আজ ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না, জেনে নিন কোন কোন এলাকা প্রভাবিত হবে

পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা থেকে পরবর্তী ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ কারণে নারায়ণগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা এবং মুন্সিগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস থাকবে না। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডেমরা-সিদ্ধিরগঞ্জ-গোদনাইল ভালভ স্টেশনগামী ১০ ইঞ্চি, ১২ ইঞ্চি ও ১৪ ইঞ্চি মুখ্য বিতরণ পাইপ লাইনের অংশবিশেষ বিচ্ছিন্নকরণ এবং মেরামতের কাজ করা হবে। এর ফলে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা থেকে ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ শহর, সিদ্ধিরগঞ্জ, মৌচাক, দেলপাড়া, পাগলা, ফতুল্লা, পঞ্চবটি, মোক্তারপুর এবং মুন্সিগঞ্জ এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, আশেপাশের এলাকাগুলোতেও গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকতে পারে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
জনগণ কি ভোট দিতে যাবে? দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান সহিংসতায় বাড়ছে শঙ্কা
বাংলাদেশের তেরোতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, জনমনে ভোট দেওয়ার আকাঙ্ক্ষার পাশাপাশি গভীর উৎকণ্ঠা ও ভীতিও সমানভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার বঞ্চিত দেশের নাগরিকরা এবার ভোট দিতে উন্মুখ হলেও নির্বাচনি প্রচারণায় ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এই আগ্রহকে ম্লান করে দিচ্ছে, যা এবারের নির্বাচনের সামনে সবচেয়ে বড় শঙ্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
ভোটারদের মধ্যে যেমন আগ্রহ আছে, তেমনি আছে উৎকণ্ঠা আর ভীতি, কারণ নির্বাচনি প্রচারণার পর থেকে সারা দেশে সহিংসতার ঘটনা বেড়েই চলেছে এবং ভোটের দিন পরিবেশ স্বাভাবিক না হলে সাধারণ ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন না, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সব উন্নয়ন সহযোগী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চেয়েছে এবং তাদের মতে ভোটারদের উপস্থিতিই হলো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাপকাঠি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন যে নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি মানুষ ভোট দেবেন, কিন্তু দলের অনুগত নন এমন সাধারণ নাগরিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন কি না, তা সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ৫৩ দিনে অর্থাৎ ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ৯টা পর্যন্ত সারা দেশে মোট ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ভীতি প্রদর্শন বা আক্রমণাত্মক আচরণ ১৬টি, প্রার্থীর ওপর সরাসরি হামলা ১৫টি, ৫টি হত্যাকাণ্ড এবং প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৮৯টি। এ ছাড়া অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ৩টি, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ৯টি, প্রচার কার্যে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ২৯টি, নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ২০টি, অবরোধ ও বিক্ষোভ ১৭টি এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে। পরিসংখ্যান বলছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৩০টি সহিংসতায় ১১৫ জন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪১৪টি সহিংসতায় ২২ জন এবং দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৫৩৪টি সহিংসতায় ছয়জন নিহত হয়েছিলেন, যা প্রমাণ করে প্রতি নির্বাচনেই প্রচুর সংঘাত ও আহতের ঘটনা ঘটছে।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ও নিহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিসেম্বরে দেশে ১৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ২৬৮ জন আহত হলেও জানুয়ারিতে পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে এবং মোট ৭৫টি সহিংসতার ঘটনায় ১১ জন নিহত ও ৬১৬ জন আহত হন। জানুয়ারি মাসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ১ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৮টি ঘটনায় ৫ জন নিহত, ১১ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮টি ঘটনায় ২ জন নিহত এবং ২১ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত অর্থাৎ নির্বাচনি প্রচার শুরু হওয়ার পর মাত্র ১১ দিনে ৪৯টি ভয়ংকর সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে যাতে ৪ জন নিহত এবং ৪১৪ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ বাহিনী এখনো পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে উঠতে না পারায় এবং জনগণকে আশ্বস্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় নির্বাচনের ঠিক আগে র্যাবের নাম পরিবর্তন নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ঘোষণা করেন যে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নাম বদলে এখন থেকে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ) রাখা হচ্ছে এবং বাহিনীর পোশাক ও কার্যক্রমেও সংস্কার আনা হবে।
নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই ধরনের ঘোষণা এলিট বাহিনীর সদস্যদের আরও গুটিয়ে নিতে বাধ্য করতে পারে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এই পরিস্থিতিতে জনগণের প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনী এবং গত ৩ ফেব্রুয়ারি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন যে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি আরও ঘোষণা করেছেন যে নির্বাচনের দিন যারা ভোটারদের বাধা দেবে তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী কঠোর অ্যাকশন নেবে এবং অপরাধী আইনের অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে জয়ী হয়ে ক্ষমতা দখলের মানসিকতা পরিহার করে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং ভোটাররা যেন স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় ভোটারবিহীন সহিংস নির্বাচন দেশ ও গণতন্ত্রের উত্তরণকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
সোর্স: বাংলাদেশ প্রতিদিন
নির্বাচনের আগে ১ হাজার কোটির বাস কেনার তোড়জোড়
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ কর্মদিবসের ঠিক আগে ১ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৪০টি সিএনজি এসি বাস কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ঠিক আগ মুহূর্তে এই মেগা প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগের তোড়জোড়কে অনেকেই ‘বিদায়ী উপহার’ বা তড়িঘড়ি করা সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
বাস কেনার প্রকল্পের প্রেক্ষাপট ও বর্তমান স্থিতি বিআরটিসির জন্য ৩৪০টি সিএনজিচালিত সিঙ্গেল ডেকার এসি বাস সংগ্রহের এই প্রকল্পটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একনেকে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১,১৩৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, যার মধ্যে ৮২৯ কোটি টাকা দক্ষিণ কোরিয়ার ইডিসিএফ (EDCF) থেকে ঋণ হিসেবে পাওয়ার কথা। দীর্ঘ আড়াই বছর প্রশাসনিক জটিলতা ও দরপত্র নথি নিয়ে ঋণদাতা সংস্থার সঙ্গে টানাপোড়েনের পর হঠাৎ করে গত ১ ডিসেম্বর দরপত্র আহ্বান করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী বিদায়ী সরকারের শেষ সময়ে সাধারণত বড় কোনো আর্থিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় না, তবে আগামী রোববারের মধ্যে এই দরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দরপত্রের শর্ত ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, দরপত্রের কিছু শর্ত নির্দিষ্ট কয়েকটি আন্তর্জাতিক কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। বিশেষ করে
দরদাতার গত ২০ বছরে অন্তত ৩৪০টি সিএনজি বাস রপ্তানির অভিজ্ঞতা থাকার শর্তটি অনেক বড় কোম্পানিকেও প্রতিযোগিতার বাইরে ঠেলে দিতে পারে।
শুরুতে বাসগুলো কোরিয়ায় নির্মিত হওয়ার কথা থাকলেও এখন শর্ত শিথিল করে বলা হয়েছে যে কেবল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কোরীয় হলেই চলবে, বাস অন্য দেশে তৈরি হলেও সমস্যা নেই। এতে মান বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রতিটি বাসের গড় দাম পড়ছে প্রায় ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, যা সাধারণ এসি বাসের বাজারদরের তুলনায় অনেক বেশি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিআরটিসি ও বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য বিআরটিসি চেয়ারম্যানের মতে, এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া এবং এতে কোনো শর্ত পরিবর্তন করা হয়নি। পুরো টেন্ডারিং প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও ৪৫-৬০ দিন সময় লাগবে বিধায় বর্তমান সরকারের আমলে এটি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামছুল হক কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন যে, বিআরটিসির বাস রাখার জায়গা নেই, ঢাকার রাস্তা দখল করে তারা বাস রাখে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে ১ হাজার কোটির বাস কেনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচনে কোনো সহিংসতা হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আশ্বস্ত করেছেন যে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং এ নিয়ে কোনো ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা নেই। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে কোনো ধরনের ভীতি কাজ করছে না এবং তথাকথিত 'মব ভায়োলেন্স' বলে এখন আর কিছু নেই। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে বাহিনীগুলোর প্রস্তুতি অত্যন্ত সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নিয়মিতভাবে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান চালানো হচ্ছে। নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যদি অশোভন আচরণ করেন বা আইন ভঙ্গ করার চেষ্টা করেন, তবে সামাজিক ও আইনিভাবে তাঁদের কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো প্রার্থী সীমা লঙ্ঘন করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। এ ছাড়া অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিসহ রাজশাহী বিভাগের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং ভোটাররা যেন নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের উস্কানি বা অপতৎপরতা রুখে দিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভোট সংক্রান্ত সব তথ্য মিলবে হেল্পলাইনে, জানুন কিভাবে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নাগরিকদের জন্য সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর সহযোগিতায় এবং এটুআই কর্মসূচির ব্যবস্থাপনায় জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩–এর মাধ্যমে একটি বিশেষ নির্বাচন তথ্যসেবা চালু করা হয়েছে।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটর ব্যবহার করে টোল ফ্রি নম্বর ৩৩৩-এ কল করে ৯ প্রেস করলে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাওয়া যাবে।
এই সেবার আওতায় ভোটাররা ভোট দেওয়ার নিয়ম ও প্রক্রিয়া, নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা, নির্বাচনকালীন আচরণবিধি এবং প্রবাসী ভোটারদের জন্য নির্ধারিত ভোট প্রদানের নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
এ ছাড়া প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও নারী ভোটারদের জন্য বিদ্যমান বিশেষ সুবিধা, নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর সম্পর্কেও তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে এই হেল্পলাইনের মাধ্যমে। ফলে ভোটারদের জন্য একটি সমন্বিত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যকেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে ৩৩৩।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত Smart Election Management BD এবং Postal Vote BD অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কেও হেল্পলাইনের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে, যা ডিজিটাল সেবাকে আরও সহজলভ্য করবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) চালু হওয়া এই বিশেষ সেবার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৬৪৩ জন নাগরিক নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা গ্রহণ করেছেন।
একই সঙ্গে, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, সম্ভাব্য অস্থিরতা আগাম শনাক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করার একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবেও ৩৩৩-এর ৯ নম্বর ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
তবে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, এই সেবা সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোল রুম হিসেবে কাজ করবে না। বরং এটি একটি “Information Intake, Early Warning & Forwarding System” হিসেবে পরিচালিত হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাপ্ত তথ্য ৯৯৯ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
-রফিক
নবম পে-স্কেল ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক: সুযোগ না কি নতুন বৈষম্যের শঙ্কা?
নবম জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হলেও এর সুফল নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও শঙ্কায় রয়েছেন দেশের কয়েক লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী। নতুন এই বেতন কাঠামোতে সরকারি কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাব থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বেতন বৈষম্যের শিকার হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মূল বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনা ও অনিশ্চয়তা অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পে কমিশনের সদস্যদের সূত্র অনুযায়ী, সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় যারা বেতন পান, নতুন পে-স্কেল অনুমোদিত হলে তাদের সবারই সুযোগ-সুবিধা বাড়ার কথা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক অতিরিক্ত সচিব জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরাসরি সরকারি কর্মচারী না হলেও তারা সরকারের নির্দিষ্ট গ্রেড অনুযায়ী বেতন পান। যদিও এই বেতনটি 'অনুদান' হিসেবে দেওয়া হয়, তবুও নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী শিক্ষকদের মূল বেতন শতভাগ বাড়ার কথা। মূল বেতন বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই বৈশাখী ভাতা ও উৎসব ভাতার পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে।
বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার বৈষম্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলেও দীর্ঘদিনের বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার বৈষম্য ঘোচার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, মূল বেতন বাড়লেও বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মূল বেতনের মাত্র ১৫ শতাংশ পাবেন। যেখানে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। একইভাবে চিকিৎসা ভাতার ক্ষেত্রেও ব্যাপক ব্যবধান থেকে যাচ্ছে। বর্তমানে শিক্ষকরা মাসে মাত্র ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। নতুন পে-স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের জন্য এই ভাতা ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিতই থাকছেন।
ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টিফিন ভাতা বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে, যা এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পান না। এ ছাড়া সরকারি কর্মচারীরা নির্দিষ্ট সময় পর পর মূল বেতনের সমপরিমাণ বিনোদন ভাতা পেলেও শিক্ষকদের জন্য এমন কোনো ভাতার ব্যবস্থা নেই। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈষম্য দেখা গেছে শিক্ষা ভাতার ক্ষেত্রে। সরকারি চাকরিজীবীরা বর্তমানে দুই সন্তানের জন্য মাসিক এক হাজার টাকা করে শিক্ষা ভাতা পান, যা নতুন পে-স্কেলে দুই হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সন্তানদের জন্য এমন কোনো শিক্ষা ভাতার ব্যবস্থা বিদ্যমান নেই।
সব মিলিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলেও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ার আশঙ্কায় হতাশায় ভুগছেন সারা দেশের শিক্ষক সমাজ।
১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্প: বড় কোনো বিপদের সংকেত দিচ্ছে প্রকৃতি?
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে মাত্র ১৭ মিনিটের ব্যবধানে পরপর দুইবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দেশ। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। এর ঠিক ১৭ মিনিট পর রাত ৯টা ৫১ মিনিটে ৫ দশমিক ২ মাত্রার দ্বিতীয় দফা ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৬৭ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে উৎপন্ন এই কম্পনের প্রভাবে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
একই দিনে তিন দফা কম্পন ও অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি মঙ্গলবার কেবল রাতেই নয়, বরং ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটেও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। গত বছরের ২১ নভেম্বর ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর থেকে গত দুই মাসে ঘনঘন এমন কম্পন জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ এখন আর কেবল প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূমিকম্পের প্রবারে কাঁপছে না, বরং দেশের অভ্যন্তরীণ ফল্ট লাইনগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠছে। সম্প্রতি নরসিংদীর মাধবদী, সাভার ও বাড্ডা এলাকায় হওয়া ভূমিকম্পগুলো সেই বিপদেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
টেকটোনিক প্লেটের চাপ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, বাংলাদেশ ভারতীয় প্লেট, ইউরেশীয় প্লেট এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। জিপিএস পরিমাপ অনুযায়ী, এসব ফল্ট লাইন প্রতি বছর কয়েক মিলিমিটার করে সরে যাচ্ছে, যার ফলে ভূ-অভ্যন্তরে বিশাল শক্তি জমা হচ্ছে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের ডাউকি ফল্ট, ঢাকা-টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্ট এবং চট্টগ্রাম-মিয়ানমার সীমানা এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতিহাস বলছে, ১৭৬২ সালে চট্টগ্রাম-আরাকান ভূমিকম্পে ঢাকায় ৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং ১৮৮৫ সালের বেঙ্গল ভূমিকম্প ও ১৯১৮ সালের শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।
ঢাকার মাটির গঠন ও লিকুইফ্যাকশন ঝুঁকি রাজধানী ঢাকার ঝুঁকি সমতলের চেয়ে অনেক বেশি। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার নরম পলিমাটির কারণে এখানে ‘সাইট অ্যামপ্লিফিকেশন’ প্রক্রিয়া ঘটে, ফলে মাঝারি মাত্রার কম্পনও বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে অনুভূত হয়। অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে কিছু এলাকায় মাটি দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা ‘লিকুইফ্যাকশন’ বা ভূমিকম্পের সময় মাটি তরলের মতো আচরণ করার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান রুবাইয়াত কবির জানান, ভারতীয় প্লেটের ওপর অবস্থানের কারণে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
সচেতনতা ও যন্ত্রপাতির সংকট ভূ-দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ মোহন কুমার দাস বলেন, দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির এখনও ঘাটতি রয়েছে। ভূমিকম্পের সময় সাধারণ মানুষের করণীয় কী, সেই বিষয়ে জনসচেতনতার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দিচ্ছেন।
অপরাধীরা বাধা দিলেও ভোটাররা কেন্দ্রে যাবেই: সেনাপ্রধান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গাজীপুর জেলা পরিদর্শন ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন আয়োজনে সম্মিলিত সক্ষমতা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিও অনুযায়ী, সেনাপ্রধান বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা আমাদের আছে। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী—সবাই আগ্রহী। এখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।” তিনি জানান, একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য ভোট উপহার দিতে রাষ্ট্রীয় সকল বাহিনী এখন একযোগে কাজ করছে।
সতর্কতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং অপরাধীদের তৎপরতা নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কিছু আর্থিক লেনদেন হতে পারে, যা রোধে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া কিছু অপরাধী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে এই ধরনের অপতৎপরতা রুখে দেওয়া হবে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ভোটের দিন মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
তিন বাহিনী প্রধানের গাজীপুর সফর নির্বাচনী প্রস্তুতির মাঠপর্যায় পর্যবেক্ষণে সেনাপ্রধানের এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। তিন বাহিনীর প্রধানেরা যৌথভাবে গাজীপুর জেলা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা।
প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশ-জাপান ঐতিহাসিক চুক্তি
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ঢাকা ও টোকিও’র মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পথ সুগম হলো।
প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল লক্ষ্য ও রূপরেখা জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এই চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তির অধীনে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি বিনিময় করা হবে।
নিয়ন্ত্রণ ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ চুক্তিতে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হস্তান্তরিত সরঞ্জাম বা প্রযুক্তি যাতে তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে না যায় এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যের বাইরে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়ে চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। প্রতিটি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও যাচাই-বাছাইয়ের কঠোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সহযোগিতার ফলে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এটি কেবল দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককেই জোরদার করবে না, বরং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হঠ্যাৎ কী কারণে বদলে যাচ্ছে র্যাবের নাম
বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, বহুল আলোচিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী Rapid Action Battalion–এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে নিরাপত্তা প্রশাসনে বড় ধরনের নীতিগত রদবদল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, র্যাবের নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)’। প্রধান উপদেষ্টা এই নাম অনুমোদন দিয়েছেন এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি হলে নতুন নামে বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি আরও জানান, শুধু নাম পরিবর্তনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না এই উদ্যোগ। নতুন নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাহিনীর পোশাক ও বাহ্যিক পরিচিতিতেও পরিবর্তন আনা হবে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই রূপান্তরের লক্ষ্য হলো বাহিনীর কার্যক্রমকে আরও পেশাদার, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।
উল্লেখযোগ্য যে, এই বাহিনীর নামকরণ নিয়ে অতীতেও পরিবর্তন এসেছে। প্রাথমিকভাবে বাহিনীটির নাম ছিল ‘র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট)’। পরে ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)’ নামে বাহিনীটি গঠিত হয় এবং দ্রুতই এটি দেশের অন্যতম প্রভাবশালী বিশেষ বাহিনীতে পরিণত হয়।
তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র্যাবের বিরুদ্ধে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে আসছে। এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে যুক্তরাষ্ট্র র্যাব এবং বাহিনীটির সাতজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ও পররাষ্ট্র দপ্তর পৃথকভাবে জারি করে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার ফলে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার সময় সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে United Nations Office of the High Commissioner for Human Rights একটি তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা সরকারের জন্য একটি বড় বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।
নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Human Rights Watch দীর্ঘদিন ধরেই র্যাব বিলুপ্ত বা মৌলিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। সংস্থাটি তাদের বিভিন্ন প্রতিবেদনে র্যাবের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর মানবাধিকার উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘র্যাব’ থেকে ‘এসআইএফ’ নামকরণ কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়; বরং এটি সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মহল ও দেশের জনগণের কাছে একটি রাজনৈতিক ও নৈতিক বার্তা। এখন দেখার বিষয়, নাম ও পোশাক পরিবর্তনের পাশাপাশি বাহিনীর কার্যক্রম, জবাবদিহি ও আইনি কাঠামোয় কতটা বাস্তব সংস্কার আসে।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- চট্টগ্রাম বন্দরে ভূতুড়ে নীরবতা: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে থমকে গেছে দেশের অর্থনীতি
- জনগণ কি ভোট দিতে যাবে? দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান সহিংসতায় বাড়ছে শঙ্কা
- জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তার পূর্ণ দায়িত্ব নেবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল
- একদিনে ২ বার দাম বৃদ্ধি! নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল স্বর্ণের বাজার
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে সাবধান:আজ ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? বের হওয়ার আগে দেখে নিন কর্মসূচির তালিকা
- আজ থেকে ২১ ঘণ্টা গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে যেসব এলাকায়: জেনে নিন তালিকা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন কখন কোন ওয়াক্তের শুরু
- নির্বাচনের আগে ১ হাজার কোটির বাস কেনার তোড়জোড়
- ৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরবঙ্গের ৩ জেলা সফরে তারেক রহমান
- আইসিসি অফিস উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! বিশ্বকাপ শুরুর আগে তোলপাড় ক্রিকেট বিশ্ব
- জাহানারা আলমের ২ অভিযোগে সত্যতা পেল বিসিবির তদন্ত কমিটি
- নেতার আগে জনতা, এমন এক বাংলাদেশ উপহার দেবে বিএনপি: ডা. জুবাইদা
- জামায়াতের জনতার ইশতেহার প্রকাশ: ২৬ বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার
- জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক তারেক রহমানের পরিকল্পনার অংশ: নাসীরুদ্দীন
- নেপালকে উড়িয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ
- অনলাইন গেম যখন মরণফাঁদ: ৯ তলা থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল তিন বোন
- জামায়াতের সাথে কেন জোট ভাঙল? বিস্ফোরক তথ্য দিলেন রেজাউল করীম
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা হবেই, কারো রক্তচক্ষু মানি না: জামায়াত আমির
- নির্বাচনে কোনো সহিংসতা হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পারে কেবল বিএনপি: নজরুল
- রাশিয়ার তেল ছাড়ছে ভারত! ট্রাম্পের দাবি ঘিরে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়
- ২০ বছর পর বেলস পার্কে তারেক রহমান: নতুন জালেমদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি
- ভোট সংক্রান্ত সব তথ্য মিলবে হেল্পলাইনে, জানুন কিভাবে
- বাংলাদেশে নতুন জালেমের আবির্ভাব ঘটেছে: বরিশালে তারেক রহমান
- ব্যবহৃত ফোন হস্তান্তরের আগে জানুন ডি-রেজিস্ট্রেশন নিয়ম
- এক বছরে ১ কোটি চাকরি, ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড চালু করবে বিএনপি
- নবজাতকের চুল কবে কাটবেন? জেনে নিন ইসলামি বিধান ও হাদিসের নির্দেশনা
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন বিদেশি মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার
- শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: স্থগিত হলো সংসদ নির্বাচন
- চাঁদ জয় কি তবে স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে? নাসার ঐতিহাসিক মিশনে আবারও বড় বাধা
- মাত্র ৯ কোটির মোস্তাফিজের কারণে ৬ হাজার কোটির ক্ষতি!
- নির্বাচনের আগে উত্তরের পথে শফিকুর রহমান: উত্তরের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ
- নবম পে-স্কেল ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক: সুযোগ না কি নতুন বৈষম্যের শঙ্কা?
- ৯ দিন পর প্রধানমন্ত্রী হবেন ডা. শফিকুর রহমান: আমির হামজা
- দিল্লি-কলকাতায় গোপন বৈঠক: ভারত থেকেই দল গোছাচ্ছেন শেখ হাসিনা
- আজ কেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া? জেনে নিন সকালের পূর্বাভাস
- বাজুসের নতুন রেকর্ড: ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় বাড়ল স্বর্ণের দাম
- দুই দশক পর বরিশালে বিএনপির রাজকীয় শোডাউন: জনসমুদ্রে রূপ নিচ্ছে বেলস পার্ক
- আজ ঢাকায় যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকান বন্ধ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? বের হওয়ার আগে দেখে নিন কর্মসূচির তালিকা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্তের ওয়াক্ত
- ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্প: বড় কোনো বিপদের সংকেত দিচ্ছে প্রকৃতি?
- আজ টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র ও নগদ অর্থ প্রদান
- ঢাকাসহ দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
- অজানা মহাবিশ্বের সন্ধানে এআই: হাবল আর্কাইভে মিলল শত শত নতুন গ্যালাক্সি
- অজানা মহাবিশ্বের সন্ধানে এআই: হাবল আর্কাইভে মিলল শত শত নতুন গ্যালাক্সি
- বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শীর্ষে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট
- স্বর্ণের দামে বড় পতন, ট্রাম্পের ঘোষণায় স্বর্ণবাজারে অস্থিরতা
- বাজুসের নতুন রেকর্ড: ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দফায় বাড়ল স্বর্ণের দাম
- স্বস্তি ফিরলো স্বর্ণের বাজারে; আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দাম
- বিশ্ববাজারে রেকর্ড দরপতন; দেশেও কমল স্বর্ণের দাম
- স্বর্ণের দামে বড় ধস: আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন মূল্য তালিকা
- তিন দিনে ভরিতে বাড়ল ২৮ হাজার, স্বর্ণে রেকর্ড
- আজ ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে একাধিক এলাকা
- রুপার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ, ভরি ছাড়াল যত
- কালিগঞ্জে জমি বিরোধে সংঘবদ্ধ হামলা, চারজন গুরুতর আহত
- একদিনে দুই দফা স্বর্ণের দাম কমাল বাজুস, এক ভরিতে কমল যত
- আজ প্রাইজবন্ডের ১২২তম ড্র: জেনে নিন প্রাইজবন্ডের ফলাফল দেখার সহজ নিয়ম
- কুখ্যাত জেফ্রি অ্যাপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনা ও বিএনপি নেতার নাম
- রিয়েল এস্টেটে বড় স্বস্তি, ফ্ল্যাট ও জমি নিবন্ধনে বিরাট সুখবর
- ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্প: বড় কোনো বিপদের সংকেত দিচ্ছে প্রকৃতি?
- শবেবরাত পালনে কী করবেন, কী করবেন না








