জ্বালানি নিরাপত্তায় নয়া ইতিহাস: রূপপুর থেকে ৬০ বছর মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

বাঙালির এক দশকের লালিত স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম। এই মাহেন্দ্রক্ষণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল। কেন্দ্রটির স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল ধরা হয়েছে ৬০ বছর, তবে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ সাপেক্ষে এটি টানা ৯০ বছর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে।
বার্তা বাজার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম শুরুতে ইউনিট প্রতি ৬ টাকা ধরা হলেও বর্তমানে তা ১২ টাকা পর্যন্ত পড়তে পারে বলে অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে। তবে একবার জ্বালানি লোড করার পর এটি দিয়ে টানা দেড় বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব, যা তেল বা গ্যাস চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও ঝামেলামুক্ত। রূপপুরের প্রথম ইউনিটের ১২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চুল্লিতে ১৬৩টি ইউরেনিয়াম বান্ডেল স্থাপন করা হবে। প্রতিটি বান্ডেলে ১৫টি করে ইউরেনিয়াম প্লেটসমৃদ্ধ রড থাকে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করতে বিজ্ঞানীদের সময় লাগবে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন।
ইউরেনিয়াম লোডিং শেষে প্রায় শতাধিক কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। এরপর নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন তাপে পানি বাষ্পীভূত হয়ে টারবাইন ঘুরাবে এবং ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। বাংলাদেশের হাতে ইতিমধ্যে ১৬৮টি ইউরেনিয়াম বান্ডেল রয়েছে, যার মধ্যে ১৬৩টি ব্যবহৃত হবে এবং ৫টি জরুরি প্রয়োজনে সংরক্ষণে রাখা হবে। এই প্রকল্প চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন হলো।
/আশিক
মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: কনস্যুলেটের কোনো অবহেলা ছিল কি না জানাল সংসদীয় কমিটি
মক্কায় বাংলাদেশের দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কোনো অবহেলা বা দুর্বলতা ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। রোববার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকে জানানো হয়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চৌদ্দ দিন আগে সৌদি আরব প্রায় আড়াই হাজার বন্দীর একটি তালিকা পাঠালেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তা সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেননি এবং জেল বা মেয়াদের ধারণা করলেও মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি বুঝতে পারেননি।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশেষ করে সৌদি আরবে নারী গৃহকর্মীদের ওপর নির্যাতনের প্রসঙ্গও গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানায় যে, সৌদি আরবে কর্মরত নারী শ্রমিকদের ১ থেকে ২ শতাংশ নির্যাতনের শিকার হন। তবে কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী উল্লেখ করেন যে শতকরা হার কম মনে হলেও বাস্তব সংখ্যায় এই পরিমাণ অনেক বেশি, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩৬৪ জন নারী কর্মীকে উদ্ধার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন করার কথা জানানো হলেও এই ধরনের অমানবিক ঘটনা সম্পূর্ণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
সংসদীয় কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, এস কে আজিজুল বারী, সাঈদ আল নোমান, হুমাম কাদের চৌধুরী এবং সানজিদা ইসলাম। এছাড়া বিশেষ আমন্ত্রণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সৌদি আরবের পাঠানো বন্দীদের তালিকার বিষয়ে দেশটির কাছে কিছু প্রশ্নের জবাব চেয়েছে মন্ত্রণালয় এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কনস্যুলেটের কার্যক্রম আরও সতর্ক করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
সাংবাদিকদের অবমাননা ও পেটানোর হুমকি, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ
সাংবাদিকদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা ও তাদের পিটিয়ে সাজা দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ইসলামী বক্তা সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নিম্ন আদালতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম রোববার (২৫ অক্টোবর) এই নোটিশ পাঠান। নোটিশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এটি হস্তান্তরের সাত দিনের মধ্যে ওই বিতর্কিত মন্তব্য প্রত্যাহার করে তাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে; অন্যথায় অবমাননা, মানহানি ও হামলার হুমকির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনি নোটিশে উল্লেখ করা বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১৯ অক্টোবর চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সাংবাদিকদের আক্রমণ করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, দেশের সংবাদকর্মীরা পেশাগত সততা হারিয়ে ভুল তথ্য ছড়ায় এবং তারা দেশবিরোধী বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার অর্থায়নে চালিত হয়। একইসঙ্গে তরুণ এক প্রতিমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি সংবাদকর্মীদের শারীকভাবে লাঞ্ছিত করার চরম উসকানিমূলক কথা বলেন।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে যে, উক্ত মাহফিলে তার দেওয়া এ ধরনের বক্তব্য সাংবাদিক সমাজ ও তাদের পেশার জন্য চরম অবজ্ঞাকর এবং এটি পেশাদার সাংবাদিকদের নিরাপত্তাকে সরাসরি হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। বক্তা নিজে ও তার অনুসারীদের দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণের মতো ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় গণমাধ্যমে কাজের জন্য একটি ভীতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। আইনজীবী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকের মতে, এই বক্তব্য পুরো সাংবাদিক সমাজের সম্মানহানি করেছে এবং তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি চরম উসকানি হিসেবে কাজ করেছে।
/আশিক
আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক সমঝোতা ও গণআন্দোলনের মূল অঙ্গীকারই ছিল এই নির্বাচন ব্যবস্থা। দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক ত্রয়োদশ সংশোধনী সম্পর্কিত তৎকালীন বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের রায় বাতিল এবং তা বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ায় পুনর্বহাল হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, আইনসভার মাধ্যমে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও প্রতিস্থাপন করা হবে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের সার্বিক চিত্র তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য ও নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এবং ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজা সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আগাম প্রস্তুতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর সার্বক্ষণিক নিবিড় তদারকির কারণেই এ বছর কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ব্যতিরেকেই উৎসবটি উদযাপিত হয়েছে বলে তিনি জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নিরাপত্তার এই ধারা আগামী বছরগুলোতেও একইভাবে বজায় রাখা সম্ভব হবে।
বিগত ১৫ থেকে ১৭ বছর ধরে দুর্গাপূজাকে ঘিরে নানাবিধ অপ্রীতিকর ঘটনা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হতো উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে সেই অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত করতে সমর্থ হয়েছে। ডিজিটাল অ্যাপস ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে বিভাগীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত সার্বক্ষণিক মনিটরিং করার ফলে কোনো ধরনের নাশকতামূলক পরিকল্পনা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার আগেই তা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চ ৩৩ হাজার ৮৫ালী পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা উৎসবকে আরও আনন্দময় করতে সরকার পূজার সরকারি বরাদ্দ ৪ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে এবং প্রতি মণ্ডপে চালের বরাদ্দ ১০০ কেজি বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটিসহ পূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটির ব্যবস্থা করায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা স্বাচ্ছন্দ্যে উৎসব পালন করতে পেরেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
/আশিক
বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই দক্ষ প্রকৌশলী গড়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
টেক্সটাইল খাতের চাহিদা মেটাতে দেশে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী তৈরি এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বুটেক্সের অ্যালামনাই সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে টেক্সটাইল খাতকে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে যথাযথ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে একদিকে দক্ষ জনশক্তির সঠিক ব্যবহার হয় এবং অন্যদিকে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এ ছাড়া দেশের টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামালের চাহিদা পূরণে তুলার দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এর জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কমানোর উপায় খুঁজে বের করতে হবে এবং কৃষি ও টেক্সটাইল খাতের মধ্যকার সমন্বয় আরও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পাট, আনারসের পাতা ও কলাগাছের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে তন্তু সংগ্রহ এবং সিনথেটিক সুতা তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণালব্ধ কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে বুটেক্স প্রতিনিধিদল দেশের তৈরি পোশাকশিল্প ও টেক্সটাইল খাতের প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা এবং সামগ্রিক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিত জানান। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক গবেষণাগার স্থাপন, প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি, বিসিএস (টেক্সটাইল) নামে আলাদা ক্যাডার সৃষ্টি, বাজেট সম্প্রসারণ এবং ঢাকার পূর্বাচলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য জমি বরাদ্দ চেয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রাষ্ট্রপতি তাদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং উত্থাপিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
সাক্ষাতের একপর্যায়ে বুটেক্সের উপাচার্য আগামী বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে ‘রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর’-কে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থাকার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আনন্দের সঙ্গে এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন। প্রতিনিধিদলে বুটেক্সের বিভিন্ন অনুষদের ডিনগণের মধ্যে অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব, অধ্যাপক শিল্পী আক্তার, অধ্যাপক ড. হাসিনা আখতার, অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনা এবং অধ্যাপক ড. লামইয়া জাহির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবরাও অংশ নেন।
/আশিক
অন্যের নামে জমি রেকর্ড হলে করণীয় কী?
নিজের কেনা কিংবা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি ভুলবশত অন্য কারও নামে রেকর্ডভুক্ত হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক দলিল ও আইনগত মালিকানার উপযুক্ত প্রমাণ থাকলে এই রেকর্ড সংশোধন করার কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সংশোধনের প্রক্রিয়া নির্ভর করে মূলত ভুলটি কী প্রকৃতির, সম্পত্তি কীভাবে অর্জন করা হয়েছে এবং সংশোধিত খতিয়ানটি চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে কি না—তার ওপর। কোথাও সাধারণ বানান বা করণিক ত্রুটির জন্য সাধারণ আবেদন করলেই সমস্যার সমাধান মেলে, আবার জটিল বিরোধের ক্ষেত্রে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বা দেওয়ানি আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়।
জমি অন্যের নামে রেকর্ড হওয়ার পেছনে মূলত কয়েকটি সাধারণ কারণ কাজ করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে জরিপ চলাকালীন তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, জমি কেনাবেচার পর সময়মতো নামজারি না করা, ওয়ারিশদের নাম বাদ পড়ে যাওয়া কিংবা প্রতারণামূলক জাল দলিলের ব্যবহার। অনেকে জমি কেনার পর নামজারি সম্পন্ন না করায় পুরোনো মালিকের নাম রেকর্ডে থেকে যায়। একইভাবে, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে একাধিক উত্তরাধিকারী থাকলেও খতিয়ানে সবার নাম সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত নাও হতে পারে। তবে খতিয়ানে নাম থাকা মানেই সবসময় তিনি ওই জমির চূড়ান্ত মালিক নন; মালিকানা নিশ্চিত করতে মূল দলিল, পূর্ববর্তী খতিয়ান এবং অন্যান্য আইনি কাগজপত্র যাচাই করা বাধ্যতামূলক।
রেকর্ড সংশোধনের জন্য ঘটনার ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে নিবন্ধিত ক্রয়দলিল বা পূর্বের মালিকের দলিল, বিভিন্ন ধাপের জরিপের খতিয়ান (সিএস, এসএ, আরএস, বিএস), মৌজা ও দাগ নম্বরসহ জমির সুনির্দিষ্ট বিবরণ, নামজারির আদেশপত্র, ওয়ারিশ সনদ ও বণ্টননামা (উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে), হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ এবং আগের কোনো মামলা থাকলে তার রায়ের কপি। সব ক্ষেত্রে সব নথির প্রয়োজন হয় না, বরং মালিকানার উৎস ও ভুলের ধরনের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র প্রস্তুত করতে হয়।
ভুলের ধরন ভেদে প্রতিকারের পথও ভিন্ন হয়। খতিয়ানে নামের বানান বা গাণিতিক হিসাবের মতো সাধারণ ভুল থাকলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে সংশোধনের আবেদন করা যায়। কিন্তু জরিপের খতিয়ানে প্রকৃত মালিকের বদলে অন্য কারও নাম অন্তর্ভুক্ত হলে এবং রেকর্ড চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের নির্ধারিত ধারায় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে হতে পারে। অন্যদিকে, কেউ প্রতারণা বা জাল দলিলের মাধ্যমে রেকর্ড নিজের নামে করে নিলে বিরোধের প্রকৃতি অনুযায়ী ভূমি কর্তৃপক্ষ বা দেওয়ানি আদালতে আইনি লড়াইয়ে যেতে হয়। এছাড়া নিজের দলিল থাকা সত্ত্বেও অন্যের নামে নামজারি হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট নামজারি মামলার নথি যাচাই করে আপিল বা সংশোধনের সুযোগ নেওয়া যায়।
আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে জমির মৌজা, দাগ ও খতিয়ান নম্বর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি। শুধু দখল বা কর পরিশোধের রসিদ সবসময় মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না, তাই বৈধ দলিলের সঠিকতা ও রেকর্ডের বর্তমান অবস্থা (খসড়া না চূড়ান্ত) নিশ্চিত করতে হবে। সমস্যার ধরন বুঝে সঠিক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে এবং আইনি সময়সীমা যেন পার হয়ে না যায়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। জমির খতিয়ান বা নামজারি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি রেকর্ড অধিদপ্তরের পোর্টাল ব্যবহার করা যায়, পাশাপাশি প্রয়োজনে উপজেলা ভূমি অফিস বা সংশ্লিষ্ট ভূমি আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া নিরাপদ।
সরকারি ভূমিসেবা পাবেন কোথায়?
জমির খতিয়ান, নামজারি ও রেকর্ডসংক্রান্ত তথ্য পেতে সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যায়।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা পোর্টাল:https://land.gov.bd/
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর:https://dlrs.gov.bd/
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন:https://bdlaws.minlaw.gov.bd/
/আশিক
লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে এইচএসসির ফল
আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) প্রকাশিত হতে যাচ্ছে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে গত ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল, যার ভিত্তিতেই ২৯ অক্টোবর চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়। চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন। সারা দেশের মোট ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা গত ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেন। যদিও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামসহ কিছু বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লেগেছিল, তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ব্যবহারিক পরীক্ষাসহ সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
/আশিক
আওয়ামী লীগের মতো নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির দেওয়া নোট অব ডিসেন্টে কোনো পরিবর্তন চাইলে বিরোধী দলকে রাজপথের বদলে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রাতিষ্ঠানিক বৈঠকে এসে সুস্পষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে নিজেদের শাসনভার ও ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যেই ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করেছিল। কিন্তু জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ে নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কখনো সেই অগণতান্ত্রিক পথে হাঁটবে না।
আজকের বৈঠকের গতিপ্রকৃতি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আলোচনার টেবিলে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা সুনিশ্চিতকরণ, সংবিধানে বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদের পরিমার্জন এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সুষম ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার মতো মৌলিক বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। এ ছাড়া আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসহ প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
/আশিক
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও বৈষম্য মোকাবিলায় বহুপাক্ষিকতা কেবল কোনো বিকল্প পথ নয়, বরং এটি অত্যন্ত অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিক কূটনীতির প্রতি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববাসীর সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কার্যকর ও অর্থবহ সংস্কারকে জোরালোভাবে সমর্থন করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সুদৃঢ় করা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাণীতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি আন্তর্জাতিক বহুপাক্ষিক কর্মকাণ্ডে সরকারের নতুন ও সক্রিয় ভূমিকার অঙ্গীকারকে ফুটিয়ে তোলে। বাংলাদেশ সবসময় একটি প্রতিনিধিত্বমূলক, স্বচ্ছ ও কার্যকর জাতিসংঘের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্বশান্তি রক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে তিনি স্মরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ও অব্যাহত সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরিশেষে, পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনা, বিভেদ ভুলে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধি অর্জনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
/আশিক
আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী
ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে সমাজ গঠনে নিয়োজিত ইমাম ও আলেম সমাজের নিরাপত্তা ও সম্মানের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নিজের রক্ত দিতেও কুণ্ঠাবোধ করবেন না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সম্মেলনে উপস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দেশের কওমি ওলামায়ে কেরাম ও ইমামরা ইসলামের মূল ধারক ও বাহক। তাঁদের যেকোনো ন্যায্য প্রয়োজনে ও সুরক্ষায় গায়ের রক্ত দিতে হলেও তিনি দ্বিধা করবেন না। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, মাদ্রাসাসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে।
একই সঙ্গে সামাজিক শান্তি বজায় রাখা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা নস্যাৎ করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। সমাজে ইমামদের অগাধ গ্রহণযোগ্যতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাস, শিশু নির্যাতন ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদানের তাগিদ দেন তিনি। কাউন্সিল অধিবেশনে ইমাম সমিতির পক্ষ থেকে সারা দেশের ইমামদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া মন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- খুলনার স্টেডিয়াম ও বিকেএসপির অবকাঠামোগত উন্নয়নের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
- ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ কি আঘাত হানবে? যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ইরানের ‘জানফাদা’ কর্মসূচি: সাধারণ নাগরিকদের অস্ত্র চালনায় উদ্বুদ্ধ করার নেপথ্য কারণ
- মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: কনস্যুলেটের কোনো অবহেলা ছিল কি না জানাল সংসদীয় কমিটি
- আল-খলিলে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত অভিযান, বাস্তুচ্যুত দেড় হাজার ফিলিস্তিনি
- ইরানের পরমাণু অস্ত্র ইসরায়েলের অস্তিত্ব ধ্বংস করে দেবে: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- ভারতের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলাম
- পুষ্টিতে ভরপুর কলা: শীতকালীন খাদ্যতালিকায় একে রাখা কেন জরুরি
- জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: রাশেদ খান
- উচ্চশিক্ষিত ও স্থিতিশীল চাকরিজীবীদের ক্রেডিট কার্ড বিল পরিশোধে বিপর্যয়
- সাংবাদিকদের অবমাননা ও পেটানোর হুমকি, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ
- আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই দক্ষ প্রকৌশলী গড়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
- আন্তর্জাতিক বাজারের পতনের ধাক্কা, দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কত?
- দেশে ফেরার গুঞ্জনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি: আতঙ্ক ছড়ানোর নেপথ্যে কারা?
- বড় ধাক্কা খেল সান্তোস, বড় নিষেধাজ্ঞায় নেইমার
- অন্যের নামে জমি রেকর্ড হলে করণীয় কী?
- মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তাল
- পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দেখলেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
- লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে এইচএসসির ফল
- যেকোনো সামরিক সংঘাতে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
- আওয়ামী লীগের মতো নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বর্তমান সংসদ পাঁচ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ
- আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, অথচ নোবেল পাইনি: ট্রাম্প
- স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন লিওনেল মেসি
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন রুখতে বড় সামরিক অভিযানের নির্দেশ নেতানিয়াহুর
- প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতের তাগিদ আসিফ নজরুলের
- প্রেক্ষাগৃহে রজনীকান্তের উপস্থিতি ও বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস
- ফুটবল বিশ্বে নতুন জল্পনা: সেরা কোচের পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যিনি
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের
- জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি
- প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক রাজনৈতিক নেতা: রাশেদ খাঁন
- আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী
- চার মাসের মধ্যে সর্ববৃহৎ সাপ্তাহিক পতনের মুখে মূল্যবান ধাতু
- মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ
- এপস্টিন ফাইলে নাম জড়িয়ে সৌদি রাজপরিবারের সমালোচনা হুথি নেতাদের
- 'এখন থেকে ১০ হাজার লোক নিয়ে চলব': সরাইল থানায় এমপি রুমিন ও ওসির তীব্র বাগ্বিতণ্ডার পেছনে আসল ঘটনা কী?
- যে আতঙ্কে খালি করা হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল কোম্পানির সদর দপ্তর: বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত?
- ভালো বা যোগ্য মানুষ দেখে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন দেয় না: ডা. তাসনিম জারা
- টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বলের ইতিহাস ও নতুন বিশ্বরেকর্ড
- রিয়াদ ও মদিনায় বড় ধরনের ড্রোন হামলার দাবি সৌদি জোটের
- সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: ডা. শফিকুর রহমান
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ৫ দিনের বিশেষ পূর্বাভাস
- ৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ-জামায়াত মিলে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
- অবৈধ মোবাইল ফোন নিয়ে বিটিআরসির বড় সিদ্ধান্ত
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী
- বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- বিভ্রান্তিকর ছবি ট্রোলের কড়া জবাব দিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
- ভিডিও বানিয়ে আয়ের সুযোগ দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স
- ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনায় রাজি রাশিয়া
- সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে অর্থ বিভাগের অতি জরুরি প্রজ্ঞাপন
- শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে ভিসামুক্ত ভ্রমণ: ৩৫টি দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর জেরে নতুন বিতর্ক, মুখ খুলল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
- আন্তর্জাতিক ত্রিদেশীয় ক্রিকেটে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নজিরবিহীন সমীকরণের মুখে জাতীয় দল
- ইশরাকের উদ্যোগ ভালো হলেও হাতে অস্ত্র নেওয়া ঠিক হয়নি: ভোলায় স্পিকার মেজর হাফিজ
- আন্তর্জাতিক জ্বালানি খাতের অস্থিরতায় বৈশ্বিক মূল্যবান ধাতুর বাজারে নতুন দরপতন
- ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও নিরাপদ উপাসনা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব: সালাহউদ্দিন আহমদ
- বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরিয়ে আনা শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- রাজশাহীর প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষীকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বলিউডের জনপ্রিয় তারকার ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ও বড় ধরনের সাফল্য
- অনলাইনে আবেদন করলেও মিলবে না ভোটার নিবন্ধন, যা করতে হবে
- খুলনার তেরখাদায় বিএনপির দুই পক্ষে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
- আমাদেরও অসম্পূর্ণ কাজ রয়েছে: ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর নতুন হুমকির কড়া জবাব ইরানের
- মার্কিন ডিভি লটারি ফিরছে: সুযোগ কি পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা?
- বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত পুরস্কার ঘোষণার চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারিত








