিক করার বাহানায় সময় নষ্ট করবে। অন্ধকারে একাই খেয়ে উঠবে মেহমান। বুঝতে পারবে না কিছুই। আমরাও খাবার খাচ্ছি এমন শব্দে অভিনয় করে যাব।” মেহমান খেয়ে ওঠেন। মেজবান দুজনই ক্ষুধার্ত থেকে যান, সঙ্গে ঘুমন্ত বাচ্চারাও।
পরদিন সকালে মেজবান সাহাবি নবীজি (সা.)-এর দরবারে হাজির হলে তিনি বলেন, “রাতে তোমরা মেহমানকে যেভাবে আপ্যায়ন করেছ, আল্লাহ খুব খুশি হয়েছেন। ওহি পাঠিয়েছেন—‘তারা নিজেরা ক্ষুধার্ত থেকে হলেও অপরকে প্রাধান্য দেয়।’”
আবু তালহা (রা.) যখন নবীজির মুখে সদ্য নাজিল হওয়া আয়াত (“কখনোই প্রতিদান পাবে না; নিজের প্রিয় জিনিস যদি না আল্লাহর পথে খরচ করো”) শোনেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে যান। তিনি বলেন, “আল্লাহর রাসুল, আমার কাছে অনেক প্রিয় এই বাগান। বাগানটি আমি আল্লাহর রাস্তায় দান করছি। ঘোষণাটা যদি গোপন হতো, তাহলে আমি গোপনেই দান করে দিতাম!” নবীজি (সা.) সেই বাগানটিকে তাঁর উত্তরাধিকারদের ভেতর বণ্টন করে দিতে বলেন।
ত্যাগের মহিমা ও বীরত্ব
সন্তানের মৃত্যু: একবার আবু তালহা (রা.) সফরে থাকা অবস্থায় তাঁর ছেলে মারা যান। উম্মু সুলাইম (রা.) তাকে খাবার খেতে দেন এবং পরে ছেলের মৃত্যুর কথা জানান। উম্মু সুলাইম বলেন, “তবে আমাদের ছেলের ব্যাপারে তোমাকে ধৈর্য ধরতে হবে; আল্লাহ তার প্রদেয় আমানত নিয়ে নিয়েছেন।” আবু তালহা (রা.) সকালে নবীজির কাছে রাতের ঘটনা সবিস্তারে শোনালে তিনি বলেন, “আল্লাহ তোমাকে এই সন্তানের বদলা দেবেন।” সেই ঘটনার পরই জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল্লাহ ইবনে আবু তালহা।
উহুদ যুদ্ধ: উহুদ যুদ্ধে মুসলিমরা যখন সাময়িকভাবে পিছু হটে, তখন আবু তালহা (রা.) নবীজি (সা.)-এর সামনে ঢাল নিয়ে দাঁড়ান এবং শত্রুপক্ষের উপর একের পর এক তীর ছুঁড়ে যান। সেদিন তার হাতেই বিধ্বস্ত হয় শত্রুপক্ষের তিন তিনটি কামান। নবীজি (সা.) যখনই মাথা উঁচু করে সামনের গতিবিধি বুঝতে চেষ্টা করছিলেন, তখনই আবু তালহার সতর্কবার্তা ভেসে আসছিল—“আমার পিতা-মাতা আপনার ওপর কুরবান হোক! মাথা উঁচু করবেন না। তির লেগে যাবে। আমার বুক আপনার ঢাল। চিন্তার কিছু নেই।” নবীজিকে বাঁচাতে গিয়ে তার এক হাত অবশ হয়ে যায়। তাঁর বীরত্ব দেখে নবীজি (সা.) বলেন, “আবু তালহার আওয়াজ, হাজার মানুষের আওয়াজ থেকে উত্তম।”
মক্কা বিজয় ও বিদায় হজ: মক্কা বিজয়ের সময় তিনি নবীজি (সা.)-এর সঙ্গী ছিলেন। বিদায় হজের শেষদিকে নবীজি (সা.) মাথা মুণ্ডিয়ে ফেলেন এবং মাথার বা-দিকের চুলগুলো আবু তালহাকে দিয়ে দেন। এমন দান পেয়ে তিনি খুশিতে ফেটে পড়েন।
শেষের পথে জীবন
আবু বকর ও উমর (রা.)-এর খেলাফতকালেও তিনি যথারীতি যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৭০। একদিন কোরআন পড়তে পড়তে সুরা বারাআতের এই আয়াতে এসে আটকে যান—“গা ঝাড়া দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ো। জীবন ও সম্পদ কুরবানির মাধ্যমে করো আল্লাহর পথে জিহাদ।” তখনই তিনি জিহাদের জন্য প্রস্তুত হয়ে পড়েন এবং সমুদ্র অভিযানে অংশ নেন। যুদ্ধের মাঝপথেই তিনি ইন্তিকাল করেন। সাত দিন পর একটি দ্বীপের উপকণ্ঠে জাহাজ পৌঁছালেও তাঁর লাশ সম্পূর্ণ অবিকৃত ছিল। ৫১ হিজরিতে মুয়াবিয়া (রা.)-এর শাসনামলে সেই অজানা দ্বীপেই তাঁকে দাফন করা হয়।
সূত্র : রওশন সিতারে, আব্দুল্লাহ ফারানি, পৃষ্ঠা : ২১৯-২২৮
হজযাত্রীদের বড় সুখবর: হজের বিমান টিকিটের দাম আরও কমাল সরকার
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের হজ পালনের ব্যয় আরও সাশ্রয়ী করতে বিমান টিকিটের মূল্য এক লাফে ২৫ হাজার টাকা কমিয়েছে সরকার। এর ফলে ২০২৬ সালের পবিত্র হজের জন্য বিমান টিকিটের নতুন মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী পর্বে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়া হয়। হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এই মেলার আয়োজন করে।
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং একটি যৌক্তিক ও সহনশীল হজ প্যাকেজ উপহার দেওয়াকে সরকার সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত বছরে বিমান টিকিটের দাম প্রতি ক্ষেত্রে ১২ হাজার টাকা কমানো সম্ভব হয়েছিল। এবার ধারাবাহিক ধারাবাহিকতায় টিকিটের মূল্য আরও ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশি হাজিদের অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমাতে সৌদি সরকারের কাছে বিমান টিকিটের ওপর আরোপিত সে দেশের বিমানবন্দর নির্মাণ কর কমানোর আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে হাজিদের আবাসন ব্যয় কমানোর বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, বাংলাদেশের মোট হজযাত্রীদের প্রায় ৯৫ শতাংশই বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরব সফর করেন, আর মাত্র ৫ শতাংশ যান সরকারি ব্যবস্থাপনায়। তাই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন যেকোনো বিতর্কিত বা অসাধু কাজ থেকে বিরত থাকতে বেসরকারি হজ এজেন্সি মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ রাজকীয় সৌদি দূতাবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, হাবের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিপুলসংখ্যক সম্ভাব্য হজপ্রত্যাশী উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
হজ ২০২৭: প্রাথমিক নিবন্ধনের বিস্তারিত নিয়ম জারি করল সরকার
২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে যে, এই সময়ের মধ্যেই হজে যেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। তবে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি ও বয়সের বাধ্যবাধকতার কারণে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং কয়েকটি নির্দিষ্ট জটিল বা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এবার হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন না।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) মো. আবুবকর সিদ্দীকের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসরণ করেই নিবন্ধনের এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে এর পূর্বে ৩০ হাজার টাকা ফি পরিশোধ করে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘোষিত হজ প্যাকেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় ই-হজ সিস্টেমের পাশাপাশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম কার্যালয় এবং ঢাকা হজ অফিস থেকে অনলাইনে নিবন্ধন করা যাবে। এই ক্ষেত্রে নিবন্ধনের অর্থ সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় জমা দিতে হবে। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অর্থ জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে, যা হজ পোর্টালে প্রকাশ করা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবারও নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু ছাড়াও হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, গুরুতর মানসিক বা স্নায়ুবিক সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তি এবং ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তরা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন না। পাশাপাশি কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যান্সার রোগী, যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারের মতো সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীরা ফিটনেস সনদের অভাবে হজে যেতে পারবেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধনের সুবিধার্থে হজযাত্রীদের জন্য ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ থাকা বৈধ পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে প্রাথমিক নিবন্ধনের সময়ই প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা এবং কাঙ্ক্ষিত হজ প্যাকেজ বাছাই করে নিতে হবে।
/আশিক
কোরআনের চোখে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারা?
পবিত্র কোরআনে যেখানে ‘ক্ষতি’ (খুসরান)-এর কথা এসেছে, তা মূলত দ্বিনের ক্ষতিকেই নির্দেশ করে। কোরআনের পরিভাষায় ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ মূলত তারাই, যারা নিজেদের আখিরাত ও ঈমান হারিয়েছে।
কোরআনের আলোকে ক্ষতিগ্রস্তদের ধরন ও তাদের পরিচয় নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো
১. কুফরিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি
আল্লাহ তাআলার প্রতি কুফরই মানবজীবনের সর্ববৃহৎ ক্ষতি। এটি এমন এক চিরস্থায়ী ব্যর্থতা, যা মানুষকে চিরতরে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত করে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
‘যারা মিথ্যায় বিশ্বাস করেছে এবং আল্লাহকে অস্বীকার করেছে, তারাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত।’
(সুরা : আল-আনকাবুত, আয়াত : ৫২)
২. সম্পদ ও সন্তানের কারণে বিভ্রান্তি
ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি অনেক মানুষের চরম ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নুহ (আ.) তাঁর জাতির কাফিরদের সম্পর্কে বলেছিলেন:
‘তারা আমার অবাধ্য হয়েছে এবং এমন লোকদের অনুসরণ করেছে, যাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করেছে।’
(সুরা : নুহ, আয়াত : ২১)
৩. সৃষ্টিগত নিদর্শন ও শরিয়ত অস্বীকার
যে কুফর মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, তার অন্যতম হলো আল্লাহর সৃষ্টিগত নিদর্শন ও শরিয়তের বিধানসমূহ প্রত্যাখ্যান করা। আল্লাহ বলেন:
‘যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।’
(সুরা : আয-যুমার, আয়াত : ৬৩)
৪. মনগড়া কাজ ও আত্মমুগ্ধতা
কিছু মানুষ এমন অনেক আমল করে, যা তারা সৎকর্ম মনে করে। কিন্তু তাদের সব পরিশ্রম দুনিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকে; আখিরাতে তা কোনো কাজে আসে না। আল্লাহ তাআলা বলেন:
‘বলুন, আমি কি তোমাদের এমন লোকদের সংবাদ দেব, যারা কর্মের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত? তারা হলো সেইসব মানুষ, যাদের সমস্ত প্রচেষ্টা দুনিয়ার জীবনেই ব্যর্থ হয়েছে, অথচ তারা মনে করে যে তারা খুব ভালো কাজ করছে।’
(সুরা : আল-কাহফ, আয়াত : ১০৩-১০৪)
৫. দুনিয়ার স্বার্থে ঈমান আনয়ন
কিছু মানুষের ঈমান কেবল পার্থিব স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল। ঈমানের মাধ্যমে ধন-সম্পদ বা পদমর্যাদা মিললে তারা দ্বিনের ওপর থাকে, কিন্তু কোনো পরীক্ষা বা বিপদে পড়লেই মুখ ফিরিয়ে নেয়। এরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত। আল্লাহ বলেন
‘মানুষের মধ্যে কেউ কেউ এমন আছে, যারা দ্বিধাগ্রস্তভাবে আল্লাহর ইবাদত করে। যদি তার কোনো কল্যাণ হয়, তবে সে তাতেই সন্তুষ্ট থাকে; আর যদি কোনো পরীক্ষায় পড়ে, তবে সে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সে দুনিয়া ও আখিরাত—উভয়ই হারায়। এটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।’
(সুরা : হজ, আয়াত : ১১)
কোরআনে উল্লেখিত অন্যান্য ক্ষতির কারণসমূহ
অন্যায়ভাবে হত্যা
‘সে নিজের ভাইকে হত্যা করল, ফলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।’ (সুরা : আল-মায়িদা, আয়াত : ৩০)
দারিদ্র্য বা লজ্জার ভয়ে সন্তান হত্যা
‘নিশ্চয়ই তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যারা নির্বুদ্ধিতাবশত ও অজ্ঞতার কারণে নিজেদের সন্তানদের হত্যা করেছে।’ (সুরা : আল-আনআম, আয়াত : ১৪০)
আল্লাহর শাস্তি থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করা
‘আল্লাহর কৌশল থেকে শুধু ক্ষতিগ্রস্তরাই নিজেদের নিরাপদ মনে করে।’ (সুরা : আল-আরাফ, আয়াত : ৯৯)
আল্লাহর স্মরণে উদাসীনতা
‘হে মুমিনরা! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদের আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ না করে। আর যে এমন করবে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।’ (সুরা : আল-মুনাফিকুন, আয়াত : ৯)
আল্লাহ সম্পর্কে কুধারণা
‘তোমাদের প্রতিপ্রতিপালক সম্পর্কে তোমাদের এই কুধারণাই তোমাদের ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছ।’ (সুরা : ফুসসিলাত, আয়াত : ২৩)
কাফিরদের অন্ধ আনুগত্য
‘হে ঈমানদাররা! যদি তোমরা কাফিরদের আনুগত্য করো, তবে তারা তোমাদের পিছিয়ে দেবে, আর তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরে আসবে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৪৯)
অঙ্গীকার ভঙ্গ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা
কোরআনে আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা ও অন্যায়ভাবে সম্পর্ক ছিন্ন করাকে ধ্বংসের মূল কারণ বলা হয়েছে
‘সেই সকল লোক, যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি পরিপক্ব করার পরও ভেঙে ফেলে এবং যেই সম্পর্ক রক্ষা করতে তিনি আদেশ করেছেন তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তার করে; বস্তুত এমন সব লোক অতি ক্ষতিগ্রস্ত।’
(সুরা : আল-বাকারা, আয়াত : ২৭)
এখানে আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার বলতে আলমে আরওয়াহে (রূহের জগতে) মানবজাতির কাছ থেকে নেওয়া তাওহীদের স্বীকৃতিকে বোঝায়, যা সুরা আরাফের ১৭২ নম্বর আয়াতে উল্লেখ রয়েছে:
‘যখন তোমার রব আদম সন্তানদের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের সন্তানদের বের করেছিলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে সাক্ষী বানিয়েছিলেন—আমি কি তোমাদের রব নই? সবাই জবাব দিয়েছিল, কেন নয়? আমরা সবাই সাক্ষ্য দিচ্ছি...’
(সুরা : আল-আরাফ, আয়াত : ১৭২)
কোরআনের মূল শিক্ষা হলো—পার্থিব সম্পদ, পদমর্যাদা বা সুযোগ-সুবিধা হারানো প্রকৃত ক্ষতি নয়; বরং ঈমান ও আখিরাত হারানোই হলো সবচেয়ে বড় দেউলিয়াত্ব। আর প্রকৃত সফলতা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আখিরাতে মুক্তি লাভের মধ্যেই নিহিত।
/আশিক
প্রতিদিনের ৫ সুন্নাহ আমল, জান্নাতের আশার পথ
ইসলামে এমন অনেক আমল রয়েছে, যেগুলো পালন করতে সময় খুব বেশি লাগে না, কিন্তু সওয়াব ও ফজিলতের দিক থেকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ ﷺ তাঁর উম্মতকে এমন কিছু দৈনন্দিন আমল শিখিয়েছেন, যেগুলো নিয়মিত পালন করলে আল্লাহর রহমত, নিরাপত্তা, ক্ষমা এবং আখিরাতে সফলতার আশা করা যায়। আলেমদের মতে, এসব আমল শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের অংশ নয়; বরং একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবনকে আল্লাহর স্মরণে পরিচালিত করার একটি সুন্দর পদ্ধতি।
দিনের শুরুতে ফজরের সালাত আদায়কে ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সহিহ মুসলিমের একটি হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তায়) থাকে।" (সহিহ মুসলিম: ৬৫৭)। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, এই হাদিসের অর্থ হলো, ফজরের সালাত একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর বিশেষ হেফাজত ও অনুগ্রহের কারণ হতে পারে। তাই সম্ভব হলে জামাআতে ফজরের নামাজ আদায় করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ হলো প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি তিলাওয়াত করা। একটি সহিহ হাদিসে এসেছে, "যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।" (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নাসাঈ: ১০০; শাইখ আল-আলবানী রহ. হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন)। অল্প সময়ের এই আমল একজন মুসলিমের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ বহন করে।
সাইয়্যিদুল ইস্তিগফারকে ক্ষমা প্রার্থনার সর্বোত্তম দোয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সহিহ বুখারির বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে সকালে এই দোয়া পড়ে এবং সন্ধ্যার আগে মারা যায়, অথবা রাতে পড়ে সকালে মৃত্যুবরণ করে, সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে (সহিহ বুখারি: ৬৩০৬)। তাই প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই দোয়াটি পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
এ ছাড়া সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার "বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু..." দোয়াটি পাঠ করার কথাও হাদিসে এসেছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়া পাঠ করবে, আল্লাহর ইচ্ছায় তাকে আকস্মিক বিপদ-আপদ ক্ষতি করতে পারবে না (সুনান আবু দাউদ: ৫০৮৮; সুনান তিরমিযী: ৩৩৮৮)। ইসলামী স্কলারদের মতে, এটি আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা ও তাঁর হেফাজত কামনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জিকির।
ভ্রমণে বের হওয়ার সময় বা প্রিয়জনকে বিদায় দেওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ একটি অর্থবহ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলতেন, "আস্তাওদি'উল্লাহা দীনাকা ওয়া আমানাতাকা ওয়া খাওয়াতীমা আমালিকা" অর্থাৎ, "আমি তোমার দীন, তোমার আমানত এবং তোমার জীবনের শেষ আমলগুলো আল্লাহর জিম্মায় সোপর্দ করছি।" (সুনান আবু দাউদ: ২৬০০; সুনান তিরমিযী: ৩৪৪৩)। এই দোয়া শুধু ভ্রমণকারীর জন্য নয়, বরং নিজের ও পরিবারের জন্যও আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনার একটি সুন্দর মাধ্যম।
২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা, কোথায় কী সুবিধা মিলবে
২০২৭ সালের হজ পালনের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি পৃথক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার। হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) নতুন প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, ‘হজ প্যাকেজ-১’-এর ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত কম খরচের ‘হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)’ গ্রহণ করতে হজযাত্রীদের ব্যয় হবে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই প্যাকেজেই হজযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় আবাসন, মিনা-আরাফার সেবা এবং সৌদি আরবে অবস্থানকাল বিবেচনায় পৃথক সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সামর্থ্য অনুযায়ী প্যাকেজ বেছে নেওয়ার সুযোগ পান আগ্রহীরা।
হজ প্যাকেজ-১: হারাম শরীফের কাছাকাছি আবাসনের সুবিধা
সরকারি প্যাকেজগুলোর মধ্যে তুলনামূলক উন্নত সুবিধাসম্পন্ন হজ প্যাকেজ-১-এ মক্কায় মসজিদুল হারামের বহিঃচত্বর থেকে ১,০০০ থেকে ১,৪০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মদিনায় হজযাত্রীরা মারকাজিয়া এলাকায় অবস্থানের সুযোগ পাবেন, যা মসজিদে নববীর নিকটবর্তী এলাকা হিসেবে পরিচিত।
এ ছাড়া মিনায় এই প্যাকেজের হজযাত্রীদের জন্য জোন-২-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা ও আরাফার কার্যক্রমে ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ অনুযায়ী সেবা এবং অনুমোদিত মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই প্যাকেজে সাধারণত সৌদি আরবে ৩৫ থেকে ৪০ দিন অবস্থান করতে হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে রুম আপগ্রেড কিংবা স্বল্পমেয়াদি (শর্ট) প্যাকেজ নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।
হজ প্যাকেজ-২: কম খরচে সরকারি হজের সুযোগ
অর্থনৈতিকভাবে তুলনামূলক সাশ্রয়ী এই প্যাকেজে মক্কায় হোটেল থাকবে মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে। মদিনায় আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে মারকাজিয়া এলাকার বাইরে, তবে মসজিদে নববী থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ মিটারের মধ্যে।
এই প্যাকেজের হজযাত্রীদের জন্য মিনায় জোন-৫-এ তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে। মিনা ও আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী সেবা এবং মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার পরিবেশনের সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সরকার জানিয়েছে, যদি কোনো হোটেল দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হয়, তাহলে সৌদি আরবের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী হজযাত্রীদের জন্য সালাওয়াত বাস-এর ব্যবস্থা করা হবে, যাতে যাতায়াতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়।
প্যাকেজ নির্বাচন করবেন কীভাবে?
হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেসব হজযাত্রী হারাম শরীফের কাছাকাছি আবাসন, অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক অবস্থান এবং উন্নত সেবা চান, তারা হজ প্যাকেজ-১ বেছে নিতে পারেন। অন্যদিকে ব্যয় কম রাখতে আগ্রহীরা হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী) নির্বাচন করলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় মৌলিক সেবা নিশ্চিতভাবেই পাবেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তী সময়ে হজ নিবন্ধন, কিস্তি পরিশোধ, ভিসা, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমের সময়সূচি পৃথকভাবে প্রকাশ করা হবে।
-রাফসান
মঙ্গলবারের নামাজের সময়সূচি, ফজর থেকে এশা পর্যন্ত
আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬)। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, আর হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৬ সফর ১৪৪৮ হিজরি। প্রতিদিনের মতো ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ ঢাকায় জোহরের নামাজ আদায়ের সময় দুপুর ১২টা ০৮ মিনিট। আসরের নামাজ বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে, মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে এবং এশার নামাজ রাত ৮টা ১৪ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
পরবর্তী দিনের অর্থাৎ বুধবার (২২ জুলাই)-এর ফজরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৩টা ৫৯ মিনিটে। এছাড়া আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২৩ মিনিটে।
ইসলামে নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই প্রতিদিনের সময়সূচি জেনে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া ধর্মীয় অনুশীলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে ভৌগোলিক অবস্থান, স্থানীয় মসজিদের অনুসৃত সময় গণনা পদ্ধতি কিংবা ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্যালেন্ডারের কারণে সময়সূচিতে এক থেকে দুই মিনিটের সামান্য পার্থক্য হতে পারে। তাই নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত সময়কেও অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
-রাফসান
আজ নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন পাঁচ ওয়াক্তের সময়
আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬)। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৫ সফর ১৪৪৮ হিজরি। প্রতিদিনের মতো ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ ঢাকায় জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৯ মিনিটে। আসরের নামাজের সময় বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিট, মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট এবং এশার নামাজ রাত ৮টা ১৫ মিনিটে আদায় করা হবে।
পরবর্তী দিনের অর্থাৎ মঙ্গলবার (২১ জুলাই)-এর ফজরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৩টা ৫৬ মিনিটে। এছাড়া আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ২২ মিনিটে।
ইসলামে নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই প্রতিদিনের নামাজের সময় জেনে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থান, মসজিদের অনুসৃত হিসাবপদ্ধতি কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্যালেন্ডারের কারণে সময়সূচিতে সামান্য পার্থক্য দেখা যেতে পারে। তাই নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত সময়সূচিও অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
-রাফসান
আজকের নামাজের সময়সূচি, এক নজরে দেখে নিন
মুসলিমদের দৈনন্দিন ইবাদতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। তাই প্রতিটি ওয়াক্তের নির্ধারিত সময় সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা থাকা প্রয়োজন। বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা।
আজ ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ৩০ মহররম ১৪৪৮ হিজরি। ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নতুন দিনের ইবাদত ও দৈনন্দিন আমল যথাসময়ে আদায়ের সুবিধার্থে নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৮ মিনিটে। এরপর আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে।
দিনের শেষভাগে মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে। এরপর এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১৭ মিনিটে।
আগামী দিনের সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৫৮ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে। আর আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৯ মিনিটে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই নামাজ আদায় করা উত্তম। বিশেষ করে মসজিদে জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ভ্রমণ, কর্মব্যস্ততা বা অন্যান্য কারণে বাইরে অবস্থানকারীদেরও সময় জেনে প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার জানিয়েছে, ভৌগোলিক অবস্থানভেদে দেশের বিভিন্ন জেলার নামাজের সময় কয়েক মিনিটের পার্থক্য হতে পারে। তাই নিজ নিজ এলাকার স্থানীয় সময়সূচি অনুসরণ করাই সবচেয়ে উপযুক্ত।
সূত্র: ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।
আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, জেনে নিন বিস্তারিত
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ২৯ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।
ইসলামে নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই প্রতিদিনের ওয়াক্ত অনুযায়ী সময় জেনে ইবাদতের প্রস্তুতি নেওয়া মুসল্লিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও সঠিক সময় সম্পর্কে ধারণা থাকলে নামাজ আদায় সহজ হয় এবং ধর্মীয় দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হয়।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৮ মিনিটে। এরপর আসরের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে। দিনের শেষ ভাগে মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে, আর এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১৭ মিনিটে।
পরবর্তী দিনের প্রস্তুতির জন্যও সময় জানা জরুরি। বুধবার (১৫ জুলাই) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৫৭ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে। অন্যদিকে আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৯ মিনিটে।
উল্লেখ্য, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলার নামাজের সময়সূচিতে কয়েক মিনিটের পার্থক্য হতে পারে। তাই নিজ নিজ এলাকার নির্ভুল সময় জানতে স্থানীয় মসজিদের ঘোষণা অথবা সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
পাঠকের মতামত:
- শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনে হামলা থামাল ইরান, কেন?
- সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও কাড়তে পারবে না অধিকার: সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের নতুন খসড়া
- জীবনহানি এড়াতে ট্রাম্পের নতুন কৌশল: হরমুজ প্রণালি নিয়ে কী চুক্তি হতে যাচ্ছে?
- বিদ্যুৎ বিল নিয়ে রটনা নাকি সত্য? নতুন বিজ্ঞপ্তিতে যা জানাল মন্ত্রণালয়
- মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকছে যেসব এলাকা
- শতাধিক মানুষের মাঝে গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিনামূল্যে চশমা বিতরণ।
- সমকামিতা কি মানসিক ব্যাধি? আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতামত
- সেপ্টেম্বরের মেগা টুর্নামেন্টে বড় চমক: কাকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে ঢাকায়?
- ভারতের পূর্ব সীমান্তে ২৫০টি চিনা হাউইটজার মোতায়েন করল পাকিস্তান
- নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে দেরি হওয়ার নেপথ্যে যেসব মূল কারণ!
- তেলের দাম কমায় বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দর
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার গুজব উড়িয়ে দিল তেহরান: নেপথ্যে কী কারণ?
- অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করার কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ৫ আগস্ট নতুন রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী?
- পুরো পুলিশ টিম একসঙ্গে চা-বিশ্রামে যাওয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া সতর্কতা
- মঞ্চের পর্দার আড়াল থেকে ব্যান্ডেজ চোখে ফিরে এলেন এনসিপি সমন্বয়ক!
- বয়স্ক ও বিধবা ভাতার আবেদন শুরু, যেভাবে করবেন আবেদন
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- যেসব দেশে দিনদুপুরে নেমে আসবে রাতের অন্ধকার!
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ৪০ মিলিয়ন ইউরোয় ইতালি পাড়ি জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা
- এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ
- সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত বল্লভপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা
- কীভাবে এলো এই বিশেষ দিন: বন্ধু দিবসের অজানা কথা
- এশিয়ান গেমস ফুটবলের সূচি প্রকাশ, কোন গ্রুপে বাংলাদেশ?
- হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
- হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
- সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
- ইরানের কঠোর অবস্থানের পর হামলা থেকে সরে এলেন ট্রাম্প
- আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
- ফের পরিবর্তন এলপিজি গ্যাসের দামে: রোববার সন্ধ্যা থেকে নতুন রেট কার্যকর
- টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
- আগস্ট জুড়ে আবহাওয়া কেমন থাকবে? দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটির বিশেষ বার্তা
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে নবগঠিত (আংশিক) কমিটি ঘোষণা
- অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
- ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে ড্রোন তাণ্ডব: আন্তর্জাতিক ষড়যন্তের দিকে আঙুল ইরানের
- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড চুলা: কেনার আগে জেনে নিন কাজের পার্থক্য
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
- যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন, প্রভাবিত হবে বাংলাদেশও
- স্ত্রীর কবর খননকালে ২৪ বছর পর স্বামীর অক্ষত দেহ উদ্ধার
- আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিশ্বজয়ে আবার স্বর্ণের দামে দরপতন
- হয়ে গেল সাফের ড্র: সহজ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশ, সহজ হলো সেমির পথ
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর








