নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্র চলছে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নানারকম ষড়যন্ত্রের ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই বিএনপির অগ্রযাত্রাকে রুখতে পারবে না। রোববার (৩১ আগস্ট) বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘৪৭ বছরের গৌরবান্বিত পথ চলায় বিএনপি বরাবরই দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের সহযোগিতা এবং সমর্থন পেয়ে এসেছে। আসুন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমরা জনগণের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ থেকে বিএনপি যেমন অতীতে বিচ্যুত হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।’ তিনি বলেন, ‘জনশক্তি, জনবল বিএনপির মনোবল।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের স্থিতিশীল পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে অথবা জটিল করে তোলা হচ্ছে। নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না—এই ধরনের উচ্চারণ ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির ঐক্যকে দুর্বল করবে, নাকি পলাতক ফ্যাসিবাদী অপশক্তির পুনরুত্থানের প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করবে?’ তিনি বলেন, ‘এখনো সময় আছে, আমাদের সতর্ক হওয়া দরকার। পরাজিত, পলাতক অপশক্তি কিন্তু সুযোগের অপেক্ষায় ওঁত পেতে রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পলাতক স্বৈরাচারের মতো বিএনপির বিজয় ঠেকানোর অপরাজনীতির পরিবর্তে আসুন, আগে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার গঠন করি। এরপর রাজনৈতিক দলগুলোর আরও সব যৌক্তিক দাবির সমাধানের পথ খুঁজি।’ তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করে যদি আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারি, তবে গণতান্ত্রিক দাবিগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবায়নের পথ সহজ হয়ে যাবে।’
গণপরিষদ সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাসহ সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার যত বেশি দিন ক্ষমতায় থাকবে, তাদের দুর্বলতাও তত বেশি দৃশ্যমান হতে থাকবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী অপশক্তি ৫ আগস্ট নিয়ে তত বেশি বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ পাবে।’ তিনি বলেন, ‘মব ভায়োলেন্সকে আমরা কেউ প্রশ্রয় দেব না। নারীর সম্মান, মর্যাদা এবং অধিকারের প্রতি শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিটি সৈনিক সংবেদনশীল এবং শ্রদ্ধাশীল থাকবে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনীতি মানেই শুধু প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, বরং জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণ। সেই লক্ষ্যে বিএনপি বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেছে।’ তিনি বলেন, কীভাবে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, সে ব্যাপারেও বিএনপির পেপারওয়ার্ক চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তারেক রহমান মনে করিয়ে দেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠিত না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়।’ তিনি বলেন, ‘পুঁথিগত সংস্কারের চেয়েও কার্যকর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা অনেক বেশি জরুরি।’
অনুষ্ঠানটি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং অধ্যাপকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
৯ দফা না মানলে ১ দফার ডাক দিতে বাধ্য হব: ডা. শফিকুর রহমান
সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৯ দফা দাবি না মানলে সরকার পতনের এক দফার ডাক দিতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বগুড়া মহানগরের মাটিডালি বিমান মোড়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। একই সঙ্গে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে গঠিত হলেও তারা সেই সনদ বাস্তবায়ন করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ রায় দিয়েছিল; অথচ ক্ষমতায় বসে সরকার সেই অবস্থান থেকে সরে গেছে। সরকার ঘোষিত ৯ দফা দাবি মেনে নিলে নতুন কোনো কর্মসূচির প্রয়োজন হবে না উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, দাবি না মানলে অচিরেই এক দফার আন্দোলন শুরু হবে এবং লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৮ কোটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি আরও ঘোষণা দেন, বর্তমান লংমার্চ ঢাকা থেকে রংপুরের দিকে হলেও পরবর্তী লংমার্চ পঞ্চগড় থেকে ঢাকার অভিমুখে পরিচালিত হবে।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, সরকার এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মূলত এক কোটি মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছে। সার, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চরম সংকট নিয়ে মন্ত্রীদের অযৌক্তিক বক্তব্যের সমালোচনা করার পাশাপাশি তিনি সরকারি চাকরিতে লিখিত পরীক্ষার চেয়ে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে দলীয় ক্যাডার পুনর্বাসনের অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন। এ ছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার সন্তান অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির নিন্দা জানিয়ে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার কড়া সমালোচনা করেন। সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হয়ে বগুড়ায় আসা গাড়ি বহরটি মাটিডালির পথসভা শেষ করে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।
/আশিক
শেখ হাসিনার পথে গেলে মোদির সঙ্গে দেখা হবে: তারেক রহমানকে এনসিপির হুঁশিয়ারি
সরকারকে সংস্কারের পথে হাঁটার আহ্বান জানানো হলেও তারা কার্যত দিল্লির পথ ও ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নীতি অনুসরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটায় সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বর মোড়ে ১১-দলীয় জোট আয়োজিত ঢাকা-রংপুর লংমার্চের এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘যেই পথ শেখ হাসিনার, সেই পথে আপনার মোদির সাথে দেখা হবে।’
পথসভায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রশাসন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বর্তমান সরকারকে একটি অদূরদর্শী ‘শিশু সরকার’ ও ‘বিষধর সাপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি জানান, সংস্কার ও জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হলে জোটের আট দফা দাবি অচিরেই সরকার পতনের ‘এক দফায়’ রূপ নেবে। আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ভোটব্যাংককে কাজে লাগিয়ে একচ্ছত্র ক্ষমতার চর্চা এ দেশের তরুণ প্রজন্ম আর মেনে নেবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।
গণভোটের গণরায়ের গুরুত্ব তুলে ধরে এনসিপি নেতা জোর দিয়ে বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নিজেদের রায় স্পষ্ট করেছে। এই সাংবিধানিক রায় বাস্তবায়ন করা ছাড়া তারেক রহমানের সরকারের সামনে আর কোনো বিকল্প খোলা নেই বলেও পথসভা থেকে সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
/আশিক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গত ৬ মাসের ‘সাফল্য’ তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহর ব্যঙ্গাত্মক স্ট্যাটাস
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ডকে তীব্র কটাক্ষ করে ‘সাফল্যের’ একটি তালিকা ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তুলে চারটি সুনির্দিষ্ট বিষয় উল্লেখ করেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ ব্যঙ্গাত্মক সুরে লেখেন, গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রধান ‘সাফল্য’ হলো তাঁর ছেলের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক হওয়া। পাশাপাশি প্রায় ৬০০ কোটি টাকার কমিশনের বিনিময়ে একটি জাপানি প্রতিষ্ঠানের লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ পাওয়া ও সরকারি সচিবদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্টের লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ পাওয়ার দৌড়ে প্রভাব বিস্তার এবং মন্ত্রীর ছেলের শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে হঠাৎ প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বনে যাওয়াকে তিনি অন্যতম সাফল্য বলে দাবি করেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির দিকে ইঙ্গিত করে স্ট্যাটাসের শেষাংশে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘সব মিলিয়ে, গত ছয় মাসে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলার কতটা উন্নতি হয়েছে জানি না, তবে উনার পকেটের উন্নতির গতিটা বেশ লক্ষণীয়।’ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও পারিবারিক আর্থিক লাভের এসব গুরুতর অভিযোগ তুলে দেওয়া স্ট্যাটাসটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
দিল্লিতে সরাসরি বৈঠকের তথ্য ফাঁস! নেতাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন শেখ হাসিনা
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা প্রকাশ্যে চলে আসায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে দিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি দলের অভ্যন্তরীণ কোনো তথ্য ও কর্মসূচি যাতে বাইরে ফাঁস না হয়, সে বিষয়ে নেতাদের কঠোরভাবে সতর্ক করেন। মূলত দিল্লিতে শেখ হাসিনার বাসভবনে কয়েকজন শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে সরাসরি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল এবং কয়েকজন নেতা সেখানে পৌঁছেও গিয়েছিলেন; কিন্তু তথ্যটি আগেই জানাজানি হয়ে যাওয়ায় শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা বদলে বৈঠকটি অনলাইনে করা হয় বলে দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনা আবারও আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং এ বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে জোরালো আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে তাঁর অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। বৈঠকে তাঁর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন ছাড়াও দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক, আইনি ও সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ ছাড়া বৈঠকে শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীতে (প্রেসিডিয়াম) অন্তর্ভুক্ত করে দলীয় নেতৃত্বে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাঁর কোনো পদ নেই। অনলাইন এই বৈঠকে সম্প্রতি একটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দলটির শীর্ষ কয়েকজন নেতাও যুক্ত হয়ে নিজেদের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। দিল্লিতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে বাংলাদেশে তীব্র সংবেদনশীলতা ও কূটনৈতিক প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে এ বৈঠকের তথ্য প্রকাশ্যে এলো।
সূত্র: ডেইলি ওয়াদা
শনিবার রাজপথে নামছে ১১ দলীয় ঐক্য, চূড়ান্ত হলো লংমার্চের দিনক্ষণ ও পথনকশা
সংবিধান সংস্কারে বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যজোট। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর আয়োজিত ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই অভিযোগ করেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচনের মাত্র ছয় মাসের মাথায় জাতিকে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে দেশ পরিচালনা করলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ সংকট তৈরি হবে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সাংবিধানিক সংস্কারের উদ্যোগ নিতে তিনি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার, জ্বালানি সংকট নিরসন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে আগামী শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত রাজপথে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জোটটি। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ কর্মসূচির রুট চূড়ান্ত করা হয়। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৭টায় সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জমায়েত শেষে সকাল ৮টায় লংমার্চের যাত্রা শুরু হবে। এরপর টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল, বগুড়ার মাটিডালি এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ধারাবাহিক পথসভা শেষে সন্ধ্যা ৭টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হবে।
ব্রিফিংয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অহমিকায় সরকার ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করছে এবং পবিত্র কোরআন-সুন্নাহর বিধান উপেক্ষা করে হেবা আইনের ওপর হস্তক্ষেপ চালিয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনী আইন সংশোধনের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলেও তিনি দাবি করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কর্তৃত্ববাদী পথে না হেঁটে সরকারের প্রতি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে আগামী শনিবারের শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক লংমার্চে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করতে প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি জানান জোটের নেতারা।
/আশিক
বিদেশের আরাম নয়, দেশে ১০ বছর জেল খাটাই বেছে নেব: আসিফ মাহমুদ
কোনো অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে বিদেশের আরাম-আয়েশের জীবনের পরিবর্তে দেশেই ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করাকে বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
ভিডিওবার্তায় তিনি বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিদেশের মাটিতে তাঁর এক টাকার বিনিয়োগ কিংবা এক কণা ধূলিকণা কেনার প্রমাণ কেউ দেখাতে পারলে তিনি সেই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, দেশের বাইরে বিলাসবহুল জীবন কাটানোর চেয়ে নিজের শক্তিশালী জাতীয়তাবোধের কারণে তিনি নির্দ্বিধায় ১০ বছর দেশে জেল খাটাকেই বেছে নেবেন।
আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের প্রমাণ ছাড়াই কেবল একটি স্বার্থান্বেষী ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ক্ষমতার অবস্থানে থাকা ব্যক্তিদের অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দেশের গণমাধ্যমের তথ্য পরিবেশনকেও সতর্ক ও বিশ্লেষণমূলক দৃষ্টিতে দেখার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
/আশিক
ওয়াদা অস্বীকার করে উল্টো পথে হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির
দেশবাসীকে দেওয়া পূর্বের প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ উল্টো পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ‘সিন্ডিকেট ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যে জামায়াত আমির অভিযোগ করে বলেন, গণভোটের আহ্বান জানানো হলেও তা মানা হচ্ছে না এবং তথাকথিত জুলাই চার্টার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও কার্যত তার কিছুই করা হচ্ছে না।
সাংবিধানিক ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মানবাধিকার কমিশন ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন রাখার কথা বলা হয়েছিল। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনে দলীয় অনুগত ও বহু আগেই অবসরে যাওয়া এক ব্যক্তিকে অতিরিক্ত সচিবের (এডিশনাল সেক্রেটারি) গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে।
/আশিক
ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ওবায়দুল কাদেরের কথোপকথন ফাঁস
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও মারধরের প্রত্যক্ষ উসকানি দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। এই ঐতিহাসিক রায়ের পর আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মামলার বিভিন্ন তথ্য ও আসামিদের ভূমিকা তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দামকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’ এভাবে তিনি বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে ছাত্রলীগকে সহিংসতায় প্ররোচিত করেন। এর পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের ‘দেখা মাত্রই গুলি’ করার কঠোর নির্দেশনাও জারি করেছিলেন ওবায়দুল কাদের। আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ১১ জুলাই সাদ্দামকে ওই নির্দেশ দেওয়ার পরপরই ১৬ জুলাই ওয়াসিম ও আবু সাঈদসহ কয়েকজন আন্দোলনকারী নির্মমভাবে নিহত হন।
পরবর্তী পরিস্থিতির বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিচারে গুলি চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করে এবং এই সহিংসতার শিকার হয়ে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ গুরুতর আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেন। এর আগে ওবায়দুল কাদের প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে আন্দোলন দমনের জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব উসকানি ও দমনমূলক তৎপরতার ফলেই দেশজুড়ে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। আসামিদের সহিংস বক্তব্য ও দিকনির্দেশনার ওপর ভর করেই তৎকালীন সরকারের অনুগত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ক্যাডাররা যৌথভাবে নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাযজ্ঞ চালায়।
/আশিক
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়বে জামায়াত
জাতীয় নির্বাচনে এবং নির্বাচন-পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে জোটভুক্ত অবস্থানে থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পুরোপুরি এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মতো স্থানীয় সরকারের সব স্তরেই দলটির নিজস্ব প্রার্থীরা দলীয় ব্যানারে লড়াই করবেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আয়োজিত সীরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্সের সমাপ্তি পর্বে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে দলের এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সাংগঠনিক প্রস্তুতির বিস্তারিত তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, জামায়াতে ইসলামী একটি নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক দল হিসেবে স্থানীয় সরকারের প্রতিটি ধাপের জন্য সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ এখন চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে এবং অনেক অঞ্চলেই ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করে তাদের মাঠপর্যায়ে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর নির্বাচনী পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা উল্লেখ করেন যে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ—উভয় সিটি করপোরেশন নির্বাচনেই জামায়াত এককভাবে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দলীয় ফোরামে প্রার্থীদের নাম মনোনীত করা হয়েছে। উপযুক্ত সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রকাশ করা হবে, যদিও গণমাধ্যমে ইতিমধ্যে ঢাকা উত্তরে সেলিম উদ্দিন এবং ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েমের নাম সামনে এসেছে।
স্থানীয় নির্বাচনে জোটগত সমীকরণের বিষয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার ব্যাখ্যা দেন যে, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাদের যে ১১ দলীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, নির্বাচনের পরও বিভিন্ন আন্দোলনের কর্মসূচি তারা সেই জোটের আওতাতেই পালন করে আসছেন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে জোটের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া হয়েছে যে প্রতিটি দলই নিজস্ব প্রতীকে ও একক প্রার্থী নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে, ফলে স্থানীয় সরকারের কোনো স্তরেই জোটগত কোনো প্রার্থী থাকছে না।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ইতালীয়দূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ক্ষণ ঘনিয়ে আসছে মেসির
- যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য বিশ্বাস করে না বিশ্ব, মন্তব্য ইরানি মুখপাত্রের
- রোববারের এই আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
- শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবন থেকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- দুর্দান্ত জয়ের পরও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বড় ছন্দপতন
- বিরলে পুষ্টি সংবেদনশীল হর্টিকালচার নার্সারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- খাওয়ার টেবিলে শিশুর স্ক্রিন আসক্তি কি আসলেই ক্ষতিকর?
- প্রচারচিত্রে বুক চেপে লুটিয়ে পড়লেন ভাইজান! হঠাৎ কী ঘটল ‘বিগ বস’-এর মঞ্চে?
- ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেল খরচ! ইরান যুদ্ধে কত ব্যয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের?
- ২৭ সেপ্টেম্বরের মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা, গ্রেপ্তার ইমরান খানের বোন
- ডিজিটাল অভিজ্ঞতায় বড় চমক, দেশজুড়ে নতুন ইন্টারনেট ব্যবস্থা আনল গ্রামীণফোন
- বন্ধুত্বের আড়ালে চরম বিশ্বাসঘাতকতা! আইফোনের লোভে অপ্রতিমকে যেভাবে হত্যা করা হয়
- পল্লবীতে সরকারি কলেজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন
- রাজধানী রিয়াদের আকাশে আগুনের শিখা! কী ঘটেছে আরামকো ও বিমানবন্দরে?
- বৈশ্বিক মঞ্চে নতুন সরকারের অভিষেক: জাতিসংঘ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ১২ ঘণ্টার অভিযানে ধরা পড়ল ৪ জন, অপ্রতিম হত্যায় যা জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- অপ্রতিমের মৃত্যু যে প্রশ্ন রেখে গেল: নিরাপত্তা, জনআস্থা ও আইনশৃঙ্খলার নতুন পরীক্ষা
- ইরান যুদ্ধে বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা, তথ্য ফাঁসে ট্রাম্পের তীব্র ক্ষোভ
- ৯ দফা না মানলে ১ দফার ডাক দিতে বাধ্য হব: ডা. শফিকুর রহমান
- কিশোর অপ্রতিমের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোক ও ক্ষোভে স্তব্ধ শোবিজ অঙ্গন
- তিব্বত-নেপালে বরফ ধস ও পাহাড়ি ঢল: চরম ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ আট দেশ
- রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের ওপর শতভাগ শুল্কের খাঁড়া? স্বাক্ষরিত হলো ট্রাম্পের নতুন বিল
- কালিগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক সভা
- মিরপুরে আবারও বাসে আগুন আতঙ্ক, কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় ঘটনা
- প্রকাশিত হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফল, যেভাবে জানবেন মনোনীত কলেজ
- শেখ হাসিনার পথে গেলে মোদির সঙ্গে দেখা হবে: তারেক রহমানকে এনসিপির হুঁশিয়ারি
- চব্বিশ ঘণ্টার রুটিনেই মিলবে অশেষ সওয়াব, জেনে নিন ৫টি ছোট দোয়া
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গত ৬ মাসের ‘সাফল্য’ তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহর ব্যঙ্গাত্মক স্ট্যাটাস
- মক্কা-মদিনায় হামলার চেষ্টা হলে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়বে মুসলমানরা: ধর্মমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু, সরকারি দপ্তরগুলোতে আসছে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের বিপ্লব
- অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় সুখবর: ৫ ধাপে বাড়ল সরকারি পেনশন, কার কত বৃদ্ধি?
- ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেগা পদক্ষেপ, নতুন আইনে সই ট্রাম্পের
- নারী শিক্ষা নিয়ে তারেক রহমানের নতুন প্রস্তাবের কথা জানালেন রিজভী
- শেষ মুহূর্তে ধরা পড়ল এআই-এর জাল গোয়েন্দা রিপোর্ট, রক্ষা পেল চীন-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
- দিল্লিতে সরাসরি বৈঠকের তথ্য ফাঁস! নেতাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন শেখ হাসিনা
- পরমাণু শক্তির নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ভিয়েনায় তুলে ধরলেন মন্ত্রী
- ব্যাট হাতে রূপকথার ঝড়, রেকর্ড বই তছনছ করে এলিট ক্লাবে তরুণ ভারতীয় তারকা
- শনিবার রাজপথে নামছে ১১ দলীয় ঐক্য, চূড়ান্ত হলো লংমার্চের দিনক্ষণ ও পথনকশা
- গেজেট প্রকাশের আগেই সামনে এলো নতুন পে-স্কেলের বিস্তারিত, কার কত বাড়ছে?
- এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাল্টে গেল চিত্র, ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে দুই তারকার সরাসরি লড়াই
- টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানী ও আশপাশের যেসব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়
- সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে সরকারের মেগা ঋণ কর্মসূচি, মিলবে সাশ্রয়ী সুদে
- গাম্বিয়ার ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ব্যারিস্টার নাজির আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ইসবগুলের ভুষি: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা
- মক্কা চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানের বড় ঘোষণা, সতর্কবার্তা তেহরানের উদ্দেশে
- বাড়বে না হজের নিবন্ধনের সময়, চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
- মক্কার ড্রোন হামলার ভিডিও নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া, যা জানা গেল ফ্যাক্ট চেকে
- বিদেশের আরাম নয়, দেশে ১০ বছর জেল খাটাই বেছে নেব: আসিফ মাহমুদ
- ‘শুধু পুরুষেরই কি তওবার অধিকার?’ এক সংলাপেই তোলপাড় পাকিস্তানি নাটক
- অপ্রতিমের মৃত্যু যে প্রশ্ন রেখে গেল: নিরাপত্তা, জনআস্থা ও আইনশৃঙ্খলার নতুন পরীক্ষা
- ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কর মামলায় চেম্বার আদালতের নতুন আদেশ
- সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনে বড় আঘাত, জ্বালানি বিশ্বে অশনিসংকেত
- ঢাকার যানজট ও রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর পদক্ষেপ
- গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই প্রধান কাজ: রাষ্ট্রপতি
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মধ্যেই পবিত্র মক্কায় বিরল সতর্কতা জারি
- বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের গর্জন, আইসিসির নতুন র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চমক
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন বার্তা
- প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস আমন্ত্রণ নিয়ে ধোঁয়াশার অবসান, যা জানাল নয়াদিল্লি
- কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শুরুর দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের স্মারকলিপি
- শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বড় ঘোষণা
- ভরদুপুরে সেলুনে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও কোপ, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল রোমহর্ষক দৃশ্য
- প্রস্তুতির ঘাটতি নয়, বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেলেই জিতেছে: প্যাট কামিন্স
- ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান কবে শুরু? সামনে এলো সম্ভাব্য তারিখ
- টানা ১৪ দিন গ্রিন টি পানে শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে: বিশেষজ্ঞের তথ্য








