হুমকির শেষে আল্লাহর নাম: ট্রাম্পের বিতর্কিত পোস্ট ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

ইস্টার সানডের পবিত্র দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নতুন করে চরম উত্তেজনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ওই পোস্টে ইরানকে কঠোর সামরিক হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি শেষ লাইনে ইসলামের পবিত্র শব্দ 'আল্লাহর নাম' ব্যবহার করায় বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প তাঁর বার্তায় কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন এবং বার্তার একেবারে শেষে লেখেন, 'সকল প্রশংসা আল্লাহর' (Praise be to Allah)।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বিতর্কিত বার্তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম মুসলিম অধিকার রক্ষা সংস্থা 'কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস' (কেয়ার)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ধ্বংসাত্মক হুমকির সাথে আল্লাহর নাম ব্যবহার করে ট্রাম্প মূলত ইসলাম ধর্মকে বিদ্রূপ করেছেন। কেয়ার-এর মতে, একদিকে ইরানি বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো যুদ্ধাপরাধের হুমকি দেওয়া এবং অন্যদিকে ধর্মীয় শব্দ ব্যবহার করা অত্যন্ত বেপরোয়া ও বিপজ্জনক আচরণ। এটি একইসাথে মানবজীবন এবং কোটি কোটি মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি চরম অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, আরবি ভাষায় 'আল্লাহ' শব্দটি ঈশ্বর বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও, ট্রাম্প যে প্রেক্ষাপটে এবং যে ধরনের সহিংস বার্তার শেষে এটি যুক্ত করেছেন, তা মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে। সংস্থাটির দাবি, এটি কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল নয় বরং মুসলিমদের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বিদ্বেষপূর্ণ এবং নেতিবাচক প্রচারণারই একটি অংশ। সহিংসতার বার্তার সাথে ধর্মীয় পবিত্র শব্দকে জুড়ে দেওয়া একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক প্রবণতা হিসেবে দেখছে এই সংগঠনটি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ট্রাম্পের এই পোস্ট নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের সাথে চলমান সামরিক উত্তেজনার মাঝে এ ধরনের সংবেদনশীল ও উসকানিমূলক মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ধর্মীয় সংবেদনশীলতাকে রাজনৈতিক ও সামরিক হুমকির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করায় কূটনৈতিক মহলেও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। ট্রাম্পের এই আচরণ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি দুই সামরিক যানের সংঘর্ষ
দক্ষিণ লেবাননে সামরিক কার্যক্রম চলাকালে দুটি সামরিক যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত আটজন ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন। দখলদার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে আহতদের আঘাত গুরুতর নয় এবং তারা সবাই হালকা আঘাত পেয়েছেন। তবে প্রকাশিত তথ্যের সত্যতা ও ব্যাপ্তি নিয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সন্দেহ প্রকাশ করেছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী রাব আল-থালাথিন গ্রামের নিকটবর্তী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দুটি যান একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় দ্রুত উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা তৎপরতা শুরু করা হয়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আহত আট সেনার মধ্যে ছয়জনকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও তাদের চিকিৎসার হালনাগাদ কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। বাকি দুই সেনাকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও সামরিক সূত্রে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।
নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে কীভাবে দুটি সামরিক যান মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হলো, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ঘটনার আসল কারণ খতিয়ে দেখতে ইসরায়েলি সামরিক কর্তৃপক্ষ একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার সামরিক উপস্থিতি ও সীমান্ত চলাচলের মধ্যেই এই ঘটনাটি ঘটে। এর ফলে সামরিক বহরের অভ্যন্তরীণ সমন্বয়, ড্রাইভিং নিরাপত্তা এবং সার্বিক চলাচলের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সামরিক বাহিনী অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছে যে ঘটনাটি সম্পূর্ণ একটি কারিগরি দুর্ঘটনা এবং এর সঙ্গে কোনো প্রতিপক্ষের হামলা বা প্রত্যক্ষ সামরিক লড়াইয়ের সম্পর্ক নেই। পরিস্থিতি পুরোপুরি খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
/আশিক
চ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিতে চরম উত্তেজনা ও নিরাপত্তা সতর্কতা জারি
স্ট্র্যাটেজিক জলপথ হরমুজ প্রণালির কাছে ওমানের উপকূল থেকে প্রায় চার নটিক্যাল মাইল পূর্বে একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত লেগেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) শনিবার এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউকেএমটিও সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাংকারটির মাস্টার জানিয়েছেন যে প্রজেক্টাইলটি জাহাজটির বাম পাশে বা পোর্ট সাইডে এসে আঘাত হানে। হামলায় জাহাজের কোনো ক্রু হতাহত হননি এবং তারা সবাই নিরাপদে আছেন। তবে এই আকস্মিক ঘটনার পর পুরো প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার প্রভাবে সমুদ্রে কোনো তেল ক্ষরণ ঘটেনি এবং পরিবেশগত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আলামত পাওয়া যায়নি। তবে কোন উৎস থেকে এই প্রজেক্টাইলটি ছোঁড়া হয়েছিল বা কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনা হরমুজ প্রণালির সমুদ্রপথে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তার ওপর নতুন করে গভীর আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে। এর ঠিক আগের দিন শুক্রবারেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে অতিক্রম করার সময় আরও একটি তেলবাহী ট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যার ফলে ওই জাহাজে সাময়িকভাবে আগুন ধরে যায় ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে জাহাজের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন এবং ট্যাংকারটি তার নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখে। শুক্রবারের সেই ঘটনাতেও কোনো হতাহত বা পরিবেশগত বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়নি।
ইউকেএমটিও জানিয়েছে যে পরপর দুটি হামলার ঘটনায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী সমুদ্রসীমায় চলাচলকারী প্রতিটি বাণিজ্যিক জলযানকে চরম সতর্কতা অবলম্বন করার এবং কোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
একদিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি: ফের ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি ইলন মাস্ক
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিবর্গকে পেছনে ফেলে ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ আবারও ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি ডলারের অনন্য মাইফলকের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। শুক্রবার মাত্র একদিনের ব্যবধানে তার সম্পদ ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনৈতিক সাময়িকী ফোর্বস-এর রিয়েলটাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকার শুক্রবারের (২ অক্টোবর) তথ্য অনুযায়ী, তার বর্তমান নিট সম্পদের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ৯৭ হাজার ৯৭০ কোটি ডলারে।
মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদে এই হঠাৎ বড় ধরনের লাফ দেওয়ার নেপথ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে তার মহাকাশ গবেষণা ও স্যাটেলাইট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এবং ইলেকট্রিক গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি টেসলার শেয়ারের চড়া মূল্যবৃদ্ধি।
শুক্রবার বাজারে লেনদেন চলাকালে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৭ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১৫৮ দশমিক ৮৪ ডলারে গিয়ে পৌঁছে। মূলত বিগত ২৪ ঘণ্টায় সংস্থাটি বেশ কয়েকটি মহাকাশযান সফলভাবে কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। একই দিনে টেসলার শেয়ারের দামও প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৭১ দশমিক ৩২ ডলারে উন্নীত হয়।
টেসলার শেয়ার দর বাড়ার পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি সরবরাহের নতুন প্রান্তিক প্রতিবেদন। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে টেসলা মোট ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩২টি গাড়ি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে, যা বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বানুমানের চেয়ে অনেক বেশি। এর ফলে টানা তৃতীয় বছরের মতো বিশ্ববাজারে গাড়ি সরবরাহ কমে যাওয়ার যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন বিনিয়োগকারীরা।
শুক্রবার একদিনে ইলন মাস্কের সম্পদে যে পরিমাণ আর্থিক সংযোজন ঘটেছে, বাংলাদেশী মুদ্রায় হিসেব করলে তার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঘোষিত বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের আকার হচ্ছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ কেবল একদিনে মাস্কের অর্জিত সম্পদের পরিমাণ বাংলাদেশের বার্ষিক বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশের সমতুল্য।
ফোর্বসের রিয়েলটাইম তথ্যমতে, শীর্ষ ধনীর তালিকায় ইলন মাস্ক নিজের এক নম্বর স্থানটি মজবুতভাবে ধরে রেখেছেন। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে অবস্থান করছেন ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, যার আনুমানিক নিট সম্পদের পরিমাণ ৩৭০ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ৩৭ হাজার ৭০ কোটি ডলার।
এর আগেও একাধিকবার ১ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। চলতি বছরের গত ১২ জুন তিনি স্বল্প সময়ের জন্য বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন, যেদিন তার মোট সম্পদ ১ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি ডলারে গিয়ে পৌঁছেছিল।তখন মূলত স্পেসএক্সের পাবলিক শেয়ারের দরবৃদ্ধির ওপর ভর করেই মাস্কের সম্পদ লাফিয়ে বাড়ে।
গত জুন মাসে স্পেসএক্সের প্রতিটি শেয়ার ১৫০ ডলারে লেনদেন শুরু হলে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক বাজারমূল্য প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার স্পর্শ করে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাবে মাস্ক ট্রিলিয়নিয়ারের ক্লাবে প্রবেশ করেন। তবে সেই স্থায়িত্ব বেশিদিন টেকেনি; জুনের শেষভাগে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম প্রায় ৩১ শতাংশ কমে গেলে মাস্ক সেই অভিজাত খেতাব হারান। একই সময় টেসলার সাথে সম্পাদিত একটি চুক্তির কারণে ফোর্বস তার হিসাব থেকে মাস্কের ১১৬ বিলিয়ন বা ১১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের শেয়ার সাময়িকভাবে বাদ দেয়।
পরবর্তীতে ২৯ জুন তিনি আবার স্বল্প সময়ের জন্য ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করলেও ১ জুলাই স্পেসএক্সের বাজারদর পুনরায় পড়ে যাায়। এমনকি জুলাই মাসে স্পেসএক্সের শেয়ার সর্বোচ্চ স্তর থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ নেমে এলে তার মোট সম্পদ কমে ৭০০ বিলিয়ন ডলারের নিচে চলে গিয়েছিল।তবে সাম্প্রতিক সময়ে স্পেসএক্স ও টেসলা—উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে পুনরায় চাঞ্চল্য ফেরায় মাস্কের সম্পদ আবারও দ্রুত গতিতে বাড়তে শুরু করেছে। আর এরই ধারাবাহিকতায় তিনি আবারও ১ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের দোরগোড়ায় উপনীত হয়েছেন।
/আশিক
আমি সবসময় এরদোয়ানকে খুশি রাখব: নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
তুরস্কের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তুরস্কের ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে কেন বিলম্ব হচ্ছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি সবসময় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে খুশি রাখার পক্ষপাতী। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে নিজের একজন ভালো বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ হয়। তবে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকলেও ঠিক কবে নাগাদ এই নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়া হবে, সে সম্পর্কে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি জানাননি।
এর আগে গত জুলাইয়ে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনের এক ফাঁকে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সে সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, 'কাউন্টারিং আমেরিকাস অ্যাডভারসারিজ থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্ট' বা সিএএটিএসএ-এর অধীনে তুরস্কের ওপর যে বিধিনিষেধ চাপানো হয়েছে, তা অপসারণ করা হবে। এর পাশাপাশি তুরস্কের কাছে উন্নতমানের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে অত্যাধুনিক এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে ২০১৯ সালে তুরস্ককে তাদের কাঙ্ক্ষিত এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান যৌথ উৎপাদন ও সরবরাহ কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তখন যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, রাশিয়ান এই সামরিক প্রযুক্তি এফ-৩৫ এর মতো পশ্চিমা যুদ্ধবিমানের জন্য নিরাপত্তাগত ঝুঁকি তৈরি করে এবং এটি ন্যাটোর সার্বিক সামরিক কাঠামোর সঙ্গে মোটেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
পরবর্তীকালে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে মার্কিন প্রশাসন কাউন্টারিং আমেরিকাস অ্যাডভারসারিজ থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্টের আওতায় তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প খাত এবং বেশ কয়েকজন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তার ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এই পদক্ষেপের ফলে দেশটির জন্য মার্কিন রপ্তানি লাইসেন্স লাভ এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে আঙ্কারার অবস্থান ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে দাবি করে, নিজস্ব জরুরি আকাশ প্রতিরক্ষা প্রয়োজনীয়তা মেটাতেই তারা বাধ্য হয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ব্যবস্থা সংগ্রহ করেছিল। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্কের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং এফ-৩৫ প্রকল্পে আঙ্কারার পুনর্বাসন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
বিশ্বজুড়ে ডিজেলের চরম সংকটের আশঙ্কা, বৈশ্বিক সরবরাহ ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের তড়িঘড়ি
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে চরম সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জ্বালানির মূল্য সাধারণ মূল্যস্ফীতির সাধ্যের মধ্যে রাখাটাই এখন হোয়াইট হাউসের জন্য সবচেয়ে বড় নীতিনির্ধারণী চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে বিশ্ব ডিজেল বাজার সামাল দেওয়া ওয়াশিংটনের জন্য অত্যন্ত কঠিন এক দ্বিধাদ্বন্দ্বে পরিণত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব সরবরাহ শৃঙ্খলে বর্তমানে দুইমুখী বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একদিকে, ইউরোপীয় দেশগুলো যদি তাদের জরুরি রিজার্ভে থাকা অতিরিক্ত ডিজেল বৈশ্বিক বাজারে উন্মুক্ত না করে, তবে আন্তর্জাতিক পরিসরে ডিজেলের তীব্র অভাব দেখা দেবে এবং বাজারদর দীর্ঘমেয়াদে রেকর্ড উচ্চতায় আটকে থাকবে।
অন্যদিকে, নিজ দেশের বাজারের চাপ সামলাতে যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজস্ব ডিজেল রপ্তানি সীমিত বা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ইউরোপজুড়ে জ্বালানির মূল্যে চরম মন্দা ও সংকট তৈরি হবে, যা পুরো বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাণিজ্যিক কাঠামোগুলোকে ওলটপালট করে দিতে পারে। এই উভয়সংকট কাটিয়ে উঠতে মার্কিন প্রশাসন অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সমন্বিত কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যাতে বিশ্ববাজারে ডিজেলের সার্বিক ঘাটতি দেখা না দেয় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি অর্থনীতিতে বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।
সূত্র: আল-জাজিরা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে তোলপাড় দিল্লি, যন্তর মন্তরে বন্ধ ইন্টারনেট
ভারতের ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও গণহারে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী দিল্লি। আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল বিক্ষোভ প্রতিহত করতে যন্তর মন্তর ও এর আশপাশের ১.৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় টানা ১২ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলন দমন ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এয়ারটেল, রিল্যায়েন্স জিও এবং ভোডাফোন আইডিয়ার মতো প্রথম সারির টেলিকম অপারেটরগুলোকে সেবা বন্ধ রাখার সরকারি আদেশ দেওয়া হয়। বিক্ষোভ প্রদর্শনকারী প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা), স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) এবং ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার (এনএসইউআই) নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে সাধারণ নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠিত এই আন্দোলন থেকে রাজনৈতিক নেতা ও আন্দোলনকারী ছাত্রসহ প্রায় ৭০০ বিক্ষোভকারীকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে জুলাই মাসে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে সিজিপি আন্দোলনের সময় একইভাবে মধ্য দিল্লিতে ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছিল, যা তিন মাসের মাথায় আবারও পুনর্ব্যক্ত হলো।
/আশিক
পরমাণু অস্ত্রসহ সব ধরণের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি পুতিনের
রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন বাল্টিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড কালিনিনগ্রাদে সরাসরি হামলা চালানো হলে পারমাণবিক অস্ত্রসহ মস্কোর সামরিক তহবিলে থাকা ‘সব ধরনের অস্ত্র’ ব্যবহারের সুস্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে ইউরোপ আক্রমণ বা কোনো দেশে সামরিক আগ্রাসনের পরিকল্পনা মস্কোর নেই দাবি করে তিনি জানান, রাশিয়ার সার্বভৌম ভূখণ্ডে আঘাত এলে তার দাঁতভাঙা ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মস্কোয় বিখ্যাত ভালদাই আলোচনা ক্লাবের বার্ষিক বৈঠকে বিশ্ব পরিমণ্ডলে চলমান চরম সামরিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় পুতিন এই চরম সতর্কবার্তা দেন।
পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে বাল্টিক সাগরের উপকূলে অবস্থিত কালিনিনগ্রাদ অঞ্চলকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটো জোটের একের পর এক সামরিক মহড়া ও রুশ জাহাজ আটকের চেষ্টাকে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য দায়ী করেন পুতিন। তিনি স্পষ্ট করেন যে কালিনিনগ্রাদ বা রাশিয়ার যেকোনো ভূমিতে সরাসরি হামলা চালানো হলে তার সুরক্ষায় পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার অনিবার্য হয়ে উঠবে।
যদিও ন্যাটোর পক্ষ থেকে রাশিয়ার এই বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন পারমাণবিক হুমকি’ বলে নিন্দা জানানো হয়েছে এবং ন্যাটোকে কেবল প্রতিরক্ষামূলক একটি জোট হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধের পঞ্চম বছরে এসে পশ্চিমাদের সংঘাত উসকে দেওয়ার পরিণতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে উল্লেখ করে পুতিন সতর্ক করেন যে, বিশ্ব এখন এক ভয়াবহ স্পর্শকাতর সময় অতিক্রম করছে যেখানে ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্রের ব্যবহার কখনোই অসম্ভব নয়।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে ইয়েমেনে নতুন করে বিমান হামলা শুরু
ইয়েমেনের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাইজ প্রদেশে হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক অবস্থান ও রসদ সরবরাহ লক্ষ্য করে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ২০টি শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সশস্ত্র বাহিনী। আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় টানা বিমান হামলার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, হুথিদের সৈন্য সমাবেশ, সামরিক যানবাহন, অস্ত্রাগার ও যোগাযোগের পথগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে এই সমন্বিত বিমান হামলাগুলো চালানো হয়। এতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের পাশাপাশি একাধিক সদস্য হতাহত হয়েছে বলে দাবি করে সেনাবাহিনী।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেও রাজধানী সানা, সা’দা ও তাইজে হুথিদের একাধিক নিয়ন্ত্রিত ঘাঁটিতে ধারাবাহিক হামলা চালায় ইয়েমেনি বাহিনী। নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আগে সৌদি আরবের মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যার পেছনে হুথিদের দায়ী করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে হুথিরা অভিযোগটি পুরোপুরি অস্বীকার করে একে রিয়াদের ‘মিথ্যা প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাইজ অঞ্চলে পাল্টাপাল্টি সংঘাত ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় নতুন করে বহু বেসামরিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে মানবিক সংকট ও লোহিত সাগরের নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
/আশিক
জলপথ থেকে আকাশসীমা: ইরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান বিধ্বংসী সামরিক অভিযানের সাত মাস অতিক্রান্ত হলেও সংঘাত নিরসনে কোনো রূপরেখা দেখা যাচ্ছে না। বরং ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিকে কোণঠাসা করতে ওই অঞ্চলের আশপাশের কৌশলগত জলসীমায় বিপুল পরিমাণ সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরও জোরদার করছে ওয়াশিংটন। সম্প্রতি ওই অঞ্চলের জলসীমায় ২ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েনের উদ্যোগের খবর প্রকাশ্যে আসার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নতুন করে আরও তীব্র রূপ নেওয়ার বড় আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানানো হয়, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ সান দিয়েগো ঘাঁটি ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হয়েছে এবং এর পরপরই দুই হাজার মেরিন সেনা নিয়ে ম্যাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও যাত্রা করেছে। পেন্টাগনের সামরিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের চারপাশের কৌশলগত জলসীমায় তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী, দুটি অ্যাম্ফিবিয়াস ল্যান্ডিং গ্রুপ এবং একাধিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন থাকবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, কূটনৈতিক আলোচনা চললেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে সামরিক সব বিকল্প কার্যকর রাখতেই এই কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি ওয়াশিংটন ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর অধীনে ইরানের বৃহত্তম অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ইরান খোদ্রো ও সাইপাসহ দেশটির রেলওয়ে, ম্যানুফ্যাকচারিং ও ইস্পাত খাতের ওপর নতুন অর্থসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতে একটি সুপারট্যাঙ্কারে আগুন লাগার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। কাতারের মধ্যস্থতায় দুদেশের পরোক্ষ যোগাযোগের পথ খোলা রাখার জোর তাগিদ দিয়েছেন তিনি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, তেহরান সংলাপের পথ থেকে পিছিয়ে আসবে না এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবনে যুক্তরাষ্ট্রের পৌঁছানো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- পূর্ণ ক্ষমতায় রামপালের দুই ইউনিট, জাতীয় গ্রিডে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ
- ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি দুই সামরিক যানের সংঘর্ষ
- মহাকাশ থেকে ভেসে এলো নতুন সংকেত: বহির্বিশ্বের গ্রহ থেকে প্রথম রেডিও তরঙ্গ শনাক্ত
- দক্ষিণ এশিয়ার মাটিতে বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
- বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তাই এখন নতুন স্বাভাবিক: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
- ইসলামাবাদ লং মার্চ বাতিল ও ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে সরগরম পাকিস্তান রাজনীতি
- দলীয় পরিচয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা: আখতারুজ্জামানকে নেতা মানতে রাজি নয় জামায়াত
- শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া প্রকাশ
- বয়স কেবল সংখ্যা মাত্র, বৈশ্বিক মঞ্চে ফের চমক প্রবীণ অভিনেত্রীর
- আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরকারেরই গোপন যোগাযোগ রয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- চ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিতে চরম উত্তেজনা ও নিরাপত্তা সতর্কতা জারি
- ফুটবলের নতুন ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত কলকাতার ক্রীড়াঙ্গন
- একদিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি: ফের ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি ইলন মাস্ক
- দিল্লিতে ফের বড় ধরনের রাজনৈতিক উত্তাপ ও বিক্ষোভ
- জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে মানবিক প্রয়াসে শীর্ষ নেতৃত্বের সহধর্মিণীরা
- ট্রাম্পের নৈশভোজের বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আমি সবসময় এরদোয়ানকে খুশি রাখব: নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
- ‘আমরা শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাইনি’: ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর স্পষ্ট বক্তব্য
- বিশ্বজুড়ে ডিজেলের চরম সংকটের আশঙ্কা, বৈশ্বিক সরবরাহ ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের তড়িঘড়ি
- প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে তোলপাড় দিল্লি, যন্তর মন্তরে বন্ধ ইন্টারনেট
- পরমাণু অস্ত্রসহ সব ধরণের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি পুতিনের
- ফেডের সিদ্ধান্তের আগে ডলারের সূচকে পতন, স্বর্ণের বাজারে নতুন মোড়
- ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে ৩৫ যাত্রীকে রক্ষা, প্রাণ গেল চালকের
- লন্ডনে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের উপস্থিতিতে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময়
- খানাখন্দে ভরা সড়কের দিন শেষ: এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর বরাদ্দে পাকা হচ্ছে ইউছুফপুর সড়ক
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সম্পদ ও মামলা নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক পোস্ট
- ১৪তম ওয়ানডে বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ও ভেন্যু ঘোষণা
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে ইয়েমেনে নতুন করে বিমান হামলা শুরু
- 'বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিশোধ ঠান্ডা মাথায় ভালো': রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার পর বোনের বিস্ফোরক মন্তব্য
- শপথ নেওয়ার পরের দিনগুলোর বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ড. আসিফ নজরুল
- ৯টি প্রাকৃতিক সীমানার ৭টিই অতিক্রম করেছে মানুষ, ধেয়ে আসছে অপূরণীয় পরিবেশ বিপর্যয়
- ৩ মাসের মধ্যে দেশ থেকে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির
- জলপথ থেকে আকাশসীমা: ইরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
- ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শারীরিক অবস্থা ঘিরে শাশুড়ির গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য
- ইউরেনিয়াম নিয়ে ঢাকার পথে রাশিয়ার বিশেষ বিমান
- বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
- ‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত দল আবার এক হয়েছে’: ফেনী থেকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
- এলপিজি আমদানি পর্যাপ্ত, তবু ১৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার ২৯০০: গ্যাস গেল কোথায়?
- চলতি বছর ৪৩ লাখ কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’ ও প্রণোদনা: কৃষি মন্ত্রী
- জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা
- স্কুল ভর্তি থেকে জমি কেনাবেচা: রাজ্যগুলোর কাছে ধর্মভিত্তিক হিসাব তলব ভারতের কমিটির
- উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থার তাগিদ আমীরে জামায়াতের
- দেশে এলপিজি গ্যাসের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট রোধে ডিসিদের কড়া নির্দেশ
- রাড্ডা ক্লিনিক ভাঙচুরে এমপি মিষ্টির নাম, তদন্তে অপরাধী মিললে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেহরানে পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক জবাব
- লাইন পরিবর্তন কাজ: বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় জরুরি বার্তা তিতাসের
- কলকাতায় ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের টিকিটে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার
- নূহ (আ.)-এর নৌকার সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষে প্রথমবার ড্রিলিং, ভূগর্ভে মিলল অস্বাভাবিক বস্তুর সংকেত
- ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক: গাজী শওকাত হোসেনের পরিবার-সাড়ে পাঁচ দশকের জনসেবা
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- পৈতৃক জমির ওপর পিচঢালাই রাস্তার আশঙ্কায় আইনি নোটিশ, যৌথ ভূ-জরিপের দাবি
- জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে আমরা ব্যথিত: ন্যায়বিচারের আশ্বাস রাশেদ খাঁনের
- এশিয়ান গেমসের নকআউট পর্বের আগে বড় ধাক্কা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে
- চীনের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
- বিশ্বমঞ্চে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিরাট কোহলি
- ক্রিকেট খেলায় নতুন দিগন্ত: সারা দেশে ট্রায়াল পর্বের সূচনা
- জাতীয় দল ও ইতালিয়ান ক্লাবের টানাপোড়েন: বড় সিদ্ধান্তের মুখে বিশ্বজয়ী তারকা
- জাতীয় নাগরিক পার্টির বড় সিদ্ধান্ত: নতুন জাতীয় দায়িত্বে সারজিস আলম
- আমরা জয়ী হয়েছি তবে বিজয় সুসংহত করতে হবে: তেহরানে ইরানি সেনাপ্রধান
- 'ছাত্ররা নামলেই গুলি করে মারা হবে' ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন জুলাইযোদ্ধা
- ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন: মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় খবর
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- ইরানে আর কখনো বিদেশি আধিপত্য ফিরবে না, আরব সাগর থেকেও তাড়ানো হবে শত্রুদের: খামেনি








