হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে  ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হবে জুড়ীতে পাটোয়ারী 

মোঃ সামছুল ইসলাম
মোঃ সামছুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৯ ২১:৩৮:১২
হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে  ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হবে জুড়ীতে পাটোয়ারী 
ছবি : মোঃ সামছুল ইসলাম

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মূখ্য সম্বন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বলেছেন, ভবিষ্যতে যদি বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদি কোন সিস্টেম আসতে চায় তবে তার বিরুদ্ধে আবারও আমরা রাজপথে নামব। খুনি শেখ হাসিনাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।

আমরা পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ, শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে তাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলাবো। আওয়ামীলীগের বিষয়ে কোন নয় ছয় নেই। যারাই আওয়ামীলীগকে প্রশ্রয় দিবে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের শক্তিশালী লড়াই হবে। তিনি রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে জুড়ী উপজেলার ক্যাম্প চত্বরে এক পথসভায় এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, খুনি রাষ্ট্র ভারতের বিএসএফ বাহিনী বাংলাদেশে পুশইনের মত নেক্কারজনক ঘটনা ঘটাচ্ছে। মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ভারতের নাগরিকদের বাংলাদেশী নাগরিক আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে। আপনারা বিজিবির সাথে সীমান্ত পাহাড়া দিবেন যাতে ভারত কোনভাবেই তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশের প্রবেশ করাতে না পারে।পথসভায় এনসিপি নেতা আব্দুল মালিক সাচ্চু, প্রীতম দাস, আফজাল হোসেন ও আমির হামজাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। ‌


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ও আবহাওয়া দপ্তরের নতুন নির্দেশনা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৩ ২১:৩৩:০০
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ও আবহাওয়া দপ্তরের নতুন নির্দেশনা
ছবি : সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে, যার প্রভাবে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তীব্র দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলা সিলেটে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সাথে দেশের অন্যান্য বন্যাপ্রবণ নদ-নদীর পানিও ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে নিম্নচাপটি কিছুটা উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও শক্তিশালী হয়ে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর সার্বিক প্রভাবে দেশের সবকটি সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো বাতাস ধেয়ে আসতে পারে।

নিরাপত্তার স্বার্থে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরণের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে শুক্রবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী বাতাসের সাথে হালকা থেকে মাঝারি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকবে।

পরদিন শনিবার (১৫ আগস্ট) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় একই ধরণের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সার্বিকভাবে অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্যানুযায়ী, কক্সবাজারে দেশের সর্বোচ্চ ১৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল সিলেটে।

অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদী ইতোমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। গত এক দিনে মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, খোয়াই নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে, তবে মনু ও ধলাই নদীর পানি আরও এক দিন বৃদ্ধি পেয়ে পরবর্তী দুই দিন একই অবস্থায় থাকতে পারে।

চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে গোমতী, সেলোনিয়া, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুhurীর পানি বেড়েছে; যদিও বিপরীতে মুহুরী ও হালদার পানি সামান্য কমেছে। পাহাড়ি এসব নদীর পানি আগামী দুই দিন কিছুটা বাড়লেও পরবর্তীতে স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারার সামগ্রিক পানি এবং দেশের প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে এবং আগামী তিন দিন এই পানি কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে গঙ্গা-পদ্মা নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন পর্যন্ত বজায় থাকতে পারে, যদিও এই নদীগুলোর পানি এখনো বিপদসীমার নিচ দিয়েই বইছে।

/আশিক


দিনে-রাতে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট, থমকে গেছে জনজীবন

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৩ ২০:১১:০৬
দিনে-রাতে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট, থমকে গেছে জনজীবন
ছবি : সংগৃহীত

ময়মনসিংহে তীব্র তাপদাহের সাথে পাল্লা দিয়ে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং। শহরতলী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল—সর্বত্রই এখন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ জনজীবন। জেলার প্রতিটি উপজেলায় পরিস্থিতি প্রতিদিন আরও জটিল আকার ধারণ করছে বলে জানিয়েছেন চরম ভোগান্তিতে পড়া স্থানীয় বাসিন্দারা।

কেবল ময়মনসিংহই নয়, পার্শ্ববর্তী জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও একই ধরনের বিদ্যুৎ সংকটের খবর পাওয়া গেছে। দিন ও রাতজুড়ে দফায় দফায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা পুরোপুরি থমকে গেছে। তীব্র এই গরমের মধ্যে চরম বিপাকে পড়েছেন শিশু, প্রবীণ ও শিক্ষার্থীরা। বিদ্যুতের এই তীব্র সংকটে ব্যাহত হচ্ছে পড়াশোনা, স্থবিরতা নেমে এসেছে ব্যবসা-বাণিজ্যে এবং মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, নগরীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় প্রতি এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং একবার বিদ্যুৎ গেলে অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টার আগে আর আসছে না। জেলা শহরের অধিকাংশ এলাকায় দিনে-রাতে গড়ে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। গ্রামের চিত্র আরও করুণ, যেখানে দিনে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

বিদ্যুৎ ঘাটতির ফলে নগরীর চরপাড়া, মাসকান্দা, বাঘমারা, ব্রাহ্মপল্লী, সিকে ঘোষ রোড, নাটক ঘরলেন, গাঙ্গিনারপাড়, ভাটিকাশর, নওমহল, কেওয়াটখালি, নতুনবাজার, জিলা স্কুল মোড়, পণ্ডিত পাড়া, আকুয়া, কলেজ রোড, জামতলা মোড়, সানকিপাড়া, পুলিশ লাইন ও কাঠগোলাসহ প্রায় প্রতিটি অলিগলিতেই একাতর লোডশেডিং চলছে।

নগরীর বাসিন্দারা জানান, দৈনিক ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় তারা বাসাবাড়িতে পাম্প দিয়ে ঠিকমতো পানি তুলতে পারছেন না। তীব্র তাপদাহের মধ্যে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে। রাতের বেলা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অনেকেই ঘুমাতে পারছেন না, যার প্রভাব পড়ছে কর্মক্ষমতায়। আবার বিদ্যুতের ঘনঘন বিভ্রাটের কারণে স্থবিরতা এসেছে নিত্যদিনের কেনাকাটা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটায় তীব্র গরম আর অন্ধকারের মধ্যেই সময় পার করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে চিকিৎসা খাতে। বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ময়মনসিংহ জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা মাসুম জানান, নগরীর ব্যস্ততম এলাকা চরপাড়ায় তিনশটিরও বেশি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার রোগী এখানে সেবা নিতে আসেন। কিন্তু ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জটিল সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে পড়ছে। অস্ত্রোপচারের সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মুমূর্ষু রোগীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ব্যয়বহুল জেনারেটর চালাতে গিয়ে পরিচালন ব্যয় ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কোনো স্থায়ী সমাধান নয় বলে জানান তিনি।

ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জোনে অফপিক সময়ে ৪৫০-৪৬০ মেগাওয়াট, পিক সময়ে ৫০০-৫২০ মেগাওয়াট এবং দিনের অন্যান্য সময়ে ৪৩০-৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকে। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থেকে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে এই লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহ পাওয়ার গ্রিডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল হক জানান, পুরো ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধীনে থাকা জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলায় দৈনিক বিদ্যুতের মোট চাহিদা ১৩শ থেকে ১৪শ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ মিলছে মাত্র ১ হাজার ৯১ থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট। বিপুল পরিমাণ এই ঘাটতির কারণেই মূলত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

/আশিক


কালিগঞ্জে দুই সন্তানের জননী নিখোঁজ, স্বজনদের উদ্বেগ

শিমুল হোসেন
শিমুল হোসেন
কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) ব্যুরো
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৩ ১৯:৩১:৪৮
কালিগঞ্জে দুই সন্তানের জননী নিখোঁজ, স্বজনদের উদ্বেগ
ছবি : শিমুল হোসেন

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের গণপতি গ্রামের শেখ হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী মোছা. রাবেয়া খাতুন (নিখোঁজ) হয়েছেন। গত ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আনুমানিক বেলা ২টার দিকে বাবার বাড়ির উদ্দেশে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর বাবার বাড়িতে পৌঁছাননি বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওইদিন দুপুরের দিকে রাবেয়া খাতুন বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি সেখানে পৌঁছাননি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এতে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।নিখোঁজ রাবেয়া খাতুনের স্বজনরা জানান, তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কোথায় আছেন বা কীভাবে নিখোঁজ হয়েছেন, তা নিয়ে পরিবারটি উদ্বিগ্ন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর অব্যাহত রয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে রাবেয়া খাতুনের সন্ধান পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কেউ তার সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানায় অথবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।স্বজনদের বক্তব্য: দুই সন্তানের মা রাবেয়া খাতুনের আকস্মিক নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারটি চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে। দ্রুত তার সন্ধান পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।


খুলনা-চট্টগ্রামসহ ৬ অঞ্চলে তীব্র ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১২ ১৯:৪১:১৯
খুলনা-চট্টগ্রামসহ ৬ অঞ্চলে তীব্র ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাসের কারণে নদী অববাহিকার বন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১২ আগস্ট) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত কার্যকর এই বিশেষ পূর্বাভাস জারি করা হয়।

পূর্বাভাসে জানানো হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১ নম্বর নৌ-সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


২৯ হাজার আবাসিক গ্রাহক বিপাকে: নোয়াখালীতে তীব্র গ্যাস সংকট

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১২ ১৯:২১:৩০
২৯ হাজার আবাসিক গ্রাহক বিপাকে: নোয়াখালীতে তীব্র গ্যাস সংকট
ছবি : সংগৃহীত

এলএনজি টার্মিনালের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নোয়াখালীতে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে জেলার প্রায় ২৯ হাজার ৩৫০ জন আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক এবং সাতটি সিএনজি স্টেশন তীব্র সংকটে পড়েছে। হঠাৎ করে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গৃহস্থালির রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন নানা কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন নোয়াখালীর সব আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ এই সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো বার্তা দিতে পারেনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী জেলায় প্রতিদিন গড়ে ১৬ থেকে ১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। গত সপ্তাহে হঠাৎ করে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় জেলাজুড়ে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল। চলতি সপ্তাহের শুরুতে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও বুধবার দুপুর থেকে গ্যাস সরবরাহ একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এতে জেলার প্রায় ২৯ হাজার আবাসিক গ্রাহক, ৩৫০টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সাতটি সিএনজি স্টেশন সরাসরি ভোগান্তির শিকার হয়।

মাইজদীর লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম জানান, গত সপ্তাহে গ্যাসের চাপ কম থাকলেও কোনোমতে চুলা জ্বলত এবং দিনে বা রাতে সুবিধাজনক সময়ে রান্না শেষ করা যেত। কিন্তু বুধবার দুপুর থেকে চুলা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ার প্রভাব পড়েছে শহরের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতেও। ব্যবসায়ীরা জানান, দুপুরের দিকে হঠাৎ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বাধ্য হয়ে বাড়তি খরচে সিলিন্ডার গ্যাস কিনে বাণিজ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন অনেক রেস্তোরাঁ মালিক।

বাখরাবাদ নোয়াখালীর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ব্যবস্থাপক নূর করিম জানান, দুপুর ১২টা থেকে ফেনী গ্রিডের প্রধান লাইন দিয়ে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, সামুদ্রিক এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি জটিলতা তৈরি হওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকে এই সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত সপ্তাহে তীব্র সংকট থাকলেও নোয়াখালীর স্থানীয় সোনাপুর ও বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দিয়ে সীমিত পরিসরে হলেও সরবরাহ চালু রাখা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতির কারণে বুধবার দুপুর থেকে পুরো জেলাতেই সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।

/আশিক


পরিবেশ রক্ষায় মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ

রেজাউল মোস্তফা
রেজাউল মোস্তফা
স্টাফ রিপোর্টার
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ২১:২১:২০
পরিবেশ রক্ষায় মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ
ছবি : রেজাউল মোস্তফা

একটি হলেও বৃক্ষরোপণ করবো জনে জনে সবুজ দেশে সুস্থ বাতাস লাগুক সবার প্রাণে– এই স্লোগানকে সামনে রেখে

কর্মসূচিতে শুধু বৃক্ষরোপণই নয়, বরং জনগণকে গাছ লাগানোর নিয়ম, পরিচর্যার কৌশল ও পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়। এবং সবাইকে অন্তত পক্ষে একটি করে হলেও গাছ লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা. মেসবাহ উদ্দিন তুহিন বলেন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মো: রেজাউল মোস্তফা বলেন "রক্তদান যেমন জীবন রক্ষা করে, তেমনি বৃক্ষরোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবন সঞ্চয় করে। আমরা সবাই মিলে মানবতা ও প্রকৃতির জন্য কাজ করে যাব।

উক্ত বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক Dr.Masbah Uddin Tuhin আরও উপস্থিত ছিলেন মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি রেজাউল মোস্তফা,মোঃমাহফুজ,অদ্রিতা নন্দী,দিলরুবা বেগম সামিয়া,রমজান হোসেন,ইশরাত জাহান ইসমা,আনিশা আকতার,তানিসা আক্তার,মোঃ লিমন,মারিয়া আক্তার। সবুজ হোক আমাদের চারপাশ, সুন্দর হোক আগামী প্রজন্ম।


লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ৫ দিনের নতুন পূর্বাভাস

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ১৮:১৬:২১
লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ৫ দিনের নতুন পূর্বাভাস
ছবি : সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় অবস্থান করছে।

এই আবহাওয়ার প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

পরবর্তী দিনগুলোতেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ দিন সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শুক্রবার ও শনিবারও দেশের বিভিন্ন বিভাগে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিনগুলোতে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছে যে, আগামী কয়েক দিন অব্যাহত ভারি বর্ষণের কারণে দেশের কিছু জায়গায় সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে এবং জনজীবনে ভোগান্তি দেখা দিতে পারে।

/আশিক


আজ শপিংয়ের পরিকল্পনা? এই মার্কেটগুলো থাকবে বন্ধ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১১ ০৯:৫০:০১
আজ শপিংয়ের পরিকল্পনা? এই মার্কেটগুলো থাকবে বন্ধ
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে কেনাকাটা কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক মানুষ বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে যান। তবে ঢাকার মার্কেটগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন এক নয়। এলাকাভেদে নির্দিষ্ট দিনে দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখা হয়। ফলে আগে থেকে তথ্য না জেনে বের হলে গন্তব্যে পৌঁছে মার্কেট বন্ধ পাওয়ার পাশাপাশি যানজট পেরিয়ে যাতায়াতের সময় ও অর্থ—দুটিই নষ্ট হতে পারে।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকার দোকানপাট ও পরিচিত শপিংমল সাপ্তাহিক ছুটির আওতায় থাকবে। বিশেষ করে নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, বসুন্ধরা সিটি, মোতালিব প্লাজা এবং ধানমন্ডি ও এলিফ্যান্ট রোডকেন্দ্রিক বেশ কিছু মার্কেটে কেনাকাটার পরিকল্পনা থাকলে বের হওয়ার আগে বন্ধের তালিকাটি দেখে নেওয়া সুবিধাজনক।

মঙ্গলবার কাঁঠালবাগান ও হাতিরপুল এলাকার বিভিন্ন দোকানপাট সাপ্তাহিক ছুটিতে থাকে। একই তালিকায় রয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, রাজাবাজার, মনিপুরীপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকার অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। এসব এলাকায় ছোট-বড় বিপুলসংখ্যক দোকান থাকায় জরুরি কেনাকাটার পরিকল্পনা করলে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি খোলা আছে কি না, আগে নিশ্চিত হওয়া ভালো।

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত কেনাকাটার অঞ্চল নীলক্ষেত, কাঁটাবন ও এলিফ্যান্ট রোডের বিভিন্ন দোকানও মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বন্ধ পালন করে। একইভাবে শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা ও লালমাটিয়া এলাকার অনেক দোকানপাট এদিন বন্ধ থাকে।

বড় বিপণিবিতানের মধ্যে মঙ্গলবার বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ থাকার কথা। একই দিনে মোতালিব প্লাজা ও সেজান পয়েন্টও সাপ্তাহিক ছুটিতে থাকে। ফলে এসব শপিংমলে পোশাক, ইলেকট্রনিকস, মোবাইল ফোন, প্রসাধনী কিংবা অন্যান্য পণ্য কিনতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে অন্য দিন বেছে নেওয়াই সুবিধাজনক।

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নিউমার্কেটকেন্দ্রিক কেনাকাটার এলাকাতেও মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ছুটির প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। নিউমার্কেটের পাশাপাশি চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট ও গাউছিয়ার দোকানগুলোও বন্ধ থাকার তালিকায় রয়েছে। নিউমার্কেট ও গাউছিয়া ঘিরে আশপাশে বহু স্বতন্ত্র দোকান ও বিপণিবিতান থাকায় পুরো এলাকার সব প্রতিষ্ঠান একইভাবে বন্ধ থাকবে—এমনটি ধরে না নিয়ে নির্দিষ্ট দোকানের সময়সূচি যাচাই করা যেতে পারে।

ধানমন্ডি এলাকার ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অর্চাড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট এবং ধানমন্ডি প্লাজাও মঙ্গলবারের সাপ্তাহিক বন্ধের তালিকায় রয়েছে। পাশাপাশি মেট্রো শপিংমল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা ও আনাম র‌্যাংগস প্লাজার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও এদিন বন্ধ থাকে।

কারওয়ান বাজার এলাকায় কেনাকাটার পরিকল্পনা থাকলে ডিআইটি মার্কেটের বিষয়টিও মাথায় রাখা প্রয়োজন। কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট মঙ্গলবার বন্ধ থাকার তালিকায় রয়েছে। একইভাবে অর্চিড প্লাজাও এদিন সাপ্তাহিক ছুটি পালন করে।

-রফিক


দুর্বল ৫ ব্যাংকের পুরোনো মালিকানা ফেরার সুযোগ বন্ধ করল সরকার

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ২১:৫২:৩৪
দুর্বল ৫ ব্যাংকের পুরোনো মালিকানা ফেরার সুযোগ বন্ধ করল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

একীভূত হওয়া দুর্বল পাঁচটি ব্যাংকের মালিকানা পুরোনো পরিচালনা পর্ষদ বা সত্তার কাছে ফিরে যাওয়ার আইনি পথ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিধান যুক্ত করে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে এই সংশোধনী চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, দেশে কার্যরত কোনো ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, মারাত্মক তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা স্বাভাবিক অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি দেখা দিলে দ্রুত সমাধান ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ২০২৫ সালে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তা আইন হিসেবে পাস হয়ে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ নামে কার্যকর হয়।

ওই আইনের ১৮ক ধারায় বাজারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে পুনর্গঠন করে সচল রাখা, মূলধন ও তারল্য সংকট দূর করা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারের আর্থিক দায় কমানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে ১৮ক ধারার নির্দিষ্ট শর্তাবলি পূরণ করে কোনো উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার উদ্যোগ নেয় সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিসভায় এই সংশোধনী খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন সমালোচনার প্রেক্ষিতেই আইনটির সংশ্লিষ্ট ধারাটি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮ক ধারার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে না আসায় সরকার উক্ত ধারাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

একই বৈঠকে মন্ত্রিসভা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এর পাশাপাশি বহুল আলোচিত ‘ভিসা নীতি-২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: